Tag: দুর্নীতি

  • দুর্নীতি বিতর্কে নাসিরুদ্দিনের মন্তব্যে ঘি ঢাললেন কঙ্গনা

    রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও প্রতিবাদী অবস্থান নিয়ে শুরু হওয়া বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ ও বহুমুখী শিল্পী পীযূষ মিশ্রর মধ্যকার বাকযুদ্ধে এবার সরাসরি নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ সম্বোধন করে তীব্র আক্রমণ ছুড়ে দিয়েছেন বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নাসিরুদ্দিন শাহর আনুগত্য ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন, সত্যিটা হলো— আমরা প্রত্যেকেই কারও না কারও অনুগত। তিনি বলেন, আমি গর্বিত যে আমি সেই বাড়ির সুরক্ষায় লড়ি, যেখানকার অন্ন গ্রহণ করি। কিন্তু নাসিরুদ্দিন এ দেশের অন্ন খেয়ে অন্য দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন।

    নিজের স্বভাবসিদ্ধ চাঁচাছোলা ভঙ্গিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকের দিনে কুকুর শব্দটা আসলে প্রশংসা। কারণ আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা এখন বিরল। নাসিরুদ্দিনের মতো ‘শিয়াল’ হওয়ার চেয়ে আমি কুকুর হওয়াকেই শ্রেয় মনে করি।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, নিট দুর্নীতি নিয়ে যন্তর-মন্তরে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ ঘটনার সূত্রপাত। সেখানে তারকাদের নীরবতা নিয়ে তোপ দেগে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন— মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। বলিপাড়ার একাংশকে ইঙ্গিত করে এ বর্ষীয়ান অভিনেতার মন্তব্যটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নাসিরুদ্দিনের এ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানান পীযূষ মিশ্র। ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিন কেন নীরব তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে পীযূষের সেই মন্তব্যটি পুনঃপ্রকাশ করে তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন কঙ্গনা রানাউত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেঁসে যাচ্ছেন জ্যাকুলিন, মিলেছে প্রমাণ

    অর্থপাচার মামলায় জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ আদালতের 

    ভারতের কুখ্যাত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জড়িত ২০০ কোটি রুপির অর্থপাচার ও চাঁদাবাজি মামলায় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। 

    মামলার প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ লেনদেন ও তা আড়াল করার ক্ষেত্রে জ্যাকুলিনের জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। 

    শনিবার (৩০ মে) দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রশান্ত শর্মা প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে সুকেশ চন্দ্রশেখর, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ এবং এই মামলার অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠনের নির্দেশ দেন। 

    আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন, জ্যাকুলিনের এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে জোরালো সন্দেহ তৈরি করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ নথিপত্রে রয়েছে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, সুকেশের অপরাধমূলক অতীত সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও জ্যাকলিন তার কাছ থেকে মূল্যবান উপহার এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা অব্যাহত রেখেছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ অপরাধলব্ধ অর্থের ব্যবহার গোপন করতে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে ‘যোগসাজশ’ করেছিলেন। 

    বিচারক উল্লেখ করেন, মধ্যস্থতাকারী এবং বিভিন্ন মাধ্যমের দ্বারা সুকেশের অপরাধের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করার পরেও জ্যাকুলিন তার থেকে আনুমানিক ৫.৭১ কোটি রুপি মূল্যের বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করেছিলেন। 

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই অপরাধের অর্থ জ্যাকুলিনের পরিবারের সদস্যদের বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে অভিনেত্রীর বোনের অ্যাকাউন্টে পাঠানো প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার মার্কিন ডলার এবং তার ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো প্রায় ২৬ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার। 

    পাশাপাশি আদালত এমন কিছু প্রমাণের কথা উল্লেখ করেছেন যা ইঙ্গিত করে যে, জ্যাকুলিন বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সুকেশের অপরাধের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। তা সত্ত্বেও তিনি নিজের বাবা-মায়ের জন্য গাড়িসহ একাধিক বিলাসবহুল উপহার এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন। 

    আদালতের মতে, এই আচরণ অপরাধের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ আড়াল করার প্রচেষ্টাকেই নির্দেশ করে। 

    সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি করেননি! তবু কেন ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিচ্ছেন ঋতুপর্ণা

    দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিচ্ছেন ঋতুপর্ণা। ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কাছে এ পরিমান টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছেন অভিনেত্রী। রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রীর কাছ থেকে নেওয়া ৬০ লাখ রুপি ফিরিয়ে দিয়েও তিনি কেন ইডির কাছে এ আবেদন করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।    

    রেশন দুর্নীতি মামলায় টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে মে মাসে ভারতীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তলব করে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অভিনেত্রী বলেছিলেন, রেশন দুর্নীতি কি, সে সম্পর্কে আমার কোনো সম্যক ধারণা নেই।

    ইডির কাছে দেওয়া ঋতুপর্ণার এ বক্তব্যের পর মাস ঘুরতে না ঘুরতেই ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করছেন। 

    ভারতের গণমাধ্যমে ইডির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে।

    গত ১৯ জুন ইডির দপ্তরে যান ঋতুপর্ণা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, যে নথি ইডির কর্মকর্তারা চেয়েছিলেন, তা জমা দিয়েছি। আমি তাদের সহযোগিতা করেছি। তারাও আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। এই দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোনো যোগ নেই। এর থেকে বেশি কিছু বলতে পারব না।

    ইডি সূত্রে জানা গেছে, রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। ঋতুপর্ণার মাধ্যমে রেশন দুর্নীতির প্রায় ৬০ লাখ রুপি টালিউডে বিনিয়োগ হয়েছে। সেই টাকা ঋতুপর্ণা ফিরিয়ে দিয়েছেন বলেও দাবি করেন। 

    তার পরেও ইডিকে কেন ৭০ লাখ রুপি ফেরানোর আবেদন তিনি জানালেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    এর আগে রোজভ্যালি কেলেঙ্কারিতেও ঋতুপর্ণাকে তলব করেছিল ইডি। রোজভ্যালির সঙ্গে তার লেনদেন হয়েছে বলেও তখন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবার রেশন দুর্নীতিতেও জড়ালেন এ অভিনেত্রী। 

    এখন ইডি তার অর্থ ফেরতের আবেদন মঞ্জুর করবে, না কি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে ঋতুপর্ণা

    ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দফতরে হাজির হয়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এর আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় তদন্তের জন্য অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু সেই তলবে সাড়া না দিলেও বুধবার তিনি সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে এসে হাজির হন । দুপুর ১টা নাগাদ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ঢুকে যান সিজিও কমপ্লেক্সের ভেতরে।

    rnrn

    বুধবার অভিনেত্রীর আসার অনেক আগেই তার হিসাবরক্ষক কাগজপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিজিওতে। অভিনেত্রীও যে ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে সিজিওতে আসছেন, তা জানা গিয়েছিল তখনই। তিনি আসার পর তাকে সাংবাদিকেরা ঘিরে ধরে নানা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আগে যাই…’

    rnrn

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি কর্মকর্তা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। 

    rnrn

    ওই সূত্রে আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    rnrn

    বুধবার ঋতুপর্ণার হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সব হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। 

    rnrn

    এর আগে গত ৫ জুন রেশন দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেত্রীকে ইডির দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। যদিও সে দিন ঋতুপর্ণা সিজিওতে হাজিরা দেননি। 

    rnrn

    ওই সূত্রে জানা যায়, বিদেশে থাকার কারণে ইডি দফতরে যেতে পারেননি অভিনেত্রী। এ কথা তিনি ইডি আধিকারিকদের ইমেইল করে জানিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা যায়, তার পরে তাকে আবার ইডি দফতরে যেতে বলা হয়েছিল।

    rnrn

    তাই বুধবার তার প্রতিনিধি ইডির দফতরে পৌঁছানোর পরেই অভিনেত্রীর সেখানে যাওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। পরে তার হিসাবরক্ষক বলেন, ‘উনি নিজে যেহেতু হিসাবের বিষয়টি দেখেন না, তাই আমি এ ব্যাপারে সাহায্য করতে এসেছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি মামলায় ঋতুপর্ণাকে ফের তলব ইডির

    অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় ফের তলব করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রমতে, আগামী সপ্তাহে তাকে আবার সিজিও দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। 

    rnrn

    রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এক ইডি কর্মকর্তা। 

    rnrn

    যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ইডি। ওই সূত্রমতে আরও জানা গেছে, প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করা হয়েছে।

    rnrn

    রেশন দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে ইডি দপ্তরে বুধবার ডেকে পাঠানো হয়েছিল ঋতুপর্ণাকে। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। 

    rnrn

    সূ্ত্রমতে, বিদেশে থাকার কারণে ইডি দপ্তরে যেতে পারেননি ঋতুপর্ণা। এ কথা তিনি ইডি আধিকারিকদের ইমেল করে জানিয়ে দেন। এ-ও জানান, বৃহস্পতিবারের পর তাকে ডাকা হলে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে যেতে পারবেন।

    rnrn

    এর আগেও ঋতুপর্ণাকে তলব করেছিল ইডি। তবে অন্য মামলায়। অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২০১৯ সালে তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি। তার পর আবার বুধবার তলব করা হয়।

    rnrn

    গত বৃহস্পতিবারই তলব করে সমন পাঠানো হয়েছিল ঋতুপর্ণাকে। তবে তিনি বর্তমানে মায়ামিতে। 

    rnrn

    তলবের প্রসঙ্গ নিয়ে ভারতের একটি গণমাধ্যম অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সেখানে ঋতুপর্ণা ‘কিছু জানেন না’ বলে দাবি করেছিলেন। 

    rnrn

    তিনি আরও বলেছিলেন, রেশন দুর্নীতি কী, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই নেই। আচমকাই এই খবর পেলাম। একই সঙ্গে ঋতুপর্ণা দাবি করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে রাজ্যের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বনগাঁ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য, রেশন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানসহ শাসক দলের কয়েকজন নেতা ও তাদের ঘনিষ্ঠকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। রেশন দুর্নীতির তদন্তেই সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে গত ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতির মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন ঋতুপর্ণা!

    ২০১৯ সালে অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় নাম জড়িয়ে পড়ল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রেশন দুর্নীতির মামলায় ডাক পড়ল তার। অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর আগেও অভিনেত্রীর ডাক পড়েছিল ইডিতে। 

    বৃহস্পতিবার সামনে এলো ৫ জুন তাকে ইডির দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে তাকে। 

    এর আগে সন্দেশখালীর তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে গত ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। সেই রেশন দুর্নীতি মামলার সঙ্গে ঋতুপর্ণা কীভাবে যুক্ত, তা স্পষ্ট জানা যায়নি। তার কাছে ইডির নোটিশ আসার খবর মিলতে রীতিমতো শোরগোল জনগণের মধ্যে। 

    ইডি ডেকেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে— এ খবর সামনে আসতেই হইচই। রেশন দুর্নীতির মামলায় এসেছে ডাক। যদিও অভিনেত্রী এ নিয়ে মুখ খোলেননি। 

    এই রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বনগাঁ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য, রেশন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানসহ শাসক দলের বেশ কয়েকজন নেতা ও তাদের ঘনিষ্ঠরা গ্রেফতার হয়েছেন।

    তবে এবার ঋতুপর্ণার নাম আসায় চারদিকে হইচই পড়ে। যদিও অভিনেত্রীকে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। তবে ৫ জুন ইডি অফিসে হাজিরা দেবেন কিনা, তাও জানা যায়নি। কারণ অযোগ্যের মুক্তি নিয়ে তিনি এখন ব্যস্ত। 

    ঋতুপর্ণা ও প্রসেনজিৎ জুটির ৫০ নম্বর সিনেমা হতে চলেছে ‘অযোগ্য’। এ ছবিতে আরও রয়েছেন শিলাজিৎ মজুমদার, লিলি চক্রবর্তীরা। ছবির পরিচালনায় কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, প্রযোজনায় সুরিন্দর ফিল্মস। 

    এর আগে ২০১৯ সালে রোজভ্যালিকাণ্ডে শুধু ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নন, ডাক পড়েছিল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়েরও। রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডু একসময় বেশ কিছু বাংলা ছবির প্রযোজনা করেছিলেন। তাতে অভিনয় করেছিলেন ঋতুপর্ণা, প্রসেনজিৎসহ একাধিক শিল্পী। আর সেই সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের খোঁজ নিতেই তিনি গিয়েছিলেন ইডি অফিসে। এখানেই শেষ নয়, অভিনেত্রীর সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল রোজভ্যালি গোষ্ঠীর। এটি হবে তার দ্বিতীয়বার।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান নুসরাতের

    টালিউডের সুপরিচিত অভিনেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার সদস্য নুসরাত জাহানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাটাছেঁড়া কম হয়নি। এবার তার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ নিয়ে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন নুসরাত।

    rnrn

    কলকাতা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নুসরাত দাবি করেন, তিনি ‘সেভেন সেন্সেস’ নামে সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। পরে তা শোধও করেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘দয়া করে এ ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক রঙ চড়াবেন না। কারণ এটার সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই।’

    rnrn

    এদিকে নুসরাতের সংবাদ সম্মেলনের পর শঙ্কুদেব ফের অভিযোগ করেন, ওই সংস্থা থেকে নুসরাত কোটি কোটি টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে সম্পত্তি কিনেছেন। নুসরাত যখন ওই সংস্থার পরিচালক পদে ছিলেন, তখনই যাবতীয় দুর্নীতি হয়েছিল।

    rnrn

    নুসরাতের দাবি, বাড়ি কিনতে সংস্থা থেকে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ব্যাংকের লেনদেনে কোনো অসচ্ছতা নেই। যদিও শঙ্কুদেবের দাবি, ওই সংস্থা থেকে ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা নিয়েছেন অভিনেত্রী। সাংবাদিকদের সামনে চেক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করে এই দাবি করেন বিজেপি নেতা। তার আরও দাবি, কখনো ৫ লাখ, কখনো ২৫ লাখ, কখনো ৩৭ লাখ টাকা করে কোম্পানি থেকে একাধিকবার টাকা তুলেছিলেন নুসরাত।

    rnrn

    শঙ্কুদেব অভিযোগ করেন, নুসরাতের সংস্থা বয়স্ক নাগরিকদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণা করেছে। ২০১৪ সালে মোট ৪২৯ জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল। ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল প্রত্যেকের থেকে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রাজারহাটে হিডকোর দপ্তরের কাছে তাদের প্রত্যেককে ৩ কামরার (৩ বিএইচকে) ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। তিন বছরের মধ্যে ওই ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপর ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তারা কোনো ফ্ল্যাট পাননি।

    rnrn

    এদিকে নুসরাতের বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘টাকা-পয়সা সংক্রান্ত অভিযোগের দায়িত্ব দল নেবে না। এটা ওদের নিজেদের বিষয়, সেটা ওরা নিজেরাই বলবে। কিন্তু প্রমাণের আগেই দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া হচ্ছে। ডিরেক্টর তো অনেকেই থাকে, নুসরাত যদি কোনো জায়গার ডিরেক্টর থেকেও থাকে, তাহলে এরকম ডিরেক্টর তো অনেক আছে। ওদেরও তো (বিজেপির) কে একজন সংসদ সদস্য আছেন, যার বিরুদ্ধে ইডিতে কমপ্লেন আছে। তিনি বিদেশেও গিয়েছিলেন চিটফান্ডের মালিকের সঙ্গে। আমি নাম বলব না।’

    অনলাইন ডেস্ক

  • দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বনি, যা বললেন কৌশানি

    পশ্চিমবঙ্গে আলোচিত শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টালিউড অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। এ বিষয় দুদফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

    বৃহস্পতিবার বনি সেনগুপ্তকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    এ নিয়ে মুখ খুলেছেন বনির প্রেমিকা কৌশানি মুখার্জি। কারণ এ ঘটনায় নাম জড়িয়য়েছে তারও। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধেও কুন্তলের কাছ থেকে মোটা টাকা নেওয়ার প্রমাণ রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর প্রকাশ করেছে ওপার বাংলার কয়েকটি গণমাধ্যম।

    বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন কৌশানি। তিনি বলেন, কাজের সূত্রে যা প্রাপ্য সেটিই নিয়েছি। কুন্তলের সঙ্গে আমার কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই। কুন্তল একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। ওর সৌজন্যে কয়েকটি জায়গায় হাজির হয়েছিলাম। তার যা প্রাপ্য সেটাই আমাকে ও পাঠিয়েছে। এ রকম হাজারটা ইভেন্ট ম্যানেজারের সঙ্গে আমরা কাজ করি। কে কীভাবে টাকা উপার্জন করছেন সেটি তো আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব নয়।

    এর পর তিনি জানান, বনি সেনগুপ্তের পেশাদারি যাবতীয় লেনদেন দেখেন তার মা ও বাবা। এ ব্যাপারে আমার কোনো ভূমিকা নেই। বনির টাকার হিসাব ও আর ওর মা-বাবা দিতে পারবেন।

    বনি যে এত দামি গাড়ি কিনেছেন, তাতে তার মনে কোনো প্রশ্ন জাগেনি? কৌশানি বলেন, বনি একজন সফল অভিনেতা। তিনি একটা দামি গাড়ি কিনবেন এতে প্রশ্ন জাগার কী আছে? এটি ওর পেশাদারি ব্যাপার। আমি তার মধ্যে প্রশ্ন তুলতে যাব কেন?

    বিনোদন ডেস্ক