Tag: নীলাঞ্জনা

  • বিচ্ছেদ গুঞ্জনের মাঝেই লাল গোলাপ-চকলেট পেলেন নীলাঞ্জনা!

    ফেব্রুয়ারি মাস হলো ভালোবাসার মাস। একের পর এক দিবস নিয়ে এ মাসে প্রেমের গন্ধে ছড়িয়ে যায় চারদিক। এতে প্রেমিক প্রেমিকারা নিজেদের মতো করে  সময়কে উপভোগ করতে ব্যস্ত থাকেন। 

    এদিকে যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তুঙ্গে থাকা ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নীলাঞ্জনা চলতি মাসের শুরুতেই কী উপহার পেলেন, সেটাই দেখালেন।

    নীলাঞ্জনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ছবি শেয়ার করেছেন, আর সেটা দেখেই ভ্রু কুঞ্চিত হয়েছে সমালোচকদের। কী রয়েছে ছবিতে? 

    সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি গোলাপের সঙ্গে রাখা এক বাক্স চকলেট। ক্যাপশনে জুড়ে দিয়েছেন, ‘লাভ অ্যাকচুয়ালি’।

    ছবি নিয়ে চলছে আলোচনা- সমালোচনা। প্রশ্ন উঠেছে, এই গোলাপ আর চকোলেট কোথা থেকে এলো? নীলাঞ্জনা কি মনের মানুষ খুঁজে পেয়েছেন? নতুন কেউ এসেছে তার জীবনে? 

    উত্তর জানা নেই। কারণ যিশুর সঙ্গে বিচ্ছেদ আর এই উপহার তাকে কে দিয়েছেন, সেই বিষয়ে এক প্রকার মুখ বন্ধ রেখেছেন নীলা।

    তবে ওইদিন তার বোন এবং মেয়েদের সঙ্গে খেতে যাওয়ার একটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ধোসা লাভার’। ফলে অনেকে আবার ধারণা করছেন, মেয়েরা বা তার বোন এই উপহার দিয়েছেন।  

    এদিকে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই চলছে যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনার বিয়ে ভাঙার গুঞ্জন। তবে সোজাসুজি বিষয়টি নিয়ে কিছু না বললেও ইঙ্গিতমূলক পোস্ট করেছেন নীলাঞ্জনা। এছাড়া নামের পাশ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন সেনগুপ্ত পদবীটাও। 

    দীর্ঘ ২০ বছরের দাম্পত্য ভাঙার নেপথ্যে গুঞ্জন উঠেছে, অভিনেতা নাকি অন্য কাউকে মন দিয়েছেন। মুম্বাই গিয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি নীলাঞ্জনার সঙ্গে নাকি এক বাড়িতেও থাকছেন না।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • মায়ের বার্ষিক কাজ সেরে যা বললেন নীলাঞ্জনা

    মা অঞ্জনা ভৌমিকের বার্ষিক শ্রাদ্ধ সম্পন্ন করলেন। গতকাল বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ শ্রাদ্ধ সম্পন্ন করেন অভিনেত্রী-প্রযোজক নীলাঞ্জনা শর্মা। মা তাকে জীবনে লড়াইয়ের শিক্ষা দিয়েছিলেন। মায়ের অনুপস্থিতিতে মন ভারাক্রান্ত অভিনেত্রীর। গত বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হন নীলাঞ্জনার মা অঞ্জনা ভৌমিক। বিশেষ দিনটি মাকে স্মরণ করেই কাটিয়েছেন অভিনেত্রী।

    অঞ্জনা ভৌমিকের প্রয়াণের পর বছর ঘুরতে চলেছে। কিন্তু মায়ের অনুপস্থিতি এখনো অনুভব করেন নীলাঞ্জনা। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে মানুষ বাস্তবকে বুঝতে শেখে। আমিও সময়ের সঙ্গে নিজেকে বোঝনোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আজকে সেই শূন্যতা আরও বেশি করে আমার মনকে নাড়া দিয়ে গেল। আজকে মায়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোই বেশি করে মনে পড়ছে তার।

    বুধবার নীলাঞ্জনার বড় মেয়ে সারা কর্মসূত্রে মুম্বাইয়ে। অন্যদিকে ছোট মেয়ে জারার স্কুলের পরীক্ষা চলছে। তাই মায়ের শ্রাদ্ধ প্রায় একা হাতেই করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আমার ছোটমাসি, মেসোমশাই, মামিমা, মাসতুতো দাদা-বৌদিরা আমার সঙ্গে ছিলেন। মা গুড়ের রসগোল্লা খেতে খুব পছন্দ করতেন। মামিমা নিয়ে এসেছিলেন।

    শেষজীবনে অঞ্জনার স্বাস্থ্যের অবনতি এবং তার পর প্রয়াণ— মায়ের অনুপস্থিতি জীবন সম্পর্কেও নতুন পাঠ দিয়েছে নীলাঞ্জনাকে। অভিনেত্রী বলেন, এই রকম দিনে আরও বেশি করে বুঝতে পারি যে, আমি কতটা একা। সহানুভূতি অনেকেই জানাবেন। কিন্তু আমার দুঃখের সঙ্গে তো আমাকেই লড়াই করতে হবে।

    নীলাঞ্জনা জানালেন তার মা ছিলেন দৃঢ়চেতা। তাই জীবনে লড়াইয়ের পাঠ তিনি মায়ের থেকেই পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, সারা ও জারার জন্মের সময় মা আমার পাশে এমনভাবে ছিলেন, তা ১০ জন পুরুষের সমান। মায়ের থেকেই শিখেছি যে, জীবনে পেছন ফিরে তাকাতে নেই। জীবনের কোনো সংকট এলে তখন একমাত্র মাকেই মিস করি।

    নীলাঞ্জনা বলেন, মা চলে যাওয়ার পর আমি যা যা ব্যক্তিগত সমস্যার মোকাবিলা করেছি, অঞ্জনা ভৌমিকের মেয়ে না হলে হয়তো পারতাম না। কোচবিহারের আরতি ভৌমিক (অঞ্জনার পূর্বনাম) এবং অঞ্জনা ভৌমিক— দুজনে মিলে হয়তো আমাকে এভাবে তৈরি করে দিয়েছেন। 

    উল্লেখ্য, অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত ও প্রযোজক-অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা দম্পতি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। আর এ বিচ্ছেদের মূল কারণ তাদের সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই ঘোষণা করেননি তারা। তবু বেশ কয়েক মাস ধরেই ছাদ আলাদা হয়েছে যিশু-নীলাঞ্জনার। দুই মেয়ে সারা ও জারাকে নিয়ে কখনো মুম্বাই, আবার কখনো কলকাতা থাকছেন নীলাঞ্জনা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘খাদান’ সাফল্যে মাতোয়ারা যিশু, ‘প্রতারক’ বলে কটাক্ষ নীলাঞ্জনার

    বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে টালিউড প্রযোজক-অভিনেতা দেব ও যিশু সেনগুপ্তের যুগলবন্দি ‘খাদান’। এর মাঝেই যিশুকে নিয়ে ফের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা।

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক ছাদের নিচে আর থাকছেন না যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা। পথও বেঁকে গেছে দুজনের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে যিশুর সব ছবি ও নিজের নামের পাশ থেকে সেনগুপ্ত পদবি মুছে দিয়েছিলেন নীলাঞ্জনা। তার পরই স্পষ্ট হয় তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন। 

    গত কয়েক মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ইঙ্গিতবাহী বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী। কটাক্ষের তীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যে যিশুর দিকেই, সে কথা বুঝতে অসুবিধা হয় না। যদিও কোথাও যিশুর নাম উল্লেখ করেন না তিনি। এ মুহূর্তে ‘খাদান’-এর সাফল্য নিয়ে ব্যস্ত যিশু। 

    সম্পর্কে প্রতারণা নিয়ে নীলাঞ্জনা লিখেছেন—সম্পর্কে থাকাকালে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা হলো সবচেয়ে অসম্মানজনক কাজ, যা কোনো মানুষ করতে পারে না। যদি তুমি কোনো সম্পর্কে সুখী না থাকো, তা হলে সেটি চুকিয়ে অন্য সম্পর্ক শুরু কর। সেনগুপ্ত পদবি সরিয়ে ফেলার পরে ইনস্টাগ্রামে নীলাঞ্জনা নিজের পরিচয় দেন ‘নিনি চিনিজ মাম্মা’ হিসাবে। 

    কিছু দিন আগেও সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন নীলাঞ্জনা। তিনি লিখেছিলেন— কেউ ২৫ বছরে বিয়ে করে, কিন্তু ৫ বছর পরেই ডিভোর্স হয়ে যায়। কেউ ৪০ বছরে বিয়ে করেছে, কিন্তু সেখানে এক জীবনের ভালোবাসা পেয়ে গেছে। তাই আপনার দেরি হয়নি, আবার সময়ের আগেও কিছু হয়নি। আপনি যেখানে রয়েছেন, ঠিক সেখানেই থাকার কথা ছিল। 

    এদিকে অভিনেতা নাকি আপ্তসহায়কের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। প্রেমের টানেই নাকি ঘর ছেড়েছেন। যদিও তার অতি ঘনিষ্ঠদের দাবি, যা রটেছে তা ঘটেনি। মহিলা আপ্তসহায়কের সঙ্গে প্রেম নেই তার। তা হলে সেনগুপ্ত দম্পতির সম্পর্কে এমন ফাঁক এলো কীভাবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেউ ৪০ এ বিয়ে করে আজীবনের ভালোবাসাকে খুঁজে পায়, কেন লিখলেন নীলাঞ্জনা

    চলতি বছরের শুরু থেকেই জোর চর্চা টালিউড অন্দরে।  শোনা যাচ্ছে ২০ বছর পর দাম্পত্য জীবনে ইতি টানতে চলেছেন যিশু সেনগুপ্ত এবং তার স্ত্রী নীলাঞ্জনা। যদিও এখনো প্রকাশ্যে তারা এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। কিন্তু নীলাঞ্জনা মাঝে মধ্যেই ইঙ্গিতবহ পোস্ট করেন। এদিনও তেমনই ইঙ্গিত দিয়ে কী লিখলেন?

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এদিন ছবি শেয়ার করেন নীলাঞ্জনা। সেখানেই ডিভোর্স নিয়ে ইঙ্গিতবহ বার্তা দেখা গেল। কী লেখা ছিল সেই ছবিতে? এদিন তিনি যে ছবি পোস্ট করেছেন সেখানে লেখা ছিল, ‘কেউ ২১ বছর বয়সে গ্রাজুয়েট হয়ে ১০ বছর অপেক্ষা করে ভালো চাকরির জন্য। কেউ আবার কোনো রকম পুঁথিগত শিক্ষা ছাড়াই ২৫ বছরে কোটিপতি হয়ে যায়। কেউ ২৫ বছরে বিয়ে করে, ৫ বছর পর ডিভোর্স হয়ে যায়। কেউ ৪০ এ বিয়ে করে আজীবনের ভালোবাসাকে খুঁজে পায়। আপনি না সময়ের থেকে এগিয়ে আছেন, না পিছিয়ে। আপনি ঠিক সেখানেই আছেন যেখানে আপনার থাকার কথা।’

    এ ছবিটি শেয়ার করে সাবেক এই অভিনেত্রী, বর্তমান প্রযোজক লেখেন, ‘বিশ্বাস।’ এখানেই উসকে গিয়েছে জল্পনা। তবে কি তিনি ডিভোর্সের বিষয়টাকেই ইঙ্গিত করলেন? প্রসঙ্গত তার এবং যিশুর বিয়েও তাদের ২৫ বছরের আশেপাশেই হয়েছিল।  ২০০৪ সালে তারা গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন।

    বর্তমানে দুই মেয়েকে নিয়ে থাকেন নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। সদ্যই তাদের দুই মেয়ে সারা এবং জারার জন্মদিন গেল। নীলাঞ্জনা সমস্ত আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু সেই ঘরোয়া বার্থডে পার্টিতে দেখা মেলেনি যিশুর। প্রকাশ্যে কোনো শুভেচ্ছা বার্তাও জানাননি অভিনেতা। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে গুঞ্জন অনুযায়ী তার ম্যানেজারের সঙ্গে নাকি তিনি লিভ ইন করছেন। যদিও এই খবরের সত্যতা কতটা সেটা নিশ্চিত নয়।  

    তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের ভালো দিকও রয়েছে: নীলাঞ্জনা

    টালিউড অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তকে বিয়ে করে প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন টালিউড প্রযোজক ও অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। একসময় নিজে অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ভালোই নামডাক হয়েছিল তার। আচমকা যিশুকে বিয়ে করে সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। 

    যদিও ভালোবাসার টানে মুম্বাই ছেড়ে কলকাতায় এসেছিলেন এ অভিনেত্রী। তার বেড়ে ওঠা পুরোটাই মুম্বাইয়ে। সেখানে হিন্দি কাজের মাধ্যমেই তার ক্যারিয়ার শুরু। একটা সময় চুটিয়ে মডেলিংও করেছেন তিনি। কিন্তু নিজের ক্যারিয়ার ও বাড়ি— সব ছেড়ে কলকাতায় এসেছিলেন নীলাঞ্জনা। জীবনে একটা ক্ষতি হলো ঠিকই, কিন্তু এর ভালো দিকও রয়েছে বলে জানালেন অভিনেত্রী। 

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক মাস ধরে আলোচনার কেন্দ্রে টালিউডের একদা চর্চিত দম্পতি। অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত ও প্রযোজক-অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। জানা গেছে, যিশু-নীলাঞ্জনার সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতি রয়েছে। টালিউডে জোর জল্পনা— বিবাহবিচ্ছেদের পথেই নাকি এগোচ্ছেন তারা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই ঘোষণা করেননি তারা। তবু বেশ কয়েক মাস ধরেই ছাদ আলাদা হয়েছে যিশু-নীলাঞ্জনার। দুই মেয়ে সারা ও জারাকে নিয়ে কখনো মুম্বাই, আবার কখনো কলকাতা থাকছেন নীলাঞ্জনা। 

    টালিউডের অন্দরের অনেকেই নাকি চেষ্টা করছেন, যাতে দুপক্ষের মিটমাট হয়ে যায়। তবে আকার-ইঙ্গিতে বিভিন্ন সময়ে নিজের জীবনের সত্যিটা যেন বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ঠিক যেমনটি এবার জানালেন— জীবনের বড় একটা ক্ষতি হলেও কোন জিনিসটা ভালো হয়েছে। যিশুর সঙ্গে বিচ্ছেদ অনভিপ্রেত ঘটনা, কিন্তু এর ভালো দিকও রয়েছে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    এক সময় নিজে অভিনেত্রী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে ভালোই নামডাক হয়েছিল নীলাঞ্জনার। আচমকা যিশুকে বিয়ে করে সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। সংসার ও দুই মেয়েকে নিয়ে কাটে একটা সময় পর্যন্ত। তার পর নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজ শুরু করেন। 

    সূত্র জানায়, অভিনেতাকে নেপথ্যে থেকে সর্বদা শক্তি জুগিয়ে গেছেন নীলাঞ্জনাই। কিন্তু সেই সম্পর্কই নাকি এখন টালমাটাল। যদিও এ মুহূর্তে সেনগুপ্ত পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন দুপক্ষই। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নীলাঞ্জনা একাই যে সব দিক সামলাচ্ছেন, তা বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। 

    অন্যদিকে প্রচারের আলো থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন যিশু। তবে সেনগুপ্ত পরিবারের অন্দরে যে বড় পালাবদল ঘটেছে সেই ইঙ্গিত দিলেন যিশুপত্নী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করে তিনি লিখেছেন—জীবনে ট্র্যাজেডি বা অনভিপ্রেত যখন কিছু ঘটে, সাময়িকভাবে সব কিছু ওলটপালট হয়ে যায়। কিন্তু এর ভালো দিক হলো— এই সময় তুমি নিজের ব্যক্তিগত উন্নতির দিকে নজর দিতে পার, যা একপ্রকার পুনর্জন্মের মতো। 

    সম্প্রতি নিজের দুই মেয়ের নামে প্রযোজনা সংস্থা খুলেছেন নীলাঞ্জনা। নিজের পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো থেকে বিভিন্ন পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিতে দেখা যায় তাকে।

    এ মুহূর্তে প্রযোজক হিসেবে ছোটপর্দায় নিজের প্রভাব বিস্তার করেছেন নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। তবে কিছু দিন আগে পর্যন্ত যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ঘিরেই বেশি আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার শুরু হয় যখন ইনস্টাগ্রামের পাতায় দেখা যায় নিজের নাম থেকে সেনগুপ্ত পদবিটা সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। 

    যদিও নিজের ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলতেই রাজি নন এ অভিনেত্রী। এখন পুরোপুরি মন দিয়েছেন নিজের প্রযোজনা সংস্থা আর সিরিয়ালের কাজে। তবে একসময় অভিনেত্রী হিসেবে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন তিনি। এখন দুই মেয়েকে ঘিরেই তার গোটা পৃথিবী। তাদের নামেই নিজের নতুন প্রযোজনা সংস্থার নাম দিয়েছেন— ‘নিন্নি চিন্নি’জ মামাজ প্রোডাকশন।’ তবে তার সংসার ভাঙার গুঞ্জন শোনার পর থেকে সেভাবে কোনো কথা বলতে শোনা যায়নি। 

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসেছিলেন নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। যেখানে নিজের জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন তিনি। নীলাঞ্জনা বলেন, প্রথমবার ক্যারিয়ার ছেড়েছিলাম ভালোবাসে। মুম্বাই ছেড়ে কলকাতা চলে এসেছিলাম। তারপর আবারও ফিরে গিয়ে বম্বেতে টেলিভিশনে কাজ করার কথা ভাবিনি। যদিও আমার কাছে সে অপশন অবশ্য ছিল। আমি এ কথা মাকেও বলেছিলাম, মা বললেন— করার দরকার নেই। 

    তারপর অবশ্য আবারও নিজের প্রযোজনা সংস্থা খুলেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সময় মেয়েরা বড় হচ্ছিল, সেই সঙ্গে কাজের জন্য স্বামী অর্ধেক সময় শহরে না থাকায় সেভাবে কাজটা আর এগিয়ে যাননি। তবে প্রযোজক হিসেবে সেকেন্ড ইনিংসে বেশ নজর কেড়েছেন নীলাঞ্জনা। তার প্রযোজিত সিরিয়ালগুলো দর্শকদের এখন প্রিয়র তালিকায়।

    উল্লেখ্য, একটা সময় সংসার আর দুই মেয়েকে নিয়ে তাদের পথচলা। সংসারের পাশাপাশি শুরু করেন নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজ। যিশু ও নীলাঞ্জনা দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তারা কোনো ঘোষণা দেননি। তবে জানা গেছে, যিশু-নীলাঞ্জনার সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতি রয়েছে। মুম্বাই ফ্লিম ইন্ডাস্টিতে গিয়েই নাকি শিনাল সুর্তির সঙ্গে যিশুর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি অভিনেতার আপ্তসহায়ক। যার ফলেই নাকি ছাদ আলাদা হয়েছে যিশু-নীলাঞ্জনার। যদিও দুই মেয়ে রয়েছেন মায়ের সঙ্গে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যিশুর সঙ্গ ছাড়ার পর দুই মেয়েকে কোন উপদেশ দিলেন নীলাঞ্জনা

    টালিউড অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তকে বিয়ে করে প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন টালিউড প্রযোজক ও অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা। এবার দুই মেয়েকে ভবিষ্যৎ জীবনের কোন উপদেশ দিলেন এ অভিনেত্রী?

    একসময় নিজে অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ভালোই নামডাক হয়েছিল নীলাঞ্জনার। আচমকা যিশুকে বিয়ে করে সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। সংসার ও দুই মেয়েকে নিয়ে কাটে একটা সময় পর্যন্ত। তার পর নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজ শুরু করেন এ অভিনেত্রী। জানা গেছে, অভিনেতাকে নেপথ্যে থেকে সর্বদা শক্তি জুগিয়ে গেছেন নীলাঞ্জনাই। তবে সেই সম্পর্কই নাকি এখন টালমাটাল! সদ্য এক সাক্ষাৎকারে নীলাঞ্জনা বলেছেন, আমি এটা সব নারীকেই বলি— আমার মেয়েদেরও বলি। তুমি স্বেচ্ছায় কাজ করা বন্ধ করতেই পার, কিন্তু সব সময় এমন কিছু করবে, যা শুধু তোমার জন্য হবে। 

    এমনিতেই দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই সচেতন নীলাঞ্জনা। বড় মেয়ে সারা মডেলিং করছেন। আন্তর্জাতিক বিপণন সংস্থার হয়ে ইতোমধ্যে মার্জার সরণিতে হেঁটেছেন। ছোট মেয়ে স্কুলে পড়ছে, পাশাপাশি বাড়িতে ছোটখাটো ব্যবসাও শুরু করেছেন এ অভিনেত্রী।

    একটা সময় টালিউডে ‘পাওয়ার কাপল’ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সেনগুপ্ত দম্পতিও যে বিচ্ছেদের পথে হাঁটবেন, তা ভাবতে পারেননি তাদের ভক্ত-অনুরাগীরা, ভাবেননি সহকর্মীরাও। তাই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিস্মিত সবাই। তার পর থেকেই যিশু-নীলাঞ্জনার শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাদের বিচ্ছেদ আটকানোর নানা চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এ মুহূর্তে সেনগুপ্ত পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে কুলুপ এঁটেছেন দুপক্ষই। যদিও এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নীলাঞ্জনা একাই যে সবদিক সামলাচ্ছেন, তা আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে প্রচারের আলো থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন যিশু।

    যিশু ও নীলাঞ্জনা দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তারা কোনো ঘোষণা দেননি। তবে জানা গেছে, যিশু-নীলাঞ্জনার সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতি রয়েছে। মুম্বাই ফ্লিম ইন্ডাস্টিতে গিয়েই নাকি শিনাল সুর্তির সঙ্গে যিশুর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি অভিনেতার আপ্তসহায়ক। যার ফলেই নাকি ছাদ আলাদা হয়েছে যিশু-নীলাঞ্জনার। যদিও দুই মেয়ে রয়েছেন মায়ের সঙ্গে। 

    সম্প্রতি দুই মেয়ের নামে প্রযোজনা সংস্থা খুলেছেন নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। পূজার সময়েও দুই মেয়ে— সারা ও জারাকে নিয়ে কলকাতা ছেড়ে মুম্বাইয়ে ছিলেন। যিশু যদিও কলকাতায় ছিলেন বলে শোনা যায়। এসবের মাঝে মা হয়ে দুই মেয়েকে ভবিষ্যৎ জীবনের কোন উপদেশটি দিলেন প্রযোজক নীলাঞ্জনা?

    বিনোদন ডেস্ক

  • যিশুর সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যেই সাহসী বার্তা নীলাঞ্জনার

    চলছে টালিউড অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে স্ত্রী নীলাঞ্জনার বিবাহবিচ্ছেদের টানাপোড়েন। বেশ কিছু দিন ধরেই শোনা গেছে এ গুঞ্জন। যদিও বরাবরই এ দম্পতি বিনোদন জগতে ‘আদর্শ কাপল’ হিসেবে পছন্দ ছিল দর্শকদের। কিন্তু সেই সুখের সংসারে নাকি তৃতীয় ব্যক্তির আগমন, তা থেকেই দূরত্ব।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেছেন নীলাঞ্জনা। সেখানে দেখা গেছে, তার পরনে স্লিটেড ড্রেস ও লাল জ্যাকেট। আর গলা ও কানে মানানসই গহনা। যদিও সচরাচর এই বেশে দেখা যায় না নীলাঞ্জনাকে। এ যেন এক অন্য অবতার! ছবির নিচে শেয়ার করে তিনি লিখেছেন— শক্তিশালী, সুন্দরী ও দায়িত্বশীল। মাধুর্য ও শক্তির সঙ্গে পৃথিবীর ভার সে বহন করতে পারে। নিজের উদ্দেশ্যেই কি কথাগুলো লিখেছেন নীলাঞ্জনা? প্রশ্ন নেটিজেনদের।

    আবার এই ছবির নিচে মন্তব্য করেছেন যিশুকন্যা সারা। মায়ের সৌন্দর্যের প্রশংসায় তিনি লিখেছেন—হে ঈশ্বর! তোমাকে কী ভালো দেখতে লাগছে! সেখানে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ও পার্ণো মিত্রও নীলাঞ্জনার ছবি দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন।

    এর আগে গত ১৬ জুলাই শেষ নিজের ছবি পোস্ট করেছিলেন নীলাঞ্জনা। বিবাহে দূরত্বের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই ছবির সঙ্গে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তার দাম্পত্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এমনকি মুছে দিয়েছিলেন যিশুর সঙ্গে সব ছবি। ত্যাগ করেছিলেন ‘সেনগুপ্ত’ পদবি। অবশেষে সেই কঠিন সময় অতিক্রম করে নিজেকে প্রকাশ করেছেন নীলাঞ্জনা। সেটাই ভেবেছেন নেটিজেনরা।

    আজ নীলাঞ্জনার জীবনে অবলম্বন বলতে দুই মেয়ে সারা সেনগুপ্ত, জারা সেনগুপ্ত ও বোন চন্দনা। নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তের এই পোস্ট দেখে মন ভেঙেছিল বহু অনুরাগীর। বরাবরই তার ও যিশুর জুটি পছন্দ ছিল দর্শকদের। 

    গত দুই মাস ধরে নীলাঞ্জনা সামাজিকমাধ্যম জুড়ে ছিল দুই মেয়েকে নিয়ে পোস্ট। কখনো বড় মেয়ে সারার ফ্যাশন শোর মুহূর্ত, কখনোবা জারার শৈশবের ছবি। কখনো বোন চন্দনার জন্মদিনের মুহূর্ত, আবার কখনোবা মা অঞ্জনা ভৌমিকের স্মৃতিচারণ। কিন্তু এতদিন নিজের কোনো ছবি পোস্ট করেননি নীলাঞ্জনা। অবশেষে ‘শক্তিশালী, সুন্দরী ও দায়িত্বশীল’ রূপে ধরা দিলেন নিজেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নীলাঞ্জনার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যেই বাবা হচ্ছেন যিশু

    টালিউড অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত নাকি নিজের প্রযোজনা সংস্থাসহ যাবতীয় সম্পত্তি স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে লিখে দিয়েছেন। যাতে আগামী দিনে তাদের কোনো সমস্যা না হয়। কিন্তু এর মাঝেই সামাজিকমাধ্যমে নতুন খবর—বাবা হতে চলেছেন যিশু।

    আরজি করকাণ্ডের পর থেকেই একের পর এক বিচ্ছেদ, সম্পর্কের টানাপোড়েন, নারী নির্যাতনের কথা প্রকাশ্যে আসতেই বেসামাল বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।

    আর গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তের বিচ্ছেদের গুঞ্জন। যারা টালিউডের ‘পাওয়ার কাপল’ হিসাবে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিচিত। হঠাৎ কেন তারা বিচ্ছেদের পথে? 

    জানা গেছে, যিশু সেনগুপ্ত আপ্ত সহায়ক শিনাল সুর্তির সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বেঁকে বসেছেন নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। আরও শোনা গেছে, বর্তমানে শিনাল নাকি যিশুর সন্তানের মা হতে চলেছেন। 

    বুধবার সকাল থেকে নতুন গুঞ্জনে নড়ে বসেছে টালিউড। 

    যিশু বাবা হতে চলেছেন— এই গুঞ্জন নাকি ভুয়া। সম্পূর্ণ দাম্পত্য কলহের জেরেই নাকি ভাঙছে তাদের বিয়ে। তা হলে সেনগুপ্ত পরিবারে ভাঙনের নেপথ্য কারণ কী? শোনা যাচ্ছে, নীলাঞ্জনা নাকি প্রবল আধিপত্য চালাতেন যিশুর ওপরে। অনেক দিন ধরে সেই আচরণ সহ্য করার পর ক্রমশ মন বিষিয়ে উঠছিল অভিনেতার। ভেতরে ভেতরে তিনি দূরে সরে যাচ্ছিলেন নীলাঞ্জনার কাছ থেকে। এই বিচ্ছেদ নাকি তারই ফসল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক খ্যাতনামা সেই সময় শিনালের সঙ্গে যিশুর সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। আরও একটি বিষয়— নীলাঞ্জনা সরাসরি না বললেও সামাজিকমাধ্যমে বিচ্ছেদ নিয়ে নানা কথা ছুড়ে দিয়েছেন। দম্পতির বড় মেয়ে সারা সেনগুপ্ত সেই সময় মাকে সমর্থন জানান। এত কিছুর পরও যিশু কিন্তু মুখ খোলেননি।

    কেন এই নীরবতা? শোনা যাচ্ছে— দায়িত্বশীল বাবা হিসেবে অভিনেতা এ ক্ষেত্রে জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন। দুই মেয়ের মুখ মনে করেই নাকি যিশু নীরব। কোনো প্রতিবাদ জানাননি। আত্মপক্ষ সমর্থনেও মুখ খোলেননি তিনি। বরং যিশু সেনগুপ্ত নিজের প্রযোজনা সংস্থাসহ যাবতীয় সম্পত্তি নাকি স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে লিখে দিয়েছেন। যাতে আগামী দিনে তাদের কোনো সমস্যা না হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যে একই মঞ্চে যিশু-নীলাঞ্জনা

    টালিউড অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত ও অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে স্বামীর পদবি মুছে ফেলেছেন নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। এরই মাঝেই একই মঞ্চে আসছেন যিশু-নীলাঞ্জনা।

    সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন প্রযোজক ও অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। সেটি নিয়েই শুরু হয় নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনা। তিনি তার সেই পোস্টে লেখেন— 'এই বছরজুড়ে থাকল একের পর এক হারানো। একটার পর একটা ক্ষতিতে, একের পর এক যুদ্ধতে। এই কঠিন সময়ে জীবনের আসল রঙ দেখতে পেলাম। দেখলাম— ভেঙে পড়লেও তা সুন্দর থাকা যায়। জানলাম— আমায় ভালোবাসার এবং ঘিরে রাখার অনেক মানুষ আছে, আমার জীবনের শক্তির স্তম্ভ, হৃৎস্পন্দন হলো সারা, জারা ও চন্দনা। তোমাদের অনেক ভালোবাসি। যারা যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন, তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই কঠিন সময় পেরিয়ে ফিরে আসার জন্য একটু সময় নিচ্ছি।'

    গত মাসেই শুরু হয়েছে অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তের সংসারে ভাঙনের গুঞ্জন। কিন্তু ঘরসংসার ভাঙনের মাঝখানে প্রাচীর হয়েছে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন। আর তাতেই তাদের দাম্পত্য জীবনে ফাটল ধরেছে। বর্তমানে তারা আলাদাও বসবাস করছেন। যদিও এ বিষয়ে তারা কেউ-ই মুখ খোলেননি। 

    এর মধ্যেই জানা গেল এই বিচ্ছেদের মাঝেই তাদের আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে। একই মঞ্চে পুরস্কৃত হবেন তারা। তবে একসঙ্গে আসবেন কিনা সেটি জানা যায়নি।

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আজ টালিউডের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মিমি চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ। এ অনুষ্ঠানে এই দম্পতি পুরস্কৃতও হবেন, তবে আলাদা আলাদা বিভাগে। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া দশম অবতার ছবিটির জন্য সেরা খলঅভিনেতা হিসেবে পুরস্কার পাবেন যিশু। অন্যদিকে নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত সেরা প্রযোজকের সম্মান পাবেন। স্টার জলসার জনপ্রিয় মেগা হরগৌরী পাইস হোটেলের জন্যই এই সম্মান পাবেন তিনি। 

    তবে জানা গেছে, যিশু শহরের বাইরে থাকায় পুরস্কার মঞ্চে নাও দেখা যেতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক