Tag: দাফন

  • দাফনের অনুমতি মিলল মনি কিশোরের

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনি কিশোরের দাফনের অনুমতি মিলেছে। পারিবারিক সিদ্ধান্তের কারণে তৈরি হয়েছিল জটিলতা। সব মিলিয়ে শিল্পীর দাফন বিলম্ব হচ্ছিল। অবশেষে সব জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রশাসন থেকে অনুমতি মিলেছে।  

    বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে জানাজা শেষে দক্ষিণ বনশ্রী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর বোন জামাই প্রদীপ কুমার মিস্ত্রী।

    রাজধানীর রামপুরার বাসা থেকে গত শনিবার মনি কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, চার থেকে পাঁচ দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। একসময়ের জনপ্রিয় এই গায়কের মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত না হলেও রামপুরা থানার পুলিশ জানিয়েছে, শিল্পী মনি কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

    পেশাদার সংগীতজীবনের শুরুতে বিয়ে করেন মনি কিশোর। শামীমা চৌধুরীর সঙ্গে সেই বিয়ে টেকেনি। দেড় যুগ আগে তাদের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। বিয়ের সময় ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন মনি কিশোর। সে হিসেবে তার মরদেহের দাফন করা হবে বলে জানিয়েছিলেন বড় ভাই অশোক কুমার।

    তবে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রমাণাদি না পাওয়ায় ও মেয়ে নিন্তি চৌধুরীও দেশে না থাকায় সংশ্লিষ্ট থানা–পুলিশ কর্মকর্তারাও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। অবশেষে দাফনের অনুমতি পাওয়া গেল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন মনি কিশোর, তার ইচ্ছেতেই হবে দাফন

    রাজধানী ঢাকার রামপুরা টেলিভিশন ভবনের পাশের একটি বাড়া বাসায় একাই থাকতেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনি কিশোর। গত শনিবার রাতে বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। মৃত্যুর প্রায় একদিন পার হতে চললেও এখনো মরদেহের শেষ কার্যক্রম সমাপ্ত হয়নি।

    এ গায়ক অবশ্য মৃত্যুর আগে একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে জানিয়ে গেছেন, তার মরদেহ কী করতে হবে। রোববার (২০ অক্টোবর) একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টি জানান মনি কিশোরের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা অশোক কুমার মণ্ডল। তিনি জানান, মনি কিশোর হচ্ছে তার পোশাকি নাম। প্রকৃত নাম হচ্ছে অরুণ কুমার মণ্ডল।

    নব্বই দশকের শুরুর দিকে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন মনি কিশোর। তবে দেড় যুগ আগে তাদের দাম্পত্যজীবনের ইতি ঘটেছে। আর বিয়ের সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন গায়ক। সেই হিসেবে তার মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন গায়কের ভাই অশোক কুমার। এ ব্যাপারে তিনি জানান, জীবিত অবস্থায় দাফনের বিষয়টি একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে জানিয়েছিলেন মনি কিশোর।

    অশোক কুমার বলেন, নিন্তি জানিয়েছে, তার বাবাকে যেন দাফন করা হয়। ওর বাবা এটা নাকি বলে গিয়েছিল। যেহেতু মেয়েকে বলে গিয়েছে, এ জন্য তার ইচ্ছামতোই দাফনের কাজ করা হবে। এ নিয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাব না আমরা।

    নব্বই দশকের শুরুতে ‘চার্মিং বউ’ অ্যালবামের ‘কী ছিলে আমার’ শিরোনামের একটি গান মনি কিশোর দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিত পান। সেই সময় প্রায় সবার মুখে মুখে ছিল এই গানটি। এরপর একে একে ৩০টিরও বেশি একক অ্যালবাম করেন এই গুনি শিল্পী। 

    পাঁচ শতাধিক গানে কণ্ঠ দেওয়া মনি কিশোরের জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘কী ছিলে আমার’, ‘সেই দুটি চোখ কোথায় তোমার’, ‘তুমি শুধু আমারই জন্য’, ‘মুখে বলো ভালোবাসি’, ‘আমি মরে গেলে জানি তুমি’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।নড়াইল জেলার লক্ষ্মীপুরে মামাবাড়িতে ১৯৫৮ সালে জন্ম মনি কিশোরের। পুলিশ কর্মকর্তা বাবা অনিল কুমার মণ্ডলের ছেলে অরুণ কুমার মণ্ডল ছিলেন কিশোর কুমারের ভক্ত। ডাকনাম ছিল মনি। কিশোর কুমারের ভক্ত ছিলেন বলে নামের সঙ্গে ‘কিশোর’ জুড়ে নিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক