Tag: টালিগঞ্জ

  • যিশু প্রযোজিত সিনেমায় অভিনয় করবেন প্রসেনজিৎ-শুভশ্রী

    গত বছর পহেলা বৈশাখে জানা গিয়েছিল টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত প্রযোজনায় আসছেন। সেই সময় অভিনেতা সৌরভ দাসকে নিয়ে তিনি ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’ প্রোডাকশন হাউস খোলেন। সেই সময় কিছু কাজ তারা শুরু করেন। এবার সিনেমার প্রযোজনায় হাত দিয়েছেন তারা। তাদের প্রযোজনা সংস্থায় একটি সিনেমা নির্মাণ করছেন। আর এ সিনেমায় বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে কাজ করতে যাচ্ছেন, এমনটিই জানা গেছে। 

    ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে প্রসেনজিৎ ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির কাছে সিনেমার প্রস্তাব গেছে। যিশু সেনগুপ্ত নিজেও থাকতে পারেন এ সিনেমায়। টালিউডের ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ বিবেচনা করছেন এ ফিল্মের প্রস্তাব নিয়ে। যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তাহলে প্রথমবার তিনজনকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে। 

    কিছু দিন আগেই ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান অর্জন করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তারপর বুম্বাদা, যিশু ও শুভশ্রী যদি একত্রে আসেন কলকাতার ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় খবর হতে চলেছে। এখন প্রশ্ন— সিনেমার পরিচালক কে? যিনি এই ত্রয়ীকে একত্রিত করতে চলেছেন। 

    একটি সূত্র জানিয়েছে, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালকের আসনে বসতে যাচ্ছেন। যার পরিচালনায় ‘গৃহপ্রবেশ’ সিনেমায় শুভশ্রীর অভিনয় গত বছর দর্শক-সমালোচকদের দারুণ প্রশংসা পেয়েছে। যদিও এ প্রসঙ্গে নির্মাতার তরফ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চললে চলতি বছর ইন্দ্রদীপ সিনেমায় হাত দেবেন। গত বছর জুন মাসে শুভশ্রীকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েও তার সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু তখনো আন্দাজ করা যায়নি এমন কিছু ঘটতে চলেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাংবাদিকের ভূমিকায় শুভশ্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেকে নানা চরিত্রে উপস্থাপন করে চলেছেন। পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে নিজেকে মূল ধারার গল্প ও চরিত্রে মনোনিবেশ করছেন তিনি। অভিনেত্রী নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বারবারই দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছেন। 

    উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’-এর হাত ধরে ওটিটি দুনিয়ায় পদার্পণ করা শুভশ্রীর অভিনয় দক্ষতায় নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। সিরিজটি প্রচারের পর দারুণ প্রশংসিত হন। আবারও দর্শক তাকে নতুন রূপে দেখতে পাবেন ওয়েব সিরিজে, যার নাম ‘অনুসন্ধান’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ সিরিজের গল্পে দেখা যাবে, জেলখানার নারী বন্দিদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া একের পর এক দুর্ঘটনা নিয়ে। শুভশ্রী অভিনীত চরিত্রটি প্রধানত এমন এক রহস্যের উদ্ঘাটন করবে, যেখানে কোনো পুরুষের উপস্থিতি না থাকা সত্ত্বেও জেলখানার নারী বন্দিরা কীভাবে গর্ভবতী হয়ে পড়ছেন। এই কঠিন ও স্পর্শকাতর রহস্যের জট খুলতে সাংবাদিকদের ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে।

    আগামী ৭ নভেম্বর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হইচই-এ মুক্তি পাবে শুভশ্রী অভিনীত এ নতুন সিরিজ। অদিতি রায়ের পরিচালনায় ‘অনুসন্ধান’ সিরিজে অভিনেত্রী ছাড়াও অভিনয় করেছেন সাহেব চট্টোপাধ্যায়, স্বাগতা মুখোপাধ্যায়, সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়, সৌম্য বন্দ্যোপধ্যায় প্রমুখ। দীর্ঘ বিরতির পর এ সিরিজের হাত ধরে অভিনয়ে ফিরছেন অরিত্র দত্ত বণিক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কখন বিয়ে করছেন,—প্রশ্নে যা বললেন ঋতাভরী

    টালিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী ও তার প্রেমিক সুমিত অরোরার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক মাধ্যম নেটিজেনদের বেশ গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সুমিতের সঙ্গে ঋতাভরীর প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাদের বিয়ের দিনক্ষণ নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। যদিও অভিনেত্রী বরাবরই এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন। 

    সম্প্রতি এক নেটিজেনের প্রশ্নের উত্তরে যেন ইঙ্গিত দিলেন। সামাজিক মাধ্যমে এক অনুরাগী ঋতাভরীকে প্রশ্ন করেছিলেন— কখন বিয়ে করছেন? এর উত্তরে মজা করে অভিনেত্রী বলেন, ৮টা বেজে ৫ মিনিটে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ উত্তর পাওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে, তাহলে কি সত্যিই এ সময়টিতেই শুভ কাজ সারতে চলেছেন ঋতাভরী? নাকি এটি শুধু রসিকতা?

    উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই প্রেমিক সুমিত অরোরার সঙ্গে আংটি বদল করেছেন ঋতাভরী। এ খবর অবশ্য তিনি গোপন রেখেছিলেন। পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়েই এ ঘরোয়া অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। 

    এরপর একসঙ্গে মুম্বাই ও কলকাতায় দেখা যাচ্ছে। ঋতাভরী সামাজিক মাধ্যমে সুমিতের সঙ্গে একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন। এ সম্পর্ক নিয়ে যে তিনি বেশ খুশি, তা তার পোস্টগুলো দেখলেই বোঝা যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ থেকে রজতাভ, ধূমপান ছেড়েছেন যে তারকারা

    একসময়ে দিনে প্যাকেটের পর প্যাকেট সিগারেট খেয়ে ফাঁকা করে দিতেন। এখন ছুঁয়েও দেখেন না। আবার অনেকে মনে করেন, সিগারেট ছাড়া আর চাঁদকে ছোঁয়া—একই রকম কঠিন। তাদের মধ্যে কেউ-কেউ ‘ধূমপান’ ছাড়ার বিষয়টির সঙ্গে ‘অসম্ভব’ শব্দটিও যোগ করেছেন। কিন্তু এমন কেউ কেউ আছেন, যারা সিগারেট থেকে চিরতরে সরিয়ে নিয়েছেন নিজেদের। সে তালিকায় আছেন তাবত বলিউড সেলিব্রিটিদের নামও।

    রজতাভ দত্ত

    সিগারেট একেবারে ছেড়ে দিয়েছেন আমাদের বাংলার অভিনেতা রজতাভ দত্ত। একসময় এমনও ছিল, সিগারেট ছাড়া চলতে পারতেন না টালিপাড়ার জনপ্রিয় এ অভিনেতা। কিন্তু এখন তিনি তামাকমুক্ত জীবন কাটাচ্ছেন।

    দিনে ১০০ সিগারেট খেতেন শাহরুখ খান

    হিন্দি ছবির দুনিয়ায় যে তারকার ধূমপানের স্বভাব নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে, তিনি আর কেউ নন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। তিনি ছিলেন চেইন স্মোকার। প্রচুর সিগারেট খেতেন। এমনও শোনা যায়, তিনি নাকি নিয়মিতই বিদেশে গিয়ে ফুসফুস ওয়াশ করিয়ে আসতেন। সেই শাহরুখ ৬০ ছোঁয়ার আগেই ছেড়ে দিলেন নিজের প্রিয় ‘কু’ স্বভাবটি। 

    এক জন্মদিনের পার্টিতে ঘোষণা করলেন, আর তামাক ছোঁবেন না। শাহরুখ জানিয়েছিলেন, দিনে কম করে হলেও ১০০ সিগারেটে টান দিতেন। তাতে পরবর্তী সময়ে তার শ্বাসের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিগারেট ছাড়ার পরও শ্বাসকষ্ট থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাননি কিং খান। সেই তিনি সিগারেট ছেড়ে দেবেন, কল্পনাও করতে পারেননি অনেকে। কিন্তু তিনি পেরেছেন। শাহরুখ মনে করেন ‘অসম্ভব’ বলে কিছুই নেই। কিং খানের এমন পদক্ষেপ সম্পর্কে জেনে অনুপ্রাণিত বহু অনুরাগী। শোনা যায়, তার ভক্তদের অনেকেই সিগারেট ছেড়েছেন।

    সালমান খান: 

    ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া নামের এক ধরনের অসুখের কারণে সিগারেট ছাড়েন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান।

    নিয়মিত ধূমপানের কারণে শরীর খারাপ হতে শুরু করেছিল তারও। তিনিও ছিলেন শাহরুখের মতোই চেন স্মোকার। শরীরের কারণেই সিগারেট খাওয়া ত্যাগ করেছেন ভাইজান। সালমানের ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া নামের এক অসুখ হয়েছিল। সিগারেট থেকেই হয়েছিল। ফলে সুস্থ জীবন পেতে আগেই ত্যাগ করেন এই কু-অভ্যাস। এখন তিনি ভালো আছেন। সিগারেট থেকে দূরেও আছেন। ঠোঁটের কোণে আর ধরাননি সাদা কাঠি।

    অর্জুন রামপাল: তার মনে হয়েছিল শরীরটা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন

    বোর্ডিংয়ে পড়ার সময়ে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সিগারেট খেতে শুরু করেন অর্জুন রামপাল। ২০২০ সালের প্যান্ডেমিক-আবহে চারদিকে যখন ফুসফুস নিয়ে সবাই চিন্তায়, অর্জুন হঠাৎই ঠিক করলেন আর কোনো দিনও ধূমপান করবেন না। সেই ছাড়লেন, আর ধরেননি। এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন বলেও ছিলেন, ‘করোনার সময় মনে হলো, নিজের ফুসফুস ও শরীরটা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছি। তাই ছেড়ে দিলাম। আর ধরিনি সেই নেশা।’

    কঙ্কনা সেন শর্মা: মা হওয়ার পর সিগারেট ছাড়েন

    মা হওয়ার পর সিগারেট ছেড়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মাও। তার আগে বহু বছর সিগারেটের নেশা করেছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে ছেলে হারুনের জন্মের পর কঙ্কনা সিদ্ধান্ত নিলেন আর ধূমপান করবেন না। তারপর থেকে আর সিগারেট ছুঁয়েও দেখেননি অপর্ণা সেনের কন্যা। স্বীকার করেছেন, এই সিদ্ধান্ত তাকে আরও ভালো জীবন পেতে সাহায্য করেছে।

    সাইফ আলি খান: হার্ট অ্যাটাকের পর ভয় পেয়ে যান

    ৩৬ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাক হয় সাইফ আলি খানের। ২০০৭ সালে ঘটে এমন ঘটনা। বুকে তীব্র যন্ত্রণার পর অ্যাটাক হয়েছিল। ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আর কোনো দিনও সিগারেট ছোঁবেন না তিনি।

    হৃতিক রোশন: তিনি নিজে কৃষ হলে পৃথিবীর থেকে নির্মূল করতেন তামাক

    সিগারেট স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক-এমন সতর্ক বাণীর অর্থ বোঝার পর সিগারেট ছেড়েছিলেন হৃতিক রোশনও। ২০২০ সালে নিজেকে নন-স্মোকার হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন অভিনেতা। প্যান্ডেমিকের আবহে এমন ঘোষণা করে করোনার মতো সিগারেটকেও ‘ভাইরাস’-এর তকমা দিয়েছিলেন হৃতিক। 

    টুইট করে লিখেছিলেন, ‘আমি যদি সত্যি-সত্যি কৃষ হতাম, সবার প্রথমে সিগারেটকেই পৃথিবীর বুক থেকে নির্মূল করে দিতাম।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কার্তিকের সঙ্গে বিয়েটা কি হয়েই গেল শ্রীলীলার

    বিনোদন জগতের বলিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা কার্তিক ও অভিনেত্রী শ্রীলীলা বেশ কিছুদিন ধরেই প্রেমে বিতর্কের গুঞ্জন চলছে। যদিও নায়করা নিজের ব্যক্তিগত জীবন সবসময় আড়ালেই রাখতে চান। অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানও এর ব্যতিক্রম নন। 

    তবে একের পর এক বলিপাড়ার তারকা সন্তানদের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার। সাইফকন্যা সারা আলী খান থেকে জাহ্নবী কাপুর, অনন্যা পান্ডে— কে নেই সেই তালিকায়। এবার দক্ষিণী নায়িকা শ্রীলীলার প্রেমে নাকি হাবুডুবু খাচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন অভিনেতার বিপক্ষে। যদিও মুখে কুলুপ এঁটেছেন বলেছেন কার্তিক। এ আলোচনার মাঝেই আরেক ধাঁধায় দ্বিধা। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ছবি ধন্দ তৈরি করে দিয়েছে। ছবিগুলোতে ধরা পড়েছে দক্ষিণী অভিনেত্রী শ্রীলীলার গায়েহলুদের অনুষ্ঠান! সাধারণত যা বিয়ের আগে হয়। এমন কিছু ছবি দেখেই চোখ কপালে সবার। তোলপাড় নায়িকার লীলায়। নেটিজেনদের প্রশ্নের বন্যা— অভিনেতা কার্তিকের সঙ্গেই নায়িকার বিয়ে হচ্ছে তো?

    কার্তিক আরিয়ান-শ্রীলীলা কি সাতপাক ঘুরেই ফেললেন? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর হন্যে হয়ে খুঁজছেন দুই তারকার অনুরাগীরা। শ্রীলীলার ছড়িয়ে পড়া সব কটি ছবিতে দেখা গেছে, শ্রীলীলাকে হলুদ মাখানো হচ্ছে। নারী-পুরুষ উভয়ের হাত থেকেই হলুদ মাখছেন তিনি। মুখে সলজ্জ হাসি। নিজের সংস্কৃতি মেনে সেজেছেন অভিনেত্রী। পরনে পেলব নীল আর ঘিয়ে রঙের তৈরি শাড়ি। সঙ্গে হালকা গহনা আর চুলে ফুল। সব মিলিয়ে ঝলমল করছেন শ্রীলীলা। সামনে হলুদ, কুমকুম, পানপাতায় সাজানো একটি রেকাব। সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার কপালের লাল টিপ আর সিঁথির সিঁদুর। যেন এক দেবী রূপে অভিনেত্রী।

    অনুরাগ বসুর আগামী ছবিতে প্রথম জুটি বেঁধেছেন কার্তিক-শ্রীলীলা। প্রথম দিন থেকেই জুটির চাহিদা তুঙ্গে। তার ওপরে কার্তিকের মা হবু বউমার মধ্যে যা যা গুণ দেখতে চেয়েছেন, সবকটিই নায়িকার মধ্যে রয়েছে। কার্তিকের বাড়ির একাধিক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শ্রীলীলাকে। 

    ফলে গায়েহলুদের ছবি ছড়াতেই হুলস্থূল শুরু। নিন্দুকরা যদিও পাল্টা বলছেন— সবটাই নাকি নতুন ছবির প্রচারের স্বার্থে। না হলে ছবি শেষ হতে না হতেই বিয়েরপিঁড়িতে বসার মতো বোকামি করবেন না কার্তিক-শ্রীলীলা। 

    কিছু অনুরাগীর দাবি— শ্রীলীলার জন্মদিন উপলক্ষ্যে নাকি এই রীতি পালন করা হয়েছে। তবে ইন্টারনেট খুঁজলে জানা যায়, নায়িকার জন্মদিন ১৪ জুন।

    ছবিতে দেখানো রীতির সঙ্গে কেউ কেউ উত্তর ভারতীয় রীতির মিল খুঁজে পেয়েছেন। আবার প্রশ্ন উঠছে— যদি গায়েহলুদের অনুষ্ঠানই হয়, তবে সিঁথিতে সিঁদুর কেন? জন্মদিনের অনুষ্ঠানেই বা কেন সিঁদুর পরবেন নায়িকা? অনেক নেটিজেন মনে করিয়ে দিচ্ছেন— দক্ষিণী নারীর চুলে ফুলের সাজ আর অবিবাহিতদেরও কুমকুম বা সিঁদুর ব্যবহারের কথা। যদিও পুরো বিষয়টি ধোঁয়াশায় ঢাকা। একমাত্র কার্তিক কিংবা শ্রীলীলাই পারেন সঠিক জবাব দিতে। তারা কি কথা বলবেন? 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভালো চরিত্র না পাওয়ার আক্ষেপ স্নেহার

    মেগা সিরিয়ালে ভালো চরিত্র পাচ্ছেন না বলে এমন অভিযোগ করেছেন বিনোদন জগতের ছোট-বড় দুই পর্দাতেই সমান পারদর্শী অভিনেত্রী স্নেহা চট্টোপাধ্যায়। ধারাবাহিক সিরিজে চরিত্র পাচ্ছেন কিন্তু প্রত্যেক চরিত্রই বয়স্ক বলেও জানান তিনি। পর্দায় তার বড় বড় ছেলে। অথচ বাস্তবে অভিনেত্রীর ছেলের বয়স মাত্র চার বছর। এমন সব চরিত্রে কাজের প্রস্তাব পান স্নেহা। অভিনেত্রীর কি এতটাই বয়স হয়ে গেছে?

    ছোটপর্দায় অভিনয় প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গতকাল শুক্রবার (৩০ মে) একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে স্নেহা বলেন, জানি, বছর দুয়েক পরে মায়ের চরিত্রেই অভিনয় করতে হবে। কিন্তু তাই বলে এখনই? ছোট ছেলের মা হলেও কথা ছিল। অনেক বড় বড় ছেলের মায়ের চরিত্রে তাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের চরিত্রে এখনই কী করে অভিনয় করি?

    অভিনেত্রী বলেন, এ ব্যাপারে অবশ্য চ্যানেল কর্তৃপক্ষকেও দোষ দিতে পারি না। আমি রাজি না হলেও কাজের অভাবে অন্যান্য সহ-অভিনেত্রীরা এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হয়ে যাচ্ছেন। ফলে আমাকেও এ ধরনের চরিত্রের জন্য ডাকা হচ্ছে। কিন্তু আমি রাজি নই। এখনো আমার এই চরিত্রে অভিনয়ের বয়স হয়নি।

    আর সে কারণেই ‘কার কাছে কই মনের কথা’ ধারাবাহিকের পর স্নেহা আপাতত ছোটপর্দায় নেই। তার শেষ সিরিজ ‘লজ্জা ২’। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের ‘গৃহপ্রবেশ’ সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে স্নেহাকে। এর বাইরে আপাতত কাজ নেই অভিনেত্রীর হাতে। বাড়িতে ছেলের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। 

    অন্যরা অভিনয় করছেন, তিনি বাড়িতে— বিষয়টি একটু হলেও কি খারাপ লাগছে তার? এমন প্রশ্ন করতেই অভিনেত্রী বলেন, একটু হলেও খারাপ লাগে। কারণ আমার নিজস্ব খরচ আছে। ছেলে বড় হচ্ছে। তার জন্যও অর্থ সংস্থানের প্রয়োজন।

    বছরে দুটি সিনেমা আর একটি সিরিজে অভিনয় করলে কি সেই পরিমাণ অর্থ উপার্জন সম্ভব? স্নেহা বলেন, সম্ভব না। কারণ ধারাবাহিকের স্থায়িত্ব নিয়ে। তিনি বলেন, আগে কম করে এক বছর একটি ধারাবাহিক চলত। এখন মাত্র দুই মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে। 

    অভিনেত্রী বলেন, আগে ছোটপর্দায় অভিনয় অফিসের স্থায়ী চাকরির সমান গণ্য করা হতো। এখন সেই সুযোগও আর থাকছে না। কাজের অভাব এবং ভালো চরিত্রের অভাব— দুইয়ের সাঁড়াশি চাপে তার হাঁসফাঁস দশা। এদিকে ছোটপর্দায় অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে তিনি। 

    পর্দায় এত কম দেখা গেলে দর্শক স্নেহাকে ভুলে যাবেন না তো? এবার হেসে ফেলেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, দর্শকরা ভোলেন না। ‘সুবর্ণলতা’র কথা এখনো দর্শক মনে করেছেন, দেখা হলে বলেন। পরিচালক, প্রযোজক ও চ্যানেল কর্তৃপক্ষ না ভুললেই হলো। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যশ ও নুসরাতের আলাদা হয়েছে বাড়ি, তারা দিয়েছেন আড়ি

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও যশ দাশগুপ্তের মধ্যে কয়েক দিন ধরেই চলছে বিচ্ছেদ গুঞ্জন। গতকাল বুধবার (২৮ মে) সকাল থেকেই তারকা জুটির বিচ্ছেদ জল্পনায় সরগরম টালিপাড়া। এ দম্পতির সম্পর্কে নাকি দূরত্ব বেড়েই চলেছে। এ কৌতূহল নেটিজেনদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। 

    সে সম্পর্ক এখন মোড় নিয়েছে অন্যদিকে। টালিপাড়ার অন্দরের গুঞ্জন— তাদের বাড়িও নাকি আলাদা হয়েছে। তারা নাকি এখন আলাদা থাকছেন। মুম্বাইয়ে যশের পেছনে গুপ্তচর লাগিয়েছিলেন নুসরত জাহান? একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেই চলেছেন তারা। 

    এর আগে তাদের সম্পর্ক তৈরির সময়ও হয়েছিল বিপুল আলোচনা। তেমনই এখন যুগলের বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে সরগরম টালিপাড়া। নায়ক-নায়িকার ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকেই মিলেছিল আভাস। বড় ছেলেকে নিয়ে থাইল্যান্ড ঘুরতে যাওয়ার ছবি পোস্ট করেছিলেন যশ। অন্যদিকে নুসরত জাহান ঈশানকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গে। সেখান থেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করেছেন সবাই। 

    তারা একের পর এক ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ছবি পোস্ট করে যাচ্ছেন।আর একেকটা মন্তব্য ছুড়ে দিচ্ছেন। এরই মাঝে নতুন গুঞ্জন— গত ডিসেম্বর থেকে নাকি এক বাড়িতে থাকছেন না তারা। এ দম্পতি শুধু কাজের জন্য নাকি একসঙ্গে সময় কাটান। বাকি সময়টা তারা আলাদা থাকছেন।

    এদিকে অভিনেতার সাবেক স্ত্রী কেন্দ্র করেই নাকি যত সমস্যার সূত্রপাত। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে অশান্তি শুরু। যশ নাকি তার পুরোনো আবাসনেই ফিরে গেছেন। আর নুসরত থাকছেন তার পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে। কিছু দিন আগে এ প্রসঙ্গে অবশ্য যশ জানিয়েছিলেন সবটাই রটনা। কিন্তু তাদের ঘনিষ্ঠসূত্র বলছে, কোনো কিছুই রটনা নয়—সবই সত্যি। 

    যশ মুম্বাইয়ে থাকাকালীন তার পেছনে নাকি গুপ্তচরও লাগিয়েছিলেন নুসরাত। সেখান থেকেই সব সন্দেহের শুরু। আবার একসঙ্গে থাকার জন্য নায়িকা নাকি বেশ কিছু শর্তও দিয়েছেন। তা নাকি যশ মানতে নারাজ। কিন্তু আদৌ কি তারা আলাদা হয়েছেন নাকি এ সামান্যই মনোমালিন্য— সেই উত্তর অধরা।

     প্রসঙ্গত, এ বিষয়ে একটি গণমাধ্যমের তরফে অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত ও নুসরাত জাহানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের তরফে কোনো উত্তর মেলেনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নুসরাত-যশের নতুন পোস্টে জোরালো হলো বিচ্ছেদের গুঞ্জন

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও যশ দাশগুপ্তের মধ্যে কয়েক দিন ধরেই চলছে বিচ্ছেদ গুঞ্জন। এ দম্পতির সম্পর্কে নাকি দূরত্ব বেড়েই চলেছে। সত্যিই কি তারকা জুটির বিচ্ছেদ হতে চলেছে? এ কৌতূহল তাদের ভক্তদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। 

    সামাজিক মাধ্যমে একে-অপরের ছবিতে ‘লাইক’ দিলেও জল্পনার রেশ কিছুতেই থামছে না। এমন আবহেই নুসরাত জাহানের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেখা যাচ্ছে— একাধিক জীবনদর্শনমূলক স্ট্যাটাস। সেখানেই একটি পোস্টে রয়েছে— পরিস্থিতি অনুযায়ী মানুষের সিদ্ধান্তও বদলে যায়।

    গতকাল বুধবার (২৮ মে) সকাল থেকেই তারকা জুটির বিচ্ছেদ জল্পনায় সরগরম টালিপাড়া। ‘মোস্ট হ্যাপেনিং কাপল’ যশ ও নুসরাত নাকি একে-অপরকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করছেন না, নেটিজেনদের মাঝে সে রকমই জল্পনার সূত্রপাত। আবার সেই জল্পনা থেকেই  ঘৃতাহূতি দেয় তাদের আলাদা ঘুরতে যাওয়ার খবর। মা-বাবা, বোন এবং ছেলে ঈশানকে নিয়ে নুসরাত গিয়েছিলেন দার্জিলিং বেড়াতে। শৈলশহর থেকে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে জানান দিয়েছিলেন— তিনি সময়টা বেশ উপভোগ করছেন। 

    অন্যদিকে যশ দাশগুপ্ত তার প্রথমপক্ষের ছেলে রায়াংশকে নিয়ে গিয়েছিলেন থাইল্যান্ডে বেড়াতে। এমন আবহেই মাঝেমধ্যে অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করা একাধিক পোস্টে মন খারাপের আভাস। সেখানে কখনো মাতৃত্বের পাঠ দেওয়া পোস্ট শেয়ার করেন, আবার কখনোবা তার স্ট্যাটাসে থাকে জীবনের কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।

    গতকাল তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করা আধ্যাত্মিক ভিডিওতে ফুটে উঠেছে মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মনস্তত্ত্বিক পাঠ। যেখানে এক ধর্মগুরুকে বলতে শোনা যায়—মানুষও পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে। চায়ের কাপে মাছি পড়লে চা ফেলে দেয়। কিন্তু ঘিতে মাছি পড়লে তখন সিদ্ধান্ত বদলে যায়। তখন আর ঘি ফেলে দেয় না মানুষ, তার পরিবর্তে মাছিটাকেই উঠিয়ে ফেলে দেয়। 

    মুহুর্মুহু নুসরাতের এহেন জীবন দর্শনমূলক স্ট্যাটাসে নেটিজেনদের মাঝে শোরগোল পড়ে যায়। ভক্ত-অনুরাগীরা যখন ঝড় শান্ত হওয়ার অপেক্ষায়, তখন একাংশ প্রশ্ন তোলেন—তাহলে কি যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হতে চলেছে?

    এর কিছু দিন আগেও গীতার বাণী শেয়ার করেছিলেন অভিনেত্রী। যেখানে লেখাছিল— সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ। যার বাংলায় অর্থ দাঁড়ায় ঠিক এমন— সকল ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বরের কাছে আত্মসমর্পণ কর।  সেই পোস্টেই সংযোজন— যা কিছু তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেখানে সমপর্ণ কর। এটা জীবনে শান্তি আর স্বাধীনতা এনে দেয়। 

    যাবতীয় বিষয় ক্রমানুসারে রেখে দুয়ে দুয়ে চার করে নেটিজেনদের একটি একাংশের ধারণা— তারকা জুটির সম্পর্কে হয়তো ফাটল ধরেছে। তাদের রসায়ন আর আগের মতো নেই। আদৌ কি তাই? জল্পনা বাড়তেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে কথা বলেছেন যশ দাশগুপ্ত। 

    অভিনেতা সবটাই গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, ভুয়া খবর ঘুরছে। যশ বলেন, নুসরাত জাহানের সঙ্গে কোনো সমস্যাই হয়নি তার। ইনস্টাগ্রামে ‘আনফলো’ করার বিষয়টি নিয়ে যশ আরও বলেন, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই তার প্রোফাইল থেকে নুসরাতকে ফলো করা যাচ্ছে না। 

    রসিকতা করে অভিনেতা বলেন, কেন নুসরাতের অ্যাকাউন্ট ফলো করা যাচ্ছে না, সেটি জানতে হলে মার্ক জুকারবার্গকে জিজ্ঞেস করতে হবে। যদিও শোরগোল হওয়ার পর দুজনেই একে অপরের ঘুরতে যাওয়ার ছবিতে ‘লাইক’ করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্রীলেখার প্রতি রাগ নেই: প্রসেনজিৎ

    টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বুম্বাদা নামে পরিচিত জনপ্রিয় নায়ক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই বুম্বাদার বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একাধিক অভিযোগের সঙ্গে শ্রীলেখা বলেছিলেন— বুম্বাদাই সেই সময় ইন্ডাস্ট্রি চালাতেন, তার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি নায়িকার চরিত্র পাননি। 

    rnrn

    শ্রীলেখার অভিযোগ নিয়ে সেই সময় মুখ খুলতে চাননি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তবে এবার তিনি মুখ খুললেন। সম্প্রতি জি২৪ ঘণ্টাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নানান বিষয়ে কথা বলেছেন প্রসেনজিৎ। সেখানে উঠে এসেছে শ্রীলেখার অভিযোগের প্রসঙ্গও। 

    rnrn

    তিনি বলেন, 'শ্রীলেখার আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটা বোধহয় অভিমান!' বলেন, ‘ও অসম্ভব ভালো অভিনেত্রী, ওকে রেসপেক্ট করি, ও সেটি জানে। ও আমায় রেসপেক্ট করে, এটি হয়তো কোনো অভিমান থেকে বলেছে। আমার ওর প্রতি কোনো রাগ, দুঃখ নেই, ও শক্তিশালী অভিনেত্রী।’

    rnrn

    প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘১৪ বছর যখন ঋতু আর আমি একসঙ্গে কাজ করিনি, তখন রচনা আমার সঙ্গে ৩৫টা ছবি করেছে। অর্পিতাও সুপারহিট ছবি দিয়েছে, পরে ও অবশ্য নিজের সিদ্ধান্তেই সরে যায়। এ ছাড়া ইন্দ্রানী হালদার আমার সঙ্গে ২৫টা ছবি করেছে। তারও আগে শতাব্দী-আমিও হিট জুটি ছিল। আমার জীবনে কলকাতা বোম্বে মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন নায়িকা রয়েছেন।’

    বিনোদন ডেস্ক