Tag: নোবেল

  • এক হাউজে নোবেলের ২০ বছর!

    দেশের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেতা আদিল হোসেন নোবেল। স্টেজ শো, বিজ্ঞাপন এবং অভিনয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন তিনি। বিশেষ করে মডেলিং জগতে তিনি অনন্য। তাকে অনেকেই আইডল মানেন। 

    সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ে তিনি অনিয়মিত। তবে এখনও মডেলিং করছেন। আশ্চর্য হলেও সত্যি, একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০ বছর ধরে কাজ করছেন নোবেল। শুধুই ভালোবাসার তাগিদে ফ্যাশন হাউস ‘ইনফিনিটি’-তে বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন এ মডেল অভিনেতা। কোনো চুক্তি বা নিষেধাজ্ঞা নেই, তবুও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে কাজের প্রস্তাব এলেও তিনি তা বিনয়ের সঙ্গে ফিরিয়ে দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এমনটাই জানান এ মডেল। এরইমধ্যে নোবেল প্রতিষ্ঠানটির আগামী ঈদ কালেকশনের কাজে অংশ নিয়েছেন। করেছেন ফটোশুট। 

    এ প্রসঙ্গে নোবেল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে করতে তাদের প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পর্কটা অনেকটাই পারিবারিক হয়ে উঠেছে। আমাকে ঘিরে তাদের স্পেশাল প্ল্যান থাকে সবসময়, আমিও কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। যথারীতি আগামী ঈদের জন্য তাদের কাজ করেছি। রাজধানীর বনানী শেরাটনে কাজ হয়েছে এবার। আমাকে নিয়ে তাদের প্ল্যান, পুরো ইউনিটের আন্তরিকতা এবং ভীষণ পরিপাটি গুছানো কাজ তাদের। সবমিলিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করে আমি সন্তুষ্ট থাকি।’ এদিকে বিজ্ঞাপনে দেখা গেলেও নাটকে আপাতত কাজ করছেন না বলে জানিয়েছেন নোবেল।

    অভিনয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু অভিনয়ের মানুষ নই। যা করেছি আসলে অনুরোধে করেছি। করতে করতে দেখলাম যে, অনেক নাটকেই অভিনয় করা হয়েছে। তাতে আমার কাছে মনে হলো এটা ওভার ডোজ হয়ে যাচ্ছে। যে কারণে এখন আর অভিনয় করছিনা। তাছাড়া এরইমধ্যে কিছু স্ক্রিপ্ট এসেও ছিল। তাতে আমার কাছে নতুন কিছুই মনে হলোনা যা দেখার জন্য দর্শক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবে।’ 

    ঈদে নতুন কোনো কাজে দেখা যাবে কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনও ঠিক করিনি। তবে না যাওয়ারই সম্ভাবনা। সময় হলেই সবাই জানতে পারবেন।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • নিজেকে শুধরে ফিরছেন নোবেল

    কলকাতার একটি গানের অনুষ্ঠান থেকে উত্থান গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের। এরপর মৌলিক কিছু গান নিয়েও হাজির হন তিনি। যা তাকে ভক্ত-শ্রোতার কাছাকাছি নিয়ে যেতে আরও সহযোগিতা করে।

    কিন্তু একটা সময় পর ব্যক্তিজীবনে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও মন্তব্যের কারণে সমালোচনায় জর্জরিত হতে থাকেন এ সংগীতশিল্পী। এতে তার ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তার ভক্ত ও শ্রোতারা। এরপর একটা সময় অন্ধকারে হারিয়ে যান ‘সারেগামাপা’খ্যাত এ সংগীতশিল্পী।

    মাদকাসক্ত হয়ে নিজের ওপর থেকেও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তবে দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর, নিজেকে শুধরে ফিরছেন নোবেল। নিজের ভুলগুলোও বুঝতে পেরেছেন তিনি। আশা ব্যক্ত করেছেন নিয়মিত গান করারও।

    নোবেল বলেন, ‘আমার কিছু কার্যকলাপ, সেসব ভুল ছিল। আমার কাছে মানুষের যা প্রত্যাশা ছিল, আমি সে অনুযায়ী চলতে পারিনি। এখন নিয়মিত আমার ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য শুধু গানটাই গেয়ে যাব। আর কোনো ভুল করতে চাই না।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • প্রতারণার মামলায় নোবেলের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ জানুয়ারি

    কনসার্ট না করে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে করা মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেননি। এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত ২২ মে বাদীকে কনসার্টের এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে জামিন পান নোবেল। এরপর নিজের ভুলের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান দুই বাংলার জনপ্রিয় গায়ক নোবেল।

    জানা যায়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইতে না গিয়ে এক লাখ ৭২ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৬ মে রাজধানীর মতিঝিল থানায় শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬ এর প্রতিনিধি মো. সাফায়েত ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ এপ্রিল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬ এর প্রথম পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য গত ২৫ মার্চ আসামি নোবেলের সঙ্গে মোট এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা ঠিক করেন বাদী। তখন নোবেলকে নগদ ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এসময় নোবেল অনুষ্ঠানের পূর্বেই অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে জানান এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দেন।

    মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, পরে এসএসসি ব্যাচের সদস্যদের থেকে টাকা সংগ্রহ করে গত ৩০ মার্চ সিটি ব্যাংক এটিএম বুথ শরীয়তপুর ব্রাঞ্চ থেকে ৪৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়। এরপর গত ১৪ এপ্রিল একই ব্রাঞ্চ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা নোবেলের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষে তাকে সর্বমোট এক লাখ ৭২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। তবে নোবেল অনুষ্ঠানে না গিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রকাশ্যে এলো নোবেলের ‘অপরাধ’!

    একের পর এক কাণ্ডে ভাবমূর্তি নিয়ে গেছেন তলানিতে মাইনুল আহসান নোবেল। সর্বশেষ খুলনার এক তরুণীর সঙ্গে তার ‘বিয়ে-কাণ্ড’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে কটাক্ষের ঝড়। জানা গেছে, এরই মধ্যে তাকে নেওয়া হয়েছে রিহ্যাব তথা পুনর্বাসন কেন্দ্রে।

    এই অস্থির সময়ের মধ্যেই প্রকাশ্যে এলো নোবেলের আরেকটি ‘অপরাধ’। না, এটা বাস্তবের কোনো অপরাধ নয়, বরং তারই গাওয়া নতুন গান। যেটা প্রকাশ হয়েছে রিও মেলোডি নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে।

    আরও পড়ুন: 

    ‘তুমিও তো পারতে, আমারই মতো/ ভালোবেসে মরতে, প্রতিনিয়ত/ বুঝতে আমি কেমন করে পুড়ে পুড়ে হয়ে গেছি ছাই/ প্রেমের চিঠি চলে গেছে কেন ভুল ঠিকানায়/’- এমন কথায় গানটি রচনা ও সুর করেছেন তরুণ মুন্সী। সংগীতায়োজনে সালমান জাইম।

    গানটির স্রষ্টা তরুণ মুন্সী বলেছেন, ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক আলাদা বিষয়। কিন্তু গায়ক হিসেবে নোবেল কিন্তু মেধাবী, সম্ভাবনাময়। এই গানটিও সে চমৎকার গেয়েছে। আশা করছি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

    ‘অপরাধ’ গানের জন্য গল্পনির্ভর ভিডিও নির্মাণ করেছেন কামরুল জিন্নাহ। এতে অভিনয় করেছেন আবু হুরায়রা তানভীর ও কেয়া আল জান্নাহ। গানচিত্রটি প্রযোজনা করেছেন মিনহাজুল আলম সুপ্রিয়।

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে কলকাতার সংগীতবিষয়ক রিয়ালিটি শো ‘সা রে গা মা পা’য় অংশ নিয়ে ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলেন নোবেল। এর পর ‘অভিনয়’, ‘তোমার মনের ভেতর’, ‘মেহেরবান’ ইত্যাদি মৌলিক গানেও নিজের মেধার প্রমাণ দিয়েছেন।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফিরে গেলেন আরশি, নোবেলকে নেওয়া হলো রিহ্যাবে 

    মাদকাসক্ত পুনর্বাসনকেন্দ্রে (রিহ্যাব) নেওয়া হয়েছে বিতর্কিত গায়ক মইনুল আহসান নোবেলকে।  অন্যদিকে খুলনা থেকে তুলে নিয়ে আসা ফারজান আরশি তার বাসায় ফিরে গেছেন।  এদিকে দিন দিন মাদকাসক্তে জড়িয়ে পড়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে নোবেলকে পুনর্বাসনকেন্দ্রে ভর্তির জন্য নেওয়া হয়েছে।  

    জানা যায়, ঢাকার নিকটবর্তী একটি মাদকাসক্ত পুনর্বাসনকেন্দ্রে এ গায়ক অবস্থান করছেন। বিষয়টি নোবেলের পারিবারিকসূত্র জানা যায়।

    আরও পড়ুন: 

    কিছুদিন আগেই কুড়িগ্রামে একটি কনসার্টে গিয়ে মাতাল অবস্থায় মঞ্চে ওঠেন নোবেল। সেখানে জড়ানো কণ্ঠে গান গাইতে শুরু করলে দর্শক-শ্রোতারা পানির বোতল ছুঁড়তে শুরু। বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় হয়। তারপর তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয়। 

    সম্প্রতি গায়ক মইনুল আহসান নোবেল ফেসবুকে তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস হালনাগাদ করেছেন। সেখানে জানিয়েছেন তিনি ফারজান আরশির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তবে তার স্ত্রী সালসাবিওল মাহমুদ জানিয়েছেন নোবেল মেয়েটিকে খুলনা থেকে তুলে এনেছেন। পরে আরশিও জানান তিনি গোপালগঞ্জে গিয়েছিলেন সেখান থেকে নোবেল তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে। 

    বর্তমানে আরশি খুলনায় অবস্থান করছেন ঢাকা থেকে চলে গেছেন। খুলনায় ফিরে গিয়ে আরশি ফেসবুকে জানিয়েছেন, আমি আমার বাসায় আছি, খুলনাতে। না জেনে উলটাপালটা নিউজ করবেন না প্লিজ। আজকে যদি আমি নাদিমের সাথে সবকিছু ডিলিট করে যেতাম, তাহলে কেউ কিছুই জানতে পারতো না, আমি কি এতোটাই বোকা?

    আমি জানি না যে নোবেল এই ছবি আপলোড করলে ক্তটা ঝামেলা হবে? বিশ্বাস করুন এসবে আমার হাত ছিল না। একটু টাইম দেন। 

    প্রসঙ্গত, ভারতের জি বাংলার ‘সারেগামাপা’ শোর মাধ্যমে পরিচিতি পান নোবেল। তবে বিভিন্ন সময় নানা মন্তব্য বা বিতর্কিত কাণ্ড ঘটিয়ে সমালোচিত হয়েছেন তিনি বারবার।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার নোবেলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আরশির

    সারেগামাপাখ্যাত গায়ক মইনুল আহসান নোবেল আবারও নতুন বিতর্ক জন্ম দিয়েছেন। কয়েক দিন আগেই সামাজিকমাধ্যমে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। জানান, ফারজান আরশিকে বিয়ে করেছেন।

    গায়কের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এলেও তখন এ ব্যাপারে মন্তব্য পাওয়া যায়নি ফারজান আরশির। তবে পরে এ ব্যাপারে ফেসবুকে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি। যদিও পরে স্ট্যাটাসটি মুছে ফেলেছেন ফারজান আরশি।

    ফারজান আরশি স্ট্যাটাসে নোবেলের বিরুদ্ধে তাকে জোর করে মাদক সেবন করানোর অভিযোগ এনেছেন। বলেন, নোবেল জোর করে নেশা করিয়ে ছবিগুলো তুলেছে, যা এখন ভাইরাল। নোবেলের সঙ্গে কোনো ধরনের বিয়ে হয়নি এবং কোনো সম্পর্কও নেই। এ ব্যাপারে রাজধানীর ডেমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান ফারজান আরশি।

    বুধবার বিকালে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমি এখন এমন একটা পরিস্থিতিতে আছি যে আমার সবকিছু স্বাভাবিক নেই। আমি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছি তারপরও আপনাদের সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করছি সবকিছু ক্লিয়ার করার জন্য। আমি খুলনায় বিভিন্ন ব্লগ করে থাকি, সেজন্য একটি ভিডিও কন্টেন্ট বানানোর উদ্দেশ্যে নোবেলের বাড়ি গোপালগঞ্জ যাই।’

    তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে আমার এক বান্ধবীও ছিল। ওখানে যাওয়ার পর পরিস্থিতি অনঅন্যরকম হয়ে যায়। নোবেল তার মায়ের সামনেই আমার গলায় ছুরি ধরে এবং আমার ফোনটি কেড়ে নেয় এবং জোর করে আমাকে ঢাকায় তার বাসায় নিয়ে যায়। আমাকে বিভিন্ন ড্রাগ জোর করে সেবন করায় এবং মারধর করে। আমি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।’

    তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে ডেমরা থানায় আমাকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে একটা জিডি করায়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় আমাকে আমার বাবা এবং কাজিন উদ্ধার করতে গেলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি নোবেলের কথামত ভয়ে পুলিশকেও মিথ্যে বলি তখন আমার শরীরে ড্রাগ পুশ করা ছিল। পরে গোপালগঞ্জ থেকে আমার পরিবার আমাকে উদ্ধার করে।’

    এরপরই ফারজান আরশি লেখেন, ‘নোবেল জোর করে নেশা করিয়ে আমাকে দিয়ে উক্ত ছবিগুলা তুলেছে। নোবেলের সঙ্গে আমার কোনো প্রকার বিয়ে হয়নি এবং কোন সম্পর্ক ও নেই। আমি পরিবেশ এবং পরিস্থিতির স্বীকার।’

    সবশেষ তিনি লেখেন, ‘আমি এবং আমার পরিবার খুব ভয়ভীতির মধ্যে আছি। আমি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাচ্ছি। আমি একটি মেয়ে। আমি আমার পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই।’

    এদিকে জিডির ব্যাপারে ঢাকা মহানগর ডেমরা জোনের সহকারী কমিশনার মধুসূদন দাশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে ফারজান আরশির বাবা থানায় এসে মৌখিকভাবে আমাদের জানান যে, তার মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়েছেন গায়ক নোবেল। কিন্তু তিনি লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি।

    পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এর পর ফারজানা আরশি জানান, তার বয়স ২২। তাকে জোর করে তুলে আনেননি নোবেল। স্বেচ্ছায় এসেছেন তিনি। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো পক্ষই আমাদের কাছে লিখিত কিছু জানায়নি।

    এর পর ফারজান আরশির ফেসবুকের দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নোবেলের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সূত্র ধরে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের কাছে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নোবেলের কাছে নিজের স্ত্রী ফারজানকে দেখে কেঁদে কেঁদে যা বললেন নাদিম

    'সা রে গা মা পা'র মাধ্যমে টাইমলাইনে আসা সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। তিনি গান গেয়ে যতবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন, তার থেকেও বেশি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে আলোচনায় এসেছেন। তিনি এবার ফারজান আরশি নামের এক তরুণীকে বিয়ে করার দাবি করছেন, যার স্বামী আছে। 

    নোবেলের বিয়ের পর ফারজানের স্বামী নাদিম আহমেদ সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিওবার্তা দিয়েছেন। নাদিম পেশায় একজন ফুড ব্লগার। তার বাড়ি খুলনায়। 

    তিনি জানান, স্ত্রীর প্রতারণার শিকার হয়েছেন তিনি। তবু চেষ্টা করেছেন স্ত্রীকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনার। 

    ভিডিওতে তিনি জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর দুই বছর আগে ফারজান আরশিকে বিয়ে করেছিলেন। গত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্তও স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই নাদিম তার স্ত্রীকে গায়ক নোবেলের সঙ্গে আবিষ্কার করেন। 

    ভিডিওবার্তায় বিষয়টি জানানোর সময় অনবরত কাঁদতে থাকেন নাদিম। তিনি বলেন, ‘এত বছর সে আমার সঙ্গে, আমি কখনো কল্পনাও করিনি আমার স্ত্রী এমন কিছু করবে। আমি কিছুই জানতাম না। আমার স্ত্রী আমাকে নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে, স্টোরি দিচ্ছে— সব কিছুই ভালোই যাচ্ছিল। সুতরাং এমন কিছু ঘটছে সেই সন্দেহ করারও সুযোগ ছিল না। হঠাৎ করেই একদিন দেখলাম গায়ক নোবেল একটা প্রোফাইল পিকচার দিয়েছে। যেখানে তার সঙ্গে আমার স্ত্রী। আমি কোনোভাবেই এটা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মেনে নিতে পারছিলাম না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এর পর হঠাৎ করেই দেখি নোবেলের আইডিতে আরশিকে বিয়ের দাবি করা একটি পোস্ট। এটা আমার জন্য মেনে নেওয়ার মতো ছিল না। আমি নোবেলের বাড়িতে পুলিশ নিয়ে যাই। এ সময় আরশির বাবা-ভাই আমার সঙ্গে উপস্থিত ছিল। সেখানে গিয়ে দেখি তারা দুজনেই নেশায় আসক্ত হয়ে আছেন। তবু চেষ্টা করেছি আমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার। কিন্তু পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে আরশি জানান, সে আমার কাছে ফিরতে চান না।’

    নাদিম বলেন, ‘সবাই জানেন আমি সবসময় আরশিকে ওপরে উঠানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু আজকে আমি হেরে গেছি। যার যায় শুধু সেই বোঝে। আমি আমার স্ত্রীকে ফেরত আনার জন্য শেষ চেষ্টাও করেছি। হয়তো অন্য কোনো ছেলে থাকলে সেটি করতেন না। কিন্তু আমি করেছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন এই সব কিছু দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারি।’

    এর আগে গত সোমবার আরশির সঙ্গে ফেসবুকে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে নোবেল দাবি করেন, তাকে বিয়ে করেছেন তিনি। যদিও কবে বিয়ে করেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের বিয়ে করলেন নোবেল, যা বললেন সাবেক স্ত্রী

    ফেসবুকে গায়ক মইনুল আহসান নোবেল তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস আপডেট করেছেন। সেখানে জানিয়েছেন তিনি ফারজান আরশির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

    সোমবার নোবেলের ফের বিয়ের সংবাদের পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, আরশি নামের ওই তরুণীকে তুলে এনেছেন নোবেল। 

    সালসাবিল বলেন, আসলে আমি যতটুকু শুনেছি সে বিয়ে করেনি। মেয়েটিকে উঠিয়ে এনে তার কাছে রেখেছে। মেয়েটির পরিবারের সদস্যরাও গিয়ে আরশিকে আনতে পারেনি। তাদের দুজনকে একসঙ্গে নেশা করতেও দেখা গেছে। 

    তিনি বলেন, আমার সঙ্গে নোবেলের ডিভোর্স এখনো সম্পন্ন হয়নি। আমি ডিভোর্সের চিঠি পাঠিয়েছিলাম। তখন ডিবি কার্যালয়ে নোবেলকে ডাকা হয়েছিল। সেখানেই সে মুচলেকা দিয়েছিল, নেশা করবে না; অন্য মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াবে না। এখন দেখছি তার নতুন কাহিনি। অবশ্য আমি তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেও চাই না।

    সালসাবিল বলেন, ওর নোংরামি কমেনি। কিন্তু ওর সঙ্গে আমি সম্পর্ক রাখতে চাই না। এটা থেকে একেবারে বেরিয়ে আসতে চাই।

    আরশি খুলনার ফুড ভ্লগার নাদিমের স্ত্রী ছিলেন। তিনিও ভ্লগিংয়ের সঙ্গে জড়িত। চলতি বছরের জুলাইতে নোবেলের টানে নাদিমের ঘর ছাড়েন তিনি। 

    জানা গেছে, আরশি বাড়ি ও বেড়ে ওঠা খুলনায়। নোবেলের সঙ্গে পরিচয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এর পর নড়াইলের অরুণিমা রিসোর্টে কয়েকবার দেখা করেন তারা। পরে খুলনায়ও সাক্ষাৎ হয় তাদের। 

    বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ আরশির সাবেক স্বামী নাদিম। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। এ নিয়ে খুলনার তরুণদের মধ্যে হচ্ছে সমালোচনা। নেটমাধ্যমে তারা সবাই কথা বলছেন নাদিমের পক্ষে। 

    সম্ভবত নাদিম আগেই বুঝতে পেরেছিলেন নোবেলের সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্ক। এর আগে নোবেল যখন অর্থ আত্মসাৎ মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তখন নাদিম লিখেছিলেন, এর জন্য মানুষ নাকি এখন পাগল হয়! আগে ভালো থাকা ঠিক ছিল, আর এখন! এখন যে নেশাখোর সে-ই একমাত্র এর জন্য পাগল হবে। 

    আগেও একাধিকবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন নোবেল। কিন্তু কোনো সংসারই স্থায়ী হয়নি। সবশেষ ২০১৯ সালে তিনি বিয়ে করেছিলেন সালসাবিল মাহমুদকে। কিন্তু মাদক ত্যাগ না করায় মাস ছয়েক আগে তাকে ডিভোর্স দেন সালসাবিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফুড ব্লগারের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন নোবেল!

    আলোচিত-সমালোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল আবারো বিয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে ফারজান আরিশা নামে এক তরুণীকে বিয়ের দাবি করেন তিনি। 

    তবে আরিশার আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে কী হয়নি, তা নিয়েও আলোচনা তুঙ্গে। এর আগে রোববার রাতে আরিশার সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন নোবেল। যেখানে তাদের দুজনকেই বেশ ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। 

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আরিশার গ্রামের বাড়ি খুলনায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গায়কের সঙ্গে পরিচয় তার। এরপর একাধিকবার নড়াইলে দুজনে দেখাও করেছেন। সেখান থেকেই তাদের সম্পর্কের শুরু। 

    আরিশা এর আগেও একটি বিয়ে করেছেন। তার স্বামী একজন ফুড ব্লগার। গত বছরই বিয়ে হয়েছিল তাদের। নোবেলের সঙ্গে আরিশার একাধিক ছবি ফাঁসের পর আরিশার প্রথম সংসার নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও সেই স্বামীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়েছে কিনা সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

    এ বিয়ে নিয়ে নোবেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে আরিশার সঙ্গে বিয়ের খবর প্রকাশ করবেন এই গায়ক।

    এর আগে ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর নোবেলের সঙ্গে বিয়ে হয় মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদের। একই বছরে ভারতের জি বাংলার সংগীত রিয়েলিটি শোতে ‘সারেগামাপা’ অংশ নিয়ে আলোচনা আসেন এই গায়ক।

    বিয়ের কয়েক বছর পরেই নোবেলকে ডিভোর্স দেন সালসাবিল। সেই সময় এই গায়কের স্ত্রী অভিযোগ করেন, নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ, মাদকাসক্ত, আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করত। এসব কারণে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওর সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না।
     

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মেহরুবাকে ছেড়ে নতুন প্রেমে মজেছেন নোবেল

    এক তরুণীর সঙ্গে দুইটি ছবি প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। যেখানে ওই তরুণীকে আলিঙ্গনরত অবস্থায় দেখা গেছে তাকে। 

    rnrn

    রোববার (১৯ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোবেল নিজেই এই ছবি প্রকাশ করেন। 

    rnrn

    ব্যক্তিগত জীবনে নানা কর্মকাণ্ডে আলোচিত এই গায়কের পাশে তরুণীকে দেখেই ভক্তদের মনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে, কে এই মেয়ে?

    rnrn

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নোবেলের সঙ্গে থাকা মেয়েটির নাম আরিশা। তার বাড়ি খুলনায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গায়কের সঙ্গে পরিচয় তার। এর পর একাধিকবার নড়াইলে দুজনে দেখাও করেছেন। নোবেল বর্তমানে এই তরুণীর সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। 

    rnrn

    এমনকি নিজের ফেসবুকে ওই তরুণীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে এক ভক্তের মন্তব্যর জবাবেও আরিশাকে তাদের ‘ভাবি’ বলে সম্বোধন করেছেন নোবেল। 

    rnrn

    এর আগে ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর নোবেলের সঙ্গে বিয়ে হয় মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদের। একই বছরে ভারতের জি বাংলার সংগীত রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ অংশ নিয়ে আলোচনা আসেন এই গায়ক।

    rnrn

    বিয়ের কয়েক বছর পরেই নোবেলকে ডিভোর্স দেন সালসাবিল। সেসময় এই গায়কের স্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ, মাদকাসক্ত, আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করত। এসব কারণে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওর সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না।’

    বিনোদন ডেস্ক