Tag: ইলিয়াস কাঞ্চন

  • কাঞ্চনের সঙ্গে গলা মেলালেন সুচন্দা-চম্পা

    দীর্ঘ ১৫ মাস লন্ডনে চিকিৎসা শেষে অল্প সময়ের জন্য দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। তার দেশে ফেরার খবর পেয়ে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিয়মিত তার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে গুলশানে কাঞ্চনের বাসায় হাজির হন ঢালিউডের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুচন্দা ও চম্পা।

    দুই বোনকে একসঙ্গে পেয়ে বেশ আনন্দিত হন ইলিয়াস কাঞ্চন। তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় গল্প ও আড্ডায় মেতে ওঠেন তিনি। অসুস্থতার নানা চাপের মধ্যেও প্রিয় সহকর্মীদের সান্নিধ্যে কিছুটা সময় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেন ‘বেদের মেয়ে জোসনা’খ্যাত এই অভিনেতা।

    কাঞ্চনের জন্য ফুল ও উপহার নিয়ে গিয়েছিলেন সুচন্দা ও চম্পা। সাক্ষাতের একপর্যায়ে চম্পা বলেন, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি।’ জবাবে কাঞ্চনও তার ভালোবাসার কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমিও ভালোবাসি সবাইকে। খুব ভালো লাগছে।’

    আড্ডার সময় চলচ্চিত্রের পুরোনো দিনের নানা স্মৃতি ফিরে আসে। বিশেষ করে সুচন্দার প্রযোজনায় নির্মিত ‘তিনকন্যা’ সিনেমার প্রসঙ্গ উঠে আসে। ওই সিনেমায় ইলিয়াস কাঞ্চনও অভিনয় করেছিলেন। পুরোনো স্মৃতির সূত্র ধরে সুচন্দা ও চম্পা কাঞ্চনের কাছে গান শোনানোর আবদার করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তাদের অনুরোধে প্রথমেই ‘অচেনা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘আর যাব না আমেরিকা’ ধরেন কাঞ্চন। গানটিতে তার সঙ্গে কণ্ঠ মেলান সুচন্দা ও চম্পা। তিন তারকার একসঙ্গে গান গাওয়ার এই বিশেষ মুহূর্তটি উপস্থিত সবার জন্য হয়ে ওঠে স্মরণীয়। পরে কাঞ্চন আরও কয়েকটি গানের অংশ গেয়ে শোনান।

    এ সময় কাঞ্চনের বাসায় আরও উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী সুব্রত, জ্যাকি আলমগীর এবং প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে সেখানে যান জয় চৌধুরী ও আবীর চৌধুরী।

    উল্লেখ্য, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ইলিয়াস কাঞ্চন গত ১৫ মাস ধরে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসায় এখনও প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় নির্ধারিত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে কয়েকদিনের মধ্যেই আবার লন্ডনে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে যা জানা গেল

    ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাধীন। তিনি গত সাত মাস ধরে অসুস্থ এবং প্রায় ছয় মাস ধরে লন্ডনে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। তার ব্রেন টিউমারটি মস্তিষ্কের গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ নার্ভের কাছে থাকায় অপারেশন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তিনি একমাত্র মেয়ে ইসরাত জাহানের বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। 

    বুধবার (২৬ নভেম্বর) ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ অভিনেতার শরীরের সর্বশেষ অবস্থা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন,  ইলিয়াস কাঞ্চন এখন পুরোপুরি কথা বলতে পারেন। আগে কথা বলা নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। সেটি কেটে গেছে। টিউমারের অনেকটা অংশও ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। বাকি অংশ রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা চলছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    লিটন এরশাদ বলেন, এ মুহূর্তে ইলিয়াস কাঞ্চনের মেডিসিন কোর্স চলছে। শেষ হলে চিকিৎসকরা আরও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। নতুন পরীক্ষার রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে চিকিৎসা কেমন হয়েছে, শরীর কোন অবস্থায় রয়েছে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে দেশে ফেরার বলে জানান নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ভাইস চেয়ারম্যান।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালে প্রফেসর ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লন্ডনে চিকিৎসাধীন ইলিয়াস কাঞ্চন, দোয়া চাইলেন রোজিনা

    ঢালিউডের জনপ্রিয় ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’খ্যাত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ভালো নেই। বর্তমানে লন্ডনে হার্লি স্ট্রিট ক্লিনিকে ব্রেন টিউমারে চিকিৎসাধীন। তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো না, যা ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার জামাতা আরিফুল ইসলাম। 

    চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পাওয়া ইলিয়াস কাঞ্চনের অসুস্থতার খবরে ভক্তদের পাশাপাশি রীতিমতো উদ্বিগ্ন দেশের চলচ্চিত্র মহল। নায়িকা রোজিনাও তার ব্যতিক্রম নন। আগে থেকেই জানতেন ইলিয়াসের ব্রেন টিউমারের বিষয়টি। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন অভিনেত্রী রোজিনা। লন্ডনের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে অভিনেতার অসুস্থতায় এ প্রার্থনা করেন তিনি। 

    ঢালিউডের সোনালি যুগের অভিনেতাকে দেখতে গিয়ে রোজিনা বলেন, তিনি লন্ডনেই ছিলেন এবং পরে কানাডায় চলে যান; আর অভিনেতার পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখেন। 

    সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে রোজিনা কাঞ্চনের মেয়ের বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎ করেন। রোজিনা বলেন, কাঞ্চন অসুস্থ হলেও মানসিকভাবে তাকে দৃঢ় মনে হয়েছে। ব্রেনের সমস্যা থাকায় মাঝে মাঝে কিছু স্মৃতি ভুলে যান, তবে সব মিলিয়ে আমি তাকে অনেক ভালো দেখেছি। তিনি আরও বলেন, কাঞ্চন যদিও শারীরিকভাবে অসুস্থ, নিয়মিত নামাজ পড়ছেন এবং কথাবার্তা একটু আস্তে-ধীরেই বলছেন।

    এর আগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও খলঅভিনেতা—মিশা সওদাগর, অভিনেতা নাঈম ও আমিন খানও তার সুস্থতা কামনা করেছেন।

    মিশা সওদাগর বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম অভিভাবক। একসময় তিনি শিল্পী সমিতির সভাপতিও ছিলেন তিনি। তার অবদান অনস্বীকার্য। সবার মতো তিনি আমারও শ্রদ্ধার মানুষ। তিনি বলেন, কাঞ্চন ভাইয়ের অসুস্থতার খবর কিছু দিন আগেই জেনেছি। পারিবারিকভাবে এটি গোপন রাখা হয়েছিল, তাই কাউকে বলিনি। এখন পরিবার থেকেই দোয়া চাওয়া হয়েছে। 

    এ খলঅভিনেতা বলেন, এ মানুষটি শুধু সিনেমার মানুষ নন, তিনি একজন সমাজ সচেতন মানুষ। তার গড়া ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আমি চাই, অসমাপ্ত কাজগুলো যেন তিনি শেষ করতে পারেন। দেশবাসীর কাছে আমার অনুরোধ—কাঞ্চন ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।

    নব্বই দশকের সাড়াজাগানো অভিনেতা নাঈম সিনেমা থেকে দূরে আছেন। কিন্তু সিনেমার মানুষের প্রতি রয়েছে তার অগাধ ভালোবাসা। প্রবীণ অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের অসুস্থতার খবরে তিনি চুপ থাকেননি। তার খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। নাঈম বলেন, হঠাৎ করে ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইয়ের অসুস্থতার খবর শুনে কষ্ট পেয়েছি, খুব খারাপ লেগেছে। একটাই চাওয়া—তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের মনে তিনি বড় জায়গা করে নিয়েছেন। এই কাজটি যেন চলমান থাকে।

    ইলিয়াস কাঞ্চনের অসুস্থতায় অভিনেতা আমিন খান বলেছেন, কাঞ্চন ভাইয়ের সঙ্গে অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছি। খবরটি শোনার পর প্রচণ্ড খারাপ লেগেছে। কাঞ্চন ভাই আমাদের চলচ্চিত্রের একজন অভিভাবক। সবচেয়ে বড় কথা— তিনি একজন ভালো মানুষ। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি— কাঞ্চন ভাই যেন সুস্থ হয়ে উঠেন।

    উল্লেখ্য, গত সাত মাস ধরে অসুস্থ ইলিয়াস কাঞ্চন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। কর্মব্যস্ত জীবন ছেড়ে লন্ডনের ঘরবন্দি জীবন তাকে বিচলিত করে তোলে। থেরাপির কারণে তার শরীরে ক্লান্তি এসেছে এবং কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। তাই চিকিৎসকরা তাকে ফোনে কথা বলতে নিষেধ করেছেন।

    ইলিয়াস কাঞ্চন লন্ডনে তার মেয়ে ইসরাত জাহানের বাসায় থাকছেন। জামাতা আরিফুল ইসলাম জানান, ইলিয়াস কাঞ্চন গত ২৬ এপ্রিল থেকে লন্ডনে আছেন। সেখানে হার্লি স্ট্রিট ক্লিনিকের অনকোলজিস্ট ভিনায়ার তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। 

    তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালের অধ্যাপক ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে তার মস্তিষ্কে একটি সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। টিউমারের কিছু অংশ ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়। পুরো টিউমার অপসারণ করা হলে জীবনহানিসহ প্যারালাইজড হয়ে চলনশক্তি ও কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি ছিল বলেও চিকিৎসকরা জানান। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শে টিউমারের কিছু অংশ অপসারণ করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন দিতির মেয়ে

    বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের প্রবক্তা ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়েছেন। সাত মাস ধরে অসুস্থ এই অভিনেতা। ছয় মাস ধরে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে নেমে আসে উদ্বেগের ছায়া।

    তাই ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে শুরু করে সহশিল্পীরা সবাই এক সুরে প্রার্থনা করছেন তার দ্রুত সুস্থতার জন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় দোয়া ও প্রার্থনার ঢল।

    এদিকে এ খবরে ইলিয়াস কাঞ্চনের অনেক সুপারহিট সিনেমার নায়িকা ও সাবেক স্ত্রী দিতির মেয়ে লামিয়া চৌধুরীও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন নায়িকা দিতির মেয়ে।

    লামিয়া লিখেছেন- কাঞ্চন আঙ্কেলের অসুস্থতার খবরটা মাত্রই শুনলাম। তিনি একজন অসাধারণ মানুষ, সমাজের জন্য করেছেন অসংখ্য ভালো কাজ। বিশেষ করে সড়ক নিরাপত্তায় তার অবিরাম লড়াই অনুপ্রেরণার উদাহরণ। আল্লাহ যেন তার সব কষ্ট দূর করে তাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করেন। আমিন।

    দিতি নব্বইয়ের দশকে ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে পর্দায় একসঙ্গে কাজ করতে করতে বাস্তব জীবনেও পরিণয়ে আবদ্ধ হন। কাঞ্চন-দিতি জুটি সেই সময় দর্শকের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিল। পরে অবশ্য তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তবে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ দিতির মৃত্যুর আগপর্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিল ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফিলিস্তিন নিয়ে মুসলিম বিশ্বের নীরব ভূমিকায় যা বললেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    ফিলিস্তিনের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানোয় দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-আন্দোলন। অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে প্রতিদিনই বাড়ছে ইসরাইলি হামলার তীব্রতা। পাখির মতো মানুষ মারা হচ্ছে। দখলদার ইসরাইলের বর্বরতা সীমা ছাড়িয়েছে। এতে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। আহতদের চিৎকারে ভারি আকাশ-বাতাস। ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।

    অথচ গাজার এমন পরিস্থিতিতে হতবাক বিশ্বমানবতা। তা ছুঁয়ে গেছে অভিনেতাকে। প্রতিবাদে তিনি নেমেছেন রাস্তায়। সম্প্রতি  প্রতিবাদ সমাবেশ করেন কাঞ্চন। এরপর ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের সদস্যরা একটি প্রতিবাদ মিছিল করে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত হেঁটে যান। 

    রাজধানীর কাকরাইলে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ইসরাইলকে দ্রুত গাজায় নৃশংসতা ও শিশুহত্যা বন্ধের দাবি জানান ইলিয়াস কাঞ্চন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, সারা বিশ্বের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। যার কারণে তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে শীতল আচরণ করছে।

    কাঞ্চন বলেন, ফিলিস্তিনের গাজা ও রাফা প্রসঙ্গে মুসলিম বিশ্বের নীরব কিংবা বক্তব্যনির্ভর ভূমিকা অত্যন্ত হতাশাজনক। সেই তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ সমাবেশে অনেক বেশি মুখর। ধারাবাহিকভাবে যার প্রভাব পড়ছে ইসরাইলি হানাদারদের ওপর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে যা বললেন কাঞ্চন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখসারির নেতা নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক করে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তরুণদের গঠিত এই নতুন দলকে স্বাগত জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ঢালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। 

    গতকাল শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন এ রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে। সেই দলটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নতুন রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে জেনে তাদের অভিনন্দন ও স্বাগত জানাই। 

    তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি— বৈষম্যবিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ তরুণ নেতৃত্বের হাতে নতুন রাজনীতির প্রতি মানুষের প্রত্যাশা অপরিসীম। আমি সবার মঙ্গল কামনা করছি এবং সেই সঙ্গে আশা করছি— এই নতুন দল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে। তারা গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।

    ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি মনে করি বিদ্যমান অন্যান্য রাজনৈতিক দল যে রকমভাবে কাজ করছে, সেভাবে কাজ করলেই শুধু হবে না। তাদের নতুন চিন্তা ও  নতুন জাগরণের মাধ্যমে বিশেষ করে জুলাই বিপ্লব ও ৫ আগস্টের চেতনাকে ধারণ করে দল পরিচালনা করতে হবে। যে স্বপ্ন ও যে আশা-আকাঙ্ক্ষা মানুষ দেখেছিল, জুলাইয়ের বিপ্লবের পর সেই আকাঙ্ক্ষা যেন তারা পূরণ করে জাতির জন্য এবং পূরণ করার জন্য যেন সর্বাত্মক চেষ্টা করে।

    নতুন দলের প্রতি আহ্বান এ অভিনেতা বলেন, মানুষ সমালোচনা করবে। তবে সেই সমালোচনাগুলোকে আপনারা সুন্দরভাবে গ্রহণ করবেন এবং তার মধ্যে থেকে যদি আপনাদের জন্য উপকারী কিছু থাকে, সেটি অবশ্যই গ্রহণ করবেন। 

    তিনি বলেন, আপনাদের শুভ কামনা করছি। আপনাদের দল অগ্রগতি লাভ করুক। শুধু ক্ষমতায় যেতে হবে তা নয়। ক্ষমতার বাইরে থেকেও অনেক কিছু করা যায়। কাজেই দলের কাজ হলো— মানুষের কথা চিন্তা করা এবং তারা কী চায় তা প্রাধান্য দেওয়া। আশা করি সে কথা চিন্তা করে আপনারা আপনাদের দল পরিচালিত করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের জানাজার দাওয়াত দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    নিজের জানাজার দাওয়াত দিয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার এফডিসিতে রূপালী পর্দার নবাব খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা প্রবীর মিত্রের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি এ দাওয়াত দেন। এর আগে রোববার রাত ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবীর মিত্রের মৃত্যু হয়।

    জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- চিত্রনায়ক আলমগীর, উজ্জ্বল, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, খোরশেদ আলম খসরুসহ অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী ও এফডিসির কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আজ যারা এখানে এসেছেন এবং যারা আসতে পারেননি সবাই যেন প্রবীর দাদার জন্য দোয়া করেন। আর এখানে যদি আমার জানাজা হয় তাহলে আপনারা সবাই আমার জানাজায় আসবেন। আমি আমন্ত্রণ জানালাম। সেই সঙ্গে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।

    তিনি আরও বলেন, সবাইকে চলে যেতে হবে, এটাই নিয়ম। কিন্তু কে কিভাবে যাবে সেটাই হলো তার ভাগ্য। আখেরাত যার সুন্দর হবে তিনি হলেন সবচেয়ে বেশি ভাগ্যবান। সেদিক দিয়ে আমাদের প্রবীরদা অনেক ভাগ্যবান। 

    দীর্ঘ সময় প্রবীর দাদা অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ সময়টা তিনি ধর্মকর্ম নিয়ে ছিলেন। সহকর্মী হিসেবে আমরা তাকে দেখেছি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। প্রবীর মিত্র দীর্ঘদিন ধরে শরীরে অক্সিজেন স্বল্পতাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২২ ডিসেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের জুরি বোর্ডে ইলিয়াস কাঞ্চন

    দীর্ঘদিন অভিনয়ে নেই ইলিয়াস কাঞ্চন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন নিয়ে গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। 

    এবার এ অভিনেতার ওপর দেওয়া হলো নতুন একটি দায়িত্ব। বিচারকের আসনে বসান হলো তাকে। 

    আগামী ১১ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৩তম আসর। ৯ দিনব্যাপী উৎসবে প্রদর্শিত হবে ৭৫ দেশের প্রায় ২৫০টি সিনেমা। 

    এ উৎসবে জুরি বোর্ডের দায়িত্ব পেয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। উৎসবের এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন এ অভিনেতা। 

    এ প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘এর আগেও একবার এ উৎসবে বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। এরপর তারা অনুরোধ জানালেও আমি সময় করতে পারিনি। এ বছর আবারও দায়িত্ব নিয়েছি। চেষ্টা করব, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করার।’ 

    উল্লেখ্য, পুনর্গঠিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩’র জুরি বোর্ডেও সদস্য হিসাবে রাখা হয়েছিল তাকে। তবে তিনি নিজেকে বোর্ড থেকে সরিয়ে নিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জুরি বোর্ডের দায়িত্বে ইলিয়াস কাঞ্চন-বাঁধন

    নতুন বছরে পর্দা উঠবে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৩তম আসরের। ১১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৯ দিন ব্যাপী চলবে এই উৎসব। সেখানে ৭৫টি দেশের প্রায় আড়াইশ সিনেমা প্রদর্শিত হবে। আর এই চলচ্চিত্র উৎসবের জুড়িবোর্ডে দায়িত্ব পেয়েছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবং অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

    জানা গেছে, এবারের আসরে এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘এর আগেও একবার এই উৎসবে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এরপর তারা অনুরোধ জানালেও আমি সময় করতে পারিনি। এ বছর আবারও দায়িত্ব নিয়েছি। চেষ্টা করব, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করার।’

    এছাড়াও এই বিভাগে জুরি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আছেন- নরওয়ের চলচ্চিত্র পরিবেশক এজ হোফার্ট, চীনের চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক ঝ্যাং ইউডি, মঙ্গোলিয়ার অভিনেত্রী মুনগুনজুল আমগালানবাতার এবং ব্রিটিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক ড্রাগন মিলিনকোভিচ।

    অন্যদিকে উইমেন ফিল্মমেকার বিভাগে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এ বিষয়ে বাঁধন বলেন, ‘অনেক বছর ধরে ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে। এ উৎসবে জুরি হিসেবে অংশ নেওয়া আমার জন্য সম্মানের, অনেক আনন্দের।’

    এ বিভাগে জুরির দায়িত্বে আরও আছেন লন্ডনপ্রবাসী বাংলাদেশের অভিনেত্রী ও নির্মাতা লিসা গাজী, চীনের মেই পো রেইনবো ফং এবং ইরানি অভিনেত্রী হুদা মোগাদ্দাম মানিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এই সরকার ফেল মানে আমাদেরও ফেল: ইলিয়াস কাঞ্চন

    অন্তবর্তীকালীন সরকার ফেল করলে আমাদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের স্বনামধন্য চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার রাতে এক ফেসবুক লাইভে এসে এমনটা মন্তব্য করেন তিনি। 

    ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আমরা তো শুরু থেকেই বলে আসছি, এই সরকারকে ফেল করানো যাবে না। এই সরকার ফেল মানে আমাদেরও ফেল। আমাদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। এত রক্ত, বহু মানুষ এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এসবই তো বৃথা যাবে, যদি সরকার ফেল করে।’

    আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই নায়ক বলেন, ‘মানুষ জানতে পারছে ছাত্ররাও জানতে পারছে; কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেন বিষয়গুলো আগে থেকে জানতে পারছে না? সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে এ জিনিসগুলো কেন থামানো হচ্ছে না? আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তো দেখছি ছাত্রদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ দাঁড়িয়ে দেখে, এটা হলো কীভাবে? এভাবে তো এটা বন্ধ করা যাবে না।’

    কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা উল্লেখ করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ছাত্রদের এক কলেজ থেকে আরেক কলেজে গিয়ে মারামারির যে ঘটনা ঘটল, ভাঙচুর করে যে উল্লাস তাদেরকে করতে দেখেছি, এদেরকে যদি কড়া শাসন না করা হয় তাহলে তো থামবে না।’

    সরকারের উদ্দেশ্য করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘যারা অযোগ্য আছে, তাদের সরিয়ে দেওয়াই হবে উচিত সিদ্ধান্ত। তাদের বদলে নতুন লোক নেন। দুই সমন্বয়ক যারা উপদেষ্টা হিসেবে আছেন, তারাই তো সব ঠিকঠাক করছেন। তারা তো ঘুমাতেও পারছেন না। সব কাজ তো তাদেরকেই করতে দেখি, বাকিরা কই? তাদের তো কোনো কথাই দেখি না।’

    এসময় হতাশা প্রকাশ করে দেশবাসীর উদ্দেশে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আমার দেশ এবং দেশের মানুষ, আপনাদের নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত। আপনারা জানেন, নিজের জন্য কিছু আমি বলি না। জীবনে দেশ ছেড়ে গেলাম না কোথাও। ৩২ বছর ধরে একটা মুভমেন্ট নিয়ে আপনাদের সঙ্গে আছি, সেই জায়গাটাতেও এখনো কিছু করতে পারলাম না। সেখানেও কোনো রিফর্ম নাই, কিচ্ছু নাই। চাঁদাবাজি তো আগের মতোই চলছে, অনিয়ম হচ্ছে- সবকিছুই হচ্ছে। এই যে ব্যাটারিচালিত রিকশাওয়ালারা দেখেন এখন কী বলছে! মনে হচ্ছে, সবাই এখন দেশটারে খুবলে খাবে। কারো কোনো ধরনের দরদ আমি দেশের প্রতি দেখি না। দেশটা চলবে কীভাবে, আমি তো এটা বুঝতেছি না।’

    এসব থেকে পরিত্রাণ পেতে বর্তমান সরকারকে আরো কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লাইভটি শেষ করেন এই নায়ক। 

    যুগান্তর ডেস্ক