Tag: ঋতুপর্ণা

  • আমাদের ভিতটা ‘পুরাতন’ বলে টিকে গেছি: ঋতুপর্ণা

    দ্রুতই মুক্তি পাচ্ছে টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের নতুন সিনেমা ‘পুরাতন’। এর আগে একটি গণমাধ্যমে তার সিনেমা, জীবন ও নানা বিষয়ে নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী। 

    ‘পুরাতন’–এর গল্পটা কেন ভালো লেগেছিল?—এমন প্রশ্নের উত্তরে ঋতুপর্ণা বলেন, এই সিনেমার গল্পটা পুরাতন আর নতুনের মেলবন্ধন। আমার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ওর মতো একজন প্রথিতযশা শিল্পী, যিনি পুরোনো সময়টা দারুণভাবে যাপন করেছেন, আজ অবধি উনি রেলিভেন্ট থেকেছেন, তাকে নিয়ে সিনেমা করলে স্ক্রিপ্টটা তো একটু বিশেষ হতেই হবে। উনি আমাকে বলেছিলেন— চিত্রনাট্য পছন্দ হলে তবেই সিনেমাটা করবে। আমরাও চেষ্টা করেছি ওকে দারুণ একটা চরিত্র দিতে, যাতে এত বছর পর ওর অভিনয় করাটা জাস্টিফিকেশন থাকে।

    তিনি বলেন, ‘পুরাতন’–এ আমার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শর্মিলাজি। আমি সুমনকে বলেছিলাম (পরিচালক সুমন ঘোষ) মা আর মেয়ের গল্প নিয়ে একটা ফিল্ম করতে চাই। তখন ও এই গল্পটা শোনায়। মায়েদের পুরাতন, সনাতন চিন্তাভাবনা থাকে। তার সঙ্গে আমাদের যে নতুন ধারণার মেলবন্ধনকে খুব ভালো একটা স্টোরি লাইনে বাঁধা যেতে পারে বলে মনে হয়েছিল। সেই থেকেই ‘পুরাতন’।

     এক বছর আগে আপনি মা–কে হারিয়েছেন। এই গল্পটা কি সেই জন্যে বিশেষ? ঋতুপর্ণা বলেন, অবশ্যই। মাকে হারানোর পর সিনেমাটা যেন আরও বেশি করে বুকের মধ্যে বাজছে। মাকে ফিল্মটা দেখাতে পারলাম না বলে খুব কষ্ট হচ্ছে।  তিনি বলেন, মায়ের সঙ্গে সময় কাটানো, মায়ের কাছাকাছি থাকা, এটার যে একটা আলাদা মর্ম আছে, সেটা বুঝতাম। কিন্তু তবু আমাদের ব্যস্ততার জন্য কখনো-কখনো সেই সময়টা হারিয়ে ফেলি আমরা। কিছু সময় মা অসুস্থ ছিলেন। শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। কিন্তু হারিয়ে ফেলা সময়টার যে দুঃখ, সেটা তো চিরদিনই বইব। এই সিনেমার মধ্যেও মা–মেয়ের অদ্ভুত কিছু মুহূর্ত আছে। সেই মুহূর্তগুলো এখন আরও বেশি মূর্ত হয়ে উঠেছে। মাকে হারানোটা বিরাট বড় একটা ভ্যাকিউম তৈরি করেছে। এই ফিল্মটা দেখলে দর্শকরা ভালোলাগার রেশ বয়ে নিয়ে চলবেন বলেই আমার মনে হয়।

    এতটা সময় কাটানো, একসঙ্গে অভিনয় করার পর, মানুষ হিসেবে শর্মিলা ঠাকুরকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, শর্মিলাজির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা দারুণ। বন্ধন, স্বতঃস্ফূর্ততা, ডিগনিটি, এলিগেন্স —বলে বোঝানো যাবে না। উনি একজন সফল মানুষ। কাজের দিক থেকে সফল, স্ত্রী হিসাবে, মা হিসাবে এবং দিদা–ঠাকুমা হিসাবে সফল। তিনি বলেন, আমি দেখেছি ফিল্মের সেটে বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলতে, ছেলেমেয়ের সঙ্গে কথা বলতে। কখনো সাইফ আবার কখনো সোহা–সাবা (আলি খান) ফোন করতেন। কোনো এক নাতি বা নাতনির জন্মদিন ছিল। উনি বললেন, ‘আমি এই বলটা কিনব ওর জন্য’। এই যে আদর, এখন দেখে মনে হয়, এটাই জীবনের শ্রেষ্ঠ পাওয়া। ঋতুপর্ণা বলেন, এই সংক্রান্তিতেই আমি ভাবছিলাম, আমার মা নেই, ঠাকুমাও নেই, পিঠে–পুলি বানানোর আর কেউ নেই। অনেকেই নিয়ে এসেছেন। কিন্তু মা–ঠাকুমার আদরটা নেই।

    শিল্পীরা আবেগপ্রবণ মানুষ হন, আর প্রযোজককে হিসাবি হতে হয়। এই দুই সত্তাকে সামলান কীভাবে? ঋতুপর্ণা বলেন, একটা গল্প বলি—একদিন আমি শর্মিষ্ঠাকে (মুখোপাধ্যায়) বললাম, কী রে আমার শট নিলি না? ও বলল, ‘আজ তোমার শট নেওয়া যাবে না। ওই অ্যারেঞ্জমেন্টে অন্য শটগুলো নিতে হবে। না হলে খরচ বাড়বে।’ আমি তখন বললাম, আমার ডেটটা তো তা হলে নষ্ট হলো। শর্মিষ্ঠা বলেন, ‘ভুলে যেও না এটার প্রযোজকও তুমি।’ আমার অভিনেত্রী সত্তাটাই সবচেয়ে বেশি ডমিনেটিং। আগে থেকেই বলে দিই কতটা পারব আর কোনটা পারব না। সেটে আমি শুধুই অভিনেত্রী। আমার সংস্থার নাম হলেই খুশি।

    ওটিটি–তে কাজ করার ইচ্ছা আছে? অভিনেত্রী বলেন, অবশ্যই। এটা আমার বহুদিনের আশা। আমি অপেক্ষা করে আছি, দারুণ একটা চরিত্রর জন্য, যা অভিনেত্রী হিসেবে আমাকে ভাবাবে। যে চরিত্রটা আমাকে দিয়ে দারুণ এক্সাইটিং কিছু করিয়ে নেবে।

    সামাজিক মাধ্যম ছাড়া সুপারস্টার হওয়ার কাজটা কতটা কঠিন বলে মনে করেন? এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণা বলেন, আমি সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনা করতে চাই না। তবে আমি যে সময়ে কাজ শুরু করেছিলাম, পরিচালককে অবলম্বন করেই এগিয়েছি। তখন এত মিডিয়া ছিল না। ভ্যানিটি ভ্যান ছিল না। যখন যে রকম পরিস্থিতি, সেখানেই মেকআপ, ড্রেস চেঞ্জ করে নিতাম। আমাদের ভিতটা পুরাতন। তাই এত বছর টিকে গেছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতিতে আসার বিষয়ে মুখ খুললেন ঋতুপর্ণা

    তারকাদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নতুন কিছু নয়। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারণা, ভোট চাওয়া এবং বিভিন্ন প্রোমোশনাল অনুষ্ঠানে তারকাদের দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার সরাসরি যুক্ত হয়ে ভোটের মাঠেও প্রার্থী হয়েছেন।

    এবার ভারতের রাজনীতিতে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর যুক্ত হওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তাহলে কি রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন এ অভিনেত্রী? চারদিকে যখন এমন নানা প্রশ্ন ও চর্চা, ঠিক তখনই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন ঋতুপর্ণা।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি সংসদকেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন অভিনেত্রী রচনা। তার বিপরীতে প্রার্থী হয়েছিলেন বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়। ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী নেত্রী লকেটকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন রাজনীতিতে নবাগতা রচনা। আবার আগামী বছরই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এবার কি সেই নির্বাচনে অংশ নেবেন ঋতুপর্ণা?

    এ ব্যাপারে টালিউড তারকা বলেছেন, আমি রাজনীতির কিছু বুঝি না। এ কারণে রাজনীতি থেকে দূরে। আমি একজন শিল্পী, তাই শিল্পী হিসেবেই থাকতে চাই।

    তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যদি কখনো প্রস্তাব করেন, তাহলে রাজনীতিতে যুক্ত হবেন কিনা? জবাবে ঋতুপর্ণা বলেন, তখন আমি মুখ্যমন্ত্রীকেই বলব এ সংক্রান্ত কথা।

    প্রসঙ্গত, চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারের উদ্যোগে চুঁচুড়া উৎসব শুরু হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা। সেখানেই এসব নিয়ে কথা বলেছেন এ টালিউড তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বুড়ির লজ্জা নেই’ ঋতুপর্ণাকে নিয়ে ট্রল

    কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ করতে গিয়ে সমালোচনার শিকার হন ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

    আরজিকর কাণ্ডের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সমালোচনা থেমে নেই ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে নিয়ে।

    গতকাল সোমবার পূজা উপলক্ষ্যে একটি ভিডিও শেয়ার করেন ঋতুপর্ণা। সেই ভিডিওর নিচে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। অনেকে অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের তারিফ করেছেন, আবার কেউ কেউ আরজিকর প্রসঙ্গ টেনে ট্রল করেছেন। 

    একজন মন্তব্য করেছেন, ‘তোমাকে দেখে মনেই হয় না বয়স বাড়ছে’!

    আরেকজন লেখেন, ‘মিষ্টি দিদি’। তো কেউ আবার ট্রল করে লিখলেন, ‘ন্যাকামো…আনলিমিটেড’। আরেকজন লিখেছেন, ‘বুড়ির লজ্জা নেই’। 

    ঋতুপর্ণার জন্ম কলকাতায়। খুব অল্পবয়সেই অঙ্কন, নৃত্যশিল্পে দক্ষতা অর্জন করেন। মাউন্ট কারমেলে স্কুলজীবন শেষ করে লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক শেষ করেন ঋতুপর্ণা। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাবিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৮৯ সালে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার পর পড়াশোনায় ইতি টানেন। 

    নব্বইয়ের দশকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একের পর এক বাণিজ্যিক বাংলা ছবিতে জুটি বেঁধে সাফল‍্যের শিখরে পৌঁছে যান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিক্ষোভের মুখে পালালেন ঋতুপর্ণা

    আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে বুধবার রাতে শ্যামবাজারের জমায়েতে অংশ নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অন্যদিকে দক্ষিণ কলকাতায় যাদবপুরে মানুষের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে গত ১৪ আগস্ট প্রথম ‘রাত দখল’ কর্মসূচির সাক্ষী ছিল গোটা রাজ্য। আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি করের শুনানির কথা মাথায় রেখে বুধবার ফের রাত দখলের আহ্বান জানানো হয়। সন্ধ্যা থেকেই শহরের রাস্তায় ভিড় বাড়তে শুরু করে। জমায়েতে অংশ নেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। রাত ৯টায় শুরু হয় ঘণ্টাব্যাপী আলো নিভিয়ে প্রতিবাদ। এরপর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রতিবাদের ভিড় ক্রমশ বাড়তে শুরু করে।

    এদিকে উত্তর কলকাতায় দেখা যায়, রাত ৯টার দিকে কলেজ স্কোয়ারে জমায়েতে ক্রমশ ভিড় বাড়তে শুরু করে। আস্তে আস্তে সেই জমায়েত মানবশৃঙ্খলে রূপান্তরিত হয়। প্রত্যেকের হাতে জ্বলে উঠল মোমবাতি। কণ্ঠে ধ্বনি—‘তোমার স্বর আমার স্বর, জাস্টিস ফর আরজি কর।’ এ ধ্বনি শোনা গেছে শ্যামবাজারেও। পাঁচমাথার মোড়ে মোমবাতি, মশালের আলোয় যেন অকাল দীপাবলি। আট থেকে আশি— সন্ধ্যা থেকে পথে। বর্ষীয়ানরা নিজেদের মেয়ে, নাতনির মুখ মনে করে জয়ামেতে এসেছেন বলে জানিয়েছেন। মোমবাতির সঙ্গে চলেছে পথে আঁকা, বার্তা লিখন। এই ভিড়ে মিশে বিচার চেয়েছেন টালিউডের অনেকেই। উপস্থিত ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, তথাগত মুখোপাধ্যায়, দেবলীনা দত্ত, বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়, সোহম মজুমদার, সোলাঙ্কি রায়, ঋষভ বসু, রাতাশ্রী দত্তেরা। যাদবপুরের জমায়েতে উপস্থিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। মোমবাতি জ্বেলে তিনি প্রতিবাদ জানান।

    ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১২টা। স্তব্ধতা এই জনবহুল চত্বরে। এক মিনিট নীরবতা উৎসর্গ করা হলো নির্যাতিতাকে। মোমের স্নিগ্ধ আলো নিভে তখন সারি সারি মুঠোফোন জ্বলছে। আর তাই দেখে উপস্থিত মৃতার মা-বাবার গলা আবেগে কাঁপছে। তাদের আর্জি— এই প্রতিবাদের আগুন যেন না নেভে। তারা কৃতজ্ঞ, এক সন্তানকে হারিয়ে লাখো সন্তানের জনক-জননী হয় উঠেছেন তারা।

    শ্যামবাজারের পাঁচমাথার মোড়ে জমায়েতে উপস্থিত হয়ে টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা বলেন, ‘এত মানুষের প্রতিবাদ বৃথা যাবে না। আমি সুবিচারের আশায় রয়েছি।’ তিনি বলেন, কোচবিহারের মাথাভাঙায় আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ তিনি সমর্থন করেন না। 

    এর কিছুক্ষণ পরেই আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিনেত্রী। তার উদ্দেশে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। চার পাশ থেকে উলুধ্বনি এবং শঙ্খ বাজিয়ে ব্যঙ্গ করা হয় অভিনেত্রীকে। কিছুক্ষণ পর গাড়িতে উঠে শ্যামবাজার ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন ঋতুপর্ণা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে ঋতুপর্ণার কষ্ট!

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যান দেশ ছেড়ে। তার পদত্যাগের পরই ভেঙে দেওয়া হয় সংসদ। হাসিনার পলায়নের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি, নেতাকর্মীরা। কেউ কেউ দেশের ভেতরেই আত্মগোপনে চলে যান। তাদেরই একজন ঢাকা-১০ আসনের সাবেক এমপি চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ।

    rnrn

    শেখ হাসিনা ভারতে যাওয়ার পর থেকেই কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না তার। ঢাকাই সিনেমার এ নায়কের বেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেই ফেরদৌসের বাড়িতে ঘুরতে যান ঋতুপর্ণা। তবে আওয়ামী লীগের পতনের পর বিগত এক মাসে ফেরদৌসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি এ অভিনেত্রী।

    rnrn

    প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে বেশ চিন্তিতও তিনি। ঋতুপর্ণা বলেন, ‘গত এক মাস ধরে ফেরদৌসের খোঁজ পাইনি। তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারও বন্ধ পাচ্ছি। প্রত্যেকের আলাদা আলাদা রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করার অধিকার আছে। ফেরদৌসও সেভাবে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছে, সংসদ সদস্য হয়েছে। আমি জানার বহু চেষ্টা করেছি সে এখন কেমন আছে, কোথায় আছে। কেউ যদি আমাকে জানাতে পারেন চিন্তামুক্ত হতাম। ওর জন্য খুব কষ্ট পাচ্ছি।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • কোনো কটাক্ষ গায়ে মাখছি না, এবার মাঠে নামব: ঋতুপর্ণা

    আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এ ঘটনার পেরিয়ে গেছে ১৪ দিন। এতদিনেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা বলেছেন, কোনো কটাক্ষ গায়ে মাখছি না। এতদিন দূর থেকে প্রতিবাদ করেছি, এবার রাজপথে নামব।

    rnrn

    আর্টিস্ট ফোরামের মিছিলে দেখা যাবে তাকে। এতদিন নানা কারণে শহরের বাইরে থাকায় পথে নেমে প্রতিবাদ জানাতে পারেননি এ টালিউড অভিনেত্রী। এবার রাজপথে নামার হুমকি দিলেন তিনি।

    rnrn

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তপ্ত গোটা দেশ। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নিজের মতো করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত ১৪ আগস্ট দেশের বাইরে থাকায় তিনি শাঁখ বাজিয়েছিলেন। তাই নিয়ে তুমুল কটাক্ষ করা হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। গতকাল শনিবার নায়িকা নিজের শহরে আসেন।  আনন্দবাজার অনলাইনকে ঋতুপর্ণা বলেন, নানা কারণে শহরের বাইরে ছিলাম। বাইরে থাকলেও মন পড়েছিল এখানেই। শামিল হতে না পারলেও দূর থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এদিন সন্ধ্যায় তিনি আর্টিস্ট ফোরাম আয়োজিত গণসমাবেশে যোগ দিচ্ছেন, এ খবর জানাতে ভোলেননি।

    rnrn

    মন থেকে মৃতা তরুণী চিকিৎসকের জন্য ঈশ্বরের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন এ অভিনেত্রী। অথচ তার প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে কটাক্ষের ঝড় বয়ে যায় সামাজিকমাধ্যমে। সেই প্রসঙ্গ তুলতেই ঋতুপর্ণার জবাব— কিছুই গায়ে মাখছি না। কোনো কটাক্ষের জবাবও দেব না। যার যা মনে আসে, বলুক।

    rnrn

    তিনি বলেন, আমরা শিল্পী তো। আমাদের অনুভূতি সবাই বুঝতে পারবেন না। কিন্তু আমি তো জানি, আমি কত কষ্টে আছি! রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারছি না। ভুললে চলবে না, আমারও কিন্তু মেয়ে আছে। ঋষণাকে তাই আপাতত চোখের আড়াল করতে চাইছি না। আর পাঁচজন মায়ের মতোই সারাক্ষণ আগলে রাখার চেষ্টা করছেন বলে জানান ঋতুপর্ণা।

    rnrn

    এ অভিনেত্রী বলেন, মুম্বাই থেকে শহরে এসেছি শনিবারের অভ্যুত্থানে যোগ দেব বলে। না হলে শান্তি পাচ্ছিলাম না। আজ (গতকাল) সবার সঙ্গে পথে নেমে, পা মিলিয়ে কিছুটা হলেও হয়তো স্বস্তি মিলবে। একই সঙ্গে তিনি নারী নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার।

    rnrn

    এর আগে আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, এত যন্ত্রণা সয়ে এক মেয়ের মৃত্যুবরণ করা! তা হলে কোথায় নিরাপদ আমরা?

    rnrn

    ঋতুপর্ণা বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া আইনপ্রয়োগ ও শাস্তিও চান তিনি। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, যাতে বাকিরা অন্যায় করার আগে দুবার ভাববেন। তার আশা, তাতে যদি নারীদের জীবন বদলায়।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • ঋতুপর্ণার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন ফেরদৌস!

    ঢালিউডের অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ। অভিনয় থেকে আসেন রাজনীতির ময়দানে। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে ঢাকা-১০ আসনে সংসদ-সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। কিন্তু ভাগ্য তার সহায় হলো না। শপথ নেওয়ার সাত মাসের মধ্যেই সংসদ ভেঙে গেছে। ছাত্র-জনতার একদফা দাবির মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা।

    rnrn

    আওয়ামী সরকারের পতনের আভাস পেয়ে হাসিনার পদত্যাগের আগের দিনই বিদেশে পালিয়েছেন তার কয়েকজন মন্ত্রী ও এমপি। তাদেরই একজন ফেরদৌস। তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ফেরদৌস ভারতে দীর্ঘদিনের বন্ধু কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন। হোটেলে থাকা নিরাপদ মনে করছেন না তিনি।

    rnrn

    কারণ কলকাতায় অনেক বাংলাদেশি পর্যটকের উপস্থিতি রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সহসাই দেশে ফিরবেন না এ অভিনেতা। বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সিনেমারও পরিচিত মুখ ফেরদৌস। রাজনীতির মাঠে নামার ‘গ্রিনকার্ড’ পাওয়ার জন্য ফেরদৌসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা।

    rnrn

    ঢাকায় এসে বন্ধুর নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কথাও বলেছিলেন সে সময়। বন্ধুর জয়ে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন এ টলিউড অভিনেত্রী। এবার বন্ধুর বিপদে পাশে দাঁড়ালেন বলে খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, ছাত্র আন্দোলনের সময় সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে হত্যার পরও ফেরদৌসসহ সংস্কৃতি জগতের অনেকেই শেখ হাসিনাকে সমর্থন দিয়েছেন।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • শ্রীলেখার তোপের মুখে ঋতুপর্ণা

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। টালিকুইন খ্যাত এই নায়িকার বর্তমান সময় খুব ভালো যাচ্ছে না। সম্প্রতি রেশন দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছে তার নাম। এই মামলায় ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জেরার মুখে পড়েছেন ঋতুপর্ণা। গত জুন মাসে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে যান তিনি। পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    তবে এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। ইডির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম।

    বিষয়টি নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে তখন ঋতুপর্ণাকে নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন শ্রীলেখা। ঋতুপর্ণার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, চুরি না করলে টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছেন কেন? ৭০ লাখ টাকা তো মুখের কথা না। সাধারণ মানুষের থেকে চুরি করা টাকা। কেউ নিজের আয় করা টাকা এমনি এমনি দেবে না।

    এ ভিডিওতে হাত নেড়ে কথা বলতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ক্যামেরার সামনে হাত নেড়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন? আপনি অস্কার পাচ্ছেন না, আপনাকে চোর বলা হচ্ছে। লজ্জা করে না?   

    ঋতুপর্ণার বিষয়টি নিয়ে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নীরব থাকবে। এ তথ্য উল্লেখ করে শ্রীলেখা লেখেন, তারপরেও মিডিয়া এনাদের নাম্বার ওয়ান শিরোপা দিবে? আমার ইউটিউব ভিডিও নিয়ে মিডিয়ার এক অংশ এবং ইন্ডাস্ট্রি এনাদের হয়ে কথা বলবেন। এখন দুর্নীতির কোনো সীমা নেই। ছি! ধিক্কার জানাই। খেয়াল করে দেখবেন, আমার এই পোস্ট নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন নির্বাক থাকবে।’

    জেরার পর ঋতুপর্ণা জানান, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে তার কাছে যে-সব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। এরপরই নাকি ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সরাসরি কিছু বলেননি ঋতুপর্ণা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি করেননি! তবু কেন ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিচ্ছেন ঋতুপর্ণা

    দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিচ্ছেন ঋতুপর্ণা। ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কাছে এ পরিমান টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছেন অভিনেত্রী। রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রীর কাছ থেকে নেওয়া ৬০ লাখ রুপি ফিরিয়ে দিয়েও তিনি কেন ইডির কাছে এ আবেদন করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।    

    রেশন দুর্নীতি মামলায় টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে মে মাসে ভারতীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তলব করে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অভিনেত্রী বলেছিলেন, রেশন দুর্নীতি কি, সে সম্পর্কে আমার কোনো সম্যক ধারণা নেই।

    ইডির কাছে দেওয়া ঋতুপর্ণার এ বক্তব্যের পর মাস ঘুরতে না ঘুরতেই ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করছেন। 

    ভারতের গণমাধ্যমে ইডির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে।

    গত ১৯ জুন ইডির দপ্তরে যান ঋতুপর্ণা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, যে নথি ইডির কর্মকর্তারা চেয়েছিলেন, তা জমা দিয়েছি। আমি তাদের সহযোগিতা করেছি। তারাও আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। এই দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোনো যোগ নেই। এর থেকে বেশি কিছু বলতে পারব না।

    ইডি সূত্রে জানা গেছে, রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। ঋতুপর্ণার মাধ্যমে রেশন দুর্নীতির প্রায় ৬০ লাখ রুপি টালিউডে বিনিয়োগ হয়েছে। সেই টাকা ঋতুপর্ণা ফিরিয়ে দিয়েছেন বলেও দাবি করেন। 

    তার পরেও ইডিকে কেন ৭০ লাখ রুপি ফেরানোর আবেদন তিনি জানালেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    এর আগে রোজভ্যালি কেলেঙ্কারিতেও ঋতুপর্ণাকে তলব করেছিল ইডি। রোজভ্যালির সঙ্গে তার লেনদেন হয়েছে বলেও তখন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবার রেশন দুর্নীতিতেও জড়ালেন এ অভিনেত্রী। 

    এখন ইডি তার অর্থ ফেরতের আবেদন মঞ্জুর করবে, না কি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে ঋতুপর্ণা

    ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দফতরে হাজির হয়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এর আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় তদন্তের জন্য অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু সেই তলবে সাড়া না দিলেও বুধবার তিনি সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে এসে হাজির হন । দুপুর ১টা নাগাদ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ঢুকে যান সিজিও কমপ্লেক্সের ভেতরে।

    rnrn

    বুধবার অভিনেত্রীর আসার অনেক আগেই তার হিসাবরক্ষক কাগজপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিজিওতে। অভিনেত্রীও যে ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে সিজিওতে আসছেন, তা জানা গিয়েছিল তখনই। তিনি আসার পর তাকে সাংবাদিকেরা ঘিরে ধরে নানা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আগে যাই…’

    rnrn

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি কর্মকর্তা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। 

    rnrn

    ওই সূত্রে আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    rnrn

    বুধবার ঋতুপর্ণার হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সব হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। 

    rnrn

    এর আগে গত ৫ জুন রেশন দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেত্রীকে ইডির দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। যদিও সে দিন ঋতুপর্ণা সিজিওতে হাজিরা দেননি। 

    rnrn

    ওই সূত্রে জানা যায়, বিদেশে থাকার কারণে ইডি দফতরে যেতে পারেননি অভিনেত্রী। এ কথা তিনি ইডি আধিকারিকদের ইমেইল করে জানিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা যায়, তার পরে তাকে আবার ইডি দফতরে যেতে বলা হয়েছিল।

    rnrn

    তাই বুধবার তার প্রতিনিধি ইডির দফতরে পৌঁছানোর পরেই অভিনেত্রীর সেখানে যাওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। পরে তার হিসাবরক্ষক বলেন, ‘উনি নিজে যেহেতু হিসাবের বিষয়টি দেখেন না, তাই আমি এ ব্যাপারে সাহায্য করতে এসেছি।’

    বিনোদন ডেস্ক