Tag: ইমশা রেহমান

  • ভিডিও ফাঁসে অভিযুক্তকে ক্ষমা করলেন ইমশা

    পাকিস্তানি টিকটক তারকা ইমশা রেহমান বাংলাদেশেও জনপ্রিয়। গত বছরের নভেম্বরে ইমশার টিকটক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ভিডিওটি ফাঁস হয়। ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে ক্ষমা করার কথা জানালেন এই টিকটক তারকা। খবর ডেইলি পাকিস্তানের।

    ইসলামাবাদের আদালতে ভিডিও ফাঁসের মামলায় শুনানি চলাকালে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত আবদুল আজিজকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার কথা জানান ইমশা।

    ইমশার আইনজীবী হাদি আলী বলেন, এ ঘটনার জন্য তিনি (আবদুল আজিজ) অনুতপ্ত বলে জানিয়েছেন। এ কারণে তার জামিনের বিরোধিতা করেননি তারা। 

    ভিডিও ফাঁসের মামলায় আবদুল আজিজ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দেশটির গুজরানওয়ালা শহর থেকে আবদুল আজিজকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে ইসলামাবাদের একটি আদালতে তোলা হয়।

    জীবনযাপন নিয়ে কনটেন্ট নির্মাণ করে দর্শকদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন ইমশা রেহমান। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে তুমুল জনপ্রিয় তিনি। টিকটকে দুই লাখেরও বেশি আর ইনস্টাগ্রামে লাখেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। ২০০২ সালে লাহোরে ইমশার জন্ম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইরাল হতে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে দেন ইমশা

    আলোচিত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মিনহিল মালিকের মতো ঠিক একই কাণ্ড ঘটল পাকিস্তানি টিকটকার ইমশা রেহমানের সঙ্গে। ভাইরাল হতে নিজের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছেন। একান্ত মুহূর্তের ছবি ভাইরাল হতেই ট্রলের মুখে পড়েছেন তিনি। বিতর্কের তীব্রতায় শেষ পর্যন্ত নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করে দিয়েছেন এই টিকটকার।

    ইমশার শেয়ার করা ভিডিওতে বেশ স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে, ইমশা নিজের ব্যক্তিগত মুহূর্ত উপভোগ করছেন। শুধু ফেসবুক নয়, ইউটিউব এবং হোয়াটসঅ্যাপেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভিডিও। স্বাভাবিকভাবেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিং এবং নিন্দার শিকার হয়েছেন ইমশা।

    সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক নিন্দাজনক কমেন্টের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো কিছুটা বাধ্য হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ইমশা। তবে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কোনো আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তবে এই বিষয়টির পর সামাজিক মাধ্যমে প্রভাবশালীদের গোপনীয়তা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে।

    ইমশার আগে অন্য এক পাকিস্তানি টিকটকার তারকা মানাহিল মালিকের সঙ্গেও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছিল। মানাহিল মালিকের অন্তরঙ্গ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছিল। যদিও মিনাহিল দাবি করেছিলেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং এই বিষয়ে তিনি ফেডারেল তদন্ত সংস্থার কাছে অভিযোগ করেছিলেন।

    মিনাহিল মালিকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যমে তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল তাকে। শুধু নেটিজেনদের কাছে নয়, সহকর্মীদের কাছ থেকেও সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল মানাহিলকে।

    বিনোদন ডেস্ক