Tag: কাঞ্চন মল্লিক

  • ৫১তম জন্মদিনে কাঞ্চনকে চমকে দিলেন শ্রীময়ী

    টালিউড অভিনেতা তথা তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের গতকাল (৬ মে) ছিল জন্মদিন। এদিন ৫১ বছরে পা দিলেন এ অভিনেতা। এই দিনটা আরও বিশেষ করে তুলতে পরিকল্পনামাফিক কাজ করেছেন স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। চমকে দিয়েছেন অভিনেতাকে।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক বলেন, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত জন্মদিনটা আমার কাছে উৎসব ছিল। ঠাকুরদা-ঠাকুমার আদরের নাতি ছিলাম। তার পর বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে যায় উদযাপন। তিনি বলেন, এখন অভিনেতার জন্মদিনের সবটাই স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের হাতে। সবটা তারই পরিকল্পনা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঠিক কীভাবে স্বামীকে সে চমকে দেবে প্রায় অনেক দিন আগে থেকেই চলছে সেই ভাবনা। পর্দায় রাগিণী চট্টোপাধ্যায় যেমন পরিবারের মাথা, তেমনই মল্লিকবাড়ির সব দায়িত্বই শ্রীময়ীর কাঁধে। 

    ‘বুলেট সরোজিনী’র শুটিংয়ের ফাঁকেই স্বামীর জন্মদিনের নিখুঁত পরিকল্পনা করেছেন তিনি। সকাল ৮টায় কল টাইম। রাত অবধি চলছে শুটিং। তার মাঝেই জন্মদিনের নিমন্ত্রণ করেছেন কাছের সবাইকে। আবার সেখানেই সবাইকে বলেও দেওয়া হয়েছে— ভুল করেও কাঞ্চন যেন জানতে না পারে। এ কারণেই নিজের সবটা তার ওপরেই ছেড়ে দিয়েছেন কাঞ্চন। 

    অভিনেতা বলেন, আমার ‘হোমমেকার’, ‘প্ল্যান মেকার’— সবটাই শ্রীময়ী। সকাল থেকে শুটিং করেও যে এভাবে চমকে দেবে ভাবিনি। মেয়ে কৃষভি আসার পর অভিনেতার প্রথম জন্মদিন। তাই মাঝ রাতের উদযাপনে কেক কেটে একটুখানি অংশ প্রথম মেয়ের মুখেই দিয়েছি। সবে ৫ মাসের। তাই সেভাবে তো আর কিছু করতে পারবেন না।

    তবে শ্রীময়ীর দিদি তার মা-বাবা যথাসম্ভব চেষ্টা করেছেন এই দিনটা যেন একটু অন্যভাবে কাটাতে পারেন কাঞ্চন। ছোটবেলায় এই দিনে কাঞ্চনের মা পায়েস রান্না করতেন। কাঞ্চন ছোট থেকেই খেতে ভালোবাসেন। তাই নানা পদের আয়োজন করতেন। এ বছর সেই ফাঁকা জায়গা পূরণ করেছেন শাশুড়ি মা। জামাইয়ের পছন্দের সব পদ রান্না করে খাইয়েছেন শাশুড়ি মা। 

    কাঞ্চন বলেন, আমার শাশুড়ি মা দারুণ পায়েস রান্না করেন। আর শ্বশুর উত্তর কলকাতা থেকে আমার প্রিয় রসগোল্লা এনেছেন। আর কি চাই? 

    একরত্তি কৃষভি, শ্রীময়ীকে পেয়ে কাঞ্চন এখন পরিপূর্ণ জন্মদিনের রাতে অভিনেতার মুখের হাসিই বলে দিচ্ছিল সে কথা। ভাবতেই পারেননি ১৪ ঘণ্টা শুটিং করেও এমনভাবে চমকে দেবেন শ্রীময়ী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাঞ্চনের আবারও বিয়ে হওয়ার চান্স আছে: শ্রীময়ী

    টালিউডের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের মেয়ে কৃষভীর সঙ্গে আলাপ জমান নায়িকা টালি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এবার অভিনেত্রীর নতুন সিনেমা দেখতে পৌঁছালেন এ দম্পতি। ‘পুরাতন’ সিনেমার প্রিমিয়ারে একদম বাঙালি সাজে সেজে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। অভিনেতা পরেছিলেন সাদা পাঞ্জাবি, অন্যদিকে অভিনেত্রীর সাজে ছিল সাদা-লালের ছোঁয়া। 

    সেখানে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল— কাঞ্চন কখনই ‘পুরাতন’ হচ্ছেন না, সবসময়ে নতুন—এর পেছনে কী কোনো কারণ আছে? উত্তরে শ্রীময়ী মজা করে বলেন, ব্যাটারিতে সবসময়ে পজিটিভ আর নেগেটিভ দুই রকম এনার্জিই লাগে। দুটো পজিটিভ হলে মুশকিল। আমি আর কাঞ্চন দুই প্রজন্ম। ওল্ড আর নিউ দুটো মিশিয়ে যেটি তৈরি হয়েছে, সেটিই কাঞ্চন। 

    পাশ থেকে কাঞ্চন বললেন, ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড। তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে— পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে। পুরাতন যে আসলে নবীন, সেটি তোমাকে ভাবতে হবে গুরু। 

    কাঞ্চনের গাল টিপে আদর করে দিয়ে এরপর শ্রীময়ী মজা করে বললেন, কত গ্লামার দেখুন। চকচক করছে। কাঞ্চনের আবার একটা বিয়ে হয়ে যাওয়ার চান্স আছে। লজ্জা পেয়ে কাঞ্চন বলে ওঠেন—এই না না, সর্বনাশ…। 

    স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন খুনসুটি দেখে সেখানে উপস্থিত সবাই মজা পেয়েছেন। তারাও পাশ থেকে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। 

    উল্লেখ্য, কাঞ্চন আর শ্রীময়ী ব্যক্তিগত জীবনের নানা মুহূর্ত যেমন উপভোগ করছেন, তেমনই তারা ব্যস্ত কাজ নিয়েও। ‘রক্তবীজ টু’ সিনেমায় দুজনকেই দেখা যাবে। পূজায় মুক্তি পাবে সেই সিনেমা। আর ‘বুলেট সরোজিনী’ ধারাবাহিকে এবার নিয়মিত দেখা যাবে শ্রীময়ী চট্টরাজকে। সেখানে প্রধান খলনায়িকার চরিত্রে রয়েছেন অভিনেত্রী। ধারাবাহিকের প্রোমো আসতেই দর্শকদের মধ্যে শ্রীময়ীর কাজ দেখার উৎসাহ বাড়ছে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • নেটিজেনদের তুলোধুনো করলেন কাঞ্চনপত্নী

    পিঙ্কিকে ডিভোর্স দিয়ে অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজকে বিয়ে করেন টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। এরপর তাদের বিস্তর কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়। কখনো বয়সের ফারাকের জন্য তো, কখনো অভিনেতার তৃতীয় বিয়ে বলে কথা। কেউ কেউ তো পিঙ্কি ও কাঞ্চনের ডিভোর্সের জন্য শ্রীময়ীকেই দায়ী করেছেন । এবার তাদের জবাব দিলেন অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি একটি ইভেন্টে গিয়ে মমতা শঙ্করের সঙ্গে দেখা হয় কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের। তারা একসঙ্গে ছবি তুলে সেটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেন। এরপরই অনেকে অভিনেত্রীর সেই পোস্টে ঢুকে মমতা শঙ্করের উদ্দেশ্যে নানা মন্তব্য লিখেছেন— জানতে চান কাঞ্চন এবং তার স্ত্রীর মতো ‘রুচিহীন’ মানুষের সঙ্গে কেন ছবি তুলেছেন। কেউ আবার শ্রীময়ীকে দায়ী করেন ওশ এবং তার বাবার দূরত্বের জন্য। তারই জবাব দেন অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে শ্রীময়ী বলেন, গত কয়েক দিন আগে সম্ভবত আমি একটা ইভেন্টে গিয়েছিলাম, সেখানে আমি মমতা দি, মানে মমতা শঙ্কর দির সঙ্গে ছবি দিয়েছিলাম। সেখানে আমি নাম করে বলব— পম্পা ভট্টাচার্য মুখার্জি আপনি কমেন্ট করেছেন যে, রুচিশীল মানুষ হয়ে কীভাবে রুচিহীন এমন অমানুষের সঙ্গে বসেন। 

    তিনি বলেন, প্রথম কথা— আমার মতে, আপনি যদি এতই রুচিশীল হোন তাহলে এত রুচিবোধ নিয়ে রুচিশীল হয়েও হঠাৎ আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইলে ঢুকে আমার ছবিগুলো দেখছেন কেন? আবার মন্তব্যও করছেন। আমার তো মনে হচ্ছে, আপনি যমেরও অরুচি। যমও আপনাকে নিয়ে যেতে ভয় পাবে। 

    অভিনেত্রী বলেন, আর দ্বিতীয়ত আপনার বোধহয় একদম বাড়িতে কাজ নেই। আমার মনে হয় আপনার জীবনটা ফ্রাস্ট্রেশনে ভরা। সেটা আপনার লেখাতে প্রকাশ পাচ্ছে। আপনি আপনার বাপের বাড়ি, শ্বশুরবাড়িতে টিপ্পনি মার্কা মন্তব্য করেন। কম পয়সায় রিচার্জ করছেন, অবাধ ওয়াইফাই পেয়ে আপনি যা খুশি মন্তব্য করতে পারেন না। আমরা পাবলিক ফিগার, আমাদের প্রোফাইলে ঢুকে কমেন্ট করা যায়, 

    এদিকে নিজের প্রোফাইল লক করে রেখেছেন। পেছনে অনেক ভয়, পারলে সামনে এসে কথা বলুন। আমি এবার সাইবার সেলে যাব।

    এরপর আরেক নারী শ্রীময়ীর ছবিতে মমতা শঙ্করের উদ্দেশ্যে লিখেছেন— আপনি তো অনেক বড় বড় কথা বলেন, শাড়ির আঁচল নিয়ে বাচ্চাদের রিয়েলিটি শোতে অংশ নেওয়া নিয়ে। অন্যের ঘর ভেঙে বাবা কে ছেলের থেকে আলাদা করে দেওয়া এই নারীর ব্যাপারে কী বক্তব্য আপনার? আসলে আপনি গরম গরম কথা ছেড়ে মার্কেট ধরে রাখতে চাইছেন। নাচের শো তো আর সেই রকম পান না। সেই ঐতিহ্য নেই। তাকেও জবাব দিতে ছাড়েন না কাঞ্চনপত্নী।

    শ্রীময়ী তার উদ্দেশ্যে বলেন, উনি বড় বড় কথা বলেন, আমার ব্যাপারে উনি কী বলেন সেটা আপনাকে বলবে কেন? আর উনি শাড়ির আঁচল বা ড্রেস পরা নিয়ে যে কিছু বলেছেন, সেটি তো ওর ব্যক্তিগত মতামত। ওর কথা শুনতে হবে কে মাথার দিব্যি দিয়েছে? আপনি জামাকাপড় ছাড়াই হাঁটুন না। আপনার চেহারা, আপনার শরীর, আপনার লাইসেন্স আছে, যা খুশি ভাবে হাঁটতে পারেন। আপনার অধিকার নেই আমার প্রোফাইলে ঢুকে এসব লিখতে। আপনি পারেন না একজন নারীর প্রোফাইলে ঢুকে এভাবে লিখতে। অভিনেত্রী বলেন, আপনি কি জানেন— কে কার থেকে কাকে ছাড়িয়ে এনেছেন? আপনি বোধহয় বিয়ে করে ভালো করে সুখে নেই, শান্তিতে নেই? ওই জন্য দেখুন সেটা আপনার লেখায় প্রকাশ পাচ্ছে। নিজের লেখায় তেল দিন। আপনাদের শিক্ষা দেওয়া দরকার।

    এদিন এই ভিডিও পোস্ট করে শ্রীময়ী লিখেছেন— আমাদের প্রোফাইলটা পাবলিক প্রোফাইল বলে যা খুশি লিখব, তাও আবার তার প্রাইভেট প্রোফাইলে ঢুকে— এটা একেবারেই কাম্য নয়। 

    তিনি বলেন, আপনাদের মতো মানুষগুলোর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া উচিত। যখন ভালো কিছু করতে পারেন না, তখন মানুষের খারাপ কিছু করার অধিকারও আপনার নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাঞ্চনকে কীভাবে সামলান শ্রীময়ী, যা ফাঁস করলেন অভিনেতা

    ইতোমধ্যে আইনি বিয়ের বর্ষপূর্তি হয়ে গেছে। সামনেই তাদের সামাজিক বিয়ের বর্ষপূর্তি ঘটতে চলেছে। তার আগেই বিবাহিত জীবনের গোপন কথা ফাঁস করলেন টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। জানালেন তার স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ কীভাবে তাকে নিয়ন্ত্রণ করেন।

    সম্প্রতি এদিন চুপ কর নামক একটি পোর্টালে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক তাদের বিবাহিত জীবনের একটি সিক্রেট ফাঁস করেন। সে অনুষ্ঠানে স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ কীভাবে তাকে সামলান অকপটে বলে দেন। 

    এ বিষয়ে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, আমি আগে বলে দিই আমি একটু ত্যাঁদর টাইপের। কিন্তু ওই একটা কথা আছে না— বুনো ওল বাঘা তেঁতুল। তো আমি হচ্ছি সেই প্রবাদের বুনো ওল। আমার বুনো ওলকে থামাতে গেলে… বাঘা তেঁতুল ছাড়া কেউ থামাতে পারবে না।

    তৃণমূল বিধায়ক আরও বলেন, আমি নিজেকে চিনি। বিশ্বাস করুন যে মানুষ বলে যে নিজেকে চিনি না, তার থেকে বড় মিথ্যাবাদী কেউ হয় না। তিনি বলেন, আমি জানি আমাকে ওই বাবু, পুষু, মুনু বলে হবে না। আমাকে ওই চোপ এটা বললেই আমি ঠিক।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আইনি বিয়ে সারেন এ তারকা দম্পতি। সেই বছরই দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি টানেন কাঞ্চন। প্রেম দিবসেই শ্রীময়ীর সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে নতুন ধাপে নিয়ে যান। এরপর মার্চ মাসে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তারা। বছর ঘোরার আগেই নভেম্বর মাসে ভূমিষ্ঠ হয় তাদের মেয়ে কৃষভি। যদিও এখনো তারা মেয়ের মুখ দেখাননি।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • আমিই কাঞ্চনের জীবনের ‘পার্মানেন্ট ভ্যালেন্টাইন’: শ্রীময়ী

    এক বছরে অনেক বদলে গেছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। এই এক বছরে তিনি আরও সংসারী ও আরও পরিপূর্ণ হয়েছেন। কেবল একটাই আফসোস তার। তবে সেটি কী অভিনেত্রী নিজেই তা জানিয়েছেন।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টরাজের একটি বিশেষ দিন। এদিন তারা আইনি বিয়ে সেরেছিলেন। শনিবার তারই আয়োজনে উদ্যাপনে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনের স্কুলের পুরোনো বন্ধুরা। গতকাল রোববারই সেই ছবি বদলে গেছে। 

    কাঞ্চন-শ্রীময়ী ব্যস্ত তাদের মেয়ে কৃষভিকে নিয়ে। এদিন একরত্তির টিকা নেওয়ার দিন। কাঞ্চনপত্নীর বলেন, এত লক্ষ্মী মেয়ে, একটুও কাঁদে না! মেয়েকে সামলাতে সামলাতেই একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ফিরে দেখলেন তাদের এক বছরের দাম্পত্য। স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে একরাশ তৃপ্তি ঝরে পড়ল তার কণ্ঠে। 

    শ্রীময়ী বলেন, খানাপিনা থেকে নাচগান— কিচ্ছু বাদ রাখিনি। সব আয়োজন করেছে কাঞ্চন আর তার স্কুলের বন্ধুরা। সত্যিই আমরা খুবই ভালো আছি।

    এক বছরের বিবাহবার্ষিকীতে সাধারণত নতুন দাম্পত্যের সুখে বুঁদ হয়ে থাকেন নবদম্পতি। অনেকেই দ্রুত মা হওয়ার কথা সাধারণত ভাবেন না। শ্রীময়ী যদিও সেই পথে হাঁটেননি। সেই প্রসঙ্গ তুলতেই কাঞ্চনপত্নীর তড়িঘড়ি উত্তর—বিয়ের বছর ঘুরতেই মা হয়েছি। কোনো আফসোস নেই। আফসোস আমার অন্য বিষয়ে। 

    সে কথাও গোপন রাখেননি তিনি। অভিনেত্রী বলেন, কাঞ্চন তো সময় দিতেই চেয়েছিল। আমিই বরং মা হতে চেয়েছি। আইনি বিয়ে যেদিন সম্পন্ন হয়েছে, সেদিনই ওকে বলেছিলাম— অনেক দিন আমার পরস্পরের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকেছি। নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছি। আর না— এবার আমাদের জীবনে সন্তান আগমনের প্রয়োজন। তবে আমরা পরিপূর্ণ হব। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫৬ লাখ টাকা ভরণপোষণ দিয়েও আক্ষেপ কাঞ্চনের

    টালিউড অভিনেতা ও সংসদ সদস্য কাঞ্চন মল্লিক ও তার সাবেক স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে ওশের জন্মদিন ছিল গত শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) । ওশ ১১ বছরে পা দিল। ছেলের জন্মদিনে আদুরে শুভেচ্ছা জানান পিঙ্কি। এর পাশাপাশি কাঞ্চনকে খোঁচা দিলেন তিনি। তবে কাঞ্চন মল্লিক পালটা জবাব দিয়েছেন। যদিও মল্লিক অবশ্য ব্যস্ত ছিলেন তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহ পালনে। অন্তত সে রকমই দেখা গেছে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে।

    গতকাল রোববার এক সংবাদমাধ্যমে ছেলেকে খোলা চিঠি লিখেছেন সাবেক কাঞ্চনপত্নী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি লিখেছেন— তার পুত্র এখন খাতায়-কলমে ‘মল্লিক’ হলেও মনেপ্রাণে ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’। তার ছেলে এই বয়সে এতটাই পরিণত যে জন্মদিনে বাবার শুভেচ্ছা না এলেও ওশের কোনো অভিযোগ নেই, কোনো দুঃখ নেই। 

    সাবেক স্ত্রীর অভিযোগের কড়া জবাব দিলেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। ছেলেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা না জানানো নিয়ে তারকা সংসদ সদস্য দ্য ওয়ালকে বলেন, দুনিয়া ভাবতেই পারে আমি ভুলে গেছি। তাদের প্রমাণ করার দায় আমার নেই। তবে আমার প্রিয়জনরা জানে— কাল সকালেও মন্দিরে পূজা দিয়েছি ওর নামে। কাঞ্চন বলেন, আজও বাড়ির সব পূজায় ছেলের জন্য প্রার্থনা করতে ভুলেননি তিনি। 

    এ অভিনেতা বলেন, ছেলেকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর কোনো মাধ্যম নেই তার কাছে। কারণ মিউচুয়াল ডিভোর্সের সময় ওশের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি, কিন্তু তার ভিজিটিং রাইট কেড়ে নেওয়া হয়েছে। 

    কাঞ্চন বলেন, ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ কাঞ্চনের। ছেলের ফোন নেই। পিঙ্কির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই তার। এমনকি আগে বেশ কয়েকবার কাকুতি-মিনুতি সত্ত্বেও ওশের ন্যানি তার সঙ্গে ছেলের ফোনে কথা বলাতে অস্বীকার করেন।

    নিজের পিতৃত্ব ফলাতে ছেলেকে কোনোরকম ট্রমা দিতে চান না কাঞ্চন। কারণ এর আগে ছেলের জন্মদিনের উপহার দিতে কোর্টে ছুটতে হয়েছিল তাকে। কাঞ্চনের দেওয়া উপহার নাকি ফিরিয়ে দেন পিঙ্কি। তাই দূর থেকেই ছেলের মঙ্গলকামনা করতে চান বলে জানান এ অভিনেতা। 

    বর্তমান স্ত্রী শ্রীয়মীর সুরে সুর মিলিয়েই কাঞ্চন বলেন, ওশের দরজা ওর বাবার কাছে আজীবন খোলা। বিচ্ছেদের সময় ছেলের দেখভালের জন্য ৫৬ লাখ টাকা খোরপোষ বাবদ পিঙ্কিকে দিয়েছেন তিনি। 

    ওশ সবে ক্লাস সিক্স! মায়ের থেকে ছেলেকে আলাদা করতে চান না বলেই ডিভোর্সের সয়ম ছেলের কাস্টডি দাবি করেননি কাঞ্চন। তার বিশ্বাস, ওশ বড় হয়ে অবশ্যই বুঝবে বাবাকে। অভিনেতা বলেন, বাবা তোর জন্মদিন ভোলেনি ওশ। তুই যে আমার রক্ত, তুই-ই যে আমার অংশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইচ্ছে ছিল মধ্যরাতে মেয়ের ছবি দেব, কন্যাকে প্রকাশ্যে আনলেন শ্রীময়ী

    বছরশেষে শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে পেলিং ও দার্জিলিং ঘুরে এলেন দিব্যি। নতুন বছরে অবশেষে কৃষভিকে প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেতা-সংসদ সদস্য কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। গোলাপি পশমের পোশাকে কৃষভিকে কোলে নিয়ে অভিনেতা। যদিও তারা মেয়ের মুখ দেখাননি। পাশে দাঁড়িয়ে শ্রীময়ীর মা। মেয়ের সঙ্গে রংমিলন্তি অভিনেত্রীর মা। গোলাপি শাড়িতে নিজেকে সাজিয়ে মেয়েকে বুকে জড়িয়ে শুভেচ্ছা জানালেন সবাইকে। বললেন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানাই— অতীতের সব খারাপ সরে যাক। ২০২৫ সালে নতুন করে জীবন কাটান।

    যদিও শ্রীময়ীর ইচ্ছে ছিল অন্যরকম। আনন্দবাজার অনলাইনকে তিনি বলেন, ইচ্ছে ছিল নতুন বছরের সূচনা মুহূর্তে অর্থাৎ মধ্যরাতে মেয়ের ছবি দেব। কাঞ্চনও সায় দিয়েছিল। কিন্তু বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে গেল। এসে দেখি মেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। হাসতে হাসতে জানালেন মা নিজেও সাজতে ভালোবাসে। মেয়েকেও তাই মনের মতো করে সাজিয়েছেন। নতুন বছরে মা-বাবার কোলে চেপে বেড়াতে বেরোবে কৃষভি? কোনো সম্ভাবনাই নেই। বড্ড ছোট। আগামী বছরে নিশ্চয়ই আমাদের সঙ্গে উদযাপনে যোগ দেবে।

    মেয়ে বাড়িতে। মা-বাবা যদিও সকাল থেকে বাইরে। সন্তান-পরিবারের মঙ্গল কামনায় ব্যস্ত। শ্রীময়ী বলেন, প্রতি বছর এই দিনে উপোস করে উদ্যানবাটীতে যাই আমরা। শ্রীরাম কৃষ্ণ দেবের আশীর্বাদ নিই, পূঁজা দিই। তার পর দক্ষিণেশ্বরে। সেখানেও পূঁজা দেন তারা, ভোগ খান। সবশেষে কালীঘাট মন্দিরে। ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে সোজা বাড়িতে। বাকি সময় মেয়ের জন্য তোলা। রাতে কবজি ডুবিয়ে পাঠার মাংস আর ভাত।

    নতুন বছরে কোনো নতুন প্রতিজ্ঞা?—এমন প্রশ্নের উত্তরে শ্রীময়ী বলেন, অবশ্যই নিয়েছি। সমস্ত নেতিবাচকতা, এই মানসিকতার মানুষ এবং তাদের কটাক্ষকে আবর্জনার বাক্সে ফেলে সতেজ মন নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব। নিজে ভালো থাকব। সবাইকে ভালো রাখার চেষ্টা করব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হওয়ার মতো গর্ব আর কিছুই হতে পারে না: শ্রীময়ী

    এর আগেও স্ফীতোদরের ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন কাঞ্চনপত্নী অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। তবে সেই ছবি ছিল ঘরোয়া। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার রোজনামচা প্রকাশ পেয়েছিল সেই ছবিতে। 

    কিন্তু এবার সন্তান ধারণের খবর আড়ালে রেখেছিলেন শ্রীময়ী। দীপাবলির আবহে শ্রীময়ী চট্টরাজ ও কাঞ্চন মল্লিকের ঘরে আসে লক্ষ্মী। তারপর থেকে ধাপে ধাপে অন্তঃসত্ত্বা কালের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিচ্ছেন এ তারকা দম্পতি। মাতৃত্বকালীন ফটোশুটও সেরেছিলেন তিনি। তবে তা প্রকাশ্যে আনেনি— সবই তুলে রাখা ছিল অ্যালবামে। পরিকল্পনা ছিল সন্তান কোলে আসার পরেই প্রকাশ্যে আনবেন সেসব অভিজ্ঞতা। অবশেষে মাতৃত্বকালীন ফটোশুটের সেই ছবি প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ।

    পরনে সাদা ফিনফিনে স্যাটিন বস্ত্র। স্পষ্ট স্ফীতোদর। মাথায় বাঁধা বেণী। মুখে মাতৃত্বের জ্যোতি। এভাবেই ধরা দিলেন শ্রীময়ী ফটোশুটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোপন রাখা ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন— জীবনের বহু বিষয়ের জন্য আমি গর্বিত। কিন্তু মা হওয়ার মতো গর্বের আর কিছুই হতে পারে না।

    এর আগেও স্ফীতোদরের ছবি প্রকাশ্যে এনেছিলেন শ্রীময়ী। তবে সেই ছবি ছিল ঘরোয়া, খানিক এলোমেলো। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার রোজনামচা প্রকাশ পেয়েছিল সেই ছবিতে। কিন্তু মঙ্গলবার প্রকাশ্যে আনা ছবি শ্রীময়ী তুলেছেন পরিপাটি হয়ে।

    অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার যন্ত্রণার কথাও বলেছেন শ্রীময়ী। অভিনেত্রী বলেন, এ এক দীর্ঘ সফর। টানা ৯ মাসের সফর। বহু আবেগের মুহূর্ত রয়েছে। শারীরিক দিক থেকেও ওঠাপড়া লেগে থেকেছে। আমার মধ্যে এক ছোট্ট প্রাণ নড়েচড়ে উঠত। এই অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ।

    শ্রীময়ী ও কাঞ্চন মেয়ের নাম রেখেছেন কৃষভি। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর শ্রীময়ী হাসপাতাল থেকে বলেছিলেন— মেয়ে ভালো আছে। আমিও ভালো আছি। তবে ধকল গেছে একটু। তাই ক্লান্তি রয়েছে। এ-ও জানিয়েছেন তিনি— খুশিতে আত্মহারা কাঞ্চন। কালীপূজার পরেই বাড়িতে কন্যাসন্তান! বিধায়ক-অভিনেতার মতে, দেবীই কন্যা রূপে এসেছেন তার ঘরে। তবে কার মতো দেখতে হয়েছে, এখনই বুঝতে পারছেন না নতুন মা-বাবা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের ৮ মাসে মা হওয়া নিয়ে কটাক্ষ, জবাবে যা বললেন শ্রীময়ী

    চলতি বছরের মার্চের ২ তারিখে মহা ধুমধাম করে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সাত পাক ঘুরেছেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। অবশ্য আইনি বিয়েটা ১৪ ফেব্রুয়ারি সেরে ফেলেছিলেন দুজনে। তবে বিয়ের ৯ মাস পূর্তির আগেই জীবনের সেরা উপহার পেয়েছেন এই তারকা দম্পতি। 

    শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী।

    মেয়ের বয়স সবে তিন দিন! এখনও মেয়েকে নিয়ে শ্রীময়ীর ঠিকানা ভাগীরথী নেউটিয়া হাসপাতালের কক্ষ। হাতে স্যালাইনের চ্যানেল এখনও খোলা হয়নি। কিন্তু সব যন্ত্রণা মেয়ের হাসি মুখ দেখে সইছেন শ্রীময়ী। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই মা হলেন তিনি। 

    তবে আইনি বিয়ের মাত্র সাড়ে ৮ মাস যেতে না যেতেই অভিনেত্রীর মা হওয়ার খবর নিয়ে শুরু করেছে নানান কাটাছেঁড়া। 

    যদিও শ্রীময়ী-কাঞ্চনের বিয়ের তারিখ আর সন্তানের জন্মের তারিখ নিয়ে অঙ্ক কষতে শুরু করেছে নেট দুনিয়ায়। শিশু কন্যাকে ঘিরে কটাক্ষ-ট্রোলিং চলছে সামাজিক মাধ্যমে। তবে সেইসব নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন শ্রীময়ী। 

    তিনি বলেন, আমার জীবনের সবটাই খোলা খাতার মতো। যখন যেটা হয়েছে সব জানিয়েছি। এখন শুধু মেয়েটাকে নিয়ে ভালোভাবে বড় করতে চাই।

    এদিকে ব্যক্তিগত জীবনটা আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন কাঞ্চন। বরের আর পরিবারের বড়দের কথা মেনে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর গোপনে রেখেছিলেন শ্রীময়ী। তার কথায়, সাত মাস পর্যন্ত শুটিং করেছেন তিনি। কাউকে টেরও পেতে দেননি প্রেগন্যান্সির বিষয়ে। মা হওয়ার পর কতখানি বদলেছে শ্রীময়ীর জীবন? তার কথায়, মেয়ের ঘুম ভেঙে যাওয়ার ভয়ে এখন আস্তে আস্তে কথা বলেন। আর সারাক্ষণ অপলক দৃষ্টিতে মেয়ের দিকেই তাকিয়ে থাকেন। তিনি বললেন, ‘মনে হচ্ছে চোখের সামনে একটা তুলোর পুতুল শুয়ে আছে’।

    মেয়েকে প্রথমবার কোলে নেওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শ্রীময়ী বললেন, আমি ওকে হাত নেড়ে হ্যালো বলেছি। 

    বউয়ের এই কীর্তি দেখে হেসেখুন কাঞ্চন। তিনি জানান, আরে তুই ওর মা রে। হ্যালো বলছিস কী! বউয়ের সঙ্গে সারাক্ষণ কেবিনেই রয়েছেন কাঞ্চন। আর বাবার গলা শুনলেই গোল গোল চোখ করে তাকাচ্ছে মেয়ে। 

    শ্রীয়মী আরও জানিয়েছেন, গত শনিবার চিকিৎসকের কাছে চেকআপের জন্য গিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ করেই সিজার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। 

    বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ্যে এনে গত রোববার সামাজিক মাধ্যমে শ্রীময়ী লেখেন, এটা লম্বা একটা সফর, টানা ৯ মাসের জার্নি। বহু আবেগঘন মুহূর্ত রয়েছে। শারীরিক দিক থেকেও ওঠাপড়া লেগে থেকেছে। আমার মধ্যে এক ছোট্ট প্রাণ নড়েচড়ে উঠত। এই অনুভূতি সত্যিই অসাধারণ। 

    ‘অবশেষে সেই অপেক্ষা শেষ, আমার পরী এখন আমার সামনে, ওকে নিজের চোখে দেখার পরে বুঝেছি, সেই সব যন্ত্রণা, আবেগের ওঠাপড়া এই আনন্দের কাছে কিছুই না’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাঞ্চনের বাবা হওয়ার খবরে যা বললেন তার সাবেক স্ত্রী

    চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন টালিগঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। তবে বিয়ের মাত্র ৮ মাসের মাথায় ৫৪ বছর বয়সে ফের সন্তানের বাবা হলেন এই অভিনেতা। 

    গত শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তার স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ।

    তাদের সন্তানের নাম রাখা হয়েছে কৃষভি। ভগবান কৃষ্ণের আরেকটি নাম কৃষভি। যার অর্থ হল কালো (কৃষ্ণের গায়ের রং), দয়ালু, পবিত্র, শুভ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী দুজনেই কৃষ্ণ ভক্ত। তাই পরিকল্পনা মাফিকই মেয়ের নাম রেখেছেন দু’জন। 

    এর আগেও সন্তানের বাবা হয়েছেন কাঞ্চন মল্লিক। দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসারে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে তার। নাম ওশ, বর্তমান বয়স ১০ বছর।

    চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিভোর্স দেন কাঞ্চন। আর ঠিক এক মাস পরেই ১৪ ই ফেব্রুয়ারি আইনি কাগজে সই করে বিয়ে করে নেন শ্রীময়ীর সঙ্গে। এরপর ২রা মার্চ সাত পাক ঘোরেন এই জুটি। অর্থাৎ আইনি বিয়ের আট মাসের মাথায় মা হয়েছেন শ্রীময়ী। 

    সাবেক স্বামীর বাবা হওয়ার খবরে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পিঙ্কি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়কে সদ্যোজাতের প্রতি বুকভরা ভালোবাসা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি আসলে একটু কাজে ব্যস্ত ছিলাম। একটা চিত্রনাট্য পড়ছিলাম। কাঞ্চনের কন্যা সন্তান হয়েছে। এটা খুবই আনন্দের খবর। যে কোনো মানুষ, যে কোনো মা এই খবর পেলে এটাই বলবে- মা আর সন্তান সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক। আমিও তাই-ই বলতে চাই, ওরা যেন ভালো থাকে।

    শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের বয়সের ফারাক বিস্তর। অভিনেতার চেয়ে ২৭ বছরের ছোট তার তৃতীয় স্ত্রী। কাঞ্চনের বর্তমান বয়স ৫৪ বছর। অন্যদিকে শ্রীময়ীর ২৭। তবুও বয়সের বাঁধা হয়নি তাদের সম্পর্কে। বর্তমানে সুখেই রয়েছে এই দম্পতি।

    এদিকে বাবা হওয়ার পরে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই কাঞ্চনের। অভিনেতা বলেন, আমি ছিলাম ওটিতে শ্রীময়ীর পাশে। আই অ্যাম সো সো হ্যাপি (হাসি)। মা লক্ষ্মী এল ঘরে। আমার বাড়িতে কালীপুজা হয়। আজ অন্নকূট, ও মা লক্ষ্মী। সবাই ওদের জন্য প্রার্থনা করুন। যেন মা-মেয়ে ভালো থাকে।

    বিনোদন ডেস্ক