Tag: দিলজিৎ দোসাঞ্জ

  • হঠাৎ কেন শাকিরার শরণাপন্ন হলেন দিলজিৎ?

    ভারতের জনপ্রিয় পপতারকা দিলজিৎ দোসাঞ্জ মূলত হিন্দি ও পাঞ্জাবি ভাষায় গান করেন। তবে ইংরেজি ভাষায় তার যত সমস্যা। আন্তর্জাতিক স্তরের ফ্যাশন শো-তে অংশ নিতে গিয়ে ঠিক এই সমস্যায়ই ফাঁসলেন এ পাঞ্জাবি গায়ক। এই বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে তিনি শরণাপন্ন হয়েছেন বিশ্বখ্যাত গায়িকা শাকিরার।

    দিলজিৎ গায়িকার কাছে গিয়ে সোজা বললেন, ‘আমি একেবারেই ইংরেজি জানি না। আমায় সাহায্য করবেন?’

    এমনিতেই যে কোনো অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত মুহূর্তে নানা ঘটনা ঘটে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানেও তেমনটাই ঘটেছিল। সবাই নিজের পোশাক, রূপটান, গয়না নিয়ে পোশাক পরিকল্পকদের সঙ্গে ব্যস্ত। সেই মজার মুহূর্ত ভিডিও করে দেখানোও হচ্ছিল সামাজিক মাধ্যমে। হঠাৎ, অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকার চোখ চলে যায় পাঞ্জাবি গায়কের দিকে। তিনি নিজের সাজ নিয়ে নয়, মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ঝুঁকে পড়ে মুঠোফোনের পর্দায় কী যেন দেখছেন!

    তার দিকে ক্যামেরা তাক করতেই দিলজিৎ সঙ্গে সঙ্গে মুঠোফোন দেখিয়ে বলেন, আমি ইংরেজিতে কথা বলতে পারি না! এদিকে সাক্ষাৎকার ইংরেজিতেই দিতে হবে। তাই শেখার চেষ্টা করছি।

    এসময় তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শাকিরা সেই কথা শুনে হেসে ফেলেন। বাকিরাও সাজ ফেলে ঘিরে ধরেন দোসাঞ্জকে। আড্ডা দিতে দিতেই শাকিরার সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গেছে দিলজিৎকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে মোদিকে যে পরামর্শ দিলেন দিলজিৎ

    সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন সংগীতশিল্পী দিলজিৎ দোসাঞ্জ। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে ভাইরাল হয়। সাক্ষাতে মোদিকে যে পরামর্শ দিয়েছেন সেটিও জানালেন গায়ক। 

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংগীতসংক্রান্ত নানা উৎসব হয়ে থাকে। এ ধরনের উৎসবে দিলজিতের অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ উৎসবগুলোতে কোন ভাষায়, কী ধরনের গান হয়, তাও জানতে আগ্রহী ছিলেন তিনি। সেই প্রশ্নের উত্তরেই দিলজিৎ একটি আর্জি জানান। বিদেশের মতো ভারতেও এ ধরনের সংগীত উৎসব হতে পারে। 

    দিলজিৎ বলেন, স্যার, বিদেশে ‘কোচেলা’ (ক্যালিফোর্নিয়ার সংগীত উৎসব) বা অন্য সংগীত উৎসব বিরাট আকার নিয়েছে। আমরাও এমন বড় কিছু করতে পারি। এমন উৎসবে দেশ-বিদেশ থেকে অনেক মানুষ আসবে।

    বেশ কিছু অভিনব পরিকল্পনা জানিয়ে এ পাঞ্জাবি গায়ক বলেন, আমাদের সংস্কৃতিতে বৈচিত্র্য রয়েছে। যেমন— আমরা কোনো ধাবায় বসে খাবার খাচ্ছি, আর তার সঙ্গে কেউ রাজস্তানি গান গাইছেন। কী অপূর্ব শুনতে লাগবে এই গান। এমন গান শুনে মনে হয়, আমার গান গাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত। গান গাওয়া আমার পেশা। কিন্তু এই গায়কেরা কী অসাধারণ।

    দেশের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে থাকা এমন বহু সংগীতশিল্পীর পরিচিতি পাওয়া উচিত বলে মনে করেন দিলজিৎ। তাই মোদিকে পরামর্শ তিনি বলেন, ভারতেও এমন বড়মাপের উৎসব হওয়া উচিত। তা হলে সারা বিশ্ব থেকে এই দেশে মানুষ আসবে। 

    তিনি বলেন, সারা বিশ্বে সৃজনশীলতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে ভারত। আমি একবার জার্মানির চ্যান্সেলর মেরকেলের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি আমাদের দেশের সংগীত সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলেন। আমি বলেছিলাম— আমাদের এখানে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের পরে ভিন্ন ধরনের সংগীত হয়। আমাদের এখানে ভিন্ন অনুভূতির জন্য ভিন্ন ধরনের সংগীত রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভক্তদের বড় দুঃসংবাদ দিলেন দিলজিৎ

    বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনায় দিলজিৎ দোসাঞ্জ। কখনো মঞ্চে অ্যালকোহল নিয়ে তার মন্তব্য, কখনো আবার টিকিট বিক্রি ঘিরে ওঠা প্রশ্ন। তবে এবার ভক্তদের জন্য আসছে বড় দুঃসংবাদ। বর্তমানে দেশজুড়ে চলছে দিলজিৎ দোসাঞ্জের সফর। তার লাইভ কনসার্টের টিকিট পাওয়ার জন্য ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনাও দেখা গেছে বারবার। কিন্তু, জানেন কি ভারতে এটাই দিলজিতের শেষ কনসার্ট? দিলজিৎ নিজেই তার লাইভ অনুষ্ঠানে এই ঘোষণাটি করেছেন।

    সম্প্রতি, একটি লাইভ শো চলাকালীন দিলজিৎ লক্ষাধিক ভক্তদের মাঝে একটি চমকপ্রদ বক্তব্য তুলে ধরেছেন। গায়ক মঞ্চে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি আর ভারতে লাইভ কোনো অনুষ্ঠান করবেন না। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেকথাও মঞ্চে জানিয়েছেন। সঙ্গে জুড়েছেন শর্তও। গায়কের শর্তপূরণ না হলে ভারতের মানুষ আর কখনও তার শো উপভোগ করার সুযোগ পাবেন না

    ভিডিওতে দিলজিতকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘প্রথমত, আমি প্রশাসনকে বলতে চাই যে আমাদের লাইভ শো করার পরিকাঠামো নেই। এটা অনেকের উপার্জনের জায়গা। অনেক মানুষ কাজ করে এখানে। আমি পরেরবার স্টেজটা সেন্টারে করার কথা বলব। যাতে সবাই আমার চারপাশে থাকে। সেটা না হওয়া পর্যন্ত আমি ভারতে শো করব না। প্লিজ, প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ, পরিকাঠামো উন্নত করুন। গায়কের এমন ঘোষণায় চিন্তায় ভক্তরা।

    ১৪ ডিসেম্বর চণ্ডিগড়ে অনুষ্ঠিত কনসার্টের সময় দিলজিৎ তার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন অভিনেতা। তার কিছু ভক্ত এই সিদ্ধান্তের জন্য শিল্পীর প্রশংসাও করেছেন। তবে অনেকে এ কথাও বলছেন, এমনটা হতেই পারে না দিলজিৎ কোনো দাবি জানাবে এবং তা পূরণ হবে না। তাই ভক্তদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও অনেকের মত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বদভ্যাস পরিবর্তনে প্রশাসনের কিছু করার থাকে না: কঙ্গনা

    সংগীতশিল্পী দিলজিৎ দোসাঞ্জের গানে মদ ও মাদকের ব্যবহার নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে উত্তাল গোটা ভারত। তেলেঙ্গানা ও গুজরাটে এ নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন গায়ক। গানের কথা বদলে অনুষ্ঠান করতে হয়েছে তাকে। এবার গানের কথায় মদ, মাদক বা হিংসার উল্লেখ থাকলে কী করা উচিত, তার উদহারণ দিলেন বিজেপির মান্ডির সংসদ সদস্য ও বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    পাঞ্জাবি রকস্টার দিলজিতের গানের ভক্ত ছড়িয়ে আছে বিশ্বজুড়ে। গত কয়েক মাসে তিনি ভারতের বিভিন্ন শহরে গানের অনুষ্ঠান করে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তেলেঙ্গানা আর গুজরাটে তাকে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে। সেই গান খানিক উচ্চকিত বটে। গানের কথায় অনেক সময়ই আবেগের ছোঁয়া ধরা পড়ে। বিশেষত দুটি গান নিয়েই বিতর্ক— ‘পাঁচ তারা’ আর ‘লেমোনেড’। এই দুটি গানের কথায় মদ ও মদের ঠেকের উল্লেখ রয়েছে। ওই দুটি গানের কথা বদলে গাইতে হয়েছে তাকে। যদিও এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন দিলজিৎ। 

    মঞ্চে উঠেই তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তিনি নিজে মদপান করেন না। এমনকি গানের মাধ্যমে তিনি মদপানবিরোধী প্রচার চালাতেও প্রস্তুত; কিন্তু তার আগে প্রশাসনকে উদ্যোগী হয়ে সব মদের দোকান বন্ধ করে দিতে হবে।

    এবার দিলজিতের পাশেই যেন দাঁড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এ মান্ডির সংসদ সদস্য বলেন, শৈল্পিক অভিব্যক্তি কারও ধার ধারে না। হিমাচল লোকসংগীতেও এমন অনেক বিষয় রয়েছে। শিল্পের ক্ষেত্রে আবেগটাই বড় বিষয়। কিন্তু যখন মানুষ সেটিকে বদভ্যাসে পরিণত করে ফেলেন, তখন আর প্রশাসনেরও কিছু করার থাকে না। দায়িত্বটা সাধারণ নাগরিকেরও।

    বিনোদন ডেস্ক