Tag: চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি

  • ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাস্তায় শিল্পীরা

    দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ। তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (১০ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি)-তে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।

    শিল্পী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সব ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছেন শিল্পীরা।

    সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর মানববন্ধনে বলেন, আমরা সবাই জানি, কী ঘটেছে। এবং আমরা সবাই চাই, অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি হোক। আজকের এই সমাবেশ আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আমাদের একটাই দাবি— শিশু ধর্ষণসহ সকল ধর্ষণ ও নারীদের প্রতি সহিংসতার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হোক।

    তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অন্য কেউ এমন অপরাধ করার আগে একবার নয়, দশবার ভাবে। পাশাপাশি, প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে অপরাধীরা কোনোভাবেই রেহাই না পায়।

    শুধু কঠোর শাস্তি যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন মিশা সওদাগর। তিনি বলেন, সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধিও অপরিহার্য। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

    প্রতিবাদ সমাবেশে মিশা সওদাগর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রোজিনা, ডিএ তায়েব, রুমানা ইসলাম, শিপন মিত্র, জয় চৌধুরী, মুক্তি প্রমুখ।

    অনলাইন ডেস্ক

  • বিনা অপরাধে কি শাস্তি পেলেন শাহনূর

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিকে নিয়ে ফের অভিযোগ উঠেছে। এর আগেও একাধিকবার বিতর্কিত কাণ্ডে খবরের শিরোনামে এসেছে এ সমিতির নাম। এবারও একই পথে হাঁটল বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ! 

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্যপদে নির্বাচিত হন চিত্রনায়িকা শাহনূর। কিন্তু ১৯ জানুয়ারি তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় অভিনেত্রী রোমানা ইসলাম মুক্তিকে। 

    এদিন সমিতির কার্যালয়ে সভাপতি মিশা সওদাগর মুক্তিকে শপথ পড়ান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী পরিষদের একাধিক সদস্য। এ প্রসঙ্গে সহ-সভাপতি ডি এ তায়েব জানান, বেশ কয়েকমাস ধরেই সমিতির সঙ্গে শাহনূরের যোগাযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু চিঠির জবাব না পাওয়াতে তার অনুপস্থিতিতে পদটি শূন্য থাকে। সেখানেই মুক্তিকে স্থলাভিষিক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ।’ 

    এদিকে কমিটির এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন নায়িকা শাহনূর। বর্তমানে তিনি আমেরিকা অবস্থান করছেন। যুগান্তরকে জানিয়েছেন, কমিটির অনেকের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাই ‘যোগাযোগ নেই’ এ কথার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। 

    শাহনূর বলেন, ‘আমি আমেরিকায় একটি মানবাধিকার সংস্থার শুভেচ্ছাদূত হিসাবে কাজ করছি। গত তিন মাস ধরে এখানে থাকার কারণে আমি শিল্পী সমিতির কোনো মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতে পারিনি। আমেরিকা আসার আগেই সভাপতির অনুমতি নিয়েই এসেছি। এ ছাড়াও জয় চৌধুরী, নানা শাহ, সনি রহমানসহ অনেকের সঙ্গেই নিয়মিত কথা হচ্ছে। তাহলে কেন বলা হচ্ছে যে, আমি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করিনি? এরকম মন্তব্যে আমি অবাক হয়েছি।’

    এ প্রসঙ্গে মিশা সওদাগরের ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে কল দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে ডি এ তায়েব বলেন, ‘তিনি (শাহনূর) যদি প্রেসিডেন্টের অনুমতি নিয়ে আমেরিকায় যান তাহলে সভায় প্রেসিডেন্ট সেটি উত্থাপন করলেন না কেন, এটি তিনিই ভালো বলতে পারবেন।’ এ প্রসঙ্গে সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরীও শাহনূরের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতি থেকে বহিষ্কার অভিনেত্রী নিপুণ

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে অভিনেত্রী নিপুণ আক্তারকে। জালিয়াতির অভিযোগে অভিনেত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা গেছে, অনৈতিকভাবে সমিতির প্যাড ব্যবহার করে মনগড়া বিবৃতি প্রদান করার অভিযোগে সম্প্রতি কার্যনির্বাহী পরিষদের মিটিংয়ে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

    নিপুণের সমালোচনা যেন পিছুই ছাড়ছে না। কিছু দিন পর পরই নানা ইস্যুতে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। কখনো শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে, কখনো বা বেফাঁস মন্তব্যের জন্য। 

    গত বছরের ১৬ জুলাই শিল্পী সমিতির প্যাড ব্যবহার করে কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে একটি বিবৃতি প্রদান করেন নিপুণ। সেখানে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক ‘সাবেক’ বলেই উল্লেখ করেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, পর দিন (১৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক ওয়ালে সেটি পোস্টও দেন। এ নিয়ে সেই সময় ব্যাপক সমালোচনায় জড়ান তিনি। 

    সমিতির প্যাড ব্যবহার করায় অভিনেতা মিশা ও ডিপজল নেতৃত্বাধীন কমিটি ৩০ জুলাই সমিতির ষষ্ঠ সভায় এ বিষয়টি উত্থাপিত হলে নিপুণকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। তবে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতার একান্ত কাছের মানুষ হওয়ায় কোনো চিঠিই আমলে নেননি নিপুণ। চালিয়ে যান তার সব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। এর পরিপ্রেক্ষিতে সমিতির প্যাড ব্যবহার ও সম্পাদককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় শিল্পী সমিতি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার হয়েছেন অভিনেত্রী।

    এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতে না চাইলেও বহিষ্কারের সত্যতা স্বীকার করেছেন শিল্পী সমিতির সহসভাপতি ও মুখপাত্র অভিনেতা ডিএ তায়েব। অন্যদিকে অভিনেত্রীর ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠালেও তাতে সাড়া দেননি নিপুণ।

    উল্লেখ্য, এর আগে বর্তমান শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজলকে নিয়ে গণমাধ্যমে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করার অভিযোগ উঠে এই বিতর্কিত অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। এ ছাড়া সম্প্রতি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০১ ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে তার পাসপোর্ট অফলোড করে দেয় ইমিগ্রেশন পুলিশ। নিপুণের নামে মামলা না থাকায় পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু আটকের খবর সত্য নয় বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। তবে বিমানবন্দরের বেশ কিছু ফুটেজে তাকে দেখা যায়। 

    বিগত সরকারের আমলে নানাবিধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন নিপুণ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিবৃতি দিয়েও তোপের মুখে পড়েছিলেন তিনি। সেখানেও শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করেন অভিনেত্রী। আবার নিজেকে ‘সাবেক’ সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ করেন। যদিও বর্তমানে তিনি শিল্পী সমিতির কোনো পদে নেই। তা হলে কীভাবে তিনি সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহারের এখতিয়ার রাখেন তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিপুণের বিরুদ্ধে মিছিল, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে ফের উত্তেজনা চলছে। বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক ডিপজলের সঙ্গে সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিপুণের দ্বন্দ্ব এখন চরমে ও দৃশ্যমান। এরই মধ্যে নিপুণের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ডিপজলের পদে বসা স্থগিত হয়েছে হাইকোর্টে। 

    rnrn

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ীদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করার ২৫ দিন পর উচ্চ আদালতে রিট করেন সাধারণ সম্পাদক পদে পরাজিত প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণ। এই রিটের পর সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী ডিপজলের ফলাফলের ওপর ৬ মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। 

    rnrn

    এসব বিষয় নিয়ে বুধবার বিকালে এক সভার ডাক দিয়েছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। সভা শুরুর কিছুক্ষণ আগে এফডিসিতে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে সেখানে কয়েকজন শিল্পী নিপুণের বিরুদ্ধে মিছিল করেন। তারা ব্যানার হাতে নিপুণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদসহ অধিকাংশ পদেই জয়লাভ করে মিশা সওদাগর-মনোয়ার হোসেন ডিপজল পরিষদ। সবার আগে নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ফুলের মালা গলায় দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ। কিন্তু এর ২৫ দিন পরই হাইকোর্টে রিট করেন এই চিত্রনায়িকা।

    rnrn

    আদালতে রিট করা প্রসঙ্গে নিপুণ জানান, ভোটের রাতের অনিয়মের অনেক প্রমাণই রয়েছে তার কাছে। অভিযোগ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা সঠিকটি দেননি। আমার জানামতে ৮১টি ভোট বাতিল হয়েছে। কিন্তু তারা ভোট বাতিল দেখিয়েছে ৪১টি। আর এ ব্যাপারে আমার প্যানেলকে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট কিছুই জানায়নি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যপদ ফিরে পেয়ে যা বললেন জায়েদ খান

    কিছু দিন আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিজয়ী হয়েছে মিশা-ডিপজলের প্যানেল। নতুন কমিটি অভিনেতা জায়েদ খানের সদস্যপদ ফিরিয়ে দিয়েছে। ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে জায়েদ খানের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। এবার নতুন কমিটি এসে জায়েদ খানের সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেল।  

    বৃহস্পতিবার (১৭ মে) সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সহসভাপতি ডিএ তায়েব নিশ্চিত করেছেন বিষয়টি। তিনি জানান, জায়েদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছিল, তার যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা দিয়েছে। তা খতিয়ে দেখার পর সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে জায়েদ খান বলেন, সত্যের জয় সবসময়। নিপুণ নিজে অবৈধ প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছে। সে অবৈধভাবে আমার সদস্যপদ বাতিল করেছে। নতুন কমিটি এসে বিষয়টি তদন্ত করেছে। আমার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। আমি দিয়েছি। এরপরই তারা আমার সদস্যপদ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    গত ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের প্রায় মাসখানেক পর ফল বাতিল চেয়ে নতুন নির্বাচন দাবি করে রিট করেছেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নির্বাচনের দাবি নিপুণের, যা বললেন জায়েদ খান

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষ হয়েছে কয়েক দিন আগে। এরই মধ্যে নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে নির্বাচনে পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নাসরিন আক্তার নিপুণ।

    বুধবার নিপুণ আদালতে রিট দায়ের করেন। রিটে মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞাও চাওয়া হয়েছে। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।

    জানা গেছে, নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এই ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    গত ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নির্বাচন। এতে সভাপতি পদে মিশা ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদ কলি ১৭০ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ডিপজল পেয়েছেন ২২৫ ভোট। ১৬ ভোট কম পেয়ে হেরে যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ। তিনি পেয়েছেন ২০৯ ভোট।

    এদিকে, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে  নিপুণের এই রিটের প্রতিক্রিয়ায় জায়েদ খান  বলেন, ‘একজন মানুষ লোভে পড়ে, যোগ্যতাহীনভাবে একটা চেয়ারকে ধরে রাখার জন্য কতটা নিচে নামতে পারেন সেটা উনি দেখিয়ে দিয়েছেন। ফুলের মালা পরিয়ে দিয়ে বলে গেলেন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। সব মেনে নিয়ে ওনার এত দিন পরে মনে হলো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।’

    জায়েদ খান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এ ধরনের নোংরা মনমানসিকতার শিল্পীকে সকল শিল্পী মিলে প্রতিহত করবেন। আইন বা রিটের বিষয়ে তো আমি কিছু বলতে পারব না, তবে নতুন কমিটিকে মালা পরিয়ে দিয়ে এখন আবার উল্টো কথা বলেন। এটা দ্বৈতনীতি। ’

    নিপুণের রিট প্রসঙ্গে জায়েদ আরও বলেন, ‘এটি উনি আলোচনায় থাকার জন্য করেছেন। ওনার আলোচনায় আসা দরকার। ওনার কারণে সব শিল্পীরা নিচে নেমে যাচ্ছেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোট দিতে পারেননি একঝাঁক তারকাশিল্পী

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষ্যে শুক্রবার এফডিসিতে ছিল সাজ সাজ রব। সকাল ৯টা থেকেই শিল্পীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এফডিসি। বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত চলেছে ভোটগ্রহণ। তবে এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি ঢাকাই সিনেমার একঝাঁক অভিনয়শিল্পী।

    rnrn

    তারা হলেন- অরুণা বিশ্বাস, সাদিকা পারভীন পপি, শাকিব খান, ফেরদৌস আহমেদ, মৌসুমী, আজিজুল হাকিম, আনিসুর রহমান মিলন, মৃদুলা আহমেদ রেসি, বিপাশা কবির, সোহানা সাবা, শাহরিয়ার নাজিম জয়, পুষ্পিতা পপিসহ আরও কয়েকজন শিল্পী।

    rnrn

    তবে তাদের ভোট দিতে না পারার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই। ব্যক্তিগত কাজে দেশের বাইরে অবস্থানের কারণে ভোট দিতে পারেননি এ তারকা অভিনয়শিল্পীরা।

    rnrn

    গত নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হয়েছিলেন অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। তবে এবার ভোটের মাঠ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। দেশে না থাকার কারণে ভোট দিতে পারেননি তিনি। কানাডা থেকে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘দেশে থাকলে অবশ্যই ভোট দিতে এফডিসি যেতাম। কিন্তু বিশেষ কারণে দেশে না থাকায় ভোট দিতে পারছি না। সবাইকে খুব মিস করছি।’

    rnrn

    জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে আড়ালে থাকার কারণে গতবারের মতো এবারও ভোট দিতে আসেননি চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। বিয়ে করে গোপনে সংসার করছেন এ অভিনেত্রী। গুঞ্জন রয়েছে, সন্তানও জন্ম দিয়েছেন তিনি।

    rnrn

    এদিকে দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। গত বছরের শেষদিকে দেশে এলেও দুই মাস পর তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। তবে তিনি নির্বাচন উপলক্ষ্যে দেশে এসেছেন। দিয়েছেন ভোটও। বিরক্ত হয়েছেন অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেখে।

    rnrn

    দেশের এ সময়ের সেরা নায়ক শাকিব খান শিল্পী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দুইবার। তাকেও শুক্রবার এফডিসিতে দেখা যায়নি। জানা গেছে, নতুন একটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য বর্তমানে তিনি অবস্থান করছেন ভারতে।

    rnrn

    মৌসুমী রয়েছেন আমেরিকায়। ফেরদৌস গিয়েছেন আমেরিকায় একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে। দেশটিতে অবস্থান করছেন ঢাকাই সিনেমার আরও বেশ কয়েকজন তারকাশিল্পী। তাই তাদের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দেখা যায়নি।

    rnrn

    তবে নির্বাচনে ভোট দিতে এসেছেন একসময়ের দাপুটে অভিনেতা আহমেদ শরীফ। তিনিও বর্তমানে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন। এ মুহূর্তে দেশে রয়েছেন এ অভিনেতা।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভোট সম্পন্ন

    উৎসাহ উদ্দীপনায় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বিএফডিসি প্রাঙ্গণে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলে এ ভোটগ্রহণ। এদিন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান করেছেন ৪৭৫ ভোটার। 

    rnrn

    শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের পরপরই গণনা শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। রাত ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছে বলে জানা গেছে।

    rnrn

    এবারের নির্বাচনে ভোটার ৫৭০ জন। ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির এ নির্বাচনে ছয়জন স্বতন্ত্রসহ দুটি প্যানেল থেকে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। সদস্য হিসাবে আছেন নির্মাতা এজে রানা ও বিএইচ নিশান। এবার প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেলের মধ্যে একটিতে জোট বেঁধেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের দাপুটে দুই অভিনেতা মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল। আরেক প্যানেল থেকে লড়ছেন সোনালি দিনের নায়ক মাহমুদ কলি ও নায়িকা নিপুণ আক্তার।

    rnrn

    ভোট দিতে একসঙ্গে তিন কন্যা : ঢালিউডের ‘তিন কন্যা’ বলা হয় বরেণ্য অভিনয় শিল্পী সুচন্দা, ববিতা ও চম্পাকে। ষাট, সত্তর, আশি ও নব্বই- এ চার দশক চলচ্চিত্রপ্রেমীদের ক্রমান্বয়ে মাতিয়ে রেখেছিলেন তারা তিন বোন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা। এ তিন বোন একসঙ্গে বিএফডিসিতে এসেছিলেন ভোট দিতে। দুপুরের বিরতির পর ২টা ৪৫ মিনিটে বিএফডিসিতে আসেন তারা। শিল্পীরা তাদের দেখে আনন্দে স্লোগান দেন। 

    rnrn

    ভোট দেওয়া শেষে ববিতা বলেন, এফডিসিতে আসা বন্ধই করে দিয়েছিলাম। অনেকদিন পর এলাম। সবার সঙ্গে দেখা হবে, সে কারণেই আসা। যারা সত্যিকার অর্থে কাজ করবেন তাদেরকেই ভোট দিয়েছি। 

    rnrn

    সুচন্দা বলেন, ভোট দিতে প্রত্যেকবারই আসি। এখন নতুন-পুরাতন সবাই মিলে নির্বাচনে নেমেছেন। আমাদের এ সমিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যারা সততার সঙ্গে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবেন বলে মনে হয়েছে তাদেরকেই ভোট দিয়েছি। যাতে আমাদের সংগঠন আরও সুন্দর হয়। 

    rnrn

    চম্পা বলেন, যারা নির্বাচন করছেন প্রত্যেকে আমার প্রিয়। আমি মনে করি, আমরা সবাই মিলে এক। সবাই মিলে যদি এগিয়ে আসতাম তাহলে আমাদের শিল্পটাকে অনেক এগিয়ে নিতে পারতাম।

    rnrn

    নীরবে এফডিসি ত্যাগ করলেন ইলিয়াস কাঞ্চন : ২০২২ সালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নিপুণের সঙ্গে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন ইলিয়াস কাঞ্চন। শুরু থেকেই আলোচনার পাশাপাশি কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদকে অনেক বেশি সমালোচনাও মোকাবিলা করতে হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নানা কোন্দলে কমিটির নির্বাচিত ২১ সদস্যকে একসঙ্গে দুই বছরে একটি সভায়ও পাওয়া যায়নি। নির্বাচিত একাধিক সদস্যের সদস্যপদও বাতিল করা হয়। এমন পরিস্থিতির কারণে হয়তো সদ্য বিদায়ি সভাপতি হিসাবে ভোট দিতে এসে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তিনি। 

    rnrn

    ভোট দেওয়ার পর অন্য শিল্পীরা যেখানে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন, জানিয়েছেন নতুন কমিটির কাছে প্রত্যাশার কথা, সেখানে ভোট দিয়ে অনেকটা নীরবেই চলে যান এ অভিনেতা।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন কাল

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক (২০২৪-২৬) নির্বাচন শুক্রবার। এ নিয়ে এফডিসিতে উৎসবের আমেজ বইছে। আলোচনা, সমালোচনা, তর্কবিতর্ক- সবকিছুর মধ্য দিয়েই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন কামনা করছেন প্রার্থীরা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) সকাল ৯টায় শুরু হয়ে দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

    rnrn

    এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে জোট বেঁধেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের দাপুটে দুই অভিনেতা মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল। আরেক প্যানেল থেকে লড়বেন নায়ক মাহমুদ কলি ও নায়িকা নিপুণ আক্তার।

    rnrn

    মিশা-ডিপজল পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতি মাসুম পারভেজ রুবেল ও ডিএ তায়েব; সহসাধারণ সম্পাদক আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আলেকজান্ডার বো, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক ডন এবং কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী কমল। এই প্যানেলে কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন অভিনেত্রী সুচরিতা, রোজিনা, আলীরাজ, সুব্রত, দিলারা ইয়াসমিন, শাহনূর, নানা শাহ, রত্মা কবির, চুন্নু, সাঞ্জু জন ও ফিরোজ মিয়া।

    rnrn

    আর মাহমুদ কলি-নিপুণ প্যানেলে অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতি পদে ড্যানি সিডাক ও অমিত হাসান; সহসাধারণ সম্পাদক বাপ্পি সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জনা রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মারুফ আকিব, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক কাবিলা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন ও কোষাধ্যক্ষ পদে অভিনেতা আজাদ খান। এ প্যানেলে কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদে প্রার্থীরা হলেন সুজাতা আজিম, নাদের চৌধুরী, পীরজাদা হারুন, পলি, জেসমিন আক্তার, তানভীর তনু, মো. সাইফুল, সাদিয়া মির্জা, সনি রহমান, হেলেনা জাহাঙ্গীর ও সাইফ খান।

    rnrn

    নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে দুই প্যানেলের প্রার্থীরাই আশাবাদী। পোস্টার-ব্যানারে চলছে জোর প্রচার।

    rnrn

    এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরুর সঙ্গে সদস্য হিসাবে আছেন এজে রানা ও বিএইচ নিশান।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে যা বললেন নিপুণ

    আগামী ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। এ নির্বাচনের শেষ সময়ে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। সোমবার নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন নিপুণ আক্তার। 

    সোমাবর নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, আজ থেকে প্রচারণায় নেমেছি। এফডিসিতে মানুষের আনাগোনা দেখে বলা যায় উৎসব মুখোর পরিবেশে প্রচারণায় নেমেছি।   

    নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে নিপুণ বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ খুব ভালো। দুই প্যানেলেই সবাই আসছে। সবার সঙ্গে সবাই যোগাযোগ করছে। সবমিলিয়ে বলা যায় নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।      

    এবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে। এই বিষয়টি নিয়ে নিপুণের মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে। আমাদের নির্বাচন নিয়ে তো ব্যাপকভাবে আলোচনা হয়। আমার তরফ থেকে এটা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। 

    ইশতেহার প্রসঙ্গে নিপুণ বলেন, আমি এই মুহূর্তে ইশতেহার নিয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। আমরা শিগগিরই ইশতেহার দেবো, তখন বিস্তারিত জানাবো।  

    নিপুণ আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে আমার কিছু বিষয় নিয়ে অভিযোগ ছিল। সে সময়ে মিডিয়ার কর্মীরা আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। আমি সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করি। এখন পর্যন্ত যা দেখছি, আমার মনে হচ্ছে- ১৯ এপ্রিল একটা সুষ্ঠু নির্বাচন পেতে যাচ্ছি।

    বিনোদন ডেস্ক