Tag: কিরণ রাও

  • ‘তোমাকে ভালোবাসি’ জন্মদিনে আমিরকে সাবেক স্ত্রীর আবেগী বার্তা

    এ মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান। কারণ তার জীবনে নতুন প্রেম এসেছে। গতকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ)  অভিনেতার ছিল ৬০তম জন্মদিন। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতে জন্মদিন পালন করার সময় আমির তার নতুন বান্ধবীর সঙ্গে সবার পরিচয় করিয়ে দেন। জানা যায়, গৌরী স্প্র্যাট নামের ওই নারীর সঙ্গে আমিরের প্রায় ২৫ বছরের বন্ধুত্ব। কিন্তু সাবেক স্বামীর নতুন সম্পর্কের খবরে বলিউড যখন সরগরম, তখন আমিরকে জন্মদিনে শুভেচ্ছাবার্তা জানালেন কিরণ রাও।

    সামাজিক মাধ্যমে আমির ও ছেলে আজাদের সঙ্গে তোলা বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন সাবেক আমিরপত্নী। সেখানে আমিরকে ‘ঠগ্স অব হিন্দুস্তান’, ‘দঙ্গল’সহ তার অভিনীত একাধিক সিনেমার চরিত্রের লুকে দেখা যাচ্ছে। ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলো পোস্ট করে কিরণ লিখেছেন— আমাদের জীবনের ভিভিআইপি মানুষটিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তোমার ভালোবাসা, আলিঙ্গন এবং সর্বদা আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আমরা তোমাকে ভালোবাসি।

    ২০০২ সালে আমিরের প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে অভিনেতার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তিন বছর পর কিরণকে বিয়ে করেন আমির খান। কিন্তু ২০২১ সালে কিরণের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটেন আমির। যদিও তারা এখনো সন্তানকে যৌথভাবেই বড় করে তুলছেন। এমনকি কিরণের সাম্প্রতিক ছবি ‘লাপতা লেডিজ’-এ প্রযোজক আমির। তবে এবার আমিরের নতুন সম্পর্ক নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে গৌরীর সঙ্গে আমির বিয়ে সারবেন কিনা, তা নিয়েও কৌতূহলী অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন সাবেক স্ত্রী

    বিচ্ছেদের পরও বন্ধুত্ব বজায় রেখে চলেছেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান ও তার স্ত্রী কিরণ রাও। বাসস্থান আলাদা হলেও ছেলে আজাদের জন্য এখনো তাদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। আজাদের ওপর বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের প্রভাব পড়েছিল কিনা তা নিয়েই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন কিরণ রাও।

    বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথম থেকেই খোলাখুলি কথা বলেন সাবেক আমিরপত্নী।  কিরণ বলেন, বিচ্ছেদ মানে কোনো দড়ি কেটে ফেলা নয়; বরং দড়িতে গিঁট পড়লে সেটি ছাড়ানোর নামই বিচ্ছেদ। তিনি বলেন, আমাদের খুব সহজভাবেই বিচ্ছেদ হয়েছিল। তার কারণ আমরা বিচ্ছেদের জন্য ততদিনে প্রস্তুত ছিলাম। বিবাহিত থাকাকালীন আমাদের মধ্যে সব ঠিকই ছিল। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তও আমরা ভেবেচিন্তেই নিয়েছিলাম। আমরা কখনই ঝগড়া করিনি। তর্ক করেছি, যা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আমরা মিটিয়ে নিয়েছি। এ ধরনের সমস্যা সাধারণত আমাদের বাবা-মায়ের সঙ্গেও হয়ে থাকে।

    আমির ও কিরণ বরাবর সতর্ক থেকেছেন, যাতে আজাদের কোনো কিছুতে খারাপ না লাগে। সন্তানের এ প্রসঙ্গে কিরণ বলেন, আমাদের সম্পর্কে বাঁচিয়ে রাখার মতো অনেক কিছুই ছিল। আমরা আমাদের সন্তানকে ছুড়ে ফেলে দিতে চাইনি। আমরা এমনভাবে এগিয়েছি, যাতে একটা দড়ি টুকরো না হয়ে যায়। বরং একটা দড়ি থেকে গিঁট ছাড়ানোর চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, আমরা সময় নিয়ে সেই গিঁট ছাড়িয়েছি। 

    বিচ্ছেদের পর বন্ধুত্ব নিয়ে সাবেক আমিরপত্নী বলেন, আমরা বিবাহিত হয়ে থাকতে চাই না ঠিকই, কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা পরস্পরকে ভালোবাসি না। সঙ্গীর বহু জিনিসই অপছন্দ হতে পারে, তার জন্য ঝগড়াও হতে পারে। কিন্তু এমন কারণও থাকে, যার জন্য সঙ্গীকে আপনি ভালোবাসবেন। 

    উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে বিয়ে করেছিলেন আমির ও কিরণ। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের ওপর নির্যাতন চালাতেন কিরণ, নেপথ্যে কী?

    আমির খান ও কিরণ রাওয়ের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে বেশ কয়েক বছর হলো। যদিও স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন আমির। একসঙ্গে কাজও করেন তারা। তবে সম্পর্কে থাকাকালে নাকি আমিরের ওপর এক সময় রীতিমতো অত্যাচার করতেন কিরণ। সম্প্রতি এর নেপথ্য কারণ নিজেই জানিয়েছেন কিরণ।

    তখন ‘ধোবি ঘাট’ ছবির শুটিং চলছে। ২০১০-এ এই ছবির মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে হাতেখড়ি হয় কিরণের। তার প্রথম ছবিতে মুখ্য চরিত্রে ছিলেন আমির। সেই সময় আমিরের ওপর বেশ অত্যাচার করছেন কিরণ। কারণ, আমির নাকি বিভিন্ন সময়ে কিরণের কাজের ওপর খবরদারি করতে চাইতেন। আর তাতেই মুখের ওপর না বলে দিতেন কিরণ। 

    কিরণের কথায়, আমার মনে হয় ‘ধোবি ঘাট’ ছবিতে দারুণ কাজ করেছে আমির। তবে ছবিটা করার সময় আমি বেশ চাপেই ছিলাম। সেই সময় আমি ওকে কিছুটা নির্যাতনও করেছি। আমির কোনোও পরামর্শ দিতে এলেই আমি বলতাম, ‘না, না, না’।

    নিজের জীবনের প্রথম ছবি, তাই খানিক আতঙ্কেই থাকতেন কিরণ। তারমধ্যে স্বল্প বাজেট। কিরণের কথায়, ‘সেটি অল্প বাজেটের ছবি। ফলত আমি আতঙ্কিত ছিলাম যে, আমি যা চাই তা করতে পারব কি না। আমি সেটে অন্য সকলের প্রতি খুব ধৈর্যশীল ছিলাম। কারণ, স্পষ্টতই আমি অন্য কারও ওপর তো আর চিৎকার করতে পারব না। 

    ‘অন্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাই সচেতন থাকতাম। কিন্তু আমিরের সঙ্গে আমার সে সব করার দরকার পড়ত না। কারণ, ও আমার স্বামী। রাগ হলে ওর ওপরেই দেখাতাম।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের তৃতীয় বিয়ের জল্পনা

    ২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর গাঁটছড়া বাঁধেন বলি মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান ও পরিচালক কিরণ রাও। ২০১১ সালে সারোগেটের মাধ্যমে আজাদকে স্বাগত জানান এ দম্পতি। ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন আমির খান ও কিরণ রাও।

    বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই ছেলে আজাদ রাও খানের কো-প্যারেন্টিং করছেন আমির ও কিরণ রাও। কিন্তু বাস্তবজীবনে আমির কতটা হ্যান্ডস-অন বাবা তা জানিয়েছেন কিরণ। অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের চ্যাট শো হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট-এ হাজির হয়ে শেয়ার করেছেন পরিচালক। তিনি বলেছিলেন— সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রক্রিয়াটি ‘অনেক মসৃণ’ হয়ে উঠেছে, যদিও আমির আজাদের স্কুল সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে থাকতে চান না এখনো।

    চ্যাট শো চলাকালীন যখন আমিরের সঙ্গে আজাদের সম্পর্ক নিয়ে কিরণকে প্রশ্ন করেন কারিনা, তখন লাপাতা লেডিজের পরিচালক বলেন, ‘এটি জটিল। ভীষণ ব্যস্ত বাবা। সত্যি বলতে— আমাদের যখন বিয়ে হয়েছিল, তখনো অভিভাবকত্বের বেশিরভাগটাই আমি করতাম। তবে ডিভোর্সের পর আমির বুঝতে পারে— এবার আমার মনে হয় ও বুঝেছে ওকে একটু এফোর্ট দিতে হবে। 

    কারণ আপনি যখন একই বাড়িতে একসঙ্গে থাকেন, তখন কোনোভাবে এটা হয়েই যায়। কিন্তু যখন আলাদা থাকেন, তখন আলাদাভাবে আপনাকে সময় বের করতে হয়। অনেক বেশি সচেতন হতে হয়।

    কিরণ বলেন, এখন এটা অনেকটাই মসৃণ হয়েছে। এবং আমিরও নিজেকে অনেক বেশি জড়িয়েছে। ভাগ্য করে, এখন আমরা ওপরের আর নিচের তলায় থাকি। তবে আমরা চলে গেলেও খুব বেশি দূরে দূরে থাকব না। আজাদ এখন বড় হওয়ার পর বাবার সঙ্গে সময় কাটানো খুব উপভোগ করে। এখন ওদের বন্ডিং দারুণ। তিনি বলেন, আমারও মনে হচ্ছে— আজাদকে একটু আমিরের কাছে রেখে শান্তিতে এখন বিশ্রাম নিতে পারি। শুধু আমির ছেলের স্কুল সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি মনে করি, এটা বেশিরভাগ বাবাদের সমস্যা। তারা সবসময় বলে—আমাকে স্কুলসংক্রান্ত কাজে জড়াবে না, আমি অন্য কাজ নেব।

    মাঝে শোনা গিয়েছিল, তৃতীয় বিয়ের কথাও নাকি ভাবছেন আমির। যদিও রিয়া চক্রবর্তীর পডকাস্টে অভিনেতা জানান, বয়সের কারণে পুনরায় বিয়ে করা আর সম্ভব নয় তার পক্ষে।

    আমির সেই সময় জানিয়েছিলেন—আমার বয়স এখন ৫৯। আর কবে বিয়ে করব… এই বয়সে মনে হয় সেটা বেশ মুশকিলের। তা ছাড়া পরিবারে এখন প্রচুর সদস্য। সাবেক স্ত্রীদের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। সন্তানদের সঙ্গেও খুব ভালো সময় কাটাই আজকাল। মোট কথা— আমার পছন্দের মানুষের সঙ্গে থাকতে বেশি ভালো লাগে এখন। দারুণ আছি। এখন আমি ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যেভাবে চলছেন কিরণ রাও

    বলিউড অভিনেতা আমির খানের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদের পর ‘লাপাতা লেডিস’ ছবির কাজে হাত দেন সাবেক পত্নী কিরণ রাও। ছবি প্রযোজক তার সাবেক স্বামী আমির খানই। প্রায় ১৪ বছরের বিরতির পর তিনি ‘লাপাতা লেডিস’ ছবি নিয়ে হাজির হলেও তার মনে আক্ষেপ রয়েছে। যদিও ছবিটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

    এর আগে ‘ধোবিঘাট’ ছবিটিও প্রযোজনা করেছিলেন অভিনেতা আমির খান। এখন পর্যন্ত করা তার দুটি ছবিই বক্স অফিসে ব্যর্থ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক কিরণ রাও বলেন, ধোবিঘাট ও লাপাতা লেডিস— এই দুটি ছবিই বক্স অফিসে খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি। 

    ২০১০ সালে মুক্তি পেয়েছিল কিরণ রাও পরিচালিত প্রথম ছবি ‘ধোবিঘাট’। তার পর ১৪ বছরের বিরতি দিয়ে নির্মাণ করেন লাপাতা লেডিস। ইতোমধ্যে ছবিটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছে। কিন্তু এতে খুব খুশি নন কিরণ। বরং ব্যর্থই বললেন নিজেকে। সেই সময় ধোবিঘাট যতটা বড় ব্যবসা করেছিল, ১৪ বছর পর ‘লাপাতা লেডিস’ তেমন কিছুই করতে পারেনি। তার আয় মোটামুটি ‘ধোবিঘাট’-এর সমান। তাই দুটি কাজ নিয়েই ব্যর্থতার অনুভব করেন কিরণ। যদিও এই ১৪ বছর তিনি প্রতিদিন তার কাজ চালিয়ে গেছেন। কিরণ বলেন, সৃজনশীল মানুষেরা যে সব সময় সব কাজেই সাফল্য পান, তেমনটি নয়। অনেক সময় বরং কিছুই পান না।

    ‘লাপাতা লেডিস’ ছবিটি যখন মুক্তি পায় প্রেক্ষাগৃহে, তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবিটি মুক্তি পেতেই যেন হইচই পড়ে যায় নেটিজেনদের মাঝে। ছবির বিভিন্ন দৃশ্য বা ‘সজনী’ গান, কয়েক মাস ধরেই ভাইরাল। তবু বক্স অফিসে সাফল্য পায়নি এ ছবিটি। সেই ব্যর্থতার দায় নিজের ঘাড়েই নিলেন পরিচালক কিরণ রাও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছেলে পেতে কম কষ্ট করেননি আমির-কিরণ

    কিরণ রাও সম্প্রতি তার পরিচালিত দ্বিতীয় সিনেমা 'লাপাতা লেডিস' দিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছেন। সব নতুন মুখদের দিয়ে অভিনয় করানোয় প্রশংসিত হয়েছেন এ পরিচালক। 

    rnrn

    একটি নতুন সাক্ষাত্কারে কিরণকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, গত ১০ বছরে ছেলে আজাদকে বড় করা নিয়ে কখনো অনুশোচনা করেছেন কিনা। সন্তান ধারণের জন্য সারোগেসি বেছে নেওয়ার ব্যাপারেও কথা বলেন তিনি। 

    rnrn

    জুমের সঙ্গে কথা বলার সময় কিরণ জানান, তিনি একাধিক গর্ভপাতের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। জানান, তিনি সত্যিই মা হতে চেয়েছিলেন। ‘যে বছর ধোবি ঘাট তৈরি হয়েছিল, সে বছরই আজাদের জন্ম। আমি অনেক চেষ্টা করেছি সন্তান নিতে। পাঁচ বছরে আমার একাধিক গর্ভপাত হয়েছিল। বেশ কিছু ব্যক্তিগত ও শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল আমার। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমার শরীরের জন্য বাচ্চা ধারণ করা খুবই কঠিন। তখন আমি সত্যিই একটি সন্তান নিতে আগ্রহী ছিলাম। তাই যখন আজাদের জন্ম হয়েছিল, তখন তা ছিল আমার কাছে বিশেষ মুহূর্ত… আমাকে আলাদা করে আর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়নি। স্পষ্টতই, সেই সময় আমি যা করতে চেয়েছিলাম, তা হলো— আমার বাচ্চাকে বড় করা। 

    rnrn

    আমির খান ও কিরণ ২০১১ সালে সারোগেসির মাধ্যমে আজাদকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। বর্তমানে তারা ডিভোর্স নিলেও ছেলের অভিভাবকত্ব পালন করছেন যৌথভাবেই।

    বিনোদন ডেস্ক