Tag: নিরাপত্তা

  • সালমানের বাড়ির নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা, যুবক ও নারী গ্রেফতার

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা করায় এক যুবক ও এক নারীকে গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

    মুম্বাই পুলিশ সূত্রে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অভিযুক্তরা হলেন—ছত্তিসগড়ের বাসিন্দা জিতেন্দ্র কুমার সিং (২৩) এবং ঈশা ছাবড়া (৩২)। তারা গত মঙ্গলবার ও বুধবার আলাদা আলাদাভাবে সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশের চেষ্টা করেন।

    মুম্বাই পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জিতেন্দ্র কুমার সিং সালমান খানের বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশকর্মী তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি রেগে গিয়ে নিজের মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন।

    পরে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ ওই যুবক ভবনের এক বাসিন্দার গাড়ির পেছন দিয়ে লুকিয়ে সালমানের অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে পড়েন। তবে পুলিশ কর্মী তাকে ফের ধরে ফেলে এবং তাকে সরাসরি বান্দ্রা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদে জিতেন্দ্র কুমার জানান, তিনি সালমান খানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাকে ঢুকতে না দেওয়ায় তিনি গোপনে প্রবেশের চেষ্টা করেন।

    এদিকে, বুধবার ভোর ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে একই ধরণের চেষ্টা করেন ঈশা ছাবড়া নামের এক ৩২ বছরের নারী। এমনকি তিনি অ্যাপার্টমেন্টের লিফট পর্যন্ত পৌঁছে যান। তবে পুলিশ সেখানে তাকে ধরে ফেলে।

    পরে দুজনের বিরুদ্ধেই অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা দায়ের করে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    অতীতের নিরাপত্তা হুমকি

    এর আগে গত বছরের ১৪ এপ্রিল সালমান খানের বাড়ির সামনে গুলি চালায় দুই বাইক আরোহী। তদন্তে উঠে আসে, ঘটনাটি ছিল লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং-এর পরিকল্পিত হামলা। 

    বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার সূত্র ধরে সালমান খান তাদের প্রধান টার্গেট হন।

    ভারতের বার্তা সংস্থা এনআইএ ২০২৩ সালে জানায়, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ১০টি প্রধান হত্যার লক্ষ্যের মধ্যে সালমান খান ছিলেন সবার ওপরে।

    এসব হুমকির পর মুম্বাই পুলিশ তাকে ‘ওয়াই-প্লাস’ নিরাপত্তা দিয়েছে এবং তার বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদারে বিস্তৃত সংস্কারও করা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের এপ্রিলের ওই গুলির ঘটনার কয়েক মাস পর এনসিপি নেতা ও সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাবা সিদ্দিকি-কে হত্যা করে বিষ্ণোই গ্যাং। এর পর অভিনেতার নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।

    সালমান খানের মন্তব্য

    চলতি বছরের মার্চে ‘সিকান্দার’ সিনেমার প্রমোশনকালে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সালমান খান বলেন,

    ‘প্রেসের সামনে থাকলে সমস্যা নেই। কিন্তু যখন প্রেস নেই, তখনই আমার চলাফেরায় বাঁধা পড়ে। এখন শুধু গ্যালাক্সি থেকে শ্যুটিং স্পটে যাই, তারপর আবার সোজা বাড়ি ফিরি– কোথাও ঘুরে বেড়ানোর জো নেই’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা চলছে, নিরাপত্তা চান দিতির মেয়ে

    হামলার ঘটনায় নতুন তথ্য দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতির মেয়ে লামিয়া চৌধুরী। লামিয়া তার ফেসবুকে লিখেছেন- আমি গভীর দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, কিছু ব্যক্তি এ ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং আমাকে রাজনীতিতে জড়ানোর অপচেষ্টা করছে। 

    সোমবার দুপুরে তিনি এ কথা জানান। 

    ‘আমি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। আমি আমার এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সহযোগিতা চাই।’

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলার শিকার হন লামিয়া। গত শনিবার ঘটনার সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করেন। সেই লাইভে লামিয়ার গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা যায়। ভিডিওতে লামিয়া বলছিলেন, তার পা ভেঙে ফেলা হয়েছে। তিনি হাঁটতে পারছেন না। তার গাড়িও ভাঙা হয়েছে। 

    ঘটনার দুই দিনের মাথায় নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন লামিয়া চৌধুরী। 

    সেখানে তিনি লিখেছেন, গত পরশু আমার মায়ের (প্রয়াত চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতি) গ্রামের বাড়ি সোনারগাঁয় আমাদের পারিবারিক জমি দখলের উদ্দেশ্যে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আমার ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। লাঠি, দেশীয় অস্ত্র এবং ইট-পাথর নিয়ে তারা আমার ওপর নির্মম আঘাত করে, যার ফলে আমি গুরুতর আহত হয়েছি এবং ইমিডিয়েট সার্জারি করানো লাগবে।

    লামিয়ার মতে, এ হামলা তাদের জমি দখল এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এ নিয়ে তিনি তার নিরাপত্তা দাবি করেছেন এবং প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

    স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চিত্রনায়িকা দিতির পাঁচ ভাই ও তিন বোন। তার ৪ নম্বর ভাই লামিয়ার মামা টিপু সুলতান নয় বছর আগে মারা গেছেন। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লামিয়াদের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও চলমান।

    ঘটনার দুজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শনিবার লামিয়ার নানাবাড়িতে জমি নিয়ে বিচার-সালিশ বসানো হয়। সালিশে লামিয়ার পক্ষে ঢাকা থেকে আসা কয়েকজন ছিলেন।

    অপরদিকে লামিয়ার মামির পক্ষে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের লোকজন অংশ নেন। সালিশের একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুইপক্ষই হাতাহাতিতে জড়ায়। তখন লামিয়ার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। লামিয়ার ওপর হামলায় বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেনের লোকজন অংশ নেন। 

    জানতে চাইলে শনিবার বিকালে বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন বলেন, আমার লোকজন কোনো হামলার সঙ্গে জড়িত না। মহিলারা মহিলারা এটা করছে। আমিও গিয়েছি ঘটনার অনেক পরে। সেখানে গিয়ে শুনেছি, লামিয়া লোকজন নিয়ে তার মামিকে মারধর করেছেন।

    একই দিনে লামিয়ার মামি লায়লা লুৎফুন্নাহারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। তিনি সেদিন বলেছিলেন, আমার মৃত স্বামীর নামে ৩৮ শতাংশ জমি আছে। সেখানে আমি আমার দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাস করি। আমার একটি ছেলে অটিস্টিক। আমার স্বামীর জমি দখল করতে চায় লামিয়ারা। এ নিয়ে সালিশ বসলে লামিয়া ঢাকা থেকে লোকজন নিয়ে এসে আমার ওপর হামলা চালায়। এতে আমি আহত হই।

    লায়লা লুৎফুন্নাহারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কথা হয় লামিয়া চৌধুরীর সঙ্গে। গত শনিবার সন্ধ্যায় তিনি জানান, তার মামির এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। 

    লামিয়া চৌধুরী বলেন, আমি তো আমাদের জায়গার দখলই নিতে পারছি না, সেখানে অন্যের জমি দখল করতে কেন যাব! অদ্ভুত তো। আশ্চর্য। এটা কেমন মিথ্যাচার! আমার ছোট মামি শান্তি মতো থাকেন, তাকে কেউই ডিস্টার্ব করে না। আমার মামার মৃত্যুর পর কোথায় শোক প্রকাশ করবেন, তা না করে এই মামি সম্পত্তি নিয়েই ওঠেপড়ে লেগেছেন। 

    লামিয়া বলেন, তিনি তার স্বামীর সম্পত্তি নিয়ে যা ইচ্ছা করুক, তাতে কোনো সমস্যা নেই; কিন্তু আমাকে, আমার পরিবারকে তো এভাবে সবার সামনে অসম্মান করতে পারেন না। লোকজন ডেকে এনে আমার ওপর হামলা করতে পারেন না। আমার গাড়ি ভাঙচুর করতে পারেন না। পা ভেঙে দিতে পারেন না। আমার গায়ে হাত তুলতে পারেন না। ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আমার গা থেকে ওড়না টেনে ফেলে দিয়েছে! আজকের ঘটনার অনেক ভিডিও ফুটেজ আছে। তাতে আমার সঙ্গে কী কী ঘটেছে তার স্পষ্ট প্রমাণও আছে। আমার অন্য আত্মীয়স্বজনও সেখানে ছিলেন। তারা সবাই দেখেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হত্যার হুমকি ও নিরাপত্তা নিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

    একাধিকবার বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে হত্যার হুমকি পেয়েছেন বলিউড কিং সালমান খান। পাচ্ছেন একের পর এক খুনের হুমকি। এরপরই সম্প্রতি সালমানকে বিশেষ নিরাপত্তা দিচ্ছে মুম্বাই পুলিশ। 

    rnrn

    সম্প্রতি একের পর এক হুমকির মুখে কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন সে বিষয়েই কথা বলেছেন সালমান খান।

    rnrn

    ইন্ডিয়া টিভির শো ‘আপ কি আদালত’-এ হাজির হয়েছিলেন ‘ভাইজান’। সেখানেই সাম্প্রতিক উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন কিসি কা ভাই কিসি কি জান—এর অভিনেতা। 

    rnrn

    বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার চেয়ে নিরাপত্তার মধ্যে থাকা ভালো। হ্যাঁ, এখন তাই নিরাপত্তার মধ্যেই আমায় থাকতে হচ্ছে। এখন রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে একা কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। আর এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা, আমি যখন ট্রাফিকের মধ্যে ফেঁসে থাকি, তখন এত নিরাপত্তা, যানবাহন অন্যদের অসুবিধার সৃষ্টি করে। অনেকেই আমাকে দেখেন। আর আমার অসহায় ভক্তরা…। আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সেকারণেই এই নিরাপত্তা। আর আমাকে এখন যা বলা হচ্ছে আমি তাই করছি। 

    rnrn

    সালমান বলেন, ‘আমি এখন নিরাপত্তা নিয়েই সব জায়গায় যাচ্ছি, যদিও এটাও জানি যা ঘটার তাই ঘটবে। আমি শুধু জানি তিনি (সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে) আছেন। তবে তার মানে এটাও নয় যে আমি স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারব, পরিস্থিতি তেমন নয়। এখন আমার চারপাশে অনেক শেরা (সালমানের নিরাপত্তারক্ষীর নাম), এত বন্দুক আমার চারপাশে ঘুরছে যে আজকাল আমি নিজেই ভয় পাচ্ছি।’

    rnrn

    সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার তাকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্য সাক্ষাৎকারে লরেন্স বিষ্ণোই জানিয়েছেন খুন করবেন তিনি সালমানকে।

    rnrn

    এমনকি স্বীকার করে নিয়েছেন এর আগেও শার্প শুটার দিয়ে ভাইজানকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তা ব্যর্থ হয়। সঙ্গে লরেন্সের দাবি, যদি সালমান বিকানেরে তাদের মন্দিরে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন, তাহলে তারা ক্ষমা করার কথা ভেবে দেখবেন।

    যুগান্তর ডেস্ক