Tag: কিয়ারা আদভানি

  • ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সমালোচনা, কিয়ারার পাশে সিদ্ধার্থ ও যশ

    আসন্ন সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’ নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ছবিটির ট্রেলার ও ‘তাবাহি’ গানে সহশিল্পী যশের সঙ্গে কিয়ারা আদভানির কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

    এমন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। কিয়ারার পাশে দাঁড়িয়েছেন ছবির সহশিল্পী যশও।

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সিনেমাটির ট্রেলার শেয়ার করে কিয়ারার প্রশংসা করেন সিদ্ধার্থ। স্ত্রীর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও কাজের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বড় পর্দায় কিয়ারার কঠোর পরিশ্রম স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে। এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হতে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একই সঙ্গে পরিচালক গীতু মোহনদাস, যশ এবং সিনেমাটির পুরো টিমের প্রশংসা করে ছবিটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন সিদ্ধার্থ। আগামী ২৬ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তির কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভকামনাও জানান তিনি।

    এদিকে ‘তাবাহি’ গানে যশ ও কিয়ারার ঘনিষ্ঠ কিছু দৃশ্য প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্যের মুখে পড়তে হচ্ছে কিয়ারাকে। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে সমালোচনা ও কটাক্ষও চলছে।

    তবে নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন যশ। শনিবার বেঙ্গালুরুতে সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে কিয়ারার অভিনয় ও চরিত্রের প্রতি তার নিবেদনের প্রশংসা করেন তিনি।

    যশ বলেন, কিয়ারা চরিত্রটির জন্য যে নিষ্ঠা ও একাগ্রতা দেখিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। নেতিবাচক মন্তব্যে কান না দিয়ে নিজের বিশ্বাস ও কাজের প্রতি আস্থা রাখার পরামর্শও দেন তিনি। দর্শক শেষ পর্যন্ত কিয়ারার কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই অভিনেতা।

    গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’ সিনেমায় যশ ও কিয়ারা আদভানি ছাড়াও অভিনয় করেছেন রুক্মিণী বসন্ত, হুমা কুরেশি ও তারা সুতারিয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টক্সিকে যশ–কিয়ারার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব হুমা কুরেশির

    বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক’-এর ‘তাবাহি’ গান প্রকাশের পর থেকেই যশ ও কিয়ারা আদভানির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে কিয়ারাকে লক্ষ্য করে নানা ধরনের কটাক্ষ ছুড়ে দেওয়ার পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। তিনি কিয়ারা ও যশের পাশে দাঁড়িয়ে সমালোচনাকে ‘অসুস্থ মানসিকতার’ বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন।

    গানটি প্রকাশের পর অনেকেই দাবি করেন, একজন বিবাহিত নারী এবং সদ্য মা হওয়ার পর কিয়ারার এমন দৃশ্যে অভিনয় করা উচিত হয়নি। তবে একই দৃশ্যে অভিনয় করা যশও বিবাহিত এবং সন্তানের বাবা হলেও তাকে ঘিরে তেমন সমালোচনা দেখা যায়নি। বিষয়টিকে দ্বৈত মানদণ্ডের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন হুমা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য নারীবিদ্বেষী মানসিকতার পরিচয় বহন করে। তার ভাষায়, এটা খুবই অসুস্থ এবং নোংরা মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। তবে আমার বিশ্বাস, এই ছবির অভিনেত্রী ও পরিচালকই শেষ পর্যন্ত জিতবেন। এসব মন্তব্যের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মানুষের মানসিকতা কথায় বদলানো যায় না, ছবিটাই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে।

    হুমা আরও বলেন, বাস্তব পৃথিবী অনেক সুন্দর হলেও ইন্টারনেটের পরিবেশ সব সময় তেমন নয়। তাই অনলাইনের ট্রোলদের সঙ্গে বিতর্কে জড়ানোর কোনো অর্থ নেই। তার মতে, সিনেমা মুক্তির পর দর্শকরাই এর যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।

    এদিকে বিতর্ক শুধু কিয়ারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তার স্বামী অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গিয়ে কিয়ারার অভিনয় ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন।

    ‘টক্সিক’ ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও সিনেমাটির কলাকুশলীরা মনে করছেন, সব সমালোচনার জবাব দেবে পর্দায় সিনেমার উপস্থাপনাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কিয়ারার আক্ষেপ

    বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি বর্তমানে তার বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’র মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছরের ১৫ জুলাই এ অভিনেত্রীর কোলজুড়ে সিদ্ধার্থ-কিয়ারা দম্পতির প্রথম কন্যাসন্তান সারায়াহ মালহোত্রার জন্ম হয়। 

    সম্প্রতি ‘বম্বে টাইমস’-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মা হওয়ার পরবর্তী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, প্রসব-পরবর্তী বিষণ্ণতা এবং সমাজের দ্বিমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন এই অভিনেত্রী। 

    মা হওয়ার পর নারীদের যে মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সে বিষয়ে সমাজে খুব একটা আলোচনা হয় না বলে আক্ষেপ করেন কিয়ারা। 

    তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না এই পরিস্থিতির জন্য মানুষ আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে। এখন আমি প্রসব-পরবর্তী বহু মাস পার করে এসেছি বলে হয়তো বিষয়টি সহজভাবে বলতে পারছি। 

    মা হওয়াটা প্রত্যেকের একেবারেই ব্যক্তিগত জার্নি। কিন্তু এই সময়ে নিজের ভেতরে যে অপরাধবোধ কাজ করে, চারপাশের এবং নিজের মনের ভেতরে যে হুলুস্থুল পরিস্থিতি তৈরি হয়—তা নিয়ে কেউ আগে থেকে কিছু বলে না।’ 

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘শুরুতে নিজের ভেতরেই এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কারণ জৈবিকভাবে শরীরে হরমোনের ব্যাপক ওঠানামা ঘটে এবং মানসিক অবস্থা সম্পূর্ণ অন্য রকম হয়ে যায়। মা হওয়ার চেয়ে বড় জীবন পরিবর্তনকারী উদাহরণ আর হতে পারে না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একজন বাবার জীবনে পরিবর্তন আসলেও, প্রকৃতির নিয়মেই মায়ের ভূমিকা অনেক বেশি কঠিন। কারণ সন্তানকে গর্ভে ধারণ করা, জন্ম দেওয়া এবং স্তন্যপান করানোর সম্পূর্ণ ধকল একজন নারীকেই নিতে হয়।’ 

    নারীদের কাজে ফেরা এবং শারীরিক গঠন নিয়ে সমাজের প্রত্যাশা ও চাপের তীব্র সমালোচনাও করেছেন কিয়ারা। 

    সমাজের এই দ্বিমুখী মানসিকতা ফুটিয়ে তুলে তিনি বলেন, ‘গর্ভাবস্থায় সবাই ইতিবাচক কথা বলে। গর্ভকালীন ত্বকের উজ্জ্বলতা নিয়ে প্রশংসা করে এবং নারীকে দেবীর আসনে বসায়। কিন্তু সন্তান প্রসবের পর দৃষ্টিভঙ্গি রাতারাতি বদলে যায়। ওজন বৃদ্ধি বা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়—‘এখন মোটা লাগছে, এমন লাগছে, তেমন লাগছে।’ তারা আশা করে মা হওয়ার পরপরই নারী একদম আগের শারীরিক গঠনে ফিরে আসবে।’

    অভিনেত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘সবচেয়ে কঠিন সময়টা আসে সন্তান জন্মদানের পর। তখনই একজন নারীর সবচেয়ে বেশি মানসিক শান্তি ও যত্নের প্রয়োজন হয়। বলা হয়ে থাকে, একটি সন্তান লালন-পালনের জন্য যেমন পুরো একটি গ্রামের (সবার যৌথ) সহায়তার প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনি একজন মায়েরও সবার সমর্থন প্রয়োজন।’ 

    তবে মাতৃত্বের এই অভিজ্ঞতাটা ব্যক্তিগত ও পেশাদার—উভয় ক্ষেত্রেই তাকে সমৃদ্ধ করেছে বলে বিশ্বাস করেন ‘কবির সিং’ খ্যাত অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, এই জার্নিটি বাস্তবতা বোঝার ক্ষেত্রে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। পরিচালকদের উদ্দেশ্যে অভিনেত্রীর বার্তা, এখন যারা তার সঙ্গে কাজ করবেন, তারা কিয়ারার অভিনয়ের সেরা সংস্করণটিই পাবেন। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যারিয়ার শুরুর কঠিন দিনের গল্প শোনালেন কিয়ারা

    ‘কবীর সিং’ কিংবা ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’র মতো ব্লকবাস্টার সিনেমার মাধ্যমে বর্তমানে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের একজন কিয়ারা আদভানি। তবে আজকের এই সাফল্যমণ্ডিত অবস্থানে পৌঁছানোর পথটা তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সংগ্রাম, ব্যর্থতা এবং সেই কঠিন সময়গুলো কীভাবে তার জীবনকে বদলে দিয়েছে, তা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

    রাজ শমানির সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের ব্যর্থতাগুলোই তাকে আজকের এই পরিণত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে। 

    অনেকেই মনে করেন ‘এম এস ধোনি’ বা ‘কবীর সিং’ কিয়ারা আদভানির প্রথম সিনেমা, তবে আসল সত্যটি ভিন্ন। কিয়ারা বলেন, ‘আজও মানুষ মনে করে ‘এম এস ধোনি’ বা ‘কবীর সিং’ আমার প্রথম সিনেমা, কারণ এগুলোই ছিল আমার প্রথম বাণিজ্যিক সফল ছবি। কিন্তু বাস্তবে ‘ফাগলি’ ছিল আমার প্রথম সিনেমা। খুব বেশি মানুষ ছবিটি দেখেনি, হয়তো অনেকেই এখন এটি গুগলে সার্চ করে দেখবেন।’ 

    ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফাগলি’ বক্স অফিসে একদমই সাড়া জাগাতে পারেনি। আর প্রথম ছবির এই বাণিজ্যিক ব্যর্থতাই কিয়ারাকে এক দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রথম ছবি ফ্লপ হওয়ার পর বলিউডে কাজ পাওয়া কিয়ারার জন্য আকাশকুসুম কল্পনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, ‘ফাগলি’ বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা না করায় তার ক্যারিয়ারে একটা বড় শূন্যতা তৈরি হয়। বেশ কয়েকজন সমালোচক অভিনয়ের প্রশংসা করলেও, সেই প্রশংসা বাস্তবে নতুন কোনো কাজের সুযোগ এনে দিতে পারেনি। 

    পাশাপাশি বাণিজ্যিক সাফল্য না থাকায় বড় কোনো প্রযোজক বা পরিচালক তার সঙ্গে তখন কাজ করতেও আগ্রহী ছিলেন না। ফলে তার সামনে পছন্দের সুযোগগুলো একেবারেই সীমিত হয়ে আসে। 

    এমতাবস্থায় আর দশটা সাধারণ নবাগত অভিনেতার মতোই তাকে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছিল। দিনের পর দিন অডিশন দেওয়া, কখনো সুযোগ পাওয়া, আবার কখনো প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এক দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। 

    এত ওঠানামার পরও কিয়ারা কখনো ভেঙে পড়েননি। বরং সেই খারাপ সময়গুলোকে নিজের শক্তি বানিয়েছেন তিনি। কিয়ারার ভাষায়, ‘আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকেই আমি কিছু না কিছু শিখেছি, যা আজ আমাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। জীবনের এই চরম ভালো-মন্দ সময়গুলোই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষক।’ 

    ব্যর্থতার সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে আজ কিয়ারা আদভানি বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ও সফল তারকা। ‘গিল্টি’ খ্যাত এই অভিনেত্রী প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, প্রথম ধাক্কাতেই থমকে না গিয়ে ধৈর্য ধরে লড়াই চালিয়ে গেলে সাফল্য ধরা দেবেই। 

    সূত্র: হাঙ্গামা এক্সপ্রেস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করতে না চাইলে মেয়েকে বাধ্য করতে চান না কিয়ারা

    বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি তার মেয়ে সারায়াহর ভবিষ্যৎ এবং সম্পর্ক নিয়ে নিজের খোলামেলা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। 

    সম্প্রতি রাজ শামানীর পডকাস্টে অংশ নিয়ে এই অভিনেত্রী জানান, বড় হয়ে তার মেয়ে কেমন জীবন বেছে নেবে, তা সম্পূর্ণ মেয়ের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করবে। কিয়ারা চান না তার মেয়ে কোনো সামাজিক বা মানসিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে বড় হোক। বর্তমানে এই অভিনেত্রীর মেয়ের বয়স ১০ মাস। 

    পডকাস্টে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না তার মেয়ে মনে করুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই প্রেম করতে হবে এবং তাকেই বিয়ে করতে হবে। তিনি তার মেয়েকে একটি স্বাধীন ও পরিপূর্ণ জীবন দিতে চান। এমনকি সারায়াহ যদি ভবিষ্যতে বিয়ে করতে না-ও চায়, মা হিসেবে কিয়ারা তাতে সম্পূর্ণ সমর্থন জানাবেন। 

    সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, ‘আমি চাই ও একটি পরিপূর্ণ জীবন দেখুক। আমি চাই না ও ভাবুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই ডেট করতে হবে… এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ও যদি বিয়ে করতে চায়, করবে; আর যদি না করতে চায়, তবে করবে না।’ 

    নিজের অতীত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে কিয়ারা স্বীকার করেন যে, তরুণ বয়সে তিনি যার সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তাকেই বিয়ে করবেন বলে ভাবতেন। তবে জীবন সব সময় মনের মতো চলে না। 

    বর্তমান জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জীবন আসলে ওভাবে চলে না। আর সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ যে জীবন ওভাবে চলেনি, কারণ ঈশ্বর আমার জীবনের চূড়ান্ত সঙ্গী হিসেবে যাকে (সিদ্ধার্থ মালহোত্রা) বেছে নিয়েছেন, তাকে নিয়ে আমি অত্যন্ত সুখী। 

    তবে বড় হওয়ার দিনগুলোতে আপনি যেসব সম্পর্কের মধ্য দিয়ে যান, সেগুলো আপনাকে কিছু না কিছু শেখায়। অবশেষে সেগুলোই আপনাকে একজন পরিপক্ক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।’ 

    সূত্র: নিউজ১৮ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘এখন লড়াইটা দ্বিগুণ’,— মা হওয়ার পর নিজের বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে মুখ খুললেন কিয়ারা

    মা হওয়ার পর জীবন যে আমূল বদলে যায়, তা আবারও প্রমাণ করলেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, মা হওয়ার আগের কিয়ারা আর পরের কিয়ারার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। তার মতে, এখন তার জীবনের প্রতিটি কাজের উদ্দেশ্য বদলে গেছে।

    কিয়ারা জানান, মা হওয়ার পর একজন নারীকে ঘরের কাজ এবং সন্তানের যত্ন—দুই দিকেই সমান নজর দিতে হয়। তিনি বলেন, আমি সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেছি, দীর্ঘ শিফটে কাজ করেছি। কিন্তু মা হওয়ার পর বুঝেছি, একজন মা বা গৃহিণীকে কতটা বেশি কাজ করতে হয়। এখন আমার লড়াইটা আগের চেয়ে দ্বিগুণ। 

    তিনি আরও বলেন, এখন যেকোনো কাজ করার আগে তিনি ভাবেন, তার মেয়ে বড় হয়ে এটি দেখলে কী ভাববে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সন্তান জন্মের পর শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিত বলে মনে করেন কিয়ারা। তিনি নিজের অভিজ্ঞতায় জানান, হঠাৎ করেই ত্বকের সমস্যা দেখা দিয়েছিল, যা আগে তাকে দুশ্চিন্তায় ফেলত। কিন্তু এখন তিনি জীবনের এই পরিবর্তনগুলোকে সহজভাবে গ্রহণ করতে শিখেছেন। নিজের প্রতি সদয় হওয়া এবং নিজের জন্য সীমানা নির্ধারণ করতে তার প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছে তার।

    গত ডিসেম্বরে কাজে ফিরেছেন কিয়ারা। মজার বিষয় হলো, প্রেগনেন্সির সাত মাস পর্যন্ত তিনি ‘টক্সিক’ সিনেমার জন্য অ্যাকশন দৃশ্যে শুটিং করেছেন। কিয়ারা জানান, মা হওয়ার পর এখন তিনি সবকিছুই একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখেন। এটি তাকে ক্যারিয়ারের পাশাপাশি জীবনের অন্যান্য দিক নিয়েও নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।

    বর্তমানে কিয়ারা আদভানি তার আগামী সিনেমা ‘টক্সিক’ এবং ‘ওয়ার ২’ এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সকালে কফির সঙ্গে কিয়ারা খান ‘হেলদি বাইট’, জেনে নিন কতটা স্বাস্থ্যকর

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি কফির সঙ্গে বিস্কুটের পরিবর্তে খেজুর, বাদাম ও বীজ দিয়ে তৈরি এনার্জি বাইট খেয়ে থাকেন। এই স্বাস্থ্যকর খাবারটি ফাইবারের উৎস, যা হজমে সাহায্য করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং কফিতে থাকা ক্যাফেইনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায়। এটি খেজুর, কাঠবাদাম, চিয়াসিড, ওটস ও ডার্ক চকোলেট মিশিয়ে ঘরেই সহজে বানানো যায়।

    প্রতিদিন সকালে চা কিংবা কফির সঙ্গে দুটো করে বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। একেক দিন একেক রকম বিস্কুট দিয়ে হয় স্বাদবদল। কিন্তু বিস্কুটের যে ক্ষতিকর দিকগুলো আছে, তা অনেক সময়েই ভেবে দেখা হয় না। 

    আসলে বিস্কুট অনেকের কাছে মুশকিল আসান গোছের একটা খাবার। ক্ষুধা লাগলে প্রথমেই বিস্কুট খাওয়ার কথা ভেবে থাকি। আর বিস্কুট জাতীয় কোনো খাবার যেভাবে উচ্চ তাপমাত্রায় তৈরি করা হয়, তা থেকে অ্যাক্রালামাইড তৈরি হয়। এটি কার্সিনোজেনিক, অর্থাৎ এর থেকে ক্যানসার হতে পারে। একই ক্ষতি হয় বাদামি টোস্ট করে পাউরুটি খেলে। 

    গবেষণায় এ ধরনের খাবার নিয়মিত খাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি কুফল প্রমাণিত হয়েছে। শুধু কার্সিনোজেনিক প্রভাব নয়, বিস্কুট তৈরির অন্যতম উপকরণ হচ্ছে— পাম অয়েল, রিফাইনড সুগার, ময়দা। এসবের মধ্যে একটিও স্বাস্থ্যকর নয়। অনেক দিন ধরে নিয়মিতভাবে ট্রান্স ফ্যাট শরীরে প্রবেশ করলে তা সমস্যা তৈরি করতে বাধ্য। একটা সময়ের পর মধুমেহ ও স্থূলতার মতো সমস্যা দেখা দেয়। 

    সম্প্রতি অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন, যেখানে দেখা গেছে, সকাল সকাল অভিনেত্রী কফি খাচ্ছেন। তবে সঙ্গে বিস্কুট নয়, রয়েছে হেলদি বাইট।

    কফির সঙ্গে বাদাম, রকমারি বীজ বা খেজুর দিয়ে তৈরি এনার্জি বাইট খেলে, তা দ্রুত শক্তি জোগানোর মাধ্যমে শরীরে ভারসাম্য আনতে সাহায্য করে। এ বাইটগুলোতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা কফির সঙ্গে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ব্যায়ামের আগে হালকা খাবার হিসেবে বা অল্পস্বল্প খিদে পেলে এ ধরনের হেলদি বাইট খাওয়া যেতেই পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বিষয়ে পাঞ্জাব নিবাসী পুষ্টিবিদ ও ফিটনেস কোচ গরিমা গয়াল বলেছেন, চা কিংবা কফির সঙ্গে কিছু না কিছু খেতে মন চায়, সে ক্ষেত্রে হেলদি বাইট একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। তিনি বলেন, ‘ক্যাফেইনের উদ্দীপনার কারণে কফি দিয়ে দিন শুরু করলে তা মস্তিষ্ককে সজাগ করে দেয়। এতে  মনোযোগে তাৎক্ষণিক বৃদ্ধি ঘটায়। ব্যায়ামের আগে কফি খেলে ওয়ার্কআউটের কার্যকারিতাও বাড়ে এবং শরীর চাঙা থাকে। 

    তবে সকালে ঘুম থেকে উঠেই, বিশেষ করে সঠিক খাবার না খেয়ে কফি খেলে বাড়তে পারে অ্যাসিডিটির সমস্যাও।

    যেভাবে বানাবেন হেলদি বাইট

    কাঠবাদাম, কাজু ও মাখানা প্রথমে শুকনো তাওয়ায় কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিন। এবার একটি মিক্সারে সেগুলো ভরে তার সঙ্গে মিশিয়ে দিন বেশ খানিকটা খেজুর আর কিশমিশ। এরপর মিশ্রণটি বেটে নিন ভালো করে। মিশ্রণটির মধ্যে মিশিয়ে দিন সামান্য কোকো পাউডার। একটি ট্রের ওপর বাটার পেপার রেখে দিন। এবার মিশ্রণটি থেকে গোলা বানিয়ে ছোট ছোট বলের আকারে গড়ে নিন। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে হেলদি বাইট।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে অসন্তুষ্ট কিয়ারা, ছেঁটে ফেলার অনুরোধ

    কন্নড় সুপারস্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক: এ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন আপস’ মুক্তির আগেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছে। এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছেন সিনেমায় যশের বিপরীতে অভিনয় করা কিয়ারা আদভানি। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সিনেমার কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে নির্মাতাদের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি।

    তেলেগু নিউজ পোর্টাল ‘গুল্টে’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিয়ারা আদভানি সম্প্রতি সিনেমার চূড়ান্ত সম্পাদনা দেখার পর নির্দিষ্ট কিছু দৃশ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জানা গেছে, যশের সঙ্গে একটি রোমান্টিক দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় কিয়ারাকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে, দৃশ্যটি তার স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যেই রাখা হবে। 

    তবে ফাইনাল ভার্সন দেখার পর কিয়ারা মনে করছেন, পর্দায় দৃশ্যটি যেভাবে ফুটে উঠেছে তা বেশ অস্বস্তিকর। ফলে তিনি নির্মাতাদের কাছে অনুরোধ করেছেন যেন ওই দৃশ্যটি কিছুটা ছেঁটে ছোট করা হয় অথবা এর তীব্রতা কমিয়ে একটি মার্জিত সংস্করণ চূড়ান্ত মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমায় রাখা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিতর্কের মুখে ‘টক্সিক’ 

    সিনেমাটি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল যশের জন্মদিনে মুক্তি পাওয়া টিজার থেকে। সেখানে যশকে ‘রায়া’ নামক একজন গ্যাংস্টার অবতারে দেখা যায়। টিজারের একটি অংশে একটি সমাধিস্থলের কাছে গাড়ির ভেতরে একটি বোল্ড সিকোয়েন্স দেখানো হয়েছিল।

    এই দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। নেটিজেনদের একাংশ এই উপস্থাপনাকে সিনেমাটির গল্পের মেজাজের জন্য অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক বলে মনে করছেন। 

    এই অনলাইন বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কিয়ারা আদভানির এই দাবি সিনেমাটির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করল।

    সূত্র: ইন্ডিয়া ডটকম 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা, ঘটনা প্রকাশ্যে আনলেন দেহরক্ষী

    বেশ কয়েক বছর আগে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের দেহরক্ষী ছিলেন জিশান কোরেশি। বলিপাড়ার অনেক অভিনেতারই ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি। সম্প্রতি আলিয়ার সঙ্গে ঘটা এক ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন জিশান কোরেশি। এবার তিনি জানালেন অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানিকে নিয়ে একটি ঘটনার কথা। 

    মূলত দেহরক্ষী জিশান কোরেশি কিয়ারা আদভানির স্বামী অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার দেহরক্ষী। এক সাক্ষাতকারে জিশান কোরেশি বলেন, অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি যখন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, ঠিক তখনো তিনি শুটিং চালিয়ে যাচ্ছিলেন। 

    তিনি বলেন, একটি ব্র্যান্ড শুটের জন্য কয়েক দিন বাইরে যেতে হয়েছিল তাকে। সেই সময় অভিনেত্রীকে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছিল। কারণ সিদ্ধার্থ স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিয়ারার নিজের নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও তাকে পাঠানো হয় কিয়ারার সঙ্গে। যাতে কোনো ঝুঁকি না থাকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জিশান আরও বলেন, ঘটনাটি ঘটে যখন কিয়ারা আদভানি ভ্যানিটি ভ্যান থেকে নামছিলেন, ঠিক সেই সময় একটি স্যুট পরা ব্যক্তি তার কাছে এসে প্রথমে সেলফি তোলার কথা বলেন। কিন্তু হঠাৎই তিনি কিয়ারাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন। কিয়ারা ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। ফলে সামান্য অসতর্কতাও বড় বিপদের কারণ হতে পারত। সে কারণে নিরাপত্তা আরও কড়া রাখা হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে ওই লোকটিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান জিশান কোরেশি। 

    কিয়ারাও নাকি কয়েক মুহূর্তের জন্য ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। জিশান বলেন, ‘সেই মুহূর্তে সিদ্ধার্থ স্যরকে জানানো হয়নি। তা না হলে উনি ভীষণ চেঁচামেচি শুরু করে দিতেন। পরে কিয়ারা ম্যাডাম স্যারকে বুঝিয়ে বলেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেয়ের সঙ্গে প্রথম জন্মদিন সিদ্ধার্থের, আদুরে বার্তা কিয়ারার

    বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা বাবা হওয়ার পর প্রথম জন্মদিনের কেক কাটলেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ৪১ বছরে পা দেন বলি শেরশাহ। সেই জন্মদিনে সায়রাহর বাবাকে আদুরে ভরিয়ে দেন স্ত্রী অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। 

    আর বয়স যে কেবল একটা সংখ্যা মাত্র, তা আবার প্রমাণ করলেন বলিউডের অন্যতম হ্যান্ডসাম অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তবে এবারের জন্মদিনটি সিদ্ধার্থের কাছে একটু বেশিই স্পেশাল। কারণ মেয়ে কোলে প্রথমবার জন্মদিনের কেক কাটলেন তিনি। অন্যদিকে স্বামীর জন্মদিনে কেবল শুভেচ্ছা জানানোই নয়, তাদের একান্ত যাপনের এক মিষ্টি ঝলক ভক্ত-অনুরাগীদের উপহার দিলেন অভিনেত্রী।

    স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রার জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ছোট্ট ভিডিও শেয়ার করে নিয়েছেন কিয়ারা আদভানি। সেখানে সিদ্ধার্থকে কেক কাটতে দেখা যাচ্ছে। তবে সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে অভিনেত্রীর দেওয়া ক্যাপশন। অভিনেত্রী সিদ্ধার্থকে ‘সায়রাহর পাপা’ (Saraayah’s Papa) বলে সম্বোধন করেছেন। শুধু তাই নয়, এদিন স্বামীর জন্য মাইক হাতে গানও গেয়েছেন কিয়ারা আদভানি, যা ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভিডিওতে দেখা গেছে, বাড়ির ড্রয়িংরুমে খুব সাধারণভাবে অথচ রুচিশীলভাবে সাজানো হয়েছে বার্থডে সেটআপ। সিদ্ধার্থকে বেশ ক্যাজুয়াল পোশাকে দেখা গেছে, চোখেমুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। গত বছরই তাদের জীবনে এসেছে ছোট্ট সায়রাহ। বাবা হওয়ার পর সিদ্ধার্থের ব্যক্তিত্বে যে এক অন্যরকম শান্ত ও দায়িত্বশীল ছাপ পড়েছে, ভিডিওর ছবিতে তা স্পষ্ট। 

    কিয়ারার গাওয়া গানের সুরে সিদ্ধার্থের লাজুক হাসি দেখে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। কিয়ারা যখন গান গাইছিলেন, সিদ্ধার্থকে লাজুক হাসিতে কেক কাটতে দেখা যায়। কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পার্টি নয়, বরং নিজেদের ব্যক্তিগত পরিসরে এই বিশেষ দিনটি কাটাতে পছন্দ করেছেন এ তারকা দম্পতি।

    বিনোদন ডেস্ক