Tag: দিল্লি

  • দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

    বাঙালি সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম ও মানবিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অনারারি ডক্টরেট (সম্মানসূচক পিএইচডি) ডিগ্রি পেয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হাসিবুর রেজা কল্লোল।

    সম্প্রতি ভারতের নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। 

    আয়োজক কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ, সৃজনশীল শিল্পকলা, গণমাধ্যমের উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

    হাসিবুর রেজা কল্লোল দীর্ঘ বছর ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও গণমাধ্যম খাতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণ, গণমাধ্যমের শীর্ষ নির্বাহী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে কাজের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    জনপ্রিয় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘সত্তা’ পরিচালনা করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা ও পরিচিতি লাভ করেন। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ছাড়াও তার কর্মজীবনে অসংখ্য টেলিভিশন নাটক, তথ্যচিত্র ও নানামুখী সৃজনশীল প্রযোজনা রয়েছে।

    বর্তমানে তিনি দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল নাইন’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে সম্পাদকীয় ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার এ প্রাপ্তিতে দেশের সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিশিষ্টজনেরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এ অর্জন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।

    এ সম্মাননা প্রাপ্তিতে এক প্রতিক্রিয়ায় হাসিবুর রেজা কল্লোল বলেন, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসারে তিনি আজীবন কাজ করে যেতে চান। একই সঙ্গে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের প্রশ্নের কী জবাব দিলেন নরেন্দ্র মোদি

    সম্প্রতি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাপুর পরিবার সাক্ষাৎ করে কিংবদন্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে হাজির ছিলেন পরিবারের জামাই সাইফও।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বলিউড অভিনেতা অভিনেতা সাইফ আলি খান দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলেন। বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিশেষ আয়োজন করে কাপুর পরিবার। সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পৌঁছেছিলেন রণবীর, কারিনা ও কারিশমারা। বলিউডের ‘ফার্স্ট ফ্যামিলি’র ছোট জামাই হওয়ার সূত্রে হাজির ছিলেন সাইফ আলি খানও।

    মোদি সাক্ষাতে যে কাপুরদের প্রবীণ-নবীন প্রজন্ম বেজায় খুশি, সেসব মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে এসেছে নানান কথা। 

    প্রয়াত শোম্যান রাজ কাপুর স্মরণে আয়োজিত বিশেষ সভা সম্পর্কে এইচটি সিটির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাইফ আলি খান বলেন, ‘তিনি সংসদের কাজ সেরে হাজির হয়েছিলেন, তাই আমি ভাবছিলাম যে তিনি হয়তো ক্লান্ত থাকবেন, কিন্তু মোদিজির মুখের উষ্ণ হাসি ছিল অটুট। এবং আমাদের সবার প্রতি মনোযোগী ও মনোমুগ্ধকর ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত মঙ্গলবার মোদিজির সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর, কারিশমা কাপুর, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, নীতু সিং, আদর ও আরমান জৈনরা। সাইফ আরও বলেন, আমি খুশি যে কারিনা, কারিশমা ও রণবীরের মাধ্যমে আমিও এর অংশ হতে পেরেছি। রাজ সাহেবের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীজির সঙ্গে এ সাক্ষাৎ পরিবারের পক্ষে কতই না গর্বের।

    মা শর্মিলা ঠাকুর ও বাবা প্রয়াত নবাব মনসুর আলি খান পতৌদির কথাও বলেন সাইফ আলি খান। তিনি বলেন,  উনি (মোদি) আমার বাবা-মা সম্পর্কে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি ভেবেছিলেন— আমরা তৈমুর ও জাহাঙ্গীরকে তার সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে আসব। তিনি তাদের জন্য একটি কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন, যা কারিনা তাকে করতে বলেছিলেন। আমার কাছে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যে, তিনি দেশ চালাতে খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং এখনো এই স্তরে সংযোগ স্থাপনের জন্য সময় নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি মোদিজিকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আপনি কতটা বিশ্রাম পেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন— রাতে প্রায় তিন ঘণ্টা। 

    সাইফ বলেন, দিনটি ছিল আমার জন্য বিশেষ একটি দিন। আমাদের দেখার জন্য এবং পরিবারকে এত সম্মান দেওয়ার জন্য তার মূল্যবান কিছু সময় বের করার জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবনের ‘ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা’ জানালেন অভিনেত্রী

    ‘মনসুন ওয়েডিং’ খ্যাত অভিনেত্রী তিলোত্তমা সোম এখন বলিউডের পরিচিত নাম। দিল্লিতে যৌন হয়রানির একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন বাঙালি অভিনেত্রী। 

    rnrn

    সম্প্রতি ফ্যাশন, সৌন্দর্য ও লাইফস্টাইল বিষয়ক ভারতীয় গণমাধ্যম Hauterrfly-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা জানান তিলোত্তমা। যা তার মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। 

    rnrn

    তিলোত্তমা জানিয়েছেন, শীতকালে দিল্লিতে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় ঘটনাটি ঘটে যায়। তিনি যখন বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তখন একটি গাড়ি তার কাছে এসে থামে এবং একদল লোক তাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে। 

    rnrn

    অভিনেত্রী বলেন, এরপর তারা আমাকে নানারকম যৌন ইঙ্গিত করতে শুরু করে। 

    rnrn

    তিলোত্তমার ভাষায়, ‘কেউ একটা ছোট্ট পাথর ছুঁড়ে মারল। আমি আরেকটু সরে গেলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে এখান থেকে পালাতে হবে। আমার কাছে দৌড়ানোর সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা গাড়ি নিয়ে সহজেই আমাকে ধরে ফেলতে পারে। তাই রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে লিফট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম’। 

    rnrn

    তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি গাড়ি পাশ দিয়ে গেলেও সেগুলো থামেনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি দূর থেকে একটি গাড়িকে মেডিক্যাল সাইনবোর্ড দেখিয়ে আসতে দেখি এবং আমি আগন্তুকের সঙ্গে সামনের সিটে উঠে পড়ি। তবে এরপরের ঘটনা ছিল আরও ভয়ঙ্কর। 

    rnrn

    তিলোত্তমা বলেন, 'সবে একটু এগিয়েছে মাত্র। তিনি আমার হাত ধরে নিজের প্যান্টের চেন খুলে ফেললেন। আমার ধারণা, তিনি আমার সঙ্গে যা খুশি করতে চেয়েছিলেন। যে মুহূর্তে তিনি আমার হাত জোর করে ধরেছিলেন, সহজাত প্রবৃত্তি থেকে আমি জানি না কীভাবে, কিন্তু তাকে আঘাত করি। ঠিক কী করেছিলাম, সত্যি মনে নেই। তবে তিনি গাড়ি থামাতে বাধ্য হন এবং আমাকে বেরিয়ে যেতে বলেন'। 

    rnrn

    সেই ঘটনার কথা স্মরণ করলে আজও কেঁপে ওঠেন বলেই জানান তিলোত্তমা। অভিনেত্রীকে সর্বশেষ দেখা যায় ত্রিভুবন মিশ্র: সিএ টপার সিনেমায়। বিন্দি জৈনের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। 

    rnrn

    এছাড়াও জিতেন্দ্র কুমারের সঙ্গে কোটা ফ্যাক্টরির সর্বশেষ মৌসুমেও অভিনয় করেছেন তিলোত্তমা। 

    rnrn

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে কলকাতার এই কন্যা বলেছিলেন, ‘আমি যখন মুম্বাই আসি, তখন আমার বয়স সবে ৩০ ছুঁয়েছে। তবুও আমায় তখন শুনতে হয়েছিল অভিনেত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে আপনি তো বেশ বুড়ি। আমাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল প্লাস্টিক সার্জারি করানোর জন্য। আর সেই পরামর্শ বেশ ঠিকঠাক জায়গা থেকেই দেওয়া হয়েছিল। তখন এসব কথা শুনতে আমার বড়ই অদ্ভুত লেগেছিল। আর আমি সেসব করাতে রাজিও ছিলাম না'। 

    rnrn

    তিলোত্তমা বলেন, ‘এখন আমার বয়স ৪৪, এখনও কিন্তু আমি বেশ হট এবং সুখে জীবন কাটাচ্ছি। এ বয়সেও বিভিন্ন চরিত্রে আমি অভিনয় করছি। আশা রাখি, আমার জীবনের গল্প অনেককে অনুপ্রেরণা দিতে পারে।' সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক