Tag: নাট্যকার

  • দেশবরেণ্য নাট্যজন মামুনুর রশীদের মা আর নেই

    দেশের বর্ষীয়ান অভিনেতা, নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের মা রোকেয়া খানম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। 

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামুনুর রশীদের ছোট ভাই ডা. রশিদ আমিন। 

    তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন রোকেয়া খানম। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোকেয়া খানম দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিনি ‘হার্ট অ্যাটাক’ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে ঢাকায় মামুনুর রশীদের মায়ের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ নিজ জেলা টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। 

    উল্লেখ্য, মামুনুর রশীদ বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মঞ্চনাটক, টেলিভিশন নাটক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। 

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান সম্পর্কে যে কথা বললেন আবুল হায়াত

    কিংবদন্তি নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমানের স্মরণসভা শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়। এটি আয়োজন করে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ও ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নাসিরুল হক। এ সময় তার সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও প্রিয়জনরা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় দুই ঘণ্টার স্মরণসভায় উঠে আসে তার দীর্ঘ নাট্যজীবনের নানা অধ্যায়, সাংগঠনিক নেতৃত্ব, শিল্পভাবনা ও ব্যক্তিজীবনের অজানা স্মৃতি।

    স্মরণসভা অনুষ্ঠানে পরিচালক নাট্যব্যক্তিত্ব অভিনেতা আবুল হায়াতের কথায় উঠে আসে কিশোর আতাউর রহমানের সঙ্গে তার পরিচয়ের কথা। চট্টগ্রামে পড়াশোনার সময়ে পরিচয় ও একসঙ্গে নাট্যচর্চার কথা। তারা সবসময় একসঙ্গে দেশের নাটককে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি আতাউর রহমানের কাছে অভিনয়ের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। 

    একসঙ্গে পথ চলতে গিয়ে দুজনের মান–অভিমান হলেও পরে আবার তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন। অভিমান করলেও পরে তাকে ঠিকই কাছে ডেকে টেনে নিতেন আতাউর রহমান। নাট্যাঙ্গনের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা ছিল প্রয়াত অভিনেতা আতাউর রহমানের বলে জানান আবুল হায়াত।

    কিংবদন্তি অভিনেতা বলেন, আতাউর রহমান শেষ সময়ে ভালো ছিলেন না। ভয়ে থাকতেন, ডিপ্রেশনে থাকতেন। তিনি মনে করতেন— এই বুঝি কেউ ধরবে, মারবে। এই বুঝি আমি মরে গেলাম। নানা চিন্তায় ডিপ্রেশন চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তিনি বলেন, এখানেই আমার সবচেয়ে বড় আপত্তি। শিল্পকর্ম আমাদের পাপ, এটা কি অন্যায়, শিল্পচর্চা করে কি আমরা অপরাধী? ভয় ও শঙ্কার মধ্যে থাকতে হবে— এই বুঝি আমায় ধরল, মারল।

    আবুল হায়াত বলেন, ব্যক্তিগতজীবনে খুবই সাধারণ মানুষ ছিলেন আতাউর রহমান। বাজার করতে পছন্দ করতেন। শান্তিনগর বাজারে বহুবার দেখা হয়েছে। বিদেশে গিয়েও তিনি কেনাকাটা করতে পছন্দ করতেন। হাসিমুখে সবার জন্য কিনতেন। আমরা সঙ্গে থাকলে নিয়ে যেতেন।

    তিনি বলেন, প্রতিযোগিতা নিয়ে আমরা কেনাকাটা করতাম। আবার সেই মানুষটাই রবীন্দ্রনাথ, শেক্সপিয়রের বই নিয়ে মেতে থাকতেন। শেখাতেন— নাটককে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটি নিয়ে ভাবতেন। এমন একটি মানুষের এই সময়ে চলে যাওয়াটা বড় কষ্টের ব্যাপার। এখনো তো তার আরও ভালো কিছু দেওয়ার ছিল। সেই আশাতেই ছিলাম আমরা।

    এ অভিনেতা বলেন, আমাকে বলা হয়েছে— সমাপনী বক্তব্য দিতে, সমাপনী কী? আতা সম্পর্কে কিছু বলে শেষ করা যায়? অসম্ভব ব্যাপার। এ কথা যুগ যুগ ধরে চলবে। কত আলোচনা, কত গবেষণা হবে। ন্যায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে আতা ভাই নাট্যচর্চা করে গেছেন। আতা ভাইকে আমরা চিরকাল মাথায় করে রাখব। 

    তিনি বলেন, নাট্যপ্রেমী মানুষের প্রাণের মধ্যে আতা ভাই। আপনি অনেক ওপরে, আপনাকে কেউ সেখান থেকে নামাতে পারবে না। বাংলা ভাষাভাষী প্রতিটি বাঙালি, নাট্যপ্রেমী আপনাকে মাথায় তুলে রাখবে। চিরকাল আপনাকে আমরা মাথায় তুলে রাখব। নাট্যপ্রেমীরা আপনাকে মাথায় তুলে রাখবে। নাটকের কথা বললে প্রাণের স্পন্দন একটি কথাই বলবে— আতাউর, আপনাকে স্যালুট।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা ও নির্দেশক আতাউর রহমান মারা যান গত ১২ মে। তার জন্ম নোয়াখালীতে। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • না ফেরার দেশে নাট্যকার মোহন খান 

    জনপ্রিয় নাট্যকার ও নাট্য পরিচালক মোহন খান আর নেই। মঙ্গলবার (৩০ মে) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগর।

    rnrn

    তিনি বলেন, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোহন খান। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।

    rnrn

    জানা গেছে, বুধবার বাদ যোহর লালমাটিয়া জামে মসজিদ (বিবি মসজিদ) প্রাঙ্গণে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
    rn১৯৮৮ সাল থেকে দেশের টেলিভিশন নাটক পরিচালনা ও রচনায় পরিচিতি মুখ মোহন খান। এটিএন বাংলায় অনুষ্ঠান বিভাগেও কাজ করেছেন তিনি।

    rnrn

    তার পরিচালিত প্রথম নাটক ‘আমার দুধমা’ প্রচার হয় বিটিভিতে। এছাড়া ‘সমুদ্রে গাঙচিল’, ‘সেই আমরা’, ‘নীড়ের খোঁজে গাঙচিল’, ‘জেগে উঠো সমুদ্র’, ‘মেঘবালিকা’, ‘দূরের মানুষ’, ‘আঙ্গুর লতা’, ‘হৃদয়পুরের গল্প’সহ আরও অনেক নাটক নির্মাণ করেছেন মোহন খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মমতাজউদদীন নাট্যকার পুরস্কার পাচ্ছেন রুমা মোদক

    কবি ও নাট্যকার রুমা মোদককে মমতাজউদদীন নাট্যকার পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। আগামী ১৮ জানুয়ারি নাট্যজন মমতাজউদদীন আহমদের ৮৯তম জন্মদিনে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। 

    rnrn

    সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    rnrn

    মমতাজউদদীন আহমদ সংগ্রহশালার পক্ষে বিশিষ্ট সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবেদ খান ও নাট্যকার অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী এ বছর নাট্যগ্রন্থ হিসেবে রুমা মোদকের ‘নির্বাচিত নাটক’ গ্রন্থটিকে নির্বাচিত করেন। 

    rnrn

    সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য ভবনের সত্ত্বাধিকারী তোফাজ্জল হোসেনের অর্থায়নে পুরস্কারটি প্রদান করা হবে। পুরস্কার হিসেবে নাট্যকার পাচ্ছেন নগদ ১০ হাজার টাকা এবং বিশ্বসাহিত্য ভবন থেকে প্রকাশিত অধ্যাপক মমতাজ উদদীন আহমদ রচিত প্রায় ৭০টি গ্রন্থ।

    rnrn

    উল্লেখ্য, অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার নামে ইতোমধ্যে একটি পুরস্কার বাংলা একাডেমি থেকে প্রদান করা হচ্ছে।

    rnrn

    মমতাজউদদীন আহমদ সংগ্রহশালার সমন্বয়কারী শাহরিয়ার মাহমুদ প্রিন্স জানান, বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বরেণ্য অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন ও মমতাজউদদীন আহমদের জীবনসঙ্গী কামরুননেসা মমতাজ আগামী ১৮ জানুয়ারি রুমা মোদকের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেবেন।

    যুগান্তর ডেস্ক