Tag: ক্ষমা

  • অতীতের বিতর্কিত পোস্টের জন্য ক্ষমা চাইলেন সোফিয়া

    ‘এমিলিয়া পেরেজ’ সিনেমার অভিনেত্রী কারলা সোফিয়া গাসকন। অস্কারে ইতিহাস তৈরি করার আনন্দ উদযাপন করার কথা এই ট্রান্সজেন্ডার অভিনেত্রীর। তবে তা থেকে বিরতি নিয়ে অতীতে দেওয়া সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

    সম্প্রতি সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোফিয়া বলেছেন, আমার অতীত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলোর কারণে যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং যেগুলো কিছু মানুষের মনে কষ্ট দিয়েছে, তা আমি স্বীকার করছি। প্রান্তিক জনগণের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কষ্ট খুব ভালোভাবে অনুভব করি এবং আমি গভীরভাবে দুঃখিত তাদের জন্য, যাদেরকে আমি কষ্ট দিয়েছি। আমি সারা জীবন একটা ভালো পৃথিবী তৈরির জন্য সংগ্রাম করেছি। আমি বিশ্বাস করি, আলো সবসময় অন্ধকারের ওপর বিজয়ী হবে’।

    অস্কারের অভিনয় বিভাগে মনোনীত হওয়া প্রথম খোলামেলা ট্রান্সজেন্ডার এই অভিনেত্রী তার অতীত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলোতে মুসলিমদের পোশাক, জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু, এমনকি অস্কার নিয়েও সমালোচনা করেছিলেন।

    এগুলোর মধ্যে এক পোস্টে তিনি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে আমি মনে করি, খুব কম মানুষই কখনো জর্জ ফ্লয়েডকে নিয়ে চিন্তা করেছে। সে একজন মাদকাসক্ত প্রতারক। কিন্তু তার মৃত্যু আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে, কিছু মানুষ এখনো কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারহীন মনে করে এবং পুলিশকে খুনি বলে মনে করে’।

    ২০২১ সালে করোনা মহামারীর মধ্যে অনুষ্ঠিত অস্কার নিয়ে সোফিয়া লিখেছিলেন, ‘অস্কারের আয়োজনগুলো স্বাধীন এবং প্রতিবাদী চলচ্চিত্রের মঞ্চ হয়ে যাচ্ছে। আমি জানি না আমি আফ্রো-কোরিয়ান উৎসব, নাকি ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলন, না ৮ মার্চের দিবস পালন দেখছিলাম‘।

    এছাড়াও তিনি ইসলাম এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধেও বেশকিছু মন্তব্য করে সমালোচিত হন। যেমন ২০১৬ সালে একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘ইসলাম মানবতার জন্য একটি সংক্রামক রোগের কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যার তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করা দরকার’।

    গাসকন তার নেটফ্লিক্স সিনেমা ‘এমিলিয়া পেরেজ’-এ একজন মাদক সম্রাটের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যিনি কিনা লিঙ্গ পুনর্বিন্যাস সার্জারির জন্য সংগ্রাম করেন। আর এজন্য তিনি সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কারের জন্য মনোনীত হন। সূত্র: সিএনএন

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনোমালিন্যে কে আগে ক্ষমা চান, ঐশ্বরিয়া নাকি অভিষেক

    ঐশ্বরিয়া রায় ও অভিষেক বচ্চনকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা ক্রমেই বাড়ছে। একটি সূত্রে জানা গেছে, তাদের মধ্যে ব্যাপক দূরত্বও তৈরি হয়েছে। যদিও এ প্রসঙ্গে এখন পর্যন্ত তারা কেউই মুখ খোলেননি। বলিউডের আলোচিত দম্পতিদের মধ্যে ঐশ্বরিয়া-অভিষেক অন্যতম। তাদের নিয়ে যখন এমন খবর প্রকাশ পায়, তখন স্বভাবতই ভক্তরা মনোক্ষুণ্ন হন।

    ঐশ্বরিয়া-অভিষেক বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তাদের দাম্পত্যের সমীকরণ নিয়েও কথা বলেছেন। প্রত্যেক দম্পতির মাঝেই বিভিন্ন সময় মনোমালিন্য কিংবা কথার কাটাকাটি হয়। এ ক্ষেত্রে অভিষেক-ঐশ্বরিয়াও ব্যতিক্রম নন। তবে কে প্রথমে মনোমালিন্যের সমস্যা সমাধান করতে এগিয়ে আসেন? কে আগে ক্ষমা চাইতে আসেন? কপিল শর্মার অনুষ্ঠানে এ তারকা দম্পতি হাজির হয়ে এ প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন।

    অনুষ্ঠানের সেটে এমন প্রশ্ন শুনে সাবেক ক্রিকেটার নবজোৎ সিংহ সিধু বলেছিলেন, এটা কোনো প্রশ্ন হলো! নিশ্চয়ই অভিষেকই প্রথমে ক্ষমা চান।

    ঐশ্বরিয়া সঙ্গে সঙ্গে সিধুকে থামিয়ে বলেছিলেন, আমিই প্রথমে সমস্যা মিটিয়ে নিই। ক্ষমা চাই। সমস্যা তাড়াতাড়ি মিটিয়ে নেওয়ার জন্যই কথা না বাড়িয়ে মিটমাট করে নিই।

    ঐশ্বরিয়ার এমন কথা শুনে বিস্মিত হন কপিল শর্মা।

    ‘উমরাও জান’ সিনেমার শুটিংয়ে ২০০৬ সালে ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন অভিষেক। এরপরের বছরই ২০ এপ্রিল বিরাট আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এ তারকা জুটি। ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ঘরে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান- আরাধ্যা।

    এখন বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের সেই সুখের সংসারে কালো মেঘ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকার বিয়েতে দুজন একসঙ্গে প্রবেশ না করায় এমন জল্পনা-কল্পনার সূত্রপাত ঘটে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকবার জনসম্মুখে আঙুলে বিয়ের আংটি ছাড়াই হাজির হয়েছেন। এদিকে সম্প্রতি দুবাইতে স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন অভিষেক।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ

    মানুষ মাত্রই ভুল। তবে ভুল স্বীকার করে তা শুধরে নেওয়াটাই বড় কথা। এমনটাই মানেন অমিতাভ বচ্চন। তাই তো বলিউডের শাহেনশা হয়েও বিনম্র তিনি। হাত জোড় করে নিজের ভুলের জন্য চাইলেন ক্ষমা। কিন্তু কী এমন ভুল করেছেন বিগ বি?

    দিন কয়েক আগে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। তাতে বলেছিলেন, আমি আবর্জনা ফেলব না।

    এ কথাটি মারাঠি ভাষায় বলতে গিয়েই তিনি ভুল উচ্চারণ করে বসেন। ভুলের কথাটি তাকে জানান, বন্ধুবর সুদেশ ভোঁসলে। ভুল করেছেন তা জানতে পেরেই ক্ষমা চেয়ে নেন বলিউডের শাহেনশা। সঠিক উচ্চারণ করে কথাটি বলেন তিনি।

    অমিতাভের এই বিনম্রতায় মুগ্ধ অনুরাগীরা। অনেকেই কমেন্টবক্সে তার এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, এই জন্যই তো আপনি অমিতাভ বচ্চন। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, শেখার কোনও বয়স হয় না সেকথা বিগ বি আবারও প্রমাণ করলেন। আর এই কারণেই তিনি এতদিন ধরে বলিউডে রাজত্ব করছেন।

    সম্প্রতি প্রভাস-দীপিকার ‘কল্কি’ সিনেমা অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন। এই চরিত্রের জন্য তুমুল প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। এদিকে আবার জল্পনা, রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রামায়ণ’ সিনেমায় তার কণ্ঠ শোনা যাবে, তাও আবার জটায়ুর চরিত্রে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চিকিৎসকদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, ক্ষমা চাইলেন কাঞ্চন

    কলকাতার ধর্নামঞ্চে ভুল বক্তব্য রেখে সমালোচনার শিকার হয়েছেন টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। সোমবার এক ভিডিও বার্তায় ক্ষমাপ্রার্থী হন।

    সোমবার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, গতকাল একটি ধর্নামঞ্চে আমি কিছু মন্তব্য করে ফেলি। যা নিয়ে সমালোচনা হয়। আমি আমার বক্তব্যের জন্য দুঃখিত এবং লজ্জিত।

    কাঞ্চন আরও জানান, তিনি কোনো সাফাই গাওয়ার জন্য এই ভিডিওটি করেননি। তিনি অন্তর থেকে অনুভব করতে পেরেছেন তার ত্রুটি। তার কথায়, বাড়িতে আমারও স্ত্রী, অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছেন। যাকে সুস্থ রাখতে চিকিৎসা পরিষেবার প্রয়োজন পরে। এ ছাড়া আরও অনেককেই প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবার ব্যবস্থা করে দিই।

    তিনি তার ধৈর্যচ্যুতির কারণ উল্লেখ করতে জানান, তার ভাইয়ের সমান এক বন্ধুর মা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ থেকে মৃতপ্রায়। ওই ব্যক্তি সেদিনও পরিষেবার কারণে কাঞ্চনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। চিকিৎসকদের ধর্মঘট থাকায় তাকে বাঁচানো যায়নি। সেদিনই ভেঙে পড়েন তিনি।

    এ অভিনেতা আরও বলেন, তারপরেও আমি চিকিৎসক এবং চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কোনো খারাপ মন্তব্য মন থেকে করতে চাইনি। পরিস্থিতির কারণে সকলে অশান্ত।

    তিনি জানান, তার ওপরেও আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব পড়েছে। তিনিও আন্তরিক ভাবে নির্যাতিতার ন্যায় চাইছেন। ভিডিও শেষে একজন সাধারণ মানুষের মতোই সবার থেকে ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি।

    ধর্নামঞ্চ থেকে বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের করা বেফাঁস মন্তব্যের টালিউডের অন্যান্য বন্ধুরা তার সঙ্গ ত্যাগ করছেন। সে তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী।

    এদিকে নাট্য পরিচালক সুজননীল মুখোপাধ্যায় আগামী নাটক থেকে ইতোমধ্যেই কাঞ্চনকে বাদ দিয়েছেন। বাকিরাও তার অজ্ঞানতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    কাঞ্চনের এক বক্তব্য থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত।

    গত রোববার কোন্নগরে এক প্রতিবাদ ধর্নামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, কর্মবিরতি পালন করছেন শাসকদলের বিরুদ্ধে, ভাল। কিন্তু, তারা সরকারি বেতন নিচ্ছেন তো, না কি নিচ্ছেন না? এটা আমার প্রশ্ন। বোনাস নেবেন তো? না নেবেন না? 

    কাঞ্চন বলেন, আজ আন্দোলনের নামে চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি পালন করছেন। সবাই বলেন- চিকিৎসক মানে ভগবান। গ্রামের মানুষ ছুটে আসেন শহরের হাসপাতালে, চিকিৎসার জন্য। আপনারা আন্দোলন করুন। তবে রোগীরা কী অপরাধ করেছেন? এমন কোনো কাজ আপনাদের করা উচিত নয়, যাতে তারা ‘চিকিৎসকেরা ভগবান’ বলতে দ্বিধা করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলন বিরোধী শিল্পীদের ক্ষমা চাইতে বললেন জয়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যখন প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের মিছিল। তখন শিল্পীদের একটা অংশ ছাত্রদের আন্দোলনে সমর্থন জানালেও আরেকটা অংশ সমর্থন দিয়েছেন সরকারকে। কেউ বা ছিলেন চুপ। অবস্থা বুঝে যারা এখন ছাত্রদের পক্ষে কথা বলছেন। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তদের রোষানলেও পড়তে হচ্ছে তাদের। এবার শিল্পীদের উদ্দেশে কথা বলেছেন আলোচিত অভিনেতা ও সঞ্চালক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

    rnrn

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ছাত্র আন্দোলনে নিশ্চুপ থাকায়, জাতির কাছে নিঃশর্তে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এটাও মনে করেন, আন্দোলনে সমর্থন না দেওয়া বাকি শিল্পীদেরও তার মতো ক্ষমা চাওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।

    rnrn

    ভিডিও বার্তায় জয় বলেন, ‘এক সমন্বয়কে নিজেদের (শিল্পীদের) সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়, তিনি খুব সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, আপনাদের মাঝে অনেক শিল্পী রয়েছেন যারা অন্যায় করেছেন। আপনারা আন্দোলনের সময় ছাত্রদের এ আন্দোলনকে সরকারের হয়ে (আওয়ামী লীগ সরকার) অন্যভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। অনেক রকম পোস্ট করেছেন এ আন্দোলনকে, থামানোর, দমানোর । চেষ্টা করেছেন সরকারকে সহযোগিতা করার, সুবিধাভোগী হওয়ার। আপনারা বাংলাদেশ টেলিভিশনে যেয়ে কেঁদেছেন অনেকেই অথচ শত শত, হাজার হাজার স্টুডেন্ট রাস্তায় গুলি খেয়ে মারা গেছেন, কত মায়ের কোল খালি হয়েছে। অনেকেই তা বোঝেনি সরকারের চামচামি করেছে। সবসময় আপনারা মানুষের তোপের মুখে থাকবেন, ঘৃণার মুখে থাকবে ন।’

    rnrn

    জয় আরও বলেন, ‘আপনারা শিল্পী, যাদেরকে মানুষ ভালোবাসে। আপনারা আপনাদের সংগঠন হোক, শিল্পী সমাজ হোক, সকলে একত্রিত হয়ে আপনারা জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন, ক্ষমা চান। ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আপনাদের আসলে আর কোনো পথ নেই।’

    rnrn

    এরপর ওই ভিডিওতে বেগম খালেদা জিয়ার হত্যাচেষ্টার মামলার অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন জয়। ভিডিওবার্তায় জয় বলেন, ‘আমার নামে মামলা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার হত্যাচেষ্টার মামলা। যেখানে আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি মামলার এজাহার পড়েছি, যেখানে লেখা আছে- ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় অনেকের সঙ্গে আমিও ছিলাম। বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িতে হামলা করেছি, তাকে হত্যার চেষ্টা করেছি।’

    rnrn

    এরপর জয় যোগ করেন, ‘খুব দুঃখ পেয়েছি। জীবনে কখনো কাউকে গায়ে হাত দেওয়ার সাহস পাইনি। কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদেও যাইনি। সেখানে এমন একটি ঘটনায় আমি মর্মাহত। খুবই কষ্ট পেয়েছি। আমার পরিবারের মানুষ চিন্তিত হয়ে পড়েছে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভক্তদের মনে ‘কষ্ট দিয়ে’ ক্ষমা চাইলেন ফারিন

    শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে মাঠে নেমেছেন দেশের বিনোদনজগতের অনেক শিল্পী-কলাকুশলী। তবে এতদিন এই বিষয়ে মুখ খোলেননি জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন। সেজন্য ‘ক্ষমা’ চেয়ে গতকাল ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্ট করেছেন তিনি।

    শনিবার (৩ আগস্ট) রাতে দেওয়া সে দীর্ঘ পোস্ট নিজের ‘ব্যর্থতা’ শিকার করে ফারিন লিখেছেন, ‘এতগুলো দিন পার হয়ে যাওয়ার পর আমার কিছু বলা বা না বলাতে কিছু আসে যায় না। তবু মনে হচ্ছে, আমার চুপ থাকাটাকে নিজের কাছে নিজের সহ্য হচ্ছে না। আমি আমার নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে নীরব ছিলাম। সাহসের অভাবে নীরব ছিলাম। নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে পারিনি। এ ব্যর্থতার দায় সম্পূর্ণ আমার।’

    তবে এখন সে ‘ভয়’ কেটে গেছে জানিয়ে ফারিন যোগ করেন, ‘আজকে (শনিবার) যখন হাজার হাজার মানুষ নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে শহীদ মিনারে জড়ো হলো ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদে, তখন নিজের বাসায় বসে নিজের নিরাপত্তার কথা ভাবাটাই হাস্যকর।’

    আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের আসল তারকা উল্লেখ করে তাদের কাছে অনেক কিছু শেখার আছে বলে মনে করছেন এই অভিনেত্রী, ‘কারও কোনো সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়া আপনারা সাধারণ মানুষ, যারা এত সুন্দর করে দেশ সংস্কারের কাজ করে যাচ্ছেন, তারাই আসল সেলিব্রিটি। আমার মতো স্বার্থপর মানুষদের অনেক কিছু শেখার আছে আপনাদের থেকে। হয়তো একদিন আপনাদের মতো আমারও সাহস হবে।’

    স্ট্যাটাসের শেষভাগে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ফারিন লিখেছেন, ‘আপনাদের মনে কষ্ট দিয়েছি। আমি ক্ষমাপ্রার্থী। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে চাই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক। কেউ পারলে আপনারাই পারবেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার কাছে ক্ষমা চাইবেন ইমরান হাশমি

    বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি বলেছেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মানুষ অনেক রেগে যায়। আজকাল মানুষ আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়েছে। 

    rnrn

    ২০১৪ সালে ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে ইমরান হাশমি ঐশ্বরিয়া রাইকে ‘প্লাস্টিক’ তকমা দিয়েছিলেন। এ মন্তব্যের জন্য সামাজিকমাধ্যমে বিভিন্নভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে সেই বিষয় নিয়ে কথা বললেন অভিনেতা ইমরান হাশমি। অভিনেতাকে প্রশ্ন করা হয় সেই মন্তব্যের জন্য তিনি আজ অনুশোচনা করেন কিনা?

    rnrn

    ইমরান বলেন, আমার সত্যিই অনুশোচনা হয়। আমি একাধিকবার বলেছি— যাদের নিয়ে কথা বলেছিলাম, তাদের প্রত্যেককে আমি শ্রদ্ধা করি। আমার অনুশোচনা হয় যে, সেই মন্তব্য মোটেই রুচিশীল ছিল না।

    rnrn

    তিনি বলেন, কফি উইথ করণ অনুষ্ঠানে আমরা একটা খেলা খেলছিলাম। মজার ছলে কথাটা বলেছিলাম। ভেবেছিলাম— মানুষও মজা হিসেবেই নেবে। এমন আরও অনেক খেলা ছিল ওই অনুষ্ঠানে। তখন মানুষ এত সংবেদনশীল ছিল না। তবে যদি ওর (ঐশ্বরিয়া রাই) খারাপ লেগে থাকে, আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।

    rnrn

    উল্লেখ্য, একসময় বলিউডে ‘সিরিয়াল কিসার’-এর তকমা পেয়েছিলেন ইমরান হাশমি। বর্তমানে পর্দায় চুম্বন কোনো বিরল ঘটনা নয়। তবে সেই সময়ে পর্দায় চুম্বনের দৃশ্য মোটেই সহজ ছিল না। মল্লিকা শেরাওয়াত থেকে শুরু করে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ— একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে পর্দায় চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করেছেন ইমরান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানি অভিনেত্রীর কাছে যে কারণে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় তারকা

    মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। প্রতিবেশী দুই দেশের রাজনৈতিক এই বৈরিতার প্রভাব পড়ে ক্রীড়াঙ্গন, বিনোদনসহ অনেক কিছুতে। 

    rnrn

    যে কারণে বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীদের অবাধ যাতায়াত বন্ধ। অনুষ্ঠান কিংবা সিনেমায় কাজ করা নিয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে।

    rnrn

    তিন বছর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি শিল্পীদের হয়ে আওয়াজ তোলেন অরিজিৎ; কিন্তু এবার এক পাকিস্তানি অভিনেত্রীর কাছেই ক্ষমা চাইতে হলো তাকে।

    rnrn

    দুবাইতে নিজের কনসার্ট করতে গিয়েছেন অরিজিৎ। সেখানে গায়কের গান শুনতে আসেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। ভারতে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘রইস’ ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। সেই ছবিতে অরিজিতের কণ্ঠে একটি গানও রয়েছে, ‘জালিমা’, যা খুবই জনপ্রিয় হয়।

    rnrn

    অরিজিতের মঞ্চের পাশেই ভিআইপি আসনে বসে ছিলেন অভিনেত্রী। প্রথমবার দেখে তাকে চিনতে পারেননি অরিজিৎ। পরে বুঝতে পেরে দর্শকের সঙ্গে মাহিরার পরিচয় করিয়ে দেন অরিজিৎই। প্রথম দেখায় চিনতে না পারার জন্য ক্ষমাও চেয়ে নেন।

    rnrn

    গাইতে গাইতে হঠাৎ থেমে গিয়ে অরিজিৎ বলেন, ‘আপনারা হয়তো শুনে চমকে যাবেন। আচ্ছা আমি একটু অন্যভাবেই বিষয়টি উপস্থাপন করছি। ওখানে কি কোনো ক্যামেরা আছে? অনেকক্ষণ ধরে ওকে চেনার চেষ্টা করছিলাম। তারপর মনে পড়ল, আরে ওর জন্য তো আমি ‘জালিমা’ গানটা গেয়েছিলাম।’

    rnrn

    কালো পোশাকে বসে ছিলেন মাহিরা। গায়কের কথা শুনে তার চোখে মুখে হাসি। শেষে অরিজিৎ বলেন, ‘আমার সামনে বসে রয়েছেন মাহিরা খান। 'জালিমা' গানটা গাওয়ার সময় মাহিরা নিজেও গাইছিলেন এবং ওখানে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু আমি চিনতে পারিনি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত ম্যাম।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বুলিংকারীকে ক্ষমা করে দিলেন লুবাবা

    শিশুশিল্পী লুবাবা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করেছিলেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ রাজশাহী থেকে একজন বুলিংকারীকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে। তবে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন লুবাবা।

    মঙ্গলবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে লুবাবা এ তথ্য জানান।

    এর আগে ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, লুবাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা রাজশাহী থেকে এক বুলিংকারীকে আটক করে নিয়ে এসেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযোগের একদিন পরই আমাদের সাইবার বিভাগ তাকে আটক করে।

    আরও পড়ুন: 

    সাংবাদিকদের লুবাবা বলেন, আমি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি। সাইবার জগতে আমাকে নিয়ে অনেকগুলো ভিডিও বানিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এসব ভিডিওর মধ্যে একটি খুবই আপত্তিকর ছিল। সেই ভিডিওটির বিষয়ে আমি আম্মু ও আব্বুকে নিয়ে হারুন আংকেলের (ডিবি প্রধান) কাছে এসেছিলাম। ওনার কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর তিনি দুইদিনও সময় নেননি, সেই মানুষটাকে বের করে ফেলেছেন। এখন সে ডিবি কার্যালয়ে আছে।

    সেই বুলিংকারীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন জানিয়ে লুবাবার ভাষ্য, সে আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আর যারা এমন কনটেন্ট বানাচ্ছেন, আমাকে ট্রল করছেন এবং মিম বানাচ্ছেন আমি তাদের বলব তারা যেন আর এই কাজ না করেন। আমি তাদেরও ক্ষমা করে দিয়েছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই মন্তব্যের জন্য ডিপজলের কাছে ক্ষমা চাইলেন জয়

    নিজের বেফাঁস মন্তব্যের জন্য চলচ্চিত্র অভিনেতা ডিপজলের কাছে ক্ষমা চাইলেন জয়। বললেন, ‘আমি ক্ষমা চাই। আপনি আমাকে যেভাবে আগে ভালোবাসতেন, সেভাবেই ভালোবাসবেন।’

    জয় বললেন, ডিপজল ভাই আপনাকে অনুরোধ করব- আমাদের অতীত সম্পর্কটা একটু ভেবে দেখবেন। আপনাকে আমি ভালোবাসি। আমার বেফাঁস মন্তব্যের কারণে আপনি কষ্ট পেয়েছেন কিন্তু সেটা আমার উদ্দেশ্য ছিল না।

    এক সাক্ষাৎকারে জয়কে বলতে দেখা যায়- ডিপজল ভাইয়ের মতো প্রভাবশালী এক ব্যক্তি, যে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত তাকে আপনি নাটক-সিনেমায় আনলেন এবং সে হিট হলো…।

    অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের এমন মন্তব্যে ডিপজল ক্ষুব্ধ হন।

    সম্প্রতি বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াতের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলকে নিয়ে এমন ‘বেফাঁস’ মন্তব্য করেন জয়।  

    জয় বলেন, ডিপজল ভাইকে নিয়ে ওই বেফাঁস মন্তব্যের পরে তিনি আমাকে ফোন দেননি। ফোন দিয়েছেন জায়েদ খান। জায়েদ বলেছেন, ডিপজল ভাই খুব রাগ করেছেন। আপনি জানেন না, আপনার ক্ষতি হয়ে যেতে পারে…।

    এরপর আমি ডিপজল ভাইকে ফোন দিই কিন্তু তিনি আমার ফোন ধরেননি। বরং জায়েদ ভাই আমাকে আবার ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করেন- আপনি ডিপজল ভাইকে কল দিয়েছেন কেন? এরপর আমি আর ভাইকে কল দেইনি।

    জয় আরও বলেন, এরপর আমার প্রডিউসার তাকে কল দেন অনুষ্ঠানে আসার জন্য। কিন্তু ডিপজল ভাই তাকে বলে দেন- আমার মুখ দেখতে চান না তিনি।

    পুরো ঘটনার জন্য ডিপজলের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন জয়।

    বিনোদন ডেস্ক