Tag: ধর্ষণ

  • এক এক করে অঙ্গ কেটে ধর্ষককে শাস্তি, এপাশ থেকে দেখছিল ধর্ষিতার পরিবার

    রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০১৫ সালের অস্ট্রেলিয়ান স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিসাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’। মাত্র ১২ মিনিটের এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ম্যাথু রিচার্ড।

    গল্পের মূল চরিত্র উইলি বিংহাম একটি নিরীহ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। যেহেতু সেই দেশে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত, তাই আদালত তাকে এক অভূতপূর্ব শাস্তি দেয়, যার নাম ‘প্রগ্রেসিভ অ্যাম্পুটেশন’। এই শাস্তিতে ধাপে ধাপে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে ফেলা হয় এবং ভুক্তভোগীর পরিবার চাইলে তা আরও দীর্ঘ করতে পারে।

    একে একে তার হাত, পা, কিডনি, ফুসফুসের অংশ, যৌনাঙ্গ, কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হয়। পরিবারের অন্যরা একসময় এই দৃশ্য সহ্য করতে না পারলেও শিশুটির বাবা প্রতিবারই নির্বিকারভাবে অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করতে থাকেন।

    সিনেমার সবচেয়ে শক্তিশালী মোড় আসে একদম শেষে। চূড়ান্ত অস্ত্রোপচারে উইলিকে মৃত্যুর সুযোগ দেওয়া যেত, কিন্তু বাবা সেই ফাইলে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন। মৃত্যুর বদলে তিনি উইলিকে এই পঙ্গু ও যন্ত্রণাময় জীবন নিয়েই বেঁচে থাকতে বাধ্য করেন। বিচার, প্রতিশোধ ও মানবিকতার এই জটিল প্রশ্ন তুলে ধরায় সিনেমাটি আজও বিশ্বজুড়ে আলোচিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ধর্ষণকারীর বিচার হবে ধর্ষণের শিকার যে তার জানাজার আগে’

    ‘ধর্ষণকারীর বিচার হবে ধর্ষণের শিকার যে, তার জানাজার আগে। এমন বিচার হবে যে, এসব নিকৃষ্ট অসুস্থ মস্তিষ্কের অপরাধীরা অপরাধ করার চিন্তা স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না।’ 

    সম্প্রতি মিরপুরের পল্লবীতে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা তমা মির্জা। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। 

    পাশাপাশি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী ধর্ষকের পক্ষে আইনজীবীদের দাঁড়ানো নিয়েও তীব্র আপত্তি তোলেন। প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি লেখেন, ‘কিসের তদন্ত? কিসের ব্যাখ্যা? ধর্ষণকারীর পক্ষে আবার কিসের উকিল? কিসের সময়ক্ষেপণ?’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টের শেষাংশে রামিসাকে নিজের বোনের সঙ্গে তুলনা করে তার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চান তমা মির্জা। তিনি লেখেন, ‘রামিসা আমার বোন, আপনার বোন। আমাদের বোনের নৃশংস হত্যাকারীর বিচার চাই।’ 

    প্রসঙ্গত, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এই ঘাতক জবানবন্দিতে আরও জানিয়েছে, ঘটনার আগে সে ইয়াবা সেবন করেছিল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতিদিনই আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে: আয়েশা খান

    বলিউড অভিনেত্রী আয়েশা খানের সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমার একটি গান ‘শরারত গার্ল’ তাকে রাতারাতি পরিচিতি এনে দিয়েছে। অভিনেত্রী এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠটাও যে বেশ অন্ধকার তা স্বীকার করে নিয়েছেন আয়েশা খান। এ জনপ্রিয়তার জোয়ারে ভেসে আসার সঙ্গে সঙ্গে তার জীবনে নেমে এসেছে এক তিক্ত অভিজ্ঞতা। অভিনেত্রীর অভিযোগ, প্রায় প্রতিদিনই তাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা তার এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমে। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরেই তাকে টার্গেট করে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আয়েশা বলেন, সেদিন একটি সিনেমার শুটিং চলছিল। সেটে আমার বাবাও উপস্থিত ছিলেন। শুটিংয়ের বিরতিতে বাবার পাশেই বসে ফোন দেখছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে আমাকে মেসেজ পাঠিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সেখানে একাধিক ‘ভয়েস নোট’ও ছিল। সেটি চেক করতেই আমি স্তব্ধ হয়ে যাই। আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।’

    অভিনেত্রী বলেন, বিষয়টি এখন তার জীবনের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রুটিনে পরিণত হয়েছে।  প্রতিদিন ফোন কিংবা সামাজিক মাধ্যম খুললেই এমন অসংখ্য হুমকিবার্তা তার চোখে পড়ে। তিনি প্রতিটি সাক্ষাৎকারে আমাকে এই একই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় এবং আলোচনা হয়। এর বেশি কিছু আর হচ্ছে না। কোনো প্রতিকার না পেয়ে ধীরে ধীরে আমি এ পরিস্থিতির সঙ্গেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীশক্তির আরাধনার পাশে এখনও ধর্ষণের খবর: মিমি

    পৃথিবীর যেসব দেশ সুরক্ষিত বলে চিহ্নিত, তারা যেভাবে অপরাধীকে নির্মম শাস্তি দিয়ে থাকে, ভারতেও তেমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত বলে মনে করেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

    আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে একটি গণমাধ্যমে অভিনেত্রী তার মনের কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, দুর্গার কথা ভাবলেই মনে হয় শক্তিময়ী এক নারী। নাহ! তিনি শুধু একহাতে সংসার সামলাচ্ছেন বলে নয়; তার পূর্ণতার গুণেই এটি মনে হয়। সেই গুণ তাকে সর্বরূপে আলোকিত করে তোলে। তিনি আসেন, প্রকাশ হয় আলোর এবং সূচনা হয় উৎসবের।

    অভিনেত্রী বলেন, মায়ের হাতে বহু অস্ত্র আমরা দেখি। মহিষাসুরকে বধ করতে সব দেবতা ধ্যানমগ্ন হয়ে দেবীর আরাধনা করেছিলেন। তাই সব দেবতার শক্তি সঞ্চিত হয়েই দেবীদুর্গার সৃষ্টি। তিনি বলেন, আমরা দেখি অসুরের বুকের ওপরে পা দিয়ে দুষ্টের নাশ করছেন। ‘রক্তবীজ’-এর মতো অসুরকেও মা দুর্গা নিঃশেষ করেন তার ওই অপার শক্তি দিয়ে।

    আমাদের সমাজের দিকে যদি তাকাই দেখি, নারীশক্তির আরাধনার পাশে এখনো ধর্ষণের খবর। বাড়ছে বই কমছে না। বিচার পেতে অনেক সময় লাগছে। চোখের সামনে কী কঠোর শাস্তি হতে পারে, সেটি অপরাধীরা দেখুক। সমাজে সব ধরনের অসুরের নিধন হোক। সমাজে সব মহিলাই পাক দুর্গার মতো দৃঢ়তা, শক্তি ও মনের জোর— এটাই কামনা করি। যে পুরুষেরা নারীদের সম্মান করতে পারে না, তাদের ওই রক্তবীজের মতোই যেন দশা হয়।

    মিমি চক্রবর্তী বলেন, অসুর নিধনে যমরাজ অস্ত্র দেওয়ার সময় মা দুর্গাকে দিয়েছিলেন গদা, যা ‘কালদণ্ড’ নামেও পরিচিত। এই অস্ত্র আনুগত্য, ভালোবাসা এবং ভক্তির প্রতীক। দুর্গার সেই শক্তির মধ্যে মায়া ও মমতার অনুভব দেখতে পাই। 

    তিনি বলেন, এই মমত্ববোধের কথা ভাবলে আমার মনে হয়— এই যে দেশের শীর্ষ আদালত মনে করল যে, কুকুরেরা ভয়ের কারণ। এটি কী করে হলো? র্যাফ নামিয়ে তাদের ভ্যানে তুলে ফেলা হচ্ছে। তাহলে এই ধর্ষক, খুনি, যারা মেয়েদের মেরে ফেলছে, ধর্ষণ করছে, চাইলে তাদেরও র্যাফ নামিয়ে তুলে নিতে পারেন না মা দুর্গা!

    অভিনেত্রী বলেন, মা দুর্গা যদি আজকের দিনে থাকতেন, যদি এগুলো দেখতে পেতেন, আমার মনে হয় সবার আগে ক্রুরতা, নীচতা, ক্ষমতার আস্ফালন— এসব  ধ্বংস করতেন। তিনি বলেন, কুকুরেরা যেহেতু কথা বলতে পারে না, তাই আমরা নিজেরাই ভেবে নিয়েছি যে ওরা ‘থ্রেট’। কিন্তু কীভাবে, সেটি জানি না। 

    এদিকে ধর্ষক, হেনস্তাকারীরা দিব্যি আছে। তারা জামিন পেয়ে যায়। অথচ অবলা কুকুরকে দত্তক নেওয়াতেই সমস্যা। আদালতকে ধন্যবাদ— অন্তত সেই নির্দেশের বদল হয়েছে। তবে প্রশাসনের এতে আরও উদ্যোগী হওয়া উচিত। অভিনেত্রী বলেন, গা ছাড়া মনোভাবের জন্যই কুকুরের সংখ্যা বেড়েছে। ওদের বন্ধ্যত্বকরণের প্রয়োজন। আজ আমি ওদের ‘স্টেরিলাইজেশন’ করাই, ‘ভ্যাকসিনেশন’ করাই। আমার লোক আছে। কিন্তু এটা তো আমার কাজ নয়; এটা যাদের কাজ, তাদেরই করতে হবে।

    শেষে মিমি চক্রবর্তী লিখেছেন, আজ যদি আমার ছেলেমেয়ে অশিক্ষিত হয়, দোষটা কার? আমার ছেলেমেয়ের, না আমার? তখন মনে হয় যে, মা দুর্গা যদি কিছু একটা করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণের অভিযোগে টিভি সিরিয়ালের অভিনেতা গ্রেফতার

    ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভারতীয় হিন্দি টিভি সিরিয়ালের পরিচিত মুখ অভিনেতা আশিস কাপুর। 

    বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) পুনে থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। 

    সূত্রের খবর, গত ১১ আগস্ট একটি হাউজ পার্টিতে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে অভিনেতার বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার নারী আশিসের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আশিসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আগস্টের মাঝামাঝি অভিযোগ দায়ের হলেও, গ্রেফতার করতে কেন এত দেরি হলো সেটার ব্যাখা দিয়েছেন পুনে নর্থের পুলিশ কর্মকর্তা রাজা বান্থিয়া। 

    তিনি জানিয়েছেন, নির্যাতিতার অভিযোগের পর থেকে আশিস পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তবে তার গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। 

    ওই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, আশিস প্রথমে গোয়াতে যান। তারপর সেখান থাকা যান পুনেতে। সেখান থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আশিসকে গ্রেফতার করা হলেও, অভিযোগকারীর বয়ানে অসংগতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। 

    অভিযোগকারী প্রথমে জানান, আশিসের আয়োজন করা পার্টিতে অন্য দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। ৭ দিন পরে ১৮ আগস্ট বয়ান বদল করে তিনি জানান, আশিস একাই তাকে ধর্ষণ করেছে। 

    পুলিশ প্রাথমিকভাবে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে। আশিসকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে বাকিটা স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। 

    আশিসের অভিনয় ক্যারিয়ার কম দিনের নয়। মূলত ধারাবাহিকেই অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। ‘লাভ ম্যারেজ’, ‘প্রতিজ্ঞা ২’, ‘নন্দিনী’-সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন তিনি। বিশেষত ‘ইয়ে রিস্তা ক্যয়া কহেলতা হ্যায়’ ধারাবাহিকে নিখিল চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান এই অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণের দায়ে কে-পপ গায়কের সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড

    দক্ষিণ কোরিয়ার কেপপ ব্যান্ড এনসিটি’র সাবেক সদস্য তেইলকে (মূল নাম মুন তে-ইল) ধর্ষণের অভিযোগে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। 

    ৩১ বছর বয়সী তেইল এবং তার দুই সহযোগী লি ও হং গত জুন মাসে আদালতে একজন চীনা পর্যটককে পালাক্রমে যৌন নিপীড়নের কথা স্বীকার করেন।

    সিওলের একটি জেলা আদালত এই অপরাধকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ বলে অভিহিত করলেও রাষ্ট্রপক্ষের দাবি করা সাত বছরের কারাদণ্ডের অর্ধেক শাস্তিই তাদের দিয়েছে। আদালতের ভাষ্য, তারা প্রথমবারের মতো এমন অপরাধে জড়িয়েছেন, তাই কিছুটা শিথিলতা দেওয়া হয়েছে।

    তবে আদালত তিনজনকেই যৌন সহিংসতার অপরাধীদের জন্য নির্ধারিত ৪০ ঘণ্টার মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আদেশও দিয়েছেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, তারা সিওলের ইটাওয়ন জেলার একটি বারে ভুক্তভোগীর সঙ্গে দেখা করেন এবং একসঙ্গে মদ্যপান করেন। ভুক্তভোগী গুরুতর মাতাল হয়ে পড়লে তারা তাকে একটি ট্যাক্সিতে করে লির বাড়িতে নিয়ে যান, সেখানেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, এটি ‘গ্রুপ অ্যাটাক’-এর মাধ্যমে সংঘটিত হওয়ায় এটি একটি ‘অ্যাগ্রাভেটেড রেইপ’ (বর্ধিত মাত্রার ধর্ষণ) হিসেবে বিবেচিত হয়। একইসঙ্গে, ভুক্তভোগী অচেতন থাকায় এটি ‘কোয়াসি রেইপ’ (আংশিক ধর্ষণ) হিসেবেও গণ্য হয়।

    ২০২৩ সালের আগস্টে, যখন প্রথম এই অভিযোগ সামনে আসে, তখন তেইল এনসিটি থেকে বের হয়ে যান। যদিও তখনো অপরাধের বিস্তারিত প্রকাশ পায়নি।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে এনসিটিকে একটি কেপপ ব্যান্ড হিসেবে পরিচিত করানো হয়। তাদের সংগীতে বিভিন্ন ঘরানার পরীক্ষামূলক বৈচিত্র্য রয়েছে এবং তাদের কিছু গান বিলবোর্ড চার্টেও স্থান পায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুরাদনগরের ধর্ষণ: পোস্টে যা লিখলেন দীঘি ফারিয়া মিশা ও জয়

    কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘরে ঢুকে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে দেশব্যাপী। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। 

    অভিনেত্রী তমা মির্জা লিখেছেন, ‘মুরাদনগর, কুমিল্লা! বিভৎসতা! লজ্জা…!’

    মিশা সওদাগর অপরাধীর ফাঁসির দাবি জানিয়ে লিখেছেন, ‘দেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে থাকুক। প্রতিটি নারী নিরাপদে থাকুক। প্রতিটি অন্যায়ের ন্যায় বিচার হোক। প্রতিটি ধর্ষকের ফাঁসি হোক। মুরাদনগরে ঘটে যাওয়া ধর্ষণের তীব্র ঘৃণা এবং নিন্দা জানাচ্ছি। ধর্ষকের ফাঁসির দাবি করছি।’

    নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন, ‘স্টপ রেপ।’

    অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি লিখেছেন, ‘ধর্ষণকে না বলুন। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। নীরবতাই সমর্থন। ধর্ষণ বন্ধ করুন।’

    আরশ খান লিখেছেন, ‘কাপুরুষত্ব যখন চরম পর্যায়ে পৌছায় তখন তা কুপুরুষত্বে রুপ নেয়। জন্ম পরিচয়হীন না হলে একজন নারীর সঙ্গে এমন করা সম্ভব না। একবার জারজ সবসময় জারজই থাকে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মৌসুমী হামিদ প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘মানুষ আর মানুষ নেই। পৃথিবী শেষ হয়ে যাচ্ছে। কারণ আর কোনো মানুষ থাকবে না। খুব শীঘ্রই।’

    জিয়াউল রোশান লিখেছেন, ‘কুমিল্লার মুরাদনগরের ঘটনায় ধর্ষকদের একটাই শাস্তি চাই। জনসম্মুখে ফাঁসি। তারা কোন দল করে, কোন ধর্মের সেটা জানা দরকার নাই, জানতেও চাই না। জাস্ট জনসম্মুখে ফাঁসি চাই। আর আপনারা যারা সমবেদনা জানিয়ে সেই ভিডিওটি শেয়ার করছেন, আবার কেউ কেউ ভিউ পাবার লোভে সেই ভিডিওটা আপলোড করছেন, আপনারাও সে ধর্ষণকারীর মতোই অপরাধী। আপনারা ভিউখোর রাক্ষস। ফাজলামি ছেড়ে দেন আর অতি সত্তর এইসব ডিলেট করেন।’

    কণ্ঠশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী পারশা মাহজাবীন পূর্ণী লিখেছেন, ‘বিবস্ত্র বাংলাদেশ।’

    জয় চৌধুরী লিখেছেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো তাই তোমায় ভালোবাসি। আমার প্রাণের বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি! কুমিল্লার মুরাদনগরে নারীর সঙ্গে যা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। যিনি ধর্ষণ করেছেন এবং যিনি পরবর্তীতে ভিডিও করে পাবলিশ করেছেন উভয়ের বিচার চাই।’

    আজমেরী হক বাঁধন প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘ধর্ষণ একটি ভয়াবহ অপরাধ। কিন্তু এই দেশে, এটি দীর্ঘদিন ধরে স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হচ্ছে। মানুষ কেবল তখনই এটি নিয়ে কথা বলে, যখন একটি মর্মান্তিক ঘটনা ভাইরাল হয়, একটি ভিডিও ক্লিপ, একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। তারপর হঠাৎ করেই সবাই ক্ষেপে যায়। কিন্তু অল্প সময়ের জন্য। শীঘ্রই, মানুষ এগিয়ে যায়, ভুলে যায় সব। কারণ প্রতিদিন একটি নতুন নাটক, নতুন কেলেঙ্কারি। একজন মহিলার যন্ত্রণা তার আরেকটি অংশ হয়ে ওঠে। এটা কেন স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে?’

    সংগীতশিল্পী লুৎফর হাসান লিখেছেন, ‘কোনো অপরাধী গ্রেফতার হলেই আমরা খুশি হই। আমরা থেমে যাই। আমাদের থেমে যাওয়ার পরই শুরু হয় আসল প্রক্রিয়া। আলগোছে অপরাধী মুক্ত হয়। বিদেশে পালিয়ে যায়। দেশে জায়গা বদল করে। যেকোনো এক উপায়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আমাদের সঙ্গে মিশে যায়। ইতিহাস থেকে উঠে যায় অপরাধীর শাস্তি কার্যকরের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।’

    নির্মাতা শিহাব শাহীন লিখেছেন, ‘পুলিশ এখনও (সুদিনের অপেক্ষায়) নিরাসক্ত, দায়সারা ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই আগের মতোই নেতা-নেত্রী তোষণ করে উন্নতির উপায় খুঁজছে। পথেঘাটে চলতে ফিরতে গেলে এমনই বোধ হয়। বাংলাদেশে কিছুই বদলায় না। পুলিশও বদলাবে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইডেন কলেজছাত্রীকে বাসায় আটকে ৭ মাস ধরে ধর্ষণ করেন নোবেল

    সংগীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেলকে গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশের ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান বলেছেন, তিনি এক শিক্ষার্থীকে সাত মাস একটি বাসায় আটক রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতন করছিলেন। জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে কলে পেয়ে বাসাটি থেকে নারীকে উদ্ধার করা হয়। পরে নোবেলকেও গ্রেফতার করা হয়।

    মঙ্গলবার ওসি মাহমুদুর রহমান গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ডেমরা থেকে নোবেলকে গ্রেফতার করার কথা জানায় পুলিশ।

    আজ প্রথমে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো খুদেবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। পরে ডেমরা থানা-পুলিশও এই তথ্য নিশ্চিত করে।

    পুলিশের ডেমরা থানার ওসি মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন, গত নভেম্বরে ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে গুলশানে দেখা করার কথা বলে ডেকে নেন নোবেল। তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখান। পরে সাত মাস ডেমরার একটি বাসায় তাকে আটকে রাখেন তিনি। এই সময়ে তিনি ছাত্রীকে নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন। এসব ঘটনা নিজের মুঠোফোনে ধারণ করেন। এই ভিডিও দিয়ে ছাত্রীকে তিনি ‘ব্ল্যাকমেল’ করছিলেন।

    সম্প্রতি নোবেল এক নারীকে সিড়ি দিয়ে টেনে নামাচ্ছেন—এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয় বলে উল্লেখ করেন ওসি মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, ভিডিওতে থাকা নারীই এই ভুক্তভোগী ছাত্রী। ভিডিওটি দেখে ছাত্রীর বাবা-মা টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় এসে বিস্তারিত জানতে পারেন। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে ঘটনা জানান। সোমবার রাত ১০টার দিকে ডেমরার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তখন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নোবেল পালিয়ে যান।

    পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নোবেলকে ডেমরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান ওসি মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, নোবেল সীমান্ত দিয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ জন্য তিনি একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করেছিলেন। তবে পালানোর আগেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, এ ছাড়া ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ছাত্রীটিকে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে নোবেলের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনেও মামলা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণের দৃশ্যের পর সারা শরীর কাঁপছিল, শুরু হয় বমি: দিয়া মির্জা

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিয়া মির্জা সিনেমায় ধর্ষণ বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নিলেন। ধর্ষণের দৃশ্যে অভিনয় মোটেও সহজ নয় বলে জানান তিনি। 

    ২০১৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল দিয়া মির্জার ওয়েব সিরিজ ‘কাফির’। সেই সিরিজই এবার মুক্তি পাচ্ছে সিনেমার আকারে। ‘কাফির’তে এক নিরীহ পাকিস্তানি নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী। সেই নারী ভুল করে পেরিয়ে আসেন পাকিস্তান-ভারত সীমান্ত। তার পর তাকে জঙ্গি মনে করে ভারতে বন্দি করে রাখা হয়। এ সিনেমারই ধর্ষণের একটি দৃশ্য নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন দিয়া মির্জা। ধর্ষণের দৃশ্যের পর নাকি বমি করেছিলেন অভিনেত্রী।

    দিয়া মির্জা বলেন, মনে আছে ধর্ষণের দৃশ্যের শুটিং। খুব কঠিন ছিল। শুটিং হয়ে যাওয়ার পর আমার সারা শরীর কাঁপছিল। বমিও হয়েছিল, মনে আছে। পুরো দৃশ্যের শুটিংয়ের পর অসুস্থবোধ করছিলাম। শারীরিক ও মানসিকভাবে এ দৃশ্য এমনই বেদনাদায়ক ছিল। ধর্ষণের দৃশ্যের তীব্রতা সাংঘাতিক। অনুভব করা যায় সেটি।

    অভিনেত্রী বলেন এ ছবির বেশিরভাগ দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল হিমাচল প্রদেশে। তিনি বলেন, বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত ছিল এ সিনেমার শুটিংয়ে। খুব সুন্দর পরিবেশে শুটিং করছিলাম আমরা। হিমাচলে ৩৬০ পাতার চিত্রনাট্যের শুটিং আমরা ৪৫ দিনে শেষ করেছিলাম। তাই শুটিংয়ের মাঝে মাত্র ১৫-১৮ মিনিট বিরতি পেতাম। খুবই কঠিন ছিল সবটা। তবে এ ধরনের গল্প সচরাচর বলা হয় না। তাই এ সিরিজ কিংবা সিনেমা আমাদের কাছে একটি জয়।

    দিয়া বলেন, সত্য ঘটনা অবলম্বনেই তৈরি হয়েছিল এ সিনেমা। ধর্ষিতার জায়গায় বারবার নিজেকে বসিয়ে ভেবেছিলেন তিনি। তাই এ সিনেমার পর মনের ওপরেও প্রভাব পড়েছিল তার বলে জানান অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিশাপের কথা বললেন জয়, চমক চাইলেন ফাঁসি

    মাগুরায় বোনের বাড়িতে ধর্ষণের শিকার শিশুটি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে
    (সিএমএইচ) মারা গেছে। এ ঘটনায় আসামিদের বিচারের দাবিতে সরব সবাই। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে
    নেটিজেনদের পাশাপাশি তারকারা বিচারের দাবি জানিয়েছে। তারকারা পোস্ট দিয়ে অপরাধীদের
    ফাঁসি চেয়েছেন।

    ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক মাগুরাই ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীদের
    ফাঁসি চেয়েছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আগামী তিনদিনের
    মধ্যে আছিয়ার ধর্ষককে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসম্মুখে ফাঁসি দেয়া হোক। ধর্ষণের বিচারে
    দৃষ্টান্ত তৈরি করুক বাংলাদেশ।’

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার
    নাজিম জয় লেখেন, ‘আছিয়ার মৃত্যু শুধুই একটা মৃত্যু নয়। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর
    প্রতিটি নারীর আজীবনের অভিশাপ। প্রতিটা সুস্থ পুরুষের নিজের মেয়ের কাছে আমৃত্যু ছোট
    হয়ে থাকা।’

    গত ৫ মার্চ বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন ৮ বছর বয়সি শিশুটি।
    তাকে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে স্থানান্তর
    করা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। পরে
    বৃহস্পতিবার রাতে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার রাতে শিশুটিকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। অবস্থার
    আরও অবনতি হলে গত ৮ মার্চ বিকালে শিশুটিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর
    করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল। অবশেষে বৃহস্পতিবার মারা যায় সে।

    বিনোদন ডেস্ক