Tag: পেছাল

  • ডিপজল-মিশার বিরুদ্ধে নিপুণের রিটের শুনানি পেছাল

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১৯ এপ্রিল। এতে মিশা-ডিপজল প্যানেলের অধিকাংশই জয়লাভ করেন। ভোটের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত কমিটিকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানাতে দেখা যায় সম্পাদক পদে পরাজিত প্রার্থী নিপুণকে। তবে এক মাস না পেরোতেই এ কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন এই অভিনেত্রী। 

    গত বুধবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে নিপুণের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায় রিট আবেদন করেন।
    রিটে মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। একই সঙ্গে নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তের দাবি করা হয়।

    রোববার নিপুণের আইনজীবী পলাশ আদালতে দাবি করেন, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অবৈধ টাকার খেলা হয়েছে। তাই এ কমিটির বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছে।
    তবে নিপুণ দেশে না থাকায় ডিপজল-মিশা কমিটির বিরুদ্ধে করা রিট শুনানির তারিখ পেছানো হয়েছে বলেও জানান আইনজীবী পলাশ।

    গত ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০ এপ্রিল সকালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়।

    এ নির্বাচনের ফলাফলে সভাপতি পদে ১৭০ ভোট পাওয়া মাহমুদ কলিকে হারিয়ে মিশা সওদাগর ২৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপরদিকে সম্পাদক পদে ২২৫ ভোট পাওয়া ডিপজলের কাছে নিপুণ ২০৯ ভোট পেয়ে হেরে যান।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির মাদক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

    রাজধানীর বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।

    রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত এদিন ধার্য করেন। 

    আরও পড়ুন: 

    এদিন মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। পরীমনির পক্ষে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভি আদালতে হাজিরা দেন এবং আদালতকে জানান, আপিল বিভাগ থেকে মামলাটির ওপর স্থগিতাদেশ বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। স্থগিতাদেশ বিষয়ে সার্টিফায়েড কপি না পাওয়া পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য আবেদন করেন তিনি। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১ জুলাই পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত বছরের ৯ জানুয়ারি পরীমনির মাদক মামলার কার্যক্রম ছয় মাস স্থগিত থাকবে বলে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ আদেশ দেন।
    ২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। পর দিন ৫ আগস্ট র্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে। 

    তদন্ত শেষে গত বছরের ৪ অক্টোবর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এর পর চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি আদালত পরীমনিসহ তিন আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। 

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র ছিল না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে সিআইডিকে জানানো হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পরীমনির নামে মদজাতীয় পানীয় সেবনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। ওই লাইসেন্সের মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে। পরীমনি এ মামলার দুই আসামি আশরাফুল ইসলাম ও কবির হোসেনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় রেখেছিলেন। 
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

    এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    মামলার আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা-কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    আদালত প্রতিবেদক