Tag: কুমার শানু

  • পরকীয়ার জের, রাগে অভিনেত্রীর গাড়ি ভেঙেছিলেন কুমার শানুর স্ত্রী

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় গায়ক কুমার শানু। ভারতের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রায় ২১০০০ গান গেয়েছেন এই গুণী শিল্পী৷ একদিনে ২৮টি গান রেকর্ড করে বিশ্বরেকর্ডও করেছেন তিনি

    কুমার শানুর মোহনীয় সুরের মূর্ছনায় পাগল হয়ে একসময় তার প্রেমে হাবুডুবু খেতেন অনেক নারী ভক্ত। শুধু যে নারী ভক্তরাই প্রেমে পড়েছেন বিষয়টি তেমনও না। কয়েকজন অভিনেত্রীও রয়েছে এই তালিকায়। তেমনই এক বলিউড অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দ। 

    সম্প্রতি গায়কের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। 

    তিনি জানান, ১৯৯০ সাল নাগাদ তারা সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। আর সে কথা জানতে পারায় গায়কের সাবেক স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ছিল হতবাক করার মতো। সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে কুনিকা বলেন, এই সম্পর্কের জন্য কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন তাকে হতে হয়েছিল।

    কুনিকা বলেন, উটিতে একটি শুটিং চলাকালে কুমার শানুর সঙ্গে তার পরিচয়। সেই সময় অভিনেত্রী ইন্ডাস্ট্রিতে তার ক্যারিয়ার তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন। কুমার শানু তার বোন ও ভাগ্নিকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানেই অভিনেত্রীর সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয়। ক্যারিয়ারের এমন একটা পরিস্থিতি ছিল যে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এমনকি, একটা সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হোটেলের জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন বলে শোনা যায়। অভিনেত্রী ও তার টিমের লোকজনের চেষ্টায় সবটা সামলানো সম্ভব হয়।

    অবশ্য কুমার শানুর সঙ্গে সম্পর্ককে ‘অত্যন্ত ব্যক্তিগত’ বলে অভিহিত করেছেন কুনিকা। তাঁর কথায়, আমার তার সঙ্গে সম্পর্ক একেবারেই স্বামী-স্ত্রীর মতো ছিল। আমি তাকে আমার স্বামী ভাবতাম।’ শুধু তাই নয়, শিল্পীকে ফিটনেস এবং ফ্যাশনের দিকে মনোনিবেশ করতেও উৎসাহিত করেছিলেন। সেখান থেকে ফিরে আসার পর কুমার শানু তার স্ত্রীর থেকে আলাদা থাকতে শুরু করেন। সেই সময় কুনিকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

    অভিনেত্রী জানান, একটা সময় কুমার শানুর ব্যক্তিগত জীবনের কিছু ঘটনায় তাদের সম্পর্ক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল। শিল্পীর তৎকালীন স্ত্রী রীতা তাদের সন্তানদের জন্য আর্থিক সাহায্য না পেয়ে রেগে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি সোজা অভিনেত্রীর বাড়িতে চলে যান। সেখানে গিয়ে রাগের মাথায় হকি স্টিক দিয়ে অভিনেত্রীর গাড়ির কাচ ভেঙে দেন। 

    তবে সেদিন চুপ ছিলেন কুনিকা। বুঝতে পেরেছিলেন কতটা অসহায় হয়ে এমনটা করছেন রীতা। আর কোনোভাবেই কুমার শানুর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চান না রীতা, জানিয়েছিলেন অভিনেত্রীকে।

    এরপর নানা ঘটনায় ভালো সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও, কুনিকা এবং কুমার শানুর সম্পর্কের ইতি ঘটে। পরবর্তীকালে শিল্পী তার বর্তমান স্ত্রী সালোনিকে বিয়ে করেন। যাদের দুই কন্যাও রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে বলিউড নায়িকার সঙ্গে পরকীয়ায় ঘর ভাঙে কুমার শানুর

    জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী মীনাক্ষী শেষাদ্রির সঙ্গে প্রেম নিয়ে জল্পনা শুরু হয় সংগীতশিল্পী কুমার শানুর। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয় সমালোচনা। তাদের এ সম্পর্কের কারণে নাকি ঘরও ভাঙে এ সংগীতশিল্পীর। 

    ১৯৮৮ সালে প্রথম প্লেব্যাক শুরু করেন সংগীতশিল্পী কুমার শানু ওরফে কেদারনাথ ভট্টাচার্য। ‘হিরো হীরালাল’ সিনেমায় তিনি প্রথম গান করেন। এরপর ‘৯০-এর দশকে সংগীতজগতে বলিউড কাঁপান এ সংগীতশিল্পী। ‘৯০ সালেই মুক্তি পায় মহেশ ভাটের ছবি ‘জুর্ম’। বিনোদ খান্না, মীনাক্ষী শেষাদ্রি, সংগীতা বিজলানি অভিনীত ছবিটির ‘যব কোয়ি বাত বিগড় যায়ে’ গানটি তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। গানটি গেয়েছিলেন কুমার শানু ও সাধনা সরগম।

    কুমার শানুর গলায় গানটি শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন মীনাক্ষীও। ‘জুর্ম’ ছবির প্রিমিয়ারে আলাপ হয় কুমার শানু আর মীনাক্ষীর। আলাপ, বন্ধুত্ব আর ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা। ছুটতে থাকে তাদের প্রেমের রেলগাড়ি। সেই সময় কুমার শানু বিবাহিত ছিলেন। বলিউডে পা রাখার আগেই রীতা ভট্টাচার্যকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। 

    ততদিনে তাদের দাম্পত্য জীবন ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু ভালোবাসা তো অন্ধ! শানু বিবাহিত জেনেও তাকে মনের কথা জানান মীনাক্ষী। শানুও তখন মীনাক্ষীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। গোপনেই প্রায় তিন বছরের বেশি চলে তাদের প্রেমকাহিনি।

    কিন্তু ১৯৯৩ সালে কুমার শানুর সচিব এই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পারেন। প্রকাশ্যেও বলে ফেলেন, ‘কুমারের অনেক বান্ধবী আছেন। জনপ্রিয় নায়িকা মীনাক্ষী শেষাদ্রির সঙ্গেও তিনি প্রেম করছেন।’

    এ কথা যায় কুমার শানুর স্ত্রীর কানে। তারপর ১৯৯৪ সালে রীতার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় এ সংগীতশিল্পীর। সম্পর্কের ভাঙনের জন্য তিনি মীনাক্ষীকেই দায়ী করেছিলেন। অন্যদিকে ততদিনে বলিউডে মীনাক্ষীর হাতে কাজ কমতে শুরু করেছে। 

    শেষমেশ ১৯৯৫ সালে আমেরিকার একজন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকারের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেত্রী। তিনি আপাতত থাকেন টেক্সাসে। ভরতনাট্যম, কত্থক এবং ওডিসি নাচের প্রশিক্ষণ দেন। অভিনয় জগত থেকে নিজেকে বহুদূরে সরিয়ে রাখেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। 

    এদিকে রীতার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর সালোনিকে বিয়ে করেন কুমার শানু। প্রথম পক্ষের তিন সন্তান এবং দ্বিতীয় পক্ষের দুই সন্তান রয়েছে শানুর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্পর্কে ছিলাম বলতে লজ্জা নেই, শানুর সঙ্গে প্রেম নিয়ে কুনিকা

    `হাম আপকে হ্যায় কৌন মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দ। পাশাপাশি তিনি ছোটপর্দায় কাজ করেছেন নিয়মিত। সবশেষ ২০১৫ সালে দিল্লি ওয়ালি ঠাকুর গুর্লস দেখা গেছে তাকে।

    সেই
    ১৯৯৩ সালের কথা, যখন
    কুমার শানুর সঙ্গে প্রেমের কারণে বেশ চর্চায় ছিলেন কুনিকা সদানন্দ। সম্প্রতি ফের একবার পুরোনো সেই সম্পর্ক নিয়ে আলোচনায় এলেন দুজনে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কুনিকা সদানন্দ
    বলেন
    , বর্তমানে আর সেই সম্পর্কের কথা স্বীকার করতে তার অসুবিধা নেই। আবার সেই সম্পর্ক না থাকার কারণে কোনো অনুশোচনাও নেই।

    তিনি বলেন,
    আজ আমার স্বীকার করতে কোনো লজ্জা নেই যে, আমি ১৯৯৩ সালে কুমার শানুর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলাম। সেই সময় কুমার শানুর সংসার ভেঙেছিল। তিনি পরিবার থেকে দূরে ছিলেন। যতদিন সম্পর্ক ছিল,
    সেটি ভালোই ছিল। তবে ২৫ বছর পর আমাদের সেই সম্পর্ক কেন ভাঙল তা নিয়ে আলোচনা করার কোনো মানে নেই। শানুজি এখন নিজের পরিবারের সঙ্গে সুখী জীবনযাপন করছেন। আমরা একে অপরকে সম্মান করি। আর এই চ্যাপ্টারটা ক্লোজ হয়ে গেছে। আমি এখন সিঙ্গেল,
    তবে সুখী।

    একসময় বিয়ে ভাঙার পর কুমার শানুর সঙ্গে লিভইন রিলেশনশিপে ছিলেন কুনিকা। তবে সেই সম্পর্কও টেকেনি। কুনিকা বলেন,
    আমি এখন আর সঙ্গীর প্রয়োজন বোধ করি না। আমার বড় ছেলে বিবাহিত এবং আমি এখন ঠাকুমা হয়ে গেছি। আর আমার ছোট ছেলে বিনোদন দুনিয়ায় কাজ করতে চায়। তাই কোনো কিছু নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই।

    বর্তমানে আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দ। তিনি বলেন, একজন আইনজীবীর পেশা গ্রহণ করার পর আমাকে এখন দায়িত্বশীল কাজ করতে হয়। এই কাজটা আমাকে অনেক স্বস্তি দেয়। কারণ আমি এতে মানুষকে দৈনন্দিন জীবনে সাহায্য করতে পারি। তা সিভিল বা ফৌজদারি,
    যে বিষয়ই হোক না কেন।

    উল্লেখ্য, কুনিকার জীবন ছিল উত্থানপতনে ভরা। অল্পবয়সে বিয়ে, খুবই খারাপভাবে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ। সন্তানদের হেফাজতে পাওয়ার লড়াই,
    তবে কুনিকার কথায় তিনি কখনো আত্মবিশ্বাস হারাননি।

    একসময় অভিনয় ক্যারিয়ার গড়ার জন্য মুম্বাই চলে আসেন,
    একাধিক সিরিয়াল, সিনেমায় কাজও করেন। আবার আইন নিয়ে পড়াশোনা করে পরবর্তী সময়ে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিগবসে যেতে আমিও কালোজাদুর সাহায্য নিই: কুমার শানুপুত্র

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার শানুর ছেলে জানকুমার শানু একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, বিগবসের ঘরে পৌঁছাতে তিনি নাকি অলৌকিক শক্তির পুজো করেছিলেন। সম্প্রতি পরশ ছাবরার 'আবরা কা ডাবরা' অনুষ্ঠানে এসে শানুপুত্র এ কথা বলেন। তার এ কথা শুনে চমকে উঠেন পরশ ছাবরা নিজেও।

    rnrn

    শানুপুত্র বিগবসের ঘরে পৌঁছানোর আগে চিন্তিত ছিলেন যে, তার মায়ের দেখাশোনা কে করবে। মাকে দেখেই তার মনে হয়েছে— প্রেমজীবনে একবারই আসে। আমি আমার মায়ের মতো।
    rnবিগবস ১৪-এর ঘরে পৌঁছানোর জন্য কালোজাদুর সাহায্য নিয়েছিলেন জানকুমার শানু। তিনি শুরু থেকেই বিগবসের ঘরে ডাক পাওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিলেন। যখন ডাক আসছিল না, তখনই অলৌকিক শক্তির সাহায্য নেন তিনি।
    rn 
    rnশানুপুত্র বলেন, আমি একজন নারীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। সেই নারীর ঘরে কিছু পুতুল ও সম্মোহিত করার জন্য বানর ছিল। আর বানরগুলোর মাঝখানেই বসেছিলেন ওই নারী। 
    rnওই নারী বললেন, ওগুলো আসলে মানুষ, বানর নয়। সত্যিই আসলে ওরা পুরুষমানুষ ছিলেন। কালোজাদুর মাধ্যমে ওদের বানর করে রাখা হয়েছিল। ওই নারী যা বলেন, ওরা তাই করে। ওই নারী আমায় বললেন, একেই বলে বশীকরণ।'

    rnrn

    জানকুমার বলেন, 'ওই নারী আমাকে পশুবলির কথা বলেন। আমি কতগুলো ছাগল ও মুরগি বলি দিলাম, ওটার বিনিময়ে আমার একটি ইচ্ছা পূরণ হলো। আমি বিগবস ১৪র ঘরে ডাক পেলাম। তবে বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর ছিল। কারণ টানা ১৫ দিন ধরে আমি ওই নারীর সব কথা শুনেছি। তারপরই তার ইচ্ছে পূরণ হয়।'

    rnrn

    এদিকে পরশ ছাবরা যখন এ কথা শুনে হতবাক হোন, ঠিক তখনই জানকুমার শানু বলেন, আমি আসলেই আপনার সঙ্গে রসিকতা করছিলাম। পুরো গল্পটাই তার বানানো। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, বিগবস ১৪ ঘরে থাকার সময় জানকুমার শানু শেয়ার করেছিলেন যে তার মা যখন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ঠিক তখনই বাবা কুমার শানু তার মাকে ডিভোর্স দেন। তার বাবা কোনো দিনই তার জীবনের অংশ ছিলেন না। তার জন্য মা-ই প্রথম থেকে বাবা-মা। তিনি দুই ভূমিকাই পালন করেছেন। আর তাই তার মা-ই তার জন্য গোটা জগত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাঙালি বলেই বলিউডে রাজনীতির শিকার: কুমার শানু

    অরিজিৎ-জুবিন নটিওয়ালদের জুগে বলিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে আর ডাক আসে না সংগীতশিল্পী কুমার শানুর। তার গান শুনে একটা প্রজন্মের শৈশব-কৈশোর ও যৌবন কেটেছে। কিশোর কুমারপরবর্তী যুগে বলিউডে একচেটিয়া রাজত্ব করে চলেছেন কুমার শানু। বাংলা থেকে শুরু করে মুম্বাইয়ে গিয়ে লম্বা স্ট্রাগলের পর সিঁকে ছিঁড়েছিল। আর ফিরে তাকাননি। 

    rnrn

    কিন্তু সব কিছুর যেন শেষ আছে। এ গায়কের শেষ ফিচার ফিল্ম গানটি ছিল ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দম লাগা কে হাইসাঁ ছবির ‘দর্দ করারা’। ২০১৮ সালে সিম্বায় ‘আঁখ মারে’র রিক্রিয়েশনেও তার কণ্ঠ শোনা গিয়েছিল। দুটো গানই ছিল সুপারডুপার হিট। সুতরাং শানুর কণ্ঠ দর্শকমনে আজও ততটাই স্থান জুড়ে রয়েছে। তাহলে কেন শোনা যায় না তার গান? আক্ষেপ ঝরে পড়ল গায়কের কণ্ঠেও— বাঙালি বলেই তিনি বলিউডে রাজনীতির শিকার।

    rnrn

    ‘বস এক সনম চাহিয়ে আশিকিকে লিয়ে’, ‘চুরা কে দিল মেরা’, ‘দো দিল মিল রহে হ্যায়’— নবাগত নায়ক হোক কিংবা শাহরুখ খান-সালমান খান— সবার হয়ে প্লেব্যাক করতেই সিদ্ধহস্ত কুমার শানু। কিন্তু রাজার রাজপাটে এখন ভাটার টান পড়েছে। নতুনদের ভিড়ে এখন আর জায়গা হয় না তার। বলিউড ইন্ডাস্ট্রি তেকে ডাক আসে না গান গাওয়ার। বলিউড তাকে এখন সম্মান দেয় ঠিকই কিন্তু কাজ দেয় না। সেই ক্ষোভেই প্রকাশ করলেন তিনি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    rnrn

    কুমার শানু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার জার্নি খুব সুন্দর। ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই আমাকে সম্মান করে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো— সবাই শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসা দেয়, আমার গানও শোনে। কিন্তু আমি জানি না, কেন তারা হিন্দি ছবিতে আর গানের জন্য আমাকে ডাকে না’। 

    rnrn

    কিন্তু কেন এমনটি ঘটছে, তবে কি রাজনীতির শিকার—এমন প্রশ্নে কুমার শানু বলেন, ‘এই প্রশ্ন তো আমার মনেও আসে যে, আমি যখন তাদের সামনে থাকি, তখন তারা এত ভালোবাসা দেখাচ্ছে, অথচ আমাকে গান গাইতে ডাকছে না! এটি সত্যি কিনা জানি না। যাই হোক না কেন, তারা অবশ্যই আমাকে সম্মান দেয়’। 

    rnrn

    সম্প্রতি কুমার শানু যুক্তরাষ্ট্রে লাইভ কনসার্টে পারফর্ম করেছেন। সেখানে প্রত্যেকটি কনসার্ট ছিল হাউসফুল। এই প্রজন্মের কাছেও তার কণ্ঠস্বর গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন এ সংগীতশিল্পী। 

    rnrn

    কুমার শানু বলেন, ‘আমি গাইতে পারি, তাও জানি না কেন আমাকে দিয়ে গান করায় না। কেন এই প্রশ্নটা নির্মাতাদের মনে আসে না? আমি শো করছি, আমার ফ্যান ফলোয়িং আছে। যেখানেই যাই দেখি সব শো হাউসফুল…।’

    rnrn

    সবশেষে কুমার শানু বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির মানুষ বুঝলে ভালো, না হলে ওদের দুর্ভাগ্য’। বুঝিয়ে দিলেন তার নতুন করে নিজেকে প্রমাণ করার নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তৈলমর্দন’ ছাড়া পুরস্কার পাওয়া যায় না: কুমার শানু

    ভারতীয় সিনেমার সফল গায়ক কুমার শানু। তার শয়ে শয়ে কালজয়ী গান এখনও শ্রোতা-দর্শকদের মুখে মুখে। কিন্তু আজও তিনি জাতীয় সম্মাননা পাননি। এ নিয়ে আক্ষেপ রয়েছে কুমার শানুর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে শানু বলেন, তেল দেওয়ার ক্ষমতা না থাকলে এ সম্মাননা পাওয়া যায় না। 

    অথচ ‘কিং অব মেলোডি’ বাঙালি এই কণ্ঠশিল্পী একসময় দাপিয়ে কাজ করেছেন বলিউডে। নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক তিনি। তার কালজয়ী, নন্দিত গানের তালিকা বেশ লম্বা। তিনি পেয়েছেন অনেক সম্মাননা। কিন্তু তার হাতে কখনো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার উঠেনি। অবশ্য এ নিয়ে আক্ষেপ নেই কুমার শানুর, এসব নিয়ে ভাবেনও না। 

    আক্ষেপের প্রসঙ্গ উঠতেই ক্ষোভ ঝাড়লেন কুমার শানু। তিনি বলেন, হয়তো আমার জাতীয় পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল। আমার পদ্মভূষণও পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমি এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। খারাপ তো লাগেই, কষ্ট হয়। তবে আমি এটাও বুঝি যে তৈলমর্দনের ক্ষমতা না থাকলে এসব সম্মান পাওয়া যায় না।

    কুমার শানু আরও বলেন, তেল না দিতে পারলে আপনি পুরস্কার পাবেন না। আপনার যদি তোষামোদ করার গুণ না থাকে, তাহলে আপনি এটা পাবেন না। আমি এখন বুঝি, এমনকি মানুষও বোঝে। কেউ তখনই পুরস্কার পায়, যখন তার নাগাল উচ্চমহল পর্যন্ত যায়। স্বাভাবিকভাবে এই পুরস্কার পাওয়া বেশ কঠিন।’

    কিছুটা আক্ষেপের সুরেই কিংবদন্তি এই গায়ক বলেন, আমি কখনো এসবে মনোযোগ দিইনি। কে কী করছে, তাতে আমার যায় আসে না। সরকার যখন মনে করবে আমাকে পুরস্কার দেওয়া দরকার, তখন দেবে। তারা যদি না দেয়, আমার কী করার আছে?’

    কুমার শানু হিন্দি ছাড়াও গান গেয়েছেন বহু ভাষায়। টানা পাঁচবার ফিল্মফেয়ারে শ্রেষ্ঠ গায়কের পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড তার দখলে। ২০০৯ সালে তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করে ভারত সরকার। তবে সেই পুরস্কারপ্রাপ্তির পর ১৪ বছর কেটে গেলেও আজও কুমার শানুর হাতে ওঠেনি জাতীয় পুরস্কার।

    আগস্টের শেষে ঘোষণা করা হয়েছে চলতি বছরের ভারতীয় জাতীয় পুরস্কারজয়ীদের তালিকা। ৬৯ তম জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে সেরা প্লেব্যাক গায়কের সম্মান পেয়েছেন কাল ভৈরব। ‘আরআরআর’ সিনেমার ‘নাটু নাটু’ গানটি গেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, সেরা প্লেব্যাক গায়িকার সম্মান পেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

    বিনোদন ডেস্ক