Tag: টাইটানিক

  • ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায় ক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন জেমস ক্যামেরন

    প্রখ্যাত হলিউড পরিচালক তথা কালজয়ী সিনেমা টাইটানিকের স্রষ্টা জেমস ক্যামেরন ক্ষোভে-দুঃখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন। তিনি নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন।

    কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়া মেনে নিতে পারছেন না ‘টাইটানিক’, ‘অবতারের’ মতো চিরকালীন ছবির পরিচালক।

    নিউজিল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমে ৭০ বছর বয়সি ক্যামেরনকে সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন বলেন, ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে যা কিছু শালীন তার থেকে বিপরীতগামী হয়ে গিয়েছে।

    ট্রাম্পের দ্বিতীবার নির্বাচন নিয়ে তিনি কী রকম আতঙ্কে ছিলেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি এটা ভয়ংকর। আমি চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি, যা কিছু শালীন তার উলোটদিকে মোড় ঘুরছে। ঐতিহাসিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র যুগ যুগ ধরে যে আদর্শের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তার পক্ষে না থাকাটাও মার্কিন নাগরিকরা মেনে নিতে পারেন না। এটা পুরোটাই ফাঁপা একটি নীতি। আমি মনে করি, ওরা যত দ্রুত সম্ভব ওদের লাভের জন্য দেশটাকেও ফোঁকা করে দেবে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্প সম্পর্কে তার মন্তব্য, প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আমি ট্রাম্পের মুখ দেখতে চাই না। এটা বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে, কুৎসিত ব্যাপার। নিউজিল্যান্ডে এ রকমটা হয় না। খারাপ খবর ওরা অন্তত তৃতীয় পাতায় স্থান দেয়। আমি শুধু ওই লোকটার মুখ রোজ খবরের কাগজের প্রথম পাতায় দেখতে চাই না। এটাই অনিবার্য হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্রে। যেন মনে হচ্ছে চোখের সামনে সব সময় একটি গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে, এমন কিছু দেখে চলেছি।

    অবতার সিনেমার দুটি পর্ব ২০০৯ ও ২০২১ সালে মুক্তি পেয়েছে। তার এ সিনেমার তৃতীয় পর্বটি অবতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ এ বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে চলেছে।

    নতুন দেশের প্রশংসায় ক্যামেরন বলেন, আমি কানাডায় বড় হয়েছি। কানাডার সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের অনেক মিল রয়েছে। এখানে মানুষের প্রতি মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘টাইটানিক’ সিনেমার ক্যাপ্টেন স্মিথ আর নেই

    ‘টাইটানিক’ সিনেমার ক্যাপ্টেন স্মিথ আর নেই। হলিউডের তুমুল ব্যবসা সফল এ সিনেমার অভিনেতা ছিলেন ক্যাপ্টেন অ্যাডওয়ার্ড স্মিথ। বাস্তবে যার নাম বার্নার্ড হিল। তিনি পাড়ি জমিয়েছেন অনন্তলোকে। মৃত্যুর আগপর্যন্ত ‘টাইটানিক’ ও ‘লর্ড অব দ্য রিংস’- সিনেমার জন্যে বিশেষভাবে সুখ্যাতি ছিল এই অভিনেতার।

    রোববার ভোরে ৭৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার প্রতিনিধি লু কুলসন। তিনি জানান, অভিনেতা বার্নার্ড হিল রোববার ভোরে মারা গেছেন। যদিও মৃত্যুর কারণ জানাননি তিনি। মৃত্যুর সময় তার পাশে ছিলেন বাগদত্তা অ্যালিসন এবং ছেলে গ্যাব্রিয়েল। 

    বার্নার্ড হিলের মৃত্যুতে শোক জানাচ্ছে পুরো হলিউড। এক্স হ্যান্ডেলে স্কটিশ সংগীতশিল্পী বারবারা ডিকসন লিখেছেন- ‘তিনি অসাধারণ একজন অভিনেতা ছিলেন। তার সঙ্গে পথচলা সত্যিই অন্যরকম ছিল। শান্তিতে থাকুন বেনি।’ হিলের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন সহকর্মী থেকে ভক্তরা।

    অস্কারজয়ী সিনেমা টাইটানিক মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৭ সালে। সেখানে ক্যাপ্টেন অ্যাডওয়ার্ড স্মিথের চরিত্রটি দারুণভাবে ফুটয়ে তোলেন বার্নার্ড; যা এখনো মনে রেখেছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। শুধু তাই নয়, লর্ড অব দ্য রিংস–এ কিং থিওডেনের চরিত্রে অভিনয় করেও দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন বার্নার্ড হিল। পাশাপাশি ‘গান্ধী’, ‘শার্লি ভ্যালেন্টাইন’ এবং ‘দ্য স্করপিয়ন কিং’-এ অভিনয় করেও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন এই অভিনেতা।

    যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারের অধিবাসী বার্নার্ড। সবশেষ বিবিসি প্রযোজিত ‘দ্য রেসপন্ডার’ নামের একটি নাটকের মাধ্যমে টিভি পর্দায় ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। এমনকি কাকতালীয়ভাবে নাটকটির সম্প্রচার শুরু হয়েছে রোববার থেকেই। এতে বার্নার্ডের সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন খ্যাতনামা অভিনেতা মার্টিন ফ্রিম্যান।

    সূত্র: বিবিসি
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • টাইটানিকে রোজকে বাঁচানো সেই দরজা নিলামে, দাম কত?

    ১৯৯৭ সালে পরিচালক জেমস ক্যামেরন তৈরি করেছিলেন টাইটানিক সিনেমা। সেই সিনেমা নিয়ে মানুষের আগ্রহের যেন এখনো কমতি নেই। সিনেমার শেষের দিকে নায়ক রোজকে জাহাজের একটি ভাঙা দরজার ওপর রেখে নিজে বরফ শীতল পানিতে ভেসেছিলেন। সেই দরজা এবার উঠেছে নিলামে।

    rnrn

    মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে দরজাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকারও বেশি।

    rnrn

    মূলত ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় টাইটানিক সিনেমা। আটলান্টিক সাগরে দুর্ঘটনায় তলিয়ে যাওয়া সেই টাইটানিকে দেড় হাজারের বেশি যাত্রী ও ক্রু প্রাণ হারিয়েছিলেন।

    rnrn

    সিনেমায় কাল্পনিক চরিত্র রোজের ভূমিকায় অভিনয় করেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী কেট উইনসলেট। আর ট্র্যাজেডির শিকার নায়ক জ্যাকের ভূমিকায় ছিলেন হলিউড অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে দৃশ্য আজও অস্বস্তিতে ফেলে টাইটানিকের নায়িকাকে

    জনপ্রিয় সিনেমা ‘টাইটানিক’ এখনো বিশ্বের সব থেকে ব্যবসা সফল সিনেমার মধ্যে অন্যতম। বিশ্বব্যাপী এ সিনেমার চর্চা হয় এখনো চলে। হলিউডের এ সিনেমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দৃশ্য ছিল নায়িকা রোজের ছবি আঁকার দৃশ্য। ছবিটি আঁকেন নায়ক জ্যাক।

    এই দুই তারকার ভালোবাসার সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য এখনো ঝড় তোলে কোটি দর্শকের হৃদয়ে। বিশেষ করে সেই দৃশ্য, যেখানে নগ্ন অবস্থায় কাউচে শুয়ে আছেন রোজ, তার ছবি আঁকায় ব্যস্ত জ্যাক।

    ‘টাইটানিক’ মুক্তির পর এই দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় বিশ্বজুড়ে। পর্দায় কেট উইন্সলেটকে নগ্ন আবিষ্কারের পর ভক্তদের মধ্যেও নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

    আরও পড়ুন:

    কিন্তু অভিনেত্রীর মাঝে কেমন প্রতিক্রিয়া ছিল এই দৃশ্য নিয়ে? এ বিষয়ে আক্ষেপই শোনা যায় নায়িকা কেট উইন্সলেটের কাছ থেকে। তার কথায়, আমার মনে হয় পর্দায় সেই নগ্নতা আমার দেখানো উচিত হয়নি। আসলে আমার তখন বয়সও কম ছিল। ফলে অনেক কিছুই প্রমাণ করার ছিল।

    কেট জানান, একবার এক ভক্ত সিনেমার ওই দৃশ্যের একটি নগ্ন ছবি তার হাতে তুলে দিয়েছিল। এর পর সেই ছবিতে অটোগ্রাফ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

    সেই ঘটনার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, আমি ওই ছবিতে অটোগ্রাফ দিইনি। কারণ এ বিষয়টি আমাকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল। মানুষ এমনটা কেন করে? আমাকে বেশ কয়েকবার ওই ছবিতে অটোগ্রাফ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

    কেট উইন্সলেট বলেন, টাইটানিক সিনেমাটি আমি বারবার দেখতে চাইনি। অনেক বছর অতিক্রম হয়েছে। কিন্তু ওই দৃশ্যটি আজও আমাকে তাড়া করে বেড়ায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিলামে টাইটানিকের কেট উইন্সলেটের ওভারকোট

    ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে প্রথম যাত্রায়-ই ১৯১২ সালের ১৩ এপ্রিল ডুবে যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ টাইটানিক। মারা যায় অনেক মানুষ। এ ঘটনাকে ঘিরেই নির্মিত হয়েছে ছবি টাইটানিক। 

    বিশ্বখ্যাত ছবি টাইটানিকের নায়িকা কেট উইন্সলেটের পরা একটি ওভারকোট এবার নিলামে তোলা হয়েছে। এটি নিলামে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির একটি নিলাম প্রতিষ্ঠান। 

    প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও কেন গোল্ডিন জানিয়েছেন, এটির দাম একশো হাজার ডলার অতিক্রম করবে। 

    তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে শুক্রবার রাতে নিলাম শুরু হওয়ার পরই পাঁচজন এতে অংশ নিয়েছেন। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ৩৪ হাজার ডলার। 

    অনলাইনে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ নিলাম কার্যক্রম। এর মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশি দাম দিতে পারবেন, তিনিই কিনতে পারবেন ড্রেসটি। 

    ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া টাইটানিক ছবিতে জাহাজটি ডোবার সময় এ কোটটি পরেছিলেন নায়িকা উইন্সলেট। কোটটিতে গোলাপি রঙয়ের উলের ওপর কালো কারুকার্য করা।

    অনলাইন ডেস্ক

  • টাইটান দুর্ঘটনা নিয়ে যা বললেন টাইটানিক সিনেমার পরিচালক

    টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে উৎসুক পর্যটকদের নিয়ে পানির নিচে অভিযানে যাওয়া ডুবোযান টাইটানের দুর্ঘটনায় আরোহীদের মৃত্যু নিয়ে কথা বলেছেন বিখ্যাত টাইটানিক সিনেমার পরিচালক জেমস ক্যামেরন। 

    বিশ্ববিখ্যাত সিনেমাটির এ পরিচালক বলেছেন, যা কিছু হয়েছে তা আমি হাড়ে হাড়ে অনুভব করেছি। যখন ডুবোযানটির ইলেকট্রনিক্স, কমিউনিকেশন ব্যর্থ হয়েছে এবং একই সঙ্গে ট্র্যাকিং ট্রান্সপন্ডার ব্যর্থ হয়েছে, তখনই স্পষ্ট যে ডুবোযানটি আর নেই।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবর, টাইটানিক সিনেমা নির্মাণের কারণে বিষয়টি বোঝার জন্য মহাসাগরের তলদেশে ৩৩ বার গিয়ে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখে এসেছেন নির্মাতা ক্যামেরন।

    টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে আগ্রহী পাঁচ আরোহী নিখোঁজের খবর প্রকাশ্যে আসার সময়ই তাদের মৃত্যু হতে যাচ্ছে বলে নিজের ধারণার কথা জানিয়েছিলেন ক্যামেরন। তিনি বলেন, রোববার একটি নৌজাহাজে ছিলেন তিনি। টাইটান নিখোঁজ হওয়ার খবর সোমবারও জানতে পারেননি তিনি। তবে পরে যখন জানতে পারলেন— ডুবোযানটি যোগাযোগ ও নিজের গতিপথ হারিয়ে ফেলেছে, তখনই ধারণা করেছিলেন দুর্ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

    পরিচালক ক্যামেরন বলেন, দীর্ঘ দুঃস্বপ্নের মতো মনে হয়েছে। যেখানে মানুষ শুধুই ছোটাছুটি করছে এবং অক্সিজেন নিয়ে চিৎকার করছে। আমি জানতাম ডুবোযানটি চূড়ান্ত গভীরতা ও অবস্থানের নিচে ঠেকেছিল। ডুবোযানটি সেই জায়গায়ই পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার যখন রিমোট কন্ট্রোল ডুবোযান পাঠানো হলো, উদ্ধার অভিযানে নিযুক্তরা সম্ভবত কয়েক মিনিট কিংবা ঘণ্টার মধ্যেই সেটি পেয়ে গেল।

    সমুদ্রের তলদেশে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের পাশেই ডুবোযান টাইটানের ধ্বংসস্তূপ পাওয়া গেছে। চার দিন সমুদ্রের তলদেশে তল্লাশি অভিযানের পর বৃহস্পতিবার (২২ জুন) উদ্ধারকারীরা জানান— ডুবোযানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।

    বৃহস্পতিবার প্রথম টাইটানের মালিকানা প্রতিষ্ঠান ওশানগেট এক্সপেডিশন্স ডুবোযানে থাকা পাঁচ আরোহীর মৃত্যুর ঘোষণা দেয়। প্রথমে ডুবোযানটি বিস্ফোরণে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড।

    একই দিন দেশটির কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল জন মাগার বলেন, ডুবোযানের ধ্বংসস্তূপের পাওয়া চিত্র থেকে এটা স্পষ্ট বিপর্যয়কর বিস্ফোরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিক্যাপ্রিওকে দেখে সারার গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে 

    পৃথিবীর নানা প্রান্তের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে। সৌদি আরব, মিসর, লেবানন, প্যারিস… কিন্তু সবচেয়ে বড় সুযোগ, সেটা হলো লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও। সত্যিই ভাবা যায় না। দেখুন গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছে।

    ‘টাইটানিক’ নায়ক ডিক্যাপ্রিওর সঙ্গে দেখা হওয়ার বিশেষ অভিজ্ঞতার কথা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে এভাবেই বললেন বলিউড অভিনেত্রী সারা। তিনি বলেন, একমাত্র কান উৎসবের কারণেই সম্ভব হয়েছে তাকে সামনাসামনি দেখা এবং কথা বলা। তবে ডিক্যাপ্রিও তার অত্যন্ত পছন্দের হলেও হলিউডের রায়ান গসলিংয়ের সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগিতে বেশি আগ্রহী তিনি।

    এবার কানের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে ডিক্যাপ্রিওর ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমার প্রিমিয়ার হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ পরিচালক মার্টিন স্কোরসেসির ওই সিনেমায় ডিক্যাপ্রিওর সহঅভিনেতা ছিলেন রবার্ট ডি নিরো, জেসি প্লেমন্স, ট্যান্টু কার্ডিনাল, কারা জেড মায়ার্সসহ অনেকে।

    ওই শোয়ের পর দর্শকরা টানা ৯ মিনিট ধরে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। ২০১৭ সালে প্রকাশিত আমেরিকান কথাসাহিত্যিক ডেভিড গ্রানের জনপ্রিয় বই ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন: দ্য ওসেজ মার্ডারস অ্যান্ড দ্য বার্থ অব দ্য এফবিআই’ অবলম্বনে সিনেমাটি বানিয়েছেন স্কোরসেসি। 

    ফ্রান্সে কানের ৭৬তম আসর নিয়ে সারা বলেন, কেবল রেড কার্পেটে হাঁটা নয়। ওই উৎসবে ভারতের সংস্কৃতি, সিনেমা ও শিল্প নিয়ে আমার নিজস্ব মতামত তুলে ধরার সুযোগ এসেছে, যা আমি উপভোগ করেছি।

    আগামী ২ জুন মুক্তি পাচ্ছে ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’। সারা কানে তার সিনেমার প্রচার চালিয়েছেন। বলিউডের নির্মাতা জুটি শচীন-জিগরের পরিচালনায় এ সিনেমায় সারার নায়ক ভিকি কৌশল। 

    এছাড়া ক্রাইম থ্রিলার ‘মার্ডার মুবারক’-এ কারিশমা কাপুরের সঙ্গেও সারাকে পাওয়া যাবে।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবনের কঠিন সময়ের কথা বর্ণনা দিলেন ‘টাইটানিক’ অভিনেত্রী

    তারকাদের মাঝে মাঝেই দেখা যায় নিজের জীবনের কালো অধ্যায়গুলো সামনে আনতে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন ‘টাইটানিক’ খ্যাত তারকা কেট উইন্সলেট। সবার মতো এই অভিনেত্রীর জীবনেও আছে কালো অধ্যায়। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে তিনি জানান, একটা সময় সিনেমা থেকে সরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়েছিল তার। যে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য তার এমন খ্যাতি, তা একটা সময় ছেড়ে দেবেন এমন পরিস্থিতি ছিল তার জন্য ভীষণ কষ্টের। 

    ১৯৯৭ সালে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করা টাইটানিক সিনেমা মুক্তির পরই তার জীবন বদলে যেতে শুরু করে। পেয়ে যান তুমুল জনপ্রিয়তা। সেই সূত্র ধরে সে সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় নির্মাতা জিম থ্রিপলেটনের। সে পরিচয় থেকে পরিণয়, তার পর বিয়ে। কিন্তু এর পর অন্ধকার জীবনে পা দেন কেট উইন্সলেট।

    সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের সেই খারাপ সময় কখনও ভুলতে পারব না। জিম (সাবেক স্বামী) আমার জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল। আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব সবার কাছ থেকে আমাকে আলাদা করে দিয়েছিল সে।’ 

    তিনি আরও  বলেন, ‘সিনেমার কোনো কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব এলে জিম সেগুলো আমাকে করতে বারণ করত। সে কখনোই চাইতো না আমি বিখ্যাত হই। তার ভয়ঙ্কর ইগো সমস্য ছিল। স্ত্রী তার স্বামীর চাইতে বিখ্যাত হবে, তা কখনও মানতে চাইত না জিম।’ 

    তবে এমন অন্ধকারাচ্ছন্ন সম্পর্ক অবশ্য খুব বেশিদিন টেনে নেননি কেট উইন্সলেট। ২০০১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ক্যারিয়ার বাঁচাতে বিচ্ছেদের মতো কঠিন পথে হাঁটতে দ্বিতীয়বার ভাবেননি উইন্সলেট। এর পর ২০০৩ সালে পরিচালক স্যাম মেন্ডেজের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন কেট। ২০১০ সালে কেট-মেন্ডেজ সম্পর্কেরও ইতি ঘটে। তারপর বর্তমান স্বামী নেড রকনরোলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েন কেট উইন্সলেট। ২০১২ সালে বিয়ে করা কেটের এটি তৃতীয় বিয়ে হলেও নেডের দ্বিতীয় বিয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২৫ বছর পূর্তিতে ত্রিমাত্রিকে টাইটানিক

    ২০২৩ সালের শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে ‘অ্যাভাটার টু’। সেই জোয়ার শেষ না হতেই ‘টাইটানিক’ এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে, থিয়েটারে আবারও ঐতিহাসিক সিনেমাটি ফিরিয়ে আনছেন জেমস ক্যামেরন। টাইটানিকের দুর্দান্ত ভিজ্যুয়াল দেখানোর জন্য এবার সিনেমাটিকে ত্রিমাত্রিকে নিয়ে গেছেন তিনি।

    rnrn

    শুক্রবার ফোরকে ভার্সনে থ্রিডিতে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।

    rnrn

    ‘টাইটানিক’ মুক্তির ২৫ বছর! তবে, আজও তরুণদের হৃদয়ে থাকা কেট উইন্সলেট ও লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও মোটেও বুড়ো হননি। মানসপটে থেকে গেছেন আরও একজন, সিনেমাটির পরিচালক জেমস ক্যামেরুন।

    rnrn

    ১৯৯৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। মুক্তির পরপরই বিশ্বজুড়ে যা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। স্তুতিবাক্যে ভাসেন নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীরা। অস্কার আসরে সেরা সিনেমা হিসেবে পুরস্কৃত হওয়ার পাশাপাশি ‘বিলিয়ন ডলার আয়’ করা প্রথম সিনেমার রেকর্ড গড়ে ‘টাইটানিক’। তবে জানেন কি, বিশ্বজুড়ে জেমস ক্যামেরনই একমাত্র পরিচালক যার দুই বিলিয়ন অতিক্রম করা দুইটি সিনেমাই একসাথে সিনেমা হলে চলছে এখনও!

    rnrn

    এ সিনেমার মাধ্যমে পর্দায় রোমান্টিক জুটি হিসাবে ভক্তদের মনে ঝড় তুলেছিলেন ডিক্যাপ্রিও ও কেট উইন্সলেট। সবচেয়ে বড় চমক জাগানিয়া তথ্য হলো, রোজের ভূমিকায় দুর্দান্ত অভিনয় করা কেটকে এ চরিত্রে নিতে প্রথমে একদমই রাজি ছিলেন না পরিচালক জেমস ক্যামেরন! কাস্ট করেছিলেন গুইনেথ প্যালট্রোকে। এদিকে, ডিক্যাপ্রিও কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে চাননি তখন। তিনি ভেবেছিলেন, সিনেমাটি খুবই বিরক্তিকর হবে।

    rnrn

    টাইটানিকই বিশ্বের প্রথম সিনেমা যার প্রযোজনা, পরিচালনা, লেখা, এডিটিং সবটাই করেছেন মাত্র একজন। জেমস ক্যামেরন। সিনেমায় যে আমরা মহাসাগরের বুকে বিশাল জাহাজটি ভাসতে দেখি, সেটির বেশিরভাগের শুটিংই হয়েছিল একটি কৃত্রিম পুলে। পানিতে পড়া মানুষদের কাঁপতে থাকার দৃশ্যগুলো আসলে নেয়া হয়েছিল মেক্সিকোর ৮০ ডিগ্রি উত্তাপের ভেতরে।

    rnrn

    অন্যদিকে, গোধূলিবেলার আলোয় জ্যাক আর রোজের সেই বিখ্যাত রোমান্টিক দৃশ্য আদতে গোধূলিতে ছিল না। পুরোটাই ছিল কম্পিউটারের কারসাজি। সিনেমাটি সমুদ্রপথে ১৯১২ সালে বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ দুর্ঘটনার গল্প বলেই সিনেমায় ওই দুর্ঘটনার পাশাপাশি ফুটে ওঠে রোজ-জ্যাকের মহাকাব্যিক প্রেমের আখ্যান। যা দর্শকদের ‘রোমিও-জুলিয়েটের’ কথা মনে করিয়ে দেয়। শেষ দৃশ্যে সমুদ্রে তলিয়ে যায় জ্যাক, আর ভাসমান কাঠের টুকরো আঁকড়ে বেঁচে থাকে রোজ। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, কেনো দুজনকেই বাঁচিয়ে রাখলেন না পরিচালক।

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা জেমস ক্যামেরন বলেন, একজন হাইপোথার্মিয়া বিশেষজ্ঞকে সাথে নিয়ে একই রকম আরেকটি দরজা তৈরি করেছিলাম। এছাড়া কেট ও লিওনার্দোর সমান ওজনের দুজন স্ট্যান্টম্যানকে নিয়ে অনেকভাবে পরীক্ষা করেও দেখেছি। বরফ পানিতে রেখেও দেখেছি, কোনোভাবেই দুজনের বেঁচে থাকা সম্ভব ছিল না। শুধু একজনই বেঁচে থাকতে পারতো ওই অবস্থায়।

    rnrn

    ১৯৯৫ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের তলায় গিয়ে আসল টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন ক্যামেরন। পরে সেই ভিডিও সিনেমায় ব্যবহার করা হয়। এটি করতে ক্যামেরনকে মোট ১২ বার সাগরের নিচে যেতে হয়েছিলো। কখনো কখনো সেখানে একটানা ১৫-১৮ ঘণ্টাও থেকেছেন তিনি। টাইটানিক সিনেমাটি বানাতে খরচ হয়েছিল মূল টাইটানিক জাহাজ তৈরির খরচের দ্বিগুণ। এছাড়া সিনেমায় পানিতে তলিয়ে যাওয়ার শেষ মুহুর্তের দৃশ্যগুলো নেয়া হয়েছিল মাত্র এক শটে। শোনা যায়, আসল দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের কয়েকজন নাকি অভিনয়ও করেছিলেন এ সিনেমায়।

    rnrn

    বিশ্বের বিনোদনপ্রেমীদের কাছে ‘টাইটানিক’ শুধু একটি সিনেমাই নয়। একটি আবেগ-অনুভূতির নাম। ক্ল্যাসিক একটি সিনেমাকে প্রায় আড়াই দশক আগে কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেভাবে পর্দায় তুলে ধরেছিলেন ক্যামেরন, নিঃসন্দেহে সেটি ছিল দুরূহ ও সাহসী পদক্ষেপ। ২৫ বছর পরও যার আবেদন কমেনি একটুও।

    বিনোদন ডেস্ক