Tag: দক্ষিণ কোরিয়া

  • বুসান শহরকে উৎসবে রূপান্তর করল বিটিএস

    গত সপ্তাহের শেষে দক্ষিণ কোরিয়ান কে-পপ বয় ব্যান্ড বিটিএস-এর রঙে সেজেছিল দেশটির বুসান শহর। দীর্ঘ চার বছর পর এই শহরে ব্যান্ডটির প্রথম কনসার্ট এবং তাদের অভিষেকের ১৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, সমুদ্র সৈকত এবং রাতের আকাশ এক বিশাল উৎসবের অংশ হয়ে উঠেছিল। 

    ‘বিটিএস দ্য সিটি আরিরাং- বুসান’ প্রকল্পের মাধ্যমে কোরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহরটি মূলত ব্যান্ডটির চলমান ‘আরিরাং’ ওয়ার্ল্ড ট্যুরেরই একটি বর্ধিত অংশে পরিণত হয়। 

    বিটিএস-এর সর্বশেষ অ্যালবাম ‘আরিরাং’-এর মূল রং লাল হওয়ায়—এ উপলক্ষে গোয়াঙ্গান ব্রিজ, বুসান হারবার ব্রিজ এবং সুয়েওংগাং হিউম্যান ব্রিজকে লাল আলোয় আলোকিত করা হয়েছিল। অন্যদিকে বুসান স্টেশন, গোয়াংবোকরো ফাউন্টেন স্কয়ার, গ্র্যান্ড জোসুন বুসান এবং বুসান সিনেমা সেন্টারের মিডিয়া ফ্যাকাডগুলোতে বিটিএসের মিউজিক ভিডিও এবং থিমযুক্ত ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন করা হয়। 

    হ্যায়ুন্দাই সৈকতে ‘কিপ সুইমিং’ স্লোগান সংবলিত একটি বিশাল বালির ভাস্কর্য তৈরি করা হয়, যা ছবি তোলার জন্য ভক্তদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। 

    এদিকে গোয়াঙ্গালি সৈকতে শুক্রবার এবং শনিবার রাতে ১ হাজার ড্রোনের একটি চোখধাঁধানো লাইট শো অনুষ্ঠিত হয়। ড্রোনগুলো আকাশে বিটিএস-এর ‘আরিরাং’ অ্যালবামের গান যেমন— ‘সুইম,’ ‘নরমাল’, ‘হুলিগান’ এবং ‘বডি টু বডি’-এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন চিত্র ফুটিয়ে তোলে। এর পাশাপাশি ভক্তদের প্রিয় গান ‘ম্যাজিক শপ’ এবং ‘মাইক্রোকসমস’-এর থিমও প্রদর্শন করা হয়। সবশেষে যখন আকাশে ড্রোন দিয়ে সাতজন সদস্যের মুখাবয়ব ভেসে ওঠে, তখন উপস্থিত জনতা উল্লাসে ফেটে পড়েন। 

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তদের কাছে এই শহরব্যাপী উৎসবটি কেবল কোনো প্রচারণামূলক আয়োজন ছিল না। এটি ছিল ২০২২ সালের ‘ইয়েট টু কাম ইন বুসান’ কনসার্টের পর বুসানে বিটিএস-এর প্রথম কনসার্টের একটি আবেগঘন প্রস্তুতি। 

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের সেই কনসার্টটি ছিল সব সদস্যের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা শুরু করার আগে একসঙ্গে করা শেষ পারফরম্যান্স। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসার মেলবন্ধন

    বুসান স্টেশনে পৌঁছানো মাত্রই দর্শনার্থীদের বিটিএস থিমড ইনস্টলেশন দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। বুসান ইউরেশিয়া প্ল্যাটফর্মের একটি ওয়েলকাম সেন্টারে ফটো জোন, লাগেজ সংরক্ষণ ও ডেলিভারি সেবা এবং কনসার্ট দেখতে আসা দর্শকদের জন্য পর্যটন তথ্যের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

    হ্যায়ুন্দাই সৈকতে একটি সৈকতবর্তী ‘লাভ সং লাউঞ্জ’-এর ব্যবস্থা ছিল, যেখানে ভক্তরা বিটিএসের গান শুনতে শুনতে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পান। এছাড়া ভক্তরা দলটির ১৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে অভিনন্দন বার্তা ও স্মারক বার্তা লেখার সুযোগও পান। 

    এই উৎসবটি কেবল ভক্তদের অভিজ্ঞতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং স্থানীয় ব্যবসার সঙ্গেও এর সমন্বয় করা হয়েছিল। বুসানজুড়ে বিভিন্ন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ব্র্যান্ড বিটিএস থিমড মেন্যু চালু করে। সেই সঙ্গে আবাসন, পরিবহন সেবা এবং খুচরা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়। 

    সামরিক সেবা শেষে নতুন অধ্যায় 

    অনেক ভক্তের কাছে এই উদযাপনটি বাড়তি তাৎপর্য বহন করেছিল, কারণ এটি বিটিএসের ১৩তম অভিষেক বার্ষিকী এবং সামরিক সেবা শেষে বুসানে প্রথম পারফরমেন্স। 

    বুসান আসিয়াড মেইন স্টেডিয়ামে ফিলিপাইন থেকে আসা ভক্ত ডেরিজ কুইন্টানা বলেন, ‘আমি প্রথম বুসান কনসার্টটি দেখতে পারিনি, তাই এখন এখানে এসে সাতজন সদস্যকেই একসঙ্গে দেখতে পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে তাদের জন্য অপেক্ষা করেছি। সামরিক সেবার পর হয়তো আগের মতো থাকবে না—এমন একটা আশঙ্কা ছিল। কিন্তু তারা এখানে, তারা একসঙ্গে আছে এবং এটি আগের চেয়েও অনেক বেশি চমৎকার।’ 

    কনসার্ট, পর্যটন, স্থানীয় ব্যবসা এবং ফ্যান সংস্কৃতির এক অপূর্ব সমন্বয়ে ‘বিটিএস দ্য সিটি আরিরাং- বুসান’ পুরো শহরটিকে একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত করেছে, যা বিটিএসের প্রত্যাবর্তন উদযাপনে বিশ্ববাসীকে এক সুতোয় গেঁথেছে। 

    সূত্র: দ্য কোরিয়া হেরাল্ড 

    বিনোদন ডেস্ক

  • চুলের রঙ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক! কোরীয় র‌্যাপারের ক্ষমা প্রার্থনা

    আসন্ন তৃতীয় স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন জগতে তৈরি হলো এক অদ্ভুত ‘রাজনৈতিক রঙ’ বিতর্ক। লাল রঙের পোশাক এবং লাল চুলের ছবি পোস্ট করে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন দেশটির তরুণ গায়িকা লি ইয়ং-জি। 

    তবে বিতর্ক ডালপালা মেলার আগেই তিনি ক্ষমা চেয়ে পোস্টটি ডিলিট করে দেন। কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত হতে না হতেই এ বিষয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে এটিকে নতুন করে উসকে দিয়েছেন গায়ক জে কে কিম ডং-উক। 

    বিতর্কের সূত্রপাত রোববার (৩১ মে)। এদিন গায়িকা লি ইয়ং-জি তার ইনস্টাগ্রামে লাল চুল ও লাল রঙের পোশাক পরা একটি সেলফি পোস্ট করেন। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে তিনি যুক্ত করেছিলেন কর্টিস ব্যান্ডের ‘REDRED’ গানটি। 

    সামনেই দক্ষিণ কোরিয়ায় নির্বাচন থাকায় নেটিজেন ও সমালোচকদের একটি বড় অংশ দাবি করতে থাকেন, এই ‘লাল’ রঙ দিয়ে লি ইয়ং-জি মূলত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করছেন। 

    কোরিয়ায় সাধারণত নির্বাচনের আগে বিনোদন অঙ্গনের তারকারা আঙুল দিয়ে কোনো প্রতীক দেখানো বা নির্দিষ্ট রঙের পোশাক পরা থেকে বিরত থাকেন, যেন তাদের ঘিরে কোনো রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের প্রশ্ন না ওঠে। 

    বিতর্ক দানা বাঁধতেই লি ইয়ং-জি দেরি না করে পোস্টটি মুছে ফেলেন এবং কালো চুলে ডাই করা নতুন ছবি পোস্ট করে ক্ষমা প্রার্থনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বার্তা দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট জানতাম এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়, তাও অসচেতনভাবে ছবিটি পোস্ট করে ফেলেছিলাম। আমি অজ্ঞতার অজুহাত দিয়ে লুকিয়ে থাকতে চাই না। নিজের এই অবিবেচকের মতো আচরণের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং এটি থেকে আমি শিক্ষা নেব।’ 

    লি ইয়ং-জির দ্রুত ক্ষমা চাওয়ার পর পরিস্থিতি যখন প্রায় শান্ত, তখনই এ বিষয়ে মুখ খোলেন আরেক গায়ক জে কে কিম ডং-উক। নেটপাড়ার এই অতি-সংবেদনশীলতার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘চারিদিকে সব কিছু নিয়েই যেন বাড়াবাড়ি চলছে।’ 

    বডিশেমিং বা এ ধরনের ট্রলিংয়ের মানসিকতাকে আক্রমণ করে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘এখন কি মানুষ চুলের রঙ নিয়েও এত হুজুগ তুলবে? এটা অত্যন্ত নিম্নমানের মানসিকতা।’ 

    তবে কিম ডং-উক এ মন্তব্যের মাধ্যমে একদিকে লি ইয়ং-জির পাশে দাঁড়ালেও, পরোক্ষভাবে বিতর্কটিকে আবারও যেন আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসলেন। 

    উল্লেখ্য, জে কে কিম ডং-উক কোরিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে বরাবরই বেশ সরব। গত বছরের ইমপিচমেন্টের রাজনৈতিক আবহাওয়ার সময় তিনি প্রকাশ্যেই ইউন সুক-ইওলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। এছাড়া সম্প্রতি স্টারবাকসের একটি বিতর্কিত মার্কেটিং ক্যাম্পেইন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি তার স্পষ্ট মতামত প্রকাশ করেছিলেন। 

    সূত্র: স্টারনিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোরিয়ান শিল্পীর বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের কর ফাঁকির অভিযোগ

    দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা চা ইউন-উ। এই তারকার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ওন (১৩.৭ মিলিয়ন ডলার) কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় কর দপ্তর (এনটিএস)। তবে তার বিরুদ্ধে এখনো কোনো ফৌজদারি মামলা হয়নি। দেশটির গণমাধ্যম থেকে এমনটাই জানা গেছে। 

    তবে অভিযোগ উঠতে না উঠতেই খ্যাতি ও জনপ্রিয়তার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এই বিতর্কের মাঝে ইতোমধ্যেই চা ইউন-উ-র সঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপনের চুক্তি বাতিল করেছে, যা অভিনেতার জন্য বড় ধাক্কাই বলা যায়। 

    দেশটির কর দপ্তরের দাবি, চা ইউন-উর মায়ের নামে নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার বিনোদন আয়ের একটি অংশ দেখানো হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই কোম্পানিগুলো ব্যবহার করে আয়কর নথিতে ব্যক্তিগত আয়ের জায়গায় করপোরেট আয় দেখানো হয়েছে, যাতে করের হার কম পড়ে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যক্তিগত আয়ের কর সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ, যেখানে করপোরেট করের হার তুলনামূলকভাবে কম। এনটিএস বলছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির বাস্তব ব্যবসায়িক কার্যক্রম ছিল না। শুধু কাগজেই এর অস্তিত্ব ছিল। সে কারণেই তাদের হিসাব অনুযায়ী, ২০ বিলিয়ন ওনের বেশি কর কম দেওয়া হয়েছে। 

    কর কর্মকর্তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, চা ইউন-উ-র ব্যক্তিগত আয় তিন ভাগে দেখানো হয়েছিল—তার এজেন্সি ফ্যান্টাজিও, মায়ের নামে নিবন্ধিত কোম্পানি এবং স্বয়ং চা ইউন-উ-র নামে। এই আয়-বণ্টনের ফলে তার মোট করের হার ২০ শতাংশের বেশি কমে যায় বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। 

    তবে এই গায়ক-অভিনেতার এজেন্সি ফ্যান্টাজিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, চা ইউন-উ-র মায়ের নামে থাকা প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ বৈধ এবং আইনসম্মত। এমনকি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে। 

    এদিকে, চা ইউন-উ বর্তমানে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে আছেন। তাই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। 

    সূত্র: গালফ নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই কোরীয় তারকার প্রেমের সফল পরিণতি

    দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন জগতে বাজতে চলেছে বিয়ের সানাই! জনপ্রিয় অভিনেতা অন জু ওয়ান এবং কে-পপ তারকা ও অভিনেত্রী ব্যাং মিনা এই বছরের নভেম্বরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর এই দুই তারকা তাদের সম্পর্ককে নতুন ধাপে নিয়ে যাচ্ছেন, যা তাদের ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

    অন জু ওয়ান ও ব্যাং মিনার প্রেমের গল্প অনেকটা কে-ড্রামার চিত্রনাট্যের মতোই। ২০১৬ সালে সিবিসি-এর জনপ্রিয় ড্রামা ‘বিউটিফুল গং সিম’ -এর সেটে তাদের প্রথম পরিচয়। পর্দায় তাদের রসায়ন যেমন নজর কেড়েছিল, তেমনি পর্দার বাইরেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সূত্রপাত হয়। এরপর ২০২১ সালে ‘দ্য ডেজ’ নামের একটি মিউজিক্যালে কাজ করতে গিয়ে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং ধীরে ধীরে তা ভালোবাসায় রূপ নেয়। তাদের এই নীরব সম্পর্ক এত দিন জনসমক্ষে আসেনি, যা তাদের বিয়ের ঘোষণাকে আরও চমকপ্রদ করে তুলেছে।

    অন জু ওয়ানের এজেন্সি হেওয়াদাল এন্টারটেইনমেন্ট এক বিবৃতিতে লিখেছে, ‘দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর তারা জীবনের বাকি সময়টা একসঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব নিয়ে নিয়ে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে।

    মিনার এজেন্সি এসএম সিঅ্যান্ডসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘দুজনের পরিচয় বহুদিনের, ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। এবার তাঁরা নতুন এক যাত্রা শুরু করতে চলেছেন। বিয়ের পরও তাঁরা দুজনেই অভিনয় চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছে এজেন্সি।’

    ২০১০ সালে গার্লস ডের মাধ্যমে গানের জগতে পা রাখেন মিনা। এরপর অভিনয়ে আসেন তিনি। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ড্রামার মধ্যে রয়েছে ‘বিউটিফুল গং শিম’, ‘মাই অ্যাবসোলিউট বয়ফ্রেন্ড’ ও ‘ডেলিভারি ম্যান’। এ ছাড়া সিনেমা ‘স্নোবল’ ও ‘মিস ফরচুন’-তেও অভিনয় করেছেন তিনি।

    অন্যদিকে অন জু ওয়ান ২০০২ সালের ‘রাস্টিক পিরিয়ড’ দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। এরপর তাঁকে দেখা গেছে ‘ফ্লাইং বয়েজ’, ‘পিটার প্যান’, ‘দ্য টেস্ট অব মানি’ ও ‘অবসেসড’-এর মতো সিনেমায়।

    সূত্র: কোরিয়া টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৭ বছর বয়সেই পপতারকা থেকে নীলছবির নায়িকা শেউন

    দক্ষিণ কোরিয়ার উঠতি পপতারকা ও মডেলদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন শেউন ঘা। সেখানকার পপ ব্যান্ড ‘বাবা’য় যোগ দেওয়ার পর খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে যান এ তারকা। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই ২০১৭ সালে কোরীয় শোবিজে আত্মপ্রকাশ ঘটে জনপ্রিয়তা লাভ করেন তিনি।

    কিন্তু ‘বাবা’র সঙ্গে এক বছরের চুক্তিতে পপতারকা হিসেবে যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই নিজের পেশা বদলানোর সিদ্ধান্ত নেন শেউন ঘা। হাতে কাজ না থাকায় তিনি মডেলিং ও টেলিভিশনের দুনিয়ায় পা রাখার পরিকল্পনা করেন।

    শুধু শেউন ঘা একা নন, এর আগেও অনেক কোরিয়ান ব্যান্ডের সদস্য নিজের জগৎ বদলে অন্য পেশায় জীবন কাটিয়েছেন। কেউ নাচের জগতে মনোনিবেশ করেছেন, আবার কেউ সম্পূর্ণভাবে ভিন্ন কোনো পেশা বেছে নিয়েছেন। স্কুলের শিক্ষক বা সাধারণ চাকরিও বেছে নিয়েছেন কোনো কোনো পপতারকা।

    এবার শেউনের ব্যান্ড ছাড়ার পেছনের কারণ হিসেবে জানা যায়, এক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। এরপর একটি বিজ্ঞাপনের অডিশন দিতে গিয়ে তার জীবনে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা ঘটে যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ভিডিওতে কাজ করার প্রস্তাব আসে তার কাছে। পপতারকার আসন থেকে সরে আসার পর মডেলিং ও অভিনয়ের মতো পেশায় আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন শেউন। এ প্রস্তাবটি আসতেই তিনি সেই প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিওতে কাজ করার সম্মতি দেন।

    মাত্র ২০ বছর বয়সে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করতে শুরু করেন এই কোরীয় মডেল। ২০২০ সালের জুন মাসে নীলছবির জগতে পা রাখেন শেউন। মাত্র দুই মাসের মধ্যে ৪০টি ভিডিওতে কাজ করেন এ পপতারকা। প্রতি ২-৩ দিনের মধ্যে একটি ভিডিওতে অভিনয় শেষ করতেন। শেউনই প্রথম পপশিল্পী, যিনি ব্যান্ড ছাড়ার পর এ ধরনের পেশা বেছে নেন।

    তার ভিডিওগুলো এতই জনপ্রিয় হয় যে তিনি প্রতি ভিডিওর জন্য ১২ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেতে শুরু করেন। তিনি তার প্রথম ভিডিওটি শেষ করার পর পারিশ্রমিক হিসেবে একটি সেডান গাড়ি পেয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, ২০০০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে জন্ম শেউন ঘার। মাত্র ২৪ বছরে পর্নোতারকার তকমা পান এ পপশিল্পী। পূর্ব পেশার খাতিরেও তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে তার নিষ্পাপ গড়নের জন্য তিনি বিখ্যাত ছিলেন ‘বাবা’য়। পপতারকা ইমেজকে কাজে লাগিয়ে বিশেষ ধরনের ভিডিওতেও দ্রুত উন্নতি করতে থাকেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের দাবি কোরীয় তারকাদের

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে বরখাস্ত, অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন অস্কারজয়ী নির্মাতা বং জুন-হো, অভিনেত্রী মুন সো রিসহ আড়াই হাজারেও বেশি বিনোদন জগতের চলচ্চিত্র তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। 

    কোরিয়া টাইমসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় গত মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ সামরিক আইন জারি করে দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয়। বিক্ষোভের মুখে সামরিক আইন জারির ঘোষণা প্রত্যাহার করতেও বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট। সেই থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা চলছে। 

    রাজনৈতিক দলগুলো প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসনের জোরালো দাবি তুলেছে। এর মধ্যে গত শনিবার ‘অপরাধী প্রেসিডেন্টকে সরান ও গ্রেফতার করুন’ শীর্ষক এক বিবৃতি দিয়েছে দেশটির ৭৭টি চলচ্চিত্র সংগঠন।

    স্বাক্ষরদাতাদের মধ্যে কং ডং উন, কিম গো ইউন, পার্ক ইউন বিনসহ আরও অনেক তারকা রয়েছেন। নির্মাতারা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে বরখাস্ত করে বিশৃঙ্খরা দূর করা দরকার। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে— আমরা জরুরি ভিত্তিতে তাকে বরখাস্ত, অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি করছি।

    এর মধ্যে প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল সামরিক আইন জারি করে তীব্র সমালোচনার মুখে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘরে মৃত অবস্থায় মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার পপ তারকার লাশ

    মাত্র ২৫ বছর বয়সেই থামল দক্ষিণ কোরিয়ার পপ তারকা মুনবিনের জীবন রথ। অ্যাস্ট্রো ব্যান্ডের এই সদস্যের লাশ তার বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয়।

    দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলের গ্যাংনাম গুর ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয় ১৯ এপ্রিল। পুলিশের সন্দেহ যে এই পপ তারকা আত্মহত্যা করেছেন। 

    স্থানীয় সময় অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাত ৮.১০ এ মুনবিনকে তার ঘর থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা। তার ম্যানেজার বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে খবর দেন। মুনবিনের সংস্থা ফ্যান্টাজিও বিবৃতি জানিয়েছে, 'আমরা ফ্যান্টাজিও, সবার আগে ক্ষমা চেয়ে এই দুঃসংবাদ জানাচ্ছি। ১৯ এপ্রিল অ্যাস্ট্রোর সদস্য মুনবিন আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি এখন আকাশের তারা হয়ে গেছেন। আমরা বহুদিন একসঙ্গে ছিলাম। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে আমরা গভীর ভাবে শোকপ্রকাশ করছি।'
    অ্যাস্ট্রো ইউনিটের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফিরে এসেছিলেন এই উঠতি কে-পপ (K-Pop) তারকা। সানহার সঙ্গে মিলে তাদের একটা ট্যুরের পরিকল্পনা ছিল। আপাতত সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে বলেই উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে।

    কেন তার মৃত্যু হয়েছে, কোন কারণ সেসব বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তিনি একাধারে যেমন গায়ক ছিলেন, তেমনই অভিনয় করতেন, নাচ করতেন এবং মডেলিংও করতেন।

    ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ছয় সদস্যকে নিয়ে এই ব্যান্ড শুরু হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঘোষণা করা হয় এই ব্যান্ডের সদস্য রকি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চলেছেন। কারণ তার চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে কোম্পানির সঙ্গে।

    সূত্র: বিবিসি

    বিনোদন ডেস্ক