Tag: কঙ্গনা

  • আমাদের রাজ্যকে নেকড়ের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে, কেন বললেন কঙ্গনা

    বলিউডের ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী নামে পরিচিত কঙ্গনা রানাউত সবসময় আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন। নানা বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে প্রায়ই শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। তবে এবার অভিনেত্রী আলোচনায় এলেন ভিন্ন কারণে। যদিও তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও জড়িত। অভিনেত্রী হিমাচল প্রদেশের মান্ডি লোকসভা কেন্দ্রের সংসদ সদস্য। রাজনীতির পাশেই অভিনয়ও চলছে একই গতিতে। 

    কর্মসূত্রে হয় অভিনেত্রী দিল্লিতে থাকেন, নয়তো মুম্বাইয়ে। যদিও মানালিতে পাহাড়ের কোলে রাজকীয় বাড়ি রয়েছে তার। সেই বাড়িতে অবশ্য খুব বেশি থাকা হয় না— এমনটাই দাবি কঙ্গনা রানাউতের। এর পরও পাহাড়ি বাড়ির বিদ্যুতের বিল দেখে প্রায় চক্ষু চড়কগাছ অভিনেত্রীর। গর্জে উঠেছেন হিমাচল প্রদেশের কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে।

    কঙ্গনা জানান, চলতি মাসে তার বাড়ির বিদ্যুতের বিল এক লাখ টাকার পেয়েছেন। যার ফলে তিনি প্রশ্নে তুলেছেন সেই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে। এমন বিল দেখে লজ্জিত তিনি। নিজের লোকসভায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, এ মাসে আমার মানালির বাড়ির জন্য এক লাখের বিদ্যুৎ বিল পেয়েছি। তিনি বলেন, মজার বিষয় হচ্ছে— সেখানে আমি বসবাসই করি না। এবার ভাবুন— কী করুণ অবস্থা। এসব দেখে আমার লজ্জা লাগে। 

    কঙ্গনা রানাউত বলেন, আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের রাজ্যকে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এরা নেকড়ে, আমাদের রাজ্যকে এদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরস্পরের বাগ্‌যুদ্ধের মধ্যেই হঠাৎ কেন একসঙ্গে কঙ্গনা-জাভেদ

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও বর্ষীয়ান লেখক-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের সমীকরণ সবারই জানা। বিভিন্ন বিষয়ে তাদের তর্ক বারবার চর্চায় উঠে এসেছে। কখনই মধুর সম্পর্ক ছিল না দুই তারকার মধ্যে। রাজনৈতিক মতাদর্শেও দুজনে বিপরীতমুখী। কিন্তু এবার ছন্দপতন নয়। একই ছবিতে ধরা দিলেন কঙ্গনা ও জাভেদ। সেই ছবি আবার নিজেই সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী।

    সেই ছবিতে কঙ্গনা ও জাভেদ দুজনের মুখেই হাসি। অভিনেত্রী সেই ছবি শেয়ার করে নিয়ে লিখেছেন—জাভেদজি ও আমি মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিজেদের আইনি সমস্যা মিটিয়ে নিয়েছি। জাভেদজি সত্যিই বিনয়ের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন। এমনকি আমার পরিচালিত পরের সিনেমার জন্য গান লিখতেও রাজি হয়েছেন তিনি। 

    ঘটনার সূত্রপাত ২০১৬ সালে। খবরের শিরোনামে বারবার উঠে আসছিলেন অভিনেতা হৃতিক রোশন ও অভিনেত্রী কঙ্গনা। সেই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে নিজের বাড়িতেই কঙ্গনা ও হৃতিকের মুখোমুখি কথা বলার ব্যবস্থা করেছিলেন জাভেদ। রোশন পরিবারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই উদ্যোগী হন গীতিকার। হৃতিকের কাছে কঙ্গনাকে ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন জাভেদ আখতার। 

    এ ঘটনার কথা ২০২০ সালে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন কঙ্গনা। অভিনেত্রীর মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছিলেন জাভেদ আখতার। কঙ্গনার মন্তব্যের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন জাভেদ। তার পর থেকেই দুজনের মধ্যে আইনি লড়াই শুরু। 

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মধ্যস্থতায় রাজি হন দুজনেই। অবশেষে সেই আইনি লড়াইয়ে ইতি টানলেন কঙ্গনা ও জাভেদ। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুম্বাই আদালতের সামনে দেখা গিয়েছিল কঙ্গনাকে। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেখানেই ওই সমস্যা নাকি মিটিয়ে নিয়েছেন যৌথভাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মহা কুম্ভমেলায় মোনালিসার সৌন্দর্য নিয়ে যা বললেন কঙ্গনা

    শ্যামলা গায়ের রঙ, বাদামি চোখের মণি আর উজ্জ্বল হাসি— মহা কুম্ভমেলার মালা বিক্রেতা মোনালিসার রূপে মুগ্ধ নেটপাড়ার বাসিন্দারা। এবার সেই রূপের মাইয়া মোনালিসার সৌন্দর্যের তারিফ করলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। পাশাপাশি বলিউডে শ্যামলা সুন্দরীদের অভাবের কথাও বললেন অভিনেত্রী। দীপিকা পাডুকোন, বিপাশা বসু ও কাজলের মতো ‘ডাস্কি বিউটি’র  কথাও জানালেন কঙ্গনা।

    মোনালিসার একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। ছবির ক্যাপশনে কঙ্গনা লিখেছেন—নিজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নেটপাড়ার আকর্ষণ হয়ে উঠেছে মোনালিসা। ওর ছবি তোলার জন্য মানুষ যেভাবে ওকে হেনস্তা করছে, তা মোটেই সমর্থন করছি না। 

    কিন্তু একটা প্রশ্ন করতেই হচ্ছে— রুপালি দুনিয়ায় কি আর ভারতীয় শ্যামলা সুন্দরীদের প্রতিনিধিত্ব কেউ করে? একসময়ে অনু অগ্রবাল, কাজল, বিপাশা বসু ও রানি মুখোপাধ্যায়— এমনকি দীপিকা পাড়ুকোনকে মানুষ যেমন ভালোবাসা দিয়েছে, তেমন কি এই প্রজন্মে হচ্ছে?

    তিনি বলেন, একটা সময়ে গায়ের রঙ শ্যামলা হলেও কয়েকজন অভিনেত্রী প্রসাধনীর মাধ্যমে আজ ফর্সা হয়ে উঠেছে। কিন্তু তাদের মুখের মধ্যে আগের ঔজ্জ্বল্য নেই। তাই কঙ্গনার প্রশ্ন— মোনালিসাকে যেভাবে গ্রহণ করা হলো, কেন নতুন প্রজন্মের শ্যামলা অভিনেত্রীদের গ্রহণ করছে না দর্শকরা?

    উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে মোনালিসা দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়া থেকে ডাক পেয়েছেন। যদিও সবটাই মৌখিক। আর বলিউড থেকেও নাকি প্রস্তাব এসেছে ষোড়শী সুন্দরীর কাছে। আবার মোনালিসার নাকি শুটিং সেটে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। সেই ছবিতে অভিনেত্রী ছিলেন সারা আলি খান। পর্দার সামনে সারা, নেপথ্যে মোনালিসা! কিন্তু তার সৌন্দর্যের কাছে নাকি ফিকে হয়ে যাচ্ছিলেন সাইফকন্যা সারা। শেষমেশ নায়িকার জন্য মোনালিসার রূপটান মুছিয়ে দেন পরিচালক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কত আয় করল কঙ্গনার ‘ইমারজেন্সি’?

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ বহু কাঠখড় পুড়িয়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি মুক্তি পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিনেত্রী। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। ‘ইমার্জেন্সি ছবিটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই। 

    মুক্তির পর দেখতে দেখতে পাঁচ দিন কেটে গেল। শুরুটা ভালো হলেও সপ্তাহের শেষের দিকে হুড়মুড়িয়ে কমতে শুরু করেছে ইমারজেন্সির আয়। বর্তমানে ১৫ কোটির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে এ ছবির আয়। সচনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির দিন বক্স অফিসে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে, যা মোটেই মন্দ নয়। বরং গত পাঁচ বছরের নিরিখে কঙ্গনা রানাউতের কোনো ছবির করা সব থেকে বেশি ব্যবসা ছিল এটি। দ্বিতীয় দিন সেই আয়ের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায়  তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা। 

    রোববার আয়ের পরিমাণ আরও কিছুটা বেড়ে হয় চার কোটি ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু সোমবার আসতেই কমে আয়ের পরিমাণ। চতুর্থ দিন বক্স অফিসে এই ছবিটি এক কোটি পাঁচ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার পঞ্চম দিন এক কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। এখন পর্যন্ত এই ছবির সর্বনিম্ন আয় মুক্তি পাওয়ার পর। তবে পাঁচ দিনে ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটির আয় দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৪০ লাখ টাকায়।

    অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত এদিন তার দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ছবিটিকে এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বেশ কিছু জায়গায় যে ছবিটি মুক্তি পায়নি বা শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি এবং অন্যান্য শিখ গোষ্ঠীর বিরোধিতার কারণে, সেই বিষয়েও তিনি কথা বলেছেন এদিন। 

    কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির আগেই বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ করা হয়। কারণ হিসেবে গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। তাই ছবিটি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অনেকের মতে, ‘ইমার্জেন্সি’র অনেক বিষয়বস্তু দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সমস্যার নানা দিককে প্রভাবিত করবে।’

    ইন্দিরা গান্ধীর সময় ১৯৭৫ সালে ভারতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল ভারতকে। এ ছবিটিতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির একটা অন্ধকার দিক ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া ছবিতে দেখানো হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধতে সাহায্য করেছিল। ই সময় পাকিস্তান-বাংলাদেশের যুদ্ধে যাতে ভারত না জড়িয়ে পড়ে, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমাগত চাপ আসছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে, লাখ লাখ শরণার্থীকে ভারতে জায়গা দেওয়ার থেকে অর্থনৈতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সরাসরি পাকিস্তানের মোকাবিলা করা ভালো হবে।

    কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু দিন ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। এখনো যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে তা বলা যায় না। তা ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা দিয়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ছবিটির মুক্তি দেওয়া হয়নি। 

    তবে অনেকের মতে, এর ফলে ছবির বেশ কিছুটা ক্ষতি হবে। কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, কিন্তু সেখানেই প্রবেশ করতে পারছে না এ ছবিটি। ফলে ছবির আয়ের ওপর যে এর বড় প্রভাব পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’  ছবি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক ছবি তৈরির কথা ভাবছেন না তিনি। অভিনেত্রীর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ ১৭ জানুয়ারি মুক্তি পায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুক্তির আগেই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখে পড়ে। অবশেষে বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। ‘ইমার্জেন্সি সিনেমাটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

    এর আগে ছবিটি ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেন্সর বোর্ডের কারণে ছবির মুক্তি স্থগিত হয়ে যায়। এ ছাড়া প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে কিছু সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করা নিয়ে ছবিটিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তবে এত বাধা পেরিয়ে অবশেষে ১৭ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। কিন্তু বিতর্ক এখনও অব্যাহত। এবার কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ করা হলো। কিন্তু কেন? 

    ইন্দিরা গান্ধীর সময় ১৯৭৫ সালে ভারতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল ভারতকে। এ ছবিটিতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির একটা অন্ধকার দিক ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া ছবিতে দেখানো হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধতে সাহায্য করেছিল। সেই সময় পাকিস্তান-বাংলাদেশের যুদ্ধে যাতে ভারত না জড়িয়ে পড়ে, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমাগত চাপ আসছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে, লাখ লাখ শরণার্থীকে ভারতে জায়গা দেওয়ার থেকে অর্থনৈতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সরাসরি পাকিস্তানের মোকাবিলা করা ভালো হবে।

    কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু দিন ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। এখনো যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে তা বলা যায় না। তা ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা দিয়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ছবিটির মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনেকের মতে, এর ফলে ছবির বেশ কিছুটা ক্ষতি হবে। কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, কিন্তু সেখানেই প্রবেশ করতে পারছে না এ ছবিটি। ফলে ছবির আয়ের ওপর যে এর বড় প্রভাব পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

    একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। তাই ছবিটি নিয়ে নিষেধাজ্ঞাজারি কর হয়েছে। অনেকের মতে, ‘ইমার্জেন্সি’র অনেক বিষয়বস্তু দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সমস্যার নানা দিককে প্রভাবিত করবে।’

    এর আগে ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির মুহূর্তে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির জন্য নাগপুরে ছবিটি প্রদর্শন করা হয়। ছবিটি দেখার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি লিখেছেন— ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। 

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’  ছবি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক ছবি তৈরির কথা ভাবছেন না তিনি। অভিনেত্রীর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ ১৭ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ দেখে যে প্রতিক্রিয়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। আগামী ১৭ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই। 

    ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির আগে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী-প্রয়োজক কঙ্গনা রানাউত। আবার সেই প্রদর্শনী দেখানো হয় নাগপুরে। অভিনেত্রী এ প্রদর্শনী দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে।

    ছবিটি দেখার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নিতিন গড়কড়ি লিখেছেন— ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’  ছবি নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি জানিয়েছিল শিরোমণি অকালি দল। যার ফলে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয় তাকে। ছবি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক ছবি তৈরির কথা ভাবছেন না তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ইমার্জেন্সি সিনেমা দেখার আমন্ত্রণে যা বললেন প্রিয়াংকা গান্ধী

    অবশেষে সব জট খুলেছে। মুক্তি পেতে যাচ্ছে ইন্দিরা গান্ধী চরিত্রে অভিনয় করা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। প্রথম পরিচালিত ছবিটির মুক্তি নির্বিঘ্ন করতে কালঘাম ছুটেছিল অভিনেত্রীর। আগামী ১৭ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি। এ ছবির চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজকও কঙ্গনা নিজেই। 

    ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও তিনি নিজেই অভিনয় করেছেন। আর তাই অভিনেত্রী তথা বিজেপি সংসদ সদস্য ছবিটি দেখতে প্রিয়াংকা গান্ধীকে অনুরোধ জানিয়েছেন। সংসদ ভবনে প্রিয়াংকার সঙ্গে দেখা হয়েছিল কঙ্গনার। তখনই বিরোধী নেত্রীকে আমন্ত্রণ জানান অভিনেত্রী। 

    সংবাদমাধ্যমকে কঙ্গনা বলেন, প্রিয়াংকাজির সঙ্গে আমার সংসদে দেখা হয়েছিল। প্রথমেই উনাকে বললাম— আপনার কিন্তু ‘ইমার্জেন্সি’ দেখা উচিত। খুবই আনন্দিত হয়ে উত্তর দেন তিনি— ‘হ্যাঁ, হয়তো দেখব।’ আমি ওকে বলেছি— ‘এই ছবি আপনার পছন্দ হবেই’।

    গান্ধী-নেহরু পরিবারের সবাইকে কি আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাবেন কঙ্গনা রানাউত—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, আগে দেখা যাক, ওরা ছবিটা দেখতে চান কিনা। এ ছবিতে আসলে খুবই স্পর্শকাতর অধ্যায় এবং একজন ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরা হয়েছে। ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রকে সম্মান ও যত্নের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। 

    তিনি বলেন, আমি গবেষণা করার সময়ে লক্ষ করেছিলাম— ওর ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক, স্বামী, বন্ধুত্ব, বিতর্কিত যোগাযোগ নিয়েও প্রচুর আলোচনা হয়েছে। আমি নিজেও ভেবেছি, বহু দিক রয়েছে এই ব্যক্তিত্বের।

    পরিবারতন্ত্র (নেপোটিজম) নিয়ে মন্তব্য করে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি করেছেন কঙ্গনা। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীর দাবি— ইন্দিরা গান্ধীও এই পরিবারতন্ত্রেরই ফসল। 

    উল্লেখ্য, ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি প্রথমে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের থেকে মিলছিল না ছাড়পত্র। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাঠে কাজ করা নারীরা প্রীতি জিনতার চেয়েও সুন্দরী: কঙ্গনা

    কঙ্গনা রানাউত বরাবরই স্পষ্টভাষী এবং ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী হিসেবে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত। তিনি কখনই বিশেষ রাখঢাক করে কিছু বলেন না। এদিনও তেমনভাবেই জানিয়ে দিলেন যে তার চেয়ে কিংবা অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার থেকে অনেক বেশি সুন্দর দেখতে হিমাচল প্রদেশের যে নারীরা কঠিন পরিশ্রম ও দিনরাত এক করে খাটেন তারা। সম্প্রতি কঙ্গনা রানাউত তার ইনস্টাগ্রামে হিমাচল প্রদেশের নারীদের বাহবা দিলেন এবং তাদের পরিশ্রমের জন্য প্রশংসাও করলেন। জানালেন তার রাজ্যের নারীরা হইচই করে ফেলতে পারেন।

    এদিন কঙ্গনা তার ছবির সঙ্গে ইয়ামি গৌতম, প্রীতি জিনতা ও প্রতিভার ছবির কোলাজ বানিয়ে সেটি পোস্ট করেন ইনস্টাগ্রামে। সঙ্গে ক্যাপশনে লিখেছেন— হিমাচলের মানুষেরা।

    একই সঙ্গে তিনি লিখেছেন— তিনি দেখেছেন যে হিমাচল প্রদেশের কঠোর পরিশ্রম করেন যে নারীরা তাদেরও একই রকম সুন্দর দেখতে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তো অভিনেত্রীদের থেকেও বেশি সুন্দর তারা। কিন্তু তারা তাদের জীবনের চাহিদা পূরণ করতেই ব্যস্ত।

    তিনি বলেন, তাদের না আছে কোনো ইনস্টা, না আছে রিল। তারা শুধু গরু-মহিষ চরাচ্ছে, চাষ করছে, আর বেঁচে থাকার জন্য যা করা দরকার, সেটাই করছে। আমার মনে হয় তারাও কিছুটা হইচই ফেলতে পারে।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউতকে শেষবার টিকু ওয়েডস শেরু, চন্দ্রমুখী ২, তেজস ছবিতে দেখা গেছে। এই তিনটি ছবিই ২০২৩ সালে মুক্তি পেয়েছে। আগামীতে তাকে ইমারজেন্সি ছবিতে দেখা যাবে। জানুয়ারিতেই মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। এখানে ইন্দিরা গান্ধীর জীবনী দেখানো হবে। যদিও মূল ফোকাস থাকবে ভারতের জরুরি অবস্থার ওপর। অনেক জটিলতার পর অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অজয়ের সংসার ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছিলেন কাজল, জানা গেল কারণ

    বলিউড তারকা কাজল ও অজয় দেবগণ। একে অন্যের সঙ্গে ভালোবেসে ঘর বাঁধেন তারা। দীর্ঘ দিন ধরে চুটিয়ে সংসার করা এই জুটির মধ্যে কি কোনোদিন কোনো ভাঙনের ঝড় ওঠেনি? কোনো সম্পর্কই কি উঁকি দেয়নি অজয় দেবগণের জীবনে? এমনটা কিন্তু মোটেও নয়। 

    তার জীবনেও পরকীয়ার গসিপ জায়গা করে নিয়েছিল। ছবির সেটে তিনি নাকি বেশিই ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন এক অভিনেত্রীর সঙ্গে। আর তিনি কে জানেন? তিনি হলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। 

    ছবির নাম ‘ওয়ান্স আপওন অ্যা টাইম ইন মুম্বাই’-তে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। সেই ছবির সেট থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল নানান গসিপ। যা রাতারাতি ছড়িয়ে পড়েছিলেন সিনে পাড়ায়। কঙ্গনা রানাওয়াতের সঙ্গে বহু অভিনেতার নামই জড়িয়েছিল। তবে সেই তালিকায় যে অজয় দেবগণও ছিলেন, সেই খবর হয়তো অনেকেরই অজানা।

    খবর কাজলের কান পর্যন্তও পৌঁছিয়ে গিয়েছিল। শুটিং সেটে অনেকেই ছিলেন, যারা বিভিন্ন সূত্রে জানিয়ে ছিলেন যে কঙ্গনা ও অজয় বেশ কিছুটা সময় একান্তে কাটান। কিংবা একসঙ্গে লাঞ্চ করা, একে অন্যের পাশে থাকা, সবটাই তারা করেছেন। খবর পৌঁছিয়ে গিয়েছিল কাজলের কানেও। 

    কাজল মুখ বুঁজে মোটেও সবটা সহ্য করেননি। বরং স্পষ্ট করে অজয়কে জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘আমি কিন্তু সংসার ছেড়ে চলে যাব’। তবে সেই জল্পনাকে বেশিদিন স্থায়ী হতে দেননি অজয় দেবগণ। রাতারাতি সবটাই যেন উধাও হয়ে যায়। একটা সময়ের চর্চিত জুটি হঠাৎ করেই চর্চা থেকে সরে গেল।

    খবরের শিরোনামেও তাদের আর পাওয়া গেল না। কাজল ও অজয়ের সম্পর্কে ভাঙন নিয়ে যে জল্পনা জায়গা করে নিয়েছিল বিটাউনের অন্দরমহেল, তাও যেন রাতারাতি হাওয়া। অজয় জানেন কীভাবে সংসারকে টিকিয়ে রাখতে হয়, তা তিনি প্রমাণ করে দিয়েছিলেন। কেবল অজয় দেবগণই নন, পরকীয়া জল্পনায় নাম জড়ানো একাধিক অভিনেতাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান প্রমুখেরা জল্পনায় কান না দিয়েই সঠিক সময় রাশ টেনে ধরেছিলেন। যার ফলে আজও তারা বলিপাড়ার সফল জুটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর অত্যাচারে স্বামীর আত্মহত্যা, যাকে দায়ী করলেন কঙ্গনা

    বেঙ্গালুরুতে তথ্যপ্রযুক্তি চাকরিজীবী অতুল সুভাষের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। স্ত্রীর করা বিবাহবিচ্ছেদের ‘মিথ্যা’ মামলায় হাজিরা দিতে অন্তত ৪০ বার বেঙ্গালুরু থেকে জৌনপুর গেছেন অতুল সুভাষ। জানিয়েছে মৃত যুবকের পরিবার। যুবকের স্ত্রী নিকিতা সিংহানিয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ। এ ঘটনায় এবার মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় নারীবাদের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন বিজেপি নেত্রী তথা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেছেন, পুরো দেশের কাছে এ ঘটনা বড় ধাক্কা। ওর ভিডিও সত্যিই হৃদয়বিদারক। ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে বিয়ে হলে সব কিছু ঠিক থাকে। এসবের জন্য দায়ী বামপন্থা বা ভুয়া নারীবাদের চরম নিন্দা করি। কোটি কোটি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এ তো ওই যুবকের ক্ষমতার বাইরে ছিল। চাপে পড়ে ওকে এই পদক্ষেপ নিতে হলো।

    অভিযোগকারী বা নির্যাতিতা সঠিক বলছেন কিনা— এসব ক্ষেত্রে তাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করে অভিনেত্রী বলেন, এই একজন নারীকে অবশ্য উদাহরণ হিসাবে গণ্য করাই উচিত নয়। যেসব নারীর সঙ্গে সত্যিই প্রতারণা করা হয়, তাদের ঘটনাগুলোকে আমরা একেবারেই অস্বীকার করতে পারি না। কারণ ৯৯ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদে পুরুষদেরই দোষ থাকে।

    এই মন্তব্যে চটেছেন বিপুলসংখ্যক নেটিজেন। তারা মানতে নারাজ, ৯৯ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদে পুরুষদেরই দোষ থাকে। এক নেটিজেন বলেছেন— এমন মানুষের থেকে প্রতিক্রিয়া নেওয়াই উচিত নয়। ইনি নিজেই একজন শোষণকারী। ওর নিজেরই বলা ৯৯.৯৯ শতাংশ ঘটনা মিথ্যা।

    অতুল সুভাষের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ছাড়াও শ্যালক ও শাশুড়ির বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে। মৃত যুবক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। বেঙ্গালুরুতে একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করার সুবাদে সেখানেই থাকতেন তিনি। অতুলের স্ত্রীও চাকরিজীবী ছিলেন। তবে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চালকালীন মাসিক ৪০ হাজার টাকা খোরপোশ দিতে হতো অতুলকে। এর পরও অতুলের স্ত্রী ও তার পরিবার আরও ২-৪ লাখ টাকা দাবি করছিলেন বলে অভিযোগ। অতুলের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের আদালতে মামলাও করেছিলেন স্ত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক