Tag: কনটেন্ট ক্রিয়েটর

  • মৃত্যুকে ভয় পাই না, আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম

    দেশের আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। নানা ইস্যুতে প্রায়ই তিনি আলোচনায় থাকেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সাংবাদিকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সেই তালিকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমেরও নাম আছে। 

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রোববার (২৬ জুলাই) অভিযোগটি জমা দিয়েছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ) নামের একটি সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস।  এদিন দুপুরে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়। 

    তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন হিরো আলম। 

    তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে হিরো আলমকে দমানো যাবে না। এমনকি সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। 

    সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিরো আলম বলেন, ‘আমি সারা জীবন আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এর জন্য বহুবার হামলার শিকার হয়েছি, মারও খেয়েছি। অথচ এখন আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অনেক দিন ধরেই একটি মহল আমাকে হত্যা ও সম্মানহানির চেষ্টা করছে।’ 

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘যারা আমার নামে মামলা করেছেন, তারা যদি সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করতে বাধ্য হব। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। এক হিরো আলম চলে গেলে কিছুই হবে না।’ 

    নিজেকে জুলাই যোদ্ধা দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আন্দোলনের দুই বছর পর হঠাৎ করে আমার নাম কেন মনে পড়ল? এতদিন কোথায় ছিলেন? আমি আন্দোলনের সময় ছাত্রদের পাশে ছিলাম। আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা। এখন প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ-মামলা দেওয়া হচ্ছে।’ 

    আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে কখনো সম্পৃক্ত ছিলেন না দাবি করে হিরো আলম বলেন, ‘একটা পোস্ট দেখাতে পারবেন, যেখানে আমি আওয়ামী লীগের হয়ে ভোট চেয়েছি বা প্রচারণা চালিয়েছি? আমি বরং সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এটাই কি আমার অপরাধ?’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনা পাচ্ছেন বিশেষ সম্মাননা

    লিভারজনিত জটিলতায় গত মাসে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেশের তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। তার এ অকাল প্রয়াণে শোকে স্তব্ধ হয়েছিল শোবিজ অঙ্গন। এবার তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফরম চরকি তাকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। 

    প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘চরকি কার্নিভ্যাল’। এ আয়োজনে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে চরকিতে মুক্তিপ্রাপ্ত কনটেন্টগুলো থেকে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে। সেই অনুষ্ঠানেই প্রয়াত কারিনা কায়সারকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হবে। 

    এরই মধ্যে সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগের (২০২৪) মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে ‘৩৬-২৪-৩৬’ ওয়েব ফিল্মের জন্য বেস্ট অ্যাক্টরের (ফিমেল) মনোনয়ন পেয়েছিলেন কারিনা। তবে প্রয়াত কারিনার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তাকে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ প্রসঙ্গে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি বলেন, ‘কারিনার অসাধারণ সব কাজ রয়ে গেলেও, তিনি আজ সকল প্রতিযোগিতার উর্ধ্বে। তাই প্রয়াত কারিনা কায়সারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে এই বিভাগে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। তার অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে আমরা তাকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চাই।’ 

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের মনোনয়ন পেয়েছে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘তুফান’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’। 

    এছাড়া সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সিরিজ, গানসহ বিভিন্ন বিভাগে ভোট দিতে চরকির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের কনটেন্ট বা শিল্পীকে ভোট দিতে পারবেন সাবস্ক্রাইবাররা। ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণও শুরু হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর পর যে ছবি প্রকাশ করতে বলেছিলেন কারিনা কায়সার

    ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে মারা গেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। তার এই অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

    কারিনার মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে তার একটি বিশেষ ছবি। ছবিটি প্রকাশ করেছেন উপস্থাপক রুম্মান রশীদ খান। রুম্মান জানান, জীবিত থাকতেই কারিনা তাকে বলেছিলেন—মারা গেলে যেন এই ছবিটিই প্রকাশ করা হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করে এর সঙ্গে কারিনার একটি সাদাকালো ছবি জুড়ে দিয়েছেন রুম্মান। আর এ নিয়েই এখন চলছে আলোচনা। 

    ছবিটি শেয়ার করে রুম্মান রশীদ খান লেখেন, তিনি যখন ছবিটি সাদাকালো এডিট করে হোয়াটসঅ্যাপে কারিনাকে পাঠিয়েছিলেন, তখন কারিনা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেছিলেন, ছবিটি খুব সুন্দর হয়েছে এবং তাকে ‘নায়িকা নায়িকা’ লাগছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও বলেছিলেন, তার মৃত্যুর পর যেন এই ছবিটিই প্রকাশ করা হয়। কারিনা কায়সারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে ছবিটি প্রকাশ করেন রুম্মান রশীদ খান। 

    সাদাকালো ছবিটিতে কারিনাকে হাসিমুখে দূরে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। 

    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এ নিয়ে অনেকেই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। 

    উল্লেখ্য, লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনাকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখলেন ফখরুলকন্যা শামারুহ মির্জা

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের শোবিজ অঙ্গনে। ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। 

    এরপর থেকেই তাকে নিয়ে নির্মাতা, সহকর্মী ও অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর শোকপ্রকাশ করছেন। কারিনাকে নিয়ে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ড. শামারুহ মির্জা। 

    শনিবার (১৬ মে) কারিনার একটি ছবি শেয়ার করে শামারুহ লিখেছেন, ‘কারিনা, তুমি ওপারে শান্তিতে থেকো। তুমি কত সুন্দর ও অসাধারণ একজন মানুষ ছিলে। আল্লাহ তোমাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং যারা তোমাকে ভালোবাসতেন তাদের সবাইকে ধৈর্য ও শক্তি দিন।’ 

    এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কাজ নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথাও প্রকাশ করেন শামারুহ। 

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি যখন প্রথমবার তোমার রিলসগুলো দেখেছিলাম, তখন সত্যি খুব মুগ্ধ হয়েছিলাম যে এত কম বয়সি একটি মেয়ে কীভাবে কমেডি আর ব্যঙ্গাত্মক রসবোধকে এমন একটা শিল্পে রূপ দিতে পারে। তুমি কত মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছ এবং এমন এক প্রভাব রেখে গেছ যা হয়তো তুমি নিজেও পুরোপুরি বুঝতে পারোনি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর পর কুরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে শামারুহ লেখেন, ‘নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তারই দিকে ফিরে যাব।’ 

    এছাড়াও তার ওই পোস্টের শেষাংশে ‘যারা নোংরা কমেন্ট করবে, প্রত্যেকটির স্ক্রিন শট নেওয়া হবে’ বলেও সতর্কবার্তা দেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। 

    চিকিৎসার শেষ মুহূর্তের ব্যাপারে কারিনার বাবা কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন কিন্তু ওকে আর বাঁচানো গেল না।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃতীয় বিয়ে টিকছে না হিরো আলমের!

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের বাবা মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৯টায় রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।  

    পালক বাবার মৃত্যুর সংবাদটি হিরো আলম নিজেই গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। বাবার পাশে না থাকায় স্ত্রী ও মডেল রিয়ামনিকে জীবন থেকে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    আবদুর রাজ্জাকের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করলেও রিয়ামনির বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

    রিয়ামনির বিষয়ে হিরো আলম ফেসবুকে লিখেছেন, রিয়ামনিকে আমার জীবন থেকে বয়কট করলাম। কারণ আমার বাবা হসপিটালে। সে আমার বাবার কাছে না থেকে বিভিন্ন ছেলেদের নিয়ে নাচগান করে বেড়ায়।  আমার বাবা হসপিটালে ভর্তি।  তার পরিবারে কোনো সদস্য আমার বাবাকে কোনদিন দেখতে আসেনি।

    তিনি আরও লিখেছেন, আমার বাবা বেঁচে থাকতে দেখতে আসলো না। তাহলে আমি পড়ে থাকলে সে কি করবে?

    হিরো আলম আরও উল্লেখ করেন, রিয়ামনি ঢাকা শহরে বিভিন্ন বারের ডান্সার। সেখান থেকে আমি একটা ভালো পথে আনার চেষ্টা করেছিলাম। ছেড়ে দেওয়া গরু কোনদিন ঘরে বন্দি করে রাখা যায়?

    এদিকে হিরো আলমের মন্তব্যের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রিয়ামনি। হিরো আলমের ফেসবুক পোস্টের কথা শুনেছেন জানিয়ে রিয়ামনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উনি (হিরো আলম) মানসিকভাবে ঠিক নেই উনি। যেহেতু উনার বাবা মারা গেছেন। সত্য কথা বলতে কী- এই বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই।’

    দুপুরের দিকে ফেসবুকেও হিরো আলমকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন রিয়ামনি। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা যেহেতু বিনোদনের মানুষ দেশের মানুষ আমাদের থেকে শুধুই বিনোদন চায়। তাই আমি চাচ্ছিলাম না পার্সোনাল বিষয় নিয়ে মিডিয়ার সামনে আসতে। কিন্তু আলম যে বাড়াবাড়ি শুরু করেছে তাতে আর পারছি না।

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়ামনির প্রেমে পড়েছিলেন হিরো আলম। সে কারণেই দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল নুসরাত জাহান হিরো আলমকে ডিভোর্স দেন। পরে হিরো আলম রিয়ামনিকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন হিরো আলম।

    এরআগে ২০১০ সালে সাদিয়া বেগম সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় হিরো আলমের। সেই সংসারে আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে ও আবির নামে একটা ছেলে সন্তান রয়েছে তার। ২০১৫ সালের দিকে কমেডিয়ান হিসেবে ফেসবুকে ডেব্যু হয় হিরো আলমের।

    ২০১৯ সালের ৬ মার্চ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার হন হিরো আলম। পরে ৭ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সুমিকে মারধরের অভিযোগে ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন তার (হিরো আলম) শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

    ওই বছরের ১৯ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হিরো আলম। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিপরীতে তার জামিন মঞ্জুর করেন বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। তবে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছড়ির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারের বর্ষসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন যারা

    বাংলাদেশি ক্রিয়েটরদের ডিজিটাল কনটেন্ট এবং তাদের ব্যতিক্রমী সব কাজ তুলে ধরছে টিকটক প্ল্যাটফর্ম। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো এ সংক্রান্ত আয়োজন ‘টিকটক ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ডস ২০২৪’। 

    আয়োজনে চলতি বছর দশটি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৪ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ আয়োজনের জন্য টিকটক অ্যাপের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ চলে। ইউজারদের ভোটের ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয় বিজয়ী ক্রিয়েটরদের। 

    এবার মূল আকর্ষণ ‘ক্রিয়েটর অফ দ্য ইয়ার’ হয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নাদির। এছাড়া সেরা ভিডিওর জন্য পুরস্কার পেয়েছেন গুলফাম শাহানা জানা। সেরা ফ্যাশন ক্রিয়েটর হামজা খান শায়ান এবং সেরা ট্রাভেল ক্রিয়েটর মি. মিক্সার রাশিক। 

    অন্যদিকে শিক্ষামূলক কনটেন্টে পুরস্কার পেয়েছেন স্যাম। সেরা বিউটি ক্রিয়েটর তানিশা তাসনিম। উদীয়মান ক্রিয়েটর রাফসান আহমেদ। ফুড ক্রিয়েটর সোহেব রহমান এবং এন্টারটেইনমেন্ট ক্রিয়েটর সারওয়ার বাঁধন এবং সাদিয়া রোজা। স্পোর্টস ক্রিয়েটর মোহাম্মদ কাওসার বিন মুস্তাফিজ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্যালিকা বউ ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন তৌহিদ আফ্রিদি

    দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন ছিল দেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। তবে সব গুঞ্জনকে ভুল প্রমাণ করে অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন আফ্রিদি। ধারণা করা হয় গত জুলাইয়ের আন্দোলনে নানা বিতর্ক সৃষ্টির পর ঘরোয়া আয়োজনেই চুপিসারে বিয়ে সেরেছেন তিনি। 

    আফ্রিদির বিয়ের খবর চর্চিত হচ্ছে সবজায়গাতেই। বিভিন্ন সূত্রে তার বিয়ের খবর প্রচারিত হলেও এতোদিন এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি। অবশেষে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে শ্যালিকা, বউ ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। 

    তৌহিদ আফ্রিদি জানালেন, তার কাবিন হয়েছে। পারিবারিক আয়োজনে কাবিন হয়েছে। দুই পরিবারের সদস্যরাই তাদের কাবিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    আফ্রিদি বলেন, ‘আমি গাড়িতে বসে শুনি গোপনে বিয়ে করলেন তৌহিদ আফ্রিদি! আরে, বিয়ে তো গোপনে করিনি, আমি বিয়ের ছবি আপলোড দেওয়ার আগে আপলোড হয়ে গেছে। ভেবেছিলাম বাসায় যাব, এরপর সবাইকে বিয়ের খবর জানাব। কিন্তু সে সময় আর কই পেলাম। অনেকেই ছবি পোস্ট করেছে। আসলে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে—এটা সম্পূর্ণ মহান আল্লাহ তাআলাই লিখে রাখেন। কার, কখন, কোথায়, কীভাবে বিয়ে হবে, এখানে কারও হাত নেই। আমি আমার মাকে নিয়ে কনে দেখতে গিয়েছিলাম, পরিবারকে নিয়ে দেখতে গেছি, ওখানেই কাবিন হয়ে গেছে।’

    তৌহিদের স্ত্রীর নাম রামিসা আল রিসা, তার যমজ বোন রাইসা আল রোজা। শুরুতে খবর ছড়ায়, রাইসাকে বিয়ে করেছেন আফ্রিদি। এ প্রসঙ্গে আফ্রিদি বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে, মানুষ আসলে কনফিউজড হয়ে গেছে, তারা তো যমজ বোন। যমজ বোন হওয়ার কারণে আমার শালিকে (শ্যালিকা) অনেকে আমার ওয়াইফ বলা শুরু করেছে। এসব এক দিক থেকে হাস্যকর লাগে।’

    শিগগিরই সবাইকে নিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন আফ্রিদি।  তিনি বলেন, ‘বিয়ে তো একটা দায়িত্ব। সবার কাছে দোয়া চাইব, আমার জীবনটাকে যেন গুছিয়ে রাখতে পারি। আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে সব সময় আপনাদের মাঝে এভাবে ভালোবাসা নিয়ে থাকতে পারি। আমি এখন আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল মাই টিভি নিয়ে ব্যস্ত। উপস্থাপনা করছি। ইউটিউব কনটেন্ট বানানোর কাজ করব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আল্লাহ বাঁচিয়েছে, তৌহিদ আফ্রিদির বিয়ের পর দীঘি

    গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর বেশ চাপে আছেন আলোচিত ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। এত কিছুর মাঝেই হুট করে আফ্রিদির বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এলো। সামাজিক মাধ্যমে বুধবার বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে তার। যেখানে বরের সাজে দেখা যাচ্ছে তাকে।

    কনের বেশে আছেন শ্যালিকা রাইসা। এতে অনেকের ধারণা- বিয়ে করেছেন তৌহিদ আফ্রিদি-রাইসা। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিয়ের যেসব ছবি খবর হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে, সেখানে পাত্রী রাইসা ছিলেন না বলে জানিয়েছে আফ্রিদির পরিবারসহ কনের পরিবার। আফ্রিদির পরিবার জানায়, রাইসার বিয়ে এক বছর আগেই হয়ে গেছে।

    রাইসা ও রামিসা যমজ বোন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাইসা খুব পরিচিত মুখ। তাই সবাই ধরে নিয়েছিল, রাইসাকেই আফ্রিদি বিয়ে করেছেন।  

    এদিকে তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে চিত্রনায়িকা দীঘির প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে অনেক দিন। প্রায় সময়ই তাদের নিয়ে চর্চা হতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    আফ্রিদির বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর গণমাধ্যমকে দীঘি বলেন, ‘আফ্রিদির সঙ্গে আমার কখনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। সে সব সময় আমার ভালো বন্ধু। যাক, আল্লাহ বাঁচিয়েছে। কয়েক দিন পর পর ওর সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে যেভাবে নানা গুঞ্জন হতো, তা নিয়ে বেশ বিরক্ত ছিলাম। অবশেষে একটু শান্তি পেলাম।’

    দীঘি আরও বলেন, আমি যতটুকু জানি- পারিবারিকভাবে কনের বাড়িতেই আপাতত কাবিন হয়েছে। পরে বড় পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে।

    এদিকে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পর্কে আফ্রিদি বলেন, মেয়েকে দেখতে গিয়ে তাদের বাড়িতে বিয়ে করে ফেলেছি। পারিবারিক আয়োজনেই হয়েছে তা। আর সেই আয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বড় পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার অনুষ্ঠান করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন আফ্রিদির শ্যালিকা

    আলোচিত ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি নিয়ে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া বিয়ের খবরটি বিভ্রান্তিকর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিয়ের ছবি ভাইরাল হলেও আফ্রিদির পরিবার ও কনের পরিবার স্পষ্ট করেছে- তিনি রাইসাকে বিয়ে করেননি। রাইসা আফ্রিদির শ্যালিকা।  তিনি জানান, তার যমজ বোন রিসার সঙ্গে আফ্রিদির বিয়ে হয়েছে। এর আগে একটি টিকটক ভিডিওতে আফ্রিদির বিয়ের ছবি প্রকাশিত হলে, রাইসাকে বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে।  এ বিষয়ে 

    আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন আফ্রিদির শ্যালিকা। 

    রাইসা বলেন, দেখুন, আমি আর আমার বোন কেউই টিকটক স্টার না। আমাকে টিকটকে দেখেছে, এমন মানুষও আপনি তেমন খুঁজে পাবেন না। তবে হ্যাঁ, আমি ব্র্যান্ড প্রমোট করি। কিন্তু ২০২৩ বিয়ে এবং এরপর মা হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। আমার পরিবার, স্বামীর পরিবারের একটা ভালো পরিচিতি আছে। এরপরও এমন বুলিং কাম্য নয়।

    যেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এসব করা হয়েছে, সেসবের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন বলে উল্লেখ করে রাইসা বলেন, পরিবারের কিছু ঘনিষ্ঠ মানুষের উপস্থিতিতে কাবিন হয়েছে। আমরা চাচ্ছিলাম, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর সব সামনে আসুক। কিন্তু একটি অ্যাকাউন্ট থেকে বিয়ের বিভিন্ন মুহূর্ত সামনে এসেছে। এরপরই অনেকে ভুল তথ্য দিয়ে সেগুলো ভাইরাল করেছেন। আমরা সেগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে আফ্রিদির বিয়ে নিয়ে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা চর্চা চলছিল ঠিক তখন আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে এসে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, অনলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দেখা গেছে গোপনে বিয়ে করেছি। বিষয়টি তা নয়। বিয়েতে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। শুধুই কাবিন হয়েছে। মূল অনুষ্ঠান তো পরে করা হবে। আর আমি তো দেখতে গিয়ে বিয়ে করেছি।

    তরুণ প্রজন্মের এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানান, তার স্ত্রীর বোন টিকটক করেন। দুজনই দেখতে অনেকটা একইরকম। এ জন্য অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে তার স্ত্রী রামিশাকে টিকটকার মনে করছেন।

    বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি বলেন, মেয়েকে দেখতে গিয়ে তাদের বাড়িতে বিয়ে করে ফেলেছি। পারিবারিক আয়োজনেই হয়েছে তা। আর সেই আয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বড় পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার অনুষ্ঠান করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফাহিম-মাঞ্জিয়ার ঘরে এলো নতুন অতিথি

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিম চৌধুরী ব্যক্তিজীবনে মাঞ্জিয়ার সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে ছিলেন। সেই সম্পর্ক বিয়েবন্ধনে পূর্ণতা পায়। এবার সেই পূর্ণতার অনুভূতি হিসেবে এলো কন্যাসন্তান।

    প্রথমবারের মতো সন্তানের বাবা হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীদের সুখবর দিলেন এ তরুণ প্রজন্মের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফাহিম চৌধুরী। 

    এতে তিনি লিখেছেন— আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহতায়ালা আমাকে একটি জান্নাত দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালার কাছে অশেষ শুকরিয়া। সবাই আমার মেয়ে ও তার মা মাঞ্জিয়ার জন্য দোয়া করবেন।

    তার কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার এ খবর প্রকাশ হতেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। মন্তব্যের ঘরে নানা বার্তায় ভরিয়ে দিচ্ছেন নবজাতককে। একই সঙ্গে দোয়ার বার্তাও রেখেছেন কেউ কেউ।

    এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাহিম ও তার সদ্য জন্ম নেওয়া কন্যার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন ফাহিমের স্ত্রী মাঞ্জিয়া। একমাত্র মেয়েকে কোলে নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত বাবা ফাহিম। সন্তানকে কোলে নিয়ে আবেগে আপ্লুত এবং চোখে আনন্দঅশ্রুও দেখা গেছে তার।

    বিনোদন ডেস্ক