Tag: ধর্মেন্দ্র দেওল

  • সালমানের মাঝে নিজেকে দেখতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর থেকেই অনেকের মনেই একটাই প্রশ্ন— শিগগিরই কি আসছে বায়োপিক? বছরখানেক আগে ধর্মেন্দ্র জানিয়েছিলেন, নিজেই লিখছেন তার জীবনের নানা মুহূর্ত। সেই থেকে ধর্মেন্দ্রর আত্মজীবনী নিয়ে বহু জল্পনা-কল্পনা চলছে। শুধু তাই নয়, ধর্মেন্দ্রর ভূমিকায় কাকে দেখা যাবে তা নিয়েও বিস্তর আলোচনা চলছে।

    ধর্মেন্দ্র নাকি নিজেই ঠিক করে গিয়েছিলেন কে অভিনয় করবেন তার চরিত্রে। পরিবারের অনেকেই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত হলেও যোগ্য সম্মান পাননি বলে আক্ষেপ ছিল তার। অভিনেতা সানি দেওল ও ববি দেওলও বলিউডে একাধিক সিনেমা করেও নিজেদের যোগ্য জায়গা পাননি বলে দাবি ছিল অভিনেতার।

    সম্প্রতি ‘আপ কি আদালত’-এ প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল বলিউড অভিনেতা ববি দেওলকে। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল— ধর্মেন্দ্রর বায়োপিকের ব্যাপারে। 

    কাকে দেখা যাবে অভিনেতার জায়গায়?—এমন প্রশ্নের উত্তরে ববি বলেন, ‘কেউ-ই না। বাবার মতো আর কেউ হতে পারবে না। তার মতো দ্বিতীয় কেউ হতেই পারবে না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কাজ না এগোলেও সালমানের ওপরই ভরসা রেখেছিলেন ধর্মেন্দ্র। তিনি বলেছিলেন, সালমানই একমাত্র আমার বায়োপিকে অভিনয় করতে পারে। আমার পছন্দের তালিকায় ওই সেরা। 

    তবে কি সানি আর ববির মধ্যে বাবার চরিত্রে অভিনয় নিয়ে লড়াই একেবারেই ভুয়া? ধর্মেন্দ্রর ছোট ছেলের এ কথায় অন্তত পরিষ্কার।

    উল্লেখ্য, বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে ২০২৫ সালের  ২৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ের জুহুতে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ভারতীয় সিনেমার ছয় দশকের একটি সোনালি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে।

    ১৯৫৪ সালে প্রকাশ কৌরকে বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র এবং তাদের সংসারে সানি দেওল ও ববি দেওল নামে দুই পুত্র এবং অজিতা ও বিজয়তা নামে দুই কন্যা রয়েছে। পরে ১৯৮০ সালে তিনি অভিনেত্রী হেমা মালিনীকে বিয়ে করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ভুল করে থাকলে আমাকে ক্ষমা করো’, শেষ ভিডিওবার্তায় ধর্মেন্দ্র

    মৃত্যুর আগে ক্ষমা চেয়ে গিয়েছিলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। ‘ইক্কিস’ সিনেমার শুটিংয়ের শেষ দিন বর্ষীয়ান অভিনেতার একটি ভিডিও করা হয়েছিল। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেই প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন তিনি। সেই ভিডিও দেখে আবার আবেগঘন হয়ে পড়েন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    এর আগে ২৪ নভেম্বর প্রয়াত হন বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ ও ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ সিনেমায়। আগামী ১ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে তার শেষ সিনেমা ‘ইক্কিস’। শ্রীরাম রাঘবনের সিনেমার শুটিংয়ে পর্দার পেছনের কিছু দৃশ্য সামনে এসেছে। 

    সেই ভিডিওতেই ধর্মেন্দ্রের কিছু মন্তব্য চোখে পানি আনছে ভক্ত-অনুরাগীদের। তিনি সেই শেষ ভিডিওতে বলেছিলেন— আমি খুব খুশি এ সিনেমায় কাজ করে। কলাকুশলী ও পরিচালক শ্রীরামজি— প্রত্যেকে ভালো। খুব ভালো করে তৈরি করা হয়েছে এ সিনেমাটি। ভারত ও পাকিস্তান— দুই দেশের মানুষেরই এ সিনেমাটি দেখা উচিত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুটিংয়ের শেষ দিন কেক কেটেছিলেন ধর্মেন্দ্র। শান্ত কণ্ঠে তিনি বলেছিলেন, আজ একটু মনটা খারাপ লাগছে। আজ শুটিং শেষ হচ্ছে। তারপরেই বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, আমি তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি। যদি কিছু ভুল করে থাকি, আমাকে ক্ষমা করে দিও। ধর্মেন্দ্রের এ মন্তব্যই মন ভার করে দিচ্ছে ভক্ত-অনুরাগীদের।

    গত ৩১ অক্টোবর হঠাৎই অসুস্থতার খবর আসে অভিনেতার। তারপর প্রায় কুড়ি দিনের টানাপোড়েন চলে। বয়স হলেও কখনো বয়সের বোঝা কাঁধে নেননি। সামাজিক মাধ্যমে ছিলেন রীতিমতো সক্রিয়। যদিও বেশিরভাগ সময়ে সেখানে কবিতা পাঠ করতেন। নয়তো নিজের ছবি পোস্ট করে কিছু লিখতেন। সামাজিক মাধ্যমে শেষ পোস্ট করা ভিডিওদে তিনি বলেছিলেন, সামনেই নতুন বছর। সবার উন্নতি হোক। সবাই সুস্থ থাকুন। 

    জানা গেছে, মেয়ে ঈশা দেওলের বিবাহবিচ্ছেদের খবর বেশ পীড়া দিয়েছিল অভিনেতাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বাবা হারানোর শোকে ভুগছেন সালমান’

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র প্রয়াত হয়েছেন বেশ কিছু দিন হয়েছে। সেই সময় সালমান খানের মুখে দুঃসংবাদ শুনে চমকে যান তিন মাস ধরে বিগ বসের ঘরেবন্দি সদস্য়রা। পিতৃতুল্য ধর্মেন্দ্রকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ হন ভাইজান। ‘বিগ বস ১৯’ এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে আবেগঘন সঞ্চালক সালমান খান চোখে পানি নিয়ে সে দিন নিজের গুরুদায়িত্ব পালন করেন। 

    হিন্দি সিনেমার হি-ম্যান ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে মনভার সবার। তবে ধর্মন্দ্রর মৃত্যু সালমানের কাছে ব্যক্তিগত শোক। তাই তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর শুনে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন ‘বিগ বস ১৯’-এর ফাইনালিস্টরা। এরপরই সালমান খান ও শোর প্রতিযোগীরা উঠে দাঁড়িয়ে প্রয়াত অভিনেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। 

    এ বিষয়ে সালমান খান বলেন, আপনারা যখন ভেতরে ছিলেন, তখন আমরা আমাদের হি-ম্যানকে হারিয়েছিলাম। আমরা সেরা মানুষটিকে হারিয়েছি। আমি মনে করি না যে, ধরমজির চেয়ে ভালো ব্যক্তি আর কেউ আছেন। তিনি রাজার মতো জীবনযাপন করেছেন, খোলা হৃদয়ে সময় কাটিয়েছেন।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভাইজান বলেন, তিনি ৬০ বছর ধরে মানুষকে বিনোদন দিয়েছেন। তিনি আমাদের সানি দেওল, ববি দেওল এবং এশা দেওলের মতো অভিনেতাদের উপহার দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— সিনেমা জগতে আসার পর থেকে শেষ পর্যন্ত তার একটাই স্বপ্ন ছিল— কাজ করা এবং ভালো কাজ করা। সব ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। কৌতুক করেছেন, রোম্যান্স করেছেন এবং ড্রামা করেছেন। সব ধরনের চরিত্রই চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। আমার ক্যারিয়ারের গ্রাফ, আমি কেবল ধরমজিকে অনুসরণ করেছি। অন্য কোনো অভিনেতাকে অনুসরণ করিনি। 

    সালমান বলেন, কারণ তিনি একজন নিরীহ মানুষ এবং পেশিসুলভ শরীর নিয়ে এসেছিলেন। তিনি একটি মনোমুগ্ধকর চরিত্র, একটি শক্তি নিয়ে এসেছিলেন এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার কাছে এটি ছিল। তোমাকে ভালোবাসি ধরমজি।

    উল্লেখ্য, জীবদ্দশায় ধর্মেন্দ্র জানিয়ে গিয়েছিলেন— তার বায়োপিক হলে ছেলে সানি বা ববি নন সেই সিনেমায় অভিনয় করবেন তার আরেক ‘বেটা’ সালমান খান। ভাইজানকে পুত্রস্নেহে কাছে টেনে নিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। নিজের পিতৃতুল্য সিনিয়র অভিনেতাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ সালমান খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্যের প্রস্তুতিতে তারকাদের ঢল

    প্রায় ১৫ দিন ধরেই চলছিল টানাপড়েন। মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সব গুজব ‘সত্যি’ করে চলে গেছেন ধর্মেন্দ্র সিং দেওল। সোমবার ৮৯ বর্ষী অভিনেতা নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে খবর জানিয়েছে ভারতের একাধিক গণমাধ্যম।

    পুলিশের বরাতে দেশটির সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে সোমবার সকালে। মুম্বাইয়ের ‘পবনহংস’ শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সেখানে ইতোমধ্যে তারকা পৌঁছাতে শুরু করেছেন। শ্মশানে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    এনডিটিভি, পিংকভিলা, টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যমের দাবি, সকাল থেকে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার আগে ভিলে পার্লে শ্মশানে পৌঁছে যান তার স্ত্রী হেমা মালিনী। শেষযাত্রায় প্রবীণ অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন তার মেয়ে ঈশা দেওল, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান, সালমান খানসহ বলিউডের অনেক তারকা। তার মৃত্যুতে শোক নেমেছে বলিউড পাড়ায়। প্রযোজক-পরিচালক করণ জোহর লিখেছেন, ‘একটা যুগের অবসান ঘটল।’

    ধারণা করা হচ্ছে, এই অ্যাম্বুলেন্সে শ্মশানে নেওয়া হচ্ছে ধর্মেন্দ্রকে। সংগৃহীত ছবি

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রকাশ করা একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, ধর্মেন্দ্রর বাসা থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স শ্মশানের দিকে যাচ্ছে। এরপরই ক্যামেরায় ধরা পড়েন অনেক তারকা, যারা শেষকৃত্যে অংশ নিতে যাচ্ছেন। সকালে অভিনেতার বাড়ির সামনে অ্যাম্বুলেন্সও দেখা গিয়েছিল। এরপরই ছড়ায় গুজব। তবে গুজবটিকে সত্য দাবি করছে ভারতের একাধিক শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ভারতের সিনেমার ছয় দশকের একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো। সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তখন তার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশেষে সব গুঞ্জন থামিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন ধর্মেন্দ্র। তবে এবার আর ফেরেননি।

    ছয় দশকের ক্যারিয়ারে রোমান্টিক নায়ক, অ্যাকশন হিরো থেকে কমেডি কিং—সব কিছুতেই ফিট ছিলেন ধর্মেন্দ্র। ১৯৬০ সালে অভিষেক। তারপর থেকেই একের পর এক চরিত্রে নিজেদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রমাণ করেছেন। তার ঝুলিতে রয়েছে ৩০০-রও বেশি ছবি রয়েছে। ১৯৯৭ সালে তিনি পেয়েছিলেন ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাকে সম্মানিত করে পদ্মভূষণ উপাধিতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর দিল ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো

    মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল দিন কয়েক আগে। তবে এবার গুঞ্জনকে সত্যি করে ‘সত্যিই’ চলে গেছেন বলিউডের হি-ম্যান খ্যাত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল। ভারতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ার দাবি করছে, ৮৯ বছর বয়সে মারা গেছেন এই অভিনেতা।

    দেশটির সংবাদ সংস্থা আইএএনএসের খবর, দীর্ঘ অসুস্থতার পর সকালে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র সিং দেওল। অভিনেতার মৃত্যু খবর নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন প্রযোজনা সংস্থা‎‎ ধর্ম প্রডাকশন্স এবং বিখ্যাত প্রযোজক ও পরিচালক করণ জোহরসহ আরও অনেকে। তবে বেলা ৩ টা ২৫ মিনিটে এই প্রতিবেদন লেখার সময় ধর্মেন্দর পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর ঘোষণা আসেনি।  

    তার পরিবারের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন অভিনেতা। শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন হি-ম্যান। কিন্তু সোমবার বেলা বাড়তেই গণমাধ্যমগুলোতে আসতে থাকে দুঃসংবাদ। এই ঘটনায় শোকে কাতর হয়ে পড়েছে বলিউডপাড়া। 

    এনডিটিভি, পিংকভিলা, টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যমের দাবি, সকাল থেকে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার আগে ভিলে পার্লে শ্মশানে পৌঁছে যান তার স্ত্রী হেমা মালিনী। এসময় সঙ্গে ছিলেন মেয়ে এষা দেওল, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চনসহ আরও অনেকে ৷ সকালে অভিনেতার বাড়ির সামনে অ্যাম্বুলেন্সও দেখা গিয়েছিল। এরপরই ছড়ায় গুঞ্জন। তবে এবারের গুঞ্জনটিকে সত্য দাবি করছে ভারতের প্রায় সব মিডিয়া।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ভারতের সিনেমার ছয় দশকের একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো। সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তখন তার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশেষে সব গুঞ্জন থামিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন ধর্মেন্দ্র। তবে এবার আর ফেরেননি।

    ছয় দশকের ক্যারিয়ারে রোমান্টিক নায়ক, অ্যাকশন হিরো থেকে কমেডি কিং—সব কিছুতেই ফিট ছিলেন ধর্মেন্দ্র। ১৯৬০ সালে অভিষেক। তারপর থেকেই একের পর এক চরিত্রে নিজেদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রমাণ করেছেন। তার ঝুলিতে রয়েছে ৩০০-রও বেশি ছবি রয়েছে। ১৯৯৭ সালে তিনি পেয়েছিলেন ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাকে সম্মানিত করে পদ্মভূষণ উপাধিতে।

    বিনোদন ডেস্ক