Tag: কারিনা

  • প্রিয়াংকার সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিয়ে মুখ খুললেন কারিনা

    কারিনা কাপুর খান এবং প্রিয়াংকা চোপড়া বলিউডের দুই বড় নাম। তারা দুজনই তাদের প্রতিভা, শৈলী এবং শক্তিশালী অভিনয় দিয়ে দশকের পর দশক ধরে দর্শকের মুগ্ধ করে এসেছেন। কিন্তু জানলে অবাক হবেন একটা সময় এই দুই অভিনেত্রী জড়িয়ে পড়েছিলেন গুরুতর বিবাদে।

    ২০০৪ সালে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘এইতরাজ’ ছবিতে প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করেন কারিনা ও প্রিয়াংকা। আর এরপর থেকেই এই সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল। তাদের এই বিবাদের খবর চার দেয়ালের গণ্ডি ছাড়িয়ে এসে পড়ে দর্শকদের সামনে। ‘কফি উইথ করণ’ শোয়েও এই সমস্যার আঁচ পৌঁছে গিয়েছিল। করণ জোহর তার শোতে কারিনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন প্রিয়াংকাকে তিনি কী জিজ্ঞাসা করতে চান? এই প্রশ্নে করিনা ঠাট্টার সুরে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘প্রিয়াংকা কোথা থেকে এমন অ্যাকসেন্ট শিখেছে, এটাই আমি শুধু চিন্তা করি।’

    আর তার এই কথা শুনেই কড়া জবাব দেন প্রিয়াংকা। কারিনার উপস্থিতিতেই তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ওর প্রেমিক (বর্তমানে স্বামী সইফ আলি খান) যে জায়গা থেকে শিখেছিলেন, সেখান থেকেই।’ তাদের এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় জোর চর্চা। তবে এখানেই শেষ নয়। গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল- কারিনা এবং প্রিয়াংকা বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্পে একটা কনসার্টের সময় একসঙ্গে গিয়েছিলেন, সেখানেও তাদের মধ্যে সমস্যা হয়েছিল। 

    জানা যায়, সেই লড়াই নাকি হাতাহাতি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ২০২৩ সালে কারিনা অবশেষে মিড-ডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, না, না, সবটাই গুঞ্জন। আমি সেই সময় ভাবছিলাম এসব কী হচ্ছে? কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের সকলেরই মধ্যেই রাগ আছে, এমন কিছু বিষয় থাকে যেখানে আমরা সবাই নিজেদের প্রমাণ করতে চাই।

    পাশাপাশি কারিনা আরও জানান, সংবাদমাধ্যম কীভাবে ৯০-এর দশক থেকে ২০০০-দশক শুরু দিক পর্যন্ত তাদের মধ্যকার সমস্যা নিয়ে গুঞ্জন ছড়াতেন। ]

    তিনি বলেন, ‘৯০-এর দশক পুরোটাই এটা নিয়ে কেটেছে। ৯০-এর দশকে শুরু হয়েছিল এবং ২০০০ সাল পর্যন্ত এই ক্যাটফাইট চলেছিল। আজ আমি জানতে চাই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন না, শুনতে পাচ্ছেন না, তাহলে কীভাবে ভেবে নিতে পারেন আপনারা। তবে এখন এই নিয়ে আলোচনা কমেছে এটাই বড় ব্যাপার।’

    তিনি আরও জানান, তখনকার সময়ে মানুষরা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিনেতাদের দাঁড় করিয়ে দিতেন। তবে এই সব কিছু বলার পরও কারিনা স্বীকার করেন যে, তিনি সফল হওয়ার জন্য সেই সময় একটু বেশি অস্থিরও হয়ে পড়েছিলেন। তার কথায়, ‘আমি ক্রমাগত তাড়াহুড়ো করছিলাম… আমি শুধু নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম। আমি সেরা হতে চেয়েছিলাম।’ তবে এই সমস্যা শুধু কারিনার একার নয়, শুরুর দিকে অনেক অভিনেতার মধ্যেই এই অস্থিরতা কাজ করে।

    তবে সব থেকে মজার বিষয় ঘটেছিল ২০১৯ সালে। ওই বছর ফের কারিনা এবং প্রিয়াঙ্কা একসঙ্গে ‘কফি উইথ করণ’-এ উপস্থিত হয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছিলেন। ষষ্ঠ সিজনের সেই পর্বে দুই অভিনেত্রীকেই একে অপরের সঙ্গে হাসতে, ঠাট্টা করতে দেখা গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, তারা একে অপরের হয়েও কথা বলেছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফ-শাহিদ নয়, যাকে নিয়ে এখনো স্বপ্ন দেখেন কারিনা

    বলিউডের অন্যতম সফল দম্পতি পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। একটা সময়ে শাহিদ কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন বেবো। সেই সম্পর্কের কথা প্রায়ই শিরোনামে উঠে আসত। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন হয়। কারিনার জীবনে আসেন সাইফ। ‘টশন’ ছবির শুটিং থেকে শুরু হয় তাদের প্রেম। 

    ২০১২ সালে অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন সাইফ-কারিনা। বর্তমানে তারা দুই সন্তানের মা-বাবা। কাজের পাশাপাশি সুখে সংসারও করছেন এ দম্পতি। কিন্তু একটা সময়ে কোনো অভিনেতা নন, কারিনার মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এক রাজনীতিবিদ।

    সিমি গারওয়ালের অনুষ্ঠানে কারিনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কার সঙ্গে প্রেম করতে চান। সেই প্রশ্নের উত্তরেই এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম উল্লেখ করেছিলেন অভিনেত্রী। 

    কারিনা জানিয়েছিলেন, সুযোগ পেলে তিনি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে প্রেম করবেন। বেবো এ-ও জানিয়েছিলেন, তিনি নাকি প্রায়ই রাহুলের ছবির দিকে অপলকে তাকিয়ে থাকেন।

    বেবো বলেছিলেন, আমার কি এটা বলা উচিত? জানি না— বলা উচিত কিনা। জানি বিতর্কিত মন্তব্য। তা-ও এটা বলব। এর পরেই তিনি রাহুল গান্ধীর নাম নেন। 

    কারিনা বলেন, আমি ওকে (রাহুল) আরও ভালোভাবে জানতে চাই। আমি অভিনয় পরিবারের মেয়ে। তিনি রাজনৈতিক পরিবারের। তাই আমাদের রসায়ন বেশ ভালোই হবে বলে মনে হয়।

    কারিনার এই মন্তব্য বারবার আলোচনায় উঠে এসেছে। 

    কিছু দিন আগেও কারিনা এই মন্তব্য করেছিলেন— সেই সময়ে রাহুল সত্যিই দারুণ দেখতে ছিলেন। পরে আরেক জায়গায় বলেছিলেন, রাহুল গান্ধীর পদবি খুব জনপ্রিয় বলেই তার নাম উল্লেখ করেছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহিদ কাপুরের স্পর্শে গ্লামার বেড়েছে কারিনার!

    সাবেক প্রেমিক শাহিদ কাপুরের সঙ্গে সম্প্রতি আলিঙ্গন করেছেন কারিনা। আন্তর্জাতিক পুরস্কারমঞ্চের এ ঘটনা কোথা থেকে কী হয়ে গেল!সাবেক প্রেমিক যুগলের এ দৃশ্য বেশ ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়। মাত্র কয়েক মুহূর্তে বদলে গেছেন করিনা কাপুর খান। অকারণে হেসে গড়িয়ে পড়ছেন তিনি। ক্ষণে ক্ষণে লজ্জায় লাল হচ্ছে গাল। সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, শাহিদের স্পর্শে কারিনার গ্লামার নাকি বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। 

    রোববার তিনি আশমানি নীল রঙের কাঁধখোলা গাউনে সেজেছিলেন। সঙ্গে পড়েছেন মানানসই গয়না। ক্যামেরাম্যানদের ছবি বলছে, কারিনা যেন ‘জব উই মেট’ যুগে পৌঁছে গেছেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়তেই মায়ানগরীতে শুরু হয়েছে কানাঘুঁষা, তাহলে কি এটা শাহিদ কাপূরকে জড়িয়ে ধরার ফলাফল?

    সম্প্রতি আন্তর্জাতিক স্তরের একটি পুরস্কারমঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেতা-অভিনেত্রী। শুরুতে সামান্য অস্বস্তি, দ্বিধা ও জড়তা ছিল। 

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও বলছে, সাইফপত্মী শাহিদকে আলিঙ্গন করে কথা শুরু করেন। জড়িয়ে ধরেন পুরনো প্রেমিককে। অন্যদিকে শাহিদ তখনও অস্বস্তিতে! কী করে অতীত, এত অভিমান, আবেগ ভুলবেন তিনি? আরব সাগরের তীরে অনেক ঢেউ ভেঙেছে তারপর। 

    এ তিক্ততার মধ্যেই ইমতিয়াজ় আলির জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছিলেন দুজনে। সেবার ছবি বক্স অফিসেও ঝড় তুলেছিল। শাহিদ-কারিনা বরাবরের জন্য বিচ্ছিন্ন! শুধু বলিউড কেন, সেই অতীত দুই তারকার ভক্তরাও ভুলেননি।

    এদিকে স্বামী সাইফের ওপর হামলায় অভিনেত্রীর জীবনে চলছে উলটপালট সব ঘটনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনার সঙ্গে আলিঙ্গন, মুখ খুললেন শাহিদ কাপুর

    প্রায় দেড়যুগ পর কারিনার সঙ্গে আলিঙ্গন করেছেন শাহিদ কাপুর। সম্প্রতি আইআইএফএ মঞ্চে দেখা হয় তাদের। সেখানে একে অপরকে আলিঙ্গন করেন তারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ হইচই পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এর মাঝেই মুখ খুললেন কারিনার সাবেক প্রেমিক শাহিদ কাপুর। 

    আইআইএফএর মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। আমাদের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ হয়েই থাকে। আজ মঞ্চে দেখা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন দেখা হবে। ভক্তরা এটা যদি পছন্দ করেন, তবে তার চেয়ে ভালো কিছুই নেই।

    ভক্তদের হয়তো মনে আছে, ২০০৭ সালে শাহিদ-করিনার প্রেম ভাঙার খবরে তোলপাড় হয় বি-টাউন। কারণ এর মাসখানেক আগেই এ জুটির ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত দাবানলের গতিতে ভাইরাল হয়ে পড়ে। দুজনে একে-অপরের ঠোঁটে ঠোঁট ডোবানোর মুহূর্ত দেখে অনেকেই চোখ ঢেকেছিলেন সেই সময়। তার পরই ব্রেকআপ!

    এরপর কথা তো দূরের কথা, মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত বন্ধ ছিল অভিনেতা এবং অভিনেত্রীর। একে অপরকে এড়িয়ে চলতেন শাহিদ-করিনা। যে যার মতো নিজেদের সংসার গুছিয়ে নিয়েছেন। এভাবে কেটেছে ১৮ বছর।  

    সেই পুরনো ‘ক্ষত’ ও মান-অভিমানের বরফ গলিয়ে প্রকাশ্যেই সাবেক প্রেমিকাকে বুকে টেনে নেন শাহিদ কাপুর। তবে এ বিশেষ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি ফটো সাংবাদিকরা। 

    আসলে ঘটনা হলো বিশেষ অতিথিদের সম্মান জানাতেই মঞ্চে উঠেছিলেন শাহিদ-করিনা। এর ফাঁকেই প্রাক্তনের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলে নিজেদের মধ্যে আলিঙ্গন সারেন তারা। আর এ দৃশ্য রীতিমত ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়। আলোচনা- সমালোচনায় মেতেছেন নেটিজেনরা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দীর্ঘদিন পর পরস্পরকে আলিঙ্গন শাহিদ-কারিনার

    বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান ও অভিনেতা শাহিদ কাপুর একটা সময় বলিপাড়ায় প্রেমের চর্চায় শীর্ষে ছিলেন। তাদের ঘনিষ্ঠতা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, ভক্ত-অনুরাগীরা তো বটেই—এমনকি পরিবারের লোকজনও সেই সম্পর্ককে পরিণতি পাবে বলেই ধরে নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রেম স্থায়ী হয়নি। ব্রেক আপের পর একটা সময় তাদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ ছিল। কারণটা হয়তো আজও অনেকেরই অজানা। 

    একটা সময় সম্পর্কে থাকলেও বিচ্ছেদের পর তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র বন্ধুত্ব ছিল না। কিন্তু তার পর কেটে গেছে অনেকগুলো বছর। যে যার জীবনে নিজের মতো এগিয়ে গেছেন। কিন্তু সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে হঠাৎ দেখা এ সাবেক জুটির। গতকাল শনিবার জয়পুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন কারিনা কাপুর খান ও শাহিদ কাপুর। অনুষ্ঠানের মঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে কথাও বলতে দেখা যায় তাদের।

    শুধু কথাই নয়; বহু বছর পর মুখোমুখি হয়ে পরস্পরকে আলিঙ্গনও করেন শাহিদ ও কারিনা। এই দৃশ্য অনুরাগীদের কাছে খুবই বিরল। এতদিন কোনো অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হলেও পরস্পরকে এড়িয়েই গেছেন তারা। দেখেও না দেখার ভান করে সরে গেছেন। কিন্তু অবশেষে যবনিকা পতন। পরস্পর বহুক্ষণ কথা বললেন তারা। সেই মুহূর্তের ভিডিওগুলো সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।

    শাহিদ ও কারিনা ঠিক কী নিয়ে কথা বলছিলেন, তা স্পষ্ট নয় ঠিকই; কিন্তু দুজনের কথা বলার ভাবভঙ্গি দেখে অনুরাগীদের অনুমান— হয়তো একসময়ে একসঙ্গে কাজ করার স্মৃতি রোমন্থন করছেন দুজনে। আবার কেউ মনে করছেন, বর্তমানে নিজেদের সন্তানদের নিয়ে কথা বলছেন তারা।

    এক জায়গায় দেখা যায়, বেবো তার চেনা ভঙ্গিতেই হেসে হেসে কথা বলছেন। চোখে চোখ রেখে শুনছেন শাহিদ কাপুর। অনুরাগীদের এই দেখে কেউ কেউ বলছেন— জোর করেই স্বাভাবিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করছেন তারা। আসলে পুরোনো কথা কেউ-ই ভোলেননি। ক্যামেরা রয়েছে বলে, পরস্পরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন মাত্র। তবে এই জুটিকে ফের একপর্দায় দেখতে উদ্গ্রীব তারা। ‘জব উই মেট’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছিলেন কারিনা ও শাহিদ। তাদের রসায়নে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শকরা। তাই ‘আদিত্য’ ও ‘গীত’কে একসঙ্গে দেখতে চান তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবার সামনেই ছোট নবাবকে ধমকালেন কারিনা

    এক হামলায় বদলে গেছে কারিনা কাপুর ও সাইফ আলি খানের জীবন। নিরাপত্তা নিয়ে তারা এখনও অনেক সচেতন থাকছেন। এই তো কিছুদিন আগে, এই দম্পতি সাংবাদিকদের দেখে অনুরোধ করেন তারা যেন তাদের সন্তানদের ছবি না তোলেন। কিছুদিন আগে সাইফের ওপর যে হামলা সেই কথা মাথায় রেখে, নিরাপত্তার কারণেই যে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    শুধু কি তাই। ওই হামলা কারিনার মেজাজে প্রভাব ফেলেছে। সেটি প্রমাণ পাওয়া যায় ছোট ছেলে জেহকে ধমকানোর ঘটনায়। 

    একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে জেহ রাস্তায় বেরিয়ে হাত না ধরায় তাকে ধমক দেন অভিনেত্রী। কেউ কেউ কারিনার এই কাজে অসন্তুষ্ট হলে অনেকেই আবার তাকে সমর্থন করেছেন। বুঝেছেন ছেলের নিরাপত্তার কারণে, ভালোর জন্যই বকেছেন। কেউ কেউ আবার মনে করেছেন তারকা হোক বা সাধারণ কোনো নারী, সব মায়েরাই আদতে এক।

    রোববার কারিনা তার দুই ছেলে তৈমুর এবং জেহকে নিয়ে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়ায় যান। সেখানে স্কুলের বন্ধু এবং শিক্ষকদের সঙ্গে দুই খুদে মজা করছিল। তাও দুই ছেলের ওপর দিয়ে নজর সরেনি নায়িকার।

    এদিন কারিনার পরনে ছিল লাল রঙের একটি শার্ট এবং প্যান্ট। বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও এদিন তিনি তার সন্তানদের নিরাপত্তার দিকে কড়া নজর রাখেন। সব যেন ঠিকঠাক থাকে সেটাও খেয়াল করেন। এর মধ্যেই জেহকে হাত দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায়। তখনই অভিনেত্রী তাকে ধমক দেন এবং বলেন, ‘তোমায় বলছি না হাত ধরে থাকতে।’

    কারিনার এই ভিডিও দেখে তার অনুরাগীরা যারপরনাই মুগ্ধ। তাদের মতে অভিনেত্রী একজন আদর্শ মা। আর চার পাঁচজন মায়ের মতোই তিনি তার সন্তানের প্রতি যত্নশীল, তাই ভালোর জন্যই বকা দিয়েছেন। এক ব্যক্তি লেখেন, ‘ও যদি কঠোর না হতো তখনও কথা শুনতে হতো এখনো হচ্ছে। কী জ্বালা!’ আরেকজন লেখেন, ‘তো কী করবে? বাচ্চাকে না বকে রাস্তায় হুটোপুটি করতে দেবে?’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অন্ধকারের পরে আলো আসে: কারিনা

    সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনার এক মাস কেটে গেছে। হাসপাতাল থেকে অভিনেতার বাড়ি ফেরার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছেন এ তারকা দম্পতি। সম্প্রতি নতুন সিনেমা ‘জুয়েল থিফ’-এর প্রচারে যোগ দিয়েছিলেন সাইফ। অন্যদিকে, কারিনা সংসার দেখভালের পাশাপাশি নিজের কাজও করছেন।

    বুধবার রাতে অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রামে নিজের কয়েকটি ছবিও শেয়ার করেছেন। তবে ছবির থেকেও বেশি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তার পোস্টের ক্যাপশন। যেখানে কঠিন সময় কাটিয়ে ছন্দে ফেরার কথা উল্লেখ করেছেন কারিনা।

    অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘অন্ধকারের পরে আলো আসে। নেতিবাচক বিষয়কে পিছনে ফেলে আনন্দে মেতে উঠুন। আমার প্রিয় মানুষদের সঙ্গে ভালোবাসার মুহূর্ত উদ্‌যাপন করছি। ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা সম্ভব।’

    বুধবার রাতে পারিবারিক এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল পুরো কাপুর পরিবার। কাপুর পরিবারের পাশাপাশি তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। যে অনুষ্ঠানের কিছু ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যেখানে দেখা গেছে করিনা কাপুর খান, কারিশমা কাপুর, আলিয়া ভাট এবং রণবীর কাপুরকে একসঙ্গে নাচতে।

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ জানুয়ারি সাইফ আলী খানের ওপর হামলা চালায় এক দুষ্কৃতকারী। এ ঘটনার পর, কারিনা এবং সাইফও বাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করেছেন। এমনকি, দুই ছেলের ছবি তুলতেও নিষেধ করেছিলেন পাপারাজ্জিদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফ-অমৃতার বিয়েতে ফুল হাতে কারিনা, সেদিন যা বলেছিলেন অভিনেতা?

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের প্রথম বিয়েতে দিদি অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের হাত ধরে গিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। অভিনেত্রী নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান ফুল দিয়ে। সেই সময় পাল্টা কোন উত্তর দিয়েছিলেন অভিনেতা?

    ২০০৮ সালে ‘টশন’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে প্রেমপ্রস্তাব দিয়েছিলেন সাইফ আলি খান। এদিকে কারিনা তখন নিজেই সাইফের প্রেমে হাবুডুবু। আগেও তাদের দেখা হয়েছে। কিন্তু ‘টশন’ সিনেমার শুটিংয়ে সব চেনা ছক গোলমাল হয়ে গিয়েছিল। কারিনা জানিয়েছেন, সেই সময় সাইফ তার চোখে নতুন রূপে যেন ধরা দিয়েছিলেন। কিন্তু তবু তার মনে হয়েছিল বিয়ের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে আরও কিছু সময় প্রয়োজন। চার বছর প্রেমপর্বের পর সাইফ-কারিনা বিয়ে করেন ২০১২ সালে। 

    অমৃতা সিংহের সঙ্গে সাইফের ১৩ বছরের দাম্পত্য ভেঙে যায় ২০০৪ সালে। তার আট বছর পর কারিনার সঙ্গে নতুন সংসার শুরু শর্মিলা-তনয়ের। কারিনার সঙ্গে সাইফের বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। প্রায় ১০ বছরের। এদিকে অমৃতাকে যখন সাইফ বিয়ে করেন, সেই সময় অনেকটাই ছোট সাইফ। 

    জানা গেছে, বয়সে বড় হওয়া অমৃতাকে নিয়ে নাকি চাপা অশান্তি ছিল পতৌদি পরিবারে। যদিও অমৃতার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর বেশ কিছু প্রণয়-সম্পর্ক তৈরি হয় সাইফের জীবনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারিনাতে থিতু হন অভিনেতা। 

    ১৯৯১ সালে যখন প্রথমবার সাইফ বিয়ে করেন, কারিনা শুভেচ্ছাবার্তা দিলে তিনি বলেন, থ্যাংক ইউ বেটা। যদিও সেসব এখন অতীত। কারিনা ও সাইফ এখন দুই পুত্রসন্তানের বাবা-মা। এদিকের সাইফের প্রথম পক্ষের দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিমের সঙ্গেও সম্পর্ক ভালো কারিনার। একে অপরের বিপদে-আপদে পরিবার হয়েই থাকেন তারা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনা নিজেই কেন সাইফকে হাসপাতালে নিলেন না?

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান গত মাসে নিজের বাড়িতে এক দুষ্কৃতকারীর ছুরিকাঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হন। সেদিন ব্যর্থ ডাকাতির চেষ্টায় হামলাকারী তাকে ছয়বার আঘাত করে। এর মধ্যে একবার অভিনেতার মেরুদণ্ডের কাছাকাছি স্থানে তিন ইঞ্চি পরিমাণ ছুরির ফলা ঢুকে যায়। যার কারণে দুটি বড় অস্ত্রোপচার করাতে হয় সাইফকে।

    এ ঘটনা নিয়ে সাইফের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেমন তার পাশে দাঁড়ান, তেমনি কিছু লোক আবার ঘটনাটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও তোলেন। 

    তবে সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাইফ আলী খান জানান, তিনি কিভাবে একা ওই অস্ত্রধারী হামলাকারীর সঙ্গে লড়াই করেন। যতক্ষণ না তার গৃহপরিচারিকা তাকে সাহায্য করতে আসেন।

    এ সময় কেন ছেলে তৈমুর হাসপাতালে নিয়ে গেল তাকে, কারিনা নয়? এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফ বলেন, তার ছেলে তৈমুরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল, কারিনা নন।

    তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘তৈমুর ওই সময় পুরোপুরি শান্ত ছিল। সে বলল, ‘আমি তোমার সঙ্গে যাচ্ছি’। আমিও ওকে দেখে ভরসা পাচ্ছিলাম এবং একা যেতে চাইনি। আমার স্ত্রীও ওকে পাঠিয়েছিল। সে (কারিনা) জানত যে, এই মুহূর্তে তৈমুরই আমার পাশে থাকতে পারবে। আল্লাহ না করুন, যদি কিছু খারাপ হতো, তাই আমি চাইতাম সে আমার পাশে থাকুক’।

    এদিকে কারিনা কাপুর তার ছোট ছেলে জেহকে নিয়ে বড় বোন কারিশমা কাপুরের বাড়িতে চলে যান বলে জানান সাইফ।

    অভিনেতা জানান, সেদিন রাত ২টার দিকে যখন তিনি ও কারিনা ঘুমাচ্ছিলেন, তখন এক গৃহকর্মী আতঙ্কিত অবস্থায় ঘরে ছুটে আসেন। তিনি জানান, একজন দুষ্কৃতকারী ছোট ছেলে জেহর ঘরে ঢুকে টাকা চাইছে।

    সাইফ সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে যান এবং দেখেন, একজন মুখোশধারী ব্যক্তি জেহর বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। তার হাতে দুটি লাঠির মতো কিছু। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন, এগুলো আসলে ধারালো ‘হেক্সা ব্লেড’।

    সাইফ বলেন, ‘ওই সময় একটা অদ্ভুত শক্তি আমাকে আচ্ছন্ন করল। আমি লোকটাকে ধরে নিচে ফেলে দিলাম। কিন্তু সে তখনই আমার পিঠে ও গলায় ছুরির আঘাত করে। আমি একপর্যায়ে আর সহ্য করতে পারছিলাম না, কারণ একসঙ্গে দুটি ছুরি ব্যবহার করছিল সে। আমি শুধু প্রার্থনা করছিলাম, যেন কেউ আমাকে এই লোকটার হাত থেকে বাঁচায়’।

    সেই সময় তার গৃহকর্মী গীতা এগিয়ে আসেন এবং হামলাকারীকে টেনে সরিয়ে দেন, জানান সাইফ।

    তিনি বলেন, এর ফলে কিছুটা সময় পাই এবং দ্রুত হামলাকারীকে জেহর ঘরে তালাবদ্ধ করি। কিন্তু সে আবার বাচ্চাদের বাথরুমের ড্রেন পাইপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

    এদিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ডাক্তাররা জানান, চার ইঞ্চি লম্বা ছুরির ফলা তার কাঁধের হাড় ভেদ করে মেরুদণ্ডের খুব কাছাকাছি চলে গেছে। এটি মেরুদণ্ডের প্রতিরক্ষামূলক আবরণও কেটে দিয়েছে, যার ফলে তৎক্ষণাৎ তার পায়ের অনুভূতি হারিয়ে যায়।

    সাইফ বলেন, ‘ছুরিটা আর মাত্র এক মিলিমিটার গভীরে গেলেই আমি প্যারালাইসড হয়ে যেতে পারতাম’।

    গুরুতর এই আঘাতের পর সাইফকে ছয় ঘণ্টার একটি জটিল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বর্তমানে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তাকে চিরকালের জন্য বদলে দিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের হামলার তদন্তে মিলল চমকপ্রদ তথ্য

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হওয়া আক্রমণের তদন্তে নতুন এক চমকপ্রদ মোড় সামনে এসেছে। ঘটনার তদন্তে পাওয়া নতুন এক তথ্যেই মূলত এই টুইস্ট সামনে এসেছে।

    মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ১৯টি আঙুলের ছাপের সঙ্গে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামের ছাপের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। আর এ তথ্যেই মূলত তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি সাইফ খানের মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাসভবনে ছুরিকাঘাতের পর সংগৃহীত এই আঙুলের ছাপগুলো অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছিল। 

    সিস্টেম-জেনারেটেড রিপোর্ট নিশ্চিত করেছে যে, এই ছাপগুলো সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা সন্দেহভাজন শরিফুলের নয়। 

    সিআইডি মুম্বাই পুলিশকে পরীক্ষার এই ফলাফল জানালে কর্তৃপক্ষ আরও নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

    সাইফ আলি খান ওইদিন নিজ ১১ তলায় নিজের ফ্ল্যাটে আক্রমণের শিকার হন। ওই সময় একজন অনুপ্রবেশকারী তার বাড়িতে ঢুকে পড়লে এ ঘটনা ঘটে। ৫৪ বছর বয়সি অভিনেতা সেই সময় উপর্যুপরি ছয়বার ছুরিকাঘাতের শিকার হন, যার মধ্যে একটি তার মেরুদণ্ডের খুব কাছেই আঘাত হানে। এতে তার স্পাইনাল ফ্লুইড লিকেজ ঘটে। 

    পরে আহত সাইফকে নিকটস্থ লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার ডাক্তাররা জানান যে, ছুরিটি তার মেরুদণ্ড থেকে মাত্র ২ মিমি দূরে ছিল। সৌভাগ্যবশত তিনি এখন সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং চলতি সপ্তাহের শুরুতেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

    এদিকে পুলিশ বলছে, সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার শরিফুল ইসলাম একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তিন একটি ডাকাতির চেষ্টা করেছিলেন এবং অর্থের বিনিময়ে ভুয়া নাগরিকত্বের কাগজপত্র পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। মুম্বাই পুলিশ এ নিয়ে গভীরভাবে তদন্ত করছে।

    একই সঙ্গে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজে অনুপ্রবেশকারীর চেহারার মিল খুঁজতে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। 

    পুরো ঘটনার তদন্তে কর্তৃপক্ষ মূলত আরও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য কাজ করছে। যাতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শক্তিশালী মামলা তৈরি করা যায়। সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক