Tag: চঞ্চল চৌধুরী

  • এবার সারা দেশে সিঙ্গেল স্ক্রিনে মুক্তি পাচ্ছে ‘দম’

    রেদওয়ান রনি পরিচালিত আফরান নিশো অভিনীত ‘দম’ সিনেমার দম এবার দেখা যাবে সারা দেশ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সারা দেশের সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোয় মুক্তি পাচ্ছে এ সিনেমাটি।

    এর আগে পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সবকটি মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেয়ে বাজিমাত করেছে ‘দম’ সিনেমাটি। এবার দেশের বড় ও নামকরা সব সিঙ্গেল স্ক্রিনে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মাত করার পালা।

    এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড ও চরকি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করেছে, ৫০টিরও বেশি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হবে ‘দম’ সিনেমাটি। ফলে সারা দেশের সাধারণ সিনেমাপ্রেমীরা সহজেই সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন। সিঙ্গেল স্ক্রিনের তালিকায় আছে— ঢাকার মধুমিতা, শ্যামলী সিনেমা হল, সাভারের সেনা অডিটরিয়াম, রংপুরের শাপলা, ময়মনসিংহের ছায়াবাণী, পাবনার রূপকথা, বরিশালের অভিরুচি, জয়দেবপুরের বর্ষা, সিলেটের নন্দিতা, যশোরের মণিহার প্রমুখ।

    এ বিষয়ে এসভিএফ আলফা–আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল গণমাধ্যমে বলেন, পরিকল্পনা আগেই ছিল— পাইরেসির ঝুঁকি এড়াতেই শুরুতে সিনেমাটি শুধু মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি দেওয়া হবে। সে মোতাবেক আমরা পাল্টিপ্লেক্সে ‘দম’ মুক্তি দিয়েছি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের আগ্রহ ও প্রতীক্ষা বাড়তে থাকে এবং সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এবার সিঙ্গেল স্ক্রিনে মুক্তি দিচ্ছি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যদিও ‘দম’ সিনেমা দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। এর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও কানাডায় সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে এবং সেখানে দর্শকদের অভাবনীয় সাড়া পাচ্ছে। উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটির জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে যে, মাত্র এক সপ্তাহেই সেখানে হলের সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে ৫০-এ উন্নীত হয়েছে। একইভাবে কানাডাতেও প্রথম সপ্তাহে ৮টি হলে মুক্তি পায় সিনেমাটি। প্রযোজনাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা অপেক্ষা করছেন ‘দম’ সিনেমার জন্য।

    একে একে বিভিন্ন দেশে ‘দম’ মুক্তি দেওয়া হবে এবং দর্শকরা কেউই বঞ্চিত হবেন না ‘দম’ দেখা থেকে। বিদেশের মাটিতে দেশি সিনেমার এ জয়জয়কার প্রমাণ করে যে, বিশ্বমানের গল্প বলতে পারলে বাংলা সিনেমার চাহিদা সবখানেই রয়েছে।

    শাহরিয়ার শাকিল আরও বলেন, ‘দম’ সিঙ্গেল স্ক্রিনে মুক্তির প্রস্তুতি একদম শেষ দিকে। নতুন পোস্টার ডিজাইন করা হয়েছে, সেগুলো প্রিন্ট হয়ে গেছে। এখন সেগুলো সিনেমা হলে পাঠানোর কাজ চলছে। ‘অভিনেতা আফরান নিশোর ভক্ত এবং সাধারণ দর্শক, যারা এতদিন সিনেমাটি দেখার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা এবার নিরাশ হবেন না।

    বড় পরিসরের মুক্তি নিয়ে স্বাভাভিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত ‘দম’ সিনেমার পরিচালক রেদওয়ান রনি। তিনি বলেন, ‘দম’ সিনেমা আমার কাছে শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি বাংলাদেশের এবং বাংলাদেশির বিজয়ের গল্প। দেশের মানুষের কাছে এমন একটি অদম্য সাহসিকতার গল্প নিয়ে যেতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। শুরু থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের ভালোবাসা নির্মাতা হিসেবে আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।

    ‘দম’ সিনেমা প্রসঙ্গে আফরান নিশো গণমাধ্যমে বলেন, আমার মনে আছে— একদম প্রথম যখন রনি আমাকে গল্পের ভাবনাটা বলে, তখনই সোল্ড আউট হয়ে গেছি। একটা জিনিস পেলাম আর করে ফেললাম, এ রকম নই আমি।

    তিনি বলেন, আই অ্যাম ব্লেসড যে, আমি স্থির হয়ে চিন্তা করতে পারি, আমি যে ধরনের ভিশন ভিজ্যুয়ালাইজ করি বা পারফরমার হিসেবে নিজের গ্রোথটা চাই, সে জন্য আমার গল্পটা খুব দরকার। তো এই জায়গা থেকে ‘দম’ খুব পারফেক্টলি ফিট করে। আর এ জন্য হয়তো দর্শকরাও কাজগুলো পছন্দ করে।

    ‘দম’ সিনেমা আন্তর্জাতিক মানের দৃশ্যায়ন ও সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হওয়ায়  মৌলিক গল্প দেশের দর্শকদের জন্য এক সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের উৎকর্ষের ধারাবাহিকতায় ‘দম’ সিনেমার গল্প ও দৃশ্যায়নে নতুনমাত্রা যোগ করেছে। কারণ যার জীবনের গল্প থেকে ‘দম’ সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে, সেই নূর ইসলাম ও তার পরিবার সম্প্রতি দেখেছেন ‘দম’ সিনেমাটি। তিনি সিনেমাটি পছন্দ করেছেন এবং বলেছেন— ‘দম’ সিনেমাটি হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের এবং আফরান নিশোর অভিনয় আউটস্ট্যান্ডিং।

    ‘দম’ সিনেমায় আফরান নিশো ছাড়াও অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী পূজা চেরী, চঞ্চল চৌধুরী, আবুল হায়াত, ডলি জহুর, জাহিদ হাসান প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘চঞ্চল তখন গুলশানে মস্তানি করত, আমাদের ফাঁসি চাইত’

    ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দুদিন আগে রাজধানীর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন বিএনপির মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পরদিন ৪ জানুয়ারি থেকে পুলিশের ঘেরাওয়ের মধ্যে কার্যালয়ের সামনের রাস্তা ইট ও বালুভর্তি ডজনখানেক ট্রাক রেখে আটকে দেওয়া হয়।

    যে রাস্তায় খালেদা জিয়ার অফিস, সেই ৮৬ নম্বর সড়কের দুদিকে আড়াআড়িভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয় ১১টি ট্রাক। এ ছাড়া জলকামান, এপিসি নিয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সেখানে অবস্থান নেন।  ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়ে সমাবেশ ও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেওয়ার পর খালেদা জিয়াকে আটকে দেওয়া হয়।এরপর পুলিশ কার্যালয়ের মূল ফটকও আটকে দিলে ভেতরে একদল নেতাকর্মীসহ অবস্থান নেন বিএনপি চেয়ারপারসন। 

    অবরুদ্ধ অবস্থায় ১৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ১৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশের ভ্যান ও জলকামান সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    এর আগে ২০১৩ সালে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনের সড়কও একইভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    ২০১৫ সালে অবরুদ্ধ থাকার ওই সময়টাতে গুলশান কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরাও বাসার সামনে অবস্থান নিতেন।  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের নেতৃত্বে একদল ক্যাডার বাহিনী নিয়মিত মহড়া দিত। এছাড়া হাসিনা সরকারের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সঙ্গেও অভিনয় শিল্পীরা গুলশান কার্যালয়ের সামনে আসতেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

    ওই সময়ে গুলশান কার্যালয়ের সামনে চঞ্চলের ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাংবাদিক ও লেখক মারুফ কামাল খান; যিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রেস সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। 

    ১০ বছর আগের এ ঘটনার স্মৃতিচারণ করে গত শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে মারুফ কামাল খান লেখেন, ‘বনলতা এক্সপ্রেস ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্র চিত্রন করেছে চঞ্চল চৌধুরী। চঞ্চল ভালো অভিনেতা। তবে হাসিনা ভক্ত ও আওয়ামী সমর্থক। তাতেও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু চঞ্চল হাসিনা গংয়ের ফ্যাসিবাদী অপরাধে মদত জুগিয়েছে। গুলশান অফিসে ম্যাডাম খালেদা জিয়াসহ আমাদেরকে যখন তিন মাস অন্যায়ভাবে জবরদস্তি করে আটকে রাখা হয়েছিল, তখন এই চঞ্চল আরও অনেকের সঙ্গে এসে মস্তানি করত। আমাদের ফাঁসি দাবি করত। আমাদের ওপর আক্রমণ চালাবার মহড়া করত। তাই ওর নাম শুনলে বা চেহারা দেখলেই রাগে ক্ষোভে দুঃখে ঘৃণায় আমার শরীর কাঁপতে থাকে।

    প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি আরও লেখেন, তারেক রহমান দেশের নেতা। তাকে ব্যক্তিগত অনুভূতির ঊর্ধে উঠে সব কিছু বিবেচনা করতে হয়। আমি সামান্য মানুষ। তাই সব কিছু ভুলতে পারি না।

    উল্লেখ্য, রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার প্রেক্ষাগৃহে গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তারা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমাটি উপভোগ করেন। কিন্তু তার আগে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করে- তারা ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গেছেন। পরে জানা যায় এ তথ্যটি সত্য নয়।

    মেয়েকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে সিনেমা হলে গেছেন- শুরুতে এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্ট্যাটাস দেন মারুফ কামাল খান। 

    স্ট্যাটাসটির বিষয়ে জানতে চাইলে রোববার রাতে মারুফ খান কামাল যুগান্তরকে বলেন, ওই সময় শাজাহান খান তার ক্যাডার বাহিনী সঙ্গে গাড়ি নিয়ে এসে মহড়া দিত।এছাড়া তারানা হালিমের নেতৃত্বে একদল আওয়ামী মদতপুষ্ট অভিনয় শিল্পীরা আসত। 

    ওই সময়ের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, আমরা ওই সময় তিন মাস অবরুদ্ধ ছিলাম। ম্যাডামের অফিস তালা দেওয়া হয়েছিল। আমাদের খাবার সরবারহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শুধু ম্যাডামের খাবার বাসা থেকে আসত। আর আমরা চিড়া-মুড়ি খেয়ে থাকতাম।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চঞ্চলের নাম শুনলে রাগে আমার শরীর কাঁপতে থাকে: মারুফ কামাল খান

    রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার প্রেক্ষাগৃহে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তারা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমাটি উপভোগ করেন। কিন্তু তার আগে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করে- তারা ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গেছেন। পরে জানা যায় এ তথ্যটি সত্য নয়।

    মেয়েকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে সিনেমা হলে গেছেন- শুরুতে এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দেন মরহুম বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান। 

    তিনি লেখেন, প্রচারিত সংবাদের ওপর আস্থা রেখে আমি নিচের আবেগসঞ্জাত দীর্ঘ স্ট্যাটাসটি দেওয়ার পর জানলাম, প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নয়, ইংরেজি মুভি ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ দেখেছেন। 

    গণমাধ্যম শুরুতে যে খবর প্রকাশ করেছিল তার ওপর ভিত্তি করে মারুফ কামাল খান যে স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলেন পাঠকের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-

    ‘আজ প্রধানমন্ত্রী সিনেমা দেখে এলেন। আমার অনুভূতি মিশ্র। আমি আনন্দিত এবং একটু ব্যথিত।

    সিনেমা দেখার ব্যাপারটা তারেক রহমানের জন্য নতুন নয়। আমি তখন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কর্মরত ছিলাম। সেটা ২০০৩ সাল। সে-সময় বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় ‘মনের মাঝে তুমি’ ছবিটা মুক্তি পেয়েছিল। মতিউর রহমান পানু ছিলেন পরিচালক। বাংলাদেশি প্রযোজক আব্বাস উল্লাহ্‌ শিকদার আমার সুপরিচিত ছিলেন। তার ভাই তারিকউল্লাহ্‌ শিকদার ছিলেন আমার অতি ঘনিষ্ঠ। এই ফিল্ম হাউসের তৈরি ‘বেদের মেয়ে জোৎসা’ ছবি আগে সুপার ডুপার হিট হয়েছিল। ‘মনের মাঝে তুমি’ বক্স অফিস হিট করলে তখনকার প্রধানমন্ত্রী পুত্র, বিএনপি নেতা তারেক রহমান হলে গিয়ে সস্ত্রীক ছবিটি দেখে মুগ্ধ হন। সে মুগ্ধতার প্রকাশ ও বাংলা ছায়াছবিকে উৎসাহিত করতে তারেক-জুবাইদা রহমান দম্পতি পূর্ণিমার উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি লোক মারফত পাঠিয়েছিলেন ওই চিত্রনায়িকার বাসায়।

    আজও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মুভিটি দেখে এলেন হলে গিয়ে কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে।

    এ ছবি দেখা নিয়ে আমার অনুভূতি মিশ্র। হলে গিয়ে ছবি দেখে প্রধানমন্ত্রী বিলুপ্তপ্রায় বাংলা চলচ্চিত্রকে উৎসাহিত করেছেন। এটা খুশি ও আনন্দের ব্যাপার।

    তবে একটা কাকতাল কি জানেন? ‘মানের মাঝের তুমি’র নায়ক রিয়াজ খুবই উলঙ্গভাবে আওয়ামী প্রচারবিদের ভূমিকা পালন করেছেন। এর মাধ্যমে নিজের শিল্পী সত্ত্বাকে অসম্মানিত করেছেন রিয়াজ।

    আবার বনলতা এক্সপ্রেস ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্র চিত্রণ করেছে চঞ্চল চৌধুরী। চঞ্চল ভালো অভিনেতা। তবে হাসিনা ভক্ত ও আওয়ামী সমর্থক। তাতেও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু চঞ্চল হাসিনা গংয়ের ফ্যাসিবাদী অপরাধে মদত জুগিয়েছে। গুলশান অফিসে ম্যাডাম খালেদা জিয়াসহ আমাদেরকে যখন তিন মাস অন্যায়ভাবে জবরদস্তি করে আটকে রাখা হয়েছিল, তখন এই চঞ্চল আরও অনেকের সঙ্গে এসে মস্তানি করতো। আমাদের ফাঁসি দাবি করতো। আমাদের ওপর আক্রমণ চালাবার মহড়া করতো। তাই ওর নাম শুনলে বা চেহারা দেখলেই রাগে ক্ষোভে দুঃখে ঘৃণায় আমার শরীর কাঁপতে থাকে।

    তারেক রহমান দেশের নেতা৷ তাকে ব্যক্তিগত অনুভূতির ঊর্ধে উঠে সব কিছু বিবেচনা করতে হয়। আমি সামান্য মানুষ। তাই সব কিছু ভুলতে পারি না।

    মাফ করবেন৷ একটু ছোটলোকি করে ফেললাম।’

    যুগান্তর ডেস্ক

  • এবার একই সিনেমার ভিন্ন দুই ভূমিকায় চঞ্চল

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। অভিনয়ের পাশাপাশি গায়কিতেও যিনি পারদর্শী। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় শিল্পীদের গান কাভার করে বিভিন্ন সময়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। 

    কলকাতার একটি সিনেমায় এবার প্রথমবারের মতো প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে দুটি গান রেকর্ড করলেন চঞ্চল। সিনেমার মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন গুণি এই শিল্পী। ‘শেকড়’ শিরোনামের ছবিটি পরিচালনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও নির্মাতা ব্রাত্য বসু।  

    সিনেমার গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গান দুটি চঞ্চল নিজেই বাছাই করেছেন। 

    এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘শুটিং চলাকালে মনে হয়েছিল, এখানে গান থাকলে গল্পের আবহ আরও সমৃদ্ধ হবে। পরিচালক ব্রাত্য বসুকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি সম্মত হলে আমি দুটি গান সাজেস্ট করি। পরিচালক রাজি হয়েছেন এবং শর্ত দিয়েছেন, গানগুলো অবশ্যই আমাকে গাইতে হবে। পরে ডাবিংয়ে কণ্ঠ দেওয়া হয়েছে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ছবিটির জন্য দুটি বাউল গানে নতুন করে কণ্ঠ দিয়েছেন চঞ্চল। একটি গান বিজয় সরকারের ‘এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনি ঠিক রবে’, আরেকটি গোষ্ঠ গোপাল দাসের ‘ও জীবন রে, ছাড়িয়া না যাও মোরে’।  সিনেমার পোস্ট প্রডাকশন প্রক্রিয়া শেষের পথে বলে জানা যায়। এর সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রবুদ্ধ ব্যানার্জি। 

    সিনেমার মুখ্য চরিত্রে চঞ্চল ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন– লোকনাথ দে, সীমা বিশ্বাস, অম্বরীশ ভট্টাচার্য, ঋদ্ধি সেন, অঙ্গনা রায় ও অনসূয়া মজুমদার।  এ বছরই সিনেমাটি মুক্তির কথা আছে।  ‘শেকড়’ সিনেমাটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘দ্রবময়ীর কাশীবাস’ ও ‘দাদু’-কে অবলম্বন করে নির্মিত হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির সৌন্দর্যের প্রশংসায় চঞ্চল চৌধুরী

    দেশের ছোট ও বড় পর্দার শক্তিমান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। অন্যদিকে, রুপালি পর্দার গ্ল্যামারাস ও দর্শকপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। অভিনয় জগতের এই দুই জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী প্রথমবারের মতো ‘শাস্তি’ শিরোনামের একটি ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছেন। 

    তার আগে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে পরীমনিকে প্রশংসায় ভাসালেন ‘আয়নাবাজি’খ্যাত এ অভিনেতা। ঢাকাই সিনেমার এ নায়িকাকে নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করে চঞ্চল বলেন, ‘স্ক্রিনে পরীর যে অ্যাপিয়ারেন্স, দর্শক তো তার চেহারায় প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয়ে যায়। এটা ওর বড় প্লাস পয়েন্ট। তবে শুধু সৌন্দর্য নয়, ওর যে অভিনয় দক্ষতা আছে, সেটাকেও নির্মাতাদের আরও বেশি কাজে লাগানো উচিত। আমার মনে হয় পরীমণিকে আরও নতুনভাবে এক্সপ্লোর করার সুযোগ রয়েছে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পরে ক্যামেরার বাইরে এ দুই তারকার কিছু মজার মুহূর্তও শেয়ার করেন পরী। 

    অভিনেত্রী বলেন, ‘ভাইয়া (চঞ্চল চৌধুরী) পাশে থাকলে কি বলবো বুঝে পাই না। আজ লিফটে করে আসার সময় হাসাহাসি করতে করতে ভাইয়াকে বলছিলাম- ভাইয়া, একটা যুগ পার হয়ে গেল, আমাদের যখন একসঙ্গে কাজ হচ্ছে তখন আমরা বুড়ো হয়ে গেছি।’ যদিও পরীর এমন খুনসুটিতে মজার ছলে নিজেকেই ‘বুড়ো’ হিসেবে দাবি করেন চঞ্চল। 

    সঙ্গে তাদের আসন্ন সিনেমার কাজটা অনেক ভালো হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন পরীমনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • চঞ্চল-পরীমনির ‘শাস্তি’

    প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় একসঙ্গে হাজির হচ্ছেন দেশের জনপ্রিয় দুই অভিনয়শিল্পী চঞ্চল চৌধুরী ও পরীমনি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বণে নতুন এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন লীসা গাজী।  জানা গেছে, আগামী সোমবার ছবিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। 

    আসন্ন এই সিনেমা নিয়ে পরিচালক জানান, রবীন্দ্রনাথের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হলেও এটি হুবহু পুনর্নির্মাণ নয়; বরং নতুন সময়ের ভাষায় গল্পটি তুলে ধরাই তার মূল উদ্দেশ্য। 

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাস্তি’ গল্পটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও মানবিক গল্প হিসেবে পরিচিত। গল্পের মূল উপজীব্য গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা, পারিবারিক সম্পর্ক, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং নারীর নীরব আত্মত্যাগ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গল্পে দুই ভাই-চিদাম ও দুখিরামের পারিবারিক জীবনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনি। এক তুচ্ছ বিরোধের জেরে চিদাম হঠাৎ রাগের মাথায় দুখিরামের স্ত্রীকে হত্যা করে বসে। পরে আইনের হাত থেকে বাঁচতে সে নিজের স্ত্রী চন্দরা’র ওপর হত্যার দায় চাপিয়ে দেয়। 

    চন্দরা নির্দোষ হয়েও স্বামী ও সমাজের চাপে হত্যার দায় স্বীকার করে নেয়। মৃত্যুদণ্ডের আগে সত্য বলার সুযোগ পেলেও সে আর কিছু বলে না। এই নীরবতাই হয়ে ওঠে গল্পের সবচেয়ে গভীর প্রতিবাদ-যেখানে আত্মসম্মান, বিশ্বাসভঙ্গ আর অবিচারের বিরুদ্ধে তার শেষ অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

    ছবিটি নির্মাণের সঙ্গে একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে বলে জানা যায়। 

    উল্লেখ্য, ‘শাস্তি’ শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের গল্প নয়; এটি নারীর ওপর আরোপিত অন্যায়, নৈতিক ভাঙন এবং সমাজের নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এখানে মনে হয় আমিই সবচেয়ে বয়স্ক, নিশোকে খোঁচা পূজা চেরীর

    আগামী ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পরিচালক রেদওয়ান রনি তার নতুন সিনেমা ‘দম’-এর মহরত করলেন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান শুটিং ক্লাবে এ মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, আফরান নিশো, অভিনেত্রী পূজা চেরী প্রমুখ।

    সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা ‘দম’। এ সিনেমার গল্পটি সার্ভাইভাল ঘরানার। উন্নত জীবনের খোঁজে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমানো প্রবাসীদের কঠিন সংগ্রামই এ সিনেমার মূল বিষয়বস্তু। তবে এ সিনেমার জন্য প্রথমে সৌদি আরব ও জর্ডানে শুটিংয়ের পরিকল্পনা থাকলেও নির্মাতারা এখন কাজাখস্তানে দৃশ্যায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

     শিগগিরই শুরু হবে সিনেমা ‘দম’-এর শুটিং। আর এ সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি হয়ে অভিনয় করতে যাচ্ছেন আফরান নিশো ও পূজা চেরী। সিনেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে থাকছেন চঞ্চল চৌধুরীও। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাস্যরসের মধ্যেই নিজের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী পূজা চেরি। 

    এক প্রশ্নের জবাবে মজা করে অভিনেত্রী বলেন, এখানে মনে হয় আমিই সবচেয়ে বয়স্ক, এনারা সবাই বাচ্চা! বিশেষ করে এই মানুষটা (আফরান নিশোর দিকে ইশারা করে) একেবারে বাচ্চা। পূজার কথায় হেসে নিশো জবাব দেন— ‘হ্যাঁ, আমি তো বাচ্চাই!’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজের কাজ নিয়েও আশাবাদী পূজা চেরী। অভিনেত্রী বলেন, এর আগে যত কাজ করেছি, ভালো ছিল; তবে এবার মনে হচ্ছে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে পারব। তিনি বলেন, ‘নিশো ভাই এতটাই কনফিউজড করে দেন যে, শুটিংয়ে গিয়ে কী করবেন, তা এখন থেকে টেনশনে আছি। তবে আমি খুব এক্সাইটেড। কারণ এটি আমার জন্য বড় একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ। আপনারা বলছেন আমি গুণী, কিন্তু এ সিনেমা শেষ হলে হয়তো মনে হবে আমি কিছুটা হলেও অভিনয় করতে পারি।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে গুঞ্জন উঠেছে— বড়পর্দায় অভিনেতা আফরান নিশোর নতুন নায়িকা হতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তবে ‘দম’-এর মহরতের মঞ্চে দেখা যায়নি তাকে। শুধু পূজা চেরীকেই দেখা গেছে। এবং অনুষ্ঠানে নিশোর সঙ্গে জুটি বেঁধে আসছেন পূজা বলে প্রযোজকসূত্রে ঘোষণা দেওয়াও হয়েছে।

     এদিন একেবারে সাদামাটা সাজে কোনো মেকআপ ছাড়াই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পূজা চেরী। তিনি মঞ্চে আসেন পালকীতে চড়ে। তাকে পালকী থেকে হাত ধরে নামাতে সহায়তা করতে দেখা যায় ‘দম’ এর দুই অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও আফরান নিশোকে। পালকী থেকে নেমে পূজা চেরী বলেন, মেকআপ করা ছেড়ে দিচ্ছি। কারণ এ সিনেমায় আমার কোনো মেকআপ নেই। এখানে আমাকে একদম ন্যাচারাল লুকে দেখা যাবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দম’ মুক্তির পর নিজেকে পাক্কা অভিনেত্রী বলবেন পূজা চেরী

    আগামী ঈদুল ফিতরের সিনেমা ‘দম’-এর মহরত অনুষ্ঠান হয়ে গেল। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান শুটিং ক্লাবে এ মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সিনেমা কলাকুশলীরা অংশ নেন। মহরত অনুষ্ঠানে ছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, আফরান নিশো, অভিনেত্রী পূজা চেরী প্রমুখ।

    সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা ‘দম’। এ সিনেমার গল্পটি সার্ভাইভাল ঘরানার। এটি পরিচালনা করছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নির্মাতা রেদওয়ান রনি। শিগগিরই শুরু হবে সিনেমা ‘দম’-এর শুটিং। আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

    ‘দম’ সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয়ের কথা আগেই জানানো হলেও মহরত অনুষ্ঠানে প্রথমবার অভিনেত্রী পূজা চেরীকে আফরান নিশোর নায়িকা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এদিন একেবারে সাদামাটা সাজে কোনো মেকআপ ছাড়াই অনুষ্ঠানে হাজির হন পূজা চেরী। তিনি মঞ্চে আসেন পালকীতে চড়ে। তাকে পালকী থেকে হাত ধরে নামাতে সহায়তা করতে দেখা যায় ‘দম’ এর দুই অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও আফরান নিশোকে। 

    মহরত অনুষ্ঠানে পালকী থেকে নেমে পূজা চেরী বলেন, মেকআপ করা ছেড়ে দিচ্ছি। কারণ এ সিনেমায় আমার কোনো মেকআপ নেই। এখানে আমাকে একদম ন্যাচারাল লুকে দেখা যাবে। 

    তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মেকআপ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছি। আর এ সিনেমা মুক্তির পর হয়তো নিজেকে একজন পাক্কা অভিনেত্রী মনে করতে পারব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতায় একসঙ্গে চঞ্চল-তাসনিয়া ফারিণ

    ঢালিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও তাসনিয়া ফারিণকে একসঙ্গে দেখা গেল কলকাতায়। টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের আমন্ত্রণে তারা উপস্থিত ছিলেন ‘স্বার্থপর’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে।  

    বর্তমানে ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ সিনেমার শুটিং করছেন চঞ্চল চৌধুরী। অন্যদিকে তাসনিয়া ফারিণও রয়েছেন নতুন একটি প্রজেক্টের প্রস্তুতিতে। অতনু ঘোষের ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক হয়েছিল তার। এরই মধ্যে দুজনের কলকাতায় একসঙ্গে উপস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। 

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে হাসিমুখে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, আসলে পুরোটাই কাকতালীয়। আমি জানতাম না ফারিণ এখানে আছে। সেও জানত না আমি এসেছি। তিনি বলেন, আমি টোনিদার (পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী) সঙ্গে মিটিংয়ের জন্য এসেছিলাম, তাসনিয়াও একই কারণে এসেছে। পরে দেখা হয়ে গেল— বেশ মজার এক কাকতালীয় ঘটনা।

    এর আগে অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর ‘ডিয়ার মা’ সিনেমায় কাজ করেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি সম্পর্কভিত্তিক নানা বিষয় নিয়ে একাধিক প্রশংসিত সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তাই এবার চঞ্চল–ফারিণকে নিয়ে সিনেমায় দেখা গেলে তা হবে দুই বাংলার দর্শকদের জন্য বড় চমক।

    তাহলে কি অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এবার একসঙ্গে দেখা যাবে চঞ্চল ও ফারিণকে? এ প্রশ্নে দুজনেই হাসিমুখে বলেন, এখনো কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে কথা চলছে। আশা করি একসঙ্গে কাজ করব।

    চঞ্চল বলেন, ‘টোনিদার সঙ্গে আজ আমরা ব্রাঞ্চ (ব্রেকফাস্ট+লাঞ্চ) করেছি, আসলে সবাই দেরি করে ঘুম থেকে উঠি। তাই ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ দুটোই একসঙ্গে করেছি, নানা বিষয়ে গল্প হয়েছে। তিনিই আমাদের এখানে আসতে বলেছেন, কোয়েলও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এখন ‘স্বার্থপর’ সিনেমাটি দেখার অপেক্ষায় আছি।

    এর মধ্যেই টালিউডে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর পরবর্তী সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যেতে পারে বাংলাদেশের এই দুই তারকাকে। যদিও তারা মুখে কিছু বলেননি, তবু অনেকে মনে করছেন— একই পরিচালকের সঙ্গে একসঙ্গে দেখা হওয়া নিছক কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘গ্রেফতার আতঙ্কে’ ভারত সফর বাতিল করলেন চঞ্চল?

    থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় ঢাকার বিমানবন্দর থেকে আটক হয়েছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। এর আগে সিলেট বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছিল অভিনেত্রী নিপুণ আক্তারকে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ-১৮’র এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিমানবন্দরে কড়াকড়ির ফলে গ্রেফতার আতঙ্ক থেকে নাকি সম্প্রতি ভারত সফর বাতিল করেছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

    জানা যায়, কলকাতায় একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে তার ভারত যাওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি যাচ্ছেন না বলেই দাবি করা হয়। ‘গ্রেফতার আতঙ্কেই’ চঞ্চল এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করা হয় সেই প্রতিবেদনে। এছাড়া অপু বিশ্বাস ও জ্যোতিকা জ্যোতিসহ আরও কয়েক আওয়ামীঘেঁষা শিল্পী এখন গ্রেফতারের শঙ্কায় বলে উল্লেখ করা হয়।

    এর আগে ভারতের ‘টিভি নাইন বাংলা’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কলকাতায় টলিউডের এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে আসার কথা থাকলেও চঞ্চল নাকি কলকাতায় যেতে পারছেন না। এই অনুষ্ঠানে চঞ্চল চৌধুরীর আসা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে চঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয় সেই প্রতিবেদনে।

    গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই আওয়ামী লীগ সমর্থক শিল্পীদের গা ঢাকা দিতে দেখা গেছে। তাদের অনেকেই এখনো প্রকাশ্যে আসছেন না।

    তবে চঞ্চল চৌধুরী দীর্ঘদিন নিভৃতে থাকার পর আবার সরব হয়েছেন। সম্প্রতি দেশের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। আসছে ঈদে ওটিটিতে মুক্তি পাবে তার সিনেমা ‘উৎসব’।

    বিনোদন ডেস্ক