Tag: কলকাতা

  • মিমির বিরুদ্ধে ২ মামলা, ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

    টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মানহানি ও মিথ্যা অপবাদ সংক্রান্ত দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে। বনগাঁ আদালতে এই মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। মামলায় মোট ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ঘটনার সূত্রপাত বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জে যুবক সংঘের একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটি ঘিরে পরবর্তীতে একাধিক অভিযোগ ও পালটা অভিযোগের জন্ম নেয়।

    অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে মিমি চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, তিনি সেখানে হেনস্তার শিকার হন। এই অভিযোগ তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। একই ঘটনায় মিমি বনগাঁ মহকুমা আদালতেও গোপন জবানবন্দি দেন।

    অন্যদিকে, ক্লাব সদস্যরা মিমির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পরে মিমি মঞ্চে আসেন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনার সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় তাকে মঞ্চ ছাড়তে বলা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

    পরবর্তীতে তনয় শাস্ত্রীও বনগাঁ থানায় পালটা অভিযোগ দায়ের করেন। এবার তিনি বনগাঁ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মানহানিসহ দুইটি মামলা করেন। তার পক্ষে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি মামলা পরিচালনা করছেন।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মিমি চক্রবর্তী মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগও তোলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। অনুষ্ঠানের জন্য নেওয়া অগ্রিম ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত চাওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    মানহানির মামলায় মোট ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত মিমি চক্রবর্তী কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, অভিনেতা সোহমের বিরুদ্ধে মামলা

    তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী ও অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। 

    আগামী সপ্তাহে বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ভোটের আগে নিজ দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল শিবির।

    সোহমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ধার নেওয়া টাকা ফেরত দেননি তিনি। এ ঘটনায় শাহিদ ইমাম নামের এক ব্যক্তি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। 

    সোহম চক্রবর্তী চণ্ডীপুরের বিদায়ী বিধায়ক। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দল তার আসন পরিবর্তন করে নদিয়ার করিমপুর থেকে প্রার্থী করেছে।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য শাহিদ ইমামের সঙ্গে সোহমের এক কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী অভিনেতা ৬৮ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ছবিটি নির্মিত হয়নি এবং অভিযোগ অনুযায়ী পুরো টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি। এ অর্থ ফেরত না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শাহিদ।

    এর আগে একই বিষয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন শাহিদ। বাদীর দাবি, টাকা দেওয়ার সময় তিনি যুব তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে ২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে প্রায় দুবছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি সোহমের কাছে ধার করা টাকা ফেরত চান। কিন্তু সেই টাকা আর ফেরত পাননি।

    এর আগে আদালত উভয় পক্ষকে সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে কোনো সমাধান না হওয়ায় পুনরায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহিদ। টাকা চাইতে গেলে তাকে সোহম হুমকিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ বাদীর। 

    এদিকে করিমপুরে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির প্রার্থী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, যিনি লাখ লাখ  টাকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, তিনি নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বাড়বে। মানুষ তাকে ভোট দেবেন না বলেই আমার বিশ্বাস।

    অন্যদিকে তৃণমূলের করিমপুর ২ ব্লকের সভাপতি সৌমেন বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। ভোটের আগে প্রার্থীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই পুরোনো বিষয় সামনে আনা হচ্ছে।
    সূত্র: আনন্দবাজার

    অনলাইন ডেস্ক

  • কলকাতায় একসঙ্গে চঞ্চল-তাসনিয়া ফারিণ

    ঢালিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও তাসনিয়া ফারিণকে একসঙ্গে দেখা গেল কলকাতায়। টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের আমন্ত্রণে তারা উপস্থিত ছিলেন ‘স্বার্থপর’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে।  

    বর্তমানে ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ সিনেমার শুটিং করছেন চঞ্চল চৌধুরী। অন্যদিকে তাসনিয়া ফারিণও রয়েছেন নতুন একটি প্রজেক্টের প্রস্তুতিতে। অতনু ঘোষের ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক হয়েছিল তার। এরই মধ্যে দুজনের কলকাতায় একসঙ্গে উপস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। 

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে হাসিমুখে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, আসলে পুরোটাই কাকতালীয়। আমি জানতাম না ফারিণ এখানে আছে। সেও জানত না আমি এসেছি। তিনি বলেন, আমি টোনিদার (পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী) সঙ্গে মিটিংয়ের জন্য এসেছিলাম, তাসনিয়াও একই কারণে এসেছে। পরে দেখা হয়ে গেল— বেশ মজার এক কাকতালীয় ঘটনা।

    এর আগে অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর ‘ডিয়ার মা’ সিনেমায় কাজ করেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি সম্পর্কভিত্তিক নানা বিষয় নিয়ে একাধিক প্রশংসিত সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তাই এবার চঞ্চল–ফারিণকে নিয়ে সিনেমায় দেখা গেলে তা হবে দুই বাংলার দর্শকদের জন্য বড় চমক।

    তাহলে কি অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এবার একসঙ্গে দেখা যাবে চঞ্চল ও ফারিণকে? এ প্রশ্নে দুজনেই হাসিমুখে বলেন, এখনো কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে কথা চলছে। আশা করি একসঙ্গে কাজ করব।

    চঞ্চল বলেন, ‘টোনিদার সঙ্গে আজ আমরা ব্রাঞ্চ (ব্রেকফাস্ট+লাঞ্চ) করেছি, আসলে সবাই দেরি করে ঘুম থেকে উঠি। তাই ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ দুটোই একসঙ্গে করেছি, নানা বিষয়ে গল্প হয়েছে। তিনিই আমাদের এখানে আসতে বলেছেন, কোয়েলও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এখন ‘স্বার্থপর’ সিনেমাটি দেখার অপেক্ষায় আছি।

    এর মধ্যেই টালিউডে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর পরবর্তী সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যেতে পারে বাংলাদেশের এই দুই তারকাকে। যদিও তারা মুখে কিছু বলেননি, তবু অনেকে মনে করছেন— একই পরিচালকের সঙ্গে একসঙ্গে দেখা হওয়া নিছক কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বানভাসিদের পাশে দেব-প্রসেনজিৎ, ত্রাণ তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে

    দুর্গাপূজার কার্নিভ্যালে উপস্থিত থেকে কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এবার দেব ও টালিপাড়ার অন্য তারকাদের সঙ্গে কাধে কাধ মিলিয়ে উত্তরবঙ্গের বন্যা বিধ্বস্তদের সাহায্যের হাত বাড়ালেন অভিনেতা।

    টালিউডের তারকা ও কলাকুশলীরা মিলে এখন পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের ত্রাণের জন্য ২০ লাখ রুপি সংগ্রহ করেছেন। এই ত্রাণের অর্থ তুলে দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ‘দেবী চৌধুরানী’র বিশেষ প্রদর্শনে উপস্থিত ছিলেন দেবও। এ অনুষ্ঠানেই দেব ও প্রসেনজিৎ একসঙ্গে ঘোষণা করেন ত্রাণের কথা। দুজনেই একজোটে জানান, টালিউডে এক হয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন। ভবিষ্যতেও বাংলার মানুষের প্রয়োজনে ও দুর্দিনে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তারা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন দেব। সেখানে দেখা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের জন্য ত্রাণ সংগ্রহ করছে দেবের সহযোগী দল। সেই সঙ্গে দেবের পোস্টারে লেখা— ‘উত্তরের বন্যায় দেব’। দেব আরও লিখেছেন— উত্তরবঙ্গের এই কঠিন সময়ে আমি পাশে আছি প্রার্থনা করি সবাই সুস্থ থাকুক এবং এই কঠিন সময় খুব তাড়াতাড়ি কেটে যাক। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অনেকেই বলেছেন যে, তারা উত্তরবঙ্গের বিপর্যস্ত মানুষের পাশে থাকবেন।

    অন্যদিকে প্রসেনজিতেও সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে পোস্টের শিরোনাম দিয়েছেন— ‘উত্তরবঙ্গের মানুষের পাশে বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি’। সেই সঙ্গে লেখা— আমরা উত্তরবঙ্গের তীব্র কান্না অনুভব করতে পারি। এই সময়ে আমরা হাতে হাত ধরে আপনাদের যুদ্ধের অংশীদার হওয়ার তাগিদ অনুভব করেছি। কারণ উত্তরবঙ্গের মানুষ ছা়ড়া আমাদের সিনেমা, আমাদের অস্তিত্ব অসম্পূর্ণ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বর্ষীয়ান অভিনেতা লিখেছেন—এই লড়াইয়ের দিনে আমরা উত্তরবঙ্গেই আমাদের মন পড়ে আছে। আমরা ভৌগোলিকভাবে অনেক দূরে থাকতে পারি, কিন্তু মনের দিক থেকে আমরা সবসময় আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের সাহসই আমাদের শক্তি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পূজা উদ্বোধন করতে কোন তারকা কত টাকা নেন?

    আর মাত্র কয়েক দিন পর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। কলকাতায় ইতোমধ্যেই চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। এই উৎসবকে কেন্দ্র তৈরি হয় বহু মানুষের উপার্জনের পথও। সে রকমই একটি বিষয় হলো তারকাদের দিয়ে পূজা উদ্বোধন।

    প্রতি বছরই বিভিন্ন ক্লাবগুলোতে তারকাদের নিয়ে আসা হয় পূজা উদ্বোধন করার জন্য। পর্দার প্রিয় চরিত্রদের দেখতে সেই মণ্ডপে উপচে পড়ে জনগণের ভিড়। কাদের পূজা কত বড় হলো? সেই নিয়ে চলে প্রতিযোগিতা।

    যত নামী তারকা পূজা উদ্বোধন করতে আসবেন, টাকার অঙ্কও ততটাই ভারি হবে।

    কারো পারিশ্রমিক হাজারের ঘরে তো কারো অঙ্কটা লাখের ঘরে পৌঁছায়। পূজা উদ্বোধনে খোঁজ পড়ে বড় থেকে ছোট পর্দার তারকাদের।

    পূজা উদ্বোধন করতে কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তারকারা? শোনা গেছে, পূজা উদ্বোধনে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন কোয়েল মল্লিক। সেই তুলনায় অনেক কম টাকা নিয়ে থাকেন টিভি তারকারা।

    টালিউড কুইন পূজা উদ্বোধন করতে নিয়ে থাকেন বাংলাদেশি টাকায় পৌনে ৭ লাখ টাকা। তার থেকে কিছুটা কম পারিশ্রমিক দাবি করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

    তিনি ধার্য করেন সোয়া ৪ লাখ টাকা। এই একই পারিশ্রমিক দেবেরও। অন্যদিকে মিমি চক্রবর্তী পূজা উদ্বোধন করতে নিয়ে থাকেন সাড়ে ৩ লাখ টাকা।

    শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় উদ্বোধনের জন্য প্রায় সোয়া ৪ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নেন।

    শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে পারিশ্রমিক পৌনে ৩ লাখ টাকা। অঙ্কুশ হাজরাও নাকি পূজা উদ্বোধন করেন পৌনে ৩ লাখ টাকায়। সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন ২ লাখ টাকা। যশ দাশগুপ্তর জন্য প্রায় ২ লাখ টাকা ধরে রাখা যায়।

    এ তো গেল বড় পর্দার অঙ্কটা। ছোট পর্দার তারকারা অর্থাৎ ড্রয়িং রুমের সঙ্গীদের আনতে গেলে কতটা বাজেট রাখতে হবে জানেন কি? যে ধারাবাহিকের টিআরপি যত বেশি তার দর ততটাই। পূজার প্রায় তিন মাস আগে থেকে তারকাদের খোঁজ পড়ে ক্লাবে-ক্লাবে। একসঙ্গে প্রায় ৫০ জন ছোট পর্দার তারকাদের উদ্বোধন কিংবা স্টেজ শো ম্যানেজ করেন একজনই।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘জগদ্ধাত্রী’ অর্থাৎ অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিক পূজা উদ্বোধনের ক্ষেত্রে চার্জ করে থাকেন প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। 

    জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কথা’-র চরিত্রাভিনেত্রী সুস্মিতা দে-র পারিশ্রমিক ৬০ হাজারের ঘরে। অন্যদিকে সাহেব ভট্টাচার্য নিয়ে থাকেন প্রায় ১ লাখ টাকা। বর্তমানে বেঙ্গল টপার ‘রাণী ভবানী’, অর্থাৎ অভিনেত্রী রাজনন্দিনী দত্তর এ বছরের পারিশ্রমিক প্রায় ১ লাখ টাকা। অন্যদিকে এই মুহূর্তের সবচেয়ে আলোচিত জুটি দিতিপ্রিয়া রায় এবং জিতু কামাল নিয়ে থাকেন সোয়া এক লাখ টাকা। 

    শুভস্মিতা মুখোপাধ্যায় পূজা উদ্বোধন করতে নেন ৬০ হাজার। অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তের ক্ষেত্রে অঙ্কটা প্রায় ৭০ হাজার টাকা। পল্লবী শর্মার পারিশ্রমিক ৭০ হাজারের কাছাকাছি। বলে রাখা ভালো এদের মধ্যে সবাই একাধিক পূজা ওপেনিং করে থাকেন। উপরোক্ত পারিশ্রমিকগুলোর পরও টাকার অঙ্ক খানিক কম-বেশি হয়ে থাকে। তা নির্ভর করে শহর থেকে ক্লাবগুলোর দূরত্বের ওপর। এ বছরের বুকিং মোটামুটি শেষ হয়ে গেলেও পরের বছরের প্রস্তুতি শুরু করে দিতে পারে‍ন এখন থেকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশি মডেল শান্তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে কলকাতা পুলিশ

    বাংলাদেশি মডেল শান্তা পালের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে। গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কলকাতার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ অভিযোগপত্র পেশ করা হয়। মামলাটি পরিচালনা করছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অপরাধ দমন বিভাগ।

    মডেল শান্তা পাল গত কয়েক বছর ধরে কলকাতার গলফ গ্রিন এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। গত জুলাই মাসে একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানকার একটি ফ্ল্যাট থেকে শান্তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, শান্তা পাল, সৌমিক দত্ত ও শেখ মুমতাজউদ্দিনকে আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত কারাগারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি কৌঁসুলি অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, শান্তা পালের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, জালিয়াতি, অভিবাসন আইন এবং প্লেয়ার্স আইনের আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে শান্তার জন্য ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথিপত্র, যেমন— আধার কার্ড, ভোটার আইডি ও প্যান কার্ড তৈরিতে সহায়তা করার অভিযোগে সৌমিক দত্ত এবং শেখ মুমতাজউদ্দিন নামে আরও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। 

    তবে এদিন তাদের ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অন্যদিকে শান্তাকে কারাগার থেকে সরাসরি আদালতে আনা হয় বিচারক অতনু মণ্ডলের এজলাসে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • কলকাতায় দুই বাংলার তারকাদের মিলনমেলা

    ভারত-বাংলাদেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক যতই টানাপোড়েনপূর্ণ হোক, দুই বাংলার সিনেমা ও তারকাদের বন্ধন যেন তাতে অটুটই থাকে—সেই প্রমাণ রাখলেন ঢালিউড ও টালিউড তারকারা। সম্প্রতি কলকাতায় অনুষ্ঠিত এক বিশেষ পার্টিতে একসঙ্গে দেখা গেল শাকিব খান, জয়া আহসান, শুভশ্রী গাঙ্গুলি ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে।

    এই পার্টির আয়োজক ছিলেন এসভিএফ-এর কর্ণধার মহেন্দ্র সোনি ও শ্রীকান্ত মোহতা। ‘তাণ্ডব’ সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফী শুটিংয়ের কাজে বেশকিছুদিন ধরে ভারতে রয়েছেন। পার্টিতে শাকিব-জয়ার সঙ্গেও তিনিও ছিলেন।

    ‘তাণ্ডব’ সিনেমাতে শাকিব খানের বিপরীতে দেখা যাবে জয়া আহসানকে। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এ সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে আসন্ন ঈদে। ছবিতে আরও রয়েছেন সাবিলা নূরসহ একঝাঁক তারকা। ইতোমধ্যে টিজার প্রকাশ পেয়ে দর্শকমহলে সাড়া ফেলেছে।

    আরও পড়ুন

    জয়া আহসান বর্তমানে টলিউড নির্মাতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘অর্ধাঙ্গিনী ২’ সিনেমার কাজ নিয়েও ব্যস্ত। সেই সূত্রে তিনিও রয়েছেন কলকাতায়। পার্টিতে তাদের সঙ্গেই ছিলেন শুভশ্রী ও শ্রাবন্তী, যারা আগে শাকিবের সঙ্গে কাজ করেছেন। 

    ঘরোয়া এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, রাজ চক্রবর্তী, গৌরব চট্টোপাধ্যায় এবং অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়।

    সিনেমা যেখানে সেতুবন্ধন, সেখানে দুই বাংলার তারকাদের এমন মিলন দুই দেশের দর্শকের কাছেও এক ইতিবাচক বার্তা হয়ে উঠেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতে স্থায়ী হতে চান বাংলাদেশের এই তারকারা!

    সত্তর, আশি কিংবা নব্বই দশকে কলকাতার শিল্পীরা ঢাকায় এসে কাজ খুঁজতেন। কারণ সেখানকার ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা তখন ছিল খুবই করুন। এছাড়া ওই সময় বাংলাদেশী সিনেমার বাজারও ছিল বেশ রমরমা। তাই বাধ্য হয়ে ক্যারিয়ার বাঁচাতে ঢাকামূখী হতেন তারা। 

    একবিংশ দশকের দিকে পরিস্থিতি ঘুরে যেতে থাকে। ঢাকাই সিনেমা বাজার হারাতে শুরু করে, অন্যদিকে কলকাতা জমজমাট হয়ে উঠে। সময়ের পরিক্রমায় ঢাকা ও কলকাতা- দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাই এখন খুব একটা সুবিধার নয়। তবু গত দুই বছর ধরে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আর এই চেষ্টায় ‘মধু’ খেতে হাজির হচ্ছেন কলকাতার শিল্পীরা। 

    কলকাতায় যাদের কাজ নেই, তারাই এখন ঢাকায় এসে নিজেদের আসন গড়ার চেষ্টা করছেন। উদাহরণস্বরুপ, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই সিনেমায় কাজ করেছেন কলকাতার ইধিকা পাল, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, কৌশানী মুখার্জী, সায়ন্তিকা, দর্শনা বণিকসহ অনেকে। এদের অনেকেরই এখন কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতে তেমন ব্যস্ততা নেই। বলা যায়, বাংলাদেশী সিনেমা দিয়েই নিজেদের ক্যারিয়ারে ‘ইউটার্ণ’ ঘটাতে চাচ্ছেন। অবশ্য, এরমধ্যে কয়েকজন সফলও হয়েছেন। 

    একইভাবে কলকাতার সিনেমায় কাজ করে সেদেশের দর্শক মাতিয়েছেন বাংলাদেশের জয়া আহসান, রাফিয়াত রশীদ মিথিলা, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, অপূর্ব, তাসনিয়া ফারিণ, অপু বিশ্বাসসহ আরও অনেক দেশি তারকা। প্রায় সময় ওপারের বিভিন্ন আয়োজনে এসব শিল্পীদের কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ দেয়া হয় সম্মাননা। দেশের শিল্পীরা বাইরে গিয়ে কাজ করছেন সেটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য গর্বের। দেশের বাইরে শিল্পীদের কাজের বিষয়টি অনেকেই ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। 

    আরও পড়ুন: 

    তবে সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার কাজ করা প্রসঙ্গে দেশের কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে সমালোচনা। এর কারণ, কলকাতায় তারা আগে কাজ করলেও, বর্তমানে সেখানেই স্থায়ী আবাস গড়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন। আর তাতেই এক হাত নিতে শুরু করলেন নেটিজেনরা। তবে এর পেছনেও রয়েছে যথাযথ কারণ। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে এসব শিল্পী সমালোচনার মুখে পড়েছেন। আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতেও কাজের ব্যস্ততা নেই তাদের। বলা যায়, নিজেদের কর্মফল তাদের কোণঠাসা করে দিয়েছে। 

    জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকেই তাদের অনেকেই আড়ালে রয়েছেন। সুযোগ সন্ধানী এসব শিল্পী পেটের তাগিদে কাজের জন্য কলকাতাকেই এখন নিরাপদ ভাবছেন। তাই কাজের সুযোগের পাশাপাশি সেখানে স্থায়ী আবাস গড়ার চিন্তাও করছেন তারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া, অভিনেত্রী ও মডেল সোহানা সাবা।   

    গত বছর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে আড়ালে চলে যান আরিফিন শুভ। ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে এক টাকা পারিশ্রমিকে অভিনয় করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অবশ্য সেজন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশী হয়ে পুরষ্কার হিসাবে পূর্বাচলে প্লটও উপহার দিয়েছিলেন। আওয়ামী সুবিধাভোগী এ নায়ক তাই ছাত্র আন্দোলনেও ছিলেন নীরব ভূমিকায়। বরং ছাত্র আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে সেসময় প্রকাশ্যে এনেছিলেন নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর। ৫ আগস্টের পর থেকে কোনো কাজ তো দুরের কথা, কখনো মিডিয়ার সামনেও আসেননি এ অভিনেতা। 

    তবে আন্দোলন পরবর্তী গোপনে ভারত গিয়ে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করেন তিনি। কলকাতায় সৌমিক সেনের পরিচালনায় ‘জ্যাজ সিটি’ নামের সিরিজটির শুটিং করতে গিয়েই সেখানে স্থায়ী হবার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। বর্তমানে এ অভিনেতা কলকাতায় রয়েছেন। সেখানের একটি সংবাদ মাধ্যমে তিনি নিজেই স্থায়ী হবার বিষয়টি স্বীকার করেন। 

    এসময়  নিজেকে একজন অরাজনৈতিক মানুষ হিসাবে দাবি করে শুভ বলেন, ‘সচেতনভাবেই আমি একজন অরাজনৈতিক মানুষ। অভিনয় ছাড়া কিছু করি না। কোনো ব্যবসা নেই, ব্যাকআপ নেই। যদি সত্যি সত্যি সমস্যায় পড়তাম, তাহলে কলকাতার বসে সাক্ষাৎকার দিতে পারতাম না।’ এদিকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এ অভিনেতার  ‘নীলচক্র’, ‘নূর’, ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’, ‘লহু’ নামের সিনেমাগুলো। 

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই দলটির সমর্থক শিল্পীরা চাপের মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম আরও এক অভিনেত্রী সোহানা সাবা। তিনি আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। দলের হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বহুল সমাালোচিত ‘আলো আসবেই’ নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য ছিলেন তিনি। ছাত্র আন্দোলন দমাতে আওয়ামী সুবিধাভোগি শিল্পীদের নিয়েই ভার্চুয়াল এ গ্রুপটি খোলা হয়েছিল। যেখানে ছাত্রদের গায়ে গরম পানি ঢেলে দেয়ার মত ভয়াবহ পরিকল্পনাও করা হয়। পট পরিবর্তনের পর এ অভিনেত্রীও রয়েছেন বিপাকে। এরইমধ্যে তার নামে হয়েছে হত্যা চেষ্টার মামলা। 

    তবে এখনোও আড়ালো থাকা এ শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে সরব। তিনিও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন দেশ ছাড়ার। স্থায়ী হতে চাচ্ছেন কলকাতায়। সেখানেই কাজের সুযোগও খুঁজছেন তিনি। কলকাতার নির্মাতাদের দৃষ্টি কাড়তে তাদের প্রশংসা করে কিছুদিন আগেই গণমাধ্যমে সাবা জানান, তিনি কলকাতার সিনেমার অন্ধ ভক্ত। সেখানে কাজের সুযোগ চান। কাজ পেলে সেখানেই স্থায়ী হবেন। 

    অন্যদিকে ঢাকার চেয়ে কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতেই বেশি ব্যস্ত নুসরাত ফারিয়া। এ অভিনেত্রীও ছাত্রআন্দোলন পরবর্তী সময় থেকে বেশ চাপে রয়েছেন। সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ‘মুজিব’ সিনেমার শেখ হাসিনার চরিত্রে রূপদানকারী এ অভিনেত্রীকে। ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি দেশ ত্যাগ করেন। আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে বিদেশে বসে সামাজিক মাধ্যমে উত্তাপ ছড়িয়েছিলেন তার স্বল্পবসনা ছবি দিয়ে। দলের সুবিধা ভোগ করা এ শিল্পীও গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গোপনে দেশে ফেরেন। এরপর প্রায় কয়েকমাস ছিলেন ঘরবন্দী ও মিডিয়ার আড়ালে। তবে গত ঈদুল ফিতরে তার অভিনীত একটি সিনেমা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও, সমালোচিত এ নায়িকার কারণে সে সিনেমার কপালেও জোটে ফ্লপ তকমা। 

    এদিকে আর কোনো কাজেও তিনি যুক্ত হতে পারছেন না। স্বাভাবিকভাবেই তার নজরও এখন কলকাতার দিকেই। কাজের ব্যস্ততা বাড়লে সেখানেই হতে পারেন স্থায়ী। এক সাক্ষাৎকারে দেশীয় নির্মাতার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে জানান, দেশের নির্মাতারা তাকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেননি। সে তুলনায় কলকাতার নির্মাতাদের এগিয়ে রেখেছেন এ অভিনেত্রী।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পীদের ‘ঘাড়ধাক্কা’ দিয়ে বের করতে বললেন ভারতীয় উপস্থাপিকা

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতের কিছু গণমাধ্যম বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশকে ঘিরে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়াতে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘রিপাবলিক বাংলা’, যার একাধিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিষয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিতর্কিত বক্তব্য উঠে এসেছে।

    চ্যানেলটির প্রধান উপস্থাপক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সাম্প্রদায়িক উসকানি ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এবার নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন চ্যানেলের আরেক উপস্থাপিকা স্বর্ণালী সরকার।

    ‘সোজাসুজি স্বর্ণালী’ নামের একটি সেগমেন্টে উপস্থাপিকা দাবি করেন, বাংলাদেশের অনেক অভিনয়শিল্পী বর্তমানে ভারতে বসবাস ও কাজ করছেন এবং তার ভাষায়—‘তারা এখানে নাম, যশ আর অর্থ কামিয়ে নিয়ে নিজেদের দেশের প্রতি ন্যূনতম দায়বদ্ধতাও দেখাচ্ছেন না।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভারতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে এ শিল্পীরা নীরব কেন?

    কাশ্মীরে হামলার ঘটনা তুলে ধরেন তিনি বলেন, ভারতে এত বড় নারকীয় ঘটনার পরেও কোনো নিন্দা জানাচ্ছেন না ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পীরা! তারা শুধুমাত্র নিজেদের লাভ খুঁজছেন। কাজের বেলায় কাজি কাজ ফুরালে পাজি। তারা শুধু নিজেদের কার্য উদ্ধারের করার জন্য বসে আছেন। সেসব অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ‘ঘাড়ধাক্কা’ দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত।’

    তিনি আরও দাবি করেন, এসব বাংলাদেশি শিল্পীদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মেধাবী শিল্পীরা কাজ হারাচ্ছেন। বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা, দুর্গাপুরের অনেক প্রতিভাবান শিল্পীরা বেকার হয়ে পড়ছেন। তাই পাকিস্তানি শিল্পীদের মতো বাংলাদেশি শিল্পীদেরও বয়কট করার আহ্বান জানান তিনি।

    ভিডিওটিতে সরাসরি বাংলাদেশি অভিয়শিল্পীদের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘জয়া আহসান, মিথিলা, বিদ্যা সিনহা মিম, অপু বিশ্বাস, এমনকি শাকিব খানও ভারতে কাজ করছেন, অথচ তারা ভারতের বিষয়ে কিছু বলেন না।’ একই সঙ্গে ওপার বাংলার শিল্পী স্বস্তিকা মুখার্জি, সোহিনী সরকার ও ইমন চক্রবর্তীর নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    উপস্থাপিকার মন্তব্যটি ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে এবং দুই বাংলায় শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই একে বিদ্বেষপ্রসূত ও শিল্প সংস্কৃতির পরিসরে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই দশক পর মুখোমুখি হবেন শাহরুখ-প্রিয়াংকা

    আজ সন্ধ্যায় ইডেন গার্ডেনসে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। পর্দা ওঠা দিনে রাত ৮টায় লড়বে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। 

    এর মধ্যেই শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরে এসে পড়েছেন বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খান। এদিন কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন বাদশাহ। তার সঙ্গে দেখা মেলে ম্যানেজার পূজা দাদলানির।

    ইডেন গার্ডেনসে আজ শাহরুখ খান ছাড়াও সালমান খান, ভিকি কৌশল, শ্রদ্ধা কাপুর এবং সঞ্জয় দত্তের মতো বলিউডের সবচেয়ে বড় তারকাদের। জানা গেছে, অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়াও নাকি থাকতে পারেন এ অনুষ্ঠানে।

    এদিকে আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হয়েছে নানান জল্পনা। যদিও বলিপাড়ায় কিং খান সম্পর্কে প্রায় কোনো কেচ্ছা-ই শোনা যায় না। একপ্রকার নিষ্কলঙ্ক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন তার। তবে একসময় শাহরুখ-প্রিয়াংকার সম্পর্ক নিয়ে বলিপড়ায় নানান গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। সে কথা কারোরই অজানা নয়।

    প্রিয়াংকা এখন মার্কিন মুলুকের বাসিন্দা। নিক জোনাসকে বিয়ে করে সুখেই ঘরকন্না করছেন। বলিপাড়ায় একসময় সেভাবে কাজ না পেয়ে পিগি চপস ক্যারিয়ারও গড়েছিলেন হলিউডেই। তবে খোদ কিং খানের সঙ্গে যার নাম জড়িয়েছিল, সেই প্রিয়াংকার আইপিএল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকার খবরে তাই চর্চা তো হবেই। 

    দীর্ঘ ২০ বছরে আর মুখোমুখি হতে দেখা যায়নি শাহরুখ-প্রিয়াংকাকে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন—তবে কি প্রায় দুই দশক পর তিলোত্তমার হাত ধরেই আরও একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন শাহরুখ-প্রিয়াংকা? তবে সবটাই এখনো জল্পনা। আদপে কী ঘটতে চলেছে তা ক্রমশ প্রকাশ্য। সবটাই জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়।

    এদিকে আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে পারফর্ম করার কথা রয়েছে অরিজিৎ সিং, শ্রেয়া ঘোষাল, করণ আউজলার মতো নামি গায়ক-গায়িকাদের। অনুষ্ঠান মঞ্চে দেখা মিলতে পারে দিশা পাটানি, শ্রদ্ধা কাপুর ও বরুণ ধাওয়ানকেও। তাই আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে ক্রমশই উত্তেজনার পারদ চড়ছে।

    বিনোদন ডেস্ক