Tag: ঢাকা

  • সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, কেন বলেছিলেন পরীমনি

    ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শৃঙ্খলা অনুবিভাগ) কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। 

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. গোলাম সাকলায়েন, ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এডিসি ডিবি গুলশান বিভাগে কর্মকালীন বাংলাদেশ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়েও সরকারি দায়িত্বের বাইরে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে নৈতিকতা বহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে প্রস্তুত করা প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী ধাপে এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়া গেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার এলাকার ঢাকা বোট ক্লাবে অভিনেত্রী পরীমনির সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলাটির তদন্ত তদারকির দায়িত্বে ছিলেন গোলাম সাকলায়েন।

    তবে পরবর্তীতে পরীমনির সঙ্গে সাকলায়েনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ সামনে এলে তাকে তদন্ত কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল।

    এদিকে, সম্পর্কের অভিযোগ নিয়ে চলা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সে সময় এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেন, বিষয়টি তিনি নিশ্চিত নন।

    তার দাবি, এটি ব্যক্তিগত আক্রোশের ফল হতে পারে।

    তিনি বলেন, এটা প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কের কারণে হয়েছে—আমি তা বিশ্বাস করি না। সাধারণত কেউ সফল হলে তাকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা তৈরি হয়। সাকলায়েন একজন দক্ষ ও সফল কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধেও এমন কিছু হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, সাকলায়েনের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থাটি তার কাছে অস্বাভাবিক ও অন্যায্য মনে হয়েছে। সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেতা আলভীর প্ররোচনায় আত্মহত্যা করেন তার স্ত্রী

    ‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না, তোর যা মন চায়, তুই কর’। মায়ের প্ররোচনায় ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী প্রায়ই স্ত্রীকে এমন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলতেন।

    আলভীর এমন উসকানিমূলক কথাবার্তায় প্ররোচিত হয়ে তার স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    রোববার মৃত ইকরার পিতা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলী।

    গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার এভিনিউ-২ এর ১৭ নম্বর রোডের একটি বাড়িতে অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    মামলার এজাহারে ভিকটিমের পিতা উল্লেখ করেন, মামলার প্রধান আসামি জাহের আলভীর সঙ্গে তার মেয়ে ইকরার ২০১৩ সালে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর জাহের আলভী তার মা শিউলীর প্ররোচনায় স্ত্রী ইকরাকে মানসিক নির্যাতন করতেন। ভিকটিমের পিতা বিয়য়টি জানতে পেরে শিউলীর মাধ্যমে পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও শিউলী তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি।

    প্রায় ২ বছর আগে ইকরা জানতে পারেন- তার স্বামী আলভী অজ্ঞাতনামা এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ইকরাকে তাদের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্ররোচনা করেন জাহের আলভী ও তার মা শিউলী। এমনকি ভিকটিমকে গালিগালাজ, অপমান ও বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেন।

    আলভী তার স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন, ‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না। তোর যা মন চায়, তুই কর।’ একপর্যায়ে  মামলার আসামিদের অপমান, অবহেলা ও উসকানিমূলক কথাবার্তা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা।

    পল্লবী থানার ওসি একেএম আলমগীর জাহান বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।

    মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি

  • ঢাকা মাতাতে আসছেন পাকিস্তানি গায়িকা আইমা

    প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে গান শোনাতে আসছেন পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আইমা বেগ। আগামী ১১ এপ্রিল ঢাকায় আসবেন এই গায়িকা। ইয়ামাহা মোটরসাইকেলসের একটি মেগা ইভেন্টে অংশ নেবেন। রাজধানীর সেনা প্রাঙ্গণে ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড গ্র্যান্ড’ অনুষ্ঠানে গান শোনাবেন তিনি। ইয়ামাহা বাংলাদেশের ফেসবুক পেজে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ২০১৬ সালে পাকিস্তানি সিনেমা ‘লাহোর সে আগে’তে প্রথম প্লেব্যাকের সুযোগ পান আইমা। প্রথম সিনেমায় তিনটি গানে কণ্ঠ দেন তিনি। ‘কালাবাজ দিল’ গানের জন্য লাক্স স্টাইল অ্যাওয়ার্ড এবং গ্যালাক্সি ললিউড অ্যাওয়ার্ডে সেরা গায়িকার পুরস্কার পান এ গায়িকা।

    এ ছাড়া ‘সাত দিন মোহাব্বত ইন’, ‘দ্য ডাংকি কিং’, ‘কাফ কাঙ্গানা’, ‘বাজি’ ইত্যাদি সিনেমায় গান গেয়ে আলোচনায় আসেন আইমা। তার গাওয়া ‘ফিতুর’, ‘আইটেম নাম্বার’, ‘গ্রুভ মেরা’ গানগুলো তরুণদের মাঝে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।

    কোক স্টুডিও পাকিস্তানের ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ তিন মৌসুমে গান গেয়েছেন আইমা। এ ছাড়া ২০২২ সালে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ৭ম আসরে আতিফ আসলামের সঙ্গে ‘আগে দেখ’ ও গত বছর আলী জাফরের সঙ্গে ‘খুল কে খেল’ থিম সংয়ে কণ্ঠ দিয়েছেন আইমা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পপির স্বামী কে এই আদনান উদ্দিন কামাল?

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। অভিনয়গুণে দর্শকহৃদয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই জায়গা করে নিয়েছিলেন। একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই নায়িকা দীর্ঘ সময় ধরে অন্তরালে রয়েছেন। হঠাৎ করেই নিজেকে আড়াল করে নেন এই অভিনেত্রী। 

    প্রথম দিকে পপির এ অনুপস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করেছিলেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু সময় যতই এগোতে থাকে ততই তাকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। নায়িকার আড়ালে যাওয়ার রহস্য খুঁজতে বেরিয়ে আসে তার গোপন সংসার ও সন্তান জন্মের খবর।

    অনুসন্ধানে প্রকাশ্যে এসেছে পপির স্বামীর পরিচয়, ছবি ও সন্তানের নাম। ছবিতে দেখা গেছে, সন্তানের জন্মদিন পালন করছেন পপি ও তার স্বামী। সন্তানের নাম রেখেছেন আয়াত। বয়স প্রায় চার বছর। আর তার স্বামীর নাম আদনান উদ্দিন কামাল। তিনি একটি গ্রুপ অব প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। জাহাজের ব্যবসা রয়েছে। লালবাগ কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোডের বাসিন্দা।

    সোমবার অভিনেত্রীর বোন ফিরোজা পারভীন খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় বোন পপির বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    সোনাডাঙ্গা থানার জিডি সূত্রে জানা গেছে, পৈতৃক জমি দখলের নেওয়ার জন্য স্বামী আদনান উদ্দিন কামাল, কল্লোল মজুমদার ও শিপনসহ পপি সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিববাড়ি এলাকার ভাড়াটিয়া বাড়ির সামনে যান। এতে বাধা দিলে পপি ও তার স্বামী মিলে বোন ফিরোজা পারভীনকে হুমকি দেন। আর স্থানীয়রা জানান, পপি ও তার স্বামী বর্তমানে খুলনায় অবস্থান করছেন।

    এরই মধ্যে অভিনেত্রীর পরিবার জানায়, পপিকে জোর করে বিয়ে করে আদনান উদ্দিন কামাল। যদিও বিয়ের পর পপিকে মানসিকভাবে খুব একটা ভালো রাখেনি তার স্বামী। তাই স্বামীর মন রাখতে নিজ পরিবারের সম্পত্তি দখলে নেমেছেন নায়িকা। তাই পপির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বোন ফিরোজা পারভিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা, মেহজাবীনের আবেগঘন পোস্ট

    হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় ছয়জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর এর মধ্যে সেখানে এক বাইকারের স্ত্রী আর সাত বছরের সন্তান নিহত হয়েছেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন সেই বাইকার। এ ঘটনা কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নানা পোস্ট করছেন। সেই কাতারে আছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীও।

    সেই দুর্ঘটনার একটি ছবি পোস্ট করে মেহজাবীন লিখেছেন, আমি এই বাবার প্রতি সমবেদনা জানানোর কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। নিজের প্রিয়জনকে চোখের সামনে মরতে দেখা মানে নিজের ভেতরেও একটি অংশ মরে যাওয়া।  

    তিনি বলেন, এই মানুষটা হয়তো এখন জীবিত, কিন্তু তার ভেতরটা তার পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে ইতোমধ্যে মারা গেছে। আল্লাহ তাকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন। 

    অভিনেত্রী বলেন, রাস্তাগুলো কখনই নিরাপদ নয়। সারা বছর ধরে অসংখ্য ঘটনা ঘটে, যা অবহেলার পরিচয় দেয়, কিন্তু এ ধরনের উদাসীনতা থামানোর জন্য কিছুই কার্যকর হচ্ছে না। 

    মেহজাবীন বলেন, যতদিন না বড় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ততদিন এটা প্রতিদিন শোনা, পড়া, অনুভব করা এবং ভুলে যাওয়া গল্প হয়েই থেকে যাবে।

    উল্লেখ্য, গতকাল ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত আরও ১৫ জন গুরুতর আহত হন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবেক স্বামীর কবর জিয়ারতের পর মুখ খুললেন পরীমনি

    ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পাচ্চর এলাকায় গত ২২ নভেম্বর ভোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনির প্রথম স্বামী ইসমাইল হোসেন।

    দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শিবচর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাকিল আহমেদ। ওসি শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন, ‘শুক্রবার ভোরে শিবচরের পাচ্চর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এখনো জানা যায়নি।’

    ইসমাইলের চাচা কবির হোসেন জমাদ্দার বলেন, ‘ইসমাইল তার বন্ধু মনিরকে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে পেছন থেকে ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ইসমাইল ও তার বন্ধু মনির গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিলে চিকিৎসক ইসমাইলকে মৃত ঘোষণা করেন। আর মনিরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পঙ্গু হাসপাতালে মনিরের একটি পা কেটে ফেলা হয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার রাতে ইসমাইলের লাশ বাড়িতে আনা হয় এবং রাতেই জানাজা শেষে ছোট শৌলা গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।’ ইসমাইল হোসেনের মৃত্যুর খবরটি শনিবার দেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশ পায় বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ পরীমণি।

    পরীমনি বলেন, ‘কারও মৃত্যু তো হাসি-তামাশার বিষয় নয়। ইসমাইলের মৃত্যু নিয়ে যে যেভাবে পারছেন, খবর প্রকাশ করেছেন। উৎসব উৎসব ভাব মনে হচ্ছে। এটা সত্যিই কষ্টদায়ক। এমনটা মোটেও আশা করিনি।’

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এবার বাড়িতে আসার পরই আমার মা (খালাকে মা বলে ডাকেন পরীমনি) বললেন, ও (ইসমাইল) তো বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করছে।’ আমি বললাম, ‘কী!’ পরে বললেন, ‘ও তো মারা গেছে!’ এলাম নানুভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে, এসে শুনি ইসমাইলের মৃত্যুর খবর! এটা মেনে নেওয়া যে কতটা কষ্টের, বলে বোঝাতে পারব না।’

    সাধারণত মৃত মানুষের মুখ দেখতে পারি না উল্লেখ করে পরী বলেন, ‘এ জীবনে একমাত্র নানুভাইয়ের মরা মুখটাই শুধু দেখতে পেরেছি। আর কারোটা দেখা সম্ভব হয়নি। ইসমাইলেরও দেখা সম্ভব হয়নি। কবর জিয়ারত করেছি। সেই কবরস্থানে পাশাপাশি আমাদের পরিবারেরই অনেকগুলো কবর। সবচেয়ে নতুন কবর, ইসমাইলের। ওর বাবাসহ আমরা কবর জিয়ারতে গেছি। সবকিছু ছাপিয়ে সে তো আমার আত্মীয়। তাই তার সঙ্গে আমার সম্পর্কও তো সব সময়ের।’

    ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ইসমাইলের। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট শৌলা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন জমাদ্দারের ছেলে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদের কী যন্ত্রণা: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি।  বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং ফেসবুক পোস্টে প্রায়ই আলোচনায় আসেন তিনি। শুক্রবার পরীর প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এ ঘটনার মধ্যে পরীমনি তার ফেসবুকে জানিয়েছেন তিনি তার নানার মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য বরিশাল অবস্থান করছেন। পোস্ট করেছেন কয়েকটি ভিডিও। তা ছাড়া তিনি দুঃখভরা একটি পোস্টও দিয়েছেন।

    এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নিয়তির ডাকে দিলে যে সাড়া ফেলে গেলে শুধু নীরবতা। যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদের কী যন্ত্রণা!’

    হঠাৎ পরীর এমন স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় ভক্তরা এর কারণ খুঁজে পাচ্ছেন। অনেকেই মনে করছেন প্রথম স্বামীর মৃত্যুর খবরে এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    আবার অনেকেই পরীমনির নানা শামসুল হক গাজীর মৃত্যুর সঙ্গে এই স্ট্যাটাসের যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন। কারণ এক বছর আগে ঠিক এইদিনেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারিয়েছেন তিনি।

    এর আগে, শুক্রবার ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কের শিবচরের পাচ্চর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তার প্রথম স্বামী ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার।

    ইসমাইল জমাদ্দার পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট শৌলা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন জমাদ্দারের ছেলে। ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

    ইসমাইলের চাচা কবির হোসেন জমাদ্দার বলেন, ‘ইসমাইল পরিমনির প্রথম স্বামী ছিলেন। তবে তাদের তালাকের পরে ইসমাইল আবারো বিয়ে করেছিলেন। সেই ঘরে তার স্ত্রী ও দুটি সন্তান রয়েছে।’

    অন্যদিকে পরী বরাবরই নিজের প্রথম বিয়ে নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন। মিডিয়াতেও কখনো ইসমাইলকে নিয়ে কোনো প্রশ্নের জবাব বা উত্তর দেননি তিনি।

    তবে নায়িকার ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, ইসমাইলের মৃত্যুর খবরে কষ্ট পেয়েছেন পরী। শুরু থেকেই যেহেতু এই বিয়ে নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন তিনি সে কারণে মৃত্যুর খবরেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিকশাচালকদের আন্দোলন নিয়ে যা বললেন নিলয় শাহিন ও মোর্শেদ

    ঢাকার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে অটোরিকশাচালকদের আন্দোলন। ইতোমধ্যে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে অটোরিকশা বন্ধের। সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অটোরিকশা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে আন্দোলন করছেন অটোরিকশাচালকরা। তাই শুরু হয়েছে শহরজুড়ে ট্রাফিক জ্যাম। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলছেন বিনোদন জগতের কোনো কোনো তারকা। 

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত । তিনি এর মধ্যে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন— অটোরিকশা ইমপোর্ট করে দেশে এনে আবার বন্ধ করা হচ্ছে। ইমপোর্ট করার পারমিশন দেয় কে, আর বন্ধ করার পারমিশন দেয় কে? অটোরিকশাকে নিয়ে কেন এই ছিনিমিনি খেলা?

    নির্মাতা শিহাব শাহীন অটো বন্ধে সরব হয়েছেন। তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন—অটোরিকশা বন্ধ হোক। আন্দোলনে দমে যাওয়া যাবে না।

    ‘এফএনএফ’ ধারাবাহিক নাটক দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেতা ম ম মোর্শেদ। তিনি লিখেছেন— শাহজাহান ওমর গ্রেফতার হয়েছে। আমি অটোরিকশা বন্ধের বিপক্ষে, প্লিজ থাকুক।

    নাট্যপরিচালক আফজাল হোসেন মুন্না বিক্ষোভে সমস্যার চিত্র তুলে ধরে লিখেছেন— ‘ঢাকা ও আরিচায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ। দ্বিতীয়ত ঢাকাজুড়ে অটো বিক্ষোভের সঙ্গে আর কোথাও কোনো অনুষ্ঠান চলছে? 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঝগড়া করার লোক পাচ্ছেন না মাহি

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। রাজনীতির মাঠ থেকে সংসার জীবন কোনোটাতে স্থায়ী আবাস গড়া হয়নি তার। কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন এই অভিনেত্রী। 

    এবার মাহির একটি স্ট্যাটাস নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে, যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। ভক্ত-অনুরাগীরা ভাবছেন, হয়তো হতাশা থেকে এমন কথা বলেছেন মাহি।

    গত ১৬ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটস দিয়েছেন তিনি। ক্যাপশনে মাহি লিখেছেন, ‘ঝগড়া করারও কেউ নেই।’ অভিনেত্রী পোস্টটি করা মাত্রই তার কমেন্টসবক্সে মন্তব্যের ঝড় উঠেছে নেটিজেনদের। একজন লিখেছেন, আমারও ঝগড়া করতে ইচ্ছে করছে। আরেকজন লেখেন, কোনো চিন্তা করবেন না, যার কেউ নেই তার জন্য আমি আছি।

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। সেই সংসার ভেঙে যাওয়ার পর ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন এই নায়িকা। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। কিন্তু দাম্পত্য জীবনের আড়াই বছর মাথায় দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন মাহি-রাকিব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি আ.লীগের কেউ হলে গ্রেফতার করুন: ইলিয়াস কাঞ্চন

    ঢাকাই সিনেমার নন্দিত নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপদ আন্দোলনে সরব।  সড়কের বিভিন্ন সমস্যা ও পরিবহণ মালিকদের বিভিন্ন অরাজকতা নিয়ে কথা বলে একাধিকবার সরকারদলীয় লোকদের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন তিনি।  রাজনৈতিক জীবনে কখনো পা বাড়াননি এই নায়ক।  কিন্তু সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়েছে। দেশবাসীর কাছে এ অপপ্রচারের বিচার চেয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার বিষয়গুলো নিয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ বিচার চান তিনি। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, একদল মানুষ বলছে আমি নাকি আওয়ামী লীগের লোক। এটা সমন্বয়কদের কাছে তারা বলেছে। এমনটাও বলেছে, আমি নাকি আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম। তারা বলে- আমি আওয়ামী লীগের লোক, এই দলের লোক, ওমুক পার্টির লোক। দেশবাসী জানে আমি কোনোদিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হইনি।

    অভিনেতা বলেন, এবার যেভাবে তারা আমাকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই আমি আওয়ামী লীগের কেউ হয়ে থাকলে আমাকে গ্রেফতার করুন। আপনাদের ক্ষমতা দেখান। তবুও অপপ্রচার চালাবেন না। আমি দেশবাসীর কাছে এই অপপ্রচারের বিচার চাই।

    তিনি আরও বলেন, সরকারকে নিয়ে যেসব কথাবার্তা শুরু হয়েছে, সেটা ভয়াবহ। আমরা যারা অনেক রিস্ক নিয়ে, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এই আন্দোলনে শরিক হয়েছিলাম, এই সরকার যদি ব্যর্থ হয়, এই আন্দোলন যদি ব্যর্থ হয়, তারা যদি আবার ফেরত আসে, তাহলে আমাদের অবস্থা কী হবে? আমাদের কী পরিণতি হবে, এটা কিন্তু আমরা কেউ ভেবে দেখছি না। এগুলো সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই লাইভে এসে কথাগুলো বলছি আমি।

    বিনোদন ডেস্ক