Tag: পরিচালক

  • ১৮৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি কী ভাবে ভাগ করবেন আমির, কী কী রয়েছে?

    আমির খান হলেন বলিউডের একজন অন্যতম জনপ্রিয় এবং সফল অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক। তিনি অভিনয় এবং সিনেমার চয়েসের জন্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত এবং পরিচিত। আমির খানকে ‘পারফেকশনিস্ট’ বলা হয়, কারণ তিনি প্রতিটি সিনেমায় অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে কাজ করেন এবং দর্শকদের জন্য নতুন ও বৈচিত্র্যময় সিনেমা উপহার দেন। তিনি দুটি বিয়ে করেছেন। তাদের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে গেছে। তবে তাদের বিষয়ে তিনি সচেতেন।

    দুই সাবেক স্ত্রী, রিনা দত্ত ও কিরণ রাওয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক আমিরের। কিরণের সঙ্গে ২০২১-এ বিচ্ছেদের পরে আমিরের নাম জড়িয়েছিল ফাতিমা সানা শেখের সঙ্গে। তবে ফাতিমা নয়, গত এক বছর ধরে বেঙ্গালুরু নিবাসী গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। প্রথম দুই স্ত্রীর সঙ্গে সন্তানও রয়েছে আমিরের। তাই ভবিষ্যতে ১৮৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি কী ভাবে ভাগ করবেন, তা সময়ই বলতে পারবে।

    এ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মধ্যে কী কী রয়েছে দেখে নেওয়া যাক—

    ১. ক্যালিফোর্নিয়ার বেভার্লি হিলস অঞ্চলে আমিরের একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। এই অঞ্চলেই রয়েছে বেশ কিছু বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িটির দাম ৭৫ কোটি টাকা।

    ২. আমিরের সম্পত্তির মধ্যে অন্যতম হল তার বান্দ্রার সমুদ্রমুখী বাড়ি। পাঁচ হাজার বর্গফুটের এ দোতলা বাড়ি থেকে আরব সাগরের তীর দেখা যায়। বাড়ির একটি তলে আমির অফিস তৈরি করেছেন। সেখানে প্রযোজনা সংস্থার কাজও হয়। এ বাড়িটির মূল্য ৬০ কোটি। এই বাড়ির জন্যই মুম্বাইয়ের অন্যতম ধনী তারকা আমির।

    ৩. আমির নাকি পাহাড়প্রেমী। তাই মহারাষ্ট্রের পঞ্চগনি অঞ্চলে একটি বাড়ি কিনেছেন। শহরের যানজট ও ব্যস্ততা থেকে ছুটি পেতে এ বাড়িতে গিয়ে সময় কাটান তিনি। এ অঞ্চলে ২ একর জমিতে একটি বাগানবাড়ি রয়েছে আমিরের। পরিবারকে নিয়ে প্রায়ই এ বাড়িতে ছুটে যান তিনি। এ বাড়ি সাত কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিলেন তিনি।

    ৪. বিলাসবহুল গাড়ির শখও রয়েছে আমিরের। তারকার গাড়ির সংগ্রহের মধ্যে অন্যতম মার্সিডিজ়-বেঞ্জ এস৬০০। এ গাড়ির দাম ১০.৫০ কোটি টাকা।

    ৫. আমিরের গাড়ির সংগ্রহে আরও একটি দামি গাড়ি হল রোলস-রয়েস ঘোস্ট। এ গাড়ির সৌন্দর্যে মুগ্ধ চারচাকা-প্রেমীরা। বাজারে এ গাড়ির মূল্য ৬.৯৫ কোটি থেকে ৭.৯৫ কোটি টাকার মধ্যে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায় ক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন জেমস ক্যামেরন

    প্রখ্যাত হলিউড পরিচালক তথা কালজয়ী সিনেমা টাইটানিকের স্রষ্টা জেমস ক্যামেরন ক্ষোভে-দুঃখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন। তিনি নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন।

    কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়া মেনে নিতে পারছেন না ‘টাইটানিক’, ‘অবতারের’ মতো চিরকালীন ছবির পরিচালক।

    নিউজিল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমে ৭০ বছর বয়সি ক্যামেরনকে সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন বলেন, ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে যা কিছু শালীন তার থেকে বিপরীতগামী হয়ে গিয়েছে।

    ট্রাম্পের দ্বিতীবার নির্বাচন নিয়ে তিনি কী রকম আতঙ্কে ছিলেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি এটা ভয়ংকর। আমি চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি, যা কিছু শালীন তার উলোটদিকে মোড় ঘুরছে। ঐতিহাসিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র যুগ যুগ ধরে যে আদর্শের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তার পক্ষে না থাকাটাও মার্কিন নাগরিকরা মেনে নিতে পারেন না। এটা পুরোটাই ফাঁপা একটি নীতি। আমি মনে করি, ওরা যত দ্রুত সম্ভব ওদের লাভের জন্য দেশটাকেও ফোঁকা করে দেবে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্প সম্পর্কে তার মন্তব্য, প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আমি ট্রাম্পের মুখ দেখতে চাই না। এটা বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে, কুৎসিত ব্যাপার। নিউজিল্যান্ডে এ রকমটা হয় না। খারাপ খবর ওরা অন্তত তৃতীয় পাতায় স্থান দেয়। আমি শুধু ওই লোকটার মুখ রোজ খবরের কাগজের প্রথম পাতায় দেখতে চাই না। এটাই অনিবার্য হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্রে। যেন মনে হচ্ছে চোখের সামনে সব সময় একটি গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে, এমন কিছু দেখে চলেছি।

    অবতার সিনেমার দুটি পর্ব ২০০৯ ও ২০২১ সালে মুক্তি পেয়েছে। তার এ সিনেমার তৃতীয় পর্বটি অবতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ এ বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে চলেছে।

    নতুন দেশের প্রশংসায় ক্যামেরন বলেন, আমি কানাডায় বড় হয়েছি। কানাডার সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের অনেক মিল রয়েছে। এখানে মানুষের প্রতি মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশ-ভারতের সমস্যা নিয়ে যা বললেন অঞ্জন দত্ত

    ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী, অভিনেতা, পরিচালক অঞ্জন দত্ত বাংলাদেশ-ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। তার মতে, বাংলাদেশ-ভারতের অশান্তিতে ক্ষতি হচ্ছে দুদেশের। সোমবার ভারতীয় গণমাধ্যম পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

    এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘কলকাতা এবং ঢাকার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে বাংলাদেশের সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এই দুই দেশেরই খুব বড় একটা বাজার রয়েছে। এটি দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    অঞ্জন দত্ত বলেন, ‘রাজনীতি মানুষকে ভাগ করে দেয়, কিন্তু শিল্প ঐক্যবদ্ধ করে।’

    তিনি বলেন, ‘আমি চাই বর্তমান অচলাবস্থার দ্রুত সমাধান হোক। শিল্প এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আমাদের একটা বড় বাজার রয়েছে। সেটা দুদেশের জন্য খুলে যাওয়া প্রয়োজন। এতে দুই পক্ষেরই উপকার হবে। বাংলাদেশে অনেক সংবেদনশীল মানুষ রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই দারুণ সিনেমা নির্মাতা, থিয়েটার ব্যক্তিত্ব এবং গায়ক। এত সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে বলি দেওয়া উচিত নয়।’

    তার মতে, আমি বরাবরই শিল্পক্ষেত্রে রাজনীতির বিরোধী। রাজনীতি মানুষকে ভাগ করে, অথচ শিল্প মানুষকে একত্রিত করে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঋতাভরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের মোড়কে কাজের কথা সৃজিতের

    কয়েক দিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তুলেছিলেন টালিউড পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। তাদের দুজনের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন পরিচালক। সেখানে ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন— জমাখরচ হিসাবনিকাশ, কোথায় শুরু, কোথায় বা শেষ, কেমন আছ? অনেক বছর পেরিয়ে এলাম, হঠাৎ তোমার দেখা পেলাম, কেমন আছ? এ বার্তা পড়ে দুই খ্যাতনামার ভক্ত-অনুরাগীরা ধরে নিয়েছিলেন— অনেক দিন পর মুখোমুখি সাক্ষাৎ। পুরোটাই সৌজন্যমূলক। সৃজিত পুরোনো বন্ধুত্ব বুঝি এভাবেই ঝালিয়ে নিলেন।

    গতকাল শনিবার (২৫ জানুয়ারি) টালিপাড়ায় গুঞ্জন— এবার এই সাক্ষাৎ মোটেই কাকতালীয় নয়। সৌজন্যের মোড়কে নাকি কাজের কথাও হয়েছে। সব ঠিক থাকলে সৃজিতের আগামী ছবি ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-তে দেখা যেতে পারে অভিনেত্রী ঋতাভরীকে। 

    এর আগে ২০২১ সালে প্রযোজক রানা সরকার এ ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছিলেন আনন্দবাজার অনলাইনের মাধ্যমে। তার পর নানা কারণে ছবির কাজ পিছিয়ে গেছে এবং স্থগিত রাখা হয়েছে। গত বছরের শীতে আনন্দবাজার অনলাইনই আবার জানায়, ২০২৫ সালে ছবির কাজ শুরু করবেন সৃজিত। প্রযোজক রানা সিলমোহর দেন সেই খবরে। 

    সেই খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের মে-জুন মাসে ছবির শুটিং শুরু হবে। তার আগে এ খবর নিঃসন্দেহে ছবির মুকুটে নতুন পালক যোগ হলো।

    একটি সূত্র জানায়, প্রথম নাম ঘোষণার সময় ছবিটিতে সোহিনী সরকার, পাওলি দামের নাম উল্লেখ করেছিলেন প্রযোজক রানা সরকার। সম্প্রতি তালিকায় নাকি ইশা সাহারও নাম জুড়েছে। তেমনই আগে ঠিক হয়েছিল ‘নটী বিনোদিনী’র ভূমিকায় অভিনয় করবেন প্রিয়াংকা সরকারও। সেই অনুযায়ী তার ‘শ্রী চৈতন্য’ সাজের ছবি ভাইরাল হয়েছিল। সেই জায়গাতেও নাকি পরিবর্তন আসতে চলেছে। এবার নাকি এ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে অপর্ণা সেনের কন্যা কঙ্গনা সেনশর্মাকেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • করণ জোহরের ছবিতে ‘কিসিক’খ্যাত শ্রীলীলা, তার বিপরীতে কে?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ ছবিতে নজর কেড়েছেন। দর্শকদের মনে সংশয় ছিল— অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর মতো কি লাস্যে মাত করতে পারবেন? সেই পরীক্ষায় উতরে গেছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী শ্রীলীলা। বলিউডে পা রাখতে চলেছেন। পরিচালক করণ জোহরের আগামী ছবিতে ‘কিসিক’খ্যাত শ্রীলীলার অভিষেক হতে যাচ্ছে। তার বিপরীতে কোন অভিনেতাকে দেখা যাবে?

    ‘পুষ্পা: দ্য রুল’ ছবিতে সামান্থার ‘উ আন্তাভা’-তে মেতেছিল দর্শকরা। তাই দক্ষিণী অভিনেত্রী শ্রীলীলার ওপরে ছিল প্রত্যাশার বোঝা। তবে ‘আইটেম সংয়ে তিনিও যে পিছিয়ে নেই, বুঝিয়ে দিয়েছেন এ অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই দেখা যায় তার ভিডিও। তিনি যে লম্বা দৌড়ের ঘোড়া, তা মেনে নিয়েছেন দর্শকরা। 

    তবে বলিউডের দিকে তাকিয়ে অভিনেত্রী শ্রীলীলা। সেই মতোই জানা গেছে ধর্ম প্রযোজনা সংস্থার নাম। তালিকায় রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি প্রযোজনা সংস্থার নাম। একটি সূত্র জানিয়েছে, বলিউডে তার বিপরীতে নাকি দেখা যাবে কার্তিক আরিয়ানকে। এ বিষয়ে কার্তিক আরিয়ান জানিয়েছেন, পর্দায় শ্রীলীলাকে দেখতে দারুণ লাগে। তার সঙ্গে ওর জুটি খুবই ভালো লাগবে। একেবারে আনকোরা জুটি। যদিও এ মুহূর্তে প্রাথমিক পর্যায়ের কথাবার্তা চলছে। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যাবে। দুজনকে একসঙ্গে পর্দায় দেখার জন্য আমরা উচ্ছ্বসিত।

    এদিকে আগামীতে করণ জোহরের ছবি যে কার্তিক আরিয়ান সঙ্গে কাজ করছেন, সেই খবর ছড়িয়েছে ইতোমধ্যে। ধর্ম প্রযোজনা সংস্থার এক ছবিতে নায়ক তিনি। ছবির নাম, ‘তু মেরি ম্যায় তেরা, ম্যায় তেরা তু মেরি’। পরিচালক সমীর বিদওয়ানস।

    এর আগে ‘দোস্তানা ২’ নিয়ে পরিচালক করণ জোহরের সঙ্গে কিছু সমস্যা হয়েছিল অভিনেতা কার্তিকের। বহু দিন ধরে ছবির প্রস্তুতি চললেও হঠাৎই এ ছবি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। সেই ঘটনার পর ফের একসঙ্গে করণ ও কার্তিক। তাই ইতোমধ্যে এ ছবি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকদের মধ্যে। এবার দেখার বিষয়— এ ছবিতেই কার্তিকের বিপরীতে ‘কিসিক’কন্যা শ্রীলীলাকে দেখা যাবে কিনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রহমানের কাছ থেকে কত টাকার সম্পত্তি পাবেন সাবেক স্ত্রী, জানালেন আইনজীবী

    অস্কারজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক এআর রহমান ও সায়রা বানু ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি টেনেছেন। সংসার জীবনের গতি থমকে দাঁড়ালেও তারা এখন ভিন্ন পথে হাঁটছেন। ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেও এআর রহমানের স্ত্রী সায়রা বানুর চোখে এখনো তার সাবেক স্বামী ‘বিশ্বের সেরা পুরুষ’ বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি রহমানপত্নী সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন— তাদের নিয়ে যেন কোনো নেতিবাচক তথ্য ছড়ানো না হয়। 

    এদিকে বিচ্ছেদের পর প্রাথমিক আইনি ধাক্কা সামলে ওঠার পরেই সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া— এমনটিই দাবি করেছেন নেটিজেনদের একটি অংশ। তাদের মতে, রহমানের বিপুল সম্পত্তির অর্ধেক অংশ নাকি পাবেন তার স্ত্রী সায়রা বানু।

    অস্কারজয়ী সুরকার ১ হাজার ৭২৮ কোটি রুপির মালিক। তার সব সম্পদের পরিমাণ টাকার অঙ্কে দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন অনুযায়ী, সেই সম্পত্তির অর্ধেক শেয়ার পাবেন তার স্ত্রী সায়রা বানু। তবে বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ।

    তিনি বলেন, অনেকের ধারণা— বিচ্ছেদের পর নাকি ভরণপোষণের জন্য স্বামীর মোট সম্পত্তির অর্ধেক অংশ তার স্ত্রী পান। কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। অনেক ভারতীয় এ ভুল ধারণা পোষণ করে আছেন। কিন্তু এ ধরনের কোনো আইন ভারতীয় সংবিধানে এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত করা হয়নি। তাই স্বাভাবিকভাবেই এআর রহমান ও সায়রা বানুর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য নয়।

    বন্দনা শাহ বলেন, আদালতে এআর রহমানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়েছেন। এ সময় যদি সায়রা বানু ভরণপোষণের দাবি করেন, সে ক্ষেত্রে আদালত পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।

    এ আইনজীবী বলেন, উভয় পক্ষের জমা দেওয়া যাবতীয় তথ্য এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে। পাশাপাশি রহমান ও সায়রা বানু বন্ধুত্বপূর্ণভাবে বিচ্ছেদের পথ অবলম্বন করেছেন। তাই এ ক্ষেত্রে ভরণপোষণের কোনো জায়গা নেই।

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) হঠাৎই এআর রহমান ও সায়রা বানু মিডিয়ায় প্রকাশ করেন তাদের বিচ্ছেদের খবরটি। বিচ্ছেদের খবর একদিন যেতে না যেতেই সুরকারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে নাম জড়ায় বাঙালি ললনা মোহিনী দের। 

    এদিকে দীর্ঘ ২৯ বছরের দাম্পত্য ভেঙে যাওয়ার কারণ হিসেবে রহমান ও সায়রা জানান, অগাধ প্রেমের অভাব নয়, মানসিক চাপ ও নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব তৈরি হওয়াতেই তারা বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • না ফেরার দেশে পরীমনির প্রথম সিনেমার পরিচালক

    না ফেরার দেশে পরিমনির প্রথম সিনেমা ‘ভালোবাসা সীমাহীন’-এর পরিচালক শাহ আলম মণ্ডল। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থা শনিবার তার মৃত্যু হয়।

    তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর। তিনি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘ প্রিয় বন্ধু পরিচালক শাহ আলম মন্ডল না ফেরার দেশে চলে গেলেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।’

    অসুস্থতার কারণে তাকে মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    এভাবে ৫ হাসপাতাল ঘুরে গতকাল শুক্রবার এই পরিচালককে ভর্তি করানো হয় গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আজ শনিবার ভোরে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। 

    পরিচালকের স্ত্রী উম্মে কুলসুম জানান, শাহ আলম মণ্ডলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত দুই দিনে ১৩ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থায় তার শরীরের রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। চিকিৎসকের বরাতে এই পরিচালকের পরিবার জানিয়েছে, শাহ আলম মণ্ডলের লিভার ফাংশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেটা সিরিয়াস পর্যায়ে আছে। তার জন্য প্রচুর ‘এ’ পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন। এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন শাহ আলম মণ্ডল।

    শাহ আলম মণ্ডলের হাত ধরে চলচ্চিত্রে পা রাখেন সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। এই পরিচালক তাকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ ছবিটি। পরিচালকের অন্য ছবিগুলো হচ্ছে ‘আপন মানুষ’, ‘ডনগিরি’ এবং ‘লকডাউন লাভ স্টোরি’ (২০২২)।

    পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের সহকারী হিসেবে শাহ আলম মণ্ডল ২০১১ সালে চলচ্চিত্রে আসেন। প্রথম কাজ করেছেন ‘সত্যের জয়’ ছবিতে। এরপর সহকারী হিসেবে কাজ করেন বদিউল আলম এবং এফআই মানিকের সঙ্গেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেদিন আসতে দেরি নেই, যেদিন পুরুষ নাচকে পেশা হিসেবে বেছে নেবে: করণ

    ‘রকি ওর রানি কি প্রেম কাহানি’ ছবিতে টোটা-রণবীরের নাচের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে নিলেন বলিউড পরিচালক করণ জোহর। আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে নিবেদন করলেন দর্শকদের উদ্দেশে।

    লাল আনারকলিতে নারীর পেলবতা দুই পুরুষের শরীরে। নেপথ্যে হিন্দি ‘দেবদাস’ ছবির জনপ্রিয় গান ‘ডোলা রে’। দৃশ্যায়নে নেচেছিলেন বলি অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। পুরুষালি দৃপ্ততা সরিয়ে সেই দৃশ্যই প্রায় হুবহু আরও একবার পর্দায় তুলে ধরেছেন টোটা রায়চৌধুরী ও রণবীর সিং। 

    করণ জোহরের ‘রকি ওর রানি কি প্রেম কাহানি’ ছবিতে দেখা যায় এ দৃশ্য। বড়পর্দায় সেই দৃশ্য সাড়া ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু সামাজি যোগাযোগমাধ্যমে রিল আকারে এত দিন প্রকাশ্যে আসেনি সেই দৃশ্য।

    আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে করণ জোহর সেই চর্চিত দৃশ্য নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে শেয়ার করে নিয়েছেন। সামাজিক যোগযোগমাধ্যমের পাতায় শেয়ার করে নেওয়া সেই রিল মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে। সেখানেই আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস নিয়ে নিজের মত জানালেন পরিচালক। তিনি লিখেছেন— অন্তরের মাধুরী কিংবা ঐশ্বরিয়াকে প্রকাশের সাহস দেখান যেসব পুরুষ, আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস তাদের জন্য।

    এই বিতর্ক চাপা পড়ে গেছে কর্ণের জোরালো বক্তব্যে। ছবিতে রণবীর অভিনীত চরিত্রের পরিবারের কাছে কোনো পুরুষের নাচ ছিল হাসির উপকরণ। সেই হাসি রাগে পরিণত হয়, যখন নিজের পরিবারের ছেলেটিও নাচতে জানা পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচে ওঠে। দৃশ্যে টোটা আর রণবীরের যুগলবন্দি এতটাই সহজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, কেবল ওই দৃশ্য দেখার জন্য ছবিটি বহুবার দেখেছেন অনেক দর্শক। সেই দৃশ্যকে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিয়ে করণের দাবি—যারা ন্যায়, সাম্য ধরে রেখে নারীর আত্মার আত্মীয় হয়ে উঠতে পারেন এই দিন তাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।

    প্রযোজক-পরিচালকও তথাকথিত পুরুষালি নন, বরং অনেকাংশে মেয়েলি। সে কারণে লিঙ্গপরিচয় নিয়ে তাকে কম কটাক্ষ সহ্য করতে হয় না। সেদিকেও তিনি আঙুল তুলেছেন। তিনি লিখেছেন—নারীর ব্যাটে যে পুরুষ মাঠের বাইরে বল পাঠিয়ে নারীর ক্ষমতায়নকে কুর্ণিশ জানাতে ভয় পান না, প্রত্যেক আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস কেবল তার জন্যই। 

    করণের আশা, সেদিন আসতে খুব দেরি নেই, যেদিন পুরুষ নাচকে পেশা হিসেবে বেছে নিলে কেউ তার দিকে নেতিবাচক ইঙ্গিত করে রসিকতায় মাতবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের তৃতীয় বিয়ের জল্পনা

    ২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর গাঁটছড়া বাঁধেন বলি মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান ও পরিচালক কিরণ রাও। ২০১১ সালে সারোগেটের মাধ্যমে আজাদকে স্বাগত জানান এ দম্পতি। ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন আমির খান ও কিরণ রাও।

    বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই ছেলে আজাদ রাও খানের কো-প্যারেন্টিং করছেন আমির ও কিরণ রাও। কিন্তু বাস্তবজীবনে আমির কতটা হ্যান্ডস-অন বাবা তা জানিয়েছেন কিরণ। অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের চ্যাট শো হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট-এ হাজির হয়ে শেয়ার করেছেন পরিচালক। তিনি বলেছিলেন— সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রক্রিয়াটি ‘অনেক মসৃণ’ হয়ে উঠেছে, যদিও আমির আজাদের স্কুল সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে থাকতে চান না এখনো।

    চ্যাট শো চলাকালীন যখন আমিরের সঙ্গে আজাদের সম্পর্ক নিয়ে কিরণকে প্রশ্ন করেন কারিনা, তখন লাপাতা লেডিজের পরিচালক বলেন, ‘এটি জটিল। ভীষণ ব্যস্ত বাবা। সত্যি বলতে— আমাদের যখন বিয়ে হয়েছিল, তখনো অভিভাবকত্বের বেশিরভাগটাই আমি করতাম। তবে ডিভোর্সের পর আমির বুঝতে পারে— এবার আমার মনে হয় ও বুঝেছে ওকে একটু এফোর্ট দিতে হবে। 

    কারণ আপনি যখন একই বাড়িতে একসঙ্গে থাকেন, তখন কোনোভাবে এটা হয়েই যায়। কিন্তু যখন আলাদা থাকেন, তখন আলাদাভাবে আপনাকে সময় বের করতে হয়। অনেক বেশি সচেতন হতে হয়।

    কিরণ বলেন, এখন এটা অনেকটাই মসৃণ হয়েছে। এবং আমিরও নিজেকে অনেক বেশি জড়িয়েছে। ভাগ্য করে, এখন আমরা ওপরের আর নিচের তলায় থাকি। তবে আমরা চলে গেলেও খুব বেশি দূরে দূরে থাকব না। আজাদ এখন বড় হওয়ার পর বাবার সঙ্গে সময় কাটানো খুব উপভোগ করে। এখন ওদের বন্ডিং দারুণ। তিনি বলেন, আমারও মনে হচ্ছে— আজাদকে একটু আমিরের কাছে রেখে শান্তিতে এখন বিশ্রাম নিতে পারি। শুধু আমির ছেলের স্কুল সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি মনে করি, এটা বেশিরভাগ বাবাদের সমস্যা। তারা সবসময় বলে—আমাকে স্কুলসংক্রান্ত কাজে জড়াবে না, আমি অন্য কাজ নেব।

    মাঝে শোনা গিয়েছিল, তৃতীয় বিয়ের কথাও নাকি ভাবছেন আমির। যদিও রিয়া চক্রবর্তীর পডকাস্টে অভিনেতা জানান, বয়সের কারণে পুনরায় বিয়ে করা আর সম্ভব নয় তার পক্ষে।

    আমির সেই সময় জানিয়েছিলেন—আমার বয়স এখন ৫৯। আর কবে বিয়ে করব… এই বয়সে মনে হয় সেটা বেশ মুশকিলের। তা ছাড়া পরিবারে এখন প্রচুর সদস্য। সাবেক স্ত্রীদের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। সন্তানদের সঙ্গেও খুব ভালো সময় কাটাই আজকাল। মোট কথা— আমার পছন্দের মানুষের সঙ্গে থাকতে বেশি ভালো লাগে এখন। দারুণ আছি। এখন আমি ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ চক্রবর্তীর ছবিতে কাকে নিয়ে ফিরছেন জিৎ

    টালিউডে সংগীত পরিচালক জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীরা দ্বিধাবিভক্ত আছেন। একদলের দাবি— এ সংগীত শিল্পী অনেক বছর পর বাংলা ছবির গানে আবার সুর দিলেন। আরেক দলের দাবি— তিনি অনেক বছর পর রাজ চক্রবর্তীর ছবির গানে সুর দিলেন। 

    রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে সংগীত পরিচালক জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বন্ধুত্ব বহুদিনের। দীর্ঘ ১০ বছর পর আবারও বন্ধুর ছবিতে সুর দিলেন জিৎ। সদ্য মুক্তি পেয়েছে রাজের শীতের ছবি ‘সন্তান’-এর গান। সেখানেই সুরকার হিসেবে জিতের নাম জ্বলজ্বল করছে। এবং তার পরেই তাকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে।

    আনন্দবাজার অনলাইনের এক সাক্ষাৎকারে জিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ছায়াছবিতে আমার এখন পর্যন্ত শেষ সুর ‘আবার বিবাহ অভিযান’। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল গত বছর। তার পর ছবির দুনিয়া থেকে একটু দূরে ছিলাম— নিজস্ব গান নিয়ে, বিজ্ঞাপনী ছবির জন্য গান তৈরির ব্যস্ততার কারণেও। কেউ সেটিকেই হয়তো ‘অনেক দিন’ বলে মনে করছেন। সাল, তারিখ মেলালে আমার দূরত্বের মেয়াদ মাত্র এক বছর।

    উল্লেখ্য, জিতের পূজার মিউজিক ভিডিও মাত্র এক মাসে ১০ লাখ দর্শক দেখে ফেলেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাজ চক্রবর্তীর ছবিতে বরং অনেক বছর পর সুর দিলেন। অতীত হাতড়ে সুরকার-শিল্পীর দাবি— সম্ভবত ১০ বছর পর আবারও গাঁটছড়া তাদের।

    বন্ধুর ছবিতে গান মানেই বিশেষ কিছু। সে কথা মাথায় রেখে ‘সন্তান’-এর হাত ধরে বাংলায় প্রথম গাইতে চলেছেন বিশাল মিশ্র। জিৎ বলেন, গুণী ছেলে। ভালো সুর দেয়, গায় ভালো। আমার সুরে এই প্রথম বাংলা গান গেয়েছে। মন বলছে, দর্শক-শ্রোতাদের ওর কণ্ঠ ভালো লাগবে। ছবিতে তিনটি গান। বিশাল ছাড়াও কণ্ঠ দিয়েছেন অমিত কুমার, অভিজিৎ ভট্টাচার্য। সুরকার জানিয়েছেন, ছবিতে বিয়োগান্তক একটি দৃশ্যে নেপথ্যে বিশালের গান ব্যবহৃত হবে।

    বিনোদন ডেস্ক