Tag: জাহ্নবী কাপুর

  • উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ক্যামেরাবন্দির শিকার অভিনেত্রীরা: জাহ্নবী কাপুর

    বিনোদন জগতের বর্তমান সময়ে তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও শরীরের নির্দিষ্ট একটি অংশকে ফোকাস করে ছবি তোলার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ নিয়ে ফটোগ্রাফার কিংবা পাপারাজ্জিদের একাংশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিনেত্রীদের স্পর্শকাতর দিকগুলোকে ক্যামেরাবন্দি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমে হরহামেশাই দেখা যাচ্ছে এমন ভিডিও। 

    বলিউডের অনেক অভিনেত্রী ঠিক এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ক্যামেরাবন্দির শিকার হচ্ছেন। তা ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক মাধ্যমে। এমন ভিডিও নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে আলোচনা। এবার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরব হলেন বলি অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সম্প্রতি এক পডকাস্টে সম্মতি ছাড়া নারীকে অশ্লীলভাবে উপস্থাপন নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী। এ সময় পাপারাজ্জিদের কর্মকাণ্ড নিয়েও নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। 

    বিভিন্ন অভিনেত্রীর মতো জাহ্নবী কাপুরকেও ‘আবেদনময়ী’ হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি আলোকচিত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তাদের বুঝিয়েছেন— নারীদের ছবি তোলার ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত। এ কথাগুলো আলোকচিত্রীদের শোনানোর পর তারা বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জাহ্নবী কাপুর বলেন, আমি তাদের বলেছি— এটি আমাদের জন্য যেমন খারাপ, ঠিক তেমনি অস্বস্তিকর। এটি আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাও লঙ্ঘন করে। এতে আমাদের কোনো সমর্থন নেই। তিনি বলেন, আমরা যখন কোনো বিশেষ পোশাক পরে বাইরে বের হই, তখন আমরা কখনোই ভাবি না যে, কেউ একজন আমাদের দিকে ক্যামেরা তাক করে নির্দিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর জুম করবে।

    অভিনেত্রী বলেন, ‘এর চেয়েও বড় কথা— এটি আপনাদেরও খারাপভাবে উপস্থাপন করে। আপনারা নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার শরীরকে পণ্য বানাচ্ছেন। আর এভাবে নিজেদের সম্মান কীভাবে ধরে রাখছেন? শুধু টাকা আর ভিউয়ের জন্য আপনারা একটি নির্দিষ্ট অঙ্গের ওপর জুম করছেন, এটি মোটেও ঠিক নয়।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের অন্ধকার অধ্যায়ের কথা জানালেন জাহ্নবী কাপুর

    বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর ব্যক্তিগত জীবনে এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছেন। অথচ পর্দায় সবসময়ই তার উপস্থিতি থাকে গ্ল্যামারাস। তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে একটা সময় তিনিও মানসিক অবসাদ এবং মদপানের মতো সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছেন। 

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের জীবনের সেই অন্ধকার অধ্যায়ের কথা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। কোভিড লকডাউনের সময় জীবনের এক ট্রমাটিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে তিনি ঘনঘন মদপান শুরু করেছিলেন। মদপানের প্রতি আসক্ত ছিলেন তিনি।

    জাহ্নবী বলেন, তিনি সাধারণত খুব একটা মদপান করেন না। কিন্তু লকডাউনের সময় এক বছর এমন একটি পর্যায় এসেছিল, যখন তিনি প্রায় প্রতিদিনই মদপান করতেন। তিনি বলেন, আমি বলব না যে, আমি অ্যালকোহলে আসক্ত ছিলাম। তবে আমি নেশা করার প্রয়োজন অনুভব করতাম। আমার মনে হতো, আমার মাতাল হওয়া দরকার। জীবনের একটি ব্যক্তিগত বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতেই তিনি মদের গ্লাসে সান্ত্বনা খুঁজতেন।

    তবে খুব দ্রুতই নিজের ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী। মদপানের ফলে তার শরীরে নানা পরিবর্তন আসে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে অস্বস্তি হতো, তা তিনি ঘৃণা করতে শুরু করেন। এমনকি তার শরীরের গন্ধও বদলে গিয়েছিল বলে জানান জাহ্নবী কাপুর। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমার শরীরের গন্ধে আমি এমন একজনের আভাস পেতাম, যাকে আমি ভালোবাসতাম এবং যে নিজেও মদপানের নেশায় আসক্ত ছিল। সেই গন্ধটাই আমার কাছে একটা সিগন্যাল ছিল যে, দিনটা ভালো যাবে না।

    জাহ্নবী কাপুর বলেন, সেই চরম বাস্তবতা থেকেই নিজেকে বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এরপর টানা দেড় বছর তিনি মদের গ্লাস ছুঁয়েও দেখেননি। বর্তমানে তিনি মদপানের নেশা থেকে মুক্তির বিষয়ে সচেতনতা প্রচার করছেন। একটি মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। নেশার কবলে না পড়ে নিজের শরীরের কথা শোনা উচিত বলে জানান অভিনেত্রী।

    জাহ্নবীর অকপট স্বীকারোক্তি ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে। গ্ল্যামার জগতের বাইরেও যে তারকাদের লড়তে হয়, জাহ্নবীর কাপুরের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাই তারই প্রমাণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়ের জীবনের কঠিন সময় প্রসঙ্গে জানালেন জাহ্নবী

    বলিউডের আলো ঝলমলে দুনিয়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কঠিন বাস্তবতা নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি তার জীবনের সংগ্রাম, বিশেষ করে মা শ্রীদেবীকে ঘিরে মানুষের কঠোর সমালোচনা ও আচরণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

    জাহ্নবীর কথায়, শ্রীদেবী জীবিত অবস্থায় বহুবার সমালোচনা ও অপমানের মুখে পড়েছেন। অনেকেই তাকে ‘ঘরভাঙানী’ বলে আখ্যা দিতেন, যা ধীরে ধীরে তার মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলেছিল। তিনি মনে করেন, মানুষ সাধারণত কাউকে হারানোর পরই তার ভালো দিকগুলো নিয়ে কথা বলে, কিন্তু জীবিত অবস্থায় তার কষ্টগুলোকে গুরুত্ব দেয় না।

    তিনি আরও জানান, ছোটবেলা থেকে মায়ের ওপরই তার সম্পূর্ণ নির্ভরতা ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে তার প্রথম ছবি ‘ধড়ক’ মুক্তির আগেই মায়ের মৃত্যু তাকে হঠাৎ করেই পরিণত করে তোলে। জীবনের সেই সময়টি ছিল তার জন্য অত্যন্ত কঠিন—একদিকে শোক, অন্যদিকে নিজের জীবন সামলানোর দায়িত্ব।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জাহ্নবী স্বীকার করেন, মায়ের মৃত্যুর পর জীবনের কিছু ক্ষেত্রে তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং কিছু মানুষকে বিশ্বাস করেছিলেন, যা পরবর্তীতে তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেকে সামলে নিতেও সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, শ্রীদেবীর মৃত্যু শুধু মাকে হারানোর বেদনা নয়, পরিবারের সম্পর্কের ভেতরেও বড় পরিবর্তন এনে দেয়। মায়ের অনুপস্থিতিতে বাবার যে চেনা রূপ ছিল, সেটিও যেন হারিয়ে যায়।

    মাকে স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে জাহ্নবী বলেন, মায়ের রসবোধ, পরিবারের প্রতি তার যত্ন ও ভালোবাসা আজও ভীষণভাবে অনুভব করেন। সুযোগ পেলে তিনি মাকে একটাই কথা বলতে চাইতেন—তার জীবনের সংগ্রামকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করতে পারার জন্য তিনি দুঃখিত।

    সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেনে নিন জাহ্নবীর রূপটানের গোপন রহস্য

    বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় জাহ্নবী কাপুর এখন প্রথম সারির অভিনেত্রী। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ঘন কালো চুলের জাদুতে মুগ্ধ ভক্ত-অনুরাগীরা। পর্দার প্রয়োজনে চুলে নানারকম রাসায়নিক ও হিট ব্যবহার করতে হয়। ধুলাবালি আর দূষণ তো আছেই। তবু কীভাবে চুলের জেল্লা বজায় রাখেন শ্রীদেবীকন্যা? যার উত্তর লুকিয়ে আছে আপনার রান্নাঘরেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী কাপুর জানিয়েছেন তার বিশেষ ‘ডিআইওয়াই’ হেয়ার প্যাকের কথা। মাত্র চারটি উপকরণ দিয়েই তৈরি নেন তার চুলের স্বাস্থ্যের মূল চাবিকাঠি।

    চলুন জেনে নেওয়া কীভাবে শ্রীদেবীকন্যা তার চুলের যত্নে চারটি উপকরণ তৈরি করেন—

    অভিনেত্রীর পছন্দের তালিকায় রয়েছে— টকদই, ডিম, মধু ও নারিকেলের দুধ। এই চারটি উপকরণ মিশিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নেন তিনি। প্রথমে মিশ্রণটি মাথার ত্বক (স্ক্যাল্প) থেকে শুরু করে চুলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিতে হবে। অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেললেই কেল্লাফতে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্যাকটি চুলের জন্য পুষ্টির খনি। দই ও ডিম প্রাকৃতিকভাবে মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে। অতিরিক্ত তেল ও ময়লা দূর করে স্ক্যাল্পকে সতেজ রাখে। অন্যদিকে মধু ও নারিকেলের দুধ প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে। এটি চুলকে গভীর থেকে আর্দ্রতা জোগায় এবং নরম রাখে।

    উপকারিতা

    ১. প্রতিদিন নিয়মিত ব্যবহারে খুশকির সমস্যা দূর করে।

    ২. চুলের অকালপক্কতা ও রুক্ষতা কমিয়ে দেয়।

    ৩. চুল পড়া বন্ধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

    ৪. চুল হয় মসৃণ এবং জেল্লা ফিরে আসে।

    জাহ্নবী কাপুর বংশপরম্পরায় এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছেন। মা অভিনেত্রী শ্রীদেবীও নাকি বাড়িতে ভেষজ তেল ও ফলের নির্যাস দিয়ে রূপচর্চা করতে ভালোবাসতেন। নামিদামি ব্র্যান্ডের পেছনে না ছুটে জাহ্নবীর মতো আপনিও ভরসা রাখতে পারেন ঘরোয়া এই ম্যাজিক প্যাকে। সাশ্রয়ী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এ পদ্ধতিতে আপনার চুলও হয়ে উঠতে পারে সেলিব্রিটিদের মতো আকর্ষণীয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পুরুষের অহংকার মোকাবিলা করতে জানতে হবে’

    বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের সদ্য মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’। জাহ্নবী-বরুণ ধাওয়ান অভিনীত এ সিনেমাটি বক্স অফিসে আশানুরূপ ফল না করলেও পর্দায় জাহ্নবী-বরুণের রসায়ন বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এসবের মধ্যেই অভিনেত্রীর বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় বলিউডে। জাহ্নবী বলেছেন— অভিনেত্রী হিসাবে বলিউডে প্রতিষ্ঠিত হতে গেলে পুরুষ অভিনেতাদের অহংকার মোকাবিলা করা জানতে হবে।

    সম্প্রতি টুইঙ্কেল খান্না ও কাজলের শোয়ে এসেছিলেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন শ্রীদেবীকন্যা। শুধু এখানেই শেষ নয়; অভিনেত্রী আরও বলেছেন, আমি বোকা সেজে থাকি। তাতে আর যাই হোক, অন্যের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার ভয় থাকে না। তিনি বলেন, আমি মাঝেমধ্যে এমনভাবে বোকা হওয়ার ভান করে থাকি, যেন কিছুই বুঝি না। সেটাই করা উচিত। কারণ একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, কাউকে আঘাত না করে কী নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে হয়, সেটি শিখতে হবে।

    শ্রীদেবী-বনি কাপুরের মেয়ে জাহ্নবী কাপুর। তারকাসন্তান হওয়ার কারণে বলিউডে কোনো কাজ করতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল কিনা? টুইঙ্কেল খান্নার এমন প্রশ্নের উত্তরে জাহ্নবী কাপুর ‘মেল ইগো’ সামলানোর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন, আমি যেহেতু তারকা বাবা-মায়ের সন্তান। ফলে বলিউডে বিশেষ সুবিধা পেয়েছি। তবে আমি যা বলতে চাই, সেটি প্রকাশ্যে বলতে পারি। আড়ালে-ইশারায় বোঝাতে হয় না। তবে সবার এমন সুযোগ নেই বলে জানান অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জাহ্নবী আমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়েছিল: বরুণ ধাওয়ান

    বলিউডে নতুন করে ঝড় তুলতে আসছেন তারকা জুটি জাহ্নবী কাপুর ও বরুণ ধাওয়ান। বহুল আলোচিত সিনেমা ‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’ অবশেষে গত ২ অক্টোবর বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। শশাঙ্ক খৈতানের পরিচালনায় নির্মিত এ ছবিকে ঘিরে ইতোমধ্যেই দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। আর সেই উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে মুক্তির পর থেকেই জাহ্নবী-বরুণ ব্যস্ত রয়েছেন টানা প্রচার অভিযানে।

    সম্প্রতি সিনেমা নিয়ে ভারতীয় এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাহ্নবী-বরুণ। এ আলাপচারিতায় তারা জানান, ‘বাওয়াল’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে মেঝেতে ঘুমিয়েছেন তারা।

    স্মৃতিচারণ করে বরুণ বলেন, ‘আমরা প্যারিসে যাচ্ছিলাম। কারণ ‘বাওয়াল’ সিনেমার শুটিং দেশটির নরম্যান্ডিতে হচ্ছিল। আমরা একটি লাউঞ্জে ছিলাম; যেখানে সোফায় ঘুমানোর মতো জায়গা ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে আমরা মেঝেতেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। যারা সোফায় ঘুমাচ্ছিলেন, কিছুক্ষণ পর তারা উঠে যান, আর তখন আমি মেঝে থেকে উঠে সোফায় গিয়ে শুয়ে পড়ি। কিন্তু জাহ্নবী তখনো মেঝেতে ঘুমাচ্ছিল।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জাহ্নবীকে না ডাকার কারণ ব্যাখ্যা করে বরুণ ধাওয়ান জানান, জাহ্নবী জেগে উঠে দেখেন বরুণ সোফায় ঘুমাচ্ছে, তখন তিনি বেশ অবাক হয়েছিলেন। এ বিষয়ে বরুণ বলেন, ‘আমি যদি জাহ্নবীকে জাগাতাম, তাহলে সে বলত, আমার ঘুম কেন ভাঙালে।’

    আরেকটি গোপন তথ্য ফাঁস করে বরুণ বলেন, ‘বিমানে জাহ্নবী আমাকে ওষুধ খাইয়েছিল। এ কথা শুনে জাহ্নবী বলেন, এটা ঠিক না। তখন অভিনেতা বরুণ বলেন, আমি অসুস্থ ছিলাম। আর জাহ্নবী আমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়েছিল।’ ‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’ সিনেমায় বরুণ-জাহ্নবীর পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন, রোহিত সারাফ, সানিয়া মালহোত্রা, মনিষ পালসহ আরও অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে বিয়ে করেছেন জাহ্নবী, প্রকাশ করলেন স্বামীর পরিচয়

    মা বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর আবার সাবেক প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়ার কাছাকাছি আসেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। একটা সময় লুকিয়ে চলছিল তাদের প্রেম। তবে গত বছরের শুরু থেকে প্রায়ই একসঙ্গে দেখা যেত তাদের। সম্প্রতি শিখরের নামাঙ্কিত হার গলায় পরে সম্পর্কে সিলমোহর দেন অভিনেত্রী। প্রেমিককে নিয়ে নাকি বড্ড স্পর্শকাতর তিনি—এমনটিই জানিয়েছিলেন জাহ্নবী কাপুর। এতকিছুর পর ওরিকে কেন স্বামী হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিলেন অভিনেত্রী?

    বলিউডের অন্যতম চর্চিত নাম ওরহান অবাত্রামণি ওরফে ওরি। বি-টাউনের প্রায় সব তারকার সঙ্গেই তার ওঠবস। তার পেশা কী, তা নিয়ে স্পষ্ট উত্তর প্রায় কারও জানা নেই। কিন্তু হঠাৎ করেই বলিউডে আবির্ভাব ওরির। তার জনপ্রিয় হওয়ার পর থেকে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জাহ্নবী কাপুরের পরিবারের সঙ্গে সখ্য রয়েছে ওরির। নিজের ‘ধূমকেতু’র মতো বলিউডে এহেন উত্থানের জন্য ওরি সদা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন জাহ্নবীর বাবা বনি কাপুরের কাছে। আবার একসময় ওরি নিজেকে সমকামী বলেই দাবি করেছিলেন। সত্যিই কি তাই?

    এদিকে অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর দেশের বাইরে গেলেই নাকি ছেলেদের থেকে গুচ্ছ প্রেম প্রস্তাব পান। তেমনই এক ঘটনা ঘটে লস অ্যাঞ্জেলেসে। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে গেলেই বলি আমি বিবাহিত। লস অ্যাঞ্জেলেসে এক রেস্তোরাঁয় একবার একের পর এক ওয়েটার আসছেন। কেউ নম্বর দিয়ে যাচ্ছেন, আবার কেউ খাবার দিচ্ছেন। গুচ্ছ গুচ্ছ প্রেমপ্রস্তাব নিয়ে আসছেন। সামনে ওরি ছিল। ওকে দেখিয়ে বলে দিই— উনিই আমার স্বামী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মাষ্টমীতে ‘ভারতমাতার জয়’ বলায় কটাক্ষের ঝড়, যা বললেন জাহ্নবী

    জন্মাষ্টমীর দই-হাঁড়ি ভাঙতে গিয়েই ঝড় তুললেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কপুর। মুম্বাইয়ের ঘটকোপারের মঞ্চে ভক্তরা যখন কৃষ্ণনামে মুখর, তখন অভিনেত্রীর কণ্ঠে উঠল অন্য স্লোগান— ‌ভারতমাতার জয়! মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। আর তারপরেই শুরু কটাক্ষের বন্যা— জন্মাষ্টমী আর স্বাধীনতা দিবসের পার্থক্য কি বোঝেন না জাহ্নবী?

    তবে কটাক্ষে নীরব নন বলিউড নায়িকা। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পুরো ভিডিও শেয়ার করে জানালেন, ওঁরা বলার পরে আমি না বললে সেটাও সমস্যা হত। বললে আবার কাটাছেঁড়া করে বিদ্রুপ। আরও স্পষ্ট জাহ্নবীর ঘোষণা— শুধু জন্মাষ্টমীতে নয়, রোজই বলব— ভারতমাতার জয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিন্দুকরা যেখানে বিদ্রুপে মেতেছেন, সেখানে ভক্তরা একেবারে খুশি। কেউ লিখছেন, দেশপ্রেমকে উৎসবের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সাহস রাখে জাহ্নবী। আবার কেউ বলছেন, সমালোচকদের এক হাত নিলেন তিনি।

    এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় জাহ্নবীর নতুন ছবি ‘পরম সুন্দরী’, যেখানে তার সঙ্গে আছেন সিদ্ধার্থ মলহোত্র। ছবির গান ইতোমধ্যেই ট্রেন্ডিং, আর বিতর্কিত এই মন্তব্য যেন সিনেমার প্রচারেই বাড়তি ঝলক এনে দিল।

    কলকাতা প্রতিনিধি

  • ‘পরম সুন্দরী’ সিনেমা মুক্তির আগেই জাহ্নবীকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়

    বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর অভিনীত সিনেমাপরম সুন্দরী’র ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমায় তার সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রাট্রেলারে একদিকে দর্শকদের প্রশংসা মিললেও কেরালের বহু শিল্পী ও দর্শক-এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    তাদের অভিযোগ সিনেমায় জাহ্নবী কাপুরের চরিত্রে যেই মালায়ালি মেয়ের চরিত্রে রাখা হয়েছে, তাকে অতিরঞ্জিত ও প্রচণ্ডভাবে স্টেরিওটাইপিক্যালভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মালায়ালি অভিনেত্রী ও গায়িকা পবিত্রা মেনন নির্মাতাদের বিরুদ্ধে এমনই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই ট্রেলার শেয়ার করে একই সুরে সমালোচনা করেন নেটিজেনরা।

    সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন সিনেমায় জাহ্নবীর চরিত্রের লম্বা নাম ও সাজসজ্জা একেবারেই অবাস্তব মনে হয়েছে। কেরালার সবার লম্বা নাম হয় না। বরং তাকে চেন্নাইয়ের চরিত্র হিসেবে দেখালে মানাত।

    এ ছাড়া ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে মালায়ালি নেটিজেনদের একাংশ জাহ্নবীর উচ্চারণ ও অভিনয়ের কড়া সমালোচনা করেনএক নেটিজেন লিখেছেন তিনি হিন্দিতে বললেন সব বুঝলাম, কিন্তু একটাও মালায়ালম শব্দ বুঝলাম না। ভুয়া সাউথ ইন্ডিয়ান অ্যাকসেন্ট একেবারেই মানা যায় না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতিতে যোগ দিতে চান জাহ্নবী!

    মাত্র সাত বছরের অভিনয় কেরিয়ারে এখনও নিজেকে পুরোপুরি প্রমাণ করতে পারেননি জাহ্নবী কাপুর।  ‘ধড়ক’ ছবি দিয়ে ২০১৮ সালে বলিউডে যাত্রা শুরু করা এই অভিনেত্রী কখনো কখনো দক্ষতা নিয়ে প্রশংসা পেলেও, বার বার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। তবে এবার কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে ফিরেই এক অন্য ভাবনার ইঙ্গিত দিলেন জাহ্নবী-রাজনীতিতে আসার আগ্রহ।

    এই মুহূর্তে তিনি ব্যস্ত নীরজ ঘেয়ান পরিচালিত ছবি ‘হোমবাউন্ড’ নিয়ে। কানে ছবিটির প্রদর্শনীর সময় তার পোশাক ও উপস্থিতি যেমন নজর কাড়ে, তেমনি জাহ্নবীর অভিনয় নিয়েও আশাবাদী পরিচালক। ছবিতে ‘সুধা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী জানান, পরিচালক নীরজ ঘেয়ানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে এক নতুন মানসিক জগতে নিয়ে গেছে। তার কথায়, ‘তিনি আমাকে এমন কিছু ভাবতে উৎসাহ দিয়েছেন যেগুলো আমি আগে কখনও এত গভীরভাবে ভাবিনি। আমি কোন সমাজে, কোন বাস্তবতায় বাস করছি, তা নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছেন তিনি।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইতিহাস, চলচ্চিত্র এবং রাজনীতি সব সময়েই আমার আগ্রহের বিষয়। নীরজ যেভাবে প্রত্যেক সহকর্মীকে সম্মান দেন, তাদের সঙ্গে সম্মানজনক ব্যবহার করেন, তা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। এমন একজন মানুষের সঙ্গে কাজ করা একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমার জীবনে বড় প্রাপ্তি।’

    শোনা যাচ্ছে, ‘হোমবাউন্ড’ ছবির শুটিং সেটে নীরজ ঘেয়ান প্রযোজনা সংস্থার প্রতিটি কলাকুশলীর নাম মনে রাখতেন এবং সকলের সঙ্গে সমান সম্মানে ব্যবহার করতেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই জাহ্নবীর ভাবনায় এসেছে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, যা তাকে রাজনীতি নিয়ে আরও উৎসাহী করে তুলেছে।

    তবে এই আগ্রহ কেবল চিন্তার স্তরে, নাকি বাস্তব কোনোপরিকল্পনার অংশ—তা সময়ই বলবে।

    বিনোদন ডেস্ক