Tag: কণ্ঠশিল্পী

  • মধ্যরাতে বাড়ি ঘেরাওয়ের স্মৃতি সামনে আনলেন ন্যান্সি

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এ কারণে গত ১৬ বছর নানাভাবে বঞ্চিত ছিলেন তিনি। অনেক অনুষ্ঠানে তাকে গান গাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি এ কণ্ঠশিল্পী তার এত দিনে বঞ্চনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন। 

    শুক্রবার ন্যান্সি একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে তিনি বিগত সকরারের আমলে তার ওপর অন্যায় আচরণের কথা তুলে ধরেছেন। 

    তিনি স্ট্যাটাসে লেখেন, ২০১১ সালে প্রজাপতি সিনেমার ‘দু দিকেই বসবাস’ গানটির জন্য আমি সেরা নারী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে মনোনীত হই। এর পুরস্কার প্রদান করা হয় ২০১৩ সালের মার্চ মাসে। 

    আমার বড় কন্যার অসুস্থতার কারণে আমি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারিনি, পরবর্তীতে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমার পুরস্কারটি সংগ্রহ করি। ২০১৩ সালের শেষে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আমি ফেসবুকে ছোট্ট একটি লেখা লিখি, যার সারমর্ম ছিল— শুধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য যারা আওয়ামী লীগ সমর্থন করেন, তাদের সময় এখন ফিরে আসার। সেই সময় বিগত জালিম সরকারের সমালোচনা অনেকেই করেছিল (তখনো কিছুটা স্বাধীনতা অবশিষ্ট ছিল)। কিন্তু রাতারাতি বারুদের মতো আমার লেখনী সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ফল ফেসবুক পোস্টের একদিন পরেই মধ্যরাতে আমার নেত্রকোনার বাড়ি ঘেরাও হয়।

    ন্যান্সির মা বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সভাপতি ছিলেন উল্লেখ করে ন্যান্সি লিখেছেন— আমার মা আমৃত্যু নেত্রকোনা জেলা জাসাসের সভাপতি ছিলেন (২০১২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন)। অথচ পুলিশ ফোর্স জানালো তাদের কাছে গোপন সূত্রে খবর আছে— আমার বাসা নাকি জামায়াত-শিবির জঙ্গির আস্তানা! তারা বাড়ি তল্লাশি করবে। আমি অসম্মতি জানালে এসএসসি পরীক্ষার্থী আমার ছোট ভাইকে তারা তুলে নিয়ে যেতে চাইল। আমার সঙ্গে অনেক বাগবিতণ্ডার পর তারা চলে গেলেন। বাধ্য হয়ে আমি প্রেস কনফারেন্স করলাম। আমি মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচলাম, কিন্তু হয়রানি বন্ধ হলো না। হয়রানির তালিকা লম্বা, অনেকে নিয়শ্চই জানেন। যারা জানেন না, তারা আমার কমেন্ট বক্সে গিয়ে বাংলাভিশনের ইন্টারভিউ দেখে নেবেন।

    গানের শো বাতিল হওয়া নিয়ে এ গায়িকা লেখেন, ২০১৪ সাল থেকে একের পর এক স্টেজ শো বাতিল হতে থাকলো। সিনেমার গান- সে তো স্বপ্ন! আমার প্রায় ৩০ লাখ ফলোয়ার এর ফেসবুক পেজ গায়েব হয়ে গেল যেন আমার কথা মানুষের কাছে না পৌঁছায়! আমার জানামতে ২০১৪ সালে শিল্পীদের মধ্যে ফেসবুকে অর্গানিকভাবে সবচাইতে বেশি ফ্যান-ফলোয়ার ছিল আমার। এমনকি নতুন করে যে ফেসবুক আইডি খুলতাম সেটাই কিছুদিন পর লাপাত্তা হয়ে যেত!

    আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ন্যান্সির জীবন কিভাবে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে তার বর্ণনা দেন। এ প্রসঙ্গে এ গায়িকা লেখেন, ২০১৪ সালে অবৈধভাবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সমর্থক আমার জীবন দুর্বিষহ হয়ে গেল। ততদিনে চেনা মুখগুলো অচেনা হতে শুরু করল। আওয়ামী সমর্থকদের তখন জোর দাবি- শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূ কথা বলা এই আমাকে কেন জাতীয় পুরস্কার দেওয়া হলো? অথচ আমি একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করেছিলাম মাত্র! ওদের ভাব এমন যেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তি আমার অর্জন নয় কিংবা বাংলাদেশ সরকার এই সম্মাননা দেয়নি, স্বয়ং শেখ হাসিনা বুঝি ভিক্ষা দিয়েছেন!

    মানসিক চাপে অস্থির হয়ে ঠিকমতো ঘুমাতে পারতেন না ন্যান্সি। তিনি তার স্ট্যাটাসে জানান, ২০১৪ সালে আর্থিক, মানসিক, সামাজিক, কর্মক্ষেত্রে হেয় প্রতিপন্ন ২৬ বছর বয়সী আমি ভয়ংকর রূপে সাইবার বুলিংয়ের শিকার। বিধ্বস্ত অবস্থায় ঘর- সংসার সব ফেলে নেত্রকোনা চলে গেলাম। ঘুম নেই, খাওয়া নেই, প্রতিদিন পুলিশ ভ্যান বিকাল থেকে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে আর আমি বাসার ছাদে পায়চারি করি। আর নিতে না পেরে ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলাম। শেখ হাসিনার মব বাহিনীর সে কি কুৎসিত উল্লাস!

    নতুন করে লড়াইয়ের শুরু করার প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, মন শক্ত করলাম। নিজেকে বোঝালাম, আমি একজন যোদ্ধা। কাজ খোঁজা শুরু করলাম। বেশিরভাগ জায়গায় অলিখিত ব্ল্যাক লিস্টেড। শো এর সংখ্যা তলানিতে। সে সময় বেশ কিছু গান নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করল স্নেহাশিস ঘোষ। শুরু হলো সিডি চয়েসের ব্যানারে আমার একের পর এক গান মুক্তি পাওয়া।

    কঠিন সময়ের যারা ন্যান্সির পাশে এসে দাঁড়ান, তাদের কথা তুলে ধরে ন্যান্সি লেখেন, ন্যান্সি উইথ স্টারস শিরোনামে দারুণ একটা প্রজেক্ট হলো। আমার দুঃসময়ে সর্বাধিক কাজ করেছি সিডি চয়েসের ব্যানারে। অন্যদিকে এগিয়ে এলো সাউন্ডটেক। আহমেদ রিজভীর সার্বিক পরিচালনায় সাউন্ডটেকের ব্যানারে এলো একক অ্যালবাম ‘ভালোবাসো বলেই’। আমার জীবনের সেরা কাজের একটি নিঃসন্দেহে। এছাড়া গাংচিল মিউজিক, বাংলা ঢোল, রঙ্গন মিউজিক, সিএমভি এর সঙ্গেও অল্প বিস্তর কাজ হয়েছে। করোনা পরবর্তী সময়ে গান গাইলাম প্রো টিউন আর অনুপমেরর ব্যানারে। আবার নামকরা একটি ব্যানার (নাম বলতেও রুচিতে বাঁধে) গান গাইয়ে নামমাত্র সম্মানীও দিয়েছে। আমার অনেক গুণমুগ্ধ নবীনরাও আমাকে ভালো সম্মানী দিয়ে আমার সঙ্গে গান গেয়েছেন এবং এখনো গাইছেন। হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে গান আগের মতো না হলেও অল্প কিছু হচ্ছিল তবে তার কোনোটাই সিনেমার জন্য নয়।

    টেলিভিশনের গান গাওয়া প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, টিভি চ্যানেলগুলোতে কদাচিৎ ডাক পেতাম। সেটাও সম্ভব হত যেসব প্রোগ্রাম প্রডিউসার আমার গান ভালোবাসতেন তাদের বদৌলতে। তবে একটি টিভি চ্যানেল পুরোটুকু সময় আমার উপস্থিতি পর্দায় চলমান রেখেছে- চ্যানেলটির নাম বাংলাভিশন। এমনকি আমার আপন দুই ভাই বাংলাভিশনে কর্মরত।

    সব শেষে ন্যান্সি লেখেন, প্লে ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে আমি বিগত ১১ বছরে ১১টি গান সিনেমার জন্য গেয়েছি বলে মনে পরে না। ফিল্মে আমার সব জনপ্রিয় গান ২০১৪ সাল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। সে কারণেই আমার আর কখনোই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া হয়নি। আমি জোর কণ্ঠে বলতে পারি, হাসিনা বাহিনীর রোষানলে পরা ব্ল্যাক লিস্টেড আমি টিকে ছিলাম এবং টিকে আছি আমার মনোবল ও ভক্ত শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

    এদিকে,আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের ইস্যুতে মুখ খুলেছেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই শিল্পী লিখেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার কিছু নেই। এই দল ডাইনোসর এর মত বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামকরণ করে হয়েছিল মুজিব লীগ। দীর্ঘদিন নির্লজ্জের মত জোর পূর্বক ক্ষমতায় থেকে হয়েছিল সন্ত্রাসী লীগ। পালাব না বলেও পালিয়ে যাওয়া নেত্রী দলের লোকদের ফেলে স্বপরিবারে দেশের অর্থ লুট করে পলায়নের পর এরা হলো এতিম লীগ। করোনা ভাইরাসের মত মিউট্যান্ট হয়ে এখন তারা অনলাইন বট লীগ, জনতার কাছে এরা পতিত লীগ।

    তিনি আরও লিখেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ে এতো কমেডিয়ান নেতৃবৃন্দ এবং তৃণমূলে এতো কুরুচিপূর্ণ নেতাকর্মী আজ অবধি দেখা যায়নি! বিগত ১০ বছরে হাসিনার নেতৃত্বে তার দলের সিংহভাগ লোকের রাজনৈতিক শিস্টাচার তলানিতে ঠেকেছে। আগ্রাসী আচরণের জন্য খুনি ফ্যাসিস্ট মাফিয়া হাসিনার অনুসারীদের সহসাই পুনর্বাসন নয়; বরং রাজনৈতিক পাঠশালায় ভর্তি করে অ, আ, ক, খ শেখানো উচিত।

    অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেছেন তিনি।

    জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এ কারণে গত ১৬ বছর নানাভাবে বঞ্চিত ছিলেন তিনি। অনেক অনুষ্ঠানে তাকে গান গাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি এ কণ্ঠশিল্পী তার এত দিনে বঞ্চনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে কণ্ঠশিল্পী আসিফ, যা বলছে নেটিজেনরা

    ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবাম দিয়ে আসিফ আকবর পরিচিত পান। শুধুই পরিচিতি নয়, প্রথম অ্যালবাম দিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি করেন তিনি। এরপর ভক্ত-অনুরাগীদের অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন এই শিল্পী। দর্শকমহল থেকে পেয়েছেন ভালোবাসা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ শিল্পী বেশ সরব রয়েছেন। 

    সম্প্রতি এক পোস্ট দিয়ে উল্লেখ করেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন জরুরি।’

    আসিফ আকবরের কথায়, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন জরুরি। এতে রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নতি বোঝা যাবে, মানুষও উপকৃত হবে।’

    সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে নেটিজেনদের অনেকেই আসিফের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন। ইমন খান নামে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘এটা ভালো সিদ্ধান্ত। এই কাজটা হলে ভবিষ্যতে স্বজনপ্রীতি থাকবে না।’

    আরেকজনের ভাষ্য, ‘দলের প্রতি অন্ধভক্ত না হয়ে নিজের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করায় আপনার প্রতি ভালবাসা আরও বেড়ে গেল।’ আরাফাত নামে এক নেটিজেন বলেন, ‘আপনার সাহসী কণ্ঠস্বরের জন্য গর্ববোধ করছি। জাতির সাথে যখনই অন্যায় হবে তখনই আপনাদের বলিষ্ঠ কণ্ঠগুলো গর্জে উঠুক।’

    রাকিব আল হাসান নামে একজন আসিফের সঙ্গে সহমত পোষণ করে কমেন্টে লেখেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেন আগে চাই?

    আমরা এখন পর্যন্ত এই অন্তবর্তীকালীন সরকারের কার্যক্রম যতটুকু দেখেছি তাতে খুব ভালো কিছু দেখতে পাইনি। তাই আমরা চাই আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হোক এতে আমরা ও দেশের জনগণ বুজতে পারবে এই অন্তবর্তীকালীন সরকার কতটা নিরপেক্ষ নির্বচন করতে সক্ষমতা অর্জন করেছে। যেহেতু জাতীয় সরকার নির্বাচন একদিনে হবে আর স্থানীয় সরকার নির্বচন কয়েটি ধাপে হবে তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হলে সরকারও বুঝতে পারবেন তাদের কোথায় কি কি ভূল আছে, কি কি গ্যাপ, আছে, কোথায় কোথায় আর কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার। একুই সঙ্গে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসর সেখানে কি ভুমিকা রাখে তাদের বিষয়ে জনগণের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পারবেন।

    তাই সকল বিষয় মাথায় নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হওয়া উচিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গান গাইতে গাইতেই মঞ্চে লুটিয়ে পড়েন সাবিনা ইয়াসমিন

    বিনোদন জগতের সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন পর গানে ফিরেছেন। গতকাল শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন: আমি আছি থাকব’ অনুষ্ঠানে তিনি গান পরিবেশন করেন। এ সময় গান গাইতে গাইতেই মঞ্চে লুটিয়ে পড়লেন এ সংগীতশিল্পী। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আরেক সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার। অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। একই মঞ্চে শনিবারও তার গান পরিবেশন করার কথা ছিল।

    দিঠি আনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, সাবিনা ইয়াসমিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত। অনেক দিন পর আন্টি মঞ্চে গান গাইতে উঠেছিলেন। কিন্তু হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নেওয়া হয়। আন্টি এখন ভালো আছেন। দু-একদিন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থেকে তিনি বাসায় ফিরবেন বলে জানান দিঠি আনোয়ার।

    এদিকে মা সাবিনা ইয়াসমিনের অসুস্থতার জানিয়ে মেয়ে ইয়াসমিন ফায়রুজ বাঁধন বলেন, মায়ের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এখন মা ভালো আছে। কয়েক দিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা শেষে বাসায় নেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ২০২৩ সালের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে একাধিক স্টেজ শো করেন। এরপর আর তাকে মঞ্চের গান পরিবেশনায় পাওয়া যায়নি। এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সড়ক দুর্ঘটনায় কণ্ঠশিল্পী পাগল হাসান নিহত

    সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে সুরমা ব্রিজের কাছে বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে কণ্ঠশিল্পী পাগল হাসানসহ দুজন নিহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    ছাতক থানার ওসি শাহ আলম দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে অটোরিকশাযোগে নিজ উপজেলা ছাতকে ফিরছিলেন পাগল হাসানসহ পাঁচজন। অটোরিকশাটি ছাতকের সুরমা ব্রিজ এলাকায় আসার পর গোবিন্দগঞ্জ থেকে দোয়ারাবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি বাসের সঙ্গে অটোটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পাগল হাসানসহ অটোরিকশার দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত হন অটোরিকশার অন্য তিন যাত্রী। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের নেওয়া হয় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

    ওসি শাহ আলম বলেন, নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একাধিকজন পাগল হাসানের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।

    সামাজিক মাধ্যমে বেশ কয়েকজন তার মরদেহের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এতে সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    পাগল হাসানের সহকর্মীদের অনেকেই প্রকাশ করেছেন শোক। পাগল হাসান সুনামগঞ্জের সন্তান। সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবে সংগীতাঙ্গনে পরিচিতি ছিল তার। শ্রোতাদের মধ্যেও ছিল জনপ্রিয়তা। তার লেখা গান আসিফ আকবরসহ দেশের অনেক জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী গেয়েছেন।

    পাগল হাসানেরও একাধিক শ্রোতাপ্রিয় গান রয়েছে। এর মধ্যে আসমানে যাইও না রে বন্ধু, জীবন খাতা, আমি জ্বইলা মরি উল্লেখযোগ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছাদ থেকে পড়ে আহত কণ্ঠশিল্পী নকুল বিশ্বাস

    মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। নিচে পড়ার পর বেশ কয়েক মিনিট অজ্ঞান থাকায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

    বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। গতকাল রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা ভিডিও ও স্ট্যাটাসে ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারানোর খবর জানান নকুল কুমার নিজেই। 

    তার ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গ্রামের বাড়িতে শিমুল গাছের ডাল কাটতে নিজ-বাড়ির দোতলা ছাদে ওঠেন তিনি। এরপর র্যালিং-এর পাশে দাঁড়িয়ে ডাল কাটার সময় অসাবধানবশত ছাদ থেকে মাটিতে পড়ে যান তিনি। 

    এ সময় শব্দ হলে বাড়ির লোকজন তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চিরনিদ্রায় কণ্ঠশিল্পী হাসিনা মমতাজ

    তন্দ্রাহারা নয়ন আমার, কেন এক বন্দি পাখি, ওই দূরের বলাকা সাঁঝের আকাশে, মন নেবার আগে, সাতটি সাগর পাড়ি দিয়ে, আমার যেন একটু সময় নেই হাতে’র মতো জনপ্রিয় গানের জন্য দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন ষাট-সত্তর দশকের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হাসিনা মমতাজ। 

    না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন হাসিনা মমতাজ (৭৯)।  ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

    ধানমন্ডির জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে রোববার সন্ধ্যা ৬ টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান। ব্যক্তি জীবনে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত রফিকুল ইসলামের সহধর্মিণী। 

    তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সাবেক ডিন এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের মা। 

    বেগম হাসিনা মমতাজ ৬০ এর দশক থেকে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের ছাত্রী ছিলেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। ৬৯-এর গণআন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগীতের মাধ্যমে স্বাধীনতাকামী মানুষকে অনুপ্রেরণা দেন তিনি। কন্ঠসংগীতে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে শিল্পকলা পদক পান তিনি।

    পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর ধানমন্ডি ৬/এ ঈদগাহ মসজিদে শিল্পীর জানাজা হবে।
     

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • দুই আসনে যে দলের হয়ে নির্বাচন করছেন কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস এবার দুই আসন থেকে নির্বাচন করছেন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া বরিশাল-২ আসনেও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তিনি। 

    রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর জেলার কালকিনি, ডাসার ও সদর উপজেলার একাংশ নিয়ে মাদারীপুর-৩ আসন গঠিত। এ আসন থেকে গত ২৭ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি। এদিকে গত ২৯ নভেম্বর তিনি বরিশাল জেলার বানারীপাড়া-উজিরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-২ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন, যা তিনি ৩০ নভেম্বর দুপুরে মাদারীপুর ও বিকালে বরিশালে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    জানা গেছে, কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তার দলীয় প্রতীক গামছা।

    এ ব্যাপারে নকুল কুমার বিশ্বাস জানান, স্থানীয় দলের নেতাকর্মী ও ভক্ত অনুরাগীদের অনুরোধে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে ও এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে মানুষের পাশে থাকবেন। বিগত দিনেও তিনি এলাকার জন্য নিবেদিত ছিলেন, আগামীতেও থাকবেন।

    নকুল কুমার বিশ্বাস ১৯৬৫ সালে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের পূর্ব কলাগাছিয়া গ্রামের এক সংগীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। তার বাবা নাম সুরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং মা মঙ্গলী দেবী। মাত্র ৮ বছর বয়সে যাত্রা দলে শিল্পী হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার সংগীতের ক্যারিয়ার শুরু হয়। সেই থেকে যাত্রাসহ গ্রাম ও শহরাঞ্চলে বহু অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করছেন তিনি। গানের পাশাপাশি তিনি সেতার, তবলা, বাঁশি, সরোদ, সন্তুর, দোতারা, ও ম্যান্ডালিনসহ আরও নানারকম বাদ্য যন্ত্রে পারদর্শী, বিশেষ করে হারমোনিয়াম বাজানোতে রয়েছে তার বিশেষ দক্ষতা। 

    বাংলাদেশ বেতারে যন্ত্র ও সংগীতশিল্পী হিসেবে চাকরি করেছেন অনেক দিন। তবে ক্যারিয়ারে তার সেরা সুযোগটি আসে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ইত্যাদিতে গান পরিবেশনের সুবাদেই শ্রোতা-দর্শকদের কাছে তার সর্বাধিক পরিচিতি ও জনপ্রিতা ছড়িয়ে পড়ে।

    সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এক পোস্টে জানান, তার পূর্বপুরুষ হরনাথ বাইন ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলের এমপি। বরিশালের সাতলা গ্রামে সাবেক এই সংসদ সদস্যের একটি বাড়ি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। যে কারণে বরিশাল ও মাদারীপুর দুই জায়গা থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন বলেও জানান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির পুরস্কার চুরির মামলার প্রতিবেদন ১৬ নভেম্বর

    কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির বাসা থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অলঙ্কার চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়ে আগামী ১৬ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। এ দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলম প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, তাহমিনা ও রিপা ন্যান্সির বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। শাকিল তাহমিনাকে বাসা থেকে নিতে আসতেন। গত ৫ এপ্রিল তারা বাসার কাউকে না জানিয়ে চলে যায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি রিপাও বাসার কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে যায়।

    এদিকে, গত ১৮ এপ্রিল ন্যান্সি দেখতে পান আলমারিতে তার দুইটি সোনার চেইন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ডায়মন্ডের লকেটসহ মূল্যমান অলঙ্কার নেই। যার মূল্য তিন লাখ ২১ হাজার টাকা। এ ঘটনায় গত ২৭ এপ্রিল ন্যান্সির ভাই শাহরিয়ার আমান সানি বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন।

    আদালত প্রতিবেদক

  • মা হলেন কণ্ঠশিল্পী সিঁথি, দিলেন বিষাদের খবরও

    মা হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী সিঁথি সাহা। ১৯ সেপ্টেম্বর সিঁথির কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান। নাম রেখেছেন সামারা জয়ী।

    সিঁথি সাহা বৈবাহিক সূত্রে অনেক বছর আগে থেকেই নিউজিল্যান্ডের পাসপোর্ট বহন করছেন। নবজাতক ইস্যুতে উন্নত সেবা ও সুবিধা নিতেই ঢাকা থেকে গত আগস্টে নিউজিল্যান্ড যান সিঁথি। সেখানকার অকল্যান্ড সিটি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার সিঁথি নিউজিল্যান্ড থেকে ফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, গতকালই (৪ অক্টোবর) আমরা মা-মেয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছি। টানা ১৪ দিন হাসপাতালে ছিলাম। কারণ ও নির্দিষ্ট সময়ের একমাস আগেই পৃথিবীতে এসেছে। স্বস্তির বিষয় আমরা দুজনেই এখন সুস্থ আছি। বাসায় ফিরেছি। সবার কাছে আমার সন্তানের জন্য দোয়া চাই।

    সামারা জয়ীকে নিয়ে বাকি জীবন নিউজিল্যান্ডেই বসতি গড়বেন সিঁথি, তেমন মেয়ে নন তিনি। নভেম্বরেই জয়ীকে নিয়ে দেশে ফিরছেন। জানালেন, ডিসেম্বরের মধ্যে গানেও নিয়মিত হবেন। করবেন টিভি সঞ্চালনাও।

    অনেকটা সবার অলক্ষ্যে কেন এই মাতৃত্বের স্বাদ নিয়েছেন সিঁথি। জবাবে জানালেন বিষন্ন এক বাস্তবতার কথা।

    সিঁথি বলেন, গত বছর (২০২২) একটি খবর আমার জীবনকে ওলটপালট করে দেয়। আমি জানতে পারলাম আমার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে। আমি ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হই। চিকিৎসা চলছিল। 

    কিন্তু বার বার মনে হতে লাগলো, ক্যানসারের কাছে হেরে যাওয়ার আগে আমার একটা অস্তিত্ব রেখে যেতে যাই এই সুন্দর পৃথিবীতে। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই কনসিভ করা। 

    যেহেতু আমার শরীর ভালো ছিলো না, কঠিন চিকিৎসারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, ফলে আদৌ আমি আমার বাচ্চাটাকে পৃথিবীর আলো চোখ মেলাতে পারবো কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট দুশ্চিন্তায় ছিলাম। অবশেষে আমি জয়ী হয়েছি। আমার জয়ীকে পৃথিবীর আলোয় আনতে পেরেছি। এবার আমার আর কিছুই চাওয়ার নেই, হারাবার নেই। আমাদের জন্য দোয়া করবেন সবাই।   

    বিনোদন ডেস্ক

  • কপিরাইট আইনে মামলা করলেন কণ্ঠশিল্পী শাফিন 

    অনুমতি ছাড়া শতাধিক গান প্রচার করার অভিযোগে কপিরাইট আইনে মাইলস ব্যান্ডের কণ্ঠশিল্পী মো. শাফিন আহমেদ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় আসামিরা হলেন কাইনেটিক নেটওয়ার্ক লিমিটেডের এমডি আশিকুন নবী ও পরিচালক আশিফুন নবী।

    সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে তিনি এ মামলা করেন। আগামী ৫ নভেম্বর আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া গান প্রচারের অভিযোগে শাফিন কপিরাইট আইনে মামলা করেছেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কণ্ঠশিল্পী শাফিন আহমেদের গাওয়া শতাধিক গান অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ইউটিউব, আমাজন, আই টিউনস, অ্যাপল মিউজিক প্রচার করে অপরাধ করেছেন।

    আদালত প্রতিবেদক