Tag: একুশে পদক

  • আমি কবিতার মেয়ে ববিতা, জয়ার স্মৃতিচারণা

    চলচ্চিত্র অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতিতে সম্প্রতি একুশে পদক অর্জন করেছেন ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আখতার ববিতা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মাননা তুলে দেন।

    তার এই সম্মাননায় শোবিজ থেকে শুরু করে নানা মহলের মানুষ ববিতাকে ভালোবাসায় সিক্ত  করছেন। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ববিতাকে অভিনন্দন জানালেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

    ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করে জয়া জানান, ছোটবেলায় নাকি কেউ তার নাম জিজ্ঞেস করলে বলতেন—‘আমি কবিতার মেয়ে ববিতা!’ এমনকি সেসময়ে ঠিকভাবে ‘কবিতা’ শব্দটিও উচ্চারণ করতে পারতেন না বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জয়া লেখেন, ‘ছোটবেলায় নাকি আমি চুল গুছিয়ে মায়ের ঢলঢলে হাইহিল পড়ে ঘুরে বেড়াতাম। কেউ নাম জিজ্ঞেস করলে জবাবে বলতাম আমি কবিতার মেয়ে ববিতা। কবিতাও ঠিক করে বলতে পারতাম না। ক -অ -বিতা!’

    ববিতার অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করে জয়া আরও লেখেন, ‘ববিতা আমাদের অভিনয়শিল্পের পাওয়ার হাউস। তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি অভিনয় কীভাবে শিল্প হয়ে ওঠে, শিল্পীর ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য কীভাবে বহন করতে হয়। বহু দুর্বল সিনেমা স্মরণীয় হয়ে আছে শুধু তারই অভিনয়গুণে। ঢাকাই সিনেমার পরিচ্ছন্ন ধারাটি গড়ে উঠেছিল কেবলই তার অভিনয়ের শক্তিতে। সেই অবিকশিত সিনেমাজগতে থেকেও আশ্চর্য শক্তিতে তিনি নজর কেড়েছিলেন বিশ্বসিনেমার।’

    পোস্টের শেষাংশে জীবন্ত এই কিংবদন্তিকে অভিনন্দন জয়া আহসান লেখেন, ‘তার (ববিতা) একুশে পদক প্রাপ্তিতে আমরা সবাই গর্বিত। যদিও এই পদক তাকে আর নতুন কিছু দিতে পারেনি। দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার হিসেবে তিনি বরাবরই পেয়েছেন মানুষের প্রাণঢালা ভালোবাসা। তাকে অনিঃশেষ অভিনন্দন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চুকে প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করতেন, তার গান শুনতেন: চন্দনা

    ব্যান্ড মিউজিকের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চু। মৃত্যুর সাত বছর পর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন তিনি। প্রয়াত এই শিল্পীর মরণোত্তর সম্মাননাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গ্রহণ করেন তার স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।

    এদিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।

    পদক গ্রহণের পর আবেগাপ্লুত চন্দনা বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু বেঁচে থাকলে এই সম্মান পেয়ে নিঃসন্দেহে আরও বেশি খুশি হতেন। পুরস্কার গ্রহণের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় উঠে আসে অতীতের স্মৃতি।’

    ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় হয় চন্দনার। তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, তিনি আইয়ুব বাচ্চুর গান পছন্দ করতেন এবং একটা সময়ে নিয়মিত শুনতেনও।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল- এমন প্রশ্নে গণমাধ্যমকে বাচ্চুপত্নী বলেন, ‘কুশলাদী বিনিময় হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আইয়ুব বাচ্চুকে পছন্দ করতেন। তার গান শুনতেন, গানগুলো তার ভালো লাগে’। আমিও তাকে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি। তার হাত ধরে যেন দেশের সুন্দর পরিবর্তন আসে এই প্রত্যাশা করেছি।’

    সময় স্বল্পতা না থাকলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও কিছু বিষয় তুলে ধরতেন জানিয়ে চন্দনা বলেন, ‘সময়টা খুব অল্প ছিল। বইমেলা উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তাড়া ছিল, আর স্বাভাবিক নতুন একটা দায়িত্ব নিয়েছেন মন্ত্রণালয়েও অনেক কাজ। আমাদের বেশি কথা বলার সুযোগ হয়নি। যদি সময় পেতাম, তাহলে হয়ত সংগীতাঙ্গনের কিছু বিষয় তুলে ধরতে পারতাম। তবুও পদক গ্রহণের মুহূর্তটা অন্যরকম ছিল।’

    পদকপ্রাপ্তির পর আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ড এলআরবি-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক বার্তায় জানানো হয়, এই সম্মান কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়; এটি আইয়ুব বাচ্চুর আজীবন সংগীতসাধনার প্রতি জাতির গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন।

    উল্লেখ্য, ‘রুপালি গিটার’, ‘ঘুম ভাঙা শহর’, ‘সেই তুমি’, ‘এক আকাশের তারা’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা আইয়ুব বাচ্চু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • একুশে পদক নিয়ে রিকশা করে ফিরল ওয়ারফেজ

    অমর একুশের ভাষা আন্দোলন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যান্ড দল ওয়ারফেজকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করা হয়।  প্রথমবার একুশে পদক পাওয়ার পর তা নিয়ে রিকশাযোগে ফিরেছেন দলটির সদস্যরা।

    ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ফেরার পথে রিকশাচালকসহ ফেসবুকে হাস্যজ্জ্বল ছবি পোস্ট করেন ব্যান্ডটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও গিটারিস্ট ইব্রাহিম আহমেদ কমল। ছবিগুলো শেয়ার করে পোস্টের ক্যাপশনে কমল লেখেন, আমরা একুশে পদক গ্রহণ করে রিকশায় ফিরে এলাম।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হেভিমেটাল ব্যান্ড হিসেবে ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে ‘ওয়ারফেজ’। ব্যান্ডটির বর্তমান লাইন আপের দলনেতা ও ড্রামসে টিপু, ভোকালে পলাশ, লিড গিটারে কমল, সামির ও সৌমেন। এদিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এই সম্মাননা তুলে দেন।

    ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থি আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তা, বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথি, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিল্পীসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চুর একুশে পদক গ্রহণ করলেন তার স্ত্রী চন্দনা

    জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  এদিন সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বছরের পদকপ্রাপ্তদের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই বেসামরিক সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

    এ বছর সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। তার হয়ে মর্যাদাপূর্ণ পদক ও সম্মাননা গ্রহণ করেন স্ত্রী ফেরদৌস আখতার চন্দনা।

    পদক গ্রহণের পর আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘এটা শুধু আইয়ুব বাচ্চুর শিল্পী হিসেবে সম্মাননা নয়, এটা বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ও সঙ্গীতের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বছর দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করা হয়।

    অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থী আহমেদ এবং পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকারকে এই সম্মাননা পদক দেওয়া হয়।

    এছাড়া সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস এবং সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যান্ডের পক্ষে দলনেতা শেখ মনিরুল আলম টিপু এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান মুক্তাদিরকে একুশে পদক দেওয়ার দাবি আব্দুন নূর তুষারের

    একুশে পদক ২০২৬ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এতে কিংবদন্তি গায়ক, গিটারিস্ট ও সংগীত পরিচালক আইয়ুব বাচ্চু, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক ববিতাসহ ১০ জন পাচ্ছেন এবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এবার এ নিয়ে কথা বললেন আব্দুন নূর তুষার। 

    এবার সাহিত্যে কোনো একুশে পদক দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে কম কথা হয়নি। তবে এরই মাঝে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাবেক উপস্থাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুন নূর তুষার। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া সেই পোস্টে তিনি ইউটিউবার ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদিরকে একুশে পদক দেওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। পোস্টে আব্দুন নূর তুষার লিখেছেন, সালমান মুক্তাদিরকে একুশে পদক দিতে বিশেষ আবেদন ও অনুরোধ করছি। এটি একটি সিরিয়াস পোস্ট। সে প্রথম ইংলিশ অক্ষরে বাংলা বই লিখেছিল বলে শুনেছি। 

    সামাজিক মাধ্যমে নানা বিষয় নিয়ে সালমান মুক্তাদির সোচ্চার হলেও নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে বাংলা অক্ষরে তিনি লিখতে পারেন না। বাংলা বাক্য লিখেন ইংরেজি হরফ ব্যবহার করে। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা সময়েই সমালোচনার মুখে পড়েন এবং কটাক্ষের শিকার হন এ ইউটিউবার। 

    এবার আব্দুন নূর তুষার ঠিক এ বিষয়টি নিয়েই তাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এসব কথা বলেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • একুশে পদক প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন ওয়ারফেইজের টিপু

    প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কেনো ব্যান্ড একুশে পদক পেতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ তথা বাংলা হেভিমেটাল ও হার্ডরক গানের দিকপাল ব্যান্ড ওয়ারফেইজ সংগীতে ২০২৬ সালের এ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেতে যাচ্ছে। বিষয়টিকে বাংলাদেশের সংগীত তথা ওয়ারফেজ, তাদের শ্রোতা-ভক্ত, যারা ওয়ারফেজের সঙ্গে নেপথ্যে কাজ করেছেন, যারা ওয়ারফেজের সংগীতকে মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন তাদের লেখনি দিয়ে তাদের সবার অর্জন হিসেবে মন্তব্য করেছেন ওয়ারফেইজের ব্যান্ড লিডার ও ড্রামার শেখ মনিরুল আলম টিপু। 

    যুগান্তরকে তাৎক্ষণিকভাবে এক প্রতিক্রিয়ায় শেখ মনিরুল আলম টিপু বলেন, সত্যিই অবিশ্বাস্য! কিছুই জানতাম না যে এমন কিছু হতে যাচ্ছে। এটি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি। বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের জন্য অন্যতম প্রাপ্তি। 

    তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি সবার, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের; ওয়ারফেইজের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সব লাইনআপের সদস্যদের, আমাদের ভক্ত-শ্রোতাদের, যারা ব্যান্ডকে সবসময় সহযোগিতা করেছেন সামনে থেকে এবং যারা ওয়ারফেইজের মিউজিক নিয়ে লিখেছেন সেসব সাংবাদিকদেরও। এ আনন্দ আমরা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।

    বাংলাদেশের প্রথম হেভি মেটাল ব্যান্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয় ব্যান্ড ওয়েভসকে। তবে দেশে এ ধারার ব্যান্ডের মূল জোয়ারটি আসে গত শতাব্দির আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে। এতে নেতৃত্ব দেয় চারটি ব্যান্ড। ওয়ারফেজ, রকস্ট্রাটা, ইন ঢাকা ও এসেস। তবে চারটি ব্যান্ডের মধ্যে বর্তমানে বিরদর্পে এখনও দেশের মানুষকে হেভি মিউজিক উপহার দিয়ে চলেছে একমাত্র ওয়ারফেজ। যারা নিয়মিত দেশে ও দেশের বাইরে কনসার্ট করে চলেছে। ওয়ারফেইজ শুধু বাংলা হেভি মেটালে পাইওনিয়ার ব্যান্ডই নয় বরং উপমহাদেশে বাংলা হেভিমেটাল ও হেভি মেটাল সংগীত শ্রোতাপ্রিয়  করতে নেতৃত্বে ভূমিকা পালন করে আসছে। তাদের সংগীত থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশসহ কলকাতা এবং বিশ্বের নানা স্থানে বাংলা ভাষাভাষী হেভি মেটাল ব্যান্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ওয়ারফেইজের জন্ম ১৯৮৪ সালে। কমল, মীর, হেলাল, নাইমুল ও বাপ্পি মিলে ব্যান্ডটি গঠন করেন। তবে ওয়ারফেইজের ক্ল্যাসিক লাইন-আপ হিসেবে আজও জনপ্রিয় কমল, টিপু, সানজয়, বাবনা ও রাসেল। ১৯৯১ সালে ওয়ারফেইজের প্রথম অ্যালবাম বাজারে এসেই বাজিমাত করে ওয়ারফেইজ। একে একে প্রকাশ হয় অবাক ভালোবসা, জীবনধারা, অসামাজিক, আলো, মহারাজ, পথচলা, সত্য অ্যালবামগুলো। 

    ওয়ারফেইজে দেশের খ্যাতিমান সব মিউজিশিয়ানরা কাজ করেছেন নানা লাইনআপে। তার মধ্যে রেশাদ, ফুয়াদ ইবনে রাব্বি, রোমেল আলী, বালাম, বেজবাবা সুমন, ইকবাল আসিফ জুয়েল, সাজ্জাদ, মিজান, বীজু, অনি অন্যতম। 

    ওয়ারফেইজের বর্তমান লাইনআপে আছেন কমল, টিপু, শামস, রজার, পলাশ, সামির ও সৌমেন। 

    হক ফারুক

  • ‘একুশে পদকপ্রাপ্তির খবর শুনেছি চিঠি পাইনি’

    দেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। 

    একুশে পদকের জন্য মনোনীত বাকিরা হলেন- অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, আইয়ুব বাচ্চু, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজশ হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ। আর প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘ওয়ারফেজ’। 

    একুশে পদকের খবরে ববিতা জানান, সরকার থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাননি তিনি।  অভিনেত্রী বলেন, ‘এটা শুনে ভালো লাগল। তবে একুশে পদকপ্রাপ্তির খবর এখনো আমার হাতে আসেনি, প্রজ্ঞাপনও চোখে পড়েনি। অফিসিয়াল চিঠি পেয়ে নিই, তারপর একুশে পদক পেয়ে কেমন লাগছে-সেটা জানানো সমীচীন মনে করছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত অভিনয় জীবনে সাড়ে তিন শতাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন ববিতা। ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর জিতেছেন তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার। ১৯৮৫ সালে আবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, ১৯৯৬ সালে শ্রেষ্ঠ প্রযোজক, ২০০২ ও ২০১১ সালে পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন ববিতা। ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা জানানো হয়। 

    নন্দিত নির্মাতা জহির রায়হানের ‘সংসার’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে ববিতার অভিষেক হয় ১৯৬৮ সালে। তখন তার নাম ছিল ফরিদা আক্তার পপি। পরে আব্দুল্লাহ আল মামুনের টেলিভিশন নাটক ‘কলম’-এ অভিনয় করেন তিনি। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ ছবিতে অভিনয়ের সময় তাকে ‘ববিতা’ নাম দেওয়া হয়। 

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত উপন্যাস ‘অশনি সংকেত’ অবলম্বনে উপমহাদেশের খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন, যা ববিতার চলচ্চিত্রজীবনের উল্লেখযোগ্য একটি সিনেমা। 

    পরবর্তীতে এই অভিনেত্রীকে ‘টাকা আনা পাই’, ‘স্বরলিপি’, ‘বাঁদী থেকে বেগম’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’, ‘কি যে করি’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘অনন্ত প্রেম’, ‘বসুন্ধরা’, ‘পোকামাকড়ের ঘর বসতি’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘জীবন সংসার’, ‘দীপু নাম্বার টু’, ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘এখনো অনেক রাত’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘হাছন রাজা’, ‘চার সতীনের ঘর’-এর মতো সিনেমায় দেখা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর ৭ বছর পর একুশে পদক পাচ্ছেন আইয়ুব বাচ্চু, স্ত্রীর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশি ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমানো এই ব্যান্ড তারকা এবার দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক পাচ্ছেন।  প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানালেন তার স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।  আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ড এলআরবি-ও ফেসবুক পোস্টে তাকে স্মরণ করেছেন। 

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ফেরদৌস আক্তার চন্দনা বলেন, ‘খবরটা শুনে খুশি হলাম। বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো। বাচ্চুর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আছে। দেরিতে হলেও পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’ 

    ২০২০ সালে কার্যক্রম শুরু করা আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন নিয়ে চন্দনা বলেন, ‘সবার দোয়া চাই। আমরা তার রেখে যাওয়া কাজ যেন শেষ করতে পারি।’ তিনি বর্তমানে ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর এই অর্জনে তার ব্যান্ড এলআরবি-ও তাকে স্মরণ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘২০২৬ সালের একুশে পদকে ভূষিত হচ্ছেন বাংলা রকের অগ্রদূত, কিংবদন্তি শিল্পী রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু। এটি শুধু একজন শিল্পীর সম্মাননা নয়, এটি বাংলা সংগীতের প্রতি তার আজীবন সাধনা, সততা ও সাহসী সৃজনশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। 

    গিটার হাতে তিনি যে ভাষায় গান করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রেম, প্রতিবাদ, স্বপ্ন আর জীবনের গল্প তিনি সুরে সুরে বলে গেছেন অক্লান্তভাবে। আইয়ুব বাচ্চু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার গান আমাদের রক্তে, আমাদের স্মৃতিতে, আমাদের চলার পথে বেঁচে থাকবে চিরকাল। একুশে পদক সেই চিরজীবী সুরেরই প্রাপ্য সম্মান।’ 

    সঙ্গে ব্যান্ডটির তরফ থেকে এই সম্মাননা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ, সম্মানিত জুরি বোর্ড ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়। উল্লেখ্য, এ বছর প্রথমবারের মতো একুশে পদক পাচ্ছে জনপ্রিয় হেভিমেটাল ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • একুশে পদক পাচ্ছে ব্যান্ড ওয়ারফেজ, আবেগাপ্লুত হয়ে যা বললেন দলনেতা টিপু

    বাংলাদেশের হেভি মেটাল সংগীতের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি ব্যান্ড ওয়ারফেজ। ১৯৮৪ সালের ৫ জুন ঢাকায় গঠিত হওয়া এই ব্যান্ডটি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে বাংলা রক ও মেটাল সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে রাজত্ব করছে। এ বছর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক পেতে যাচ্ছে এ ব্যান্ড দলটি। 

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকায় জায়গা পেয়েছে ‘ওয়ারফেজ’। 

    প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইংরেজি গান কাভার করত এই ব্যান্ড দলটি। সেই সময়ের আরেক ব্যান্ড ‘ফিডব্যাক’-এর ভোকাল মাকসুদুল হকের পরামর্শে ইংরেজি ছেড়ে বাংলা গান শুরু করেন তারা। তখন থেকেই ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেয় চার দশকের বেশি সময় ধরে সংগীতে রাজত্ব করা ব্যান্ডটি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ১৯৯১ সালে দলের নামেই প্রকাশিত হয় প্রথম হেভিমেটাল গানের অ্যালবাম ‘ওয়ারফেজ’। বলা যায়, তাদের হাত ধরেই বাংলায় হেভিমেটাল জেগে ওঠে। ইংরেজি থেকে তরুণরা তখন বাংলা হেভিমেটালের দিকে মুখ ফেরায়। তাদের মুখে মুখে ফিরতে থাকে ‘একটি ছেলে’, ‘বসে আছি’, ‘রাত্রি’, ‘আশা’, সন্ধ্যা’-এর মতো গানগুলো যা এখনো শ্রোতাদের কাছে একইরকম জনপ্রিয়। 

    ওয়ারফেজের জনপ্রিয় গানের তালিকায় ‘অসামাজিক’, ‘জীবনধারা’, ‘ধূসর মানচিত্র’, ‘মহারাজ’, ‘মৃত্যু এলিজি’, ‘পথচলা’, ‘পূর্ণতা’-এর মতো গানগুলো উল্লেখযোগ্য। ২০২৪ সালে ব্যান্ডটি পথচলার চার দশক উদযাপন করেছে। দীর্ঘ এই যাত্রায় অনেক ভাঙা-গড়ার ভেতর দিয়ে গেলেও ওয়ারফেজ কখনোই হারিয়ে যায়নি। বরং যতবারই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়েছে, ততবারই আরও শক্তিশালী হয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে তারা। 

    ব্যান্ড সংগীতের সঙ্গে জড়িতরা মনে করেন, দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ড্রামার টিপু ও গিটারিস্ট কমল দলটিকে টিকিয়ে রেখেছেন। ওয়ারফেজের বর্তমান লাইন আপের দলনেতা ও ড্রামার টিপু, ভোকালে পলাশ, লিড গিটারে কমল, সামির ও সৌমেন। 

    এদিকে, যখন একুশে পদক পাওয়ার খবরটি ওয়ারফেজ পায়, তখন তারা একটি কনসার্টের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সুখবরে ব্যান্ডের দলনেতা শেখ মনিরুল আলম টিপু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একটি কনসার্টে পারফর্মের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, এমন সময় এ খবর এল। খবরটি শুনে আমরা সবাই আপ্লুত। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সম্ভবত দেশের প্রথম ব্যান্ড হিসেবে রাষ্ট্রের এ সর্বোচ্চ সম্মাননা পাচ্ছে ওয়ারফেজ।’ 

    এই অর্জনে টিপু ব্যান্ডের সাবেক সব সদস্যদের স্মরণ করতেও ভুলেননি। তিনি বলেন, ‘এ পথচলায় এখন পর্যন্ত যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন, এ পুরস্কার সবার। প্রতিটা সদস্য থেকে নেপথ্যের প্রতিটা মানুষ এর ভাগীদার। এর কৃতিত্ব আমাদের প্রতিটি পরিবারের, তাদের অনেক স্যাক্রিফাইসে আমরা আজকের ‘ওয়ারফেজ’। কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সব শ্রোতা ও গণমাধ্যমকে। আপনারা না থাকলে আমরা অর্থহীন।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইয়ুব বাচ্চু, ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন যারা

    ঘোষণা করা হল দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক-২০২৬-এর চূড়ান্ত তালিকা। এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কিংবদন্তি গায়ক ও সংগীত পরিচালক আইয়ুব বাচ্চু এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক ববিতাসহ মোট ১০ জন পাচ্ছেন এই পুরস্কার।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

    একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন ববিতা, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, আইয়ুব বাচ্চু, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজশ হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ, আর ব্যান্ড মিউজিকে ওয়ারফেজ।

    বিনোদন ডেস্ক