Tag: কারাগার

  • জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। 

    অভিনেতার জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধু ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। 

    আরও বলা হয়, আসামি গুরুতর অসুস্থ। ক্রনিক অ্যাজমা ব্রঙ্কাইটিস বা গুরুতর হাঁপানি রোগে ভুগছেন। 

    গত ১৩ জুন আসামি অ্যাজমা এট্যাক হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আসামির বর্তমান শারীরিক অবস্থায় কোনোভাবেই বন্ধ জায়গায় বা জেল-হাজতে আটক রাখা সমীচীন হবে না। যা কিনা তার শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য জামিনে মুক্তি দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা অনিবার্য। 

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আসামি পক্ষের আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই আলভীর পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

    প্রসঙ্গত, আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গ্রেফতারের পর কারাগারে নোবেল

    ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার সংগীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেলকে (৩১) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

    মঙ্গলবার বিকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে বেলা আড়াইটার দিকে নোবেলকে সিএমএম আদালতে আনা হয়। বেলা তিনটার দিকে তাকে আদালতকক্ষে তোলা হয়।

    ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ৭ মাস ঘরে আটক রেখে শারীরিক নির্যাতন ও একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে নোবেলকে গ্রেফতার করে ডেমরা পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ফোন পেয়ে গত সোমবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী মেয়েটিকে ডেমরার আমতলা এলাকায় নোবেলের নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। নোবেল ওই এলাকার মোজাফ্ফর এইচ নান্নুর ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ঘোষের চর এলাকায়। 

    এই ঘটনায় নোবেল ও তার ২ থেকে ৩ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে সোমবার রাতে ডেমরা থানায় মামলা করেন ওই যুবতী।

    জানা যায়, ভুক্তভোগী এ নারী শিক্ষার্থী ঢাকা ইডেন মহিলা কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোবেলের সঙ্গে তার পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে গত বছর ১২ নভেম্বর নোবেল তার স্টুডিও দেখানোর কথা বলে মেয়েটিকে ডেমরায় নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।  পরে ওই নারীকে আটকে রাখেন এবং তার মোবাইল ভেঙে ফেলেন।  পরবর্তীতে নোবেল মেয়েটিকে ধর্ষণ ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করেন। 

    আরও জানা যায়, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নোবেল তাকে মারধর করতেন এবং একপর্যায়ে চুল ধরে টেনে আরেক কক্ষে নিয়ে আটক রাখতেন। পরে  চুলের মুঠি ধরে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নিচে নামানোর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে শনাক্ত করেন। 

    ডেমরা থানার ওসি মাহমুদুর রহমান বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার রাত ২টার দিকে নোবেলকে গ্রেফতার করা হয়। নোবেল সীমান্ত দিয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ জন্য তিনি একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করেছিলেন। তবে পালানোর আগেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    দু’বছর আগেও নোবেলকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তখন প্রতারণার মামলায় তাকে গ্রেফতার হন তিনি। একটা অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলেন এ গায়ক। কিন্তু পরে তিনি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। এ ঘটনায় ২০২৩ সালে নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। 

    উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত নানা আচরণের কারণে বিভিন্ন সময়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেনে নোবেল। একাধিক বিয়ে করেও আলোচনায় এসেছিলেন এই গায়ক। কিন্তু কোনো সংসারই স্থায়ী হয়নি। ২০১৯ সালে সালসাবিল মাহমুদকে বিয়ে করে আলোচনার সৃষ্টি করেন নোবেল। কিন্তু মাদক ত্যাগ না করায় সে সংসার টেকেনি। এরপর ২০২৩ সালের শেষে ফের নোবেলের বিয়ের খবর সামনে আসে। 

    প্রসঙ্গত, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জি বাংলার গানের শো ‘সা রে গা মা পা’য় অংশ নিয়ে সবার নজরে আসেন নোবেল। তার গান দর্শকের মনে স্থান করে নেয়। পরে তার বেশ কিছু গান জনপ্রিয়তা পায়। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই তাকে ঘিরে আলচনা-সমালোচনা ছিল। একটা সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে শো করতে গেলেও সেখানেও তাকে নিয়ে সমালোচনা হয়। ২০২৩ সালে কুড়িগ্রামে একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন তিনি। কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী ডিগ্রি কলেজের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নোবেলের আচরণে বিরক্ত হয়ে দর্শকরা জুতা ও পানির বোতল ছুড়ে মারেন এ শিল্পীর দিকে। সেই ঘটনাটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। 

    ডেমরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

  • কারাগারের দিনগুলো কেমন ছিল, জানালেন র‍্যাপার হান্নান

    শেখ হাসিনা সরকারের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে গান গেয়ে জেল খাটতে হয়েছে র‍্যাপার হান্নান হোসাইনকে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ‘আওয়াজ উডা’ গান মুক্তির পর তাকে গ্রেফতার করা হয়, নেওয়া হয় দুই দিনের রিমান্ডে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন এই র‍্যাপার।

    rnrn

    কারাগারের দিনগুলো কেমন কেটেছিল, একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপে তা জানিয়েছেন হান্নান। তার ভাষায়, ‘আমি আগে কখনোই জেল দেখিনি। বাইরে কী চলছে, জানতাম না। কারাগারে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎও বন্ধ ছিল। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারিনি। পরে দেখা করার সুযোগ পেয়েছি। কারাগারে থেকেই শুনেছিলাম, আমার জন্য অনেকে রাস্তায় ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়েছে। আবেগে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’

    rnrn

    তার সেই আলোচিত গান লেখার প্রেক্ষাপট নিয়ে হান্নান বলেন, ‘গানটা যখন লিখেছি তখন শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ছিলেন। পরে অল্প কিছু অভিভাবকও নেমেছেন। তবে অনেকে চুপ ছিলেন। কোনো কথা বলছিলেন না, নামছিলেনও না। আওয়াজও তুলতে পারছিলেন না। সেটা দেখেই গানের শিরোনাম করেছি, আওয়াজ উডা বাংলাদেশ।’

    rnrn

    গত ২৫ জুলাই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে পুলিশের হাতে আটক হন হান্নান। আটকের পর তাকে আদালতে তোলার আগে পুলিশ তার পরিবারের কাছে টাকা দাবি করে বলেও জানান এই র‍্যাপার, ‘সেদিন দুপুরে আমাকে থানায় নেওয়া হয়; পরদিন দুপুর পর্যন্ত আমার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পরে পরিবারকে জানানো হয়। পরিবারের কাছে প্রথমে এক লাখ টাকা চেয়ে পুলিশ বলেছে, মামলা দেবে না, ছেড়ে দেব। পরে থানা থেকে ছাড়াতে দেড় লাখ টাকা চেয়েছিল।’

    rnrn

    গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এর পরদিন (৬ আগস্ট) মুক্তি পান হান্নান। মুক্তির সময়ের অনুভূতি জানিয়ে হান্নান বলেন, ‘মুক্তির আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সেদিন সকাল ১০টার দিকে আমার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, বন্ধুরা আমাকে নিতে এসেছিলেন। বের হতে হতে বিকেল চারটা বেজেছিল।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুড়ঙ্গ সিনেমা পাইরেসি: দুই আসামি কারাগারে

    ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘সুড়ঙ্গ’ পাইরেসির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার মনিরুল শেখ ও ইমামুল কবিরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    rnrn

     

    rnrn

    রোববার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের উপ-পরিদর্শক নূরনাহার খাতুন।

    rnrn

    অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করে। জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য রাখার আবেদন করেন আইনজীবীরা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে সোমবার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

    rnrn

    এর আগে সিনেমা ‘সুড়ঙ্গ’ পাইরেসির ঘটনায় শনিবার সিনেমাটির প্রযোজক শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া বাদী হয়ে বনানী থানায় কপিরাইট আইনে মামলা করেন।

    আদালত প্রতিবেদক

  • ন্যান্সির বাসায় চুরি: গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী কারাগারে

    দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির বাসা থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বর্ণপদক এবং জুয়েলারি চুরির মামলায় গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী শাকিলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

    rnrn

    এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম রশিদুল আলম বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। 

    rnrn

    ওই দিন গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী শাকিলকে আদালতে হাজির করে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছাদেক মিয়া। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে আগামী ২ মে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন।

    rnrn

    মামলার অভিযোগে ন্যান্সি উল্লেখ করেন, তার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন তাহমিনা ও রিপা। শাকিল তাহমিনাকে প্রায়ই বাসা থেকে নিতে আসতেন। গত ৫ এপ্রিল বাসার কাউকে না জানিয়ে তারা চলে যান। তারও আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গৃহকর্মী রিপা কাউকে কিছু না জানিয়ে বাসা থেকে চলে যান। গত ১৮ এপ্রিল ন্যান্সি দেখতে পান আলমারিতে তার দুটি চেইন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ডায়মন্ডের লকেটসহ অনেক অলংকার নেই। যার মূল্য প্রায় তিন লাখ ২১ হাজার টাকা। 

    rnrn

    এ ঘটনায় ন্যান্সির ভাই শাহরিয়ার আমান সানি গুলশান থানায় মামলা করেন।

    rnrn

    এ বিষয়ে ন্যান্সি জানান, গত ১৭ এপ্রিল বাসার ওয়ারড্রব পরিষ্কার করতে গিয়ে চুরির বিষয়ে টের পান। কারণ সেখানে থাকা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বর্ণপদক এবং আরও কিছু জুয়েলারি খুঁজে পাননি তিনি। এ ঘটনায় ২৬ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় লিখিত অভিযোগ দেন এ গায়িকা। অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন নিজ বাসার দুই গৃহকর্মীর নাম।  ন্যান্সি বলেন, ‘আমি বাসার দুই গৃহকর্মীকে সন্দেহ করছি। দুজনই খুব অস্বাভাবিক কারণ দেখিয়ে কাজ ছেড়ে চলে গেছেন। শুরুতে চুরির ঘটনাটি পুলিশের কাছে মৌখিকভাবে জানাই। তারা এসে সহজে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সন্দেহভাজনরা অস্বীকার করায় শেষ পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মুক্তি পেয়ে সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন মাহিয়া মাহি (ভিডিও)

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশের করা মামলায় ৬ ঘন্টা কারাভোগের পর মুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। শনিবার রাতে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

    শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে মাহি গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর তিনি গাজীপুরে চান্দনা চৌরাস্তার তেলিপাড়ায় একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে মাহিয়া মাহি বলেন, আমি কারাগারের ভেতরে অনেক শান্তিতে ছিলাম। আমাকে যখন বিমান থেকে নিয়ে আসে তখন ইমিগ্রেশনের পুলিশ আমাকে কারও সঙ্গে কথা বলতে দেবে না, পুরো এয়ারপোর্ট ফাঁকা হয়ে গেছে।

    মাহিয়া মাহি আরও বলেন, আমি ভীতসন্ত্রস্ত। আমি মাহিয়া মাহি আমাকে যে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমাকে একটা গাড়িতে আনা হয়েছে সেটা অনেক গরম ছিল। আমি ঠাণ্ডা পানি চাচ্ছিলাম। একটু পরপর আমার তৃষ্ণা পাচ্ছিল। তারা একটা পানি কিনে দিতে এক ঘণ্টা সময় নিয়েছে।

    তিনি বলেন, আমি নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে মানবিকতা পাইনি। আমার স্বামী দেশে আসলে, তার বিরুদ্ধেও তো এই মামলাটা আছে। তার সঙ্গে কি হবে? আমি আমার স্বামীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

    মাহিয়া মাহি বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই দেশে একজন পুলিশ কমিশনার একটা অন্যায় করে পার পেয়ে যেতে পারবেন না। আমি সব সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আমি কিন্তু পুলিশ বাহিনিকে নিয়ে কথা বলি নাই। আমার অনেক পুলিশের সঙ্গে পরিচয় আছে। অনেক ফোর্সের প্রধানের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা অনেক নাইস। আমি শুধু একজন ব্যক্তির কথা বলছি বারবার, যিনি মোল্যা নজরুল। আমি তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলেছি। আমি কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে যাইনি।

    সৌদি আরব থেকে ওমরাহ শেষে সকালে দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    পরে দুপুর দেড়টার দিকে তাকে গাজীপুরের আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন মহানগর হাকিম মো. ইকবাল হোসেন। তবে সন্ধ্যায় অন্তঃসত্ত্বা এই চিত্রনায়িকার জামিনের আদেশ দেন একই বিচারক। সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা কারাবাসের পর রাতে তার তিনি মুক্তি পান। 

    জেল থেকে বের হয়ে মাহিয়া মাহি গাজীপুরের ভোগড়া চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় স্বামী রাকিব সরকারের বাসায় গেছেন বলে জানা গেছে। 

    এর আগে শুক্রবার তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দুটি করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। ওই দিন রাতে বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রোকন মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

    এ ছাড়া জমিদখলের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে আরও একটি মামলা করেন স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • রাখির মামলায় কারাগারে আদিল

    বলিউডের ‘ড্রামা কুইন’ রাখি সাওয়ান্তের মামলায় স্বামী আদিল খান দুরানির কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রাখির অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এর পর তাকে আদালতে তোলা হলে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে ১৪ দিনের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    আদিলের বিরুদ্ধে রাখি শারীরিক নির্যাতন, পরকীয়া, টাকা ও গহনা চুরি এবং পণ নেওয়ার মতো অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে আদিলকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। রাখির অভিযোগ, তার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গার্লফ্রেন্ড তনুর সঙ্গে থাকছিলেন আদিল। 

    মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কাঁদতে দেখা যায় রাখিকে। রাখির দাদার দাবি— মায়ের মৃত্যুর দিন আদিল রাখির ওপর অকথ্য শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে, এমনকি তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টাও করেছে।

    পুলিশের তথ্যানুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে পরিচয় আদিল ও রাখির। এর পর একসঙ্গে একটি বিজনেস অ্যাকাউন্ট খোলেন দুজনে। পরে ২০২২ সালের জুন মাসে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে ১.৫ কোটি টাকা তুলে নেন আদিল, নতুন গাড়ির কেনার নাম করে। রাখির আইনজীবী ফাল্গুনি ব্রহ্মভাট বলেন, তাদের পক্ষ থেকে আদিলকে পুলিশ কাস্টডিতে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল, যদিও ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছেন।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক