Tag: পার্নো মিত্র

  • জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস আছে, ‘রাজযোগ’-এ নেই: পার্নো মিত্র

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল পার্নো মিত্র ভীষণ যুক্তিবাদী। তিনি প্রধানত বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন৷ রবি ওঝা নির্দেশিত খেলা এবং মোহনা ধারাবাহিকে অভিনয় করার মাধ্যমে তিনি পরিচিত হতে শুরু করেন৷

    ২০১১ সালে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত ‘রঞ্জনা আমি আর আসবো না’ সিনেমাটির মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। ‘দত্ত ভার্সাস দত্ত’, ‘বেডরুম’, কয়েকটি মেয়ের গল্প’, ‘আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ড’ ‘মাছ, মিষ্টি, মোর’, ‘শেষ অঙ্ক’, ‘গ্ল্যামার’সহ বেশ কয়েকটি আলোচিত চলচ্চিত্রে তিনি কাজ করেছেন। ২০১৭ সালে বড়পর্দায় মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ডুব’ চলচ্চিত্রটির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে অভিষেক ঘটে।

    বাস্তবে পার্নো মিত্র তথাকথিত সংস্কার তার ভাবনায় শিকল পরাতে পারেনি। ব্যতিক্রম একটি বিষয়। পার্নো জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাসী। পশ্চিমা জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী তিনি বৃশ্চিক রাশি। এই শাস্ত্রের প্রতি বিশ্বাসের কারণেই তিনি সুযোগ পেলে রাশিফলও পড়েন। ৩০ মে অক্ষয় তৃতীয়া। ওই দিন কিছু রাশির রাজযোগ রয়েছে।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী অকাট্য যুক্তি দিয়েছেন— আমি জ্যোতিষশাস্ত্র মানি। রাশিফল নিয়েও আগ্রহী। একটু আধটু পড়াশোনাও আছে। সেই জায়গা থেকে জানি— সবার জন্ম সময় আলাদা। তাই সংবাদমাধ্যমে যে ফল দেয়, সেটি প্রত্যেকের ব্যক্তিগত রাশিফলের সঙ্গে সাধারণত মেলে না। সুতরাং ‘রাজযোগ’ বলে কিছু হয় না।’ 

    পার্নো মনেপ্রাণে বাঙালি। তাই পহেলা বৈশাখের মতো এই দিনেও তিনি পূজা দিয়ে ঈশ্বরের আশীর্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করেন। ‘বাড়ির বড়দের মুখে শুনতাম— অবাঙালিদের যেমন ধনতেরাসে গহনা কেনার চল, বাঙালিদের অক্ষয় তৃতীয়ায়। লক্ষ্মী যাতে অচঞ্চলা থাকেন তার জন্যই এই আয়োজন। আমিও অল্প বয়সে সোনার ছোট ছোট গয়না কিনতাম, বলেছেন অভিনেত্রী। গত কয়েক বছরে তাতে ছেদ পড়েছে। তবু বদলে বাড়িতে ধান বা গম রাখতে ভোলেন না।

    পার্নো শুনেছেন, গম লক্ষ্মীর প্রতীক। তিনি তাই ওই বিশেষ দিনে ঠাকুরঘরে নতুন ধান বা গম রাখার চেষ্টা করেন। একইভাবে সাজে থাকে সাবেকিয়ানার স্পর্শ। শাড়ি, ফুল, গহনায় সেজে ওঠেন। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে হালখাতা করতে নির্দিষ্ট দোকানেও গেছেন। এখন সেসব সোনালি স্মৃতি।

    উল্লেখ্য, পার্ণো মিত্র ১৯৮৭ সালে ৩১ অক্টোবরে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা অরুণাচল প্রদেশে কাজ করতেন এবং তিনি তার শৈশবের বেশিরভাগ দিন সেখানে কাটিয়েছেন। তিনি দার্জিলিংয়ের ডাউ হিল স্কুল থেকে প্রাথমিক এবং কলকাতার প্র্যাট মেমোরিয়াল স্কুলে স্নাতক স্তর শেষ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পার্নোর জীবনে নতুন প্রেম, কে সেই যুবক?

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পার্নো মিত্র তার অভিনয় ক্যারিয়ার টিভি সিরিয়াল দিয়ে শুরু করেন। তবে বড়পর্দায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে খোলাসা না করলেও সম্প্রতি একটি ছবিকে ঘিরে পার্নোর সম্পর্কে জড়ানো নিয়ে নানা প্রশ্ন দানা বেঁধেছে। 

    অভিনেত্রী তার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে পোষ্য সারমেয়কে আদর থেকে শুরু করে রয়েছে খাওয়া-দাওয়ার ছবি। আর এসব ছবির মাঝেই একটি ছবিতে চোখ আটকে গেছে সবার। একটি রেস্তোরাঁয় রহস্যময় পুরুষের বাহুলগ্না অভিনেত্রী। সেই পুরুষই সেলফিটা নিয়েছেন। সুদর্শন সেই পুরুষের পরিচয় কী তা এখনো জানা যায়নি। তবে ছবি দেখে মনে হচ্ছে— পার্নোর সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে সেই যুবকের। 

    তবে কি এবার প্রেমে পড়লেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী? এর আগেও পার্নো মিত্র একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন আর তা নিয়ে চর্চাও কম হয়নি।  রাইমা সেনের মাধ্যমেই পার্নোর জীবনে একসময় প্রেম এসেছিল। 

    সূত্রের খবর, পার্নোর প্রেমিকের নাম ছিল রনি দেব। তিনি এক রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। রাইমা ও রনি দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব বলে জানা যায়। সেই সূত্র ধরেই পার্নোর সঙ্গে রনির পরিচয় হয়। রনি পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী। ২০১৮ সালের দুর্গাপূজা থেকে রনি ও পার্নোর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। শহরের একাধিক জায়গায় সেই সময় দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়। তবে হঠাৎই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।  

    এর আগে পার্নোর সঙ্গে নাম জড়ায় পরিচালক মৈনাক ভৌমিকেরও। কিন্তু তারা বরাবরই নিজেদের ভালো বন্ধু বলেই দাবি করে আসেন। এরপর অবশ্য পার্নোর নাম আর কারোর সঙ্গে জড়ায়নি। নিজের ক্যারিয়ারের দিকেই এখন মনোযোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে অভিনয়জীবন শুরু করেছিলেন পার্নো মিত্র। টিভির পর্দায় সম্প্রচারিত ‘খেলা’ ধারাবাহিকে তাকে ইন্দিরার চরিত্রে দেখা যায় প্রথম। তিনিই ছিলেন সিরিয়ালের নায়িকা। 

    তারপর ‘মোহনা’ সিরিয়ালেও মোহনার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী। এর জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। ‘সময়’, ‘বউ কথা কও’-এর মতো সিরিয়ালেও দক্ষতার সঙ্গে পারফর্ম করেছেন পার্নো মিত্র। 

    এরপর আসে তার বড়পর্দার ব্রেক। পরিচালক অঞ্জন দত্তের ‘রঞ্জনা তুমি আর আসবে না’ ছবিতে রঞ্জনা ছিলেন পার্নোই। তিনটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল সেই ছবি। এরপর ‘অপুর পাঁচালি’, ‘বেডরুম’, ‘মাছ মিষ্টি মোর’, ‘একলা আকাশ’, ‘গ্ল্যামার’, ‘ভীতু’, ‘আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ডস’, ‘রাজকাহিনী’, ‘দ্য ক্লে বার্ড’, ‘আলিনগরের গোলকধাঁধা’, ‘বালিঝড়’, ‘আহারে মন’-এর মতো সিনেমাতে অভিনয় করেছেন পার্নো মিত্র।

    ২০২১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন পার্নো মিত্র। তবে তিনি তৃণমূলের তাপস রায়ের বিপক্ষে লড়ে হেরে গিয়েছিলেন ৩৫,১৪৭ ভোটে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি ‘বিলডাকিনি’ মুক্তি পাচ্ছে না

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুদানে নির্মিত ‘বিলডাকিনি’ ছবিটি আজ সারা দেশে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছবিটি প্রচারের মাঝপথেই হঠাৎ থমকে গেল। টালিউডের শক্তিমান অভিনেতা মোশাররফ করিম ও পার্নো মিত্র অভিনীত ছবিটি তাই আজ মুক্তি পাচ্ছে না।

    গত ১০ জানুয়ারি ছবিটির প্রথম পোস্টার উন্মোচন করেন অভিনেতা মোশাররফ করিম। নুরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের ব্যতিক্রমধর্মী কাহিনি অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বিলডাকিনি’।

    এর আগে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি ‘বিলডাকিনি’ ২৪ জুলাই মুক্তির দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। এটি নিশ্চিত করেছিলেন নির্মাতা ফজলুল কবীর তুহিন। কিন্তু হঠাৎ করে তিনি ঘোষণা করলেন, অনিবার্য কারণবশত আমরা ছবিটি মুক্তি দিতে পারছি না। দর্শকদের কাছে আমরা বিনীতভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। তবে আশা করছি আসন্ন কোনো একটি উৎসব কেন্দ্র করে মুক্তি পাবে ‘বিলডাকিনি’।

    ‘বিলডাকিনি’ ছবিটিতে মোশাররফ করিম ও পার্নো মিত্র ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহজাহান সম্রাট, লুৎফর রহমান জর্জ, শিল্পী সরকার অপু, রশীদ হারুন, হাবিব মাসুদ, আইনুন নাহার পুতুল, ইউসুফ হাসান অর্ক, মাহবুবুর রহমান, তিথি, মেহেদী হাসান সোমেন প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আশ্রয় নিলেন পার্নো মিত্র

    ঢাকাই সিনেমায় কলকাতার অভিনেত্রীদের অভিনয়ের আনাগোনা অনেক আগে থেকেই। তবে ইদানীংকালে তা চোখে পড়ার মতো। কারণ কলকাতায় সিনেমার কাজের পরিমাণ কমে যাওয়াতে ঢাকার দিকেই নজর তাদের। 

    সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই সিনেমা নিয়ে কলকাতার অভিনেত্রীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। গত দুবছরে কলকাতার ইধিকা পাল, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, মিমি চক্রবর্তী, কৌশানী মুখার্জী, সায়ন্তিকা ব্যানার্জিসহ আরও অনেকেই কাজ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবার দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে কলকাতার অভিনেত্রী পার্নো মিত্র অভিনীত একটি সিনেমা। ‘বিলডাকিনি’ নামে এ সিনেমায় দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমের বিপরীতে তিনি অভিনয় করেছেন। এটি এ অভিনেত্রীর বাংলাদেশে দ্বিতীয় সিনেমা। 

    এর আগে ‘ডুব’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। ভারতে কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেলেও সেগুলো খুব একটা সাফল্য যোগ করতে পারেনি পার্নোর ক্যারিয়ারে। তাই বরাবরই মুখিয়ে ছিলেন বাংলাদেশে কাজ করার জন্য। ‘মায়া’ নামে একটি টেলিফিল্মেও কাজ করেন। কিন্তু আশ্রয় খোঁজেন ঢাকাই সিনেমায়। 

    অবশেষে তার সেই দ্বার খুলতে চলেছে। নিজের অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় সিনেমা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পার্নো মিত্র। ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের টেলিফিল্ম ও সিনেমায় কাজের অভিজ্ঞতাও জানান। সঙ্গে ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আরও কাজ করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন। 

    জানা গেছে, কথাসাহিত্যিক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের উপন্যাস ‘বিলডাকিনি’ অবলম্বনে একই নামে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এটি নির্মাণ করেছেন ফজলুল তুহিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি এখনো বিজেপি ছাড়িনি: পার্নো মিত্র

    বহুদিন পর আবারও বড়পর্দায় মুক্তি পেল পার্নো মিত্র অভিনীত ছবি বনবিবি। সেই ছবি মুক্তি থেকে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে সব কিছু জানালেন অভিনেত্রী।

    rnrn

    বনবিবি ছবিতে উঠে এসেছে সুন্দরবনের মানুষদের রোজনামচার কথা। ছবির শুটিংয়ের অনেকটাই সেখানে হয়েছে। শুটিংয়ের সেই অভিজ্ঞতার কথা মনে করে পার্নো বলেন, খুবই কষ্ট করতে হয়েছে। 

    rnrn

    দশটা দিন যে কী স্ট্রাগল করে ওখানে কাটিয়েছি বলে বোঝাতে পারব না। সারাদিন লঞ্চে বসে থাকতাম, কোনো ভ্যানিটি ভ্যান ছিল না। কিছুই না। সব কিছুই লঞ্চে। কিন্তু সব থেকে কষ্টকর ছিল কাদার মধ্যে হাঁটা। পায়ের তলায় ম্যানগ্রোভের কাঁটা ফুটে ফুটে খুব কষ্ট হতো।

    rnrn

    ২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দেন পার্নো। এখনো কি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি? এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি এখনো বিজেপি ছাড়িনি। কিন্তু আর অ্যাকটিভ পলিটিক্সে যুক্ত নেই। তবে পরে আবার সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরব কিনা জানি না। মনে হয় দেখা যাবে।

    rnrn

    বনবিবি ছবিটির পরিচালনা করেছেন রাজদীপ ঘোষ। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন রানা সরকার। এখানে পার্নো মিত্র ছাড়াও আছেন সোহিনী সরকার, রণজয় বিষ্ণু, আর্য দাশগুপ্ত প্রমুখ। এখানে সুন্দরবনের মানুষদের জীবনযাপনসহ নানা দিকের কথা উঠে এসেছে।

    বিনোদন ডেস্ক