Tag: নচিকেতা

  • নচিকেতা ও জয় শাহরিয়ারের অ্যালবাম ‘তথাগত’

    প্রকাশ পেল নচিকেতা চক্রবর্তী ও জয় শাহরিয়ারের দ্বৈত অ্যালবাম `তথাগত’। এক গান প্রকাশের যুগে সাত গানের এই অ্যালবাম প্রকাশ করেছে আজব রেকর্ডস। বাংলা গানের কিংবদন্তি নচিকেতার সঙ্গে বাংলাদেশের জয় শাহরিয়ারের এ অ্যালবামে গান লিখেছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু, এশরার লতিফ, তানবীর সাজিব, সালমা সুলতানা ও মারুফ হাসান। সব গানের সুর করেছেন জয় শাহরিয়ার। সংগীতায়োজন করেছেন জয় শাহরিয়ার, মহান ফাহিম, আমিন জামায়েল তিলক। শব্দ সংমিশ্রণে ছিলেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী ও নাবিদ সালেহীন নিলয়। ‘তথাগত’ অ্যালবামের গানগুলো হলো আরেকটিবার বাঁচো, কেউ নেই ভালো, কিংবা তোমার কেউ না, উটপাখি ও কথারা।

    এ প্রসঙ্গে নচিকেতা বলেন, জয়ের গান আমার ভালো লাগে। গানের প্রতি জয়ের নিবেদন প্রশংসনীয়। ওর সঙ্গে পুরো অ্যালবাম করতে ভালো লেগেছে। আশা করি আমাদের শ্রোতাদের ভালো লাগবে গানগুলো। 

    অ্যালবাম নিয়ে জয় শাহরিয়ার বলেন, নচিদা আমার স্বপ্নের শিল্পীদের একজন। ওনার সঙ্গে দ্বৈত অ্যালবাম আমার স্বপ্নপূরণ। এর আগে বিশ্বদার সঙ্গে অ্যালবাম করেছিলাম ২০১৬ সালে। আট বছর পর আবার দ্বৈত অ্যালবাম করলাম। আশা করি, শ্রোতাদের ভালো লাগবে আমাদের গান।

    ‘তথাগত’ অ্যালবামটি শোনা যাচ্ছে আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলে। এছাড়াও স্পটিফাই, অ্যামাজন, আইটিউনস, স্বাধীন মিউজিকসহ সারাবিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাবে এই অ্যালবামের গান।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • নচিকেতা ও রচনা পেলেন ‘মহানায়ক সম্মান’

    মহানায়ক উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবসে ‘মহানায়ক সম্মান’ পেয়েছেন সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। আজ উত্তম কুমারের ৪৪তম প্রয়াণ দিবসে আয়োজিত স্মরণসভায় তাকে গভীরভাবে স্মরণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর।

    এই স্মরণসভায় চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘মহানায়ক সম্মান’ পেয়েছেন নচিকেতা ও রচনা। তাদের পাশাপাশি অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কেও বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়।

    এছাড়া অভিনেতা অম্বরীশ ভট্টাচার্য, শুভাশিষ মুখোপাধ্যায় ও রুক্মিণী মৈত্র পেয়েছেন বিশেষ চলচ্চিত্র সম্মান। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, ‘আমরা এই রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে চালু হয় এই সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান। আমি যত দিন থাকব, তত দিন চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান চলবে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

    ঢাকার শ্রোতাদের আবারও গান শোনাতে আসছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। আগামী ২৬ জুলাই ‘আজব কারখানা’র আয়োজনে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা উইথ জয় শাহরিয়ার ভলিউম ২’।

    rnrn

    আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার প্রতিষ্ঠাতা ও সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার বলেন, সংগীত জীবনের ৩০ বছর পূর্তিতে গত বছর নভেম্বরে ঢাকায় একক কনসার্ট করেছিলেন নচিকেতা। সেটার সাফল্য আমাদের এবারের আয়োজন করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, গতবার জায়গা স্বল্পতার কারণে অনেকে যেতে পারেননি। অনেকে আবার দেখতে চেয়েছেন। তাই আবারও আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২৬ জুলাই (শুক্রবার) কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হবে। শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।

    rnrn

    গতবার ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক আয়োজনটি ভালোই সাড়া ফেলেছিল। ওই কনসার্টে নচিকেতার সঙ্গে গেয়েছিলেন জয় শাহরিয়ার। গানের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন বাংলা গানের কিংবদন্তি। এবারও নচিকেতা ঢাকাবাসীকে গান শোনাতে আসছেন। অনুষ্ঠানে তিন দশকের ক্যারিয়ার থেকে বেছে বেছে গান করবেন তিনি।

    rnrn

    আজ থেকে টিকিট পাওয়া যাবে। পাওয়া যাবে ‘গেট সেট রক’-এর ওয়েবসাইটে। টিকিটের মূল্য– প্লাটিনাম ৫ হাজার টাকা, গোল্ড ৩ হাজার, সিলভার ২ হাজার টাকা। শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে ‘স্টুডেন্ট প্যাকেজ’। টিকিট মূল্য ১ হাজার টাকা।

    rnrn

    সম্প্রতি পেশাদার সংগীত জীবনের ৩০ বছর পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার ক্যারিয়ারের এই মাইলফলক উদযাপনের অংশীদার ছিল আজব কারখানা। অনুষ্ঠিত হয়েছিল কনসার্ট ‘দ্য বাপ্পা মজুমদার শো উইথ জয় শাহরিয়ার’।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব নচিকেতার। তখন চিরায়িত বাংলা গানের সংজ্ঞাটাই যেন বদলে দিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালের ১৪ আগস্ট প্রকাশ পায় তার প্রথম অ্যালবাম ‘এই বেশ ভালো আছি’। তার লেখা লিরিকে উঠে এসেছিল সাধারণ মানুষের মনের কথা। সহজ কথায় যেন ছড়াচ্ছিল জীবনের গভীর তাৎপর্য। কবীর সুমনের পরে যিনি পরিচিতি পেয়েছেন জীবনমুখী গানের শিল্পী হিসেবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

    ঢাকার মঞ্চ মাতাতে আবারও পশ্চিমবঙ্গ থেকে ছুটে আসছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। আগামী ২৬ জুলাই রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে বসবে তার গানের আসর। এদিন ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা ভলিউম টু’ এর আয়োজনে গান করবেন জীবনমুখী গানের এই শিল্পী।

    rnrn

    আজব কারখানা আয়োজিত এই কনসার্টে নচিকেতার সঙ্গে থাকবেন জয় শাহরিয়ার। গত সোমবার আজব কারখানার ফেসবুক পেজে নচিকেতার কনাসার্টের বিষয়টি জানানো হয়।

    rnrn

    সংগীতজীবনের ৩০ বছর পূর্তিতে গত বছর ঢাকায় একক কনসার্ট করেন নচিকেতা। নভেম্বরে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক আয়োজনটি ভালোই সাড়া ফেলেছিল। 

    rnrn

    সেদিন রাত ৮টায় কনসার্ট শুরু হলেও বিকেল থেকেই ছিল দর্শকের উপস্থিতি। প্রথম কনসার্টেও নচিকেতার সঙ্গে গেয়েছিলেন জয় শাহরিয়ার। সেই কনসার্টে নচিকেতা গানের মধ্য দিয়ে জানান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান।

    rnrn

    নব্বইয়ের দশকের শুরুতে হঠাৎ করে ধূমকেতুর মতো এসে চিরায়িত বাংলা গানের সংজ্ঞাটাই যেন বদলে দিয়েছিলেন নচিকেতা। ১৯৯৩ সালের ১৪ আগস্ট প্রকাশ পায় নচিকেতার প্রথম অ্যালবাম ‘এই বেশ ভালো আছি’। তার লেখা গানে উঠে এল সাধারণ মানুষের মনের কথা, সহজ কথায় লুকিয়ে থাকা গভীর তাৎপর্য। কবীর সুমনের পরে যিনি পরিচিতি পেয়েছেন জীবনমুখী গানের শিল্পী হিসেবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নচিকেতা ও জয় শাহরিয়ারের ‘আরেকটিবার বাঁচো’

    দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতার সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্পী জয় শাহরিয়ারের দ্বৈত কণ্ঠে গান ‘আরেকটিবার বাঁচো’ প্রকাশ পেল আজ শুক্রবার। গানটি লিখেছেন তানবীর সাজিব ও সুর করেছেন জয় শাহরিয়ার। আজব রেকর্ডস থেকে প্রকাশিত এ গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছে আজব কারখানা, যার পরিচালনা করেছেন জয় শাহরিয়ার নিজেই। চিত্রগ্রহণে ছিলেন জয় শাহরিয়ার ও জাহিদ হাসান।

    নচিকেতা বলেন, জয় আমার পছন্দের সিঙ্গার-সং রাইটার। ওর সঙ্গে আগেও বেশ কিছু কাজ করেছি। তানবীর সাজিবের লেখায় প্রথম গাইলাম। ভালো লিখেছেন। সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে গানটা। আশা করি সবার ভালো লাগবে।

    তানবীর সাজিব বলেন, গান লিখছি বেশ কিছুদিন। প্রিয় শিল্পীর কণ্ঠে নিজের লেখা গান একটা স্বপ্ন পূরণ। গানের কথায় সময়কে ধরতে চেয়েছি, আশাবাদের কথা বলেছি।

    জয় শাহরিয়ার বলেন, নচি দা আমার প্রিয় শিল্পীদের একজন। ওনার সঙ্গে প্রতিবার কাজ করতে গেলেই অনেক কিছু শিখি। দাদার সঙ্গে প্রথম কয়েকবার গাইলাম। খুব ভালো লেগেছে। আশা করি শ্রোতাদের ভালো লাগবে গানটি।

    ‘আরেকটিবার বাঁচো’ শোনা যাবে স্বাধীন মিউজিক, স্পটিফাই, আইটিউন্সসহ বিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। গানচিত্রটি সবাই দেখতে পারবেন শিল্পী জয় শাহরিয়ারের ইউটিউব চ্যানেলে।
     

    অনলাইন ডেস্ক

  • নচিকেতার ‘কেউ নেই ভালো’

    বাংলাদেশ থেকে প্রকাশ পেল দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতার নতুন গান 'কেউ নেই ভালো'। গানটি লিখেছেন সালমা সুলতানা ও সুর করেছেন জয় শাহরিয়ার। আজব রেকর্ডস থেকে প্রকাশিত এই গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছে আজব কারখানা, যার পরিচালনা করেছেন জয় শাহরিয়ার নিজেই।

    নতুন এ গান প্রসঙ্গে নচিকেতা বলেন, জয় আমার পছন্দের সিঙ্গার-সং রাইটার। ওর সঙ্গে আগেও বেশ কিছু কাজ করেছি। সালমা সুলতানার লেখায় প্রথম গাইলাম। ভালো লিখেছেন। সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে গানটা। আশা করি সবার ভালো লাগবে।

    সালমা সুলতানা বলেন, সাহিত্যের অন্য শাখায় কাজের পাশাপাশি গান লিখছি বেশ কিছুদিন। স্বপ্নের শিল্পীর কণ্ঠে নিজের লেখা গান একটা স্বপ্ন পূরণ। 

    গান প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, নচিদা আমার মতন গানওয়ালাদের আদর্শ। ওনার সাথে প্রতিবার কাজ করতে গেলেই অনেক কিছু শিখি। তাই ওনার সঙ্গে কাজ আমার জন্য এক শিক্ষাসফর।

    কেউ নেই ভালো শোনা যাবে স্বাধীন মিউজিক, স্পটিফাই, আইটিউন্সসহ বিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। গানচিত্রটি সবাই দেখতে পারবেন আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নচিকেতা ও মানিকের ‘সকাল হবে কি’

    ‘ভোরের হাওয়ায় আভাস থাকে, সকাল হবে কি না, গহীন রাত্রি শেষে আলো আসবেই, এ কথা তো অনেক আগে জানা, তবু হতাশায় ভরে গেলে মন, খুঁজে ফিরি অনুপ্রাণন'এমন কথামালার একটি নতুন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের জীবনমুখী গানের কিংবদন্তি শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ও বাংলাদেশের আমিরুল মোমেনীন মানিক। তাদের সঙ্গে আরও গেয়েছেন শিশুশিল্পী সিফাত রিজওয়ান নাফি।

    rnrn

    এটি লিখেছেন ও সুর করেছেন আমিরুল মোমেনীন মানিক। সংগীতায়োজন করেছেন অণু মুস্তাফিজ। ‘মানিক মিউজিক’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে ‘সকাল হবে কি’ শিরোনামের এ গানটি অবমুক্ত হয়েছে। এ গান প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে নচিকেতা বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী চলমান যুদ্ধ, দেশে দেশে অভ্যন্তরীণ সংঘাত এবং তরুণ প্রজন্মের ভেতরে জমাট হতাশার বিরুদ্ধে দারুণ আশাজাগানিয়া গান এটি।

    rnrn

    বর্তমান সময়ের সঙ্গে চমৎকার মিল আছে গানটির। তাছাড়া মানিকের লেখা ও সুরের বৈচিত্রময়তার কারণে আশাকরি সবার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। তরুণরাও হতাশার অর্গল ভেঙে নতুন স্বপ্নে জেগে উঠার অনুপ্রেরণা পাবে এর মাধ্যমে।’ মানিক বলেন, ‘নচিকেতা চক্রবর্তী বাংলা গানের মাইলস্টোন। এক কথায় হৃদয় উজাড় করে গেয়েছেন তিনি। শিশু শিল্পী নাফির কণ্ঠ গানটিকে অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে।

    rnrn

    তাছাড়া সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী ইনস্টুমেন্ট ব্যবহার করে সংগীতায়োজন করেছেন অণু মুস্তাফিজ। সবমিলিয়ে দীর্ঘদিন পর নতুন স্বাদ পাবেন শ্রোতা-দর্শকরা।’ উল্লেখ্য, নচিকেতা ও মানিক এর আগেও জুটি বেঁধে একাধিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি মানিক সাহিত্য ও সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করেন। এরইমধ্যে প্রকাশ হয়েছে ২১টি গ্রন্থ। বর্তমানে তিনি হামদর্দ বাংলাদেশের পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ঢাকায় গান শোনাবেন নচিকেতা

    দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ঢাকায় আসছেন গান শোনাতে। আগামী ১০ নভেম্বর তিনি ঢাকার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ মিলনায়তনে গান শোনাবেন। তাকে নিয়ে হচ্ছে 'নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা উইথ জয় শাহরিয়ার'। 

    rnrn

    এই কনসার্ট আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য শিল্পী নচিকেতার সংগীত ক্যারিয়ারের ত্রিশ বছর উদযাপন। ১৯৯৩ সালে প্রকাশ পায় নচিকেতার প্রথম অ্যালবাম 'এই বেশ ভালো আছি'। তারপর ত্রিশ বছর ধরে বাংলা গানের শ্রোতাদের মুগ্ধ করে চলেছেন কলকাতার এই শিল্পী নিজের কথা, সুর আর কণ্ঠে। এই অনুষ্ঠানে আরও গান করবেন শিল্পী জয় শাহরিয়ার। 

    rnrn

    কলকাতায় ইতিমধ্যেই এই আয়োজন উদযাপিত হয়েছে 'তিরিশে নচিকেতা' শিরোনামে। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকায় শিল্পীর অনুরাগীদের জন্য এই আয়োজন করছে আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানা। ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানের টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে অনলাইনে গেট সেট রক ওয়েবসাইটে। এই অনুষ্ঠানের সহযোগী হিসেবে আছে টফি, গো জায়ান ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
    rn 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • নচিকেতার নতুন গা ‘সে একটা গাছ’ (ভিডিও)

    ‘সে একটা গাছ, চায় আদুরে হাতের আঁচ/ কারো কি তা মনে আছে/ বেশ কিছুদিন হলো, জল দেওয়া হয় না তো গাছে।’ দুই বাংলার বিষয়ভিত্তিক গানের অন্যতম শিল্পী নচিকেতার নতুন গানের মুখ এটি। যা প্রকাশ পেয়েছে ২ জুন, বাংলাদেশের জুটি মিউজিকের ব্যানারে।

    গানটির শিরোনাম কিংবা প্রথম দুই লাইন শুনলে যে কেউ ভাবতে পারেন, এটি সম্ভবত ‘বনায়ন’ সচেতনতার আলোকে তৈরি। তা একদমই নয়। এখানেই লুকিয়ে আছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকবি জুলফিকার রাসেলের মুনশিয়ানা। তিনি এখানে গাছটিকে ব্যবহার করেছেন রূপক অর্থে। অনেকটা অনাদরে পড়ে থাকা একজন মানুষের হাহাকার উঠে এসেছে এই গানটির মাধ্যমে।

    ‘সে একটা গাছ’ সুর দিয়েছেন নচিকেতা নিজেই। তাতে সংগীতায়োজন করেছেন টুনাই দেবাশিস গাঙ্গুলী।

    গানটি প্রসঙ্গে কলকাতা থেকে নচিকেতার ভাষ্য এমন, জুলফিকার রাসেলের সঙ্গে আমার প্রকাশিত গানের সংখ্যা অনেক হলো। তৈরি থাকা অপ্রকাশিত গানের সংখ্যা আরও বেশি। তারই একটা গান এটি। জুলফির গানের কাব্যময়তা বা সাহিত্যমান প্রসঙ্গে নতুন করে বলবার কিছু নেই, তবে এই গানটির ভাবধারা আমাদের দুজনার যে কোনও গানের চেয়ে বেশ আলাদা। এখানে আমরা গাছের মতো অসহায় একজন মানুষের গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

    এদিকে জুলফিকার রাসেল বলেন, নচিদার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাই একটু আলাদা। কারণ, তিনি গায়ক, সুরকারের পাশাপাশি অসাধারণ একজন গীতিকবিও বটে। ফলে তিনি কথার মর্ম বোঝেন এবং সেটার মূল্যায়ন করেন। এই গানটির কথাগুলো আমার অসম্ভব প্রিয়। আশা করছি শ্রোতারা পছন্দ করবেন।

    জানা গেছে, নচিকেতা-জুলফিকার জুটির আরও বেশ কিছু গান নিয়মিতই প্রকাশ হবে জুটি মিউজিকের ব্যানারে, ধারাবাহিকভাবে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • অবস্থা খুব একটা বদলায়নি: নচিকেতা

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শাসনব্যবস্থা ও সরকারি কর্মচারীদের নিয়ে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী নচিকেতা গেয়েছিলেন ‘সরকারি কর্মচারী’ শিরোনামে জীবনমুখী একটি গান। 
    rn‘বারোটায় অফিস আসি দুটোয় টিফিন, তিনটেয় যদি দেখি সিগন্যাল গ্রিন, চটিটা গলিয়ে পায়ে, নিপাট নির্দ্বিধায়’-এমন কথামালায় সাজানো গানটি এরই মধ্যে ২৫ বছর পাড়ি দিয়েছে। 

    rnrn

    মুক্তি পাওয়ার পরই গানটি দারুণ জনপ্রিয় হয়। মূলত বেকার যুবকদের কাছে এ গান আলাদা আবেদন নিয়ে হাজির হয়েছিল। তাদের মনের কথাই যেন এ গানে উঠে এসেছে। 
    rnসম্প্রতি এ গানটি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নচিকেতা বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বভাব খুব একটা বদলায়নি।’ 

    rnrn

    তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আজ, এত বছর পর সরকারি কর্মচারী বা তাদের অবস্থা নিয়ে কী আপনার মতামত বদলেছে? কিংবা আপনার গানের প্রাসঙ্গিকতা কী একটুও কমেছে?’ 
    rnউত্তরে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান ক্ষমতাসীন মমতা ব্যানার্জি সরকারের ঘনিষ্ঠ নচিকেতা চক্রবর্তী বলেন, ‘অবস্থা খুব একটা বদলায়নি। কিন্তু কিছু বদল আবার হয়েছেও। আসলে যা পরিকাঠামো আছে তাতে পুরো বদল হওয়া সম্ভব নয়।’ 

    rnrn

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘মোদ্দাকথা, মানুষ যখন আজও এ গান শোনে, তখন বুঝতে হবে, মানুষ আজও ভুগছে। তারা আজও ভুক্তভোগী। সে গানটি শুনে হাততালি দিচ্ছে মানে সে এখনো সাফার করছে। বিষয়টা প্রাসঙ্গিক না হলে মানুষ সেই গান শুনবেন কেন?’

    বিনোদন ডেস্ক