Tag: খালেদা জিয়া

  • খালেদা জিয়ার ত্যাগ-সংগ্রাম প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে: আসিফ আকবর

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেছেন, সফল জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তিতে জেগে উঠেছে নতুন বাংলাদেশ।  রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের স্মৃতিতে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে চিরঅম্লান থাকবেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস যুগে যুগে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে।

    শুক্রবার (৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

    পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, সফল জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তিতে জেগেছে নতুন বাংলাদেশ। স্বদেশি দানবের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিজয়ে ১ হাজার ৪০০ বীর জুলাই শহীদ এবং ৩০ হাজার আহত জুলাই যোদ্ধার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। অত্যাচারী, খুনি, লুটেরা ও দেশদ্রোহী ফ্যাসিস্টরূপী দানবীয় শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিকামী জনতার বহু আকাঙ্ক্ষিত বিজয়ের নাম জুলাই বিপ্লব। বাংলাদেশ আজ অনুশোচনাহীন, অসভ্য ও বর্বর পলাতক ফ্যাসিস্টের খপ্পর থেকে রাজনৈতিক পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত।

    তিনি আরও লেখেন, অনুভূতির প্রতিটি অনুরণনে বাজতেই থাকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথাগুলো। ফ্যাসিস্টকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছিলেন, ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বেগম জিয়ার মতো আপসহীন দৃঢ়তা আজ বিরাজমান জেন-জি প্রজন্মের অস্তিত্বে।

    আসিফ আকবর বলেন, তিনি বলেছিলেন, দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এই দেশ, এই দেশের মাটি ও মানুষই আমার ঠিকানা। তিনি শায়িত হয়েছেন এই মাটিতেই। বেগম জিয়ার জানাজায় বিস্ফোরিত হয়েছে সর্বস্তরের মানুষের আবেগ। তিনি বিদায় নিয়েছেন গর্বিত বিজয়ীর মতোই।

    পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের স্মৃতিতে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে চিরঅম্লান থাকবেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস যুগে যুগে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে। ম্যাডাম, আপনি সফল। এই দেশের তারুণ্য আপনার আপসহীনতাকে অন্তরে ধারণ করে। আর কোনো শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে না বাংলাদেশ। আপনি এ দেশের আপামর জনতার হৃদয়ে দ্রোহের অগ্নিমশাল হয়ে জ্বলবেন অনন্তকাল। বিনম্র শ্রদ্ধা, প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আপনার কাছ থেকে শেখা ইস্পাত-কঠিন দেশপ্রেম ভোলার মতো নয়। আপনাকেও কোনো দিন ভুলব না। ভালোবাসা অবিরাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘চঞ্চল তখন গুলশানে মস্তানি করত, আমাদের ফাঁসি চাইত’

    ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দুদিন আগে রাজধানীর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন বিএনপির মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পরদিন ৪ জানুয়ারি থেকে পুলিশের ঘেরাওয়ের মধ্যে কার্যালয়ের সামনের রাস্তা ইট ও বালুভর্তি ডজনখানেক ট্রাক রেখে আটকে দেওয়া হয়।

    যে রাস্তায় খালেদা জিয়ার অফিস, সেই ৮৬ নম্বর সড়কের দুদিকে আড়াআড়িভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয় ১১টি ট্রাক। এ ছাড়া জলকামান, এপিসি নিয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সেখানে অবস্থান নেন।  ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়ে সমাবেশ ও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেওয়ার পর খালেদা জিয়াকে আটকে দেওয়া হয়।এরপর পুলিশ কার্যালয়ের মূল ফটকও আটকে দিলে ভেতরে একদল নেতাকর্মীসহ অবস্থান নেন বিএনপি চেয়ারপারসন। 

    অবরুদ্ধ অবস্থায় ১৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ১৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশের ভ্যান ও জলকামান সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    এর আগে ২০১৩ সালে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনের সড়কও একইভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    ২০১৫ সালে অবরুদ্ধ থাকার ওই সময়টাতে গুলশান কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরাও বাসার সামনে অবস্থান নিতেন।  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের নেতৃত্বে একদল ক্যাডার বাহিনী নিয়মিত মহড়া দিত। এছাড়া হাসিনা সরকারের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সঙ্গেও অভিনয় শিল্পীরা গুলশান কার্যালয়ের সামনে আসতেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

    ওই সময়ে গুলশান কার্যালয়ের সামনে চঞ্চলের ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাংবাদিক ও লেখক মারুফ কামাল খান; যিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রেস সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। 

    ১০ বছর আগের এ ঘটনার স্মৃতিচারণ করে গত শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে মারুফ কামাল খান লেখেন, ‘বনলতা এক্সপ্রেস ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্র চিত্রন করেছে চঞ্চল চৌধুরী। চঞ্চল ভালো অভিনেতা। তবে হাসিনা ভক্ত ও আওয়ামী সমর্থক। তাতেও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু চঞ্চল হাসিনা গংয়ের ফ্যাসিবাদী অপরাধে মদত জুগিয়েছে। গুলশান অফিসে ম্যাডাম খালেদা জিয়াসহ আমাদেরকে যখন তিন মাস অন্যায়ভাবে জবরদস্তি করে আটকে রাখা হয়েছিল, তখন এই চঞ্চল আরও অনেকের সঙ্গে এসে মস্তানি করত। আমাদের ফাঁসি দাবি করত। আমাদের ওপর আক্রমণ চালাবার মহড়া করত। তাই ওর নাম শুনলে বা চেহারা দেখলেই রাগে ক্ষোভে দুঃখে ঘৃণায় আমার শরীর কাঁপতে থাকে।

    প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি আরও লেখেন, তারেক রহমান দেশের নেতা। তাকে ব্যক্তিগত অনুভূতির ঊর্ধে উঠে সব কিছু বিবেচনা করতে হয়। আমি সামান্য মানুষ। তাই সব কিছু ভুলতে পারি না।

    উল্লেখ্য, রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার প্রেক্ষাগৃহে গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তারা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমাটি উপভোগ করেন। কিন্তু তার আগে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করে- তারা ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গেছেন। পরে জানা যায় এ তথ্যটি সত্য নয়।

    মেয়েকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে সিনেমা হলে গেছেন- শুরুতে এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্ট্যাটাস দেন মারুফ কামাল খান। 

    স্ট্যাটাসটির বিষয়ে জানতে চাইলে রোববার রাতে মারুফ খান কামাল যুগান্তরকে বলেন, ওই সময় শাজাহান খান তার ক্যাডার বাহিনী সঙ্গে গাড়ি নিয়ে এসে মহড়া দিত।এছাড়া তারানা হালিমের নেতৃত্বে একদল আওয়ামী মদতপুষ্ট অভিনয় শিল্পীরা আসত। 

    ওই সময়ের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, আমরা ওই সময় তিন মাস অবরুদ্ধ ছিলাম। ম্যাডামের অফিস তালা দেওয়া হয়েছিল। আমাদের খাবার সরবারহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শুধু ম্যাডামের খাবার বাসা থেকে আসত। আর আমরা চিড়া-মুড়ি খেয়ে থাকতাম।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আপনি জিতে গেলেন: পরীমনি

    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। 

    চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে লেখেন, “তিনি চলে গেলেন..! তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন। তিনি এভাবেই থেকে গেলেন এই মানচিত্রে। খালেদা জিয়া আপনি জিতে গেলেন আসলে…।” 

    খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।

    গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন।

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখে যা জানালেন কনকচাঁপা

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে না পারলেও তার সাক্ষাৎ হয়েছে তার সার্বক্ষণিক সহযোগী ফাতেমার সঙ্গে। ফাতেমা তাকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করছেন এবং আগের দিনের তুলনায় তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়া দু-একবার চোখ খুলে তাকাচ্ছেন। 

    কনকচাঁপা বলেন, আমরা সারা দেশের মানুষ তার সুস্থতার জন্য দোয়া করছি। বিশ্বাস করি, এত মানুষের মধ্যে কারো না কারো দোয়া অবশ্যই আল্লাহ কবুল করবেন। তিনি আরও প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন যেকোনো উপায়ে খালেদা জিয়াকে আরাম ও সুস্থ জীবন দান করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমেও কনকচাঁপা তার অনুভূতি শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ম্যাডামের ভালো থাকার স্বার্থেই হাসপাতালে ভিড় করা ঠিক না-এ কথা মনে রেখে দোয়া করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মন আর মানলো না। নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে তার কক্ষের সামনে পর্যন্ত গেলাম।

    হাসপাতালে তার দেখা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুল রহমান শিমুল বিশ্বাস, উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, ডা. জুবাইদা রহমানের বড় বোন শাহিনা খান জামান বিন্দু, ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নানসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে। তাদের কাছ থেকেও তিনি খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা চমকের

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। আপসহীন নেত্রীর জন্য সুস্থতা প্রার্থনা করেছেন তিনি।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে একটি স্ট্যাটাস দেন অভিনেত্রী। সেখানে রুকাইয়া জাহান চমক  লিখেছেন, পুরো জাতি আপনার দ্রুত আরোগ্যের প্রার্থনায়। আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা, শক্তি ও শান্তি দান করুন।

    এর আগে গত ১৬ নভেম্বর প্রকাশ করা হয়েছে লুইপার নতুন গান ‘চুড়ি ছাম ছাম’। সেই গানটিতে মডেল হিসেবে পারফর্ম করে চমক দেখিয়েছেন রুকাইয়া জাহান চমক। অভিনেত্রীর গ্ল্যামারাস লুক ও পারফরম্যান্স এরই মধ্যে নেটিজেনদের মাঝে নজর কেড়েছে, যা গানটির জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে, ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। তিনি এখনো জটিল অবস্থায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। 

    রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খালেদা জিয়ার সুস্থতা চেয়ে যা বললেন ডিপজল

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আপসহীন নেত্রীর দ্রুত রোগমুক্তি কামনা চেয়ে দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় খল-অভিনেতা ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। পোস্টে ডিপজল লিখেছেন— প্রিয় দেশবাসী, আমাদের প্রিয় দেশনেত্রীর দ্রুত সুস্থতার জন্য সবাই আন্তরিকভাবে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। আপনাদের প্রতিটি দোয়া হোক তার জন্য আরোগ্যের সৌরভ, শান্তির ছায়া এবং নতুন শক্তির প্রেরণা।

    অভিনেতার পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরা একমত হয়েছেন। তারা দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনা করেছেন। অনেকে প্রার্থনা জানিয়েছেন সৃষ্টিকর্তার কাছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি এখন হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন। মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে। 

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (৩০ নভেম্বর) নয়াপল্টনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমরা গর্বিত— আমাদের একজন খালেদা জিয়া আছেন’

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন।  খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার আগমুহূর্তে সংগীতযুবরাজের এই স্ট্যাটাসটি ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। শনিবার সকাল ৮টার দিকে ফেসবুকে দেওয়ার স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

    ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফিরছেন আপন ঠিকানায়। কাতার সরকারের পাঠানো রাজকীয় বিমানে চিকিৎসা নিতে লন্ডন গিয়েছিলেন, ফিরবেন ৫ মে ইনশাআল্লাহ। বেগম জিয়ার জন্য বর্তমান ইন্টেরিম সরকার স্পেশাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন, সরকারকে ধন্যবাদ।

    হিথ্রোর মতো ব্যয়বহুল এয়ারপোর্টে সরকারি টাকার মচ্ছব এড়ানোর জন্য তিনি বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশ বিমানের এই ফ্লাইটটি সিলেট হয়ে ঢাকা আসে। ম্যাডামের জন্য বিমান কর্তৃপক্ষ চেয়েছিল ফ্লাইটটি যেন সরাসরি ঢাকা আসে, পরে সিলেট যাবে। তিনি বিমানের নিয়মিত রুটের নিয়ম ভাঙতে চাননি, বাকি সাধারণের মতো সিলেট হয়েই ফিরবেন আপন আলয়ে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিমানকেও ধন্যবাদ জানাই ম্যাডামকে যথাযথ সম্মান জানানোর জন্য। 

    তিনি বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূর্তপ্রতীক। সারাটা জীবন দেশের জন্যই ভেবে গেলেন, কষ্ট করলেন, অত্যাচারিত হলেন। তিনি বলেন, আমরা গর্বিত— আমাদের একজন বেগম খালেদা জিয়া আছেন, যিনি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। বাংলাদেশ আপনার অপেক্ষায়, আপনার সুস্থতা আর দীর্ঘায়ু কামনা করি ম্যাডাম। 

    ম্যাডামের আগমন উপলক্ষ্যে এয়ারপোর্টে গিয়ে হাঙ্গামা না করলেই ভালো। রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার সিদ্ধান্ত হবে আরও মহত্তর’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের ছবি পোস্ট করে কেন ডিলিট করলেন অরুণা বিশ্বাস

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপরে ‘গরম পানি’ ঢেলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে চরম সমালোচনার মুখে পড়েন ঢাকাই সিমেনার অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরপরই দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। এরপর ‘আলো আসবেই’ নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার কর্মকাণ্ডের চিত্র ফাঁস হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

    যেখানে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত একদল অভিনয়শিল্পী গোপনে ছক কষছিলেন কীভাবে ছাত্রদের আন্দোলন দমানো যায়। যেখানে অন্যতম সহযোগী ছিলেন অরুণা বিশ্বাস। 

    সেই ঘটনার কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও ফেসবুকে বিতর্কের মুখে পড়লেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেখানে তাকে হিথ্রো বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বড় ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ ড. জোবাইদা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।

    দীর্ঘ সাড়ে ৭ বছর পর ছেলেকে কাছে পেয়েই জড়িয়ে ধরে আদর দেন হুইলচেয়ারে থাকা খালেদা জিয়া। সেই দৃশ্য সামাজিকমাধ্যমে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই মা–ছেলের এই দীর্ঘপ্রতিক্ষীত মিলন নিয়ে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন।

    যাদেরই একজন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অরুণা বিশ্বাস। বুধবার রাত ১০টায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সেই দৃশ্যের ছবি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন অরুণা বিশ্বাস। 

    সঙ্গে ক্যাপশনে লেখেন, ‘মা আর সন্তান, এটাই পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর দৃশ্য। মা।’ সঙ্গে আদরের ইমোজি জুড়ে দেন অভিনেত্রী। 

    তবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করতেই তোপের মুখে পড়েন আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই অভিনয়শিল্পী। নেটিজেনরা কড়া সমালোচনায় মেতে ওঠেন অরুণার পোস্ট নিয়ে। অনেকেই বিগত সরকারের সঙ্গে তার সখ্যতা ও ছাত্র আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন, ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 

    বিষয়গুলো বুঝতে পেরে বাধ্য হয়ে ছবিটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেন অরুণা বিশ্বাস। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জায়েদ খানের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন স্থানে একেক জনের নামে হচ্ছে মামলা। অভিযুক্তদের তালিকায় আওয়ামী ঘরানার লোকজনই বেশি।

    মামলা হয়েছে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের নামেও। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা করা হয় তার নামে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

    নিউইয়র্কভিত্তিক গণমাধ্যমের অনুষ্ঠান ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ এ ড. আসিফ নজরুলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগের আমলে অদ্ভূত সব গায়েবি মামলার মতো এবারও তেমনটাই হচ্ছে কিনা?

    এমন প্রশ্নের জবাবে সরকারের এ উপদেষ্টা বলেন, সবার নাম নিয়ে বলা সম্ভব নয়, তবে দুইজনের নাম মনে আছে সাকিব ও জায়েদ খান। এখানে একটা বিষয় বুঝতে হবে, মামলা করাটা সবার (নাগরিক) অধিকার। এগুলো সবই হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে। পুলিশ করলে সেটা হতো রাষ্ট্রীয়। উনাদের ক্ষেত্রে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হয়েছে? গ্রেফতার হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, এফআইআর মানেই গ্রেফতার নয়। পুলিশ ক্রেডিবল কিছু না পেলে গ্রেফতার করবে না, এটা নিশ্চিত। আসলে যারা মামলা করতে আসে, এত প্রেসার থাকে তা বলার মতো না।

    প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকী আল ফারাবীর আদালতে বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন ব্যান্ড শিল্পী আসিফ ইমাম। এতে জায়েদ ছাড়াও আসামি করা হয় অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়, সাজু খাদেমসহ ৫০ জনকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলায় মামলা, যা বললেন জয়

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে বেশ কয়েকজন অভিনয় শিল্পীদের নামে। যেখানে আসামি করা হয়েছে- অভিনেত্রী তানভীন আহমেদ সুইটি, চিত্রনায়ক জায়েদ খান, অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় ও সাজু খাদেমসহ ৫০ জন।

    rnrn

    এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। ভিডিওবার্তায় জয় বলেন, ‘আমার নামে মামলা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার হত্যাচেষ্টার মামলা। যেখানে আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি মামলার এজাহার পড়েছি, যেখানে লেখা আছে- ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় অনেকের সঙ্গে আমিও ছিলাম। বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িতে হামলা করেছি, তাকে হত্যার চেষ্টা করেছি।’

    rnrn

    ‘খুব দুঃখ পেয়েছি। জীবনে কখনো কাউকে গায়ে হাত দেওয়ার সাহস পাইনি। কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদেও যাইনি। সেখানে এমন একটি ঘটনায় আমি মর্মাহত। খুবই কষ্ট পেয়েছি। আমার পরিবারের মানুষ চিন্তিত হয়ে পড়েছে।’- যোগ করেন অভিনেতা। 

    rnrn

    এরপর জয় বলেন, ‘আমার কাছে সকল প্রমাণ আছে, মামলায় উল্লিখিত ১৫ এপ্রিল আমি শুটিংয়ের কাজে নেপালে ছিলাম। আমার পার্সপোটেও বিষয়টি উল্লেখ আছে। সেদিন সকাল ১১টার ফ্লাইটে নেপালে যাই।’

    rnrn

    অভিনেতা বলেন, ‘সেসময় নেপালে একটি বড় ভূমিকম্প হয়। যে ভূমিকম্পে আমি, রুনা খান আরও অনেক তারকা আটকা পড়ে। এরপর ২৬ এপ্রিল আমরা দেশে ফিরে আসি। সেই কাগজপত্রগুলো আমার কাছে সব আছে।’

    rnrn

    সবশেষ জয় বলেন, ‘আমি যদি দেশেও থাকতাম, তবুও এমন ঘৃণিত কোনো কাজে জড়িত হতাম না। আমার আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পদ পদবিও নেই। অভিনয়ের পরিমাণ কমে আসার পর খুব স্ট্রাগল করেই উপস্থাপনা দিয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেছি।’

    বিনোদন ডেস্ক