Tag: কৌশানী

  • পরমব্রত ইমরান হাশমির মতো, বনির আপত্তি ছিল: কৌশানী

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায় নতুন বছরে নন্দিতা-শিবপ্রসাদের ডেরা থেকে বের হয়ে সোজা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ঘরের মেয়ে। এখন তার মাথায় শুধুই সৃজিত, পরম কিলবিল করছে। ‘বহুরূপী’ সিনেমার সেই ‘ঝিমলি’ এখন বদলে গেছেন। পরিণত হয়েছেন। অভিনয়ের নানা দিক ও অভিজ্ঞতা নিয়ে সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন কৌশানী।

    আপনি বলছিলেন— ৯ বছর পর সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নজর পড়ল আপনার ওপর, কীভাবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে কৌশানী বলেন, এই ইন্ডাস্ট্রিতে সুযোগের বড্ড অভাব। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, একটা নির্দিষ্ট ধরনের কাস্টিং করার প্রবণতা রয়েছে এখানে। সৃজিতদার সিনেমাতে যেমন একই মুখ ঘোরাফেরা করে, যদিও ‘এক্স=প্রেম’ সিনেমাতে নতুন মুখ নিয়ে এসেছে সৃজিতদা। সে কারণেই আমার একটা আফসোসের জায়গা রয়ে গেছে। ৯টা বছর লেগে গেল আমার দিকে তাকাতে। পরিচালকরা যদি আগে আমাকে আরও একটু সুযোগ দিত সিনেমাতে, তা হলে হয়তো আরও ভালো ভালো কাজ করতে পারতাম।

     ‘বহুরূপী’ দরজাটা খুলে দিল? অভিনেত্রী বলেন, আমার জীবনে আগে এসেছে রাজদার ‘প্রলয়’। তবে রাজদাকে কোথাও দোষারোপ করতে পারি না আমি। আমার লঞ্চ আর রি-লঞ্চ দুটোই রাজদার হাত ধরে হয়েছে। আমার কাছে রাজদার আলাদা জায়গা রয়েছে।

    যদি ‘বহুরূপী’ না আসত?—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কিছুই করতাম না। বাড়িতে বসে অপেক্ষা করতাম ‘বহুরূপী’র মতো একটা সিনেমার জন্য। রাজদা আমাকে শিখিয়েছে— ধৈর্য রাখতে হবে। হতাশা থেকে ভুলভাল সিনেমাতে সই করার চেয়ে অপেক্ষা করা ভালো। সেসব সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে কখন এলো-গেল বোঝা যায় না।

    কীভাবে সিনেমার ডাক পেলেন কৌশানী। তিনি বলেন, সৃজিতদা আমাকে প্রথম ফোন করে ডাকে। জিজ্ঞেস করে, তোর চুমু খেতে অসুবিধা আছে? আমি বলেছিলাম— হ্যাঁ, অসুবিধা তো নিশ্চয়ই আছে। তার পর সৃজিতদা জানিয়েছিল, এই সিনেমাতে চুমু খাওয়াটা চিত্রনাট্যের জন্য জরুরি। আমি চিত্রনাট্য শুনলাম। শুনে আর না বলার প্রশ্নই ছিল না। কী অসাধারণ গল্প! সৃজিতদার সঙ্গে আমিও সহমত, কিছু জায়গায় গল্পের খাতিরে ওই দৃশ্যটা প্রয়োজনীয়। আর চুমু খাওয়াটাই তো সব নয়। বুঝেছিলাম ওই চরিত্রের নিশ্চয়ই অন্য অনেক কিছু করার আছে, তার পর কথাবার্তা এগিয়ে যায়। 

    কৌশানী বলেন, এখন এটা অনায়াসে বলতে পারি যে, আমার অভিনীত সেরা চরিত্র এটি। পর্দায় ঠোঁট ঠাসা চুমু খাওয়া নিয়ে আমার এত বিরোধিতা সেই জায়গাটায় নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি এ চরিত্রটার জন্য। এর আগে বনির সঙ্গেও পর্দায় চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করিনি।

    অভিনেত্রী বলেন, আলাদা করে কোনো প্রস্তুতি নিতে হয়নি। সেটে ‘ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর’ থাকেন। স্বচ্ছন্দ হতে তিনি অনেকটা সাহায্য করেন। আমি ভীষণ চাপে ছিলাম শটের আগে। সকাল থেকে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। কারও সঙ্গে কথা বলছিলাম না। আমার বিপরীতে পরমদা— পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পরমদা তো ইমরান হাশমি— দারুণ চুমু খায়। পর্দায় অনেককে চুমু খেয়েছে। তবে আমি সৃজিতদাকে বলেই দিয়েছিলাম, এটা যেন একটা টেকেই হয়ে যায়। এই দৃশ্যের রিটেক করা যাবে না। শট নেওয়ার পর চিত্রগ্রাহককে সৃজিতদা বলেছিল—তুই যদি শট না নিতে পেরেছিস বস, পরের চুমুটা তোকে আর আমাকে খেতে হবে। কৌশানী বলে দিয়েছে আর চুমু খাবে না। সেই শুনে আমাদের কী হাসি! পরমদাও খুব ভালোভাবে সামলেছে পুরো বিষয়টি।

    চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে বনির আপত্তি ছিল কিনা?এ প্রসঙ্গে কৌশানী বলেন, সঙ্গী হিসাবে তো যে কারও অসুবিধা হবে। বাড়ি ফিরে নিস্তব্ধ একটা পরিস্থিতি ছিল কিছুক্ষণ। কিন্তু আমি ওর জীবনে আসার আগে পর্দায় ও চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করেছে। ‘বরবাদ’ সিনেমাতে ঋত্বিকার সঙ্গে ঠোঁট ঠাসা চুমুর দৃশ্যে অভিনয় করেছে। আমরা সম্পর্কে আসার পর এটা পর্দায় প্রথম চুমু। একটা চ্যালেঞ্জ তো ছিলই, সেটা অতিক্রম করতে হয়েছে। এটা হওয়ারই ছিল।

    পারস্পরিক বোঝাপড়া হলো কীভাবে?—এ বিষয়ে তিনি বলেন, আসলে বাংলা বা কলকাতার ক্ষেত্রেই চুমু একটা বিশেষ বিষয় হিসেবে ভাবা হয়। এ বিষয়টা মুম্বাইয়ে কিন্তু কাপ কেকের মতো। ওখানে পর্দায় ‘স্মুচ’ করার আগে দুবার ভাবে না কেউ। খুব সহজভাবে দেখা হয় বিষয়টিকে। ওখানকার অধিকাংশ চিত্রনাট্যে চুমুর প্রয়োজনীয়তা থাকে। আমাদের এখানকার চিত্রনাট্যে এত বেশি থাকে না। আজকাল ওয়েব সিরিজে সাহসী দৃশ্য থাকে। তবে আমাদের এ সিনেমাতে চুম্বনের দৃশ্যে একটা মিষ্টতা রয়েছে। 

    অভিনেত্রী বলেন, পরমদার সঙ্গে আমি সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করেছি, তা নয়। ওই পরিস্থিতিতে চুম্বনের প্রয়োজনীয়তা ছিল। সে কারণেই সে দৃশ্যে অভিনয় করতে রাজি হয়েছি আমি। বনির বুঝতে ও গ্রহণ করতে সময় লেগেছে অবশ্যই। তবে আমার মনে হয়, এখন ও অনেকটা সহজ হয়ে গেছে। ঘরে ফেরার পর তো আমরা দুজন অন্য সাধারণ প্রেমিক-প্রেমিকার মতোই। প্রেমিকা সিনেমার জন্য নায়ককে চুমু খেলে প্রভাব তো পড়বেই। ওই দৃশ্য দেখাও খুব চ্যালেঞ্জিং হয়ে যায়।

    যদি উল্টোটা হতো এ প্রসঙ্গে কৌশানী বলেন, আমার জায়গায় বনি যদি চুমুর দৃশ্যে অভিনয় করত, তাহলে আমার ওপর প্রভাব পড়ত কোনো না কোনোভাবে। সঙ্গী হিসাবে মানসিক প্রভাব পড়েছিল বনির, কিন্তু সহ-অভিনেতা হিসাবে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি।

    পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা কেমন?—এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, সৃজিতদা মনিটরে বসলে একটা আলাদা মানুষ। শট শেষে দুপুরের খাবার টেবিলে একটা অন্য মানুষ। ওর কাজের দিকটা জাদুর মতো। সবাই বলে, সৃজিতদা সেটে খুব কড়া। যখন-তখন চেঁচামেচি করে। আমি ওই কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই সচেতন ছিলাম আমার কাজ নিয়ে। 

    তিনি বলেন, আমি সৃজিতদাকে আগেই বলে রেখেছিলাম, তোমাকে তো চেঁচামেচি করা থেকে আটকানো যাবে না। তুমি যদি পারো আলাদা করে বলো আমাকে। আমি এমন প্রস্তুতি নিয়ে, সুরক্ষা নিয়ে সেটে গিয়েছিলাম, আমার ওপর চিৎকার করতে হয়নি সৃজিতদাকে।

    পরমব্রত প্রসঙ্গে কৌশানী বলেন, এই সিনেমাতে পরমদা অভিনেতা হলেও কোথাও না কোথাও ওর পরিচালক সত্তাও প্রকাশ পাচ্ছিল। কোন দৃশ্যে আমার অভিনয় নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছিল। আমার এতে খানিকটা সুবিধা হয়েছিল। আমিও পরমদাকে জিজ্ঞেস করেছি— আমার এই দৃশ্যটা কেমন লাগল, ইত্যাদি।

    অভিনেত্রী বলেন, সিনেমাতে আমার অভিনীত চরিত্র ‘পূর্ণা’কে সৃজিতদা যেভাবে চাইবে আমাকে সেভাবেই তুলে ধরতে হবে। আমি নিজে থেকে কিছু করব না— এমনটাই ভেবেছিলাম। তিনি বলেন, সিনেমাতে আমার অভিনীত চরিত্রটির অনেকগুলো পর্যায়, অনেক অনুভূতি ধরা দিয়েছে। কখনো অবসাদ, কখনো প্রেম, কখনো বিয়ে, আবার কখনো বাঁচার ইচ্ছা চলে যাওয়া। প্রায়শই ভেঙে পড়া, ট্রমায় থাকা। সেই এক একটা অনুভূতি সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা সহজ ছিল না। সৃজিতদার কথামতো এই দেড় মাস আমি সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে রেখেছিলাম নিজেকে। পার্টিতে যেতাম না। নিজেকে ওই চরিত্রের মধ্যেই ধরে রাখতে চাইতাম। আমার ব্যক্তিজীবনে সব থেকে বড় ট্রমা আমার মায়ের মৃত্যু। সেটা মাথায় রেখে অনেক দৃশ্যে দুঃখ ও ব্যথা ফুটিয়ে তুলেছি।

    সৃজিতের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেছে? নায়িকা-পরিচালকের রসায়ন কেমন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ২০ দিন ধরে একটা সিনেমার শুটিং চলে। ইউনিটের সবাই একে অপরকে এত কাছ থেকে দেখে এমনিই একটা সমীকরণ তৈরি হয়ে যায়। আমি মনে করি, অভিনেতার সঙ্গে পরিচালকের অবশ্যই একটা সমীকরণ থাকা উচিত। আমার আর শিবুদার একটা ম্যাজিক্যাল সমীকরণ রয়েছে, যেটা পর্দায় রসায়ন ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

    তিনি বলেন, সৃজিতদার কথায় ফিরে আসি। এখন ওর সঙ্গে আমার যে সমীকরণ, ওকে আমি বন্ধুর মতো সব কিছু খোলাখুলি বলতে পারি। আমার কাজের ক্ষেত্রে ওর পরামর্শ নিতে পারি। কাজ করতে করতেই এই বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে গেল।

    কৌশানী আরও বলেন, রসায়ন যখন তৈরি হয়েছে, কথা তো হবেই। যেখানে মানুষটা সৃজিত মুখোপাধ্যায়, এত রোমাঞ্চকর একটা মানুষ। এসব গুঞ্জন নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, যে সিদ্ধান্ত নিলেন কৌশানী

    হলিউডের সেই ‘হিটম্যান সাগা’ এবার সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’তে। সিনেমাতে অভিনেত্রী হিসেবে দেখা যাবে কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার ট্রেলার প্রকাশ্যে আসতেই কৌশানীর চরিত্রের মধ্যে অ্যাঞ্জেলিনার ছায়া দেখা গেল।

    পূর্ণা আইচের ভূমিকায় কৌশানী। প্রেমিকের সঙ্গে কাটানো তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও পর্নসাইটে ভাইরাল। পারিবারিক অশান্তি তুঙ্গে। সমাজে মুখ দেখানো দায়! এদিকে নির্বিকার প্রেমিক। শেষমেশ নিজেকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পূর্ণা। 

    তবে আত্মহত্যা মহাপাপ ধর্মে সইবে না! তাই ‘কিলবিল সোসাইটি’র দ্বারস্থ হয় সে। নিজেই নিজের নামে ‘সুপারি’ দেয়। ঘটনাচক্রে আলাপ হয় ভাড়াটে খুনি মৃত্যুঞ্জয় করের সঙ্গে। যে চরিত্রে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সেই পরিচয় পরিণত হয় প্রেমে। 

    এবার ভাগ্যের চিত্রনাট্যে তাহলে ‘শেষের কবিতা’ লিখবে কে? প্রেম না মৃত্যু? উত্তর পেতে আগামী ১১ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে যেতে হবে। কারণ সেদিনই মুক্তি পাচ্ছে সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’। ট্রেলারের শেষপাতে ‘হেমলক সোসাইটি’র আইকনিক দৃশ্যের উলাট পুরাণ ঘটিয়েছেন পূর্ণা এবং মৃত্যুঞ্জয়। ট্যুইস্ট সেখানেই।

    ‘হেমলক সোসাইটি’র ১৩ বছর বাদে কেমন আছেন আনন্দ কর এবং তার আশেপাশের মানুষেরা? সেই গল্প নিয়েই সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’ আসছে। কাস্টিংয়ে নামজাদা তারকাদের ভিড় আর তাদের ফার্স্টলুক আগেই কৌতূহলের পারদ চড়িয়েছিল। এবার রোমাঞ্চকর ট্রেলার, অনুপম রায়ের গান আর রগরগে সংলাপ তার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিল, বললেও অত্যুক্তি হয় না।

    সৃজিতের ‘কিলবিল সোসাইটি’র জন্য লুক বদলে ফেলেছেন পরমব্রত। প্রস্থেটিকে তিনি বিশ্বাসী নন। তাই চরিত্রের প্রয়োজনে মাথা কামিয়ে আনন্দ করকে নতুন লুক দিয়েছেন অভিনেতা। তার চরিত্রেও এবার বিশেষ চমক! 

    যে আনন্দর হাত ধরে জীবনমুখী হতে শিখেছিল অবসাদের কুয়াশায় জেরবার মানুষেরা, সেই আনন্দ কালের নিয়মে বদলে গিয়েছেন। এখন আর তিনি ‘হেমলক সোসাইটি’ পরিচালনা করেন না। পরিবর্তে ‘কিলবিল সোসাইটি’র দায়িত্ব নিয়ে সে এখন মৃত্যুঞ্জয় কর। 

    অন্যদিকে, পূর্ণা আইচের ভূমিকায় একেবারে ডিগ্ল্যাম লুকে ধরা দিলেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। বেপরোয়া জীবনযাপনে অভ্যস্ত সে। সমাজের মতামতের ধার ধারে না সে। নিন্দুক-সমালোচক, কাউকেই পরোয়া করে না পূর্ণা। যখন যা মন চেয়েছে, করেছে। সমাজের কাছে পূর্ণা দুঃসাহসী। লাগামছাড়া এক মেয়ে। কিন্তু পূর্ণার কাছে এটাই জীবন। 

    তবুও জীবনের এক পর্যায়ে এসে ওলট পালট হয়ে যায় পূর্ণার জীবন। সেই নির্ভীক পূর্ণা হয়ে ওঠে ভিতু। কোন পরিস্থিতিতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তার? ট্রেলারে সেই ঝলক দেখানো হয়েছে। তবে সে কি আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? সেই উত্তর মিলবে আগামী ১১ এপ্রিল।

    কিলবিল সোসাইটি’ সিনেমায় যুক্ত হওয়ার গল্প জানিয়ে কৌশানী বলেন, “সৃজিতদা আমাকে প্রথম ফোন করে ডাকেন। জিজ্ঞাসা করেন, তোর চুমু খেতে অসুবিধা আছে?’ আমি বলেছিলাম, ‘হ্যাঁ, অসুবিধা তো নিশ্চয়ই আছে।’ তারপর সৃজিতদা জানান, সিনেমায় চুমু খাওয়াটা চিত্রনাট্যের জন্য জরুরি। আমি চিত্রনাট্য শুনলাম, শুনে আর না বলার প্রশ্নই ছিল না। কী অসাধারণ গল্প! সৃজিতদার সঙ্গে আমিও সহমত, কিছু জায়গায় গল্পের খাতিরে ওই দৃশ্যটা প্রয়োজনীয়। আর চুমু খাওয়াটাই তো সব নয়। বুঝেছিলাম ওই চরিত্রের নিশ্চয়ই অন্য অনেক কিছু করার আছে, তারপর কথাবার্তা এগিয়ে যায়।

    চুম্বন দৃশ্যে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন অনায়াসে বলতে পারি, আমার অভিনীত সেরা চরিত্র এটি। পর্দায় ঠোঁট ঠাসা চুমু খাওয়া নিয়ে আমার এত বিরোধিতা সেই জায়গায় নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি এই চরিত্রের জন্য। এর আগে কিন্তু বনির সঙ্গেও পর্দায় চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করিনি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবনের যে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন কৌশানী

    ‘বহুরূপী’ সিনেমা নিয়ে এবার পূজায় হাজির হচ্ছেন টালিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। এই ছবির টিজার ইতোমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলেছে। ছবিটিতে ‘ঝিমলি’ রূপে দেখা যাবে কৌশানীকে। নায়িকার বিপরীতে থাকছেন শিবপ্রসাদ মুখার্জি। তাদের জুটিতে রোম্যান্টিক গান ‘শিমূল-পলাশ’ বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার ছবির দ্বিতীয় গান ‘আজ সারা বেলা’-এর মিউজিক লঞ্চ ইভেন্টে নানা কথা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী নিজের জীবনে আসা মুখোশধারী মানুষদের নিয়ে মুখ খোলেন।

    কৌশানী তার আশেপাশে থাকা মুখোশধারী মানুষদের চিনতে পারেন কিনা, প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। নায়িকার উত্তর, ‘আমি যদি চিনতে পারতাম তাহলে তো খুবই ভালো হত। আমি অনেকবার ধাক্কা খেয়েছি, অনেকবার লাথি খেয়েছি, কিন্তু তাতেও আমি পুরোটা শিখে উঠতে পারিনি।’

    কৌশানী বলেন,‘এখন এই মুখোশধারীদের চেনার প্রসেসে আছি। আসলে আমি খুব তাড়াতাড়ি বিপরীতের মানুষটাকে নিজের মত ভেবে ফেলি। ভুল করে আমার নিজের কথা বলে ফেলি, নিজেকে উজাড় করে দেই। এটাই আমার প্রকৃতি, সবারই না অনেকগুলো মুখোশ থাকে, যদি সেটা চিনে ফেলতে পারতাম তাহলে হয়ত অনেক বড় জায়গা যেতে পারতাম।’

    ‘বহুরূপী’-এর পোস্টার লঞ্চের ইভেন্টেও নিজের প্রকৃতি ও তার জন্য কাজে কী প্রভাব পড়ে তা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে আমি বাড়িয়ে বলতে পারি না। দরকারের বেশি সত্যি কথা বলে ফেলি বলে আমার বদনামও রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। ‘আবার প্রলয়’-এর পর আমি প্রায় ৮ মাস কিছু কাজ করিনি। এর জন্য এমনও শুনতে হয়েছে যে আমি নাকি কাজ পাচ্ছি না। সেটা কিন্তু একেবারেই নয়। এর মাঝেও আমার কাছে অনেক কাজের অফার এসেছিল, কিন্তু আমি স্বেচ্ছায় সেইসব কাজ ছেড়ে দিয়েছি। কারণ আমার মনে হয়েছিল ‘আবার প্রলয়’-তে আমাকে অন্যরকম ভাবে দেখে দর্শকরা যে ভালোবাসাটা দিয়েছিলেন, সেটা যেন আমার পরের ছবিতে একটু না কমে। ‘আবার প্রলয়’ আমার জন্য খুব বিশেষ ছিল। তারপর আসে ‘বহুরূপী’-এর অফার।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • টালিউডের দুই নায়িকার ছবি একসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশে

    টালিউড নায়িকা কৌশানীর ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ঈদুল আজহায়। সেই সঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে মিমি চক্রবর্তীর ‘তুফান’ ছবিটিও। টালিউডের দুই নায়িকার ছবি একসঙ্গে বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে। বাংলাদেশে শেষ কবে টালিউডের দুই নায়িকার ছবি একসঙ্গে ঈদে মুক্তি পেয়েছিল, তা এখন গবেষণায় বের করতে হবে! 

    rnrn

    ইতোমধ্যে রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ সিনেমাটি মুক্তি উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢালিউড বাদশাহ শাকিব খান ও ভারতীয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। 

    rnrn

    তুফান’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে শাকিব খানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মিমি চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আমরা যখন ছবিটি শুট করছিলাম, সেই সময় অনেক গরম ছিল। শাকিব স্যুট পরেছিল। এ সময় গরমের মাঝে একবারও আমি ওর মুখ থেকে ‘উফ’ বলতে শুনিনি।

    rnrn

    মিমি আরও বলেন, একজন ভালো কো-স্টারের সঙ্গে কাজ করতে আসলেই ভালো লাগে। কাজের ক্ষেত্রে শাকিবের ডেডিকেশন আছে বলেও আজকে সে আপনাদের সবার প্রিয়।

    rnrn

    এদিকে সিনেমা মুক্তি নিয়ে যেভাবে গণজোয়ার চলছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছিল— এবার খালি মাঠে গোল দেবে রায়হান রাফীর ‘তুফান’। কিন্তু আদতে তা হচ্ছে না। একেবারেই খালি মাঠ পাচ্ছেন না রায়হান রাফী কিংবা শাকিব খান-মিমি চক্রবর্তী। ঈদে আরও মুক্তি পাচ্ছে রাশিদ পলাশের ‘ময়ূরাক্ষী’। এরপর মোহাম্মদ ইকবালের ‘রিভেঞ্জ’।

    rnrn

    অনেকটা শেষবেলায় এসে এই বহরে যুক্ত হলো প্রশংসিত নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা নিজেই।

    rnrn

    মজার হচ্ছে, এটি টালিউডের নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর ঢাকায় প্রথম ছবি ‘তুফান’। এবার ভাগ বসাচ্ছেন একই ইন্ডাস্ট্রির ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ নায়িকা কৌশানী মুখার্জি। 

    rnrn

    কলকাতা থেকে কৌশানী মুখার্জি বলেন, ‘মারমার কাটকাট একটা ছবি ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’। বাংলাদেশের এই ছবিতে কাজ করে আমার বেশ ভালো লেগেছে। ছবিটি ঈদে আসছে শুনে খুশি হয়েছি। সবাইকে ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

    rnrn

    ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবিতে নবাগত নায়ক হিসেবে আছেন মুন্না খান। তিনি এ ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন। মুন্না খান বলেন, ‘এটি আমার প্রথম ছবি। প্রথম ছবিতেই নায়িকা হিসেবে পেয়েছি কলকাতার কৌশানী মুখার্জিকে। গুণী পরিচালক মানিক ভাইয়ের মতো মানুষের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। এর মধ্যেই ট্রেলার ও পোস্টার দর্শকরা লুফে নিয়েছে। আশা করছি ছবিটিও দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করবে।’

    rnrn

    ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ‘এই ছবির গল্পটাই আসলে নায়ক। আমি চেষ্টা করেছি, ভালো চলচ্চিত্র তৈরির। আশা করি, দর্শকরা সেটা পাবেন। ইতোমধ্যে আমরা সেন্সর ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। সিনেমাটি মুক্তির জন্য আমরা ঈদের সময়টাকে বেছে নিয়েছি।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার এই ছবির বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, মিশা সওদাগর, বড়দা মিঠু, শিমুল খান, মারুফ আকিব, ডনসহ অনেকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদে মিমির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে আসছেন কৌশানী

    টালিউড নায়িকা কৌশানীর ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ঈদুল আজহায়। সেইসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে মিমি চক্রবর্তীর ‘তুফান’। টালিউডের দুই নায়িকার ছবি একসঙ্গে বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে। বাংলাদেশে শেষ কবে টালিউডের দুই নায়িকার ছবি একসঙ্গে ঈদে মুক্তি পেয়েছিল, তা এখন গবেষণায় বের করতে হবে! 

    ইতোমধ্যে রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ সিনেমাটি মুক্তি উপলক্ষ্যে বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢালিউড বাদশাহ শাকিব খান ও ভারতীয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। 

    তুফান’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে শাকিব খানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মিমি চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আমরা যখন ছবিটি শুট করছিলাম, সেই সময় অনেক গরম ছিল। শাকিব স্যুট পরেছিল। এ সময় গরমের মাঝে একবারও আমি ওর মুখ থেকে ‘উফ’ বলতে শুনিনি। 

    মিমি আরও বলেন, একজন ভালো কো-স্টারের সঙ্গে কাজ করতে আসলেই ভালো লাগে। কাজের ক্ষেত্রে শাকিবের ডেডিকেশন আছে বলেও আজকে সে আপনাদের সবার প্রিয়।

    এদিকে সিনেমা মুক্তি নিয়ে যেভাবে গণজোয়ার চলছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছিল— এবার খালি মাঠে গোল দেবে রায়হান রাফীর ‘তুফান’। কিন্তু আদতে তা হচ্ছে না। একেবারেই খালি মাঠ পাচ্ছেন না রায়হান রাফী কিংবা শাকিব খান-মিমি চক্রবর্তী। ঈদে আরও মুক্তি পাচ্ছে রাশিদ পলাশের ‘ময়ূরাক্ষী’। এরপর মোহাম্মদ ইকবালের ‘রিভেঞ্জ’। অনেকটা শেষবেলায় এসে এই বহরে যুক্ত হলো প্রশংসিত নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা নিজেই।

    মজার ব্যাপার হচ্ছে, এটি টালিউডের নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর ঢাকায় প্রথম ছবি ‘তুফান’। এবার ভাগ বসাচ্ছেন একই ইন্ডাস্ট্রির ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ নায়িকা কৌশানী মুখার্জি। 

    কলকাতা থেকে কৌশানী মুখার্জি বলেন, ‘মারমার কাটকাট একটা ছবি ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’। বাংলাদেশের এই ছবিতে কাজ করে আমার বেশ ভালো লেগেছে। ছবিটি ঈদে আসছে শুনে খুশি হয়েছি। সবাইকে ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

    ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবিতে নবাগত নায়ক হিসেবে আছেন মুন্না খান। তিনি এ ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন। মুন্না খান বলেন, ‘এটি আমার প্রথম ছবি। প্রথম ছবিতেই নায়িকা হিসেবে পেয়েছি কলকাতার কৌশানী মুখার্জিকে। গুণী পরিচালক মানিক ভাইয়ের মতো মানুষের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। এর মধ্যেই ট্রেলার ও পোস্টার দর্শকরা লুফে নিয়েছে। আশা করছি ছবিটিও দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করবে।’

    ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ‘এই ছবির গল্পটাই আসলে নায়ক। আমি চেষ্টা করেছি, ভালো চলচ্চিত্র তৈরির। আশা করি, দর্শকরা সেটা পাবেন। ইতোমধ্যে আমরা সেন্সর ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। সিনেমাটি মুক্তির জন্য আমরা ঈদের সময়টাকে বেছে নিয়েছি।’

    উল্লেখ্য, ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার এই ছবির বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, মিশা সওদাগর, বড়দা মিঠু, শিমুল খান, মারুফ আকিব, ডনসহ অনেকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পুলিশ কর্মকর্তা’ হওয়ার জন্য ঢাকায় কৌশানি

    মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ঢাকায় এসেছেন টালিউড অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জি। এই সিনেমায় তাকে দেখা যাবে পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে।

    rnrn

    জানা গেছে, এই সিনেমার প্রযোজক এবং নায়িকা ইস্যু নিয়ে নানা বিতর্কের জন্য শুটিং বন্ধ হয়ে যায়। তবে এর মধ্যে বদলে যায় দৃশ্যপট, সঙ্গে নায়িকাও। শুরুতে নায়িকা মাহিয়া মাহি চুক্তিবদ্ধ হয়ে কিছুদিন শুটিং করেন এবং হুট করে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান। এর পর তার পরিবর্তে পরীমনির অভিনয় করার কথা থাকলেও সেটি আর হয়নি।

    rnrn

    পরে এই ছবিতে যুক্ত হন কৌশানি মুখার্জি। গত বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে কলকাতার এক ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন অভিনেত্রী। বিমানবন্দর থেকে তিনি সোজা পাড়ি জমান এক পাঁচতারকা হোটেলে। সেখানে খানিক বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যায় অংশ নেন সিনেমার শুটিংয়ে। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, কৌশানি মুখার্জি এর আগেও ২০২১ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং অভিনয় করেছিলেন বাংলাদেশের ‘প্রিয়া রে’ সিনেমায়। শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত এই সিনেমাটি পরে আর আলোর মুখ দেখেনি, মুক্তি নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবার বিয়ে হয়ে বাচ্চা হচ্ছে, আর আমি!

    টালিউডের লাভ বার্ডস বনি সেনগুপ্ত ও কৌশানী মুখোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই ছবি আর রিল শেয়ার করেন তারকা কাপল। 

    সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বনি-কৌশানী। সেখান থেকেও বনির সঙ্গে বেশ কিছু গ্ল্যামারাস ছবি শেয়ার করেন কৌশানী। তবে বছরের শুরুতে অ্যানিমেল ছবির ট্রেন্ডিং গান জামাল কুদুর তালে একটা মজার রিল শেয়ার করেছেন। যেখানে সবার নজর কেড়েছে তার ক্যাপশন। 

    কৌশানী লিখেছেন, 'প্রত্যেকের বিয়ে হয়ে বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে আর আমার তো ছেলেবেলাটাই যেন কাটতে চাইছে না। মন থেকে ছোট থাকলেই ভালো থাকা যায়। বন্ধুদের সঙ্গে ছোটবেলায় খেলার সেই মুহূর্তগুলো খুব মনে পড়ছে।'

    যে রিলটি কৌশানী শেয়ার করেছেন সেখানে তারকা তকমা ঘুচিয়ে একেবারে মেয়েবেলার খেলার মুডে দেখা যাচ্ছে। কাজের সব ব্যস্ততাকে দূরে রেখে একটু নিজের মতো করে ছোটবেলায় ফিরে গেছেন। 

    আরও পড়ুন: 

    কৌশানীকে শেষ দেখা গেছে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ওয়েব সিরিজ আবার প্রলয়ে। ওটিটিতে তার অভিনয় দাগ কেটেছে প্রতিটি দর্শকের মনে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বনি-কৌশানীর বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন বাবা

    অনেক দিন ধরেই বনি-কৌশানীকে একসঙ্গে দেখলেই একটা প্রশ্ন উঠে আসে। সেটা হলো- প্রেমপর্ব তো চলছে অনেক দিন, বিয়ের দিনক্ষণ কি ঠিক হলো? বরাবরই এই প্রশ্ন এড়িয়ে যান নায়ক-নায়িকা।

    rnrn

    এবার মুখ খুললেন নায়িকার বাবা। অভিনেত্রীর জন্মদিনে বিশেষ ঘোষণা দেন বাবা।

    rnrn

    ১৭ মে ছিল কৌশানীর জন্মদিন। এ দিন শহরের একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করেছিলেন নায়িকার বাবা। সেখানেই এক সাক্ষাৎকারে বনি-কৌশানীর বিয়ের ব্যাপারে কৌশানীর বাবা বললেন- ‘২০২৪ সালে ওদের বিয়ে হবে।’ 

    rnrn

    বাবার কথা শুনে খানিকটা অস্বস্তিতে কৌশানী। হবু শ্বশুরের কথা শুনে হেসে উঠলেন বনিও। তবে উত্তরে বাধাও দেননি। যদিও তারিখ বা বিয়ে সম্পর্কিত আর কোনো তথ্য জানা যায়নি।

    rnrn

    আট বছর হলো বনি সেনগুপ্ত এবং কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্ক। তারা বিয়ে করছেন কবে? এ প্রশ্ন সবার। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ছবি ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’। সেই ছবির সেটেই তাদের প্রথম দেখা, তারপর প্রেম। 

    rnrn

    নিজেদের প্রেম নিয়ে কখনো লুকোছাপা করেননি তারা। বারবারই প্রকাশ্যে একে অপরকে ভালোবাসার কথা বলে এসেছেন বনি এবং কৌশানী। দুই পরিবারও খুশি তাদের সম্পর্ক নিয়ে। এক সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে খাওয়া-দাওয়া মুখোপাধ্যায় এবং সেনগুপ্ত পরিবারকে সর্বদা দেখা যায় পাশাপাশি। 

    rnrn

    বনি-কৌশানী একসঙ্গে একটি প্রযোজনা সংস্থাও খুলেছেন। নাম ‘বিকে এন্টারটেইনমেন্ট’। তাদের প্রথম প্রযোজিত ছবি ‘ডাল বাটি চুরমা’। এ মুহূর্তে নায়ক নায়িকা ব্যস্ত নতুন চিত্রনাট্যে। তারপর নতুন ছবির কাজ শুরু করবেন।
    rn 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ৮ বছর প্রেমের পর জানা গেল বনি-কৌশানীর বিয়ের খবর!

    ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ছবি ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’। সেই ছবির সেটেই তাদের প্রথম দেখা, তার পর প্রেম। আট বছর হলো সম্পর্কে রয়েছেন বনি সেনগুপ্ত ও কৌশানী মুখোপাধ্যায়। নিজেদের প্রেম নিয়ে কখনো লুকোছাপা করেননি তারা। বারবারই প্রকাশ্যে একে অপরকে ভালোবাসার কথা বলে এসেছেন বনি ও কৌশানী। দুই পরিবারও খুশি তাদের সম্পর্ক নিয়ে।

    rnrn

    একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়া কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে খাওয়াদাওয়া— মুখোপাধ্যায় এবং সেনগুপ্ত পরিবারকে সর্বদা দেখা যায় পাশাপাশি। বহুদিন ধরেই তাই বনি-কৌশানীকে একসঙ্গে দেখলেই বিয়ের প্রশ্ন উঠে আসে। তবে বরাবরই এই প্রশ্ন এড়িয়ে যান নায়ক-নায়িকা। 

    rnrn

    তবে ১৭ মে কৌশানীর জন্মদিনে মেয়ের বিয়ের খবর দিলেন তার বাবা। এ দিন শহরের একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেছিলেন নায়িকার বাবা। সেখানেই এক সাক্ষাৎকারে বনি-কৌশানীর বিয়ের পরিকল্পনা ফাঁস করলেন কৌশানীর বাবা। 

    rnrn

    তিনি বলেন, '২০২৪ সালে ওদের বিয়ে হবে।‘ 

    rnrn

    তবে বাবার কথা শুনে খানিকটা অস্বস্তিতে কৌশানী। হবু শ্বশুরের কথা শুনে হেসে উঠলেন বনিও। তবে বাবার উত্তরে তেমন কোনো বাধাও দেননি। যদিও তারিখ বা বিয়ে সম্পর্কিত আর কোনো তথ্য জানা যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নার্ভাস লাগছে কৌশানীর

    বনি রাজস্থানের ছেলে, থাকেন উত্তর কলকাতায়। কৌশানী বাঙালি। বিপরীত মেরুর বাসিন্দা। তার ঠিকানা দক্ষিণ কলকাতা। দুই পরিবারে তুমুল ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকে। এরমধ্যেই একে অন্যের প্রেমে পড়ে যান বনি-কৌশানী। তাদের প্রেমের উপাখ্যানে এগোবে সিনেমার দৃশ্যপট। 

    কলকাতার দুই বাঙালি-অবাঙালি পরিবার নিয়ে ‘ডাল বাটি চুরমা’ সিনেমার কাহিনি। বানিয়েছেন হরনাথ চক্রবর্তী।  

    আজ পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে বনি-কৌশানী জুটির সিনেমা ‘ডাল বাটি চুরমা’। অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমাটি প্রযোজনাও করেছেন তারা। 

    কৌশানী মুখোপাধ্যায় এখন শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত।  নিজের প্রথম প্রযোজিত সিনেমা নিয়ে কিছুটা নার্ভাস লাগছে বলে জানালেন কৌশানী। যদিও সিনেমাটি সব শ্রেণির দর্শকের ভালো লাগবে বলে তার বিশ্বাস।

    সিনেমার প্রচারে মাঝেই পারিশ্রমিক-বৈষম্য নিয়ে আক্ষেপ জানালেন এই নায়িকা। কৌশানী বলেন, ‘এমন অনেক হয়েছে, একটা সিনেমায় নায়কের তুলনায় বেশি অংশ আমার। আমাকে বেশি দিন সময় দিতে হয়েছে। কিন্তু শেষে নায়ককেই বেশি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে, আমায় নয়। কেন এমনটা হয়?’

    তবে প্রযোজক হিসেবে সব শিল্পীকে যথাযথ সম্মান দেওয়ার কথা জানিয়েছেন কৌশানী। তিনি বলেন, ‘অন্য প্রযোজনা সংস্থা কী করবে তা জানি না। তবে আমার প্রযোজনা সংস্থায় চেষ্টা করব, প্রত্যেকের প্রাপ্য পারিশ্রমিক যথাযথ দেওয়ার।’

    সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এ সিনেমার একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলাদেশের ইমরান মাহমুদুল।
     

    বিনোদন ডেস্ক