Tag: জনপ্রিয়

  • জনপ্রিয় ৫ পাকিস্তানি সিনেমা, যা আজও মানুষের মনে অম্লান

    পাকিস্তানি সিনেমা জগতের ইতিহাসে এমন কিছু সিনেমা রয়েছে, যেগুলো সময় পেরিয়ে গেলেও মানুষের হৃদয়ে রয়ে গেছে। কাহিনির গভীরতা, অনবদ্য অভিনয় এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের শক্তিশালী উপস্থাপন এসব সিনেমাকে ক্লাসিক করে তুলেছে। আসুন জেনে নিই সেরকম ৫টি সিনেমা সম্পর্কে।

    ১. খুদা কে লিয়ে (Khuda Ke Liye)

    মুক্তির সাল: ২০০৭

    আইএমডিবি রেটিং: ৮.৩/১০

    কেন জনপ্রিয়: পাকিস্তানি সিনেমার এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছিল এই সিনেমা। এটি ধর্ম, সন্ত্রাসবাদ, এবং সাংস্কৃতিক সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ছুঁয়েছে। শান শাহিদ, ফাওয়াদ খান এবং ইমান আলির অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে।

    মনে রাখার কারণ: এটি মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের লড়াই নিয়ে নির্মিত একটি সাহসী সিনেমা।

    ২. বোল (Bol)

    মুক্তির সাল: ২০১১

    আইএমডিবি রেটিং: ৮.২/১০

    কেন জনপ্রিয়: সমাজে নারীদের অবস্থান, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং ধর্মীয় ভুল ব্যাখ্যার মতো বিষয় নিয়ে নির্মিত এই সিনেমা সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিল।

    মনে রাখার কারণ: সমাজের গভীর সমস্যাগুলিকে সুন্দরভাবে চিত্রিত করার জন্য এটি দর্শকদের মন জয় করেছিল। মাহিরা খান এবং হুমাইমা মালিকের অভিনয় প্রশংসিত।

    ৩. মাওলা জাট (Maula Jatt)

    মুক্তির সাল: ১৯৭৯

    আইএমডিবি রেটিং: ৭.৭/১০

    কেন জনপ্রিয়: এটি পাকিস্তানি সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম কালজয়ী সিনেমা। মারধর, প্রতিশোধ এবং গ্রামীণ সমাজের রীতিনীতির ওপর ভিত্তি করে এই সিনেমা পাকিস্তানের ঐতিহ্যবাহী সিনেমার এক নিদর্শন।

    মনে রাখার কারণ: মাওলা জাট এবং নুরি নাটের চরিত্র আজও জনপ্রিয়।

    ৪. ওয়ার (Waar)

    মুক্তির সাল: ২০১৩

    আইএমডিবি রেটিং: ৭.৫/১০

    কেন জনপ্রিয়: সন্ত্রাসবাদ এবং দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নির্মিত একটি আধুনিক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা। এটি পাকিস্তানি সিনেমার প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতাকে সামনে নিয়ে আসে।

    মনে রাখার কারণ: আন্তর্জাতিক মানের সিনেমাটোগ্রাফি এবং শান শাহিদের চমৎকার অভিনয়।

    ৫. পারওয়াাজ হ্যায় জুনুন (Parwaaz Hai Junoon)

    মুক্তির সাল: ২০১৮

    আইএমডিবি রেটিং: ৭.৪/১০

    কেন জনপ্রিয়: পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি দেশপ্রেমের এক অনন্য উদাহরণ। হামজা আলী আব্বাসি এবং হাজি আলির অভিনয় দর্শকদের কাছে খুবই প্রশংসিত হয়।

    মনে রাখার কারণ: দেশপ্রেম, দুঃসাহসিক অভিযান এবং সুন্দর সিনেমাটোগ্রাফি।

    শেষ কথা

    এই সিনেমাগুলো শুধুমাত্র বিনোদন নয় বরং সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে দর্শকদের সচেতন করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এবং পাকিস্তানি সিনেমার গৌরবময় ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

    লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

    তন্ময় রহমান

  • আমি ব্যক্তিগতভাবে আর অহনা রহমান হতে চাই না: অহনা

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনা রহমান সম্প্রতি জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল থেকে অভিনয় জগতে ব্যস্ততা কমিয়ে ফেলবেন। তার এমন সিদ্ধান্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঝড় উঠেছে। নেটিজেনরা ভাবছেন প্রেগন্যান্ট সে জন্য অভিনয় ছেড়ে দিচ্ছেন অভিনেত্রী। 

    কিন্তু অভিনয় থেকে বিরতি নেওয়ার কারণ বিয়ের কোনো পরিকল্পনা কিনা— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, না বিয়ে করছি না। কারণ প্রেম-ভালোবাসা এখন আর বিশ্বাস করি না। সে কারণে বিয়ে নিয়েও ভাবি না বলে জানান অহনা রহমান। অন্যদিকে নেটিজেনরা ভাবছেন অহনা রহমান অন্তঃসত্ত্বা, তাই অভিনয় থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন তিনি। 

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ছোটপর্দার অভিনেত্রী অহনা বলেছিলেন, খুব শিগগির অভিনয় জগতকে বিদায় জানাচ্ছেন তিনি। ২০২৫ সাল থেকেই মিডিয়াতে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দেবেন। একটা সময়ে পুরোপুরিই বন্ধ করে দেবেন।

    অভিনেত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে আর অহনা রহমান হতে চাই না। অনেক দিন ধরে কাজ করেছি। এবার আসলে অন্যদিকে মনোযোগ দিতে চাই। আমাকে অনেক বছর দেখলেন আর কত, অনেক ভালো অভিনেত্রী-অভিনেতারা আসছেন তাদেরও দেখা উচিত।

    এ নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বিষয়টি নিয়ে আবার সংবাদমাধ্যমে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, তার বক্তব্যে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বা ভক্তরা পুরো সাক্ষাৎকারটা না দেখেই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। 

    অহনা জানালেন আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। অভিনেত্রীর বিনোদন জগত ছাড়ার খবরে অনেক নেটিজেন নাকি দাবি করেছেন, তিনি প্রেগন্যান্ট। বিষয়টি তুলে ধরে অহনা বলেন, আমার কাজ কমিয়ে দেওয়ার খবরে অনেকেই অনেক রকমের মন্তব্য করেছেন। এর মধ্যে কারও ধারণা— আমি প্রেগন্যান্ট। কেউ লিখেছেন— প্রেগন্যান্ট তো সে জন্য অভিনয় ছেড়ে দিচ্ছে। আবার কেউ বলেছেন— বাচ্চাকাচ্চা নেবেন তো সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

    অভিনেত্রী বলেন, ধীরে ধীরে কাজ কমিয়ে দেওয়া হবে। ২০২৫ সালে পারত পক্ষে কাজ করা হবে না, আর কাজ করলেও খুব কম করা হবে।

    অভিনয় থেকে বিরতির নেওয়ার কারণ বিয়ের পরিকল্পনা কিনা— এমন প্রশ্নের উত্তরে অহনা বলেন, না, বিয়ে করছি না। কারণ প্রেম-ভালোবাসা এখন আর বিশ্বাস করি না। সে কারণে বিয়ে নিয়েও ভাবি না।  তিনি বলেন, বিয়ের জন্য একটা সময় মা অনেক চাপ দিয়েছে। কিন্তু সে যখন বুঝেছে, আমি প্রেমে ছেঁকা খেয়ে কষ্ট পেয়েছি , তারপর থেকে আর চাপ দেয় না।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সাল থেকে অভিনয় জীবন শুরু করেন অহনা রহমান। তার জনপ্রিয় কাজ ‘প্রবাসীর স্ত্রী’ নাটক। প্রবাসীর স্ত্রী হিসেবে শ্বশুরবাড়ির সীমাহীন নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়। সেই নির্মম চিত্র নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যন্ত্রণায় জীবন স্থবির চমকের

    আতিফ আসলাম পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী।  ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন ‘ম্যাজিকাল নাইট ২.০’ শিরোনামে একটি কনসার্ট আয়োজন করে। 

    আর্মি স্টেডিয়ামে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় এই কনসার্টটি। সেখানে গান পরিবেশন করেন আতিফ আসলামসহ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। 

    এ আয়োজনকে ঘিরে আর্মি স্টেডিয়ামসহ তার আশেপাশের রাস্তায় জ্যাম দেখা গেছে। এ ঘটনায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।

    চমক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জানান, ফেসবুকে পোস্ট আর রাস্তায় জ্যামের যন্ত্রণায় জীবন স্থবির।

    চমকের লিখেন, আমার গাড়িতে আতিফ আসলামের গান চলতেছে, এটাই বড় বিষয়। যাই হোক প্রয়োজন ছাড়া আজ বের হইয়েন না। না মানে, ডিনার যদি আর্লি করতে চান আরকি।

    প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত এপ্রিলে ঢাকায় এসে দর্শকদের গান শুনিয়ে গেছেন আতিফ আসলাম। ‘লেটস ভাইভ আর্ট অ্যান্ড মিউজিক ফেস্টিভ্যাল’ শিরোনামের কনসার্টে গেয়ে শোনান ‘ও লামহে’, ‘তেরে বিন’, ‘পেহলি নাজার ম্যায়’, ‘তেরে লিয়ে’সহ তাঁর গাওয়া জনপ্রিয় বেশ কিছু গান।

    সেই কনসার্টে আতিফের সঙ্গে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের আহমেদ হাসান সানি, ব্যান্ড কাকতাল, ফিরোজ জং ও কার্নিভ্যাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফারুকীর কাছে কী চাইলেন ভারতীয় নির্মাতা

    ভারতের কলকাতার জনপ্রিয় নির্মাতা শিবপ্রসাদ মুখার্জির পরিচালিত ‘বহুরূপী’ কয়েক মাস আগেই মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশেও সিনেমাটি মুক্তির কথা চলছে বলে জানা গেছে। আগামী মাসেই বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে আসছে সিনেমাটি। ভারত-বাংলাদেশের সিনেমাবিনিময় নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন এ পরিচালক।  

    হিন্দুস্তান টাইমস সূত্রে জানা গেছে, সাফটা চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের দুটি সিনেমা চলবে বাংলাদেশে। এর মধ্যে একটি ‘পুষ্পা টু’ আরেকটি ‘বহুরূপী’। এ প্রসঙ্গে শিবপ্রসাদ বলেন, বাংলার জন্য এটা খুবই গর্বের। এবং ওপ্রান্ত থেকে আমাদের সিনেমা বহুরূপীর সঙ্গে আদান-প্রদানে যে সিনেমাটা দেখানো হবে, সেটি রায়হান রাফী পরিচালিত ‘দামাল’। সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে।

    এ নির্মাতা বলেন, আমরা উদগ্রীব হয়ে আছি  ‘বহুরূপী’ কবে ওপার বাংলায় দেখানো হবে এ নিয়ে। অপেক্ষা করছি কবে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সিলমোহর পাব। কবে মুক্তির দিন নির্দিষ্ট হবে। বাকি সবকিছুই হয়ে গেছে, শুধু ফাইনাল অনুমতির অপেক্ষায়। লালফিতের গেরোয় আমরা একটু আটকে। অপেক্ষা করছি, কবে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সিলমোহর পাওয়া যাবে।  

    এদিকে দেশের গুণী নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা তিনি। এ নির্মাতার প্রসঙ্গে টেনে শিবপ্রসাদ বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে রয়েছেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী। আমি তার সিনেমার ভক্ত। উনি আন্তর্জাতিক সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত।

    তিনি বলেন, আমার ধারণা—উনি পরিচালক-প্রযোজকের মনের কথা, সিনেমাপ্রেমীর মানুষের কথা বুঝবেন। দুই দেশের মধ্যে সিনেমার আদান-প্রদান যাতে দীর্ঘ হয়, ফারুকীর কাছে সেটিই চাইব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬০ বছরের অভিনেতার সঙ্গে রোমান্স করতে চায় উর্বশী

    এ মুহূর্তে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা। বলিউড ছাড়াও কাজ করছেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে। নিজের রূপে ও গুণে ভক্তদের কাছেও হয়ে উঠেছেন তিনি কাঙ্ক্ষিত এক অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারের কয়েকটি সিনেমায় বেশ সাহসী চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন উর্বশী। 

    কখনো গতানুগতিকের বাইরেও কাজ করেছেন নিজের চেয়ে বয়সে বড় অভিনেতাদের সঙ্গে। যাদের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যেও অভিনয় করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। কিন্তু বয়সে বড় তারকাদের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল উর্বশীর, সে কথাই জানালেন তিনি। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানালেন সানি দেওলের সঙ্গে রোমান্স নিয়ে সে কথা। 

    মূলত সানির সঙ্গে ‘সিং সাব’ সিনেমায় জুটি বেঁধে কাজ করেছিলেন উর্বশী। বয়সে তার চেয়ে ৩৮ বছরের বড় এ অভিনেতা। তার সঙ্গেই রোমান্টিক দৃশ্যেও অভিনয় করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। এ বিষয়ে উর্বশী রাউতেলা বলেন, এখন আমি ৬০ বছরের অভিনেতার সঙ্গে রোমান্স করার রেকর্ড ভাঙতে চাই। ৩৮ বছর তো কিছুই নয়। তিনি বলেন, বয়স তার কাছে কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং তিনি বিভিন্ন বয়সের অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। 

    অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করা এবং রোমান্স করা একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। আমি সবসময় নতুন কিছু করতে চাই, যেখানে বয়স কোনো বাধা নয়। 

    উর্বশী বলেন,  সে কারণেই যখন সিং সাব-এ অভিনয় করি, তখন সানিজির ছেলের থেকেও বয়সে ছোট আমি। কিন্তু বয়স আমাদের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তিনি একজন কিংবদন্তি। তার সঙ্গে কাজ করা সত্যিই অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ওই সিনেমায় কাজ করেই তার থেকে অনেক কিছু শিখেছি। অভিনয়ের ক্ষেত্রে তার বয়স ব্যবধানে কোনো সমস্যা না থাকলেও বাস্তবজীবনে বেশি বয়সের কাউকে বিয়ে করবেন না বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মায়ের ঋণ শোধ করতে ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি’

    বিনোদন জগতের দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা সারাভানন শিবকুমার। যাকে রুপালি পর্দায় আমরা সুরিয়া নামেই চিনি। তার বাবা বর্ষীয়ান অভিনেতা শিবকুমার। তবে অভিনেতা হওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না সুরিয়ার। একটি পোশাক কারখানায় কর্মজীবন শুরু করেন এ অভিনেতা। 

    ইচ্ছা ছিল টাকা জমিয়ে ও বাবার থেকে কিছু অর্থ নিয়ে নিজের একটা ব্যবসা শুরু করবেন তিনি। তবে তা আর হয়ে ওঠেনি। পরিবারের এক আর্থিক পরিস্থিতি তাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে বাধ্য করেছিল। শেষে মায়ের থেকে নেওয়া ঋণের টাকা মেটাতে অভিনয় শুরু করেছিলেন বলে জানান সারাভানন শিবকুমার ওরফে সুরিয়া কুমার।

    তিনি বলেন, আমি টাকার জন্যই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি। আমি আমার মায়ের ঋণ শোধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করি। এভাবেই আমি আমার ক্যারিয়ার শুরু করি এবং এভাবেই আমি সুরিয়া হয়ে উঠি।

    সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিঙ্কভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুরিয়া কুমার জানান, অভিনয়ের ইচ্ছা না থাকলেও কীভাবে অভিনয় পেশায় আটকে যান তিনি, তা খোলামেলা আলোচনা করেন। তিনি বলেন, একটি পোশাক কারখানায় প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে চাকরি শুরু। প্রথম ১৫ দিনে ৭৫০ রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। বছর তিনেক চাকরির পর যেটা মাসে আট হাজার রুপি হয়েছিল। সুরিয়া বলেন, ইচ্ছা ছিল সঞ্চয় করে এবং বাবার কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে নিজে একটা ব্যবসা শুরু করবেন। তবে বাবা এত বড় অভিনেতা হওয়ার পরও সঞ্চয় বলতে কিছুই ছিল না পরিবারের। 

    এ অভিনেতা বলেন, বাবাকে না জানিয়ে ২৫ হাজার রুপি ধার করে মা আমাকে দেন। আর এই ধার পরিশোধে মাকে হিমশিম খেতে দেখি, যা তাকে অনেক আঘাত করে। এরপরই মনের জেদ থেকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। 

    সেদিনের ঘটনা মনে করে সুরিয়া বলেন, একদিন আমি নাশতা করছিলাম, এমন সময় মা বললেন—আমি তোমার জন্য ২৫ হাজার রুপি ধার করেছি, যা তোমার বাবা জানে না। মায়ের এ কথা শুনে আমি বেশ হতবাক হলাম। আমি বললাম, কী বলছেন মা? আমার বাবা একজন অভিনেতা। আপনি কেন টাকা ধার করছেন? আমাদের সঞ্চয়ের কী হয়েছে? আমাদের ব্যাংক ব্যালান্স কত? তিনি তখন বললেন— এটা কখনো এক লাখের বেশি হয়নি।

    বাবা সম্পর্কে সুরিয়া বলেন, বাবা সব সময়ই এমনই। তিনি কখনই তার পারিশ্রমিক চান না। নির্মাতারা তার অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেন। আর ঘটনাটি যে সময়ের ছিল, যখন বাবা ১০ মাস কাজ থেকে দূরে ছিলেন। তখন আমি আমার মাকে ২৫ হাজার রুপির মতো সামান্য পরিমাণ অর্থের জন্য হিমশিম খেতে দেখেছি, তখন এটি আমাকে খুব আঘাত করেছিল। আমি নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলাম—আমি কী করছি?

    সুরিয়া বলেন, নিজের একটি পোশাক কারখানা শুরু করার পরিকল্পনার পর তিনি ভেবেছিলেন বাবার থেকে কমপক্ষে এক কোটি রুপির বিনিয়োগ পাবেন। নিজস্ব কিছু শুরু করার অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই পোশাক কারখানায় চাকরি করেছিলেন তিনি। কিন্তু মায়ের সঙ্গে একটি কথোপকথন সবকিছু বদলে দিয়েছিল তার।

    কখনো ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর ইচ্ছা ছিল না তার উল্লেখ অভিনেতা বলেন, আমি অনেক প্রস্তাব পেতাম, কিন্তু আমি কখনই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অংশ হতে চাইনি কিংবা ক্যামেরা ফেস করতে চাইনি। ক্যামেরার মুখোমুখি হওয়ার পাঁচ দিন আগপর্যন্ত আমি কখনই ভাবিনি যে আমি এটি করব।

    সুরিয়া বলেন, যখন আমি আমার প্রথম দৃশ্যটি করি, তখন সেটের কাছে হাজার হাজার লোক দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের কোনো ধারণা ছিল না যে আমি কে, তবু দৃশ্যটি শেষ হওয়ার পর আমি হুট করে তাদের হাততালি দিতে শুনি। সেই থেকে, প্রজন্ম বদলেছে, দর্শক বদলেছে, কিন্তু আমি নিঃশর্ত ভালোবাসা পেতে থাকি। তাই তাদের জন্যই আমি সিনেমা করতে থাকি। এখন— এমনকি ৪৯ বছর বয়সেও আমি একটি সিনেমা করেছি, যার জন্য সিক্স-প্যাক প্রয়োজন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেহজাবীনের সঙ্গে কী কী মিল আছে মালাইকার?

    এ মুহূর্তে বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরেই ধাপটের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন ছোটপর্দার পাশাপাশি বড়পর্দাতেও। এবার তাকে অনুসরণ করে অভিনয়ে নাম লেখালেন ছোট বোন মালাইকা চৌধুরী।  প্রথমবারের মতো পরিচালক মোস্তফা কামাল রাজের ‘সন্ধিক্ষণ’ নামের একটি নাটকে শিগগিরই পর্দা মাতাতে আসছেন তিনি। এতে ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন মালাইকা।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে মালাইকা চৌধুরী প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শুটিং করে ভালো লাগছে। আমার বড় বোনের গল্প ও রাজ ভাইয়া নির্মাণ করবে জেনেই এ নাটকে অভিনয় করতে রাজি হয়েছি। সহশিল্পী হিসেবে জোভান ভাই দারুণ সহযোগিতা করছেন আমাকে। দর্শকরা আমার অভিনয় দেখার পর কেমন প্রতিক্রিয়া জানান সেসব জানতে মুখিয়ে থাকব।

    বড় বোন মেহজাবীনের সঙ্গে তার কী কী ৫টি মিল রয়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে মুচকি হেসে মালাইকা বলেন, এটা তো আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। 

    ছোট বোনের এই লাজুক উত্তর বেশ উপভোগ করেছেন মেহজাবীন। ভিডিও ক্লিপটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— হা…হা…হা, এটা কিউট। কিন্তু আমি চাই, আমার বোন আমার চেয়েও আরও অনেক গুণ বেশি এগিয়ে যাক জীবনে।

    মেহজাবীনের সেই পোস্টে মন্তব্যের ঝড় তোলেন ভক্তরাও। অনেকেই লিখেছেন— দুজনের চেহারাও নাকি দেখতে হুবহু মিল রয়েছে। আরেকজন লিখেছেন— মেহজাবীনের মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন মালাইকা।

    এদিকে নাটকটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, মেহজাবীনের বোন বলেই যে তাকে সুযোগ দিয়েছি বিষয়টি তেমন নয়। মেহজাবীনের কাছ থেকে যে গল্পটি পেয়েছি, তাতে নতুন একটি মেয়েকে মানাবে বলে মনে হয়েছে আমার।

    নির্মাতা আরও বলেন, এক্ষেত্রে প্রথমে মালাইকার নামটি মাথায় আসে। তার মধ্যে অভিনয়ের প্রতিভা আছে। শুটিংয়ে ভীষণ পরিশ্রমী মনে হচ্ছে তাকে। আমার বিশ্বাস, মালাইকা দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছোটপর্দা মাতাতে আসছেন মালাইকা

    এ মুহূর্তে বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরেই ধাপটের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন ছোটপর্দার পাশাপাশি বড়পর্দাতেও। এবার তাকে অনুসরণ করে অভিনয়ে নাম লেখালেন ছোট বোন মালাইকা চৌধুরী।  প্রথমবারের মতো পরিচালক মোস্তফা কামাল রাজের ‘সন্ধিক্ষণ’ নামের একটি নাটকে শিগগিরই পর্দা মাতাতে আসছেন তিনি। এতে ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন মালাইকা।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে মালাইকা চৌধুরী প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শুটিং করে ভালো লাগছে। আমার বড় বোনের গল্প ও রাজ ভাইয়া নির্মাণ করবে জেনেই এ নাটকে অভিনয় করতে রাজি হয়েছি। সহশিল্পী হিসেবে জোভান ভাই দারুণ সহযোগিতা করছেন আমাকে। দর্শকরা আমার অভিনয় দেখার পর কেমন প্রতিক্রিয়া জানান সেসব জানতে মুখিয়ে থাকব।

    বড় বোন মেহজাবীনের সঙ্গে তার কী কী ৫টি মিল রয়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে মুচকি হেসে মালাইকা বলেন, এটা তো আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। 

    ছোট বোনের এই লাজুক উত্তর বেশ উপভোগ করেছেন মেহজাবীন। ভিডিও ক্লিপটি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— হা…হা…হা, এটা কিউট। কিন্তু আমি চাই, আমার বোন আমার চেয়েও আরও অনেক গুণ বেশি এগিয়ে যাক জীবনে।

    মেহজাবীনের সেই পোস্টে মন্তব্যের ঝড় তোলেন ভক্তরাও। অনেকেই লিখেছেন— দুজনের চেহারাও নাকি দেখতে হুবহু মিল রয়েছে। আরেকজন লিখেছেন— মেহজাবীনের মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন মালাইকা।

    এদিকে নাটকটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, মেহজাবীনের বোন বলেই যে তাকে সুযোগ দিয়েছি বিষয়টি তেমন নয়। মেহজাবীনের কাছ থেকে যে গল্পটি পেয়েছি, তাতে নতুন একটি মেয়েকে মানাবে বলে মনে হয়েছে আমার।

    নির্মাতা আরও বলেন, এক্ষেত্রে প্রথমে মালাইকার নামটি মাথায় আসে। তার মধ্যে অভিনয়ের প্রতিভা আছে। শুটিংয়ে ভীষণ পরিশ্রমী মনে হচ্ছে তাকে। আমার বিশ্বাস, মালাইকা দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘নাটক কম করো পিও’ সাদিয়াকে ভক্তরা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। নাটকের প্রমোশনের উদ্দেশ্যে একটি লাইভে হাজির হয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরে একটি বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ শেষ বিষয়টি মিথ্যাচারে পরিণত হয়।  তার মিথ্যাচারে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অনেক ভক্তরা তাকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন যে, ‘নাটক কম করো পিও’। 

    সাদিয়া বলেন, ‘গত কয়েকদিন আগে আমি একটা শুট শেষ করে বাসায় ফিরছিলাম, তখন রাস্তায় যাওয়ার পথে দেখি পা থেকে মাথা পর্যন্ত একজন কালো কেউ আমার গাড়ির সামনে চলে আসে। এরপর গাড়ি থামিয়ে নেমে দেখি সেখানে কেউ নেই।’

    তবে এসব সাজানো ছিল নাটকের প্রমোশনের জন্য। বর্তমানে এ অভিনেত্রী আইডি ডিএক্টিভেট করে রেখেছেন। এখন তার এ লাইভ নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। শামীম আহমেদ নামে একজন সেই লাইভ ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘এরকম বাজে প্রমোশন আমি জীবনে ও দেখিনি, মানুষ এর ইমোশন নিয়ে খেলে।’

    আরেকজন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘পিও সাদিয়া আয়মান মধ্যরাতে এই নাটকটা না করলেও পারতেন। আজকাল প্রোমোশন এতো সস্তা কেন হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে হবে?’

    মাহমুদ আলম সুমনের ভাষ্য, ‘সাদিয়া আয়মান নাটক কম করো পিও, এতো রাতে লাইভে এসে মজা নেওয়ার ইচ্ছে হলে অন্য ভাবেও আসতে পারতা।’ অন্যজন বলেন, ‘প্রমোশনের জন্য এরকম জঘন্য কাজ না করলেও পারতেন আপু। লাইভটা দেখার সময় পুরো ট্রমাটাইজড হয়ে গিয়েছিলাম।’

    দিপ্ত প্লে’র একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন সাদিয়া আয়মান। ‘বিভাবরী’ শিরোনামের সেই ফিল্মটি শিগগিরই আসছে দীপ্ত প্লে’তে। যেটি মূলত ঢাকার রহস্যজনক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই সাদিয়ার এই ‘ফেসবুক লাইভ’ নাটক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অনন্যার সঙ্গে বিচ্ছেদ, প্রেম নিয়ে গোপন তথ্য ফাঁস করলেন আদিত্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আদিত্য রায় কাপুর। যাকে এলিজিবল ব্যাচেলর বলা হয়ে থাকে। যার ঝুলিতে আছে অসংখ্য হিট ছবি। যদিও ছবির সংখ্যা খুব বেশি না হলেও তার খ্যাতির কোনো ঘাটতি নেই। ভক্ত-অনুরাগীর লম্বা তালিকাও আছে আদিত্যের। 

    তার ব্যক্তিগত জীবনও নানা সময়ে উঠে আসে চর্চায়। চলতি বছরের শুরুতে অনন্যা পান্ডের সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানেন এ অভিনেতা। তারপর থেকে একাকী বলিপাড়ার এ সুদর্শন অভিনেতা। 

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা যায়, একই সম্পর্কে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন আদিত্য রায় কাপুর। সম্প্রতি কারিনা কাপুরের অনুষ্ঠানে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন এ অভিনেতা। সম্পর্কের মূল ভিত হলো বিশ্বাস। পরস্পরের হাত সারাজীবনের জন্য ধরে রাখার বিশ্বাস না থাকলে সেই সম্পর্ক খুব পোক্ত হয় না। 

    আদিত্য কি একসঙ্গে সারাজীবন পথচলার প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পান?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা বলেন, প্রতিশ্রুতি বা কথা দিতে ভয় মোটেই পান না তিনি। একটা সময় দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে থাকার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে।

    এখন ভাবনাচিন্তায় পরিবর্তন এসেছে। একা থাকার ভয় রয়েছে বলেই প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে হবে—এমন তিনি মনে করেন না। বরং নিজের ভেতর থেকে কারও সঙ্গে থাকার ইচ্ছে হলেই তবে সম্পর্কের জন্য এগোনো উচিত বলে মনে করেন আদিত্য।

    তিনি বলেন, ‘আমি একটি সম্পর্কে স্থায়ীভাবে থাকতে ভয় পাই, এমন মোটেও নয়। তরুণ জীবনে আমার একটা সম্পর্কের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। আরেকটি সম্পর্কে ছিলাম তিন বছর। তাই সম্পর্কে কথা দিতে ভয় আমি পাই না।’

    এ অভিনেতা বলেন, কারও সঙ্গে থাকার ইচ্ছে অনুভব করতে হবে। জোর করে হয় না। অথবা একা থাকতে ভয় লাগে বলে কারও সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলব— এমনও আমি বিশ্বাস করি না।

    বর্তমানে নিজের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন অভিনেতা। নিজেকে নিয়ে নাকি তিনি বেশ সন্তুষ্ট। একা থাকায় তাই কোনো আক্ষেপ নেই। বর্তমানে আসন্ন ছবি ‘মেট্রো ইন দিনো’র প্রচার নিয়ে ব্যস্ত।

    বিনোদন ডেস্ক