Tag: ইমার্জেন্সি

  • ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি নিয়ে ব্রিটিশ মন্ত্রী সরব, চুপ ভারতের নেতা ও নারীবাদীরা: কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তি পেয়েছে।  ছবিটি মুক্তির আগে থেকেই নানা সমস্যার মুখে পড়ে। শেষে বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে মুক্তি পায় ‘ইমার্জেন্সি’। ছবিটি মুক্তি পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন অভিনেত্রী।

    ইমার্জেন্সি ছবিটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা ছাড়াও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত। এ ছাড়া মুক্তির পরও বিতর্ক অব্যাহত আছে। যদিও ছবিটি মুক্তির আগেই বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ইংল্যান্ডেও ‘ইমার্জেন্সি’র প্রদর্শন বন্ধ করা হয়। কিন্তু এ সিয়ে কথা বলেছেন ব্রিটিশ রাজনীতিক বব ব্ল্যাকম্যান। 

    এর আগে প্রথমে পাঞ্জাবে এ ছবির প্রদর্শন নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। গত ১৮ জানুয়ারি লন্ডনের একটি প্রেক্ষাগৃহেও খলিস্তানি সমাজকর্মীদের হস্তক্ষেপে ছবির প্রদর্শন বন্ধ করা হয়। তার পর থেকেই ইংল্যান্ডেও এ ছবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে। কিন্তু এমতাবস্থায় কেন চুপ ভারতের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও নারীবাদীরা? প্রশ্ন তুলেছেন খোদ অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    লন্ডনে ‘ইমার্জেন্সি’র প্রদর্শন বন্ধ করায় ব্রিটিশ মন্ত্রী বব ব্ল্যাকম্যান খলিস্তানিদের সমালোচনা করেছেন। বাকস্বাধীনতা খণ্ডন করতে চাইলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন তিনি। প্রেক্ষাগৃহে খলিস্তানিদের বিক্ষোভের সমালোচনায় সামাজিক মাধ্যমে কথা বলেন মন্ত্রী।

    ব্রিটিশ রাজনীতিকের পোস্ট দেখেই কঙ্গনার প্রশ্ন— ভারতের রাজনীতিকরা কী করছেন? আমার মৌলিক অধিকারের জন্য ব্রিটিশ মন্ত্রী সরব হয়েছেন। কিন্তু ভারতের রাজনীতিক ও নারীবাদীদের মধ্যে পিনপতনের নীরবতা।

    ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির আগের দিনই শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি (এসজিপিসি) বিরোধিতা শুরু করেছিল। ছবি মুক্তি পেলে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়াবে বলে দাবি ছিল এ সংগঠনের। পাঞ্জাবে এই ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকেও চিঠি পাঠিয়েছিলেন সংগঠনের সভাপতি। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি ছবিটির ওপর। 

    উল্লেখ্য, এর আগে ইমার্জেন্সি ছবিটি ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেন্সর বোর্ডের কারণে ছবির মুক্তি স্থগিত হয়ে যায়। এ ছাড়া প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে কিছু সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করা নিয়ে ছবিটিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তবে এত বাধা পেরিয়ে অবশেষে ১৭ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পায়। 

    এ ছাড়া ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির পূর্ব মুহূর্তে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির জন্য নাগপুরে ছবিটি প্রদর্শন করা হয়। ছবিটি দেখার পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি লিখেছিলেন— ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। 

    অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’  ছবি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক ছবি তৈরির কথা ভাবছেন না তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি বাংলাদেশের পর কোথায় নিষিদ্ধ

    বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। শুক্রবার ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। আর ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি নিজেই পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত। এদিকে ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির আগেই বাংলাদেশে প্রদর্শনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ছবিটি প্রদর্শনের নিষিদ্ধ ঘোষণা এসেছে এসজিপিসির পক্ষ থেকে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভাগবত মানের কাছে ‘ইমার্জেন্সি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির অনুরোধ জানিয়েছে এসজিপিসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একটি পোস্টও শেয়ার করে নিয়েছে এসজিপিসি।

    এসজিপিসির সভাপতি চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ রেখেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে— অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’র ওপর শিরোমণি গুরুদ্বার পরবান্ধক কমিটির আপত্তি রয়েছে। ছবিতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে এবং এই ছবি শিখ সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এসজিপিসির পক্ষ থেকে পাঞ্জাবে এ ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার দাবি করা হয়েছে।

    সেই পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি মারফত জানানো হয়েছে— ছবিটি মুক্তি পেলে শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ছড়াবে। তাই রাজ্যে এ ছবিকে নিষিদ্ধ করা সরকারের দায়িত্ব। এ ছবি মুক্তি পেলে শিরোমণি সম্প্রদায় তীব্র বিরোধিতা করবে।

    এর আগে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশেও। ইন্দিরা গান্ধীর সময় ১৯৭৫ সালে ভারতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল ভারতকে। এ ছবিটিতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির একটা অন্ধকার দিক ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া ছবিতে দেখানো হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করেছিল। সেই সময় পাকিস্তান-বাংলাদেশের যুদ্ধে যাতে ভারত না জড়িয়ে পড়ে, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমাগত চাপ আসছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে, লাখ লাখ শরণার্থীকে ভারতে জায়গা দেওয়ার থেকে অর্থনৈতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সরাসরি পাকিস্তানের মোকাবিলা করা ভালো।

    এদিকে বেশ কিছু দিন ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। এখনো যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে তা বলা যায় না। তা ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা দিয়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ছবিটির মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। 

    একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। তাই ছবিটি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি কর হয়েছে। অনেকের মতে, ‘ইমার্জেন্সি’র অনেক বিষয়বস্তু দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সমস্যার নানা দিককে প্রভাবিত করবে।’ এ সময় দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নাকি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতীকালীন সরকারের এমন সিদ্ধান্ত।

    এর আগে ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির আগে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী-প্রয়োজক কঙ্গনা রানাউত। আবার সেই প্রদর্শনী দেখানো হয় নাগপুরে। অভিনেত্রী এ ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে। ছবিটি দেখার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী লিখেছিলেন— ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। 

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি জানিয়েছিল শিরোমণি অকালি দল। যার ফলে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয় তাকে। ছবিটি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক কোনো ছবি নির্মাণ করবেন না বলে জানিয়েছে অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুক্তির আগেই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখে পড়ে। অবশেষে বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। ‘ইমার্জেন্সি সিনেমাটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

    এর আগে ছবিটি ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেন্সর বোর্ডের কারণে ছবির মুক্তি স্থগিত হয়ে যায়। এ ছাড়া প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে কিছু সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করা নিয়ে ছবিটিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তবে এত বাধা পেরিয়ে অবশেষে ১৭ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। কিন্তু বিতর্ক এখনও অব্যাহত। এবার কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ করা হলো। কিন্তু কেন? 

    ইন্দিরা গান্ধীর সময় ১৯৭৫ সালে ভারতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল ভারতকে। এ ছবিটিতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির একটা অন্ধকার দিক ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া ছবিতে দেখানো হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধতে সাহায্য করেছিল। সেই সময় পাকিস্তান-বাংলাদেশের যুদ্ধে যাতে ভারত না জড়িয়ে পড়ে, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমাগত চাপ আসছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে, লাখ লাখ শরণার্থীকে ভারতে জায়গা দেওয়ার থেকে অর্থনৈতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সরাসরি পাকিস্তানের মোকাবিলা করা ভালো হবে।

    কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু দিন ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। এখনো যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে তা বলা যায় না। তা ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা দিয়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ছবিটির মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনেকের মতে, এর ফলে ছবির বেশ কিছুটা ক্ষতি হবে। কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, কিন্তু সেখানেই প্রবেশ করতে পারছে না এ ছবিটি। ফলে ছবির আয়ের ওপর যে এর বড় প্রভাব পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

    একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। তাই ছবিটি নিয়ে নিষেধাজ্ঞাজারি কর হয়েছে। অনেকের মতে, ‘ইমার্জেন্সি’র অনেক বিষয়বস্তু দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সমস্যার নানা দিককে প্রভাবিত করবে।’

    এর আগে ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির মুহূর্তে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির জন্য নাগপুরে ছবিটি প্রদর্শন করা হয়। ছবিটি দেখার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি লিখেছেন— ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। 

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’  ছবি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক ছবি তৈরির কথা ভাবছেন না তিনি। অভিনেত্রীর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ ১৭ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ দেখে যে প্রতিক্রিয়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। আগামী ১৭ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই। 

    ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির আগে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী-প্রয়োজক কঙ্গনা রানাউত। আবার সেই প্রদর্শনী দেখানো হয় নাগপুরে। অভিনেত্রী এ প্রদর্শনী দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে।

    ছবিটি দেখার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নিতিন গড়কড়ি লিখেছেন— ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’  ছবি নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি জানিয়েছিল শিরোমণি অকালি দল। যার ফলে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয় তাকে। ছবি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক ছবি তৈরির কথা ভাবছেন না তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ইমার্জেন্সি সিনেমা দেখার আমন্ত্রণে যা বললেন প্রিয়াংকা গান্ধী

    অবশেষে সব জট খুলেছে। মুক্তি পেতে যাচ্ছে ইন্দিরা গান্ধী চরিত্রে অভিনয় করা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। প্রথম পরিচালিত ছবিটির মুক্তি নির্বিঘ্ন করতে কালঘাম ছুটেছিল অভিনেত্রীর। আগামী ১৭ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন তিনি। এ ছবির চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজকও কঙ্গনা নিজেই। 

    ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও তিনি নিজেই অভিনয় করেছেন। আর তাই অভিনেত্রী তথা বিজেপি সংসদ সদস্য ছবিটি দেখতে প্রিয়াংকা গান্ধীকে অনুরোধ জানিয়েছেন। সংসদ ভবনে প্রিয়াংকার সঙ্গে দেখা হয়েছিল কঙ্গনার। তখনই বিরোধী নেত্রীকে আমন্ত্রণ জানান অভিনেত্রী। 

    সংবাদমাধ্যমকে কঙ্গনা বলেন, প্রিয়াংকাজির সঙ্গে আমার সংসদে দেখা হয়েছিল। প্রথমেই উনাকে বললাম— আপনার কিন্তু ‘ইমার্জেন্সি’ দেখা উচিত। খুবই আনন্দিত হয়ে উত্তর দেন তিনি— ‘হ্যাঁ, হয়তো দেখব।’ আমি ওকে বলেছি— ‘এই ছবি আপনার পছন্দ হবেই’।

    গান্ধী-নেহরু পরিবারের সবাইকে কি আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাবেন কঙ্গনা রানাউত—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, আগে দেখা যাক, ওরা ছবিটা দেখতে চান কিনা। এ ছবিতে আসলে খুবই স্পর্শকাতর অধ্যায় এবং একজন ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরা হয়েছে। ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রকে সম্মান ও যত্নের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। 

    তিনি বলেন, আমি গবেষণা করার সময়ে লক্ষ করেছিলাম— ওর ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক, স্বামী, বন্ধুত্ব, বিতর্কিত যোগাযোগ নিয়েও প্রচুর আলোচনা হয়েছে। আমি নিজেও ভেবেছি, বহু দিক রয়েছে এই ব্যক্তিত্বের।

    পরিবারতন্ত্র (নেপোটিজম) নিয়ে মন্তব্য করে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি করেছেন কঙ্গনা। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীর দাবি— ইন্দিরা গান্ধীও এই পরিবারতন্ত্রেরই ফসল। 

    উল্লেখ্য, ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি প্রথমে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের থেকে মিলছিল না ছাড়পত্র। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে কেন এতো আলোচনা, কী আছে এতে?

    নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে বিজেপির এমপি, বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের বহুল চর্চিত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি। সিনেমাটির মুক্তিকে ঘিরে আইনি জটিলতা কাটার ইঙ্গিত মিলেছে। কঙ্গনা দাবি করেছেন, সেন্সর বোর্ড তাদের ছবিকে ছাড়পত্র দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সমাজিক মাধ্যমে কঙ্গনা জানিয়েছেন, সেন্সর বোর্ডের পক্ষ থেকে ‘ইমার্জেন্সি’কে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে কঙ্গনা লিখেন, আমরা আমাদের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’র জন্য সেন্সর বোর্ডের পক্ষ থেকে ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। খুব শিগগিরই আমরা ছবি মুক্তির দিন ঘোষণা করব। আপনাদের ধৈর্য্য এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।

    এই ছবিতে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে দেখা যাবে কঙ্গনাকে। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনিই। কঙ্গনার এই ছবি শিখ ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ শিরোমণি অকালি দলের। এমনকি, এই ছবির জন্য নাকি হুমকিও পেয়েছেন অভিনেত্রী। ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কঙ্গনা পরিচালিত এই ছবিটি। কিন্তু ছবিমুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

    এরপর সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে নির্মাতাদের দীর্ঘ বিবাদ চলে আদালতে। কঙ্গনা অভিযোগ করেন, সেন্সর বোর্ড অহেতুক তাদের ছবিকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না। এর আগে আদালত ছবির ছাড়পত্র প্রসঙ্গে সিবিএফসি (সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন)-কে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেয়। 

    বিপরীতে সেন্সর বোর্ডের তরফে আইনজীবী অভিনব চন্দ্রচূড় আদালতে জানান, ছবিটিকে ছাড়পত্র দেওয়া যেতে পারে। তবে, সে ক্ষেত্রে কিছু দৃশ্যে কাঁচি চালাতে হবে।

    এখন সেন্সর বোর্ড ছবিটিকে অক্ষত অবস্থায় মুক্তির ছাড়পত্র দিয়েছে, নাকি নির্মাতাদের কয়েকটি দৃশ্য পরিবর্তন করতে হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ছবিটি যে মুক্তি পাবে, তা জেনে খুশি কঙ্গনার অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে ছবির জন্য নিজের সব সম্পত্তি বন্ধক রাখেন কঙ্গনা

    জয়ললিতার পর এবার পর্দায় ফের এক রাজনীতিকের ভূমিকায় ফিরছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জীবন অবলম্বনে তৈরি ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। 

    rnrn

    ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি ছবির পরিচালনা ও প্রযোজনার দায়িত্বেও কঙ্গনা নিজেই। ছবি বানাতে গিয়ে নিজের সব সম্পত্তি বন্ধক রাখতে হয়েছে তাকে। শুটিং শেষে সামাজিক মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

    rnrn

    ছবির প্রযোজনায় কঙ্গনারই প্রযোজনা সংস্থা ‘মণিকর্ণিকা ফিল্মস’। শনিবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সদ্য সমাপ্ত ‘ইমার্জেন্সি’ ছবির শুটিং সেটের ছবি শেয়ার করে সেই তার সিনেমার পেছনের কথাগুলো শেয়ার করেন। 

    rnrn

    কঙ্গনা জানান, এই ছবি করতে গিয়ে একাধিক বাধার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। ডেঙ্গিতে ভুগেছেন, শরীর অসুস্থ থাকাকালীনও শুটিং করতে হয়েছে তাকে। এমনকি ছবির খরচ বহন করতে গিয়ে তাকে নিজের সব সম্পত্তি বন্ধক রাখতে হয়েছে।

    rnrn

    নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে কঙ্গনা লেখেন, আগেই এই সব কথা সামাজিক মাধ্যমে বলিনি, কারণ কিছু মানুষ আমার ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তাদের আনন্দ পাওয়ার সুযোগ দিতে চাইনি। 

    rnrn

    তার মতে, নিজের স্বপ্নপূরণের জন্য কঠিন পরিশ্রম যথেষ্ট নয়। তবে বারবার ঠোকা খেয়ে, ভেঙেচুরে গিয়েও যে তিনি নতুন করে নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন, সেই জন্য জীবনের কাছে কৃতজ্ঞ জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী।

    rnrn

    ২০২১-এ ‘ইমার্জেন্সি’ ছবির ঘোষণা করেন কঙ্গনা রানাউত। ছবিতে দেশের অন্যতম চর্চিত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলতি বছরে মুক্তি পেতে চলেছে এ ছবি।

    বিনোদন ডেস্ক