Tag: নির্মাতা

  • ‘দেয়ালের দেশ’ নিয়েছে পাকিস্তান, চলবে বাংলা ভাষায়

    আজ পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘দেয়ারের দেশ’ ছবিটি। দেশটির মাল্টিপ্লেক্সে এ ছবিটি চালানো হবে বাংলা ভাষায়। তবে ইংরেজি সাবটাইটেলও থাকবে বলে জানিয়েছেন ছবির নির্মাতা মিশুক মনি। দেশের প্রেক্ষাগৃহ থেকে প্রশংসা কুড়ানো সিনেমা ‘দেয়ালের দেশ’ নিয়েছে পাকিস্তান। আর ‘দেয়ালের দেশ’ ডিস্ট্রিবিউশন করছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাভেইল এন্টারটেইনমেন্ট। 

    এদিকে পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমার কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন মিশুক মনি। সিনেমাটির তিনি অন্যতম প্রযোজকও। গত ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমা এরই মধ্যে ঘুরেছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশে। ‘দেয়ালের দেশ’ ছবির মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় এ নির্মাতার।

    পাকিস্তানে সিনেমা মুক্তির খবর জানিয়ে মিশুক মনি বলেন, এটি আমার প্রথম ছবি। গত বছর ছবিটি মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে দারুণ প্রশংসা পেয়েছি। এটি আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, কয়েকটি দেশে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। এবার মুক্তি পাচ্ছে পাকিস্তানে, বাংলা ভাষায়; তবে সাবটাইটেল থাকছে। এটা আমার জন্য দারুণ খবর। আশা করি পাকিস্তানের দর্শকদেরও সিনেমাটি ভালো লাগবে।

    ‘দেওয়ালের দেশ’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা শরিফুল রাজ ও অভিনেত্রী শবনম বুবলী। এ ছবির মাধ্যমে প্রথমবার জুটি বাঁধলেন তারা। রাজ-বুবলী ছাড়াও ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, সাবেরী আলম, স্বাগতা, শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে না করার কারণ জানালেন মারজুক রাসেল

    চলতি মাসের ১৩ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে ঢালিউড নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘৮৪০’। এ ছবিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা মারজুক রাসেল। এ চরিত্রে তার অভিনয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ‘৮৪০’-সহ নানা প্রসঙ্গ নিয়ে একটি গণমাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার কথা বলেছেন মারজুক রাসেল। এটি যুগান্তর পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

    আপনাকে সিনেমায় অভিনয়ে খুব একটা দেখা যায় না। যাও দেখা গেছে, তার প্রায় সবকটি মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচালনায়। ‘৮৪০’–এ অভিনয়ের ক্ষেত্রে কতটা সম্পর্ক, কতটা গল্পের মুগ্ধতা কাজ করেছে? মারজুক রাসেল বলেন, আমি তো সেই অর্থে একাডেমিক অভিনেতা নই, তাই অনিয়মিত। আসলে আমি যা যা করি, তার সবকিছুতেই অনিয়মিত, ২০২১ থেকে সেমি-নিয়মিত। কিশোরবেলার কৌতূহল আমারে ভিজ্যুয়াল মিডিয়ামে জড়াইতে উসকানি দিছে। পরে ২০০০ সালের দিকে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ছবিয়াল’-এ যোগ দিলে টানা ১৫ বছর টেলিভিশন-সিনেমার পেছন-সামনের অ, আ, ক, খ শেখা হয়েছে। ফিলোসফিতে (দর্শনে) ভিন্নতা থাকলেও মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে বন্ধু-বস-সম্পর্ক সব সময় অটুট, ৮৪০-এর ক্ষেত্রে গল্প ও ‘আমার সাম্প্রতিক পপুলারিটি’ কাজ করেছে,―কাজের সময় নিজেকে বহিরাগত মনে হয়নি।

    চলচ্চিত্রে আপনার একটি সংলাপ ছিল— ‘রাজনীতিতে সবসময় অ্যাটাক চলে না…’। এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কিছুই রাজনীতির বাইরে না’—এই হিসাব খালি জীবনের নয়, মরণেরও; জীবন–মরণের সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য। রাজনীতি মানে ‘মনুষ্যগঠিত কয়েকটা স্থানীয় সংগঠনের কার্যক্রম’ নয়।

     ‘৮৪০’–এর প্রচারণায় আপনি প্রেক্ষাগৃহে গেছেন। দর্শকরা ছবিটি দেখে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা বলেছেন, তা কী আপনার নজরে এসেছে? মারজুক বলেন, সরাসরি প্রতিক্রিয়া ছিল ‘ভালো হইছে’, ‘সমসাময়িক’, ‘ফানি’, ‘রিয়েলিস্টিক’—এ রকম আরও কিছু শব্দ ও শব্দের বাক্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রোফাইল/আইডি চালাই না, পেজ চালাই বইলা কিছু ‘যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা’ টাইপ আর মিশ্র প্রতিক্রিয়া নজরে এসেছে; এসে থাকতে পারে নাই, চইলাও গেছে।

    এবার অন্য প্রসঙ্গ। একটা সময় আপনার লেখা গান নিয়মিতই আইয়ুব বাচ্চু, জেমস, এরপর আসিফ আকবরসহ অন্যরাও গেয়েছেন। এখন গান লেখালেখিতে আপনাকে সেভাবে পাওয়া যায় না কেন? এ অভিনেতা উত্তরে বলেন, শুরুতেই বলছিলাম, আমি যা যা করি, তার সবকিছুতেই অনিয়মিত ও গানেও। ‘গানের কবিতা’ স্বেচ্ছায় এলে এখনো লিখি; অর্ডার বা ফরমাশে, বিষয় নির্বাচন করে দিলে লিখতে পারি না। অনুরোধে ঢেঁকি গিলতে গেলে হাঁপাইয়া উঠি। গান হয়ে ওঠায় গীতিকবি, সুরকার, সংগীতশিল্পী, কণ্ঠশিল্পীদের সমন্বয় না হওয়ায় ‘কারও হয়ে’ বা ‘কারও জন্য’ আমার গান লেখার আগ্রহে ভাটা পড়ছে সত্যি; কিন্তু স্বেচ্ছায় আসা নানান লেখায় জোয়ার আর জোয়ার।

    এখনো তো গান হচ্ছে, শোনা হয় কি? শোনা হলে গীতিকবিতা বা গায়কী ও সুরে মুগ্ধ হয়েছেন, এমন কেউ আছেন? মারজুক রাসেল বলেন, জুনায়েদ ইভানের গান আর আলী হাসানের র্যাপে মুগ্ধ আছি দীর্ঘদিন। ‘তোরা বাতাস কর বাতাস কর’ গাওয়া সুমনের গায়কীতেও মুগ্ধ ছিলাম। যথাযথ পরিচর্যার অভাবে অকালপ্রয়াণ হইল তার!

    যত দূর শুনেছি, আপনি যখন যা করতে চেয়েছেন, করেছেন। এরপরও এমন কিছু করতে চেয়েছেন কিন্তু করা হয়নি—এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, অর্গানিক ‘ক্রিয়া’ ছাড়া অনেক ‘হাইব্রিড ক্রিয়া’–ও করতে হইছে, হইতেছে, হবে। নিজের লেখা কিছু লিরিক গাওয়ার চাওয়া আছে আমার অসুরা-কণ্ঠে,―মেশিন ভরসা।

    ব্যক্তিজীবন প্রসঙ্গে আসি। শুনেছি, জেরিন নামের এক তরুণীর সঙ্গে আপনার প্রেম ছিল। এরপর তিনি বিয়ে করে সংসারী হলেও আপনি হননি। এই প্রেমই কি আপনাকে সংসারবিবাগী করেছে? আপনার কি সংসারী হতে ইচ্ছা করে না? মারজুক রাসেল বলেন, একটু আগেও যা বলে এলাম, তা–ও আমার ব্যক্তিজীবনের বাইরের প্রসঙ্গ নয়। যা–ই হোক, ওইটা একতরফা ছিল, আমার তরফে, ওয়ান-সাইডেড। কিশোরবেলায় প্রকৃতি আমারে দিয়া ওই পাগলামি করাইয়া নিছিল। 

    তিনি বলেন, দাম্পত্য জীবন আর সংসারজীবন এক নয়। একলাও সংসার করা যায়। কাজকর্মে, দূরে একলা থাকলেও আমি সংসারবিবাগী নই—নানু, মা, বোন, ভাইদের নিয়েই আমাদের সংসার। দাম্পত্যে জড়াইতে প্রথম চেষ্টা করছি ১৯৯৬ সালেই, ম্যাচ হয়নি।―ম্যাচ না করলে সামাজিক আইন মাইনা, জোর কইরা ম্যাচ করাইয়া আজীবন বা বিচ্ছেদের পূর্বাপর ‘ক্যাচক্যাচ, ঘ্যাচঘ্যাচ’ কইরা যাওয়ায় আমি আগ্রহী নই। ইংরেজি ‘ম্যাচমেকিং’ শব্দবন্ধটা এই ক্ষেত্রে স্মরণীয়। ‘ম্যাচ’ করে না!

    আপনার লেখা গান, জিঙ্গেল, বই অনেককে মুগ্ধ করেছে। কার বই আপনাকে বেশি প্রভাবিত করেছে, মুগ্ধ করেছে? এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, অসংখ্যের লেখা। তাদের নাম উল্লেখ করে কাউকে ছোট, বড়, মেজ বানানোর চর্চা আমার ইদানীং নেই।

    সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে অনেকে প্রকৃতি কিংবা নির্জনতা পছন্দ করেন। আপনার ক্ষেত্রে কোনটা?

    মারজুক রাসেল বলেন, সৃজনশীল কাজের পরিবেশ, স্থান–কাল–পাত্র— এসব মিথের কারাগার থেকে অনেক আগেই মুক্তি পাইছি। এখন আমার যা কিছু লেখা হয়, সব অভ্যাসবশত অভিজ্ঞতা, রিয়েল ইভেন্ট, কল্পনা, আড্ডা, পাঠ, দর্শন, শ্রবণ, খাওন, ঘুম, গোসল, প্রেম প্রভৃতির অংশগ্রহণে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নওয়াজকন্যা যেন মিনি দীপিকা, বলিউডে পা রাখার প্রসঙ্গে যা বললেন বাবা

    ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপকন্যা আলিয়া কাশ্যপের বিয়েতে দেখা গেছে অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর মেয়ে শোরা সিদ্দিকীর। আর তারপর থেকেই নওয়াজকন্যার সৌন্দর্য টক অফ দ্য টাউন। নওয়াজকন্যার রূপে মুগ্ধ বিয়েবাড়ির আমন্ত্রিত অতিথিরা। বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার ইচ্ছে তার। দেখতে যেন অবিকল দীপিকা পাড়ুকোন। এ যেন মিনি দীপিকাও জানিয়েছেন নেটিজেনরা।  

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর মেয়ে শোরা সিদ্দিকী সম্প্রতি বাবার সঙ্গে আলিয়া কাশ্যপের বিয়েতে অংশ নিয়েছিলেন। সেই  থেকে চর্চায় এ তারকা-কন্যা। নেটিজেনরা তো বটেই, শোরার সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন আলিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে আসা তারকারাও। এমনকি তাকে অনেকেই ‘মিনি দীপিকা’ বলে অভিহিত করেছেন। 

    শোরাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি রিল পোস্ট করেছেন, যা তার একাধিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে তৈরি করেছেন অভিনেতা বাবা। তবে এই রিল সামনে আসার পর থেকেই নওয়াজকন্যার সৌন্দর্য চোখ কেড়ে নিয়েছে। 

    ‘Happy Birthday Shora’ লিখে ভিডিও পোস্ট করেন নওয়াজউদ্দিন। এতে কমেন্ট করে অনুরাগ কাশ্যপ লিখেছেন—কী সুন্দর দেখতে। অম্রুতা সুভাষ লিখেছেন—ও কিন্তু ভীষণ সুন্দরী। এক নেটিজেন লিখেছেন—এ তো মিনি দীপিকা। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—আমার তো মনে হচ্ছে দীপিকা পাড়ুকোন আর রাধিকা আপ্তেকে গুলে শোরাকে তৈরি করা হয়েছে।

    পরিচালক অনুরাগের মেয়ে আলিয়ার গত বুধবার (১১ ডিসেম্বর) মুম্বাইয়ে একটি জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানে শেন গ্রেগের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন। নওয়াজউদ্দিন ও শোরা এ দম্পতির বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় অংশ নিয়েছিলেন এবং পরে নওয়াজকন্যা তার সৌন্দর্য দিয়ে নেটপাড়ার মনজয় করে নেয়। ওয়াজউদ্দিন একটি টিল সবুজ শেরওয়ানি পরেছিলেন এবং শোরা বেছে নেন সবুজ এথনিক পোশাক। 

    এর আগে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী জানিয়েছিলেন, তার মেয়ে শোরাও তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে অভিনেত্রী হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। মাঝে বাবা ও মেয়ের মধ্যে দূরত্বের কথাও সামনে আসে। বিশেষ করে যখন নওয়াজ ও তার স্ত্রী আলিয়ার মধ্যে আইনি লড়াই চলছিল। তবে সাম্প্রতিক পোস্ট নির্দেশ করছে, সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিয়েছে বাবা আর মেয়ে।

    মেয়ের বলিউডে পা রাখা নিয়ে নওয়াজ জানিয়েছিলেন, সম্পূর্ণ রূপে তিনি এই জার্নিতে শোরার পাশে থাকতে প্রস্তুত। এমনকি মেয়েকে অ্যাক্টিং স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন বলেও নওয়াজ জানিয়েছিলেন সেই সময়। কাজের সূত্রে, অভিনেতাকে শেষ দেখা হেছে হরর সিনেমা ‘অদ্ভুত’-এ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুঃসংবাদ দিয়ে অনুরোধ করলেন ফারুকী

    ঢালিউড নির্মাতা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ছবিয়াল’-র অফিশিয়াল পেজ হ্যাক হওয়ায় দুঃসংবাদ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) আনুমানিক বেলা ২টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

    এ নির্মাতা জানিয়েছেন, বর্তমানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালন করায় তিনি নিজের হ্যাক হওয়া অফিশিয়াল পেজ নিয়ে কোনোরকম পদক্ষেপ নিতে পারছেন না। তবে হ্যাক হওয়া পেজটি ফিরে পেতে তিশা ও তার টিম কাজ করছে। হঠাৎ এমন অঘটন হওয়ার পেছনে একটি চক্র দায়ী।

    ফারুকী আরও বলেছেন, আমার দর্শকরা আমার ফিল্ম মেকিং ক্যারিয়ারে প্রচুর অবদান রেখেছেন। আমি নিশ্চিত আপনারা সবাই জানেন কেন এসব ঘটছে, কারা এটা ঘটাচ্ছেন। বিগত বছরে আমি আমার ছবির প্রচারমূলক কাজ করেছি। কিন্তু এখন আমি ভিন্ন একটি ভূমিকা পালন করছি। ৮৪০-র প্রচারের জন্য আমি কিছুই করতে পারিনি। তাই এটা স্পষ্ট যে, এক বা এক-চতুর্থাংশের বেশি নেতৃত্বে একটি দূষিত প্রচেষ্টা চলছে।

    ৮৪০ সিনেমা প্রসঙ্গে সংস্কৃতি উপদেষ্টা  বলেন, যারা ৪২০ পছন্দ করেন, তারা অনুগ্রহ করে হলে যান এবং ৮৪০ ওরফে ডেমোক্রেসি প্রাইভেট লিমিটেড দেখুন। যেহেতু আমি আমার চলচ্চিত্রটি সঠিকভাবে প্রচার করতে পারছি না, তাই আপনি ছবিটি উপভোগ করুন, চলচ্চিত্রটির প্রচারক হোন। একই সঙ্গে আমাকে আমার জনসাধারণের কাজ চালিয়ে যেতে দিন, যার জন্য আমি ২০০ শতাংশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ!

    উল্লেখ্য, ঢালিউড নির্মাতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে ২০০৭ সালে নির্মাণ করেছিলেন ‘৪২০’। কিন্তু গত ১৫ বছরে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও তামাশা সবকিছুকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখে তিনি নির্মাণ করে ৪২০’-এর ডাবলআপ ‘৮৪০’, যা গত বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে একটি রিলস পোস্ট করে জানিয়েছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এবং পরদিন শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে ‘৮৪০’–এর ট্রেলার নির্মাতা নিজেই শেয়ার করেন।  ৪২০’-এর ডাবলআপ ‘৮৪০’, যার পূর্ণ নাম ‘ডেমোক্রেসি প্রাইভেট লিমিটেড’। ছবিটি গতকাল শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) হলে মুক্তি পেয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে আগের দেওয়া ফেসবুক পোস্টে ফারুকী লিখেছিলেন, আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বানাই ‘৪২০’। প্রকৃতির কী বিচিত্র খেয়াল, আবার আসছে সেই রকম একটা দুষ্টু কিছু, তাও আরেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। যেটার শুটিং করেছি ফ্যাসিবাদের কালে। তিনি বলেন, খোদার কসম, এটা মুক্তি পাওয়ার পর তোমরা ভেব না আমি আগেই জানতাম। এই সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার থাকবে, তা না হলে এটা কোন সাহসে বানালাম?

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিনে বিশেষ কেক কাটলেন জিৎ, বাংলাদেশ থেকেও গেল শুভেচ্ছাবার্তা

    টালিউড অভিনেতা জিতের সঙ্গেই আগামী ছবির কাজ শুরু করবেন নির্মাতা শ্যামসুন্দর দে। যৌথ প্রযোজনার এ ছবিতে আছেন ঢালিউড নির্মাতা রায়হান রাফী। জিতের জন্মদিনে সেই খবরে খুশি জিতের ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    প্রতিবেশী দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছাবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন দুই দেশের মানুষ। উদ্বিগ্ন দুই বাংলার শিল্পীরাও। এরই মধ্যে ৩০ নভেম্বর নায়ক জিতের জন্মদিনে এলো সুখবর। এ দেশের মতো ওপার বাংলাতেও তার অজস্র অনুরাগী। বাংলাদেশের দর্শক তার প্রতীক্ষায়। কবে তিনি সে দেশে যাবেন, ছবিতে অভিনয় করবেন। তাদের সেই ইচ্ছা জিৎ পূরণ করবেন— এ খবর জানাল আনন্দবাজার।

    ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় বাংলাদেশের নির্মাতা রায়হান রাফীর ‘লায়ন’ ছবির তিনিই নায়ক। সেই খবরে সিলমোহর দিয়েছিলেন ছবির কলকাতার প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে। গতকাল শনিবার নায়কের জন্মদিনে তিনি একটি কেক উপহার দিয়েছেন। সাধারণ কেক নয়, বরং সেই কেক বহন করেছে বিশেষ বার্তা।

    চকোলেট কেকের গায়ে উজ্জ্বল এক সিংহের মুখ! মাথায় সোনালি মুকুট। প্রযোজক জানিয়েছেন, কেক দেখে দারুণ খুশি নায়ক। কেটে সঙ্গে সঙ্গে তাতে কামড় বসিয়েছেন তিনি।

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘লায়ন’-এর জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই কেক। প্রযোজক জানিয়েছেন, একা আমি নই, বাংলাদেশ থেকে রায়হানও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জিৎ দাকে। এ বিষয়ে ফোনে প্রতি দিন ছবি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তাদের। শ্যামসুন্দর দে বলেন, ছবিতে জাহাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেটির কারণেই ছবিটি তৈরি হতে একটু সময় লাগছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিও জটিল। প্রযোজকের আশা— নতুন বছরে সব সমস্যা মিটে যাবে। তিনিও ‘লায়ন’কে শুটিং ফ্লোরে পৌঁছে দিতে পারবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তোরা ধর্ম-রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া করে মর, আমি প্রেম করছি: কবীর সুমন

    ওপার বাংলার কবি, গীতিকার ও নির্মাতা শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কবিতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সরাসরি না লিখলেও বোঝা যাচ্ছে, তিনি কবিতাটি লিখেছেন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে। কবিতার প্রতিবাদে বাংলাদেশের অনেক লেখক, কবি ও শিল্পী এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    বাদ যাননি উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী কবীর সুমনও। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বারবারই সরব। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশের নানা ঘটনা নিয়ে নিজের মত দেন। জুলাইয়ের অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়েও নানা বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন এই শিল্পী। সর্বদা শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের সঙ্গে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে এসেছেন। শনিবার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কবিতার চরণে তিনি ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ টেনে মন্তব্য করেন।

    কবীর সুমন নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘সীমান্তের কাঁটাতার-বেড়া থেকে ফেলানী যখন ঝুলছিলেন, কিসের কার অবমাননা হচ্ছিল তখন?’ সুমন এই লেখায় কারও নাম নেননি তবে অনেকেই মনে করছেন তিনি মূলত এটি লিখেছেন শ্রীজাতকে উদ্দেশ্য করেই। পোস্টের মন্তব্যের ঘরে সেটা লিখেছেন অনেক অনুসারী।

    গতকাল রাতে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কবীর সুমনের আরেকটি ফেসবুক পোস্ট আলোচনায় ছিল। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আকারে বড় দেশগুলো মনে করে তারা তাদের আকারে ছোট প্রতিবেশীদেশগুলোর মুরব্বি। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে সে কিউবা, হাইতির বড়দা। পুয়ের্তো রিকোকে তো বড়দা অঙ্গরাজ্য মনে করে। ভারত মনে করে সে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপালের বড়দা।’

    ‘তোরা ধর্ম আর রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া কাজিয়া করে মর। আমি প্রেম করছি, প্রেম করে যাব।’ এভাবে গতকাল আরও একটি পোস্ট করেছিলেন সুমন।

    জুলাই অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে কেবল নিজেই যে লিখেছেন তা নয়, বাংলাদেশি লেখক, শিক্ষকসহ অনেকের লেখাও শেয়ার করেছেন তিনি। তিন দিন আগে একটি লেখার কাজ শেষ করেছেন কবীর সুমন। লেখার সারকথা ‘ঘৃণার ফাঁদে পা দেবেন না’।

    এর আগে গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশের ফরিদপুরের একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন কবীর সুমন। সেই ছবিটি শহিদ মিনারের। যেখানে দেখা যাচ্ছে শহিদ মিনারের পাদদেশে লেখা, ‘রুখে দাও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এই দেশটাজুড়ে’।

    ৭ আগস্ট কবীর সুমনের আরেকটি পোস্ট আলোচিত হয়। সেই লেখার শুরুতে তিনি লিখেছিলেন, ‘কোনো কোনো ভারতীয় বাঙালি বাংলাদেশের নানা ঘটনা সম্পর্কে এমনভাবে লিখছেন যেন গণজাগরণটা তাদের মত, উপদেশ নিয়ে করা উচিত ছিল এবং বাংলাদেশকে এখন কোন পথে কীভাবে চলতে হবে, সেটাও বাংলাদেশের জনগণকে এই ভারতীয় বাঙালিদের তুষ্ট করেই ঠিক করতে হবে।’

    দীর্ঘ সেই পোস্টটি তিনি শেষ করেন এভাবে, ‘আমার মনে হয়, আমরা যেহেতু বাংলাদেশে থাকি না, বাংলাদেশের অনেক কিছুই জানি না, তাই আমাদের বাকসংযম শ্রেয়, বিশেষ করে কোনো ঘটনা সম্পর্কে চরম মত দেওয়ার ব্যাপারে।’

    ৬ আগস্ট আয়নাঘরের দুর্বিষহ জীবন নিয়ে আরেকজনের একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন তিনি। একই দিন ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ নামে আরও একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেন কবীর সুমন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফারুকীর কাছে কী চাইলেন ভারতীয় নির্মাতা

    ভারতের কলকাতার জনপ্রিয় নির্মাতা শিবপ্রসাদ মুখার্জির পরিচালিত ‘বহুরূপী’ কয়েক মাস আগেই মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশেও সিনেমাটি মুক্তির কথা চলছে বলে জানা গেছে। আগামী মাসেই বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে আসছে সিনেমাটি। ভারত-বাংলাদেশের সিনেমাবিনিময় নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন এ পরিচালক।  

    হিন্দুস্তান টাইমস সূত্রে জানা গেছে, সাফটা চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের দুটি সিনেমা চলবে বাংলাদেশে। এর মধ্যে একটি ‘পুষ্পা টু’ আরেকটি ‘বহুরূপী’। এ প্রসঙ্গে শিবপ্রসাদ বলেন, বাংলার জন্য এটা খুবই গর্বের। এবং ওপ্রান্ত থেকে আমাদের সিনেমা বহুরূপীর সঙ্গে আদান-প্রদানে যে সিনেমাটা দেখানো হবে, সেটি রায়হান রাফী পরিচালিত ‘দামাল’। সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে।

    এ নির্মাতা বলেন, আমরা উদগ্রীব হয়ে আছি  ‘বহুরূপী’ কবে ওপার বাংলায় দেখানো হবে এ নিয়ে। অপেক্ষা করছি কবে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সিলমোহর পাব। কবে মুক্তির দিন নির্দিষ্ট হবে। বাকি সবকিছুই হয়ে গেছে, শুধু ফাইনাল অনুমতির অপেক্ষায়। লালফিতের গেরোয় আমরা একটু আটকে। অপেক্ষা করছি, কবে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সিলমোহর পাওয়া যাবে।  

    এদিকে দেশের গুণী নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা তিনি। এ নির্মাতার প্রসঙ্গে টেনে শিবপ্রসাদ বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে রয়েছেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী। আমি তার সিনেমার ভক্ত। উনি আন্তর্জাতিক সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত।

    তিনি বলেন, আমার ধারণা—উনি পরিচালক-প্রযোজকের মনের কথা, সিনেমাপ্রেমীর মানুষের কথা বুঝবেন। দুই দেশের মধ্যে সিনেমার আদান-প্রদান যাতে দীর্ঘ হয়, ফারুকীর কাছে সেটিই চাইব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় পরিচালকের নেশা মিশ্রিত চকোলেট খেয়ে বিপাকে অভিনেত্রী

    অভিনেত্রী শাহনাজ সুমি রিয়েলিটি শো ‘সেরা নাচিয়েতে অংশগ্রহণ করে শোবিজে যাত্রা করেন।  একই সময়ে ‘সোনার পাখি রুপার পাখি’নাটকে অভিনয় করতে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে।  ‘পাপ পুণ্য’, ‘দামাল’সহ কয়েকটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন তিনি। সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় এক নির্মাতার বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন সুমি। ওই নির্মাতার অফিসে যাওয়ার পর হেনস্তার শিকার হয়েছেন তিনি। অভিনেত্রীর দাবি, চকোলেটের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাওয়ানো হয়েছিলে তাকে।

    চকোলেট মুখে দিয়ে খেতে খেতে কেমন একটা বাজে অনুভূতি হচ্ছিল অভিনেত্রী শাহনাজ সুমির। মিনিট সাতেকের মধ্যেই মাথা ভার হওয়া শুরু হলো তার। তখনো জ্ঞান আছে, তাই দেরি না করে নিজেকে রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়লেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু হায়! পরিচালক তার পিছু ছাড়ল না। অপেক্ষায় রইল কখন পুরোপুরি অজ্ঞান হয়ে পড়েন সুমি। এটা কোনো নাটক-সিনেমার গল্প নয়। সত্যি-সত্যিই মতলববাজ পরিচালকের ফাঁদে পড়েছিলেন শাহনাজ সুমি।

    নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিব্রতকর পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন সুমি। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, তিন মাস আগে এক পরিচালকের অফিসে গিয়েছিলেন তিনি। ওই নির্মাতা তাকে চকলেটের প্যাকেট ভেঙে অর্ধেকটা খেতে দেন। খাওয়ার ৭ থেকে ৮ মিনিটের মাথায় অভিনেত্রীর মাথা ভার হতে শুরু করে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বিপদ এড়াতে সেখান থেকে বেরিয়ে পড়েন সুমি।

    অভিনেত্রী আরও জানান, অফিস থেকে বের হওয়ার পরও তার পিছু নিয়েছিলেন ওই নির্মাতা। সুমি বলেন, পরিচালকের অফিস থেকে বেরিয়ে লিফটের সামনে গিয়ে বুঝতে পারছিলাম না কোন বাটনে চাপ দিলে নিচে নামব। তখন নির্মাতা আমার পেছনে এসে জিজ্ঞাসা করল, এখনো যাওনি? এসো, ভেতরে এসে বসো। তখন আমি বললাম—না, আমাকে এখন যেতেই হবে।

    সুমি আরও বলেন, লিফটে না গিয়ে রেলিং ধরে ধরে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগলাম। নির্মাতা তখন আমার পেছনে পেছনে নামতে লাগল। আমাকে আবারও জিজ্ঞাসা করল, তুমি কোথায় যাবে? আমি কোনো একটা ঠিকানা বলার পর সে বলল, আমিও যাব সেখানে। সে হয়তো আমার জ্ঞান হারানোর অপেক্ষা করছিল। মনে হলো, আমার পালানো উচিত। অন্য কোথাও যাব বলে সেখান থেকে দ্রুত হেঁটে বের হয়ে এলাম। ঘটনা বর্ণনা করলেও পরিচালকের নাম প্রকাশ করেননি এই অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে ডি-স্ট্যাবিলাইজ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে: ফারুকী

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নানান ইস্যুতে প্রতিবাদের সুরে কথা বলেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই ছাত্র-জনতাকে সমর্থন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব ছিলেন তিনি। এবারো তার ব্যতিক্রম হলো না। শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন ফারুকী। সেখানে আবারো ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

    পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    তিনি লিখেছেন, ‘আমি এর আগেও অনেকবার লিখেছিলাম যে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলন ‘সময়’ থেকে পুরাপুরি বিচ্ছিন্ন। আওয়ামী লীগের বি-টিম হিসেবে খেলতে খেলতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, এবং শর্ট ফিল্ম ফোরাম নতুন প্রজন্মের কাছে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। একবার ভাবেন, হিটলারের আমলে কোনো শিল্পী হিটলারের মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদ তো দূরের কথা তার গাছের গোড়ায় পানি ঢাললে তাকে ইতিহাস কি হিসেবে বিচার করত?’

    তিনি আরও লিখেন, আপনি আওয়ামী লীগ সমর্থক হতে পারেন, বিএনপি সমর্থক হতে পারেন, কিন্তু শিল্পী হলে কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গণহত্যা, গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিস্টের পক্ষে কথা বলতে পারেন না, ফ্যাসিজমের পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করতে পারেন না। এবার আপনারা গত ষোলো বছর এই তিনটা সংগঠনের সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক ভূমিকা কি ছিল সেটা ভেবে দেখেন। তার মানে কি এইসব ফুট সোলজারদের আঘাত করতে হবে? বিপ্লবের পক্ষের ভাই-বোনদের অসন্তুষ্টির আশঙ্কা মাথায় নিয়েও বলবো— আমি ব্যক্তিগতভাবে এর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি এটাও মাথায় রাখতে হবে রক্তের দাগ এখনও শুকায় নাই, খুনির-লুটপাটকারীর বিচার শুরু হয় নাই, কিন্তু নানা জায়গায় উস্কানী দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ডি-স্ট্যাবিলাইজ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনারা খুনির ফোনালাপ শোনেন। দেখেন সে অনুতপ্ত নাকি আরও খুন করার উস্কানী দিচ্ছে? বিপ্লবের পরে কুলিং পিরিয়ডটা পার হতে দিতে হয়। না হলে এই অবস্থায় আমি লিবারাল ক্রিটিকের স্পেস কিভাবে আশা করবো? এর উত্তর আমি জানি না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্যাংক লুট মেগা চুরির জন্য আ.লীগকে আরেকবার দরকার: ফারুকী

    মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জনপ্রিয় নির্মাতা।  পলিটিক্যাল গল্প নিয়ে নির্মাণ করেছেন ‘৪২০’-এর মতো দীর্ঘ ধারাবাহিক।  সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাকে।  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন ফারুকী।  সরকার পতনের পর থেকেই ফেসবুকে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নানা আলোচনা সমালোচনামূলক পোস্ট করে থাকেন তিনি। এবারো আওয়ামী লীগ সরকারের উপলব্ধি নিয়ে পোস্ট করেছেন এ নির্মাতা।

    সোমবার ফেসবুকে এ বিষয়ক একটি পোস্ট করেন ফারুকী। পোস্টে ফারুকী লেখেন, অনেকে আশা করেছিলেন আওয়ামী লীগের উপলব্ধি হবে। তারা অনুশোচনায় ভুগবে, বিচার পর্ব পার হয়ে নতুন রাজনীতি নিয়ে আসবে মানুষের সামনে।

    আর ওদিকে আওয়ামী লীগ আশা করছে বাংলাদেশের মানুষের উপলব্ধি হবে যে তাদের আমাদের কতোটা দরকার। তারা কল্পনায় দেখতে পাচ্ছে আমরা তাদের মিস করছি। কি বিস্ময়কর!!!

    আসুন আমরা একটু কল্পনা করার চেষ্টা করি তাদের আমাদের কেনো দরকার। পাঠকদের জন্য মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

    অনেকে আশা করেছিলেন আওয়ামী লীগের উপলব্ধি হবে। তারা অনুশোচনায় ভুগবে, বিচার পর্ব পার হয়ে নতুন রাজনীতি নিয়ে আসবে মানুষের সামনে।

    আর ওদিকে আওয়ামী লীগ আশা করছে বাংলাদেশের মানুষের উপলব্ধি হবে যে তাদের আমাদের কতোটা দরকার। তারা কল্পনায় দেখতে পাচ্ছে আমরা তাদের মিস করছি। কি বিস্ময়কর!!!

    আসুন আমরা একটু কল্পনা করার চেষ্টা করি তাদের আমাদের কেনো দরকার।

    এই জুলাই হাজারের বেশী তরুণ-কিশোর-ছাত্র-ছাত্রীকে খুন করেছে। আরো কয়েক হাজার খুন করার জন্য তাদের দরকার? সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় নিজের ক্যাশিয়ার মারফত ব্যাংক লুট করে লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে, যেটাকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যাংক ডাকাতি বলা হচ্ছে। আরো দশটা ব্যাংক লুটের জন্য দরকার?

    মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা চুরির জন্য দরকার? কুইক রেন্টালের নামে কুইক ডাকাতির জন্য দরকার? অসম এবং অবিশ্বাস্য চুক্তির জন্য দরকার?

    এই দফায় দলের সব নেতাকে সমান প্রশ্রয় দেওয়া যায় নাই। সামনের দিনে নিশ্চিত করা হবে জাভেদের মতো সবাই যেনো বিদেশে কম-সে-কম ৩৬৫টা বাড়ি কিনতে পারে। কোনো বৈষম্য করা হবে না। এই জন্য দরকার?

    এক যুগের বেশী সময় ধরে শত শত মানুষকে গুম করেছে। আরো কয়েক হাজার গুম করার জন্য দরকার? আরেকটা বিডিআর কার্নেজের জন্য দরকার?

    তার মানে কি এখন যা হচ্ছে সব ঠিক? অ্যাবসোলিউটলি নট। নির্বাচিত সরকার আসার আগ পর্যন্ত সবাই নিজেকেই সরকার ভেবে অনেক উল্টাপাল্টা কাজ করছে। কেউ কেউ অনলাইন-অফলাইনে বিভেদ উস্কে ঘোলা পানিতে মাছ ধরতে চাইছে। এই সরকারের ১০০০ বিষয়ে আমার নিজেরই সমালোচনা আছে। কিন্তু আমি বাস্তবতাটাও বুঝি। ১৬ বছরে সব সিস্টেম দলীয় লুটপাট আর ক্ষমতা টিকায়ে রাখার কাজে যখন ব্যবহৃত হয়, তখন যে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়, তাদের আসলে সালাম করা উচিত। আমি প্রফেসর ইউনুসকে সালাম জানাই আমাদের বর্জ্য পরিষ্কারের চ্যালেন্জ গ্রহণ করার জন্য। ওয়াকার সাহেব এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের সালাম জানাই জনতার হয়ে এই কাজ করার জন্য। তারা আরামেই থাকতে পারতেন হাসিনার সুবিধা খেয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক