Tag: কানাডা

  • এক রাতে ৩ অ্যালবাম! ড্রেকের নজিরবিহীন ঘোষণা

    এক রাতে একটি বা দুটি নয়, একেবারে তিনটি নতুন অ্যালবাম মুক্তির এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়ে পুরো সংগীতবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কানাডিয়ান র্যাপ তারকা ড্রেক। 

    শুক্রবার (১৫ মে) রাতেই একসঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই তিনটি প্রজেক্ট। এই আকস্মিক ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে তার ভক্তদের মাঝে তুমুল উত্তেজনা ও উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, যার জোয়ার আছড়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। 

    দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তরা ড্রেকের বহুল প্রতীক্ষিত অ্যালবাম ‘আইসম্যান’-এর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে এই র্যাপার জানান, ‘আইসম্যান’-এর পাশাপাশি আরও দুটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজেক্ট—‘হাবিবতি’ এবং ‘মেইড অব অনার’ একই সঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে। 

    ড্রেকের একসঙ্গে তিনটি ফুল-লেন্থ অ্যালবাম প্রকাশের এই অভাবনীয় সিদ্ধান্ত ভক্তদের যেমন আনন্দিত করেছে, তেমনি চমকে দিয়েছে পুরো মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে। 

    তবে এই খুশির খবরের মাঝেও ড্রেকের জন্য রয়েছে বিষাদের অনুভূতি। হৃদয়স্পর্শী এক পারিবারিক খবরের কারণে এই বিশাল হাইপ ও প্রচারণার আড়ালে যোগ হয়েছে এক আবেগঘন অধ্যায়। ‘আইসম্যান’ অ্যালবামের প্রমোশনাল রোলআউটের একটি প্রিভিউতে ড্রেক তার বাবা ডেনিস গ্রাহামের এক কঠিন লড়াইয়ের কথা সামনে এনেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে ড্রেক প্রকাশ করেন, তার বাবা বর্তমানে মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। ড্রেক বলেন, ‘আমার বাবা এখন ক্যানসারে আক্রান্ত; আমরা একদম শেষ ধাপগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছি।’ এর মাধ্যমে এই প্রথম ড্রেক তার বাবার কঠিন অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন, যা ভক্তদের হৃদয়ে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। 

    উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে ড্রেক এবং তার বাবা ডেনিস গ্রাহামের সম্পর্ক বেশ ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের পারিবারিক দূরত্ব ও ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের মধ্যকার মেলবন্ধন ও পারস্পরিক সমর্থন বেশ জোরালো হয়েছে।

    ডেনিস গ্রাহাম সবসময়ই ছেলের এই বিশ্বজোড়া সাফল্যে গর্ব করে এসেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি ড্রেককে ছোটবেলা থেকেই এক উজ্জ্বল ‘তারকা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং ছেলের মেধার প্রতি নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। 

    বাবার এই কঠিন সময়ে ড্রেকের পাশে থাকা এবং একই সঙ্গে সংগীত ক্যারিয়ারের এত বড় মাইলফলক স্পর্শ করা—সব মিলিয়ে আজ রাতটি ড্রেক ভক্তদের জন্য এক মিশ্র আবেগ ও চরম উত্তেজনার রাত হতে যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেটি পেরি ও জাস্টিন ট্রুডোর প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক স্বামী

    কৌতুক অভিনেতা রাসেল ব্র্যান্ড কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সমালোচনা করেছেন এবং তাকে ‘ফিদেল কাস্ত্রোর বংশধর’ বলেও উল্লেখ করেছেন।

    গত ২২ এপ্রিল ‘দ্য মেগিন কেলি শো’-তে অংশ নিয়ে কেটি পেরির সঙ্গে জাস্টিন ট্রুডোর কথিত সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন ব্র্যান্ড। একই সঙ্গে তিনি তাদের ভেঙে যাওয়া দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন।

    ব্র্যান্ড বলেন, পেরি ‘যেকোনো মুহূর্তে হুঁশে ফিরতে পারেন’ এবং এ কারণে এই জুটির দিকে নজর রাখতে বলেও মন্তব্য করেন। ট্রুডোর রাজনৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি এক ঘটনায় ট্রুডো ‘কানাডার পার্লামেন্টে একজন প্রকৃত নাৎসিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন’ বলেও দাবি করেন ব্র্যান্ড।

    তবে পেরির সাবেক সঙ্গী অরল্যান্ডো ব্লুম সম্পর্কে ভিন্ন সুরে কথা বলেন ব্র্যান্ড। তাকে তিনি ‘দারুণ’ বলে বর্ণনা করেন।

    ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে রাসেল ব্র্যান্ড ও কেটি পেরির বিয়ে হয়। তবে এক বছরের কিছু বেশি সময় পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে এবং ২০১১ সালের ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্সের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

    সম্পর্ক ভাঙার দায় নিজের কাঁধেই নেন ব্র্যান্ড। তিনি বলেন, ‘এটা আমারই দোষ ছিল। আমি দ্রুত বিয়ের জন্য চাপ দিয়েছিলাম, কারণ নিজেকে অপর্যাপ্ত ও অনিরাপদ মনে হতো। মনে করতাম, ওকে বিয়ে করলে আমি যেন আরও ভালো ও গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠব’।

    তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রত্যাশা সম্পর্কের ওপর চাপ তৈরি করেছিল। বৈশ্বিক সাফল্য থাকা সত্ত্বেও পেরি যে ‘একজন স্বাভাবিক মানুষ’—সেটিও উল্লেখ করেন তিনি।

    ব্র্যান্ড জানান, পেরির ক্যারিয়ার দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সময় তিনি নিজেকে একাকি অনুভব করতেন। তার ভাষায়, সে সময় তিনি ‘খুবই একা’ বোধ করতেন।

    বর্তমান সঙ্গীকে নিয়ে সমালোচনা করলেও কেটি পেরি সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্য করেন ব্র্যান্ড। তিনি পেরিকে ‘অত্যন্ত মায়াবী’, ‘খুব সুন্দর একজন মানুষ’ এবং ‘অবিশ্বাস্য রকম পরিশ্রমী’ বলে বর্ণনা করেন।

    সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

    অনলাইন ডেস্ক

  • মার্কিন ইমিগ্রেশনে ১২ দিন আটক কানাডিয়ান অভিনেত্রী, জানালেন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা

    হলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘আমেরিকান পাই’র অভিনেত্রী জেসমিন মুনি অভিযোগ করে বলেছেন, তার কাজের ভিসা নবায়ন করতে গেলে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টম এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তারা তাকে ১২ দিন আটকে রেখেছিল। শুধু তাই নয়, ওই সময় তার সংস্থাটি সদস্যদের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণেরও অভিযোগ তুলেন এই কানাডিয়ান অভিনেত্রী। 

    হলিউডে দীর্ঘদিন কাজ করেন জেসমিন। ‘আমেরিকান পাই’ ছাড়াও তার অভিনীত আলোচিত সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘কিড ক্যানাবিস’, ‘লাউডারমিল্ক’, ‘আইজম্বি’ এবং ‘সিক্স’। ৩ মার্চ মেক্সিকো থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কাজের ভিসা নবায়ন করার জন্য সান দিয়েগোতে বসবাসরত তার আইনজীবীর কাছে যাওয়ার কথা তার। কিন্তু মার্কিন-ম্যাক্সিকো সীমান্তে আইসিই তাকে প্রবেশাধিকার দেওয়ার পরিবর্তে আটক করে। 

    এই ঘটনাকে জেসমিন ‘খুবই বিরক্তিকর মানসিক পরীক্ষা’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। 

    মার্কিন গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমাকে একটি কক্ষে রাখা হয়েছিল এবং একটি মাদুরের উপর ঘুমাতে হয়েছিল। কোন কম্বল নেই, কোন বালিশ নেই, আড়াই দিন ধরে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে আমার শরীরে মৃতদেহের মতো জড়িয়ে রখতে হয়েছে! আমি আমার জীবনে এত অমানবিক কিছু দেখিনি।’ 

    জেমসিন জানান, ডিটেনশন সেন্টারের খাবারের মান এতটাই খারাপ ছিল যে, তিনি তা খেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। যার ফলে তার ওজনও কমে গিয়েছিল। নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি আরও একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, যখন তাকে এবং আরও ৩০ জন মহিলাকে মধ্যরাতে অ্যারিজোনার একটি কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল, সেখানে  তাকে ২৪ ঘন্টা ধরে শিকল দিয়ে জড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল।

    যদিও জেমসিনকে আটকের সঠিক কারণ সংবাদমাধ্যমে জানায়নি আইসিই। তবে কেউ কেউ অনুমান করছেন, হলি ওয়াটারখ্যাত ‘ফুল-স্পেকট্রাম হেম্প’ পানীয় বিক্রি করার সঙ্গে জেসমিনের আটকের সংযোগ থাকতে পারে। কারণ, তিনি এই কোম্পানীর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। 

    জেসমিন অবশ্য আটকের কারণ হিসাবে বলেছেন, ‘তারা আমাকে বলেছিল আমি যুক্তরাষ্ট্রে কাজের জন্য পেশাদার নই। কারণ আমার কাগজপত্রে কাজের সঠিক বর্ণনা ছিল না।’ 

    গত শনিবার কানাডায় ফিরে আসেন জেসমিন। ভ্যাঙ্কুভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসার পর, তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন,  ‘আমি এখনও জানি না আমি কীভাবে বাড়িতে আছি। আমার বন্ধুবান্ধব, পরিবার এবং মিডিয়াই আমার বাড়িতে থাকার কারণ। তাদের কারণেই হয়তো আমি বাড়ি ফিরে আসতে পেরেছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কানাডায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন অভিনেতা জামাল উদ্দিন

    কানাডায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত নাট্যজন, নির্দেশক ও অভিনেতা জামাল উদ্দিন হোসেন। 

    কানাডার স্থানীয় সময় শনিবার বাদ জোহর আকরাম জুম্মা মসজিদে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে তাকে কক্রেন কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় বিভিন্ন কমিউনিটির প্রচুর সংখ্যক লোকের সমাগম ঘটে। 

    অভিনেতা জামাল উদ্দিন হোসেন শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় কানাডার রকিভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    যুক্তরাষ্ট্রর আটলান্টা থেকে কানাডার ক্যালগেরিতে ছেলে তাশফিন হোসেন তপুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন অভিনেতা জামালউদ্দিন হোসেন। 

    গত ১৮ সেপ্টেম্বর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান, তার ইউরিন ইনফেকশন হয়েছে। পরে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছিলেন না। এর পরই চিকিৎসকরা তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি দীর্ঘ দিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

    টিভি নাটক দিয়ে দর্শকের কাছে জনপ্রিয়তা পেলেও মঞ্চ ছিল তার সবচেয়ে ভালোবাসার মাধ্যম। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি থেকে মঞ্চ নাটকে অভিনয় শুরু করেন জামালউদ্দিন। পরে কাজ করেছেন চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকেও। অভিনেতার শেষ জীবন কেটেছে আমেরিকায়। সেখানে ২০০৬ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন তিনি। প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করতেন, পাশপাশি মঞ্চেও ছিলেন সক্রিয়। নিউইয়র্কে তার স্ত্রী অভিনেত্রী রওশন আরা হোসেনও থাকতেন।

    জামালউদ্দিন হোসেন ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন। ১৯৯৭ সালে তিনি তার নিজের নাট্যগোষ্ঠী নাগরিক নাট্যাঙ্গন অনসাম্বল শুরু করেন এবং এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বেতার টেলিভিশন শিল্পী সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

    জামালউদ্দিন হোসেন ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘রাজা রাণী’, ‘চাঁদ বণিকের পালা’, ‘আমি নই’, ‘বিবি সাহেব’, ‘যুগলবন্দী’সহ কয়েকটি আলোচিত মঞ্চ নাটক পরিচালনা করেছেন। 

    জামালউদ্দিন হোসেনের জন্ম ৮ অক্টোবর ১৯৪৩ সালে। তিনি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও নাট্যকর্মী। শিল্পকলায় তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে তাকে একুশে পদক প্রদান করেন। 

    জামালউদ্দিন হোসেন ১৯৭৫ সালে অভিনেত্রী রওশন আরা হোসেনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তারা উভয়ই নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের শিল্পী ছিলেন, সেখানেই তাদের প্রথম পরিচয় হয়েছিল। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

    নোমান সাবিত, নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

  • অভিনেতা জামালউদ্দিন হোসেনের অবস্থা সংকটাপন্ন

    টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকের একসময়ের ব্যস্ত অভিনয়শিল্পী জামাল উদ্দিন হোসেনের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন।কানাডায় ছেলে কাছে বেড়াতে গিয়ে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।তাকে হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

    মঙ্গলবার কানাডা থেকে তাশফিন হোসেন তার বাবার অসুস্থতার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।  

    তাশফিন জানান, বাবা জামাল উদ্দিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা থেকে কানাডার ক্যালগিরিতে তার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।এর মধ্যে গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার বাবা হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন তিনি।সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, তার বাবার ইউরিন ইনফেকশন হয়েছে।পরে কানাডার স্থানীয় সময় সোমবার সকালে জানা যায়, তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারছেন না। এরপরই চিকিৎসকেরা তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

    তাশফিন আরও জানান, তার বাবার বয়স এখন ৮১। এর আগে তার বাবার দুইবার স্ট্রোক হয়েছে।এ ছাড়া কোভিডের সময় তার প্রোস্টেট ক্যানসার হয়েছিল।

    যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন জামালউদ্দিন হোসেন।তিনি সত্তরের দশকের মাঝামাঝি থেকে মঞ্চ নাটকে অভিনয় শুরু করেন।পরে টেলিভিশন নাটক এবং চলচ্চিত্রেও কাজ করেন তিনি।তবে গত ১৫ বছর ধরে অভিনয়ে অনিয়মিত তিনি।মাঝেমধ্যে দেশে ফিরে টুকটাক অভিনয় করলেও গত ৭-৮ বছর ধরে একেবারে অভিনয়ে নেই তিনি।বাংলাদেশেও থাকেন না।

    তাশফিন হোসেন কানাডার মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স বিভাগের অধ্যাপক।আর মেয়ে তার পরিবার নিয়ে থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুঞ্জনের মধ্যেই এবার একসঙ্গে কানাডায় জায়েদ খান-নুসরাত ফারিয়া

    অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও সিডনিতে স্টেজ শোতে জায়েদ খানের সঙ্গে ছিলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। শোর বিরতিতে সেখানকার বিভিন্ন লোকেশনে একসঙ্গে ঘুরতে দেখা যায় তাদের। সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করেন সেসব মুহূর্তের ছবিও।

    দুজনার প্রেমের গুঞ্জনটা তখন থেকেই। যদিও জায়েদ খান ও নুসরাত ফারিয়া কেহ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে অস্ট্রেলিয়ার পর এবার এই দুজনকে দেখা গেল কানাডায়। সেখানে দুজনই পারফর্ম করবেন। জায়েদ খান নিজেই ফেসবুকে একটি পোস্ট করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সেই পোস্ট নুসরাত ফারিয়াও শেয়ার করেছেন, লিখেছেন সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে ১৪ জুলাই। 

    জায়েদ খানও নিজের শো প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেছেন, ব্লয়াস্ট শো হবে। কিন্তু এই শো হবে কোথায়? জানা গেছে কানাডার ক্যালগেরিতে অনুষ্ঠিত হবে এই শো। ইতোমধ্যে জায়েদ খান ও নুসরাত ফারিয়া দুজনই নাচের রিহার্সেলে অংশ নিয়েছেন। অনুশীলনের একটি ফটোতে দুজনকে একত্রে দেখা যায়। সেখানেও জায়েদ খান জানালেন দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে জায়েদ খানের সঙ্গে হোয়াটস্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নুসরাত ফারিয়া আমার সহকর্মী। এসব কিছু মানুষ নানা কারণেই ছড়ায়। মানুষকে ছোট করতে পারলে তাদের ভালো লাগে। ফলে এই চেষ্টা তারা করেই যায়। এসব নিয়ে মাথা ঘামানো যাবে না।

    এর আগে জায়েদ খান নিউইয়র্কে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে অংশ নেন। এর পর তাকে দেখা যায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-কানাডা ম্যাচে। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীরা কিসে আটকায়, যা বললেন মাহি

    ‘নারী আসলে কিসে আটকায়?’-এমন একটি প্রশ্ন কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবার উৎকণ্ঠা যেন এ একটা বিষয় নিয়েই যে, পৃথিবীর ধনী, ক্ষমতাধর, সুদর্শন কিংবা সুকণ্ঠি পুরুষেরা যখন তাদের সঙ্গীদের ভালোবাসায়, সংসার জীবনে আটকে রাখতে পারছেন না। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও তর্কে যোগ দিয়েছেন বিনোদন জগতের তারকারাও। 

    rnrn

    ‘কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ক্ষমতা, বিশ্বের সেরা ধনী বিল গেটসের অর্থ, ফুটবলার হাকিমির জনপ্রিয়তা, প্রখ্যাত অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদির ভালোবাসা, সংগীতশিল্পী জনপ্রিয় তাহসানের কণ্ঠ কিংবা বলিউড সুপারস্টার হৃত্বিক রোশনের স্মার্টনেস-কোনো কিছুই নারীকে আটকাতে পারেনি। এদের প্রত্যেক্যের সঙ্গে তাদের জীবন সঙ্গিনীদের বিচ্ছেদ ঘটেছে। তাহলে ‘নারী কিসে আটকায়? এ প্রশ্নের সূত্রপাত হয়েছে কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা থেকে। 

    rnrn

    সম্প্রতি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ও সোফি গ্রেগরি। দুজনের সম্মতিতেই ১৮ বছরের সংসার জীবনের ইতি টেনেছেন তারা। এ ঘোষণার পর থেকে সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। বিষয়টি নিয়ে কেউ করছেন ইতিবাচক মন্তব্য, কেউবা নেতিবাচক। কেউ ঠাট্টায় উড়িয়ে দিচ্ছেন, কেউবা হচ্ছেন বিরক্ত। নেটিজেন সঙ্গে এ প্রসঙ্গে যোগ দিয়েছেন তারকাও।

    rnrn

    তবে এ প্রসঙ্গে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানালেন ঢালিউডের অগ্নিকন্যাখ্যাত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহী। খানিকটা বিরক্তি নিয়েই তিনি লেখেন, ‘বুঝলাম না, ট্রুডো-সোফির কোনো সমস্যা নেই। আমরা কেন মারা যাচ্ছি?’ মাহীর এমন প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করতে দেখা গেছে তার অনুরাগীদের।

    rnrn

    ছোট পর্দার অভিনেত্রী ফারজানা আহসান মিহি বিষয়টি নিয়ে আরও এককাঠি সরস! এ বিষয়ে ফেসবুকজুড়ে দুই লাইনের একটি লেখা প্রায় অনেকের ওয়ালে দেখা যাচ্ছে। আর সেটিই শেয়ার দিয়েছেন এ অভিনেত্রী। যেখানে লেখা রয়েছে, ‘নারী বেহেশতেই আটকায় নাই, গন্দম খাইয়া বের হয়ে গেছে। আর দুনিয়ায় কিসে আটকায় তা জিগাইতাছেন? পারেনও আপনারা।’

    নুসরাত অনন্যা 

  • হাসপাতালে কবি আসাদ চৌধুরী

    একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আসাদ চৌধুরীকে কানাডার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার বিকালের দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে টরন্টোর মাইকেল গ্যারন হাসপাতালে ভর্তি করেন তার স্বজনরা। 

    বরেণ্য এই কবিকে দেখার জন্য হাসপাতালে ছুটে যান স্থানীয় কমিউনিটির নেতারা। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে অবস্থানরত কবির বোন সাবেরা চৌধুরী। কবির দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

    আসাদ চৌধুরী প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো- তবক দেওয়া পান (১৯৭৫), বিত্ত নাই বেসাত নাই (১৯৭৬), প্রশ্ন নেই উত্তরে পাহাড় (১৯৭৬),জলের মধ্যে লেখাজোখা (১৯৮২), যে পারে পারুক (১৯৮৩), মধ্য মাঠ থেকে (১৯৮৪),  মেঘের জুলুম পাখির জুলুম (১৯৮৫), আমার কবিতা (১৯৮৫), ভালোবাসার কবিতা (১৯৮৫), প্রেমের কবিতা (১৯৮৫), দুঃখীরা গল্প করে (১৯৮৭), নদীও বিবস্ত্র হয় (১৯৯২), টান ভালোবাসার কবিতা (১৯৯৭), বাতাস যেমন পরিচিত (১৯৯৮), বৃন্তির সংবাদে আমি কেউ নই (১৯৯৮),কবিতা-সমগ্র (২০০২), কিছু ফল আমি নিভিয়ে দিয়েছি (২০০৩), ঘরে ফেরা সোজা নয় (২০০৬)। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ২০১৩ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

    সাংস্কৃতিক প্রতিবেদন

  • ছেলে কেমন আছে, কানাডা থেকে জানালেন কুমার বিশ্বজিৎ 

    দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র ছেলে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। নিবিড় কুমারের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কানাডা গেছেন বিশ্বজিৎ। সেখান থেকে ছেলের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। 

    rnrn

    নিবিড়ের সঙ্গে যারা ছিল তাদের তিনজনই মারা গেছেন। বেঁচে আছেন নিবিড়। তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। 

    rnrn

    বিশ্বজিতের ছেলে কেমন আছেন-জানতে মুখিয়ে আছেন তার স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা। কানাডা গিয়ে দেশের সংগীতাঙ্গনের একাধিক ব্যক্তিকে তিনি বার্তা পাঠিয়েছেন। জানিয়েছেন, নিবিড়ের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার ভোরে গীতিকবি সংঘের সভাপতি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বলেছেন, ‘বিশ্বজিৎ জানালো- নিবিড় আগের চেয়ে ভালো আছে। আলহামদুলিল্লাহ। চলুন দোয়া জারি রাখি। দুর্ঘটনায় নিহত শাহরিয়ার খান, অ্যাঞ্জেলা বাড়ৈ ও আরিয়ান দীপ্তর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’

    rnrn

    একই খবর দিয়েছেন সংগীতশিল্পী কিশোর দাসও। তার সঙ্গেও কথা হয়েছে কুমার বিশ্বজিতের। সেই সূত্রে কিশোর বলেন, ‘নিবিড়ের অবস্থা উন্নতির দিকে। মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ দয়ায় নিবিড় গতকালকের চেয়ে এই মুহূর্তে ভালো আছে। নিবিড়ের কাকা অভিজিৎ দা ও ওর বাবা কুমার বিশ্বজিৎ স্যারের সঙ্গে কথা হলো। আগামী ৬ ঘন্টার ভেতর নিবিড়ের সার্জারি হবে।’

    rnrn

    প্রসঙ্গত, কুমার বিশ্বজিতের ছেলে নিবিড় কুমার কানাডায় থেকে লেখাপড়া করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক