Tag: চয়নিকা চৌধুরী

  • শাকিব-বুবলীর একসঙ্গে কাটানো সেই স্মৃতি সামনে আনলেন নির্মাতা

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান, চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী এবং তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কাটানো কিছু মুহূর্ত একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সেই স্মৃতিই আবার সামনে আনলেন নাট্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

    সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডিতে এক বছর আগে করা একটি পোস্টের ‘মেমোরি’ শেয়ার করে তিনি লেখেন, মেমোরি, এই দিনে… টাইম ফ্লাইস ফাস্ট… (সময় দ্রুতই চলে যায়)।

    ২০২৫ সালের ওই পোস্টে শাকিব খান, বুবলী ও তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন চয়নিকা। তিনি লিখেছিলেন, একজন শাকিব খান, একজন শবনম বুবলী, একজন শেহজাদ খান বীর। অনেক অনেক অভিনন্দন। বন্ধু দিবসে এই ছবিগুলো দেখে আনন্দে চোখে জল এলো।

    তিনি আরও লেখেন, কিছু সম্পর্কের টান এমনই হয়—সময়, দূরত্ব কিংবা নীরবতা কিছুই তা থামিয়ে রাখতে পারে না। তারা হয়তো দুটি মানুষ, কিন্তু গল্পটা সবসময়ই একটাই ছিল। তারা দুজনেই শেহজাদ খান বীরের মা-বাবা। এটাই সবচেয়ে বড় সত্য এবং সবচেয়ে সুন্দর।

    পোস্টে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জীবনে কখনো কখনো ফিরে আসাটাই সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত। আর একবার দুটি আত্মা এক হয়ে গেলে সেটি আর শুধু ফিরে আসা নয়, বরং হয়ে ওঠে ভালোবাসার চিরস্থায়ী মেলবন্ধন।

    ছেলে বীরকে উদ্দেশ করে তিনি লেখেন, মা-বাবার সঙ্গে কাটানো সুন্দর স্মৃতিগুলো সন্তানের জীবনে অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে। তিনি শাকিব ও বুবলীর সুখী পারিবারিক জীবনের জন্য শুভকামনাও জানান।

    চয়নিকা চৌধুরীর সেই আবেগঘন পোস্টটি একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এক বছর পর একই পোস্টের স্মৃতি শেয়ার করায় সেটি আবারও ভক্তদের নজর কাড়ে।

    এদিকে শাকিব খান বর্তমানে তার নতুন সিনেমা ‘সোলজার’-এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে বুবলী সম্প্রতি দ্বিতীয়বারের মতো মা হয়েছেন। গত ১১ মে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবকে নায়ক হিসেবে চান চয়নিকা চৌধুরী, কে হবেন নায়িকা?

    শোবিজ অঙ্গনে দীর্ঘ ২৪ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার জনপ্রিয় নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর। এ পর্যন্ত চারশতাধিক নাটক ও তিনটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন তিনি। ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ‘শেষবেলায়’ নাটকে পরিচালনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু তার। বর্তমানে নতুন একটি সিনেমা নিয়ে কাজ করছেন এই নির্মাতা। যার নাম ‘সখা সোলমেট’। এরই মধ্যে সিনেমাটির শ্যুটিংও শুরুর প্রস্ততি নিচ্ছেন তিনি।
    বুধবার সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ারের স্মৃতিচারণ করে বেশ আপ্লুত হন চয়নিকা চৌধুরী। তার পরিচালনার জীবনের শুরুটা কেমন ছিল, কারা সঙ্গে ছিলেন, কেমন ছিল সময়টি – পেছনে থাকা সব গল্পগুলো তুলে ধরেন চয়নিকা।
    বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমের নজরে আসলে সেখানে বিষয়টি খোলাসা করেন চয়নিকা চৌধুরী। 
    এই পরিচালক জানান, শুরুর দিকটা খুব লড়াই করে চলতে হয়েছে তাকে। একেতো মহিলা পরিচালক, তার ওপরে আনকোরা স্বভাবের। তার প্রথম নাটকে তাই কোনও নায়কও কাজ করতে চাননি। যদিও সেই অনুভূতি তিনি ধরে রাখেননি। তবে শিক্ষা নিয়েছেন সেই ঘটনা থেকে।
    চয়নিকার কাছে প্রশ্ন করা হয়, টালিউডে বাংলা ছবি পরিচালনা করবেন কী না? করলে নায়ক-নায়িকা হবেন কে? উত্তরে টালিউড নায়ক দেবকে নিয়ে উচ্ছসিৎ হন চয়নিকা।
    এই পরিচালক বলেন, টালিউডে আমার পছন্দের একগুচ্ছ মানুষ আছেন। সব সময়ের প্রিয় উত্তমকুমার-সুচিত্রা সেনের ছবি। ভাল লাগে অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, রেখা, কাজল, মাধুরী দীক্ষিতকে। কিন্তু, দেবকে কী যে ভাল লাগে! ওর মধ্যে নায়কের সমস্ত গুণ রয়েছে। খুব আপন মনে হয় ওকে। দেবকে নিয়ে একটা প্রেমের ছবি বানানোর স্বপ্ন দেখি। লোকে বলে, আমি নাকি প্রেমের গল্প খুব ভাল বানাতে পারি।
    এর আগে টালিউডে যৌথ পরিচালনার ডাক পেয়েছিলেন চয়নিকা চৌধুরী। তখন ব্যস্ততার কারণে সাড়া দিতে পারেননি তিনি। এবার তিনি একা একটি ছবি পরিচালনা করতে চান বলে জানান। দেবের বিপরীতে বেছে নিতে পারেন তার দুই ‘মানসকন্যা’ পরীমণি কিংবা বুবলীকে। 
    তার কথায়, আমার প্রথম মেয়ে যেমন দেখতে, তেমনই মিষ্টি স্বভাবের। দ্বিতীয় জন দুর্দান্ত পেশাদার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবকে পেতে চান চয়নিকা

    ভারতের ছবিও দেখেন চয়নিকা চৌধুরী। শাহরুখ খানের ‘কভি খুশি কভি গম’ তার প্রিয়। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘অর্ধাঙ্গিনী’ তাকে কাঁদিয়েছে।

    বিনোদন জগতের শুরুটা ছিল ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। ‘শেষবেলায়’ টেলি-নাটকের মধ্য দিয়ে ঢালিউডে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন চয়নিকা চৌধুরীর। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় কাহিনিকারও তিনি। 

    আনন্দবাজার অনলাইনের এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী বলেছেন, একদিনের জন্য তিনি পরিচালনায় বিরতি নেননি। ২৪ বছরের পরিচালনার পর ঝুলিতে ৪০০-রও বেশি নাটক, তিনটি ছায়াছবি করেছেন। তিনি বলেন, শিগগিরই শুরু করবেন চতুর্থ ছবি ‘সখা সোলমেট’-এর শুটিং। পরিচালক বলেন, বুধবার সকাল থেকেই তিনি স্মৃতিমেদুর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতীত বিহার করেছেন। প্রথম দিনের কথা মনে পড়ে? 

    তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা পঙক্তি আজ খুব মনে পড়ছে। কবিগুরু লিখেছিলেন—মনে রে আজ কহো যে/ ভাল-মন্দ যাহাই আসুক/ সত্যেরে লও সহজে’। সেই অনুভূতি থেকে বলতে পারি, আমি ভাগ্যবান। দুটো যুগের সাক্ষী আমি। নতুন-পুরোনো সময়ের সব ভালো গ্রহণ করতে পেরেছি। 

    তিনি বলেন, পরিচালকের ছাত্রদশা এখনো ঘোচেনি। পাশাপাশি ভোলেননি প্রথম দিকের লড়াই। চয়নিকার মনে আছে— একে নারী পরিচালক। তার ওপরে আনকোরা। তার প্রথম নাটকে তাই কোনো নায়ক অভিনয় করতে চাননি! তিনি বলেন, আমি অবশ্য সেই অনুভূতি ধরে রাখিনি। তবে শিক্ষা নিয়েছি এ ঘটনা থেকে। এ ধরনের লড়াই তাকে আরও জেদি করেছে। তিনি পেশাজীবনকে আরও আঁকড়ে ধরেছেন।

    কলকাতার বাংলা ছবির মতো বাংলাদেশেও বাণিজ্যিক আর সমান্তরাল ধারার ছবি বানানোর চল রয়েছে। চয়নিকা কোন ধারায় স্বচ্ছন্দ?—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ২৪ বছর ধরে পরিচালনার পর আমি নিজেকে ‘মিশ্র’ বলতে ভালোবাসি। নিজের কথার পক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন তিনি। এ পরিচালক বলেন, সময়ের সঙ্গে তাল মেলানো সবসময় দরকার। তার মানে এই নয়, তিনি গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসাতে ভালোবাসেন। তার ছবিতে অতীত আর আধুনিকতা হাত ধরাধরি করে জায়গা করে নেয়। চয়নিকা বলেন, আগেকার পারিবারিক গল্পের সঙ্গে এই প্রজন্মের ভাবনা মিলিয়ে তাই ছবি বানানোর চেষ্টা করি।

    চয়নিকা বলেন, আমার সময়ে ‘নয়নমণি’, ‘ডুমুরের ফুল’, ‘বসুন্ধরা’-র জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিল। এখন ‘তুফান’, ‘রাজকুমার’ দেখছি। আমার কিন্তু খারাপ লাগছে না। কারণ আমরা এখন হইচই, নেটফ্লিক্স, হটস্টারের মতো ওয়েব প্ল্যাটফর্ম দেখি। ফলে বাংলাদেশের ছবির গতিও আগের তুলনায় এখন অনেক দ্রুত। একইভাবে তিনি ভারতের ছবিও দেখেন। শাহরুখ খানের ‘কভি খুশি কভি গম’ তার প্রিয়। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘অর্ধাঙ্গিনী’ তাকে কাঁদিয়েছে।

    চয়নিকা উচ্ছ্বসিত দেবকে নিয়ে। তিনি বলেন, টালিউডে আমার পছন্দের একগুচ্ছ মানুষ আছেন। সবসময়ের প্রিয় উত্তমকুমার-সুচিত্রা সেনের ছবি। ভালো লাগে অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, রেখা, কাজল, মাধুরী দীক্ষিতকে। কিন্তু দেবকে কী যে ভালো লাগে! ওর মধ্যে নায়কের সব গুণ রয়েছে। খুব আপন মনে হয় ওকে। দেবকে নিয়ে একটা প্রেমের ছবি বানানোর স্বপ্ন দেখি। লোকে বলে, আমি নাকি প্রেমের গল্প খুব ভালো বানাতে পারি। এ পরিচালক বলেন, তিনি এর আগে টালিউডে যৌথ পরিচালনার ডাক পেয়েছিলেন। তখন ব্যস্ততার কারণে সাড়া দিতে পারেননি। এবার তিনি একা একটি ছবি পরিচালনা করতে চান। দেবের বিপরীতে বেছে নিতে পারেন তার দুই ‘মানসকন্যা’ পরীমনি কিংবা বুবলীকে। তিনি বলেন, আমার প্রথম মেয়ে যেমন দেখতে, তেমনই মিষ্টি স্বভাবের। দ্বিতীয় জন দুর্দান্ত পেশাদার।

    দীর্ঘ পথ পেরিয়ে চয়নিকা বুঝতে শিখেছেন— কিছু মানুষ চলার পথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। কিন্তু কাজ কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না। আজীবন সঙ্গে থেকে যায়। দীর্ঘ দিন থেকে যায় মানুষের অন্তরে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার বুবলীর উদ্দেশ্যে যা বললেন চয়নিকা চৌধুরী

    ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত ‘প্রহেলিকা’ সিনেমা। এতে অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ ও চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। দর্শক জনপ্রিয়তা পেয়েছে সিনেমাটি। 

    প্রহেলিকা ছবিতে মাহফুজ-বুবলীর রসায়ন দারুণ উপভোগ করেছেন ভক্তরা। বিশেষ করে বুবলীর অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার। 

    ব্যক্তিজীবনের নানা আলোচনা-সমালোচনাকে পেছনে ফেলে অভিনয়ে ব্যস্ত হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তাই তার উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন ‘প্রহেলিকা’র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। 

    তিনি চিঠিতে লেখেন—
    প্রিয় অর্পা, (সিনেমায় বুবলীর চরিত্রের নাম) প্রহেলিকা তোমাকে নতুন জীবন দিয়েছে। সিনেমায় তোমার যোগ্যতা, অভিনয় দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছো। 

    তোমাকে যেদিন প্রথম কাষ্ট করেছিলাম, স্ক্রিপ্ট পড়তে গিয়ে রিহার্সালের সময় তোমার চোখ ভিজেছিল, চোখের জল পড়েছিল, সেদিনই বুঝেছিলাম আমি অর্পাকে পেয়েছি।

    তার পরের কথা মুখে বলার প্রয়োজন নেই। বিভিন্ন ইন্টারভিউতে যখন বারবার বলেছিলাম— ‘দর্শক নতুন এক বুবলীকে খুঁজে পাবে!’ অনেকেই হয়তো হেসেছিল। কিন্ত আজ তা সূর্যের মতোই সত্যি। জ্বলজ্বল করছে তোমার নাম সবার মুখে মুখে। কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি। কিন্ত বিশ্বাস ছিল আমার মনে।

    বুবলী, অনেক গর্ববোধ করছি আমি, আমরা সবাই। পৃথিবীতে আমি থাকি বা না থাকি, প্রহেলিকা তোমাকে সবার থেকে আলাদা করে অনেক বড় জায়গাতে নিয়ে গেছে ভেবে আমার আনন্দ হবে প্রতিমুহুর্তে। 

    এই অর্পা থেকে যাবে সবার মনে, ভাবতেই আমার চোখ ঝাপসা হয়ে গেল। তোমার মতো দারুণ মনের একজন শিল্পীকে, একজন মানুষকে আমি সম্মান করি, ভালোবাসি।

    তুমি আমার কাছে একজন মেধাবী তুখোড় অভিনয়শিল্পী। এটিকে ধরে রেখো। কাজটাই থেকে যায় সবার মনের ভেতরে। কাজটাই সত্য। কাজটাই প্রেম। শুধু মনে রেখো আমাকে। এমন করেই ভালোবেসো। বদলে যেও না কখনই। আর কিছু চাই না।

    বিনোদন ডেস্ক