Tag: জাতীয় সংগীত

  • যে কারণে ৬ মাস ধরে উর্দু শেখেন ব্রিটিশ গায়িকা

    হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শুরুর আগে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের এক ব্যতিক্রমী পরিবেশনা দেখা গেছে। ইংলিশ গায়িকা লরা রাইট উর্দু ভাষায় পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই পরিবেশনা নিয়ে নানা আলোচনা হলেও, গায়িকা নিজে জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের সঠিক উচ্চারণ আয়ত্ত করতে কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লরা রাইট জানান, পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা উর্দু শিখতে তিনি টানা ছয় মাস সময় দিয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের টেস্ট সিরিজ চলাকালীন ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-ও বাংলায় গেয়েছিলেন তিনি।

    বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে পরিচিতি পাওয়া লরা রাইট উর্দু ও বাংলা ভাষা শেখার পেছনে নিজের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।

    ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, যেকোনো দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ পাওয়াটা অত্যন্ত সম্মানের এবং আমি এটাকে কখনোই হালকাভাবে নেই না। তবে ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়াটা সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ। যখন আমাকে এগুলোর জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়, ‘হ্যাঁ’ বলার আগে আমি ভালো করে ভেবে দেখি, কারণ আমি নিশ্চিত হতে চাই যে, উচ্চারণগুলো সঠিকভাবে করতে পারব কিনা।

    পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ প্রসঙ্গে এই গায়িকা আরও বলেন, আমার নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল যে, এটি শেখার জন্য আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে কিনা। আর আমি গত ছয় মাস ধরে উর্দু ভাষা নিয়ে কাজ করছি। এটি এমন নয় যে, কেউ এসে আমাকে বলল, ‘তুমি কি এসে জেরুজালেম গানটি গাইতে পারবে?’ এটি তার চেয়েও অনেক বড় কিছু। তবে এটি আমার জন্য এক বিশাল সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমি শুধু আশা করি যেন এর সঠিক মর্যাদা রাখতে পারি।

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার আগের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাইট জানান, সে সময় তিনি বেশ নার্ভাস ছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, প্রথমবার ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় আমি সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে বেশি নার্ভাস ছিলাম। আপনি যখন ক্লাসিক্যাল মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা করবেন, তখন ইতালীয় বা জার্মান ভাষার একটা প্রাথমিক ধারণা আপনাকে দেওয়া হবে। কিন্তু যখন জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে যাবেন, তখন আপনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন সব ভাষার মুখোমুখি হতে হবে।

    নিজের প্রস্তুতির বিস্তারিত জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত শুনেছি এবং উচ্চারণ, লয় ও শব্দের অর্থ বোঝার জন্য দুই-তিনজন ব্যক্তির সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, যেন তাদের কথা বলা শুনে শিখতে পারি। এটি এই পেশার এমন একটি দিক, যা সাধারণ মানুষ দেখতে পায় না।

    অনলাইন ডেস্ক

  • সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে উদীচীর প্রতিবাদ

    জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়ে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

    rnrn

    শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীত পাশের সড়কে একসঙ্গে জাতীয় সংগীত কণ্ঠে তুলে কর্মসূচিতে অংশ নেয় উদীচী, জাতীয় খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন সংগঠন। এ আয়োজনে কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবেও অংশ নিয়েছেন।

    rnrn

    গত মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে ‘স্বাধীনতার অস্তিত্বের পরিপন্থি’ আখ্যা দিয়ে তা পরিবর্তনের দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী।

    rnrn

    তিনি প্রশ্ন তোলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা নিয়েও। বাহাত্তরের সংবিধান ‘বৈধ নয়’ মন্তব্য করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করারও দাবি জানান সেনাবাহিনীর সাবেক এই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল।

    rnrn

    এর প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল প্রতিবাদ জানান অনেকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্মিলিত কণ্ঠে এই জাতীয় সংগীত গাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করে উদীচী।

    rnrn

    শুক্রবার সকালে দেশের সব জেলা ও বিদেশে উদীচীর শাখা সংসদের শিল্পী-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ একসঙ্গে এই জাতীয় সংগীত কর্মসূচি পালন করেছে বলেও জানায় সংগঠনটি।

    rnrn

    ঢাকায় কেন্দ্রীয় আয়োজনে সূচনা বক্তব্য দেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমান। সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে।

    rnrn

    পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন সবাই। এ সময় সাধারণ মানুষও শিল্পীদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান। জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা হয়।

    যুগান্তর প্রতিবেদন