Tag: ওটিটি

  • সানিয়ার ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে!

    ভারতের সাবেক জনপ্রিয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। তাকে নিয়ে দেশটির বিনোদন জগতে জোর গুঞ্জন উঠেছে, শিগগিরই ওটিটি-র দুনিয়ায় পা রাখতে চলেছেন তিনি। 

    বিভিন্ন সূত্রের দাবি, নতুন রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাদা’-তে প্রতিযোগী হিসেবে দেখা যেতে পারে সানিয়াকে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন বলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক ও নৃত্যশিল্পী ফরাহ খান এবং অভিনেতা রিতেশ দেশমুখ। 

    সানিয়া ও ফারাহর বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। ব্যক্তিগত জীবনেও তারা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। সেই কারণেই ফারাহর নতুন শোয়ে সানিয়ার অংশগ্রহণ নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত নির্মাতাদের বা সানিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। 

    অন্যদিকে, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আরও একটি বড় রিয়্যালিটি শো ‘অ্যালিয়েন্স’ নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। এই শোয়ের মাধ্যমে প্রথমবার সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেতা কুণাল খেমুকে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একাংশের মতে, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে রিয়্যালিটি শোয়ের বাজারে জনপ্রিয় তারকাদের অংশগ্রহণ দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলবে। সেই কারণেই সানিয়ার সম্ভাব্য ওটিটি অভিষেক নিয়ে এখন থেকেই বেশ উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। 

    তবে আপাতত সাবেক এই টেনিস তারকার অনুরাগীদের অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য। সত্যিই যদি সানিয়া ‘লক আপ’-এর প্রতিযোগী হন, তাহলে এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ে যাত্রা শুরু হবে সানিয়ার। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওটিটিতে মুক্তি পেল বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ‘রঙবাজার’

    ৪০০ বছরের পুরোনো যৌনপল্লী একরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ‘রঙবাজার’ সিনেমা। তামজিদ অতুলের গল্পে এ সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। আগামী কুরবানির ঈদের পর প্রেক্ষাগৃহে বড় আয়োজনে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল নির্মাতা রাশিদ পলাশের। কিন্তু বড়পর্দায় আসার আগেই চলতি মাসের শুরুতে সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায় এর পুরো এইচডি প্রিন্ট। ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ‘রঙবাজার’ সিনেমাটি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন সংশ্লিষ্টরা। 

    এমন পরিস্থিতিতে পাইরেসির কবল থেকে ‘রঙবাজার’ সিনেমাটি রক্ষা করতে প্রেক্ষাগৃহের আশা ছেড়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এর ফলে রোববার (১৭ মে)  থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘সিনেমেটিক’-এ স্ট্রিম হচ্ছে সিনেমাটি।

    ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া প্রসঙ্গে নির্মাতা রাশিদ পলাশ গণমাধ্যমকে জানান, ‘রঙবাজার’ সিনেমাটি  সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় প্রযোজকের সিদ্ধান্তেই হঠাৎ করে ওটিটিতে মুক্তি দিতে হয়েছে। বড়পর্দার সিনেমা এভাবে আসায় নির্মাতা হিসেবে তার মন খারাপ হলেও পাইরেসির হাত থেকে বাঁচতে প্রযোজকের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না বলেও জানান রাশিদ পলাশ।

    বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লাইভ টেকনোলজিস প্রযোজিত ‘রঙবাজার’ সিনেমার বেশিরভাগ দৃশ্যধারণ করা হয়েছে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে। ‘রঙবাজার’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন পিয়া জান্নাতুল, শম্পা রেজা, নাজনীন হাসান চুমকী, তানজিকা আমিন, মৌসুমী হামিদ, লুৎফর রহমান জর্জ ও মাহমুদুল ইসলাম মিঠুসহ আরও অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তথ্য গোপন ও নজরদারির অভিযোগে নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা

    ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ এবং প্ল্যাটফর্মটিকে আসক্তিমূলকভাবে গড়ে তোলার অভিযোগে স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্য। সোমবার (১১ মে) ডালাস এলাকার একটি আদালতে টেক্সাসের রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন ৫৯ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

    মামলার শুরুতেই প্যাক্সটন অভিযোগ করেন, ‘আপনি যখন নেটফ্লিক্স দেখেন, নেটফ্লিক্স তখন আপনাকে দেখে।’ 

    মামলার বিবরণী অনুযায়ী, নেটফ্লিক্সকে একটি বিশাল তথ্যের ভাণ্ডার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কোম্পানিটি ব্যবহারকারীদের দেখার অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দ এবং অন্যান্য সংবেদনশীল আচরণগত তথ্য নিয়মিত ট্র্যাক ও লগ করে রাখে।

    একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্যাক্সটন দাবি করেন, নেটফ্লিক্স টেক্সাসের শিশু এবং সাধারণ গ্রাহকদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। সংগৃহীত এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিজ্ঞাপনদাতাদের সরবরাহ করা হয়, যাতে তারা গ্রাহকদের লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে। 

    মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, নেটফ্লিক্স এমন কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করছে যা তরুণ দর্শকদের এই প্ল্যাটফর্মের প্রতি আসক্ত করে তোলে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘অটোপ্লে’ ফাংশন। 

    শিশুদের প্রোফাইলসহ সব প্রোফাইলে এটি ডিফল্ট হিসেবে চালু থাকে। এর ফলে একটি পর্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী পর্ব শুরু হয়ে যায়, যা দর্শকদের দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে আটকে রাখে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নেটফ্লিক্সের প্রতিক্রিয়া 

    এই অভিযোগের জবাবে এএফপি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, ‘এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই এবং এটি ভুল ও বিকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।’ 

    প্রতিষ্ঠানটি আরও দাবি করেছে যে, তারা সদস্যদের গোপনীয়তাকে গুরুত্ব দেয় এবং বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ডেটা সুরক্ষা আইন মেনেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। 

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে বর্তমান সিনেটর জন কর্নিনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক লড়াইয়ে যুক্ত আছেন কেন প্যাক্সটন। এই অ্যাটর্নি জেনারেল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নেটফ্লিক্স যেমন দাবি করে তারা আসলে তেমন বিজ্ঞাপনমুক্ত বা শিশুবান্ধব প্ল্যাটফর্ম নয়। বরং তারা গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে।’ 

    এই মামলা চলাকালীন গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ বা প্রকাশ নিষিদ্ধ করার জন্যও আদালতের নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। টেক্সাসের ‘ডিসিপ্টিভ ট্রেড প্র্যাকটিস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিটি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত দেওয়ানি জরিমানার আবেদন করা হয়েছে। 

    সূত্র: দ্য হিন্দু 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও ফিরছে নেটফ্লিক্সে কালজয়ী সিরিজ ‘মানি হাইস্ট’

    স্পেনের একটি সাধারণ সিরিজ থেকে বিশ্ব কাঁপানো পপ-কালচার আইকনে পরিণত হওয়া ‘মানি হাইস্ট’ (লা কাসা দে পাপেল) আবারও পর্দায় ফিরছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নেটফ্লিক্স এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন প্রজেক্টের ঘোষণা দিয়েছে। 

    ‘বেলা চাও’ গানের সুর যে এখনই থামছে না, সেটি এখন নিশ্চিত। তবে ভক্তদের প্রশ্ন, এবার কি আসছে ‘মানি হাইস্ট’-এর ষষ্ঠ সিজন, নাকি তৈরি হচ্ছে নতুন কোনো স্পিন-অফ?

    সিরিজটিতে ‘প্রফেসর’ চরিত্রে অভিনয় করা আলভারো মোর্তে স্বয়ং এই ফেরার ঘোষণা দেন। সম্প্রতি ‘বার্লিন’ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এই খবরটি সবার সামনে আনেন। 

    উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘বার্লিন’ সিজন ২। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিও শেয়ার করে নেটফ্লিক্স ক্যাপশন দিয়েছে, ‘বেলা চাও এখনও বাজছে। মানি হাইস্ট-এর দুনিয়া চলতেই থাকবে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন কী থাকছে? 

    নেটফ্লিক্সের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট করা হয়নি যে, এটি মূল সিরিজের নতুন সিজন হবে নাকি কোনো স্পিন-অফ। তবে স্প্যানিশ সংবাদপত্র ‘এল পাইস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিজের স্রষ্টা অ্যালেক্স পিনা এবং ভ্যানকুভার প্রোডাকশন বর্তমানে ৪ পর্বের একটি মিনি-সিরিজের কাজ করছেন। এই মিনি-সিরিজের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারেন জনপ্রিয় চরিত্র কর্নেল তামায়ো (ফার্নান্দো কায়ো)। 

    তবে নেটফ্লিক্সের সাম্প্রতিক রহস্যময় ঘোষণাটি কি এই কর্নেল তামায়োর গল্প নিয়ে, নাকি প্রফেসরের টিমের নতুন কোনো মিশনের ইঙ্গিত—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। 

    এক সময় বাতিলের খাতায় চলে যাওয়া এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সে আসার পর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ইতোমধ্যে এর স্পিন-অফ ‘বার্লিন’, দুটি তথ্যচিত্র এবং ভিডিও গেম মুক্তি পেয়েছে। 

    বিদ্রোহের প্রতীক লাল জাম্পসুট আর ডালি মাস্ক আবারও স্ক্রিনে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন সারা বিশ্বের কয়েক কোটি দর্শক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বৈশ্বিক আধিপত্যের সঙ্গে টিকে থাকার লড়াই

    বিদেশি প্ল্যাটফর্মের হাত ধরে ওটিটির সঙ্গে পরিচিত হন দেশের দর্শকরা। শুরুতে নির্দিষ্ট একটা শ্রেণির মাধ্যমগুলোর দর্শক ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সকল হিসেব পাল্টে গেছে। প্রতিনিয়তই মাধ্যমটিতে যুক্ত হচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। দর্শক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে ওটিটির তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে। প্রসারিত হচ্ছে নির্মাতা-শিল্পী-কলাকুশলীদের কাজের পরিধি। তবে একইসঙ্গে নেটফ্লিক্স, হইচই, অ্যামাজন প্রাইমের মত বৈশ্বিক জায়ান্টদের আধিপত্যে চরকি, বঙ্গ, দীপ্ত প্লে, আইস্ক্রিনের মতো দেশীয় প্লাটফর্মগুলোকে রীতিমতো যুদ্ধে নামতে হচ্ছে। 

    বাংলাদেশে বর্তমানে কয়েক কোটি মানুষ নিয়মিত ওটিটি কনটেন্ট দেখেন। তবে তাদের বড় একটি অংশ নেটফ্লিক্স, হইচই ও ডিজনি প্লাস হটস্টারের মতো জনপ্রিয় প্লাটফর্মের দর্শক। বিশেষ করে তরুণ প্রজš§ এই মাধ্যমগুলোর কনটেন্ট দেখতে বেশি পছন্দ করেন। তবে পিছিয়ে নেই দেশের প্ল্যাটফর্মগুলো। বিগত তিন-চার বছরে অভাবনীয় উন্নতি করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের ওটিটি বাজার বর্তমানে বছরে প্রায় ৩০০-৫০০ কোটি টাকার, যা প্রতি বছর ২০-২৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। তারা বলছেন, দেশের ওটিটির জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে চলতি বছরের শেষে ওটিটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ মিলিয়ন ছেড়ে যাবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই। বর্তমানে ওটিটি সেবার ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ রয়েছে। যা দেশীয় প্লাটফর্মগুলোর পরিচালনা ব্যয় বৃদ্ধি করেছে। এতে গ্রাহক সেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সেই সুযোগে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো বাড়তি সুবিধা হিসেবে টেনে নিচ্ছে দেশীয় দর্শক।-এমনটাই মনে করছেন বোদ্ধারা।

    কনটেন্টের মান, গল্প বলার ধরনে দেশি কনটেন্ট চমক দেখালেও বাজেটের ক্ষেত্রে বিদেশি প্ল্যাটফর্ম বিশেষ করে নেটফ্লিক্স বা প্রাইম ভিডিওর বাজেটের কাছে দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো নস্যি। যেখানে একটি ‘স্কুইড গেম’ বা ‘মানি হাইস্ট’-এর বাজেট শতকোটি, সেখানে বাংলাদেশের একটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজের বাজেট ধরা হয় মাত্র ১-২ কোটি টাকা! তবে বাজেটে পিছিয়ে থাকলেও গল্পের গভীরতায় দেশীয় কনটেন্ট চমক দেখাচ্ছে। প্রথমদিকে দেশীয় ওটিটি কন্টেন্টের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বর্তমানে দ্রুত উন্নত হচ্ছে। ‘তকদির’, ‘কারাগার’, ‘মহানগর’ ‘কাইজার’ বা ‘পেট কাটা ষ’-এর মতো সিরিজগুলো প্রমাণ করেছে যে, শক্তিশালী মেধা ও মৌলিক গল্প থাকলে বিদেশি কনটেন্টের সঙ্গেও টেক্কা দেওয়া সম্ভব। বিদেশি দর্শকরাও এখন বাংলাদেশি থ্রিলার বা ড্রামা কনটেন্টের প্রশংসা করছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে ওটিটি নিয়ে দর্শক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রেও অনেকটাই বিভাজন লক্ষ্য করা যায়। ইংরেজি বা আন্তর্জাতিক মানের কনটেন্টের জন্য দর্শকরা এখনও নেটফ্লিক্স বা অ্যাপল টিভিকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। যদিও নিজের ভাষা, সংস্কৃতি এবং চারপাশের পরিচিত গল্প দেখার জন্য মানুষ দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর দিকেই ঝুঁকছে। ভিন্ন ভাষার বিদেশি দর্শক সেভাবে টানতে না পারলেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে দেশীয় ওটিটি এখন সবচেয়ে বড় বিনোদন মাধ্যম। কাজের মান নিয়ে এখনও নানা প্রশ্ন থাকলেও বিদেশি প্ল্যাটফর্মের সাবস্ক্রিপশন ফি বেশি হওয়া এবং দেশের প্ল্যাটফর্মগুলোর কম ও সহজ পেমেন্ট সিস্টেম দর্শকদের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে। সেই জায়গা থেকে অনেকেই প্রেক্ষাগৃহের বদলে ঘরে বসে ওটিটির কনটেন্ট দেখায় অভ্যস্ত হচ্ছেন। তবে এখনও বাইরের দর্শকের কাছে নিজেদের কনটেন্ট পৌঁছাতে না পারলে প্ল্যাটফর্মগুলো বিশ্ববাজারে অনেকটাই পিছিয়েছে রয়েছে।

    যদি প্রশ্ন করা হয়, নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজনের সঙ্গে কি আমাদের প্ল্যাটফর্মগুলো সত্যিই তাল মেলাতে পারছে? সবাই হয়তো ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ উভয়ই উত্তর দেওয়ার দিকেই ঝুঁকবেন। যাত্রা শুরুর সময় থেকেই দেশীয় প্লাটফর্মগুলো বিদেশি ওটিটির সঙ্গে তাল মেলাতে লড়াই করছে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য, সময়ের সঙ্গে অনেকটাই এগিয়ে গেলেও এখন অবধি সমানতালে চলার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি। বিদেশি প্লাটফর্মগুলোর কন্টেন্টের মান এবং বাজেটের সঙ্গে দেশীয় প্লাটফর্মগুলোর পেরে ওঠা অনেকটাই স্বপ্নই রয়ে গেছে। সৃজনশীলতায় তাল মেলাতে পারলেও বাজারজাতকরণ, ডাটা অ্যানালিটিক্স এবং বিশ্বব্যাপী বিপণনে দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো এখনো পিছিয়ে। বিদেশি ওটিটিগুলো প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে, যা আমাদের দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষেত্রে সীমিত। তবে আশার কথা হলো, নেটফ্লিক্স বা হইচই এখন বাংলাদেশি নির্মাতাদের দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের মেধার স্বীকৃতি দিচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় কন্টেন্টের প্রতি সাধারণ দর্শকদের আবেগ ও নিজস্ব সংস্কৃতি বোঝার সুবিধা দেশের প্লাটফর্মগুলোকে লোকাল অ্যাডভান্টেজ দিচ্ছে। যার ফলে ‘চরকি’ বা ‘হইচই-বাংলাদেশ’ নিয়মিত ভালো কন্টেন্ট দিয়ে একটি নির্দিষ্ট দর্শকশ্রেণি তৈরি করেছে।

    অন্যদিকে প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা করতে হচ্ছে দেশি প্ল্যাটফর্মগুলোকে। ওটিটির মূল ভিত্তি হলো হাই-স্পিড ইন্টারনেট এবং উন্নত স্ট্রিমিং প্রযুক্তি। ওকলা স্পিডটেস্টের তথ্যমতে, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে এখনো কম। বলা চলে, প্রযুক্তির দিক থেকে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো বেশ এগিয়ে। নেটফ্লিক্সের অ্যালগরিদম বা ইন্টারফেস এতটাই মসৃণ যে, একজন ব্যবহারকারী খুব সহজেই তার পছন্দের কনটেন্ট খুঁজে পান। অন্যদিকে দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাফারিং সমস্যা, অ্যাপ ক্র্যাশ করা বা দুর্বল সার্চ ইঞ্জিনের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। এছাড়া ফোর-কে রেজ্যুলেশন বা ডলবি অ্যাটমোস সাউন্ডের মতো আধুনিক সুবিধাগুলো দেশীয় অ্যাপগুলোতে এখনও পুরোপুরি কার্যকর নয়। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে এই বিষয়গুলোর ব্যবধান কমানো দেশের প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    তবে সফলতা-ব্যর্থতার অঙ্কে যে ফলাফলই হোক, দেশের ওটিটি শিল্প এখন একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এ কথা বলা বাহুল্য। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো যেমন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে তেমনি খুলে দিয়েছে বিশ্ববাজারের দুয়ারও। দেশীয় ওটিটিগুলো যদি প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়ে এবং নিজেদের সাংস্কৃতিক শেকড়কে আঁকড়ে এগোতে পারে তাহলে শুধু প্রতিযোগিতা করা নয়, বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

    এ এম রুবেল

  • সুখবর দিলেন অপু বিশ্বাস

    সাময়িক বিরতির পর নতুন কয়েকটি সিনেমার প্রস্তুতি নিয়ে পর্দায় ফিরছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। ওজন কমিয়ে নতুন লুকে হাজির হয়ে এরই মধ্যে দর্শকদের নজর কাড়তে শুরু করেছেন তিনি।

    কিছুদিন আগে নতুন সিনেমার ঘোষণা দিয়ে বড় পর্দায় ফেরার কথা জানান অপু বিশ্বাস। বর্তমানে আব্দুন নূর সজলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘দুর্বার’ নামের একটি থ্রিলার সিনেমার শুটিং করছেন তিনি। এর মাঝেই এলো আরও এক সুখবর—প্রথমবারের মতো ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অভিনয়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে তার।

    অপু বিশ্বাস অভিনয় করতে যাচ্ছেন থ্রিলার ঘরানার একটি ওয়েব ফিল্মে, যার নাম ‘শিকার’। ছবিটি পরিচালনা করবেন ‘জ্বীন ৩’-খ্যাত নির্মাতা কামরুজ্জামান রোমান। নির্মাতা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ওয়েব ফিল্মটির জন্য অপু বিশ্বাসের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করবেন নবাগত অভিনেতা পলাশ। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী মার্চে নেপালে শুরু হবে শুটিং। পরিচালক জানান, পুরো টিম নিয়ে ৮ মার্চ নেপালের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

    ‘শিকার’ ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস ছাড়াও অভিনয় করবেন বড়দা মিঠু, ইমরান হাসোসহ আরও বেশ কয়েকজন শিল্পী। শুটিং শেষে ঈদের পর দেশীয় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ওয়েব ফিল্মটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জওয়ান’ থেকে ‘শয়তান’, নেটফ্লিক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা বলিউড সিনেমা

    ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিনেমা দেখা এখন দর্শকদের কাছে ঘরে বসে বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর দিন পেরিয়ে, প্রেক্ষাগৃহে দেখার পরও দর্শকের সিনেমা দেখার আগ্রহ যেন এতটুকুও কমেনি। বরং ওটিটির কল্যাণে তা আরও বেড়েছে। যার ফলে নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত বেশকিছু বলিউড সিনেমা বিপুল দর্শকসংখ্যা অর্জন করে বিশ্বব্যাপী চার্টের শীর্ষে পৌঁছেছে। 

    নিচে নেটফ্লিক্স-এ সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দেখা বলিউড সিনেমাগুলোর তালিকা তুলে ধরা হলো— 

    ১. জওয়ান (এক্সটেন্ডেড কাট) 

    ভিউ: ৩৩.৭ মিলিয়ন 

    শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জওয়ান’ তালিকার শীর্ষে। নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া এক্সটেন্ডেড কাটে অতিরিক্ত দৃশ্য থাকায় দর্শকরা নতুন করে ছবিটি দেখার আগ্রহ পান। অ্যাকশন, দ্বৈত চরিত্র, শক্তিশালী সামাজিক বার্তা এবং পূর্ণাঙ্গ বলিউড বিনোদনের মিশ্রণে ছবিটি বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহের পর ওটিটিতেও বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। 

    ২. অ্যানিমেল 

    ভিউ: ৩১.৪ মিলিয়ন 

    মুক্তির পর বছরের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমাগুলোর একটি ছিল অ্যানিমেল। দীর্ঘ সময়কাল, সহিংসতা ও বিতর্কিত থিম সত্ত্বেও রণবীর কাপুরের অভিনয় ঘিরে কৌতূহল দর্শকদের নেটফ্লিক্সে টেনে আনে। বিশেষ করে ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনাই এটির ভিউ বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। 

    ৩. গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি 

    ভিউ: ৩১.১৪ মিলিয়ন 

    আলিয়া ভাট অভিনীত এই পিরিয়ড ড্রামা প্রমাণ করেছে, স্থানীয় গল্পও বিশ্বব্যাপী আবেদন রাখতে পারে। রেড-লাইট এলাকার এক নারীর জীবনকাহিনি নিয়ে নির্মিত এই ছবিটি ভারত ছাড়াও থাইল্যান্ড সহ একাধিক দেশে ট্রেন্ডিংয়ে উঠে আসে। 

    ৪. লাপাতা লেডিস 

    ভিউ: ৩১.১ মিলিয়ন 

    কিরণ রাও পরিচালিত এই হৃদয়ছোঁয়া সিনেমাটি তালিকার সবচেয়ে চমকপ্রদ সংযোজন। বড় তারকা ও স্বল্প বাজেটে নির্মিত এই ছবিতে দুই হারিয়ে যাওয়া বধূর সহজ-সরল গল্প মুখে-মুখে ছড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বড় ব্লকবাস্টার ছবির সমান দর্শক টানে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৫. ক্রু

    ভিউ: ২৮.৮ মিলিয়ন 

    টাবু, কারিনা কাপুর খান ও কৃতি শ্যানন অভিনীত ‘ক্রু’ সিনেমাটি ছিল একটি আনন্দদায়ক চমক। দক্ষ উপস্থাপনা ও তিন অভিনেত্রীর দুর্দান্ত রসায়ন ছবিটিকে সহজ ও পারিবারিক বিনোদনের আদর্শ পছন্দে পরিণত করেছে। 

    ৬. ফাইটার

    ভিউ: ২৭.৫ মিলিয়ন

    হৃতিক রোশন ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত এই বিগ বাজেটের সিনেমাটি আকাশযুদ্ধের ভিজ্যুয়াল ও ডগফাইট দৃশ্যের জন্য ঘরোয়া দর্শকদের মন জয় করে। জাতীয় গর্বের আবহও ছবিটিকে দীর্ঘদিন নেটফ্লিক্সের এই তালিকায় রেখেছে। 

    ৭. জান জান

    ভিউ: ২.৪২ কোটি

    প্রেক্ষাগৃহ এড়িয়ে সরাসরি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া এই রহস্যধর্মী ছবিটি প্ল্যাটফর্মের অন্যতম সফল ভারতীয় চলচ্চিত্র। ‘দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স’ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় কারিনা কাপুর খান, জয়দীপ আহলাওয়াত ও বিজয় ভার্মার অভিনয় ভূয়সী প্রশংসিত হয়। 

    ৮. শয়তান 

    ভিউ: ২.৪ কোটি

    অজয় দেবগন ও আর মাধবন অভিনীত অতিপ্রাকৃত থ্রিলার ‘শয়তান’ কালো জাদু ও পারিবারিক সুরক্ষার গল্পে দর্শকদের শিহরিত করেছে। ভয়ের আবহ ও সাসপেন্স থ্রিলারপ্রেমীদের ছবিটি আলাদাভাবে আকৃষ্ট করেছে। 

    ৯. ডার্লিংস

    ভিউ: ২৩.৪ মিলিয়ন

    আলিয়া ভাটের প্রযোজক হিসেবে প্রথম ছবি ডার্লিংস। গাঢ় রসবোধে পারিবারিক নির্যাতনের গুরুতর বিষয় তুলে ধরে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ এড়ানোর পরও ওটিটি হিটে পরিণত হয়। 

    ১০. ভুল ভুলাইয়া ২ 

    ভিউ: ২১.৬ মিলিয়ন 

    নতুন অভিনয়শিল্পী নিয়েও ‘ভুল ভুলাইয়া’-এর পর জনপ্রিয় এই সিক্যুয়েল মঞ্জুলিকার রহস্য ফিরিয়ে আনে। টাবু অভিনীত যমজ চরিত্রের মোড় গল্পকে নতুন মাত্রা দেয় এবং দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখে। এটি প্রেক্ষাগৃহেও বড় সাফল্য পেয়েছিল। 

    সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

    প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে। 

    ‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়। 

    ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি।  কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা। 

    ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’ 

    রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশে আসছে এইচবিও ম্যাক্স, সাবস্ক্রাইব করবেন যেভাবে

    ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি তাদের বৈশ্বিক স্ট্রিমিং পরিসর আরও বিস্তৃত করছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৪টি নতুন বাজারে এইচবিও ম্যাক্স চালু হবে।

    ইতোমধ্যেই জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে রয়েছে ‘হ্যারি পটার’, ‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’, ‘দ্য লাস্ট অব আস’-সহ ওয়ার্নার ব্রাদার্সের ব্লকবাস্টার সিনেমা—’সুপারম্যান’, ‘এ মাইনক্রাফট মুভি’ এবং ‘ফাইনাল ডেস্টিনেশন: ব্লাডলাইন্স’।

    ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির গ্লোবাল স্ট্রিমিং অ্যান্ড গেমস বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও প্রেসিডেন্ট জেবি পেরেট বলেন, ‘এই বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপে সফলভাবে যাত্রা শুরুর পর এইচবিও ম্যাক্স এখন বিশ্বজুড়ে আরো বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। বছরের শেষে এটি ১০০-রও বেশি বাজারে পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালে জার্মানি, ইতালি ও যুক্তরাজ্যের মতো বড় বাজারেও চালু হবে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের গ্রাহকরা পাবেন এইচবিও অরিজিনালস, ম্যাক্স অরিজিনালস, ওয়ার্নার ব্রাদার্সের জনপ্রিয় কনটেন্টের পাশাপাশি ডিসকভারি, টিএলসি, এএফএন, ফুড নেটওয়ার্ক, আইডি ও এইচজিটিভির নির্বাচিত অনুষ্ঠানসমূহ।

    সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে আগামী ২৭ অক্টোবর এইচবিও ম্যাক্সে প্রিমিয়ার হবে ‘আইটি: ওয়েলকাম টু ডেরি’। স্টিফেন কিং-এর ‘আইটি’ ইউনিভার্সের এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন টেইলর পেইজ, জোভান অ্যাডেপো, ক্রিস চক, জেমস রেমার, স্টিফেন রাইডার, ম্যাডেলেইন স্টো, রুডি ম্যানকুসো এবং বিল স্কারসগার্ডরা। নির্মাণে আছেন অ্যান্ডি মুশিয়েত্তি, বারবারা মুশিয়েত্তি ও জেসন ফুকস।

    সহজ ও ব্যবহারবান্ধব ইন্টারফেসের সুবাদে গ্রাহকরা একাধিক ডিভাইসে কনটেন্ট স্ট্রিম করতে পারবেন। থাকছে কাস্টমাইজেবল প্রোফাইল, অ্যাভাটার অপশন, কন্টিনিউ ওয়াচিং ফিচার এবং অফলাইন ভিউয়ের জন্য কনটেন্ট ডাউনলোডের সুবিধা। শিশুদের জন্য থাকবে নির্দিষ্ট প্রোফাইল, বয়সভিত্তিক কনটেন্ট ও উন্নত প্যারেন্টাল কন্ট্রোল।

    শুরুর দিন থেকেই www.hbomax.com-এর মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন নেওয়া যাবে। খুব শিগগিরই আরো পার্টনারশিপ ঘোষণার কথা জানানো হয়েছে।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ফার্মগেটে ভিক্ষা করে ৫০০ টাকা পেয়েছিলেন ‘অ্যালেন স্বপন’

    অভিনেতা নাসির উদ্দিন খান ওটিটি জগতে ‘অ্যালেন স্বপন’ চরিত্রের জন্য ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। এবার প্রথমবারের মতো তাকে দেখা গেল ভিক্ষুকের চরিত্রে। আর সেই চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে ঘটে গেল এক মজার ঘটনা—ভিক্ষা করতে গিয়ে তিনি সত্যিই পেয়ে যান ৫০০ টাকা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাসির জানান, বাজেট সীমিত থাকায় ঢাকার ফার্মগেটে লুকানো ক্যামেরায় ওয়েব সিরিজ ‘নয়া নোট’ এর শুটিং করা হয়। তাকে ভিক্ষুকের সাজে জনসমাগম এলাকায় ঘোরাঘুরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দর্শকেরা তাকে সত্যিকারের ভিক্ষুক ভেবে কেউ কেউ টাকা দিতে থাকেন।

    নাসির বলেন, ‘চরিত্রটি নিয়ে কিছু প্রস্তুতি ছিল। প্রথম দিনের শুটিংয়ের ওই মুহূর্তে আমার গেটআপ চরিত্রের কাছাকাছি ছিল। ক্যামেরা নিয়ে পরিচালক টিমসহ দূরে। আমাকে বলে দেওয়া হলো, আমার মতো করে চরিত্রটি প্লে করার। আমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো ভিক্ষা করতে। মানুষের কাছে গিয়ে ভিক্ষা চাইছিলাম।’

    মজার ব্যাপার হচ্ছে, সেদিন এই অভিনেতা ভিক্ষা চাইতে গিয়ে লক্ষ করেন, অনেকেই অ্যাভয়েড করে গেলেও কেউ কেউ তাকে টাকা দিচ্ছেন। এভাবে জমে যায় বেশ কিছু টাকা। প্রথম দৃশ্যের অভিনয় করে ভিক্ষা হিসেবে কত টাকা পেয়েছিলেন?

    এমন প্রশ্নে নাসির হেসে বলেন, ‘প্রথম দৃশ্যেই একবার ঘুরে এসে দেখি অনেকগুলো টাকা জমেছে। পরে প্রোডাকশনের ছেলেকে গুনতে দিই। দেখা যায় পাঁচ শর মতো টাকা পেয়েছি। তখন মনে হলো, বাহ্‌ ভালো লাভ তো। কম পরিশ্রমে, কম সময়ে ভিক্ষা করে তাহলে ভালো টাকা পাওয়া যায়, এটা ভাবছিলাম।’

    তবে শুটিংয়ে মানুষের কাছে হাত পেতে বিরূপ অভিজ্ঞতাও হয়েছে। ‘এটা সহজ পদ্ধতি ঠিক। চাইলে মানুষ মূল্যবোধ বিকিয়ে করতে পারে, কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ এর সঙ্গে জড়িত না। কিছু না হলে যে কেউ এভাবে হাত পাততে পারবে না। কারণ, এখানে অসম্মানের ব্যাপার রয়েছে। এটার মধ্যে একটা অসম্মানও রয়েছে। আরেকজনের কাছে হাত পাততে হয়,’ বলেন নাসির।

    ‘নয়া নোট’ নামে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। এটি পরিচালনা করেছেন অনন্য প্রতীক চৌধুরী। তিনি জানান, শুটিংয়ে ভিক্ষার চরিত্রে পাওয়া টাকাগুলো স্মৃতি হিসেবে রেখে দেওয়া হয়েছে। ভিক্ষার ‘নয়া নোট’ ঘিরে এগিয়ে চলে গল্প। দিন শেষে জীবনের নানা উপলব্ধির কথাই গল্পে সহজ করে বলার চেষ্টা করা হয়েছে ওয়েবে।

    এ ওয়েব সিরিজে বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন এ কে আজাদ সেতু, সমু চৌধুরী, দীপা খন্দকার, পার্থ শেখ, নওবা তাহিয়া প্রমুখ। ওয়েব সিরিজটি আইস্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক