Tag: ইউটিউবার

  • পরিবার তুলে প্রিয়াংকাকেও প্রশ্ন করেন রণবীর, খেয়েছিলেন ধমক!

    ‘ইন্ডিয়াস গট ল্যাটেন্ট’-এ ইউটিউবার রণবীর আল্লাবাদিয়ার বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে থামছে না আলোচনা। আর এতে নেটিজেনদের পাশাপাশি সেলিব্রিটিরাও তার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করছেন। চোখের পলকে হারাচ্ছেন অনুসারীদেরও। কারণ, সেই শো-এ নিজের হাস্যরস দেখাতে গিয়ে এক প্রতিযোগীর বাবা-মায়ের গোপন মুহূর্ত প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বসেন ইউটিউবার রণবীর।

    তবে এ ঘটনা এবারই নতুন নয়! এর আগেও পরিবার প্রসঙ্গ তুলে বলি অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার কাছে ধমক খেয়েছিলেন রণবীর। কিন্তু কী এমন বলেছিলেন প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরীকে?

    জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ, অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে বহু ক্রিকেট তারকারাও আসতেন রণবীরের অনুষ্ঠানে। সেভাবেই বছর দেড়েক আগে রণবীরের অনুষ্ঠানে যান প্রিয়াংকা। তখন রণবীর তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি পারিবারিক অনুষ্ঠানে এখনো যেতে পারেন, এমন খ্যাতির পরও কি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন?

    এতেই খানিক বিরক্ত হন প্রিয়াংকা। ধমকের সুরে অভিনেত্রী বলেন, ‘তুমি কি বলতে চাইছো আমি খ্যাতি পেয়েছি বলে ভাইয়ের বিয়েতে নাচব না! পরিবার সবার আগে। খ্যাতিটা আমার কাজের অংশ। আমি কাজ করি জীবনে বেঁচে থাকার জন্য। আর তার সঙ্গে হাত ধরাধরি করে আসে নাম-যশ। টিভি পর্দায় কিংবা বিলবোর্ডে যতই তোমার মুখ থাকুক না কেন, এগুলো ছাড়াও বেশ কিছু মানুষ রয়েছেন জীবনে সেটা ভুললে চলবে না।’

    প্রিয়াংকা নিজে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থাকতে ভালোবাসেন। সম্প্রতি ভাইয়ের বিয়েতে শ্বশুর, শাশুড়ি-সহ উপস্থিত হয়েছিলেন। আবার কখনও ভ্রাতৃবধূর পোশাক ঠিক করতে দেখা গেছে তাকে। আবার কখনও দেখা গেছে বরযাত্রীদের সঙ্গে নাচতে— এক কথায় প্রিয়াংকা যেন আর সাধারণদের মতোই বাড়ির মেয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্যালিকা বউ ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন তৌহিদ আফ্রিদি

    দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন ছিল দেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। তবে সব গুঞ্জনকে ভুল প্রমাণ করে অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন আফ্রিদি। ধারণা করা হয় গত জুলাইয়ের আন্দোলনে নানা বিতর্ক সৃষ্টির পর ঘরোয়া আয়োজনেই চুপিসারে বিয়ে সেরেছেন তিনি। 

    আফ্রিদির বিয়ের খবর চর্চিত হচ্ছে সবজায়গাতেই। বিভিন্ন সূত্রে তার বিয়ের খবর প্রচারিত হলেও এতোদিন এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি। অবশেষে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে শ্যালিকা, বউ ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। 

    তৌহিদ আফ্রিদি জানালেন, তার কাবিন হয়েছে। পারিবারিক আয়োজনে কাবিন হয়েছে। দুই পরিবারের সদস্যরাই তাদের কাবিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    আফ্রিদি বলেন, ‘আমি গাড়িতে বসে শুনি গোপনে বিয়ে করলেন তৌহিদ আফ্রিদি! আরে, বিয়ে তো গোপনে করিনি, আমি বিয়ের ছবি আপলোড দেওয়ার আগে আপলোড হয়ে গেছে। ভেবেছিলাম বাসায় যাব, এরপর সবাইকে বিয়ের খবর জানাব। কিন্তু সে সময় আর কই পেলাম। অনেকেই ছবি পোস্ট করেছে। আসলে জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে—এটা সম্পূর্ণ মহান আল্লাহ তাআলাই লিখে রাখেন। কার, কখন, কোথায়, কীভাবে বিয়ে হবে, এখানে কারও হাত নেই। আমি আমার মাকে নিয়ে কনে দেখতে গিয়েছিলাম, পরিবারকে নিয়ে দেখতে গেছি, ওখানেই কাবিন হয়ে গেছে।’

    তৌহিদের স্ত্রীর নাম রামিসা আল রিসা, তার যমজ বোন রাইসা আল রোজা। শুরুতে খবর ছড়ায়, রাইসাকে বিয়ে করেছেন আফ্রিদি। এ প্রসঙ্গে আফ্রিদি বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে, মানুষ আসলে কনফিউজড হয়ে গেছে, তারা তো যমজ বোন। যমজ বোন হওয়ার কারণে আমার শালিকে (শ্যালিকা) অনেকে আমার ওয়াইফ বলা শুরু করেছে। এসব এক দিক থেকে হাস্যকর লাগে।’

    শিগগিরই সবাইকে নিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন আফ্রিদি।  তিনি বলেন, ‘বিয়ে তো একটা দায়িত্ব। সবার কাছে দোয়া চাইব, আমার জীবনটাকে যেন গুছিয়ে রাখতে পারি। আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে সব সময় আপনাদের মাঝে এভাবে ভালোবাসা নিয়ে থাকতে পারি। আমি এখন আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল মাই টিভি নিয়ে ব্যস্ত। উপস্থাপনা করছি। ইউটিউব কনটেন্ট বানানোর কাজ করব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আল্লাহ বাঁচিয়েছে, তৌহিদ আফ্রিদির বিয়ের পর দীঘি

    গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর বেশ চাপে আছেন আলোচিত ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। এত কিছুর মাঝেই হুট করে আফ্রিদির বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এলো। সামাজিক মাধ্যমে বুধবার বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে তার। যেখানে বরের সাজে দেখা যাচ্ছে তাকে।

    কনের বেশে আছেন শ্যালিকা রাইসা। এতে অনেকের ধারণা- বিয়ে করেছেন তৌহিদ আফ্রিদি-রাইসা। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিয়ের যেসব ছবি খবর হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে, সেখানে পাত্রী রাইসা ছিলেন না বলে জানিয়েছে আফ্রিদির পরিবারসহ কনের পরিবার। আফ্রিদির পরিবার জানায়, রাইসার বিয়ে এক বছর আগেই হয়ে গেছে।

    রাইসা ও রামিসা যমজ বোন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাইসা খুব পরিচিত মুখ। তাই সবাই ধরে নিয়েছিল, রাইসাকেই আফ্রিদি বিয়ে করেছেন।  

    এদিকে তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে চিত্রনায়িকা দীঘির প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে অনেক দিন। প্রায় সময়ই তাদের নিয়ে চর্চা হতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    আফ্রিদির বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর গণমাধ্যমকে দীঘি বলেন, ‘আফ্রিদির সঙ্গে আমার কখনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। সে সব সময় আমার ভালো বন্ধু। যাক, আল্লাহ বাঁচিয়েছে। কয়েক দিন পর পর ওর সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে যেভাবে নানা গুঞ্জন হতো, তা নিয়ে বেশ বিরক্ত ছিলাম। অবশেষে একটু শান্তি পেলাম।’

    দীঘি আরও বলেন, আমি যতটুকু জানি- পারিবারিকভাবে কনের বাড়িতেই আপাতত কাবিন হয়েছে। পরে বড় পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে।

    এদিকে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পর্কে আফ্রিদি বলেন, মেয়েকে দেখতে গিয়ে তাদের বাড়িতে বিয়ে করে ফেলেছি। পারিবারিক আয়োজনেই হয়েছে তা। আর সেই আয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বড় পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার অনুষ্ঠান করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবেক প্রেমিকাদের নিয়ে যা বললেন সালমান

    ইউটিউবার থেকে অভিনেতা হয়ে ওঠা সালমান মুক্তাদির অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ে করেছেন। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    rnrn

    দিশা ইসলামকে বিয়ে করার পর সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারীদের সমালোচনার মুখে পড়েন সালমান। বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সাবেক প্রেমিকাদের কাছ থেকে প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি তিনি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন।

    rnrn

    সালমান লেখেন- ‘আমার একজন প্রাক্তন ক্রমাগত আমাকে অপেক্ষায় রাখে এবং অবশেষে সে আমাকে বিয়ে করেনি। অন্যজন আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
    rnতিনি আরও লেখেন- আরেকজন বলেছিল, ‘বিয়ের জন্য সে প্রস্তুত নয়। অবশেষে আমি এটা শিখেছি যে, যতক্ষণ কেবল আপনার সঙ্গে কথোপকথন চলে, ততক্ষণ সবাই আপনাকে বিয়ে করতে চায়। সত্যিই কেউ আপনাকে বিয়ে করে না। কেউ আপনাকে যথেষ্ট ভালোবাসে না।’

    অনলাইন ডেস্ক

  • প্রধানমন্ত্রীকে বলে আমাকে দেশ থেকে বের করে দেন: হিরো আলম

    আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘আপনাদের যদি এতই রুচিতে বাধে, তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলে আমাকে দেশ থেকে বের করে দেন, নাহলে জেলখানায় বন্দি করে রাখুন। অন্যথায় লাইভে এসে আত্মহত্যা করে দেশটাকে রেহাই করে যাব।'

    rnrn

    রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে নাট্যজন মামুনুর রশীদ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ সব কথা বলেন। 

    rnrn

    রোববার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। 

    rnrn

    অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

    rnrn

    ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। 

    rnrn

    মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

    rnrn

    মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়। ’

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • লাইভে এসে হিরো আলম আত্মহত্যার হুমকি দিলেন

    আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘আপনাদের মতো রুচিসম্পন্ন মানুষের কারণে যদি আমি আত্মহত্যা করি, তবে এর দায় আপনাদেরই নিতে হবে।’

    rnrn

    রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে নাট্যজন মামুনুর রশীদ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ সব কথা বলেন। 

    rnrn

    রোববার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। 

    rnrn

    অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

    rnrn

    ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। 

    rnrn

    মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

    rnrn

    মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়। ’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেওয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন। ’

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইউটিউবার প্রত্যয় হিরণ গ্রেফতার

    ভিডিও ও নাটকে জুয়ার প্রচারণার অভিযোগে জনপ্রিয় ইউটিউবার প্রত্যয় হিরণ এবং তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। 

    তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাটকের ফাঁকে ফাঁকে আন্তর্জাতিক জুয়ার সাইটের প্রচারণা করে ভিডিও বানাত তারা। ইউটিউব ও ফেসবুকের ভিডিওতে এজেন্টের মাধ্যমে বিদেশি জুয়ার প্ল্যাটফরমের বিজ্ঞাপন চালাত প্রত্যয় হিরণ ও তার সহযোগীরা।

    ইতোমধ্যে এ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশি নজরদারিতে ছিল প্রত্যয় হিরণ ও তার সহযোগীরা। পরে ওই মামলার ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় তাদের। এ ছাড়া দেশে জুয়ার এসব বিজ্ঞাপনের প্রচার চালাচ্ছে, ‘আজাইরা লিমিটেড’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল। বর্তমানে তাদের প্রায় সাড়ে চার মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার রয়েছে!

    জানা গেছে, ভারতীয় একটি এজেন্সির সঙ্গে বিজ্ঞাপনের জন্য এজেন্ট হয়ে বাংলাদেশে কাজ করত আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তি। আর বিশ্বব্যাপী জুয়ার সাইট ওয়ানএক্সবেট, বাবুএইটিএইট, ক্রিকেক্স নামের জুয়ার সাইটের বিজ্ঞাপনের প্রতি ভিডিওর জন্য এক লাখ ১০ হাজার টাকা করে নিত প্রত্যয় হিরণরা।

    ডিবি সাইবার ক্রাইম ইউনিটের উপকমিশনার তারেক বিন রশিদ বলেন, ওরা দীর্ঘদিন ধরেই অনলাইনে জুয়ার বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছিল। তাদের গ্রেফতার করার পর আমরা জানতে পারি যে, দেশের বাইরে থেকে একটি চক্র এসব অনলাইন বিজ্ঞাপনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। তারা ভারতীয় এজেন্টদের সহায়তায় জনপ্রিয় ইউটিউবারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জুয়ার সাইটের বিজ্ঞাপন দেয়।

    অনলাইন জুয়া থেকে অনেক অপরাধের জন্ম দেয় বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা। সেই সঙ্গে ইউটিউব ছাড়াও অন্য যে কোনো মাধ্যমে জুয়ার প্রচারণা দেখলে সরাসরি অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছে ডিবি পুলিশ।

    বিনোদন ডেস্ক