Tag: চয়নিকা

  • চয়নিকা-বুবলীকে নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য পরীমনির

    ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনি বর্তমান কলকাতায় সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত। এরই ফাঁকে আমি বেয়াদব, সারা জীবন বেয়াদবী করেই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চাই। এমনইভাবে নিজের দুঃখ প্রকাশ করলেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি। তিনি বলেন, অকারণে অনেকেই আমাকে ভুল বোঝে। 

    সম্প্রতি বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও কথা বলেন পরীমনি। আর সেখানেই চয়নিকা আর বুবলীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন অভিনেত্রী।

    শুটিংয়ের ফাঁকেই আনন্দবাজারে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন পরীমনি। ওই সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলাপ করেন তিনি।

    আলাপচারিতার শুরুতেই পরী জানান, কলকাতায় এটি তার দ্বিতীয় সফর। এর আগেও সিনেমার শুটিং করতে ১২ দিনের জন্য কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। পুরোপুরি বাণিজ্যিক সিনেমাতেই কাজ করতে অভ্যস্ত হলেও নিজের অভিনয় প্রতিভা বাড়াতে এবার ভিন্ন ধারার সিনেমায় অভিনয় করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন পরী।

    কলকাতার সিনেমায় শুটিং শুরু করার পরই ওপার বাংলার একাধিক সিনেমায় অভিনয় করার অফার পাচ্ছেন তিনি। যে কারণে বছরের অর্ধেকটা সময় কলকাতায় থাকার ইচ্ছাও জানিয়েছেন এ নায়িকা।

    আড্ডার এক ফাঁকে পরীকে প্রশ্ন করা হয় নায়িকা হিসেবে তিনি বিতর্কিত নাকি সমালোচিত? এমন প্রশ্ন শুনে তিনি বলেন, আসলে আমাকে বেশিরভাগ লোকই অকারণে ভুল বোঝে। এমন সব উদ্ভট তথ্য বলে যে মাঝে মাঝে আমিই দ্বিধায় পড়ে যাই যে তারা কোন পরীর কথা বলছে?

    পরীকে নিয়ে বেশি কোন ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে পরী বলেন, আমি ব্যক্তিগত নয়, শুধু কাজের জগতের কথাই বলতে পারি। এই যেমন অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে, আমি নাকি শুটিং ফাঁসাই। আবার ব্যক্তিগত জীবনে আমাকে নিয়ে যে ভুল ধারণা রয়েছে সেটি হলো আমার অনেক প্রেমিক, আমার বরও অনেক। এসব ব্যাপারে আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি। যারা আমাকে নিয়ে এসব ভুল ব্যাখ্যা দেবে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেব।

    এরপরই তিনি বলেন, আসলে আমি খুব স্পষ্টভাষী। মনে এক মুখে আরেক; এমন আমি কখনও ছিলাম না আর কখনও হতেও চাই না। বাস্তব জীবনে অভিনয় করতে পারব না। আমি মনে করি, আমার জীবনটা সিনেমা নয়, তাই অত ‘ফিল্টার’-ও দিতে চাই না।

    শুটিং ফাঁসানো প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আমি শুধু এটুকুই বলব, যে কোনো সিনেমার কাজ নিলে তা দায়িত্ব নিয়ে শেষ করি। তবে হ্যাঁ, দুই একদিন ব্যতিক্রম হতে পারে। এটা দেখে যদি কেউ আমাকে অপেশাদার ভাবেন, প্রকাশ্যে আমাকে নিয়ে সমালোচনা করেন তাহলে বিষয়টি সত্যি কষ্টদায়ক। এসময় নাম প্রকাশ না করে পরী বলেন, তাই আমি ঠিক করেছি, আর কখনও নারী পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করব না। করলেও বুঝেশুনে করব। অকারণে বদনাম বা বেয়াদব হতে চাই না।

    আলাপচারিতার এক পর্যায় ঢালিউড চিত্রনায়িকা বুবলী প্রসঙ্গ উঠতেই পরী বলেন, দেখুন আমি আমার ছেলের ব্যাপারে বরাবরই সিরিয়াস। পদ্মর ব্যাপারে কিছু করতে গিয়ে আমি কাউকে কপি করি না। আবার নিজের আবেগের বহিঃপ্রকাশ কেউ কপি করলে তা মেনেও নিতে পারি না।

    বুবলী প্রসঙ্গে পরী আরও বলেন, আমার ইমোশন হঠাৎ করে আসে না। যখন প্রথম মা হতে চলেছি জানতে পারি, ৩ মিনিটের মধ্যে তখনই আমার ভক্তদের সঙ্গে বিষয়টা শেয়ার করেছি। যখন অনুভব কললাম আমার বেবিবাম্প, সঙ্গে সঙ্গেই সে অনুভূতি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছি। হঠাৎ সন্তান জন্মের দুই বছর পর নিজের বেবিবাম্প ভক্তদের দেখানোর জন্য হাজির হইনি।

    এরপরই পরী বলেন, ছেলের জন্মদিনে নিজের আবেগ নিয়ে যে ভিডিও আমি বানিয়েছি, সেটা বাচ্চার তিন বছর পরে আমার আবেগ কাজ করবে না। আমি বলতে চাইছি, আমার আবেগ হঠাৎ করে আসে না। আর তাৎক্ষণিক যেটা আসে সেটা কারো কপি করা হয় না। আমি মনে করি প্রত্যেক মায়েরই মা হওয়ার একটা সুন্দর জার্নি আছে। মানুষ ভেদে অনুভূতিগুলো যেমন আলাদা, তেমনি প্রকাশের ধরনও আলাদা হওয়া উচিত।

    প্রসঙ্গত, ব্যক্তিগত জীবনে এই মুহূর্তে চিত্রনায়িকা বুবলীল সঙ্গে মনোমালিন্য চলছে পরীর। আর মনোমালিন্য বাড়াতে তাতে আরও ঘি দিয়েছেন পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী। পরী-বুবলী দ্বন্দ্বের মাঝেই চয়নিকা বুবলীর প্রশংসা করে বলেন, ‘বুবলীকে নিয়ে কাজ করা অনেক আরাম, সে বেয়াদব নয়’। এরপর থেকেই চয়নিকার এমন মন্তব্য ভালো চোখে দেখেননি পরী। সবশেষে সরাসরি নাম প্রকাশ না করে নারী পরিচালকের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢালিউড এ চিত্রনায়িকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নানাকে হারালেন পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির নানা শামসুল হক গাজী মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২ টা ১১ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। 

    rnrn

    বিষয়টি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী। 

    rnrn

    পোস্টে চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, গুলশানের আজাদ মসজিদে মরদেহ গোসলের পর ভোর ৪টার দিকে নিজ গ্রাম পিরোজপুরে রওয়ানা হয়েছেন পরীমনি। সেখানেই তাকে শায়িত করা হবে।

    rnrn

    দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন পরীর নানা শামসুল হক গাজী। চিকিৎসার জন্য ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। গত মাসে একটা অপারেশন হয়েছে তার। অপারেশনের আগের দিন পরীমনি হাসপাতালে রাজ্যর (পরীমনির ছেলে) সঙ্গে হাস্যজ্জ্বল নানার একটা ভিডিও শেয়ার করেন।

    rnrn

    উল্লেখ্য, পরীমনি খুব ছোটবেলায় মা’কে হারান, একটু বড় হয়ে বাবাকে হারিয়ে বড় হন পিরোজপুরে তার নানা শামসুল হক গাজীর কাছে। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর নানাই ছিলেন পরীমনির একমাত্র অবলম্বন। নানার প্রতি এই নায়িকার অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা সবার জানা।

    বিনোদন ডেস্ক