Tag: জেমস ক্যামেরন

  • ‘অ্যাভাটার’ নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর মামলা

    বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘অ্যাভাটার’-এর জনপ্রিয় চরিত্র ‘নেইতিরি’র নকশায় নিজের মুখাবয়ব অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী কোরিয়ানকা কিলচার। 

    এই অভিযোগে পরিচালক জেমস ক্যামেরন এবং প্রযোজনা সংস্থা ডিজনির বিরুদ্ধে ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে তিনি একটি মামলা দায়ের করেছেন। 

    মঙ্গলবার (৫ মে) দায়ের করা অভিযোগে কিলচার দাবি করেছেন, ক্যামেরন তার অনন্য বায়োমেট্রিক এবং মুখাবয়বের বৈশিষ্ট্যগুলো অনুমতি ছাড়াই ‘নিষ্কাশন এবং প্রতিলিপি’ করেছেন এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছেন। 

    কিলচারের আইনজীবী আর্নল্ড পিটার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ক্যামেরন যা করেছেন তা কোনো অনুপ্রেরণা নয়, এটি ছিল ‘এক্সট্রাকশন’ বা নিংড়ে নেওয়া। তিনি একজন ১৪ বছর বয়সী আদিবাসী কিশোরীর অনন্য মুখাবয়ব নিয়ে সেটিকে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন প্রসেসের মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারে রূপান্তরিত করেছেন, কিন্তু একবারও তার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।’ 

    মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জেমস ক্যামেরন নিজেই একসময় স্বীকার করেছিলেন তিনি ‘দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড’ (২০০৫) ছবিতে কোরিয়ানা কিলচারের একটি ছবিকে ‘নেইতিরি’ চরিত্রের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। কোরিয়ানা পেরুভীয় আদিবাসী বংশোদ্ভূত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিযোগে বলা হয়েছে, একদিকে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি আদিবাসীদের সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে মুনাফা লুটছে, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে একজন বাস্তব আদিবাসী কিশোরীর সত্তাকে নিঃশব্দে শোষণ করা হয়েছে। 

    উল্লেখ্য, অ্যাভাটার (২০০৯) সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা (প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার)। এর তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ গত বছরের শেষের দিকে মুক্তি পায়, যা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।

    যদিও পর্দায় নেইতিরি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জো সালদানা, কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী এর ডিজিটাল রেন্ডারিং করা হয়েছে কিলচারের আদলে।

    কে এই কোরিয়ানকা কিলচার? 

    মাত্র ১৪ বছর বয়সে টেরেন্স ম্যালিকের ‘দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড’-এ পোকাহন্টাস চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিষেক ঘটে তার। এছাড়াও তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘ইয়েলোস্টোন’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। 

    কোরিয়ানকা ক্যালিফোর্নিয়ার ‘রাইট অব পাবলিসিটি’ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অনির্দিষ্ট অংকের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। অন্যদিকে ডিজনির পক্ষ থেকে বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত এই মামলার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুক্তির ১৭ দিনে এক বিলিয়ন ডলার আয় করল ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

    জেমস ক্যামেরনের জাদুর কাঠি যেন আবারও কাজ করল। মুক্তির মাত্র ১৭ দিনের মাথায় বিশ্বজুড়ে এক বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ (Avatar: Fire and Ash)। ২০২৬ সালের শুরুতেই হলিউড বক্স অফিসে এটি এক বিশাল ধামাকা সৃষ্টি করল।

    রেকর্ড গড়ার নতুন ইতিহাস

    চলচ্চিত্র বিষয়ক ট্র্যাকিং সাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পর্যন্ত সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.০৮ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই অর্জনের মাধ্যমে পরিচালক জেমস ক্যামেরন এক অনন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। তিনি বিশ্বের প্রথম পরিচালক যার পরিচালিত চারটি ভিন্ন সিনেমা (টাইটানিক, অ্যাভাটার ১, অ্যাভাটার ২ এবং অ্যাভাটার ৩) বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করার গৌরব অর্জন করেছে।

    কেন আলোচনায় এই সিনেমা?

    প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন এক রূপ এবং সেখানে বসবাসকারী ‘অ্যাশ পিপল’ বা ছাই মানুষের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এই ছবি। আগের দুই কিস্তির তুলনায় এটি আরও বেশি অন্ধকার ও রহস্যময় হওয়ায় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চীন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ভারতে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বক্স অফিসে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলা

    টানা তিন সপ্তাহ ধরে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে এক নাম্বার অবস্থান দখল করে আছে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। ডাউট ইটিং বা বড় কোনো প্রতিযোগিতামূলক সিনেমা না থাকায় ২০২৬ সালের শুরুটা পুরোপুরি নিজের করে নিয়েছে অ্যাভাটার। ডিজনি এবং টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি স্টুডিওস জানিয়েছে, আইম্যাক্স (IMAX) এবং থ্রিডি স্ক্রিনগুলো থেকে আয়ের বড় একটি অংশ আসছে।

    সূত্র: দ্য হলিউড নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • আগুনের বলয়ে জ্যাক ও নেইতিরি

    জেমস ক্যামেরন, হলিউডে মহাকাব্যিক অধ্যায় তৈরির কারিগর। আজ থেকে ২৮ বছর আগে ‘টাইটানিক’ দিয়ে যিনি হলিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে যে মহাকাব্য রচনা করেছেন, সেটা এখনও নিজেই টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। তার আরেক মহকাব্যিক সিনেমার নাম ‘অ্যাভাটার’। কল্পবিজ্ঞানের যে দ্যুতি, সেটা তিনি প্রমান করেছেন এ সিনেমা দিয়ে। 

    ইতোমধ্যে এ ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। দর্শক ভক্তরা অপেক্ষায় আছে তৃতীয় কিস্তির। এবার সেই সময়ও প্রায় আসন্ন। বলা যায়, জেমস ক্যামেরনের মহাকাব্যিক অ্যাভাটার কাহিনীর পরবর্তী অধ্যায় প্রায় এসে গেছে! 

    ‘অ্যাভাটার-থ্রি : ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ নামে নতুন এই কিস্তি দর্শকদের প্যান্ডোরার রহস্যময় জগতের আরও গভীরে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। মনোমুগ্ধকর নতুন ল্যান্ডস্কেপ, সংস্কৃতি এবং প্রাণীর সঙ্গে সমৃদ্ধ, প্রাণবন্ত মহাবিশ্বকে প্রসারিত করে। নতুন কিস্তিতে দেখা যাবে, ‘অ্যাভাটার’ ও ‘দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’র নিজেদের সাফল্যের পর, জেক সালি (স্যাম ওয়ার্থিংটন) এবং নেটিরি (জো সালদানা) তাদের পরিবার এবং তাদের বাড়ি বলে ডাকা গ্রহকে রক্ষা করার জন্য তাদের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। 

    জানা গেছে, প্রত্যাশিত এই সিক্যুয়েলে পরিচিত জঙ্গল এবং সমুদ্রের ওপারে যাত্রা করে প্যান্ডোরার অজানা অঞ্চলগুলোও দর্শকরা খুঁজে পাবেন। আগেরবার অ্যাডভেঞ্চারটি দর্শকদের সমুদ্রের গভীরে নিয়ে নতুন উপজাতি এবং প্রজাতি আবিষ্কার করে, সেইসাথে ঢেউয়ের নীচে লুকিয়ে থাকা লুকানো বিপদগুলোও আবিষ্কার করে। কিন্তু এবার সালি পরিবার আরও বড় হুমকির মুখোমুখি। পুরানো শত্রুদের সঙ্গে এবার যোগ দিয়েছে নতুন শত্রু, যারা প্যান্ডোরার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। যা জ্যাক-নেইতিরির পরিবার তো বটে, প্যান্ডোরায় বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য এবং এর জনগণের বেঁচে থাকার জন্য হুমকিস্বরূপ।

    একইসঙ্গে এবার দেখা যাবে, জ্যাক এবং নেইতিরির সন্তানরা বড় হওয়ার পাশাপাশি তারা তাদের গ্রহ রক্ষায় আরও দায়িত্ব নেবে এবং অপ্রত্যাশিত চরিত্রগুলোর সঙ্গে নতুন জোট তৈরি করবে। কিন্তু মানুষ এবং নাভি উভয় পক্ষ থেকেই যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে বা হবে, প্যান্ডোরার বাসিন্দারা কি ভবিষ্যদের জন্য তাদের বাড়ি রক্ষা করতে পারবে, নাকি তারা অতীতের ভুলগুলো পুনরাবৃত্তি করার জন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে- এমন প্রশ্ন থেকেই যায়। 

    আর সেটার উত্তর কেবল একজনই দিতে পারবেন, তিনি জেমস ক্যামেরন। ফ্র্যাঞ্চাইটি কী তিনি আরও টেনে নেবেন, নাকি এখানেই ইতি টানবেন, সেটা কেবল নির্মাতাই বলতে পারেন। তবে সময়ের সেরা ভিজ্যুয়াল এফেক্টের সাহায্যে ‘অ্যাভাটার-৩’ আবারও সিনেমার সীমানা অতিক্রম করতে প্রস্তুত, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ নামেই বোঝা যায়, এবার আগুনের ঝলক বেশি থাকবে। 

    টিজার ও ট্রেলারে যতটুকু দেখা গেছে, একটি আগ্নেয়গিরি অঞ্চল অন্বেষণ করার সময় প্যানডোরা গ্রহের অদম্য সদস্য, আগ্নেয়গিরি অঞ্চলে বসবাসরত অদেখা নাভি এবং মানব আক্রমণকারীদের মধ্যে গভীর সংঘাত হবে। ঘটনা যাই ঘটুক। ‘অ্যাভাটার ৩: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ প্রযুক্তি এবং গল্প বলার সীমানা অতিক্রম করে ভক্তদের প্যান্ডোরা কাহিনীর একটি রোমাঞ্চকর জগতে নিয়ে যাবে, এটা নিশ্চিত। জেমস ক্যামেরন পরিচালিত এ সিনেমার বাজেট ৪০০ মিলিয়ন ডলার বলে জানা গেছে। এটি চলতি বছরের ১৯ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে।

    শাহনাজ হেনা

  • দেখা মিলল ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ এর ট্রেলারের, কী বললেন ক্যামেরন?

    জেমস ক্যামেরনের পরিচালনায় তৈরি হচ্ছে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। এটি অ্যাভাটার সিরিজের তৃতীয় ছবি। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত সিনেমাকন-এ প্রথম ট্রেলার দেখানো হয়। এই ট্রেলার এখনো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়নি।  

    আগের দুই কিস্তির মতো এবার দেরি হয়নি। ক্যামেরন আগেই সব সিক্যুয়েল একসাথে শ্যুট করে রেখেছেন। তাই সময়মতো মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি।  

    সিনেমাকন-এ দর্শকদের ৩ডি ট্রেলারে দেখানো হয় প্যান্ডোরার মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি। সেখানে দেখা যায় দুটি নতুন না’ভি উপজাতি—‘উইন্ড ট্রেডার’ ও ‘ফায়ার পিপল’। আকাশে ভেসে বেড়ায় উইন্ড ট্রেডাররা। তারা থাকে বেলুনের মতো উড়ন্ত যানবাহনে। অন্যদিকে, আগুনের তীর নিয়ে আক্রমণ চালায় ফায়ার পিপল। তারা উড়ে আসে ইক্রান নামের প্রাণীতে চড়ে। মাঝ আকাশে দুই দলের সংঘর্ষে প্রাণ হারায় এক না’ভি যোদ্ধা।  

    জেমস ক্যামেরন নিজে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও একটি ভিডিও বার্তা পাঠান। তিনি এখন নিউজিল্যান্ডে ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তিনি বলেন—‘(জ্যাক) সুলিরা এবার চরম পরীক্ষার মুখে। হিউম্যানদের পাশাপাশি তাদের লড়তে হবে অ্যাশ পিপলের মতো ভয়ংকর শত্রুর সঙ্গে, যারা আমাদের মধ্য থেকেই উঠে এসেছে। ইচ্ছে ছিল সেখানে থাকতে, কিন্তু এখন ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ শেষ করাটাই সবচেয়ে জরুরি।’  

    তিনি আশা প্রকাশ করেন এই ছবি হলে ফের দর্শক টানবে। কারণ মহামারির পর সিনেমা হলগুলো নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে চায়। 

    ২০০৯ সালের প্রথম অ্যাভাটার ও ২০২২ সালের ‘দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’—দু’টিই ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এবারও সে সাফল্য ধরে রাখতে চায় ক্যামেরনের দল।  

    যদি ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ও সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়, তাহলে এটি হবে ইতিহাসের প্রথম সিরিজ যার তিনটি ছবি ২ বিলিয়নের ক্লাবে থাকবে।  

    এই মুহূর্তে একমাত্র জেমস ক্যামেরনই এমন কীর্তি গড়েছেন—‘টাইটানিক’, ‘অ্যাভাটার’, এবং ‘দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’ দিয়ে।  

    ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তি পাবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর। এরপর ‘অ্যাভাটার ৪’ আসবে ২০২৯ সালের ২১ ডিসেম্বর। আর পঞ্চম ছবি আসবে ২০৩১ সালের ১৯ ডিসেম্বর।  

    ডিজনিও এই অনুষ্ঠানে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ঝলক দেখিয়েছে। এর মধ্যে আছে মার্ভেলের ‘থান্ডারবল্টস’, ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’, ‘জুটোপিয়া ২’, ‘ফ্রিকিয়ার ফ্রাইডে’, ‘ট্রন: এরিস’ ও ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এর লাইভ অ্যাকশন রিমেক। ডিজনির এক কর্তা বলেন—‘আমাদের ছবি দীর্ঘদিন হলে চলে, এটি কাকতালীয় নয়। আমরা হল-ভিত্তিক অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায় ক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন জেমস ক্যামেরন

    প্রখ্যাত হলিউড পরিচালক তথা কালজয়ী সিনেমা টাইটানিকের স্রষ্টা জেমস ক্যামেরন ক্ষোভে-দুঃখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন। তিনি নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন।

    কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়া মেনে নিতে পারছেন না ‘টাইটানিক’, ‘অবতারের’ মতো চিরকালীন ছবির পরিচালক।

    নিউজিল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমে ৭০ বছর বয়সি ক্যামেরনকে সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন বলেন, ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে যা কিছু শালীন তার থেকে বিপরীতগামী হয়ে গিয়েছে।

    ট্রাম্পের দ্বিতীবার নির্বাচন নিয়ে তিনি কী রকম আতঙ্কে ছিলেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি এটা ভয়ংকর। আমি চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি, যা কিছু শালীন তার উলোটদিকে মোড় ঘুরছে। ঐতিহাসিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র যুগ যুগ ধরে যে আদর্শের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তার পক্ষে না থাকাটাও মার্কিন নাগরিকরা মেনে নিতে পারেন না। এটা পুরোটাই ফাঁপা একটি নীতি। আমি মনে করি, ওরা যত দ্রুত সম্ভব ওদের লাভের জন্য দেশটাকেও ফোঁকা করে দেবে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্প সম্পর্কে তার মন্তব্য, প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আমি ট্রাম্পের মুখ দেখতে চাই না। এটা বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে, কুৎসিত ব্যাপার। নিউজিল্যান্ডে এ রকমটা হয় না। খারাপ খবর ওরা অন্তত তৃতীয় পাতায় স্থান দেয়। আমি শুধু ওই লোকটার মুখ রোজ খবরের কাগজের প্রথম পাতায় দেখতে চাই না। এটাই অনিবার্য হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্রে। যেন মনে হচ্ছে চোখের সামনে সব সময় একটি গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে, এমন কিছু দেখে চলেছি।

    অবতার সিনেমার দুটি পর্ব ২০০৯ ও ২০২১ সালে মুক্তি পেয়েছে। তার এ সিনেমার তৃতীয় পর্বটি অবতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ এ বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে চলেছে।

    নতুন দেশের প্রশংসায় ক্যামেরন বলেন, আমি কানাডায় বড় হয়েছি। কানাডার সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের অনেক মিল রয়েছে। এখানে মানুষের প্রতি মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক