Tag: নুসরাত

  • জামিন পেলেন নুসরাত, যা বললেন তার আইনজীবী

    হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

    নুসরাত ফারিয়ার জামিন প্রসঙ্গে আইনজীবী ফারান মো. আরাফ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। 

    তিনি বলেন, ‘আদালত ন্যায়বিচার করেছ। দেশের এক নিরপরাধ ব্যক্তি, যে দেশেই ছিলেন না, তাকে গ্রেফতার করাটা যুক্তিযুক্ত ছিল না।

    অপর আইনজীবী মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন বলেন, ‘আপনারা জানেন একটি আলোচিত মামলায় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে সোমবার জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছিল। তারপরে আমাদেরকে ২২ তারিখ ধার্য তারিখ দেওয়া ছিল। আজকে পুলিশ দৃঢ়তার সহিত এবং দ্রুততার সহিত পুলিশ প্রতিবেদন আদালতে জমাদান করেছেন। এবং তারই প্রেক্ষিতে আমরা আজকে স্পেশাল পুটআপ দিয়ে বিজ্ঞ সিএমএম-১ আদালতে জামিন চেয়ে শুনানি করা হয়।

    আরও পড়ুন:

    যেহেতু উনি দেশের বাইরে ছিলেন, আপনারা জানেন জুলাইয়ের ৯ তারিখ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত উনি কানাডা অবস্থান করছিলেন। সেই মর্মে সন্তুষ্ট হয়ে বিজ্ঞ আদালত আজকে উনার জামিন মঞ্জুর করেছেন। এ জামিনটা দেওয়া হয়েছে এ মামলার সম্পূর্ণ প্রতিবেদন পুলিশ যতদিন দাখিল না করবেন ততদিন পর্যন্ত জামিন রয়েছে।’

    উল্লেখ্য, রোববার (১৮ মে) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পানি পান করে ক্ষুধা মেটাতাম, বলছেন অভিনেত্রী

    অভিনয়ে দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে বলিউডে নিজের স্থান করে নিয়েছেন নুসরাত ভারুচা। সম্প্রতি তিনি তার পরিবারের দুঃসময়ের স্মৃতি চারণ করেছেন। 

    অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি তার পরিবারের একমাত্র আয়রোজগারের সদস্য ছিলেন। টাকা, পয়সা অত্যন্ত মেপে বুঝে খরচ করতেন। বিশেষ করে কলেজে পড়ার সময় অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মাঝে মধ্যে পানি পান করে দিন কাটিয়েছেন।

    এক সাক্ষাৎকারে নুসরত ভারুচা জানিয়েছেন, ‘খুব আগে থেকেই আমি ঠিক করে নিয়েছিলাম যে প্রতি মাসে আমি কত টাকা খরচ করব। আমার বেসিক চাহিদাগুলো কী কী সেটাও ঠিক কর নিয়েছিলাম। আর আয়ের যে টাকা বেঁচে থাকে সেটা স্বাভাবিকভাবেই বিনিয়োগ করি না হয় জমাই। টাকা কখনও আমার অ্যাকাউন্টে আসে না। আমার অ্যাকাউন্টেন্টদের নির্দেশ দেওয়া আছে তারা যেন সেটা সোজা আমার ওয়েলথ ম্যানেজারের কাছে পাঠিয়ে দেন বিনিয়োগ করার জন্য।’

    তিনি আরও জানান, ‘আমার বাবার বয়স প্রায় ৭০ বছর, মায়ের ৬২। আমার দাদির বয়স ৯২ বছর। ওনারা সবাই আমার আয়ের উপর নির্ভরশীল। আমার ব্যাকআপ থাকা খুব জরুরি।  ওনাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য আমাকে হিসেব করে চলতে হয়।’

    কলেজে পড়ার সময়ে আর্থিক অনটনের স্মৃতি চারণ করে নুসরত বলেন, ‘আমি কলেজে পড়ার সময় আমাদের খুব আর্থিক অনটন ছিল। বাবার ব্যবসায় তেমন আয় হতো না। তাই আমি খুব বুঝে ভেবে টাকা খরচ করতাম। কলেজ লাইফে আমি ৫ বছর দিনে ৮ টাকার বেশি খরচ করতাম না, আর সেটাও যাতায়াতের জন্য। ট্রেন বাসে করে কলেজ যেতাম আর ফিরে আসতাম। কলেজে ফ্রি ছিল শুধু খাবার পানি। আমার ক্ষুধা পেলে আমি পানি খেতাম। বাবা যে আমায় টাকা দিতে চাইত না সেটা নয়। কিন্তু আমি সচেতন ভাবেই সেটা নিতাম না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিও হয়তো অন্য বাঙালি মায়ের মতোই হয়ে যাব: নুসরাত

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত অভিনীত সিনেমা ‘আড়ি’ মুক্তি পাচ্ছে। আগামী ২৫ এপ্রিল এ সিনেমাটি মুক্তির দিনক্ষণ ঠিক করেছেন পরিচালক। এর মধ্যেই এ সিনেমার ট্রেলার মুক্তির দিন উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত।  

    ‘আড়ি’ সিনেমার ট্রেলার দেখে দর্শকদের থেকেও ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। নুসরাত আশা করছেন, দর্শকদের মন জয় করতে পারবে ‘আড়ি’।

    মা-ছেলের গল্প নিয়েই ‘আড়ি’ সিনেমা। এ সিনেমার গল্প প্রসঙ্গে নিজের মাতৃত্ব নিয়েও কথা বলেন নুসরাত জাহান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ সিনেমার বিষয় থেকেই প্রশ্ন করা হয়— নুসরাত নিজেও একজন মা, বাড়িতে কার রাজত্ব চলে? এর উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, দেখুন ছেলে এখন খুবই ছোট, তবে ওই ‘রুল’ করে। দুষ্টুমি করলে বকাও খায়! আমি সারাদিন কাজের মাঝেই ওর খোঁজখবর নিয়ে থাকি।

    নুসরাত বলেন, দেখুন আমিও হয়তো অন্য বাঙালি মায়ের মতোই হয়ে যাব। তিনি বলেন, আসলে বাঙালি মায়ের কাছে বাচ্চারা বড় হতেই চায় না। সেই ছোট্টটাই থেকে যায়। আগলে-আগলে রাখে।

    অভিনেত্রী বলেন, ‘এই সিনেমা যশ তার মাকে উৎসর্গ করছে। আর আমি আমার বাবা-মাকে উৎসর্গ করছি। তিনি বলেন, আমার স্থির ধারণা— দর্শকরা এ সিনেমা দেখে তারাও নিজের অভিভাবকদের কথাই ভাববেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এখানে অনুশোচনার মতো কিছুই নেই, হাসিনা চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে নুসরাত

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী সরকারের পতনের পর সুবিধাভোগী বিনোদন জগতের তারকাদের অনেকেই বেশ বিপাকে পড়েন। এর মধ্যে কিছু তারকা আছেন, যারা সরাসরি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থাকলেও শেখ হাসিনার সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করা কিংবা বিভিন্ন সময়ে তার প্রশংসা করার জন্য সমালোচিত হয়েছেন।

    বিশেষ করে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় কাজ করার সুবাদে কয়েকজন শিল্পীকে বেশ সমালোচনার মধ্যে পড়তে হয়। তাদেরই একজন ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। শেখ হাসিনা চরিত্রে অভিনয় করার পর যে সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি, তা নিয়ে প্রথমবার  কথা বললেন অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করার কারণে অনুশোচনায় ভোগেন? এ প্রশ্নের উত্তর ফারিয়া ইংরেজিতে দেন, যার বাংলা করলে দাঁড়ায়— ‘আমি বলতে চাই, এখানে অনুশোচনার মতো কিছুই নেই। আমরা শিল্পীরা সাড়ে ৫টায় ঘুম থেকে উঠে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। এর পেছনে অনেক শারীরিক পরিশ্রম যায়। মুজিব সিনেমার জন্য ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল— এই ৫ বছর আমি একই লুকে নিজেকে মেইনটেইন করেছি। চুলে কোনো রঙ করিনি, কালো চুল নিয়ে ঘুরেছি এই চরিত্রটির জন্য। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শারীরিক ওজনের মধ্যে থাকতে হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমি বলতে চাইছি— এই সিনেমার জন্য আমি আমার জীবনের দীর্ঘ ৫ বছর দিয়েছি। ফলে সেই কাজটিকে নিয়ে যদি অনুশোচনা করি, তাহলে আমার পেশাকেই অপমান করা হবে।

    নুসরাত বলেন, ‘এই সিনেমার জন্য আমি যে পরিস্থিতি পার করেছি বা এখনো করছি, তা আমার ভাগ্যে লেখা ছিল বলেই মনে করি। এটা খণ্ডানোর ক্ষমতা আমার ছিল না। একটি দেশের সরকারি পর্যায় থেকে কোনো কাজের প্রস্তাব এলে তা নিজের অত পছন্দ না হলেও মানা করা যায় না।’

    ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তখন কানাডাতে কিছু শো করতে গিয়েছিলাম। ভুল সবসময়ই ভুল। তাই আমার মনে হয়েছে, তখন আমি ছাত্রদের পক্ষে পোস্ট করেছি। আমার সামাজিক মাধ্যমে ঘাটলে সেটি দেখতে পাবেন।’

    নুসরাত ফারিয়া ‘জ্বিন-৩’ সিনেমা নিয়ে ঈদে আসছেন। এরই মধ্যে এ সিনেমার ‘কন্যা’ গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দর্শক থেকে শুরু করে তারকাদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার বলিউডে নুসরাত, কার বিপরীতে অভিনয় করবেন তিনি?

    নতুন অবতারে টালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত জাহান। বলিউডের নায়ক-পরিচালকের সঙ্গে কাজ করলেন তিনি। উত্তর কলকাতার লাহাবাড়ি বনেদি বাড়িতে দুর্গাপূজার আয়োজন। সাদা পোশাক পরে ঢাকির দল উপস্থিত। দালানে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। আলপনা, আলো, লালসালু, গামছা, লাল-সাদা কাপড়, কুলো, লাল ফুল, ফুলের মালা, কলাগাছ, আমের পল্লব— হিন্দুশাস্ত্র মেনে পূজার উপকরণে চারদিক সাজানো। জ্বলছে ঝাড়বাতিও। বাড়ির আনাচ-কানাচে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। লালপাড় সাদা শাড়ি আর গহনায় সেজেছেন মেয়েরা। ছেলেরা লাল-সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি। এখানে শেষ নয়; চমক আরও আছে। এই পূজায় এসেছেন নুসরাত জাহান। বাড়ির ভেতরে দালানের এক পাশে রিকশা দাঁড়িয়ে। ভেতরে ফুচকা, সন্দেশ, রসগোল্লা— কী নেই!

    এমন চমকপ্রদ খবর পেয়ে বনেদি বাড়িতে উপস্থিত একটি গণমাধ্যম। লাহাবাড়ির ভেতরে এ রকমই কাণ্ড ঘটছে। তবে পুরোটাই বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক পাপনের মিউজিক ভিডিও ‘ঠুমকিয়া’-র শুটিংয়ের কারণে। দফায় দফায় গায়কের রেকর্ড করা কণ্ঠ শোনাচ্ছে— ‘হাত পে লেহরায়ে কঙ্গন তেরা’ গান। সঙ্গে নারীকণ্ঠের ‘কমলা নেত্য করে থমকিয়া থমকিয়া’ গানের ফিউশন। এখানেই নুসরাত শুটিং করবেন। সকাল থেকে তারই ব্যস্ততা। মিউজিক ভিডিও দিয়েই বলিউডে খাতা খুললেন অভিনেত্রী।

    সকাল গড়িয়ে ঘড়িতে দুপুর ১২টা। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির উল্টো দিকের রাস্তায় সার দিয়ে মেকআপ ভ্যান, জেনারেটরের গাড়ি। নায়িকা কই? সেটে ফিসফাস, তিনিও পূজার বেশে। লালপাড় সাদা শাড়িতে সাজছেন। বিপরীতে প্রিয়াংকা শর্মা। নায়িকা আসার ফাঁকে সনাতনী সাজে সেজে ওঠা একদল নারী-পুরুষ এবং নায়ককে নিয়ে জোর মহড়া চলছে। ধাক্কাপাড় ধুতি, লাল সিল্কের জমিনে জরির কাজের অঙ্গরাখা পাঞ্জাবি। হাসিমুখে সেটে ঢুকে নিমেষে আপন করে নিলেন সবাইকে।

    মহড়া হতেই টুকরো টুকরো শট ক্যামেরাবন্দি। ফুচকার টক জলে, রসগোল্লার রসে অভিনেতাদের হাত-মুখ মাখামাখি। মিউজিক ভিডিও পরিচালনায় স্নেহা শেঠি কোহলি। প্রযোজনায় টিপস মিউজিকের তরফ থেকে কুমার তৌরানি। নায়িকা কখন আসবেন? গুঞ্জন সেটের ভেতরে। ছাতা মাথায় দেহরক্ষীদের নিয়ে নুসরাত যখন সেটে এলেন, তখন সূর্য মধ্যগগনে। শুটিংয়ে এসেছিলেন সাদা টি-শার্ট ও প্যান্ট পরে। রূপটানে শাড়িতে আর গহনায় নায়িকা নিখুঁত বাঙালি মেয়ে। নায়কের পাশে ‘দেশি গার্ল’ সাজে তাকে ভারি মানিয়েছে। নুসরাতের নাচ নিয়ে নিন্দুকরাও টুঁ শব্দ করতে পারবে না। এক-দুবার মহড়া দিয়েই তিনি ক্যামেরার মুখোমুখি।

    গুরু গুরু ঢাকের বোলে ঠাকুরদালান মুখরিত। পর্দার ‘কমলা’ মোটেই ‘থমকিয়া থমকিয়া নেত্য’ করলেন না। নুসরাতের নাচের ছন্দে, ধুনোর গন্ধে চৈত্র মাসেও এক টুকরো শরৎ লাহাবাড়ির আঙিনায়।

    সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছবি শেয়ার করে আবেগঘন পোস্ট নুসরাতের

    ঢালিউড অভিনেত্রী-মডেল নুসরাত ফারিয়া বিনোদন জগতে একটা সময় উপস্থাপনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও বর্তমানে তিনি চলচ্চিত্রে থিতু হয়েছেন। চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্নধার আবদুল আজিজের হাত ধরেই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার ‘আশিকী’ সিনেমা দিয়ে ২০১৫ সালে বড়পর্দায় পদার্পণ অভিনেত্রীর। 

    সেই শুরু থেকে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে আরও কিছু সিনেমায় কাজ করেন নুসরাত ফারিয়া। কিন্তু হঠাৎ করেই জাজের সঙ্গে সম্পর্কে ছন্দপতন ঘটে অভিনেত্রীর। একসঙ্গে আর কোনো সিনেমায় কাজ করতে দেখা যায়নি নুসরাতকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও জাজের ঘরে অভিনেত্রী। 

    বুধবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হঠাৎ জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্নধার আবদুল আজিজের সঙ্গে দেখা গেল অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে। সামাজিকমাধ্যমে অভিনেত্রী এই প্রযোজকের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

    সেখানে নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন— ‘ফাইনালে আজিজ ভাই আমাকে প্রথম পারফর্ম করতে দেখেন। এরপর অনেকবার সিনেমার অফার করলেও ভয়ে রাজি হইনি। ২০১৫ সালে কলকাতায় বিজ্ঞাপন শুটে আবার দেখা হয় আমাদের। এরপর আমার প্রথম সিনেমা জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে।

    তিনি বলেন, ২০২৫ সালে আমার সিনেমার ক্যারিয়ারের ১০ বছর । এই লোকটাকে (আজিজ) ছাড়া স্বপ্ন কোনো দিনও পূরণ হতো না। অনেক কিছু বদলে গেছে আশপাশে; কিন্তু ওনার ভালো কাজ করার আগুনটা কমেনি। আজ ৭ বছর পর দেখা—ঘরের মেয়ে ঘরে আসার মতো আনন্দ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আ.লীগের সমর্থক ভেবে দূরে ঠেলে দিল কী করব’

    ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয় করে চমক দেখিয়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরুণী বয়সের চরিত্রে। 

    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে গত ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার বিদায়ে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। 

    শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে নিয়ে অনেক সমালোচনা (ট্রল) হচ্ছে। 

    সেই সমালোচনা প্রসঙ্গে নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘কাকে কী বলব! আমার ক্যারিয়ার ১২ বছরের। ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় দেখেছি। তারা যখন যে ধরনের কাজে ডেকেছে সাড়া দিয়েছি। আসলে আমি তো এখানে টাইম পাসের জন্য আসিনি। এটা রুটি-রুজির জায়গা। কাজের প্রস্তাব এলে করব, এটাই তো নিয়ম। এখন কেউ যদি আমাকে আওয়ামী সমর্থক ভেবে দূরে ঠেলে দেন, কী করতে পারি?’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিল্পী, আমাদের কাজ মানুষকে বিনোদন দেওয়া। সেটাই করে গেছি। কখনো কারও অন্ধ সমর্থক ছিলাম না। যদি সেটা করতাম, মনে সামান্যতম সংকীর্ণতা থাকত, দেশেই আসতাম না। এখন যদি নতুন সরকার তাদের কাজে আমাকে ডাকে, অবশ্যই সাড়া দেব। ওই যে বললাম, শিল্পীদের কাজ দলাদলি করা নয়, নিজের অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নেওয়া।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই ছেলেকে যেভাবে আগলে রাখেন নুসরাত

    দেখতে দেখতে সাড়ে তিন বছর বয়স হয়ে গেছে ঈশানের। এখন তার নানা ধরনের প্রশ্ন মনে— খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেল। স্কুলে যখন যাচ্ছে ঈশান, ও তো বুঝতে পারছে না, ঠিক কী হতে চলেছে। আমার তো উদ্বেগ-চিন্তায় ওষ্ঠাগত প্রাণ। সবাই আমাকে বোঝাতে থাকেন, এটা খুব সাধারণ একটা বিষয়। বাচ্চারা স্কুল যাওয়ার সময় কাঁদবেই। টালিউড অভিনেত্রী বলেন, আমার কিছুতেই মন মানছে না। স্কুলের বাইরে সাত দিন টানা বসে থাকতাম। শুনতে পাচ্ছি তো ভেতরে কাঁদছে। যখন দেখলাম আর কাঁদছে না, তখন থেকে আর বসতাম না।’

    তবে গর্বের সঙ্গে নুসরাত বলেন, তিনি শুধুই ঈশানের মা নন। তার জীবনে আরও এক সন্তান রয়েছে। যশের প্রথম ছেলে রিয়াংশ। ‘আমরা মানুষ হিসেবে অনেক কিছু জটিল করে থাকি। একটু মানবিকতা দিয়ে ভাবলে এমনটি কখনই হয় না। আমাদের পরিবারে আলাদা করে দুই ছেলেকে কখনই ভাবা হয় না। যশের দুই ছেলে ওর জীবন। কোনো তফাৎ নেই। আমাদের বাড়িতে কিন্তু দুটো পোষ্যও রয়েছে। ওরাও আমাদের সন্তান।

    যশকে পাশে পাওয়ার কথা উল্লেখ করে নুসরাত বলেন, আমি কোনোদিন বলতে পারব না যে মায়ের কাজ সবচেয়ে ওপরে। আদর-যত্ন, লালন-পালন সবটা মা করেন সেটি যেমন ঠিক, তেমনই জীবনের অনেক পাঠ শিখিয়ে দেন বাবা। ঈশান পড়ে গেলে আমি দৌড়ে গিয়ে তুললেও, যশ ওকে শেখায় কীভাবে নিজে থেকে উঠে দাঁড়াতে হয়। একজন মা এবং বাবার আলাদা ভূমিকা থাকে জীবনে, যেটি শিক্ষণীয়।

    এ অভিনেত্রী বলেন,  ‘আমি ওদের আদরের জায়গা, আর যশ ওদের নিরাপত্তা। সবাই কিন্তু বাবাকেই ভয় পায়। আর আমি বন্ধু। মজার বিষয় হলো— রিয়াংশ সবসময় ঈশানকে অত্যন্ত আগলে রাখে। ওদের রক্তের টান। যেটা ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি বা যশ যখন সবকিছু থেকে একটু ব্রেক নিতে বাইরে যাই, দুজন বাচ্চা একে অপরকে আগলে রাখে।

    কোভিডের সংক্রমণ কমলেও, তখনো কেটে যায়নি আতঙ্ক। হাসপাতাল থেকে ঈশানকে বাড়ি নিয়ে এলেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। দিনে পাঁচবার শুধু বাড়ি পরিষ্কার চলত সেই সময়। এমনকি বাচ্চার ঘরের দিকে খুব একটা লোকজন যেতেন না। তাই মানুষের ছোঁয়া থেকে খানিক দূরে ছিল নুসরাতপুত্র। 

    অভিনেত্রীর বলেন, এই তো সেদিন তোকে কোলে করে নিয়ে এলাম। এর মধ্যেই কেমন বড় হয়ে গেলি বল তো…।’ রাতারাতি একটা ছোট্ট বাচ্চা কীভাবে তাকে পরিপূর্ণ করেছে সে বিষয়েই কথা বলেছেন অভিনেত্রী। 

    ছেলের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ নুসরাত। তিনি বলেন, ‘সিজার হওয়ায় হাসপাতালে ওকে একমাত্র ফিডিংয়ের সময় কাছে পেতাম। প্রথম যখন কোলে পাই, তখন তো মা হয়ে উঠিনি। একজন শিশুকে কীভাবে দুধ খাওয়াতে হয়, কিছুই জানতাম না। যশ আমাকে এতটাই সাহায্য করেছে বলে বোঝাতে পারব না। আর সঙ্গে ছিলেন আমার মা। ছোট বাচ্চা কখন ঘুমাবে, কখন উঠবে সেটা বোঝা খুব মুশকিল হয়ে উঠত। প্রতিটি মায়ের অভিজ্ঞতা আসলে আলাদা হয়। আমারও তেমন সবার থেকে অন্যরকম।’

    বাচ্চাকে পাশে নিয়ে ঘুমানোর সময় প্রতিদিন নানা রকমের নতুন অভিজ্ঞতা হতো তার। দুধ খাওয়ানোর জন্য নাকি অ্যালার্মও দেওয়া থাকত অভিনেত্রীর। নুসরাত বলেন, ‘কখনও ঘুমের মধ্যে মনেও নেই হয়তো অ্যালার্ম বন্ধ করে দিয়েছি। আবার ধড়পড় করে উঠে বসতাম। আমি আর যশ সময় বার করে নিয়েছিলাম। সারারাত ব্রেস্ট ফিডিং করার পর আমি যখন ভোরের দিকে একটু ঘুমাতাম, তখন যশ ওকে নিয়ে বসে থাকত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রত্যেক বছর অষ্টমীতে ‘গ’ খেতে খুব ভালোবাসি: নুসরাত

    শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। চারদিকে উৎসবের আমেজ চলছে। এ উৎসবেই মিলেমিশে একাকার বিনোদন জগতের তারকারাও। এবার প্রকাশ্যে দেখা গেল টালিউড অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত ও অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে। পূজামণ্ডপে এসেছিল তাদের ছোট্ট নয়নমণি ঈশান দাশগুপ্তও। 

    সপ্তমীতে বাবার জন্মদিনে যখন আদর করে বাবাকে কেক খাইয়ে দিচ্ছিল ছোট্ট হাতে, তখনই সবার একই কথা। ভক্ত-অনুরাগীরা দেখে আবেগে-আপ্লুত। বলেছিলেন— এ তো ‘ছোট্ট যশ’। নবমীর সন্ধ্যায় সেই ‘ছোট্ট যশ’ ঈশান দাশগুপ্ত ফের সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল। এ ছবি প্রকাশ্যে আসতেই যশের অনুরাগীরা নতুন করে আদর জানিয়েছেন তাদের প্রিয় নায়কের সন্তানকে। অনেকে সেইসঙ্গে প্রশ্নও রেখেছেন—বড় ছেলে কোথায়?

    মা-বাবার মধ্যমণি হয়ে ছবি তুলেছে সে। পরনে বাবার মতোই পাঞ্জাবি ও ধুতি। কেবল রঙে তফাত। যশ বেছে নিয়েছেন সিক্যুইনের আসমানি রঙের পাঞ্জাবি ও চোস্ত। ছেলেকে সাজিয়েছেন লাল সুতার কাজ করা সাদা ধুতি-পাঞ্জাবিতে। এদিন নুসরাতও নিজেকে সুন্দর করে সাজিয়েছেন। ভিন্ন ধর্মের হয়েও নায়িকা সব ধর্মকে সম্মান জানান। প্রথাগত বিয়ে না হলেও তিনি যশের ধর্মকেও যথাযথ সম্মান করেন। সেই জায়গা থেকে তার সাজে লাল রঙের পোশাক ও সোনার গহনা আর সিঁথিতে সিঁদুর।

    প্রযোজক-অভিনেতা যশের দুই ছেলে— রিয়াংশ ও ঈশান। দুই ছেলেকেই যশ-নুসরাত সামাজিকমাধ্যম থেকে দূরে রেখেছেন। তাই বাকি তারকা সন্তানদের মতো তাদের খুব বেশি সামাজিকমাধ্যমে দেখা যায় না। এ কারণেই যখন দুই ভাই প্রকাশ্যে আসে, তাদের ছবি কাড়াকাড়ি করে দেখেন নেটিজেনরা। পূজায় মা-বাবার সঙ্গে রিয়াংশকেও দেখা যাবে, আশা ছিল সবার। 

    আনন্দবাজার অনলাইনকে পূজার পরিকল্পনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে নুসরাত বলেছিলেন—প্রত্যেক বছর অষ্টমীতে গ খেতে খুব ভালোবাসি। একশবার হয়তো তার জন্য কটাক্ষের শিকার হয়েছি। তার পরও ওই দিন অঞ্জলি দিই, আগামীতেও দেব। কারণ বিশ্বাস কোনো ধর্মের ওপর নির্ভর করে না। কোনো ভাষার ওপরেও নির্ভর করে না। বিশ্বাস মানুষের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। 

    সেই সঙ্গে এ অভিনেত্রী বলেন, হাজার ব্যস্ততার মধ্যেই তারা সন্তানদের সময় দেবেন। তিনি বলেন, ঈশানের এখন সাড়ে তিন বছর বয়স। অনেকটাই বড় হয়েছে। গত বছর ওকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলাম। ও মণ্ডপের আলোকসজ্জা দেখতে খুব পছন্দ করে। গত বছর ঢাকের তালে একটু-আধটু নেচেওছে। দেখেছি, এখন ও পূজা বিষয়টা একটু বোঝার চেষ্টা করে। ‘দুগ্গা আসছে’-গোছের অল্পবিস্তর কথাও বলছে। এবার কী করে, দেখা যাক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘নুসরাতের রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে’

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কঠোর সমালোচনা হচ্ছে। আলোচনায় থাকতেই এই অভিনেত্রী মাঝে মধ্যে ব্যক্তিগত জীবনের নানা মুহূর্তের ঝলক তুলে ধরেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ঝলক তুলে ধরে কখনো কখনো প্রশংসিত হন, আবার কখনো হতে হয় কটাক্ষের শিকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন এক জোড়া ছবি পোস্ট করতেই অভিনেত্রীকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। 

    দুটি ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘লেট দ্য লাইট গাইড ইউ।’ আলো আপনাকে পথ দেখাক। ক্যাপশনে যাই লেখা থাক, তার ধার কেউ ধারেনি। অভিনেত্রীর পোশাক নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কটাক্ষ করেন তার রুচি নিয়েও।

    একজন লিখেছেন, ‘এটা কি? রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে নুসরতের।’ আরেকজন লিখেন, ‘আপনি কি ছবি আপলোড করার সময় ছবির দিকে তাকান না? এ কেমন রুচি!’

    আরেকজন লেখেন, ‘এমন পোশাক পরেন কিভাবে? লজ্জা করে না?’ আরেকজন লেখেন, ‘অসভ্যতার এক শেষ। এসব করে কী বোঝাতে চান?’

    লাইফস্টাইল ডেস্ক