Tag: আফসোস

  • যে প্রস্তাব ফিরিয়ে এখন আফসোস করেন সাইফ

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের শুরুর দিকে ‘চকোলেট হিরো’ তকমা ছিল তার ক্যারিয়ারে। কিন্তু বয়স যত বাড়ে, সাইফের সাফল্যও তত বাড়তে থাকে। নিজেকে ভাঙতে থাকেন অভিনেতা। খলচরিত্রেও নিজেকে সফলভাবে পর্দায় প্রতিষ্ঠা করেছেন। 

    শুরুটা হয়েছিল বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত ‘ওমকারা’ সিনেমার মাধ্যমে। ‘ল্যাংরা ত্যাগী’র চরিত্রে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন অভিনেতা। 

    কিন্তু আক্ষেপ রয়ে গেছে, যে দৃশ্যে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সাইফ। নগ্ন না হতে পারার। সিনেমাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে সাইফকে নগ্ন হওয়ার কথা বলেছিলেন পরিচালক বিশাল। কিন্তু কথা রাখেননি। এখন আফসোস করেন অভিনেতা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফ আলি খান নিজেই জানিয়েছিলেন সেই কথা। পরিচালক মনে করেছিলেন– সাইফ নগ্ন হয়ে সংলাপ বললে দৃশ্যটির তাৎপর্য আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে, প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। কিন্তু অভিনেতা কথা শোনেননি।

    তিনি বলেন, পরিচালক চেয়েছিলেন পুরো দৃশ্যটি কম আলোয় পেছন থেকে শুটের কথা। কিন্তু নগ্ন হওয়ার প্রস্তাবে রাজি হইনি। পাল্টা শর্ত রেখে তিনি বলেছিলেন— শোনো, আমি নগ্ন হলে, তোমাকে (পরিচালক) আর চিত্র নির্দেশককে নগ্ন হতে হবে। 

    কিন্তু সাইফের সেই প্রস্তাবে রাজি হননি বিশাল। সাইফের মুখের ওপরেই না বলে দেন পরিচালক। এর পর সাইফও আর নগ্ন হয়ে ক্যামেরার সামনে আসেননি। 

    কিন্তু পরবর্তীকালে তা নিয়েই আক্ষেপ প্রকাশ করে সাইফ বলেন, আমি যখন পেছনে ফিরে তাকাই, মনে হয় কাজটা আমার করা উচিত ছিল। এটা একটা নতুন ধরনের চিন্তা ছিল সেই সময়ের জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মানুষ আমার প্রেমে পড়ে, আমি পড়ি না: পরীমনি

    প্রেম, বিয়ে কিংবা বিচ্ছেদের কারণে বারবার হয়েছেন সংবাদের শিরোনাম ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনি। বর্তমানে ‘সিঙ্গেল মাদার’ হিসেবে বেশ আনন্দেই সময় কাটছে তার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার প্রেম, বিয়ে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন।

    পরীমনি বলেন, মানুষ আমার প্রেমে পড়ে, আমি পড়ি না। নায়কদের সঙ্গে প্রেম হয় না। একজনের সঙ্গে হয়েছিল, বাচ্চা হওয়ার পরে সব শেষ। এসব নিয়ে আমার অনুশোচনা হয় না।

    তিনি বলেন, খুব সাধারণ জীবন যাপন করার চেষ্টা করি। আমার পাশে সেরকম কোনো মানুষ নেই যে কাঁধে হাত রেখে সান্ত্বনা দিবে যখন কান্না করি। আমার নিজে নিজে কান্না বন্ধ করতে হয়।

    অভিনেত্রী বলেন, যদি বুঝতাম আমরা কী চাই তাহলে জীবনটা অনেক সাজানো গোছানা থাকত কোনো ভুল থাকত না।

    আমি মরে যায়নি পাগল হয়ে যাওয়ার কথা ছিল উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, অনেক কিছু ঘটেছে আমার সঙ্গে তবে আলহামদুলিল্লাহ কোনো আফসোস নেই। আমি জীবনকে অনেক সহজ করে দেখি।

    পরী আরও বলেন, দুঃখ হয়, কান্না পাই, আমিও তো মানুষ। যা মানুষের হয় আমারও তা হয় পরী বলে তো আসলে পরীদের মতো জীবন যাপন না আমার, মানুষের মতো জীবন যাপন করি। বাঁচতে ভালোবাসি আমার জীবনটাকে অনেক ভালোবাসি। যে জীবনকে ভালোবাসে তার তো এগিয়ে যেতে হবে। আমি সবার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি আমার কথা বলার আলাদা জোন আছে। আমি দুই চার মিনিটে বুঝে যায় আসলে তার সঙ্গে আমার এক ঘণ্টা কথা বলার জায়গাটা আছে না নেই। আমার যেখানে জমবে না আমি ওখানে থাকি না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরে আফসোস করার থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা ভালো, মালাইকা প্রসঙ্গে অর্জুন

    বলিউড অভিনেতা আরবাজ খানের সঙ্গে প্রেম করেই বিয়ে করেন মালাইকা আরোরা। ডিভোর্সের আগেই নতুন প্রেমিকের হাত ধরেছিলেন মালাইকা। প্রেমে পড়েছিলেন ননদ অর্পিতা খান শর্মার সাবেক প্রেমিক অর্জুন কাপুরের। অর্জুনের থেকে বয়সে ১২ বছরের বড় মালাইকা, তবু কত প্রেম! সেসময় এই জুটিকে দেখে একথাই বলতেন অনুরাগীরা। হাঠাৎ প্রেমিক অর্জুন কাপুর সামাজিকমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘পরে আফশোস করার থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক ভালো।’

    সম্প্রতি পালিত হয়েছে আর্জুনের জম্মদিন। অর্জুন এই পোস্ট দেখে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, তবে কি মালাইকার সঙ্গে সম্পর্ককেই ভুল বলে মনে হচ্ছিল অর্জুনের?

    গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে অর্জুন-মালাইকার প্রেমও ভেঙে যাচ্ছে। বিচ্ছেদের গুঞ্জনই শোনা যাচ্ছে। যদিও অর্জুন কিংবা মালাইকা এই বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খোলেননি। তবে গত ২৬ জুন অর্জুনের জন্মদিনে মালাইকার অনুপস্থিতিই সব স্পষ্ট করে দিয়েছে। তার ওপর অর্জুন ও মালাইকার সামাজিকমাধ্যমে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টও বিচ্ছেদের আগুনে ঘি ঢেলেছে। ফের একবার নিজের ইনস্টাস্টোরিতে অকপট স্বীকারোক্তি দিয়েছেন অর্জুন।

    তবে শুধু অর্জুনই নন, বনি পুত্রের জন্মদিনে মালাইকা লিখেছিলেন, ‘আমি এমন লোকদের পছন্দ করি যাদের আমি চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারি’। তার এই পোস্ট দেখেও সামাজিকমাধ্যমে প্রশ্ন ছিল, কে তার বিশ্বাসে এই আঘাত হানল? অর্জুন? 

    গত ২৬ জুন, অর্জুন কাপুরের জন্মদিন উদযাপনে তার মুম্বইয়ের বাড়িতে আয়োজিত পার্টিতে ছিলেন বরুণ ধাওয়ান, জাহ্নবী কাপুর, আদিত্য রায় কাপুর এবং মাহিপ কাপুর, অর্জুন বোন অংশুলা কাপুরসহ পরিবারের অনেক সদস্য। সেদিন মালাইকা যাননি, এমনকি তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কোনো পোস্টও শেয়ার করেননি। 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই বলিপাড়ায় অর্জুন-মালাইকা বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অর্জুনের পরিবারের একাধিক সদস্যকে সামাজিকমাধ্যমে ‘আনফলো’ করে দেন মালাইকা। তাতেই শুরু হয় জল্পনা। অর্জুনের পরিবারের সঙ্গে কোনোদিনই মালাইকার বিশেষ ভাব জমেনি। বরং শোনা যায়, ডিভোর্সি, এক সন্তানের মা মালাইকাকে কোনোদিনই নিজের একমাত্র ছেলের বউমা করতেরাজি নন বনি কাপুর। যদিও অর্জুন এসব বাধা সত্ত্বেও মালাইকার সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে গেছে। 

    তবে সম্প্রতি পিঙ্কভিলা সূত্রে খবরে বলা হয়েছে, অর্জুন-মালাইকা আলাদা হয়ে গিয়েছেন। তবে তারা কেউই এই প্রেম-বিচ্ছেদ নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি করতে রাজি নন। চান না কেউ এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলুক। এবিষয়ে তার চুপচাপ একে অপরের থেকে দূরত্ব বজায় রাখছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ছাইয়া ছাইয়ার’ প্রস্তাব ফিরিয়ে অভিনেত্রীর আফসোস

    নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এবং সফল অভিনেত্রী ছিলেন রবিনা টন্ডন। সেই সময়ে ‘দিলওয়ালে’ থেকে ‘মোহরা’, ‘খিলাড়িও কা খিলাড়ি’, ‘বড় মিয়া ছোট মিয়া’, ‘দুলহে রাজা’র মতো একাধিক ছবিতে কাজ করে বিখ্যাত হয়েছেন অভিনেত্রী। 

    rnrn

    সম্প্রতি অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সেই সময়ে একাধিক আইটেম গানে নাচ করার অফারও পেয়েছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘ছাইয়া ছাইয়া’ গানটির অফার। 

    rnrn

    কিন্তু তিনি সেই অফার ফিরিয়ে দেন। পরবর্তীকালে ‘ছাইয়া ছাইয়া’ গানটির জন্য জনপ্রিয় হন মালাইকা আরোরা।

    rnrn

    রবিনা সম্প্রতি বলেছেন, এখন আফসোস হয়। মণি স্যার, শাহরুখ দুজনেই আমায় ফোন করেছিল গানটি করার জন্য। কিন্তু আমি তখন চাইনি আমার সঙ্গে আইটেম গার্ল ভাবমূর্তিটা জুড়ে যাক।

    rnrn

    অভিনেত্রী আরও বলেন, আমি তখন মাত্রই একটা বিরতি কাটিয়ে কাজে ফিরছি। আমি চাইনি কোনো কম গুরুত্বের ছবিতে কাজ করতে। বরং আন্দাজ আপনা আপনি বা মোহরা ছবিতে আমায় যেভাবে দেখা গিয়েছিল সেভাবে ফিরতে চেয়েছিলাম। আমি এমন ছবি চাইছিলাম যেখানে আমি একমাত্র নায়িকা থাকব; কিন্তু এ অফার ফিরিয়ে দেওয়ার কষ্ট আমার আজও হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এ আর রহমানকে ‘অবহেলা’ করে আজও আফসোস অলকা-শানুর

    ১৯৯২ সালে তামিল সিনেমা ‘রোজা’তে সংগীত পরিচালনা করেন এ আর রহমান। সেটাই তার ক্যারিয়ারের বাঁক বদলে বড় অবদান রাখে। 

    rnrn

    অথচ এ আর রহমান চেয়েছিলেন সেই গানগুলো অলকা ইয়াগনিক আর কুমার শানুর গলায় তুলতে। কারণ নব্বইয়ের দশকে হিন্দি সিনেমার বহু গান জনপ্রিয় করেছেন অলকা এবং কুমার শানু জুটি।

    rnrn

    তিন দশক ধরে গান গেয়ে যাওয়া শিল্পী অলকা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘রোজায়’ গাওয়ার প্রস্তাব পেয়ে তিনি কুমার শানুকে ফোন করেছিলেন। প্লেব্যাক করব কি করব না, বুঝতে পারছিলাম না। তখন কুমার শানুর সঙ্গে কথা বলি। আমরা কেউ রহমানকে চিনতাম না। তাই কাজ করা হয়নি।

    rnrn

    কুমার শানু কি বলেছিলেন-সেই প্রশ্নে অলকা বলেন, শানু বলেছিলেন, এ আর রহমান কে? প্রস্তাব আমার কাছেও এসেছে, কিন্তু কে যাবে ওখানে গান গাইতে!

    rnrn

    আসলে অলকা ইয়াগনিক ও কুমার শানু কেউই এ আর রহমানের পরিচয় জানতেন না। তাই দুজনে আলোচনা করে রহমানের গানে গলা দিতে অস্বীকৃতি জানান। 

    rnrn

    তবে অলকা এখন মনে করেন, এ আর রহমানের ওই প্রস্তাবে গুরুত্ব না দেওয়া ছিল ‘ভুল’ সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, রেডিওতে আমি প্রথম রোজা সিনেমার গান শুনি। রহমানের সুর দুর্দান্ত। গানগুলো শোনার পর বারবার মনে হয়েছে যে, আমি কাজ করতেই পারতাম।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, সেটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। ‘রোজা’ সিনেমার গানের অ্যালবাম মুক্তি পাওয়ার পর আমি যখন সেগুলো শুনি, তখন আমার দেওয়ালে মাথা ঠুকতে ইচ্ছা করছিল।

    rnrn

    অলকা আরও বলেন, রহমানের সঙ্গে তাল সিনেমা গান গাওয়ার সময় প্রথম দেখা হতেই আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, আমি ‘রোজা’ সিনেমায় গান গাইনি।

    বিনোদন ডেস্ক